Tag: Central Government

  • ‘তিন মাসের সামগ্রী …’ যুদ্ধের আবহে রেশন নিয়ে রাজ্যগুলোকে বড় নির্দেশ কেন্দ্রের

    ‘তিন মাসের সামগ্রী …’ যুদ্ধের আবহে রেশন নিয়ে রাজ্যগুলোকে বড় নির্দেশ কেন্দ্রের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যত সময় এগোচ্ছে ততই ইরান-ইজরায়েল (Iran Israel War)-এর সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। সেইসঙ্গে দফায় দফায় অশান্ত হয়ে উঠছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলি। কখন, কোথা থেকে হামলা হতে পারে কেউ বলতে পারে না। একপ্রকার ভয়ে রীতিমতো কাঁটা হয়ে আছেন বিশ্ববাসী। এদিকে সমগ্র ঘটনার ওপর নজর রাখছে ভারত। ভারত শান্তির পথেই আছে বলে জানানো হয়েছে। যদিও কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়ে এবার দেশের রাজ্যগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দিল কেন্দ্রের মোদী সরকার। আর এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে রেশন (Rationing) সংক্রান্ত। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    রাজ্যগুলিকে ৩ মাসের রেশন মজুদ করার নির্দেশ কেন্দ্রের

    জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন রাজ্যগুলিকে আগামী ৩ মাসের রেশন মজুদ করার নির্দেশ দিয়েছে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। ইতিমধ্যে বহু বিশেষজ্ঞ বলতে শুরু করেছেন, এই সংঘাতের আঁচ ভারতে পড়তে পারে। দাম বাড়তে পারে জিনিসের। সংকট দেখা দিতে পারে গ্যাস, খাদ্য, তেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের। ফলে কোনওরকম রিস্ক না নিয়ে আগাম সতর্ক থাকছে কেন্দ্র বলে মনে করা হচ্ছে।

    ভারতে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা?

    এহেন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, দেশে কি তবে শীঘ্রই খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে? ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে জিনিসপত্র? সেই বিষয়ে এখনই কিছু পরিষ্কার জানা না গেলেও, সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় খাদ্য মন্ত্রক দেশের সব ক’টি রাজ্যের খাদ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে আগামী তিন মাসের চাল-গম আগাম তুলে নিয়ে রেশন ডিলারদের কাছে পৌঁছে দিতে বলেছে। নিয়ম অনুযায়ী, এক মাসের চাল–গম আগাম তুলে রাখা। তবে এখন যেহেতু পরিস্থিতি অন্য, তাই এক মাসের জায়গায় তিন মাসের চাল–গম তুলে রাখার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ মধ্যবিত্তদের মুখে হাসি, অনেকটাই দরপতন সোনা, রুপোর! আজকের রেট

    সূত্রের খবর, সরকার মনে করছে পরিবহণ জ্বালানির সঙ্কট তৈরি হলে রেশনের চাল–গম ডিলারদের কাছে পৌঁছে দিতে সমস্যা হবে। তাই গণ–বণ্টন ব্যবস্থা যাতে ঠিকঠাক থাকে, সাধারণ মানুষের কোনও সমস্যা না হয় সেটার জন্য আগে থেকেই তৈরি থাকছে সরকার বলে মনে কয়রা হচ্ছে। যদিও আগামী দিনে কী হয় এখন সেটাই দেখার।

  • যুদ্ধ আবহে আরব দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের নিরাপদে দেশে ফেরাতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    যুদ্ধ আবহে আরব দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের নিরাপদে দেশে ফেরাতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য। ইরানের মরণ কামড়রের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে আরব দেশগুলিও। ইতিমধ্যেই আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কাতার, কুয়েত, দোহা সহ একাধিক দেশে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে জোরালো হামলা চালিয়েছে ইরান। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর তার দেশের রোষানলে পড়েছে UAE র জনপ্রিয় শহর দুবাইও। সব মিলিয়ে, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের আক্রমণ এবং ইরানের পালটা আক্রমণে অস্থিরতা ক্রমশ বাড়ছে আরব দেশগুলিতে। এবার সেদিকে কড়া নজর রেখেই বিভিন্ন গল্ফ কান্ট্রিতে আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ পদক্ষেপ করল নয়া দিল্লি (India Special Rescue Flights)।

    ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে তৎপর কেন্দ্র

    দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আরব দুনিয়ায় চরম সংঘাতের পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়। সেই বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়, মঙ্গলবার অর্থাৎ 3 মার্চ জেদ্দা থেকে ভারতের বিভিন্ন শহরে মোট 10টি বিমান চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই বিমান গুলি আরব দেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনবে।

    রিপোর্ট বলছে, ইতিমধ্যেই ভারতের তরফে জেদ্দার সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে আকাশ পথ সুস্থ থাকলে এবং যাবতীয় প্রয়োজনীয় অনুমতি মিললে ভারতের বিশেষ বিমান গুলি জেদ্দা থেকে ভারতীয়দের উদ্ধার করে ভারতে নিয়ে আসবে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি জানিয়েছেন, “আরব দেশ থেকে ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে তৎপর কেন্দ্র। আমরা সব রকম ভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি।”

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায়, “আরব দেশগুলিতে যেখানেই ভারতীয়রা বিপদে রয়েছেন সেখান থেকে নিরাপদে তাদের ফিরিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভারত সরকার। এর আগে আমরা ইউক্রেন থেকেও আমাদের দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে এনেছিলাম। ভারতীয়দের সুরক্ষা আমাদের কাছে প্রথম অগ্রাধিকার।”

    অবশ্যই পড়ুন: সেমিফাইনালের আগেই ভারতীয় দল ছাড়লেন সূর্যকুমার, হার্দিক পান্ডিয়া এবং শিবম দুবে? বড় খবর!

    প্রসঙ্গত, গত রবিবার রাতে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতি দেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বৈঠক ডাকা হয়। সেখানেই গল্ফ কান্ট্রিতে আটকে থাকা ভারতীয়দের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সাথে দ্রুত কীভাবে তাদের বিপদ থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা যায় তা নিয়েও হয় জোরালো আলোচনা। আর তারপরেই জেদ্দা থেকে ভারতের বিভিন্ন শহর মিলিয়ে বিশেষ বিমান পরিষেবা চালু করল নরেন্দ্র মোদি সরকার। আশা করা হচ্ছে, এই বিমানগুলিই নিরাপদে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে পারবে।

  • মূল বেতনের সঙ্গে মিশে যাবে ৫০% DA? সরকারি কর্মীদের জন্য বড় খবর

    মূল বেতনের সঙ্গে মিশে যাবে ৫০% DA? সরকারি কর্মীদের জন্য বড় খবর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অষ্টম বেতন পে কমিশনের (8th Pay Commission) গঠনের অপেক্ষায় দিন গুনছেন সরকারি কর্মীরা। অষ্টম বেতন পে কমিশনের জন্য যে কমিটি গঠন করা হয়েছে সেখান থেকে রিপোর্ট আসতে এখনও নয় নয় করে ১৮ থেকে ২০ মাস সময় লাগতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অপরদিকে বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন, ফেডারেশনগুলি অষ্টম বেতন পে কমিশন, বেতন বৃদ্ধি, ডিএ (Dearness allowance) বৃদ্ধি সহ একাধিক জিনিস দ্রুত লাগু করার জন্য চাপ বাড়াচ্ছে বলে খবর। এই বিষয়ে সম্প্রতি ফেডারেশন অফ ন্যাশনাল পোস্টাল অর্গানাইজেশন বা FNPO নাকি অষ্টম বেতন পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাস্টিস রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইকে চিঠি অবধি লিখেছে। কী আছে সেই চিঠিতে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    অষ্টম বেতন পে কমিশন নিয়ে ফের চিঠি সরকারকে

    জানা গিয়েছে, ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে FNPO সরকারের কাছে মহার্ঘ্য ভাতার (DA) ৫০% মূল বেতনের সাথে একীভূত করার আবেদন জানিয়েছে। চিঠিতে ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে “অন্তর্বর্তীকালীন ত্রাণ” হিসাবে বাস্তবায়নের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অর্গানাইজেশনের দাবি, মুদ্রাস্ফীতি কর্মীদের প্রকৃত মজুরি হ্রাস করেছে এবং তাদের ক্রয় ক্ষমতাকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করেছে। ফলে যত দ্রুত সম্ভব সরকার এই বিষয়ের ওপর দৃষ্টি নিক্ষেপ করুক।

    DA-র সঙ্গে বেতন মেলালে কী সুবিধা হবে?

    বিগত কয়েক বছরে খাদ্য, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা পরিষেবা এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম অতিরিক্ত মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের উপর আর্থিক চাপ বেড়েছে। আগে দেখা গিয়েছে, যখনই ডিএ ৫০% অতিক্রম করেছে, তখনই বেতন কমিশন মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব কমাতে এর একটি অংশ মূল বেতনের সাথে একীভূত করার সুপারিশ করেছে। যেহেতু এইচআরএ অর্থাৎ বাড়ি ভাড়া ভাতা, পরিবহন ভাতা এবং গ্র্যাচুইটির মতো সুবিধাগুলি মূল বেতনের উপর নির্ভর করে, তাই ডিএ একীভূত হওয়ার ফলে এগুলিও বৃদ্ধি পাবে। এটি দীর্ঘমেয়াদে কর্মীদের জন্য উপকারী হবে।

    আরও পড়ুনঃ টানা ৩ মাস বাতিল একাধিক ট্রেন, যাত্রা সংক্ষিপ্ত ৩০ এক্সপ্রেসের! তালিকা দিল রেল

    এছাড়াও অষ্টম বেতন কমিশনের চূড়ান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত করতে এবং বাস্তবায়ন করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। ততক্ষণ পর্যন্ত কর্মীদের স্বস্তি দেওয়ার জন্য এই অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে মনে কয়রা হচ্ছে। এদিকে সরকার যদি এই দাবি মেনে নেয়, তাহলে সরকারি কর্মীদের বেতনে কিছু পরিবর্তন হতে পারে যেমন, মূল বেতন বৃদ্ধির সাথে সাথে আপনার বাড়ি ভাড়া ভাতাও বৃদ্ধি পাবে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পেনশন এবং গ্র্যাচুইটি নতুন মূল বেতনের উপর গণনা করা হবে, যার কারণে তারা আরও বেশি টাকার মুখ এখতে পাবেন। এছাড়াও বাদবাকি ভাতাগুলিও অটোমেটিকভাবে বৃদ্ধি পাবে। এতে আখেরে লাভ সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকদেরই হবে। এখন দেখার সরকার এই দাবিগুলি মেনে নেয় কিনা।

  • ক্রিকেট বোর্ডের নাম থেকে মুছতে হবে ভারত বা ভারতীয় শব্দ, কঠোর পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    ক্রিকেট বোর্ডের নাম থেকে মুছতে হবে ভারত বা ভারতীয় শব্দ, কঠোর পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ক্রিকেট বোর্ডের নামের সাথে যুক্ত থাকাবে না ভারত বা ভারতীয় শব্দ। হ্যাঁ, এবার দেশের নাম ক্রিকেট বোর্ডের নাম থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government On Cricket Board)। জাতীয় ক্রীড়া সংস্থা দ্বারা স্বীকৃত না হওয়ায় ভারত বা ভারতীয় শব্দ ব্যবহার না করার বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিশেষভাবে সক্ষম ভারতীয় ক্রিকেট সংসদ বা ডিসিসিআইকে।

    বিশেষভাবে সক্ষম ভারতীয় ক্রিকেট সংসদ সহ 3 সংগঠনকে চিঠি কেন্দ্রের

    একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে একটি চিঠি গিয়েছে বিশেষভাবে সক্ষম ভারতীয় ক্রিকেট সংসদের সচিব রবি কান্ত চৌহানের কাছে। সেই চিঠিতে কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সরকার স্বীকৃত ক্রীড়া সংগঠনই পারে নিজেদের নামের সাথে ভারত শব্দটি ব্যবহার করতে। এছাড়া অন্য কোনও সংস্থা এই কাজ করতে পারবে না। করে থাকলে দ্রুত নিজেদের নাম থেকে ভারত বা ভারতীয় শব্দটি বাদ দিতে হবে।

    সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকার ওই চিঠিতে স্পষ্ট করেছে, ভারত বা ভারতীয় শব্দ নিজেদের সংগঠনের নামের সাথে ব্যবহার করছিল কয়েকটি সংস্থা। যে বিষয়টা নজরে এসেছে সম্প্রতি। তাই দ্রুত সংগঠনগুলিকে নিজেদের নাম থেকে ভারত বা ভারতীয় শব্দ মুছে ফেলতে হবে। শোনা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ভারতীয় মহিলা ফুটবল সংস্থা এবং ভারতীয় বডি বিল্ডার্স সংস্থাকেও একই চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে ভারত এবং ভারতীয় নাম নিজেদের নাম থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা জানানোর পাশাপাশি নির্দেশ না মানলে কঠোর শাস্তির বিষয়টিও মনে করিয়ে দেয় কেন্দ্র।

     

    অবশ্যই পড়ুন: মার্চে টানা বন্ধ থাকবে স্কুল, দেখে নিন শিক্ষা পর্ষদের ছুটির তালিকা

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে চিঠি পেতেই ডিসিসিআই সচিব রবি কান্তের কাতর আবেদন, দয়া করে কেন্দ্রীয় সরকার যেন তাঁদের সংস্থাকে স্বীকৃতি দেয়। তাঁর বক্তব্য, এই স্বীকৃতি তাঁদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। কারণ বিশেষভাবে সক্ষমদের ক্রিকেট তাঁরাই চালায়। তাঁরাই বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে এশিয়া কাপ এমনকি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ সহ জাতীয় স্তরের বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকেন। বলে রাখি, উল্লেখিত তিন সংস্থা ছাড়াও ভারতে ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা অর্থাৎ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বা BCCI-ও জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার স্বীকৃত সংস্থা নয়। কিন্তু তাও এই সংস্থাকে চিঠি দেয়নি কেন্দ্র।

  • মিলবে ৩৬,০০০ টাকা পেনশন! বড় স্কিম সরকারের

    মিলবে ৩৬,০০০ টাকা পেনশন! বড় স্কিম সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনারও কি বাড়িতে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়? সরকারের কাছ থেকে টাকা পেতে চান? তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনটি রইল শুধুমাত্র আপনার জন্য। আজ আপনাদের সরকারের এমন একটি স্কিম সম্পর্কে তথ্য দেব যেখানে আপনি আবেদন করলে এবং যোগ্য হিসেবে প্রমাণিত হলে মাসে ৩০০০ টাকা এবং বছরে ৩৬,০০০ টাকা অবধি পেতে পারেন। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। আজ কথা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনা (PM Kisan Mandhan Yojana) নামে একটি মাসিক পেনশন প্রকল্প নিয়ে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ৩০০০ টাকা করে দেবে মোদী সরকার

    প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনা হল একটি পেনশন প্রকল্প যা বিশেষভাবে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য তৈরি কয়রা হয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে, যখন একজন কৃষক ৬০ বছর বয়সী হলে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা নির্দিষ্ট পেনশন পাওয়ার যোগ্য হবেন। এই প্রকল্পের সুবিধা কেবলমাত্র সেইসব কৃষকদের জন্য উপলব্ধ হবে যাদের বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, যাদের ২ হেক্টর বা তার কম চাষযোগ্য জমি আছে এবং যারা ভারতীয় নাগরিক।

    আরও পড়ুনঃ মার্চে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের জন্য একগাদা ছুটি, দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    এই পরিমাণ অর্থ সরাসরি তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ট্রান্সফার করা হয়। এই প্রকল্পের অধীনে, কৃষকদের তাদের বয়সের উপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে একটি ছোট পরিমাণ জমা দিতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনও কৃষক ২৯ বছর বয়সে এই প্রকল্পে যোগদান করেন, তাহলে তাদের প্রতি মাসে ১০০ টাকা অবদান রাখতে হবে।

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনা সিএসসি কেন্দ্র নিবন্ধন – এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া খুবই সহজ। কৃষকদের তাদের নিকটতম সিএসসি কেন্দ্রে (সাধারণ পরিষেবা কেন্দ্র) যেতে হবে। আপনার আধার কার্ড, ব্যাংক পাসবুক এবং জমির প্রমাণ (জমির নথি) সাথে আনতে হবে। সিএসসি কেন্দ্রে রেজিস্ট্রেশন করার পরে, কৃষক একটি অনন্য পেনশন আইডি নম্বর পাবেন। কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি এই প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত হবে এবং মাসিক অবদানের পরিমাণ অটোমেটিকভাবে কেটে নেওয়া হবে। এই প্রকল্পের আরও তথ্য এবং আরও বিশদে জানার জন্য https://nfwpis.da.gov.in/Home/PMKisanMaandhanYojana ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন।

  • গর্ভবতী মহিলাদের ৫০০০, কন্যা সন্তান হলে ৬০০০ দিচ্ছে সরকার, কীভাবে আবেদন?

    গর্ভবতী মহিলাদের ৫০০০, কন্যা সন্তান হলে ৬০০০ দিচ্ছে সরকার, কীভাবে আবেদন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: গর্ভবতী মহিলাদের জন্য রইল দারুন সুখবর। এবার আবেদন করলেই পেয়ে যাবেন ৫০০০ টাকা অবধি। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। আজ কথা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী মাতৃবন্দনা যোজনা (Pradhan Mantri Matru Vandana Yojana) নিয়ে। এই প্রকল্পটি প্রথম ২০১০ সালে চালু হয়েছিল এবং ২০১৭ সালে এর নাম পরিবর্তন করে PMMVY রাখা হয়েছিল। এই প্রকল্পের লক্ষ্য গর্ভবতী এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের পুষ্টিকর খাবারের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা, স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক কীভাবে প্রধানমন্ত্রী মাতৃবন্দনা যোজনা থেকে উপকৃত হবেন এবং এর জন্য কীভাবে আবেদন করবেন।

    গর্ভবতী মহিলাদের ৫০০০ টাকা দিচ্ছে সরকার

    জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের অধীনে, প্রথম সন্তানের জন্য তিনটি কিস্তিতে মোট ৫,০০০ প্রদান করা হয়। প্রথম কিস্তি হিসেবে ১০০০ টাকা গর্ভাবস্থার প্রাথমিক নিবন্ধনের পরে দেওয়া হয়, দ্বিতীয় ২,০০০ টাকা গর্ভধারণের ছয় মাস পর কমপক্ষে একটি প্রসবপূর্ব চেকআপের পরে দেওয়া হয় এবং তৃতীয় কিস্তির ২,০০০ টাকা শিশুর জন্ম নিবন্ধন এবং প্রথম টিকা দেওয়ার পরে দেওয়া হয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, যদি দ্বিতীয় সন্তান কন্যা হয়, তাহলে অতিরিক্ত ৬,০০০ টাকা দেয় সরকার যা স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের আর্থিক বোঝা কমাতে সাহায্য করে। এই নগদ সহায়তা সরাসরি একটি ব্যাংক বা পোস্ট অফিস অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়।

    আরও পড়ুনঃ পুরনো নিয়ম বাতিল EPFO-র! এখন সরাসরি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা, কীভাবে?

    যোগ্যতা কী?

    এই প্রকল্পটি ১৯ বছরের বেশি বয়সী বিবাহিত মহিলাদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এসসি/এসটি, প্রতিবন্ধী, বিপিএল কার্ডধারী, আয়ুষ্মান ভারত, ই-শ্রম, অথবা কিষাণ সম্মান নিধি কার্ডধারী মহিলারা অগ্রাধিকার পাবেন। সন্তানের জন্মের ২৭০ দিনের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে, অন্যথায় সুযোগটি হাতছাড়া হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে এই স্কিম অনেক মহিলার জীবন বদলে দিয়েছে বলে খবর।

    আরও পড়ুনঃ ২০ গুণ বাড়তে পারে এই ভাতা! নতুন পে কমিশনে সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    অনলাইনে আবেদনপত্র pmmvy.wcd.gov.in ওয়েবসাইটে সহজেই করা যাবে, যেখানে আধার কার্ড, ব্যাংক পাসবুক এবং MCP কার্ডের মতো নথি আপলোড করতে হবে। অফলাইন ফর্মগুলি নিকটতম অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জমা দেওয়া যেতে পারে। ফর্ম 1A, 1B এবং 1C যথাক্রমে কিস্তির জন্য। সরকার সম্প্রতি আবেদন প্রক্রিয়াটি সহজ করেছে যাতে প্রতিটি মহিলা উপকৃত হতে পারেন। যদি আপনার কোনও সমস্যা হয়, তাহলে হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে পারেন।