Tag: Business

  • ২ লাখ টাকা দেবে কেন্দ্র, প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্র খুলে শুরু করুন নিজের ব্যবসা

    ২ লাখ টাকা দেবে কেন্দ্র, প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্র খুলে শুরু করুন নিজের ব্যবসা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ব্যবসা (Business) শুরুর করবেন বলে ঠিক করছেন, কিন্তু পুঁজি সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে? তাহলে আপনার জন্য রইল দারুণ খবর। কারণ, এবার কেন্দ্রীয় সরকার এমন একটি সুবিধা নিয়ে এসেছে, যেখানে আপনি ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সাহায্য পাবেন ব্যবসার ক্ষেত্রে। আর এই ব্যবসায় প্রতিমাসে মোটা অংকের টাকা আয় করতে পারবেন। হ্যাঁ, আমরা বলছি প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্র (Jan Aushadhi Yojana) খোলার কথা, যেখানে কেন্দ্রের সহায়তাতেই ব্যবসা করে মাস গেলে প্রচুর আয় করার সুযোগ থাকবে।

    দারুণ সুযোগ দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার

    বলে রাখি, কেন্দ্র সরকার প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি পরিযোজনার আওতায় নিজের ব্যবসা করার সুযোগ দিচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল বা যে সমস্ত শহরে ওষুধের দোকানের অভাব, সেখানে এই ওষুধের দোকান খুলে আপনি নিজেই স্বাবলম্বী হতে পারবেন এবং সাধারন মানুষ এখান থেকে সস্তায় ওষুধ কিনতে পারবে। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, এই প্রকল্পে কেন্দ্র সরকারই সুবিধা দেবে। বর্তমান সময়ে চিকিৎসার খরচ সাধারণ মানুষের কাছে এমনিতেই হিমশিম খাওয়া ব্যাপার। সেই সমস্যা সমাধান করতেই এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ করতেই কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রকল্প চালু করেছে।

    বলে দিই, জনঔষধি কেন্দ্র আসলে এমন ধরনের ওষুধের দোকান, যেখানে উচ্চমানের ওষুধ পাওয়া যায়। কিন্তু এই ওষুধের দাম অন্যান্য দোকানের তুলনায় অনেকটাই কম। হ্যাঁ, এই ওষুধগুলোর গুনগত মান আর কার্যকারিতা ব্র্যান্ডেড ওষুধের সমান হলেও দাম ৯০% পর্যন্ত কম হয়ে থাকে। সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ২০২৭ সালের মধ্যেই দেশে আরও ২৫ হাজার জনঔষধি কেন্দ্র গড়ে তোলা। তাই আপনার জন্য হতে পারে এটি সুবর্ণ সুযোগ।

    কারা এখানে আবেদন করতে পারবেন?

    এই জন ঔষধি কেন্দ্র খোলার জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোক্তা বা বেকার ফার্মাসিস্ট হতে হবে। তাহলেই আবেদন করা যাবে। পাশাপাশি রেজিস্টার্ড ডাক্তার বা মেডিকেল প্র্যাকটিশনার হতে হবে, কিংবা কোনও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট বা প্রাইভেট হাসপাতালের তরফ থেকেও এই ঔষধের দোকান খুলতে পারবেন। এছাড়া যে কোনও স্বীকৃত সংস্থাকেও এই ওষুধের দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়ে থাকে। তবে অবশ্যই নিজের কিংবা ভাড়া নেওয়া ১২০ বর্গফুট জায়গা থাকতে হবে। আর আবেদনকারীকে বি.ফার্মা বা ডি.ফার্মা ডিগ্রীধারী হতে হবে।

    কত টাকা সাহায্য পাবেন?

    প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি প্রকল্পের এই কেন্দ্রগুলি স্থাপনের জন্য বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ দেওয়া হয়। সাধারণত ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনসেন্টিভ মেলে আর বিশেষ সহায়তা হিসেবে আরও ২ লক্ষ টাকা পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে মহিলা উদ্যোক্তা, এসসি, এসটি বা প্রাক্তন সেনা কর্মীদের জন্য এই অতিরিক্ত টাকা দেওয়া হয়। আর দোকানের ফার্নিচার বা পরিকাঠামোর জন্য ১.৫০ লক্ষ টাকা সহায়তা করা হয়। এছাড়াও কম্পিউটার, প্রিন্টার বা ইন্টারনেটের জন্য আরও ৫০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা মেলে।

    আরও পড়ুন: ‘নোংরা ইশারা!’ মঞ্চ থেকে পুলিশের উপর চটলেন শিলাজিৎ, কী হয়েছিল গায়কের সঙ্গে?

    আবেদন করবেন কীভাবে?

    এখানে সম্পূর্ণ অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। এর জন্য আপনাকে নিম্নলিখিত ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে—

    • প্রথমে সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট janaushadhi.gov.in-তে যান।
    • এরপর এপ্লাই অনলাইন অপশনটিতে ক্লিক করে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
    • তারপর নিজের প্রয়োজনীয় তথ্য আর দোকানের সমস্ত তথ্য দিয়ে আবেদন ফর্মটি পূরণ করুন।
    • তারপর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করে সাবমিট করে দিন। আবেদন জমা পড়লে বিচার বিভাগীয় যাচাইকরণ সম্পন্ন হলে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করে নেওয়া হবে।
  • ব্যবসার জন্য ১০ লক্ষ দিচ্ছে বিহার সরকার! হাফ টাকা মুকুব, মাধ্যমিক পাসেই আবেদন

    ব্যবসার জন্য ১০ লক্ষ দিচ্ছে বিহার সরকার! হাফ টাকা মুকুব, মাধ্যমিক পাসেই আবেদন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: যুব সমাজকে স্বনির্ভর করার জন্য এবং ছোট শিল্প গড়ে তুলে তুলতে উৎসাহ দেওয়ার জন্য বিরাট সিদ্ধান্ত নিল বিহার সরকার। মুখ্যমন্ত্রী উদ্যমী যোজনা (Mukhyamantri Udyami Yojana) প্রকল্পের আওতায় এবার নির্বাচিত আবেদনকারীদের শিল্প স্থাপনের জন্যই দেওয়া হবে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এই প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণদের ব্যবসার উদ্যোগের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য। ইতিমধ্যে এই প্রকল্পে আবেদন শুরু হয়েছে। বিস্তারিত জানুন এই প্রতিবেদনে।

    কতদিন চলবে আবেদন?

    জানা যাচ্ছে, এই প্রকল্পে আগ্রহী যুবকদের আগামী ১৫ মার্চের মধ্যেই আবেদন করে নিতে হবে। শিল্প দফতরের নির্দেশিকা অনুযায়ী, আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। আর এক্ষেত্রে উল্লেখ করার বিষয়, এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে বিহার সরকারের তরফ থেকে। জেলা শিল্প কেন্দ্রের মহাপরিচালক বিবেক কুমার জানিয়েছেন যে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের শুধুমাত্র আর্থিক সাহায্য নয়, বরং শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ আর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

    জানা যাচ্ছে, এই প্রকল্পের আওতায় সরকার নিজস্ব ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রথমে ১০ লক্ষ টাকা প্রদান করবে। তবে ৫ লক্ষ টাকা সেক্ষেত্রে মুকুব করে দেওয়া হবে। আর বাকি ৫ লক্ষ টাকা আপনাকে কিস্তি হিসেবে পরিশোধ করতে হবে। আপনি এই টাকা ৮৪টি কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন। আর এই প্রকল্পটি মহিলাদের জন্য আরও সুবিধাজনক। কারণ, তাদের ক্ষেত্রে ঋণের উপর কোনও রকম সুদ নেওয়া হবে না। পুরুষদের শুধুমাত্র ১ শতাংশ করে সুদ দিতে হবে।

    কারা পাবে এই সুবিধা?

    এই প্রকল্পটি বিহারের স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য, যারা ইতিমধ্যে সেখানে বসবাস করছে। আর বেকার যুবক-যুবতী, মহিলা, এসসি, এসটি এবং ওবিসি বিভাগগুলি মূলত এই প্রকল্পের জন্য বিশেষভাবে যোগ্য। তাই যদি আপনার কাছে কোনও ব্যবসায়ীক ধারণা থেকে থাকে, তাহলে আপনিও সরকারের কাছ থেকে এই প্রকল্পের মাধ্যমে লোন নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

    আরও পড়ুনঃ ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব’ বকেয়া DA কাণ্ডে বড় ঘোষণা, ঘুরে যাবে খেলা? জল্পনা তুঙ্গে

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    এই প্রকল্পে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। এর জন্য আপনাকে নিম্নলিখিত ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে—

    • প্রথমে udyami.bihar.gov.in অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
    • এরপর নিজের নাম, মোবাইল নম্বর এবং আধার নম্বর লিখে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।
    • তারপর আপনার ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করে ব্যবসায়িক ধারণা নির্বাচন করুন।
    • তারপর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলি আপলোড করে দিন।
    • এরপর ফর্মটি ভালোভাবে পরীক্ষা করে জমা দিন এবং একটি কপি আপনার কাছে রেখে দিন।

    আরও পড়ুন: সিভিকের মতো এবার পথবন্ধু ভলান্টিয়ার নিয়োগ করতে চায় রাজ্য সরকার, কী কাজ করবে?

    কী কী ডকুমেন্ট দরকার হবে?

    এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য যে ডকুমেন্টগুলো দরকার হবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বিহারের আবাসিক সার্টিফিকেট, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট ও সার্টিফিকেট, কাস্ট সার্টিফিকেট, আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড, ব্যাঙ্কের পাসবই, বাতিল চেকের কপি আর পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং স্বাক্ষর।

  • গাধা পালন করার জন্য দেওয়া হচ্ছে ৫০ লক্ষ টাকা! দারুণ স্কিম কেন্দ্র সরকারের

    গাধা পালন করার জন্য দেওয়া হচ্ছে ৫০ লক্ষ টাকা! দারুণ স্কিম কেন্দ্র সরকারের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশুপালন ব্যবসাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য বিরাট পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র সরকার (Government of India)। এবার গাধা পালন (Donkey Breeding) বা খামার গড়ে তোলার জন্য দেওয়া হবে আর্থিক সহায়তা। সরকারি প্রকল্পের আওতায় উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পেতে পারে বলেই জানানো হয়েছে। যার ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি এবং পশুপালন শিল্পে এবার নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    কোন প্রকল্পে এই সুবিধা মিলবে?

    জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রের ন্যাশনাল লাইফ স্টক মিশন প্রকল্পের আওতায় গাধা, ঘোড়া বা উটের প্রজনন খামার গড়ে তোলার জন্যই এই ভর্তুকি প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষ করে পশুপালন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান তৈরি করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার তরফ থেকে। সবথেকে বড় ব্যাপার, এই প্রকল্পের আওতায় মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৫০ শতাংশ পর্যন্তই ভর্তুকি দেওয়া হবে। কিন্তু সর্বোচ্চ ভর্তুকির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে ৫০ লক্ষ টাকা।

    কারা পাবে এই সুবিধা?

    সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত উদ্যোক্তারা, ফার্মার প্রডিউসার অর্গানাইজেশন, স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং জয়েন্ট লায়াবিলিটি গ্রুপ। আর এর মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় ছোট এবং মাঝারি উদ্যোক্তাদের নতুন ব্যবসা শুরু করার সুযোগও তৈরি হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ যুবসাথীর চক্করে কত হাজার কোটির ধাক্কা রাজ্য সরকারের? ভয়ঙ্কর রিপোর্ট দিল RBI

    তবে প্রকল্পের নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, গাধা প্রজনন খামার গড়ে তোলার জন্য কমপক্ষে ৫০টি স্ত্রী গাধা এবং ৫টি পুরুষ গাধা রাখতে হবে। আর এছাড়াও এই প্রকল্পে শুধুমাত্র দেশীয় প্রজাতির পশুপালন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে ভর্তুকির টাকা পাবেন?

    যেমনটা জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রের এই ভর্তুকির টাকা দুটি ধাপে দেওয়া হয়। প্রকল্পের জন্য নেওয়া প্রথম কিস্তি সরাসরি ব্যাঙ্কে ঋণদানের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়। আর দ্বিতীয় কিস্তি খামার নির্মাণ এবং অন্যান্য পরিকাঠামো কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর পরিদর্শন করে দেওয়া হয়। এক কথায়, কেন্দ্রের এই উদ্যোগের ফলে পশুপালন শিল্পে এবার নতুন কোনও মোড় আসবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।