Tag: Central Government

  • মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা! ৩১ মার্চের পর বকেয়া DA নিয়ে সুখবর শোনাবে সরকার?

    মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা! ৩১ মার্চের পর বকেয়া DA নিয়ে সুখবর শোনাবে সরকার?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অষ্টম বেতন পে কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে অপেক্ষার মাঝেই সামনে এল সুখবর। কপাল ভালো থাকলে মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা অবধি বকেয়া। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু বিভিন্ন সূত্র মারফত এমনটাই শোনা যাচ্ছে। যত সময় এগোচ্ছে লক্ষ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মধ্যে অষ্টম বেতন কমিশন নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। এসবের মাঝেই বকেয়া টাকা কে কত পেতে পারেন সেটা নিয়ে একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে।

    কে কত বকেয়া পেতে পারেন?

    সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট অনুসারে, কমিশনের সুপারিশগুলি বাস্তবায়িত হলে কর্মচারীরা ২০ মাসের বকেয়া বেতন পেতে পারেন। এই টাকার পরিমাণ প্রায় ৩.৬ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে, যা কর্মচারীদের জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। বিভিন্ন বেতন স্তরের কর্মচারীরা বিভিন্ন পরিমাণে বকেয়া পেতে পারেন। কম মূল বেতনের কর্মচারীরা বেশি সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে বললে, লেভেল ১,যাদের মূল বেতন ১৮,০০০ টাকা, সেই সকল কর্মচারীরা ৩.৬ লক্ষ থেকে ৫.৬৫ লক্ষ টাকার মধ্যে পেতে পারেন। অন্যদিকে, লেভেল ৮ যাদের মূল বেতন মূল বেতন ৪৭,৬০০ টাকা, সেসব কর্মচারীরা ৯.৫ লক্ষ থেকে ১.৫ মিলিয়ন টাকার মধ্যে পেতে পারেন।

    বড় ভূমিকা পালন করবে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর

    অষ্টম বেতন কমিশনে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সপ্তম বেতন কমিশনে এটি ছিল ২.৫৭, কিন্তু এবার সরকার ২.০ এবং ২.৫৭-এর মধ্যে বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করছে। এদিকে, কর্মচারী সংগঠনগুলো এটিকে ৩.০ থেকে ৩.২৫ পর্যন্ত বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছে। এই দাবি মেনে নেওয়া হলে, ন্যূনতম মূল বেতন ১৮,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৪,০০০ টাকা হতে পারে, যা কর্মচারীদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে।

    আরও পড়ুনঃ কাটবে LPG সংকট, রাজ্যগুলিতে ২০% গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা কেন্দ্রের

    এখন সকলের প্রশ্ন, কবে লাগু হবে অষ্টম বেতন পে কমিশন? একটি নতুন বেতন কমিশন সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর পর গঠিত হয়। এই রীতি অনুসরণ করে, অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশগুলো ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কমিশনের প্রধান হলেন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই এবং এটি ১৮ মাসের মধ্যে তার রিপোর্ট জমা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এবং নতুন বেতন কাঠামোটি কার্যকর করবে।

  • এপ্রিলে একসাথে মিলবে ৩ মাসের রেশন, বড় ঘোষণা কেন্দ্র সরকারের

    এপ্রিলে একসাথে মিলবে ৩ মাসের রেশন, বড় ঘোষণা কেন্দ্র সরকারের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দেশজুড়ে কোটি কোটি রেশন (Ration) গ্রাহকদের জন্য বিরাট সুখবর শোনাল কেন্দ্র সরকার (Government of India)। এপ্রিল মাসেই উপভোক্তারা হাতে পেতে চলেছেন বিরাট উপহার। হ্যাঁ, খাদ্য এবং গণবণ্টন মন্ত্রকের সাম্প্রতিক একটি ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী এপ্রিল মাসে উপভোক্তাদের একসঙ্গে তিন মাসের খাদ্যশস্য দেওয়া হবে। আর এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশেষ করে নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলি বিশেষ উপকৃত হবে।

    একসঙ্গেই মিলবে তিন মাসের রেশন

    কেন্দ্রীয় খাদ্য মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, এপ্রিল মাসে উপভোক্তারা এপ্রিল, মে এবং জুন এই তিন মাসের বরাদ্দ চাল এবং গম একসঙ্গে সংগ্রহ করতে পারবেন। এর কারণে বারবার রেশন দোকানে গিয়ে ঝামেলা পোহানোর দরকার পড়বে না। উপভোক্তারা নিজেদের সুবিধা মতো স্থানীয় রেশন ডিলারদের কাছ থেকে খুব সহজেই এই তিন মাসের খাদ্যশস্য বুঝ করে নিতে পারবে।

    এবার নিশ্চয়ই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, কেন হঠাৎ করে তিন মাসের রেশন একসঙ্গে দেওয়া হচ্ছে? আসলে কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের কোনও কারণ এখনো পর্যন্ত জানানো হয়নি। কিন্তু বিশেষজ্ঞ মহল এর পিছনে সম্ভাব্য কিছু কারণ উল্লেখ করছে। প্রথমত, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কেন্দ্র কৃষকদের কাছ থেকে নতুন গম কেনা শুরু করবে। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় গুদামগুলোতে নতুন ফসল রাখার জায়গা তৈরি করার জন্যই রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, তারা যেন জুন মাস পর্যন্ত প্রয়োজনীয় খাদ্যশস্য আগেভাগেই তুলে নেয়। আর সমস্ত রাজ্য সরকারকে আগেই কেন্দ্র থেকে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে যাতে তারা সেন্ট্রাল স্টক থেকে দ্রুত শস্য সংগ্রহ করে বণ্টন প্রক্রিয়া শুরু করে। সেই কারণেই এবার ৩ মাসের রেশন একসাথে দেওয়ার পথে সরকার।

    আরও পড়ুন: আসানসোলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতু, চাঞ্চল্য এলাকায়

    প্রসঙ্গত, বিনামূল্যে রেশন প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ ও শহর উভয় এলাকার পরিবারগুলোর জন্য এই সুবিধা দেওয়া হবে। কেন্দ্রের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এপ্রিল মাসে একবারে তিনগুণ শস্য হাতে আসার কারণে সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা বাড়বে। এমনকি খাদ্যশস্য বণ্টনের সাথে যাতে কোনও ধরনের অনিয়ম না হয়, তার জন্য প্রত্যেকটি রাজ্য সরকারগুলিকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর কোনও উপভোক্তা যদি তিন মাসের রেশন পেতে সমস্যার সম্মুখীন হয়, সেক্ষেত্রে জেলা খাদ্য দফতরে সরাসরি অভিযোগ জানানো যাবে।

  • সঞ্চার সাথীর পর এবার এই অ্যাপ স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক করছে কেন্দ্র!

    সঞ্চার সাথীর পর এবার এই অ্যাপ স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক করছে কেন্দ্র!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সঞ্চার সাথীর পর এবার এক বিশেষ অ্যাপ (Mobile App) প্রত্যেকের স্মার্টফোনে ইনস্টল করা বাধ্যতামূলক করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government)। আর তা নিয়েই এবার বেঁকে বসেছে বেশ কিছু মোবাইল সংস্থা। নরেন্দ্র মোদি সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ঘোর বিরোধিতা করছেন তারা। সংস্থাগুলি চাইছে, দ্বিতীয় কোনও সরকারি অ্যাপ যেন নতুন করে স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক না করা হয়।

    কোন অ্যাপ স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক করতে চায় বিজেপি সরকার?

    সংবাদ সংস্থা রয়টার্স দাবি করেছে, গত জানুয়ারিতেই প্রত্যেকটি মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাকে স্মার্টফোনে mAdhar আধার বা মাই আধার অ্যাপটি প্রি ইনস্টল করে দিতে বলা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি সরকার খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের স্বার্থে এই অ্যাপ মোবাইলে রাখতেই হবে। এই আধার অ্যাপ দিয়ে ভারতের যেকোনও নাগরিক তাদের মোবাইল নম্বর থেকে শুরু করে নাম, অভিভাবকের নাম এমনকি ঠিকানা সংশোধন কিংবা বদল করতে পারবেন।

    মূলত সাধারণ মানুষের মুখের দিকে চেয়ে এই নতুন আধার অ্যাপটিকে প্রতিটি স্মার্টফোনে প্রি ইনস্টল করে দেওয়ার জন্য মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা গুলির কাছে আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্র। তবে কিছু সংস্থা কেন্দ্রকে সাহায্য করতে চাইলেও অ্যাপেল, স্যামসাংয়ের মতো সংখ্যাগুলি কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে সায় দেয়নি। এমন বক্তব্যের স্বপক্ষে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির দাবি, mAdhar আধার অ্যাপটিকে স্মার্টফোনে প্রি ইনস্টল করতে হলে ভারতের বাজারে বিক্রি হওয়া মোবাইলগুলির জন্য আলাদা করে প্রোডাকশন লাইন তৈরি করতে হবে। এর জন্য সংস্থাগুলির আলাদা করে অনেকটাই খরচ পড়ে যাবে। ফলে সরকারের এমন পদক্ষেপের বিরোধিতা করছে তারা। এখন দেখার এমন সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত কার্যকর হয় কিনা।

    অবশ্যই পড়ুন:   “অজিঙ্কা রাহানেকে ফের অধিনায়ক করে বড় ভুল করে ফেলল KKR”

     

    উল্লেখ্য, এর আগে সঞ্চার সাথি নামক অ্যাপটি মোবাইল ফোনে ইন্সটল করা বাধ্যতামূলক করেছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই সময় অবশ্য গোপনীয়তা অধিকার লঙ্ঘন করার অভিযোগ তুলে আপত্তি জানিয়েছিল মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। সেই বিতর্ক আজ পর্যন্ত কাটেনি।

  • ঘরে বসেই আধার কার্ডে বাবা অথবা স্বামীর নাম ও নতুন ঠিকানা যুক্ত করুন, রইল পদ্ধতি

    ঘরে বসেই আধার কার্ডে বাবা অথবা স্বামীর নাম ও নতুন ঠিকানা যুক্ত করুন, রইল পদ্ধতি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আধার কার্ড প্রয়োজন প্রায় সব ক্ষেত্রেই (Aadhaar Card New Update)। ব্যাঙ্কিং পরিষেবা থেকে শুরু করে নতুন সিম কার্ড তোলা, সর্বত্রই এই গুরুত্বপূর্ণ নথিটি কাজে লাগে। তবে আধার কার্ডে কেয়ার অফ বা অভিভাবকের নাম উল্লেখ থাকা বাধ্যতামূলক। অনেক সময় মহিলাদের বিয়ের পর তাঁদের অভিভাবক হন স্বামী। ফলে সেক্ষেত্রে অনেকেই অভিভাবকের নামের জায়গায় বা কেয়ার অফে নিজের স্বামীর নাম বসাতে চান। আগে পঞ্চায়েতের শংসাপত্র দিয়ে এই কাজ করা গেলেও বর্তমানে তা যথেষ্ট কঠিন। তবে চিন্তা নেই, দেশের নাগরিকদের কষ্ট কমাতে অনলাইনে যাতে এই ধরনের কাজ করা যায় সেদিকেই নজর দিয়েছে UIDAI।

    পরিবর্তন করা যাবে ঠিকানাও

    আধার কার্ডে অভিভাবকের নাম পরিবর্তন করার পাশাপাশি যে কেউ নিজের ঠিকানাও পরিবর্তন করে নিতে পারবেন অনলাইনেই। এর জন্য অবশ্য আবেদনকারী এবং যাঁর নাম যুক্ত করা হচ্ছে তাঁর আধার কার্ডের সাথে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক। UIDAI সূত্রে খবর, অনলাইনে যদি কেউ অভিভাবকের নাম পরিবর্তন করেন সে ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তাঁর বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন হয়ে যাবে। পরবর্তীতে পরিবারের প্রধানের আঁধার কার্ডে যে ঠিকানা রয়েছে সেই ঠিকানা চলে আসবে আবেদনকারীর আধার কার্ডে।

    কীভাবে আধার কার্ডে অভিভাবকের নাম এবং ঠিকানা পরিবর্তন করবেন?

    নিজের আধার কার্ডে অভিভাবকের নাম এবং ঠিকানা পরিবর্তন করতে প্রথমেই myAadhaar পোর্টালে গিয়ে লগইন করে নিন। এরপর সেখান থেকে অ্যাড্রেস আপডেট মেনুতে ক্লিক করে হেড অফ ফ্যামিলি বেসড অ্যাড্রেস অপশনে ক্লিক করুন। এবার যাঁর অ্যাড্রেস বা নাম দিতে চাইছেন অর্থাৎ বাবা বা স্বামীর আধার নম্বর লিখে ড্রপ ডাউন থেকে তাঁর সাথে আপনার সম্পর্ক বেছে নিন। এরপর সামনে আশা স্বঘোষিত পত্রটি গ্রহণ করে 75 টাকা পেমেন্ট করে দিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যাবে আপনার অভিভাবকের নাম এবং ঠিকানা।

    অবশ্যই পড়ুন: বিকেলে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ৭০ কিমি বেগে ঝড়, বৃষ্টি! দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাগুলোয় সতর্কতা

    বলে রাখা প্রয়োজন, অনলাইনে আবেদন করে টাকা জমা দেওয়ার পর প্রাপ্ত রশিদ থেকে SRN নম্বরটি নিজের কাছে রেখে দিন। পরবর্তী ধাপে বাবা অথবা স্বামীর আধার নম্বর দিয়ে আবার পোর্টালে লগইন করতে হবে। সেখান থেকে ড্যাশবোর্ডের নিচে থাকা মাই হেড অফ ফ্যামিলি রিকোয়েস্ট অপশনে ক্লিক করে সেখান থেকে SRN নম্বরটি লিখে আবেদনটি অ্যাক্সেপ্ট করলেই গোটা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। এর মধ্যে দিয়ে আসলে যাঁর নাম এবং ঠিকানা আপনার আধার কার্ডে বসতে চাইছেন তাঁর কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হল।

  • বিমানের ৬০ শতাংশ আসন পছন্দ করতে পারবেন একেবারে ফ্রিতে, নয়া নিয়ম DGCA-র

    বিমানের ৬০ শতাংশ আসন পছন্দ করতে পারবেন একেবারে ফ্রিতে, নয়া নিয়ম DGCA-র

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিমান যাত্রীদের জন্য চরম সুখবর (Airplane Free Seats)। এবার থেকে বিমানের অন্তত 60 শতাংশ সিট বা আসন অতিরিক্ত কোনও খরচ ছাড়াই পছন্দ করতে পারবেন যাত্রীরা। সেই মর্মেই, নির্দেশিকা জারি করেছে দেশের অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক (Ministry of Civil Aviation)। জানানো হয়েছে, এবার থেকে বিমানে পছন্দসই আসন গ্রহণের ক্ষেত্রে ফ্লাইটের টিকটের খরচের বাইরে অতিরিক্ত কোনও চার্জ দিতে হবে না যাত্রীদের। এক কথায়, বিমানে কোন সিটে ভ্রমণ করবেন সেটাও নিখরচায় বেছে নিতে পারবেন আপনি।

    নির্দেশিকায় ঠিক কী জানিয়েছে বিমান মন্ত্রক?

    সাধারণত এতদিন বিমানে আসন পছন্দ করার ক্ষেত্রে যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিত বিভিন্ন বিমান সংস্থাগুলি। টিকিট কাটার পরেও সিট পছন্দ করার জন্য আলাদা করে চার্জ করা হতো যাত্রীদের। তবে অসামরিক বিমান মন্ত্রক নির্দেশিকা জারি করে খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এই কাজ আর করা যাবে না। অর্থাৎ অন্তত 60 শতাংশ আসন যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ছেড়ে রাখতে হবে।

    শুধু তাই নয়, ওই নির্দেশিকায় বিমান মন্ত্রক এও জানিয়েছে , একই PNR নম্বরে যদি কেউ টিকিট কেটে থাকেন সেক্ষেত্রে যাত্রীদের আসন পাশাপাশি দিতে হবে। অর্থাৎ একই পরিবারের দুজন সদস্য কিংবা আত্মীয় অথবা বন্ধুদের সিট পাশাপাশি রাখতে হবে বলেই নির্দেশিকা জারি করেছে অসামরিক বিমান মন্ত্রক। এতদিন পাশাপাশি সিট পাওয়ার জন্য অতিরিক্ত খরচ গুনতে হতে যাত্রীদের। অনেকেই সেই অর্থ দিতে না পারায় আত্মীয় স্বজন বা পরিজনের থেকে দূরের সিট পেতেন।

     

    অবশ্যই পড়ুন: বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না! নেইমার বললেন, “আমার হাতে নেই”

    এছাড়াও যাত্রীদের প্রয়োজনীয় গান-বাজনা কিংবা খেলাধুলার সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাশাপাশি বিমানে যাওয়ার সময় পোষ্যদের নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও বিমান সংস্থাগুলির মতামত কী সেটাও জানতে চাওয়া হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, বিমান ছাড়তে দেরি হলে কিংবা কোনও কারণে ফ্লাইট ক্যান্সেল হলে তার কারণ যাত্রীদের জানাতে হবে বিমান সংস্থার ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং এয়ারপোর্ট কাউন্টার থেকে। পাশাপাশি বিমান সংস্থাগুলিকে এ-ও বলা হয়েছে, যাত্রীদের ভাষা বোঝার ক্ষেত্রে সমস্যা হলে তারও সমাধান করতে হবে তাদের। গুরুত্ব দিতে হবে আঞ্চলিক ভাষার উপর। কেন্দ্র বলছে, বিমানে যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাতে যাত্রীদের আগামী দিনে কোনও রকম সমস্যা না হয় সেদিকেই নজর রেখে এমন নির্দেশিকা জারি করা হল।

  • শিবালিক ও নন্দাদেবীতে করে ভারতে এল ৯৩ হাজার মেট্রিক টন LPG, গ্যাস নিয়ে চিন্তা শেষ?

    শিবালিক ও নন্দাদেবীতে করে ভারতে এল ৯৩ হাজার মেট্রিক টন LPG, গ্যাস নিয়ে চিন্তা শেষ?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দেশে LPG সংকটের (LPG Crisis) মধ্যেই ফের মিলল স্বস্তির খবর। শিবালিক কার্গোর পর এবার 47 হাজার মেট্রিক টন LPG নিয়ে হরমুজ পেরিয়ে গুজরাতের ভাডিনার বন্দরে এসে পৌঁছেছে জাহাজ নন্দাদেবী। আর এই জাহাজের আগমনের পরই প্রশ্ন উঠছে এবার কি তাহলে দেশজুড়ে LPG গ্যাসের (Gas Service) সংকট কাটবে? বলাই বাহুল্য, এর আগের জাহাজ অর্থাৎ শিবালিক একবারে 46 হাজার মেট্রিক টন পেট্রোলিয়াম গ্যাস নিয়ে গুজরাত বন্দরে পৌঁছেছিল।

    অবশেষে কাটতে চলেছে LPG সংকট?

    প্রথম জাহাজ শিবালিকের পর গুজরাত বন্দরে এসে পৌঁছন নন্দাদেবীতে যে পরিমাণ তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস রয়েছে তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের দাবি, 47 হাজার মেট্রিক টন LPG দিয়ে গোটা দেশের একদিনের LPG সংকট কাটানো যাবে। শিবালিক জাহাজে যে পরিমাণ LPG রয়েছে তা দিয়ে ভারতের প্রায় সাড়ে 32 লাখ পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে গ্যাস।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিবালিক এবং নন্দাদেবী এই দুই জাহাজে করে বিপুল পরিমাণ গ্যাস ভারতে আসার ফলে এবার অন্তত দেশে গ্যাসের সরবরাহ ঠিক হবে। তবে এই দুই জাহাজের তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস দিয়ে গোটা দেশের LPG সংকট দীর্ঘদিনের জন্য কাটানো সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ভারতে আগামী দিনের LPG সংকট এড়াতে পারস্য উপসাগরে আটকে থাকা ভারতের 24টি জাহাজকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে।

    তাঁদের বক্তব্য, পারস্য উপসাগরে দাঁড়িয়ে থাকা তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস বহনকারী জাহাজগুলি একে একে ভারতে ঢুকতে শুরু করলে তবেই LPG গ্যাসের সংকট কাটানো সম্ভব হবে। শুধু তাই নয়, গৃহস্থালী এবং বাণিজ্যিক গ্যাসের সরবরাহ আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হলে ইরানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ভাল রেখে পশ্চিম এশিয়া থেকে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস আমদানি অব্যাহত রাখতে হবে নয়া দিল্লিকে। তবেই দেশে গ্যাসের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। তবে এখনই বাণিজ্যিক এবং রান্নার গ্যাসের দাম কমবে কিনা তা নিয়ে কোনও উত্তর নেই।

     

    অবশ্যই পড়ুন: বাংলার গুরুত্বপূর্ণ রুটে একাধিক ট্রেন বাতিল করল রেল, সমস্যায় পড়বেন যাত্রীরা

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমেরিকা এবং ইজরায়েল ও তাদের বন্ধু দেশগুলি ছাড়া বিশ্বের বাকি দেশ হরমুজ দিয়ে নিরাপদে জ্বালানি নিয়ে যেতে পারবে। তাদের জাহাজে হামলা চালাবে না তেহরান। তবে ভারতের জাহাজকে ছাড়পত্র দেওয়ার নেপথ্যে আলাদা করে নয়া দিল্লির সাথে তেহরানের কোনও বিনিময় চুক্তি হয়নি সে কথা জানিয়ে দিয়েছেন বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

  • পেট্রোল-ডিজেল কিনতে যাওয়ার আগে সাবধান! কড়া নির্দেশিকা জারি সরকারের

    পেট্রোল-ডিজেল কিনতে যাওয়ার আগে সাবধান! কড়া নির্দেশিকা জারি সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ পেট্রোল-ডিজেল নিয়ে নয়া অ্যাডভাইজারি জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government)। আপনিও কি এখন পেট্রোল পাম্পে গিয়ে তেল ভরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? তাহলে আপনার জন্য রইল জরুরি খবর। সরকার এমন এক নির্দেশিকা জারি করেছে যারপর সবটা না জানলে খালি হাতেই ফিরতে হবে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    পেট্রোল-ডিজেল নিয়ে নয়া অ্যাডভাইজারি জারি সরকারের

    পেট্রোল পাম্পগুলি আর খোলা পাত্রে পেট্রোল বিক্রি করবে না। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানিয়েছে যে খোলা পাত্রে পেট্রোল সরবরাহ করলে যে কোনও পেট্রোল পাম্পের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সম্প্রতি, তামিলনাড়ুর চেন্নাইতে একটি ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে খোলা ক্যানে পেট্রোল ভর্তি করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানার পর, মন্ত্রক কেবল তাৎক্ষণিকভাবে পাম্পটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, বরং দেশব্যাপী একটি নতুন নির্দেশিকাও জারি করেছে।

    আরও পড়ুনঃ এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও?

    এক্স হ্যান্ডেলে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক নাগরিকদের আলগা বা অনুপযুক্ত পাত্রে পেট্রোল বা ডিজেল সংরক্ষণ না করার জন্য একটি পরামর্শ জারি করেছে। জানানো হয়েছে, “আমাদের নজরে এসেছে যে তামিলনাড়ুর একটি খুচরা বিক্রেতা আলগা পাত্রে পেট্রোল সরবরাহ করছে, যা অনিরাপদ এবং অযৌক্তিক।”

    জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে?

    এলপিজির দাম বৃদ্ধির পর এখন সকলে আশঙ্কা করছেন পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির। কী বলছে সরকার? সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি পোস্টে, মন্ত্রক আবারও জানিয়েছে যে সারা দেশে পেট্রোল এবং ডিজেলের পর্যাপ্ত রয়েছে এবং গ্রাহকদের কাছে অনুপযুক্তভাবে জ্বালানি সংরক্ষণ না করার আবেদন জানানো হচ্ছে।

  • মিনিটে কাটা যাবে ১ লাখ ২৫ হাজার টিকিট, তৎকাল বুকিং নিয়েও ভোগান্তি দূর করছে রেল

    মিনিটে কাটা যাবে ১ লাখ ২৫ হাজার টিকিট, তৎকাল বুকিং নিয়েও ভোগান্তি দূর করছে রেল

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এক্সপ্রেস ট্রেনের রিজার্ভেশন করাতে গেলে বহু ঝক্কি পোহাতে হয় যাত্রীদের (Indian Railways)। কখনও অনলাইনে সার্ভার ডাউন, কখনও আবার পেজই খোলে না (IRCTC Train Ticket Booking)। এদিকে অফলাইনে রিজার্ভেশন করাতে গেলে টিকিট কাউন্টারের সামনে লম্বা লাইন। সব মিলিয়ে, এক্সপ্রেস ট্রেনের রিজার্ভ টিকিট কাটতে হলে দীর্ঘ কাটখড় পোড়াতে হয় আমজনতাকে। এবার সেই ঝামেলাই পুরোপুরি মিটিয়ে ফেলতে চাইছে ভারতীয় রেল। জানা যাচ্ছে, যাত্রীদের সুবিধার্থে এবার 1 হাজার কোটি টাকার বিরাট প্রকল্পের আওতায় রিজার্ভেশন টিকিট বুকিংয়ের গোটা সিস্টেম বদলে ফেলবে রেল।

    মিনিটে বুক করা যাবে 1 লাখ 25 হাজার টিকিট

    এক্সপ্রেস ট্রেনের রিজার্ভেশন করাতে গিয়ে আর যাতে যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে না হয় সেজন্যেই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় রেল। রেল সূত্রে খবর, হাজার কোটির প্রকল্পের অধীনে এবার টিকিট বুকিং এর গোটা সিস্টেম বদলে যাবে। এর ফলে নতুন টিকিট বুকিং সিস্টেমের হাত ধরে প্রতি মিনিটে 1 লাখ 25 হাজার ট্রেনের টিকিট বুক করা সম্ভব হবে। বর্তমানে যেখানে এক মিনিটে বুক করা যায় মাত্র 25 হাজার টিকিট।

    সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেমসের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পিক আওয়ার অর্থাৎ সকাল আটটা থেকে তৎকাল বুকিং এর সময়ও টিকিট পাবেন যাত্রীরা। তৎকাল টিকিটের জন্য এখন থেকে আর নিজের ভাগ্যকে দোষ দিতে হবে না। জানা যাচ্ছে, এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে নতুন PRS চালু হয়ে যাবে। একই সাথে রেলের কয়েকজন আধিকারিক জানাচ্ছেন, নতুন সিস্টেম চালু হলে এবার থেকে আর টিকিট সোল্ড আউটের সমস্যায় পড়তে হবে না যাত্রীদের।

    আসলে এতদিন যাত্রীদের তুলনায় কয়েক গুণ গতিতে একপ্রকার ঝড়ের বেগে সমস্ত টিকিট বুক করে নিতো বট। এবার আর সেই সমস্যায় পড়তে হবে না। এর ফলে ভুয়ো বা ফেক অ্যাকাউন্ট থেকে টিকিট বুকিং এর দৌরাত্ব শেষ হবে। রেল সূত্রে খবর, IRCTC ইতিমধ্যেই আড়াই কোটি ভুয়ো ইউজার আইডি ব্লক করে দিয়েছে। জানা যাচ্ছে নতুন টিকিট বুকিং সিস্টেমে এমন কিছু থাকছে যা বটদের টিকিট বুক করার সুযোগই দেবে না।

    অবশ্যই পড়ুন: “ICC-র থেকে কেউ বড় নয়”, বাংলাদেশের T20 বিশ্বকাপ বয়কট নিয়ে গর্জে উঠলেন জয় শাহ

    প্রসঙ্গত, রেলের তরফে এই যে নতুন সিস্টেম চালু হতে চলেছে তাতে প্রতিটি স্তরের রাউটার, হার্ডওয়্যার এবং ইন্টারনেট লিঙ্ক আপগ্রেড করা থাকবে। শোনা যাচ্ছে, 5 হাজার 788টি রাউটারের মধ্যে থেকে প্রায় তিন হাজার রাউটার বদলে ফেলা হয়েছে। ওদিকে 5 হাজার বুকিং টার্মিনালের মধ্যে সাড়ে তিন হাজার টার্মিনালে নতুন অ্যাপ্লিকেশন চালু হয়েছে ইতিমধ্যেই। রেল বলছে, এই অবস্থায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন আসবে Fortran 77 এ লেখা 40 বছরেরও বেশি পুরনো সফটওয়্যারে। এই সফটওয়্যার বাতিল করে নতুন সিস্টেম হবে Red Hat Linux ও ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্মে। এর ফলে রেল চাইলেই ইচ্ছেমতো বিক্রেতা বেছে নিতে পারবে।

  • ১৮ মাসের বকেয়া DA মিলবে? যা জানল কেন্দ্র সরকার

    ১৮ মাসের বকেয়া DA মিলবে? যা জানল কেন্দ্র সরকার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) বা মহার্ঘ্য ভাতা কি আদৌ মিলবে? এই প্রশ্ন এখন সকল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীর। ২০২০ এবং ২০২১ সালে কোভিড-১৯ মহামারীর সময় সরকার কেন্দ্রীয় কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য মহার্ঘ্য ভাতা/মহার্ঘ্য ত্রাণের তিনটি কিস্তি আটকে রেখেছিল। মহামারী শেষ হওয়ার পর, কর্মচারী ইউনিয়ন এবং কর্মচারী প্রতিনিধি সংস্থাগুলি মহামারী চলাকালীন আটকে রাখা DA-র ১৮ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়িয়েই চলেছে। তবে এখনও অবধি সেই টাকা মেলেনি। আদৌ কি মিলবে? জবাব দিল কেন্দ্র।

    ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ শোধ করবে কেন্দ্র?

    এই বিষয়টি সংসদেও বেশ কয়েকবার উত্থাপিত হয়েছিল, কিন্তু মোদী সরকার বলেছিল যে অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে তারা কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দিতে পারবে না। ২০২০ সালের মার্চ মাসে যখন কোভিড-১৯ এর প্রথম ঢেউ দেশে আঘাত হানে, তখন আর্থিক পরিস্থিতির উপর চাপ কমাতে সরকার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ এবং ডিআর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেয়। পরবর্তীকালে, ডিএ-ডিআর বৃদ্ধি তিনটি কিস্তিতে স্থগিত করা হয়েছিল – জানুয়ারি ২০২০, জুলাই ২০২০ এবং জানুয়ারি ২০২১। এই স্থগিত মোট ১৮ মাস স্থায়ী ছিল। এদিকে অর্থ বর্ষ শেষ হওয়ার আগে ফের বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন সরকারি কর্মীরা। টাকা মিলবে? জবাব দিল কেন্দ্র।

    কী বলছে কেন্দ্র?

    কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে কর্মচারীরা আশাবাদী ছিলেন যে সরকার ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। কর্মচারী সংগঠনগুলি এই দাবিটি বেশ কয়েকবার উত্থাপন করেছে। তবে, প্রতিটি সংসদ অধিবেশনে যখনই এই প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, সরকার একই উত্তর দিয়েছে, বকেয়া পরিশোধের কোনও পরিকল্পনা নেই। কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে ধারাবাহিকভাবে বলে আসছে যে ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ পরিশোধের কোনও ইচ্ছা তাদের নেই। সম্প্রতি আবারও সংসদে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে কোভিড-১৯-এর সময় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের ১৮ মাসের মহার্ঘ্য ভাতা এবং মহার্ঘ্য ত্রাণ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কি অর্থনৈতিক ব্যাঘাত এবং সরকারি অর্থের উপর চাপ কমানোর জন্য নেওয়া হয়েছিল?

    আরও পড়ুনঃ সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের শেষ হল বড় কাজ, কবে ছুটবে ট্রেন?

    উত্তরে অর্থ মন্ত্রক বলেছে যে, “সরকারি অর্থায়নের উপর চাপ কমানোর জন্য, কোভিড-১৯-এর কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ব্যাঘাতের প্রেক্ষাপটে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী/পেনশনভোগীদের ১৮ মাসের মহার্ঘ্য ভাতা (DA)/মহার্ঘ্য ত্রাণ (DR) এর তিনটি কিস্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এখনও অবধি মহার্ঘ্য ভাতার বকেয়া অর্থ প্রদান করা সম্ভব বলে মনে করা হয়নি।” অপরদিকে কর্মচারী ইউনিয়নগুলির যুক্তি, এই পরিমাণ কর্মীদের অধিকার এবং এটি আটকে রাখা যথাযথ নয়। বেশ কয়েকটি সংগঠন দাবি করেছে যে অষ্টম বেতন কমিশন কার্যকর হওয়ার সাথে সাথেই সরকারকে ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ পরিশোধ করতে হবে।

  • ১ এপ্রিল থেকেই বেড়ে যাচ্ছে বার্ষিক টোল পাসের দাম, কত খরচ হবে জানুন

    ১ এপ্রিল থেকেই বেড়ে যাচ্ছে বার্ষিক টোল পাসের দাম, কত খরচ হবে জানুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: জাতীয় সড়কে যাতায়াত এবার ব্যয়বহুল হতে চলেছে (Annual Toll Pass Price Hike)। সব ঠিক থাকলে, আগামী পহেলা এপ্রিল থেকেই বার্ষিক টোল পাসের দাম আরও বৃদ্ধি পাবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (National Highways Authority of India) বা NHAI এর তরফে বার্ষিক FASTag বা টোল ফি 3 হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে 3 হাজার 75 টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর জেরেই এবার নতুন আর্থিক বছরের শুরুতেই অর্থাৎ পহেলা এপ্রিল থেকেই বার্ষিক পাসের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে প্রাইভেট এবং কমার্শিয়াল যানবাহনের মালিকদের।

    নতুন নিয়মে বার্ষিক টোল পাসের দাম কত হবে?

    জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ বা NHAI এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার থেকে গাড়ি নিয়ে জাতীয় মহাসড়কের টোল পার করার সময় একপ্রকার পকেটে টান পড়বে সাধারণ মানুষের। কারণ এবার থেকে বার্ষিক পাসের দাম 3000 হাজার টাকার বদলে 3075 টাকা হচ্ছে। তবে বলে রাখা প্রয়োজন, এই পাস মূলত ব্যক্তিগত গাড়ি অর্থাৎ অবাণিজ্যিক যানবাহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ কমার্শিয়াল গাড়ির ক্ষেত্রে এই পাস চলবে না।

    টোল পাসের খরচ বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মতামত, প্রত্যেক বছর টোলের হার পর্যালোচনা করে তা সংশোধন করা হয়। নতুন আর্থিক বছরেও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকছে। তারই অংশ হিসেবে বাড়ছে বার্ষিক পাসের দাম। বলাই বাহুল্য, যদি কারও কাছে অ্যানুয়াল বা বার্ষিক টোল পাস থেকে থাকে তবে তা দেখিয়ে অন্তত 200 বার অথবা এক বছর কোনও রকম অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই টোল প্লাজা অতিক্রম করতে পারবেন গাড়ির চালকরা। পাসের বৈধতা শেষ হলে দ্রুত নতুন পাস তৈরি করতে হবে অথবা রিনিউ করাতে হবে।

    অবশ্যই পড়ুন: নতুন জার্সি প্রকাশ করল KKR, রয়েছে অনেক নতুনত্ব

    প্রসঙ্গত, 2026-27 আর্থিক বছর শুরুর আগেই ভারতের জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষের তরফে প্রত্যেক টোল প্লাজা কর্তৃপক্ষকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, টোল পাস সংক্রান্ত নতুন নিয়ম পহেলা এপ্রিল থেকে এই কার্যকর হয়ে যাবে। সে কারণে এই নতুন নিয়ম সম্পর্কে দ্রুত যাত্রীদের অভিহিত করতে হবে তাদের। একই সাথে সিস্টেমে নতুন দাম আপডেট করতে হবে। সরকার বলছে, টোল সিস্টেমে আয় এবং ব্যয়ের ভারসাম্য বজায় রাখতেই প্রতি বছর ফি পর্যালোচনা করা হয়। এবারেও সেই নিয়মের অন্যথা হচ্ছে না।