Tag: Bridge

  • আসানসোলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতু, চাঞ্চল্য এলাকায়

    আসানসোলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতু, চাঞ্চল্য এলাকায়

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ভোট আদায়ের তাগিদে প্রতি কেন্দ্রে প্রার্থীদের ভিড় যেন বেড়েই চলেছে। এমতাবস্থায় আসানসোলে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতু (Bridge Collapsed In Asansol), তুমুল উত্তেজনা এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের জন্য ব্রিজ ভেঙে পড়েছে, প্রশাসনের দিকে আঙুল তুলছে সকলে।

    আসানসোলে ভাঙল নির্মীয়মাণ সেতু

    আসানসোল পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়গড় এলাকায় নুনিয়া নদীর উপরে যাতায়াতের সুবিধার জন্য একটি সেতু নির্মাণের কাজ করা হচ্ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার সকালে হুড়মুড়িয়ে সেতুর লোহার কাঠামো ভেঙে পড়ে। সাতসকালে ব্রিজ ভেঙে পরে যাওয়ার আওয়াজে আশেপাশের স্থানীয়রা ছুটে আসেন। হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। জানা গিয়েছে, আজ, সেতুর উপরের অংশে ঢালাই করার কথাও ছিল। এবং বিধানসভা ভোটের আগে সেতুর কাজ শেষ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল স্থানীয়দের। কিন্তু এইভাবে সেতু ভেঙে পড়ায় ক্ষুব্ধ সকলে। অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের জন্য এই পরিণতি।

    সেতু নির্মাণের জন্য দুই কোটি টাকা ধার্য

    বহু বছর ধরে আসানসোলের ধেমোমেন, গোপালপুর, সাতাশা কুলটির সীতারামপুর বিদায়গড়–সহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের প্রায় ২০ হাজার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য সেতু নির্মাণের দাবি তুলেছিলেন স্থানীয়রা। কিন্তু প্রতিবার কোনো না কোনো কারণে এই কাজে বাঁধা আসছিল, তবে এখন যেই কাজ শুরু হচ্ছে ওমনি নির্মিত সেতু ভেঙে পড়েছে। জানা গিয়েছে এই সেতুর জন্য নাকি প্রায় দুই কোটি টাকা ধার্য করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা মন্টু রজক অভিযোগের সুরে জানিয়েছেন, এই সেতু দিয়ে প্রত্যেক দিন বহু মানুষ ও যানবাহণ যাতায়াত করে। তাই উপযুক্ত গুণমানের সামগ্রী ব্যবহার করা না–হলে মানুষের বিপদ বাড়বে। পুর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: টিকিট না পেয়ে একের পর এক বোমা ফাটালেন দিলীপ পত্নী! রিঙ্কুর নিশানায় কে?

    আসানসোলের বিদায়গড় অঞ্চলের মেয়র বিধান উপাধ্যায় জানিয়েছেন, “ব্রিজটা নির্মাণ অবস্থায় কেন এমন হলো, তা নিয়ে বিস্তারিত খোঁজ করা হবে।” সেতু ভাঙার কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। রাজ্য সরকারের একাংশের বিরুদ্ধে চুরি, অবহেলা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা।

  • আগামী রবিবার ফের বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু, কতক্ষণ? জানাল কলকাতা পুলিশ

    আগামী রবিবার ফের বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু, কতক্ষণ? জানাল কলকাতা পুলিশ

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: শিয়রে রয়েছে বিধানসভা ভোট। কিন্তু তার আগে ফের একবার দুর্ভোগের শিকার হতে চলেছেন সাধারণ মানুষ। আসলে আবারও একবার বিদ্যাসাগর সেতু (Vidyasagar Setu) বন্ধ থাকতে চলেছে। আগামী রবিবার সেতুটি বন্ধ থাকবে বলে খবর। এর ফলে নতুন করে সাধারণ মানুষের ব্যাপক হয়রানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। আপনিও কি রোজ এই সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াত করেন? তাহলে আপনার জন্য রইল আজকের খবরটি।

    ফের বন্ধ থাকবে বিদ্যাসাগর সেতু

    বিদ্যাসাগর সেতু প্রসঙ্গে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশ। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১৫ মার্চ, রবিবার রক্ষনাবেক্ষণের জন্য বিদ্যাসাগর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোর ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা অর্থাৎ টানা ১২ ঘন্টা বন্ধ থাকবে সেতুটি। সাধারণ মানুষকে বিকল্প রাস্তা দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে, সেতু বা এর অন্য কোনো পথ দিয়ে কোনও যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না।  হেস্টিংস ক্রসিং হয়ে এজেসি বোস রোড, কেপি রোড এবং সিজিআর রোড সহ বিকল্প রুট দিয়ে যানবাহন চলাচল করানো হবে। হাওড়া এবং স্ট্র্যান্ড রোডের দিকে যাওয়া যানবাহনগুলিকে নির্ধারিত ডাইভারশন অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কেন বন্ধ রাখা হবে?

    প্রশ্ন উঠছে, ফের কেন সেতুটি বন্ধ রাখা হবে?  পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সেতুর স্টে কেবল, হোল্ডিং ডাউন কেবল এবং বেয়ারিং বদলের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত কাজ করা হবে। সেই কারণেই এই সময়ের মধ্যে সেতু এবং তার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত র‌্যাম্প দিয়ে কোনও যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। গত ২০২৩ সাল থেকে কাজ চলছে ব্রিজের। তবে এখনো অবধি সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। এদিকে সামনেই বিধানসভা ভোট রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, আর কতদিন লাগবে কাজ শেষ হতে? উত্তর জানা নেই কারোর।

    আরও পড়ুনঃ ঠাকুরনগর থেকে এক ট্রেনে নৈনিতাল! স্পেশাল ট্রেন দিল রেল, জানুন রুট ও সময়সূচি

    বিকল্প রুট কী?

    পুলিশ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আলিপুর থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর দিকে আসা যানবাহনগুলিকে হেস্টিংস ক্রসিংয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে এবং তারপরে স্ট্র্যান্ড রোড ধরে আরও উত্তরে হাওড়া সেতুর দিকে যেতে নির্দেশ দেওয়া হবে। ডাইভারশন পরিকল্পনা অনুসারে, খিদিরপুর  রোড থেকে সেতুর দিকে যাওয়া যানবাহনগুলিকে ১১ ফার্লং গেট থেকে হেস্টিংস ক্রসিংয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে এবং তারপর স্ট্র্যান্ড রোড ধরে হাওড়া ব্রিজের দিকে যেতে হবে। এছাড়াও সার্কুলার গার্ডেন রিচ রোড ধরে সেতুর দিকে যাওয়া ছোট এবং ভারী যানবাহনগুলি হেস্টিংস ক্রসিং থেকে সেন্ট জর্জেস গেট রোড এবং স্ট্র্যান্ড রোডের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে।

  • ৯৬% কাজ শেষ নতুন চার লেনের ফারাক্কা ব্রিজের, কবে হবে উদ্বোধন?

    ৯৬% কাজ শেষ নতুন চার লেনের ফারাক্কা ব্রিজের, কবে হবে উদ্বোধন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এবার সড়কপথে দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ যাওয়া আরও সহজ হতে চলেছে। কাজ একপ্রকার শেষের পর্যায়ে। আজ কথা হচ্ছে নতুন ফারাক্কা ব্রিজ (New Farakka Bridge) নিয়ে। শিলিগুড়ি এবং কলকাতার মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীরা শীঘ্রই স্বস্তি পাবেন। আসলে গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত ভারতের দীর্ঘতম নতুন ফারাক্কা সেতু শীঘ্রই নাকি উদ্বোধন হতে চলেছে। এই চার লেনের নতুন ব্রিজটি একবার উদ্বোধন হয়ে গেলে ভ্রমণের সময় কয়েক ঘন্টা কমে যাবে।

    কবে উদ্বোধন হবে নতুন ফারাক্কা ব্রিজের?

    এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গঙ্গা নদীর উপর এই নতুন সেতুর নির্মাণকাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যেই সমস্ত পিলার বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। যার ফলে শীঘ্রই যানবাহনগুলি এই চার লেনের সেতুটি ব্যবহার করতে পারবে। পুরাতন ফারাক্কা ব্যারেজের কাছে গঙ্গার উপর ৫.৪৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নতুন চার লেনের সেতুটি এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক, পর্যটন এবং সামাজিক দৃশ্যপটকে বদলে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। ৬২২.০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে এই ব্রিজটি এবং ৯৬% কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

    উপকৃত হবেন উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গের মানুষ

    সম্প্রতি মালদহের জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্প পরিচালক অজয় গেটকার জানান যে এই সেতুটি উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের মানুষের জন্য একটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বপ্ন। উদ্বোধনের পর, এটি কেবল উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের জন্যই নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের বাসিন্দাদের জন্যও উপকারী হবে। এছাড়াও, কলকাতা এবং উত্তরবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।

    আরও পড়ুনঃ এক ধাক্কায় খরচ বাড়ল ৯০ হাজার কোটি, দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন নিয়ে দুঃসংবাদ!

    এর আগে যানবাহন চলাচলের জন্য ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নতুন ফারাক্কা সেতু উদ্বোধনের কথা ছিল। তবে তা পিছিয়ে যায়। যাইহোক, সেতুর উভয় দিকে মোট ৮৮টি পিলার এবং ৮৬টি স্প্যান স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও, সেতুর উভয় পাশে মোট ৩০০টি আলো লাগানোর কাজ শেষ হয়েছে। এই ব্রিজ নির্মাণের ফলে পর্যটন ব্যবসাও আরও উন্নত হবে। কুলিক পাখি অভয়ারণ্য, গৌর মালদা, আদিনা মসজিদ, সেইসাথে দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং এবং সিকিম রাজ্যের মতো পাহাড়ি ডেস্টিনেশনগুলিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের আগ্রহ বাড়বে এবং পর্যটন ব্যবসাও ফুলেফেঁপে উঠবে বলে খবর। যেহেতু ৯৬% কাজ শেষ হয়েছে, তাই ব্রিজের উদ্বোধনের আর খুব বেশি দেরি নেই বলে আশা করাই যায়।