Tag: Birbhum

  • ভোটের আবহে বাড়ছে উদ্বেগ, বীরভূমে উদ্ধার অসংখ্য বিস্ফোরক, আতঙ্ক নলহাটিতে

    ভোটের আবহে বাড়ছে উদ্বেগ, বীরভূমে উদ্ধার অসংখ্য বিস্ফোরক, আতঙ্ক নলহাটিতে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Election 2026) লক্ষ্য করে মঙ্গলবার বিকেলে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রীতিমত এক চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে জেলায় জেলায়। এই অবস্থায় মঙ্গলবার রাতেই বীরভূমে (Birbhum) ট্রাক্টর বোঝাই বিস্ফোরক উদ্ধার করল পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ ভোটের দিন ঘোষণা হতে না হতেই এলাকায় বিস্ফোরক উদ্ধার হচ্ছে তাহলে আগামী দিন কী অপেক্ষা করছে। ঘটনায় তদন্তে নেমেছে নলহাটি (Nalhati) থানার পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    রিপোর্ট মোতাবেক, বীরভূমের নলহাটিতে একটি ট্রাক্টর থেকে প্রায় ১০ হাজার জিলেটিন স্টিক ও ৩৬০টি ডিটোনেটর উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। অভিযোগ, গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার রাতেই অনেকগুলো বাক্স বোঝাই ট্রাক্টর দেখে স্থানীয়দের মনে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। আর সেই সন্দেহ থেকেই আচমকা ট্রাক্টর আটকায় বাসিন্দারা এবং সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় থানায়। এরপরই পুলিশ এসে এই বাক্স খুলতেই দেখে বিস্ফোরক, এক এক করে সবকটাই উদ্ধার করা হয়। আর এই অবস্থায় সুযোগ বুঝে পালিয়েছেন ট্রাক্টর চালক, খোঁজ চলছে তাঁর। এছাড়াও কোথা থেকে এই বিস্ফোরক আনা হয়েছে এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সবটাই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ বিধায়কদের

    নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতেই রাজ্য জুড়ে এক চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এক এক করে সমস্ত রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে আনছে প্রার্থীদের তালিকা। গত সোমবার বিজেপি প্রথম দফায় ১৯২ আসনে এবং গতকাল তৃণমূল ২৯১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। প্রার্থীদের নাম ঘোষণার সময়ই জয়ের টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে বিভিন্ন জেলায় দেখা গেল প্রার্থী নিয়ে বিক্ষোভ। দলের টিকিট না মেলায় দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন চুঁচুড়ার তিনবারের বিধায়ক অসিত মজুমদার। দল ছাড়তে চলেছেন তিনি। এছাড়াও হাওড়া শিবপুরের বিধায়ক মনোজ তিওয়ারি, জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিবেক গুপ্ত, মালদহের কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, সাবিত্রী মিত্র, রত্না দে নাগ, পরেশ পাল-সহ ৭৩ জন বর্তমান বিধায়ক টিকিট পায়নি।

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তৃণমূলের ‘বাজি’ পবিত্র কর, চিনে নিন নন্দীগ্রামের প্রার্থীকে

    প্রসঙ্গত, তৃণমূলের বর্তমান বিধায়কদের মধ্যে যে অনেকেই টিকিট পাবেন না সেই বিষয়ে আগেই আভাস দিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাই হল। কালীঘাট সূত্রে বলা হচ্ছে, স্থানীয় স্তরে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা মোকাবিলার জন্যই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। অর্থাৎ ওই সকল এলাকায় বর্তমান বিধায়ককে ফের প্রার্থী করলে হেরে যেতে পারত। তা ঠেকাতেই প্রার্থী বদল করা হয়েছে। শুধু বর্তমান বিধায়কদের টিকিট না দেওয়া নয়, কিছু বর্তমান বিধায়কের আসন বদলও হয়েছে।

  • মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে FIR দায়ের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের!

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে FIR দায়ের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের!

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের আবহে রীতিমত উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। যেহেতু হাতে সময় খুব কম তাই এখন থেকেই জনসংযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসূচি করে চলেছে শাসকদল থেকে বিরোধীরা। আর এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে FIR দায়ের করা হল বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (Vishva Hindu Parishad) তরফে। জানা গিয়েছে পুলিশ সরাসরি FIR নিতে অস্বীকার করায় ই-মেইলের মাধ্যমে অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে দাবি পরিষদের।

    ধরনা মঞ্চে বিতর্কিত মন্তব্য মমতার

    গত শনিবার থেকে রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনী অর্থাৎ SIR এর প্রতিবাদে কলকাতার ধর্মতলায় পাঁচদিন ব্যাপী ধরনা কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে ছিলেন একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব। সেখান থেকেই জনসমক্ষে বক্তব্য রাখার সময় তিনি বলেন, “আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভালো আছেন। আর যদি আমরা না থাকি… এক সেকেন্ড লাগবে একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ডে দেবে একদম ১২ টা বাজিয়ে দেবে।” ক্রমেই ভাইরাল হয়ে যায় এই মন্তব্য। অনেকেই একে ‘ঘৃণ্য’, ‘বিভ্রান্তিকর’ এবং ‘সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক’ বলেছেন। তাই এবার মমতার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

    FIR দায়ের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    রিপোর্ট মোতাবেক, ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার আইনি লড়াইয়ের পথে হাঁটল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বীরভূমের রামপুরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পূর্ব ক্ষেত্রের সম্পাদক অমিয় কুমার সরকার। তবে পুলিশ সরাসরি FIR নিতে অস্বীকার করেছিল তাই ই-মেইলের মাধ্যমে অভিযোগ জানানো হয়। অমিয় কুমার সরকার জানান, রাজ্যের একজন সন্মানীয় ব্যক্তি হয়েও এই ধরনের মন্তব্য রাজ্যে দাঙ্গা পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই তুমুল উত্তেজনা।

    আরও পড়ুন: নবান্নের দিকে জানলা ব্যালকনি রাখা যাবে না! পুলিশের শর্তে বড় ধাক্কা দিল হাইকোর্ট

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রথমে FIR না নেওয়ায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সম্পাদক অমিয় কুমার সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “পুলিশ আমাদের FIR নিতে চায়নি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে যে বর্তমানে প্রশাসন দলদাসে পরিণত হয়েছে। আমরা ই-মেইলে অভিযোগ জানিয়েছি। প্রতিটি জেলায় এবার এফআইআর করা হবে। পুলিশ পদক্ষেপ না করলে আমরা এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হব এবং মুখ্যমন্ত্রীকেও আদালতে টেনে নিয়ে যাব। দেখি কে আটকায়।” এদিকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই পদক্ষেপে তুমুল প্রশংসা করছে বিরোধীরা।

  • ধর্ষণ করে খুন, গোডাউনে লুকোনো দেহ! সাঁইথিয়ায় নাবালিকা মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

    ধর্ষণ করে খুন, গোডাউনে লুকোনো দেহ! সাঁইথিয়ায় নাবালিকা মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফের সাঁইথিয়ায় (Sainthia) নাবালিকাকে ধর্ষণ (Rape Case) করে খুনের অভিযোগ উঠল। জানা গিয়েছে সেখানকার এক বাড়িতে বছর চোদ্দোর ওই নাবালিকা পরিচারিকার কাজ করত। খুনের পর নাকি পরিচারিকার দেহ পাথরের গোডাউনে রেখে দেওয়া হয়৷ গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার বিষয়টি জানাজানি হতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায় ৷ নির্যাতিতার পরিজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা সাঁইথিয়া থানার সামনে রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান ৷

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    রিপোর্ট মোতাবেক, বীরভূমের সাঁইথিয়া পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মার্বেল পাথর ব্যবসায়ী পঙ্কজ পারেকের বাড়িতে কাজ করত এক নাবালিকা৷ তাঁর বাড়ি সাঁইথিয়ারই বাগডোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের দেরিয়াপুর অঞ্চলে। সেখান থেকেই সে কাজে আসত কিন্তু দোলের পরের দিন নাবালিকা আর বাড়ি ফেরেনি বলে অভিযোগ। এরপর নাবালিকার খোঁজ করতেই মার্বেল পাথরের গোডাউন থেকে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ।

    এদিন, বিষয়টি জানাজানি হতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ ওঠে, দোলের পরের দিন নাবালিকাকে ধর্ষণ করে নাকি খুন করা হয়েছে। আর এই নিয়ে উত্তপ্ত সাঁইথিয়া। পরিজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা সাঁইথিয়া রাস্তায় টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করে এবং খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে সাঁইথিয়া থানার পুলিশ।

    অভিযোগ অস্বীকার গৃহকর্তার

    স্থানীয়দের অভিযোগ, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে ওই নাবালিকাকে। কিন্তু অভিযোগ অস্বীকার করে বাড়ির গৃহকর্তা। তিনি বলেন, “আমাদের এখানে যদি ধর্ষণ করা হত, আমরা কি হাসপাতালে নিয়ে যেতাম? অ্যাম্বুল্যান্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। গত ২ বছর আমাদের বাড়িতে কাজ করত। সে বিষ খেয়েছিল। কেন খেয়েছিল, তা বাড়ির লোককে জিজ্ঞাসা করুন।” কিন্তু এই দাবি মানছে না কেউই। বিক্ষোভকারীদের দাবি, “ নাবালিকার মৃত্যুর একদিন পর বাড়িতে জানিয়েছে। এমনকি মৃতদেহ এনে ঘণ্টা তিনেক একটা গোডাউনে রাখে। কেন এটা হবে? ওই বাড়িতে আর একজন কিশোরী কাজ করে। কিন্তু, তাকে ওরা কথা বলতে দিচ্ছে না।”

    আরও পড়ুন: সরকারের চাপে না অন্য কারণে পদত্যাগ? এবার মুখ খুললেন প্রাক্তন রাজ্যপাল আনন্দ বোস

    নাবালিকার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় যুক্ত সন্দেহে শ্রেয়ান পারেক নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। স্থানীয়রা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, “ আমরা এই ঘটনার শেষ দেখে ছাড়ব। পুলিশ যদি যথোপযুক্ত ব্যবস্থা না নেয় এবং অভিযুক্তকে শাস্তি না দেয় তাহলে আমরা পুনরায় পথ অবরোধ করব।”

  • ২৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে চার লেনের বাইপাস, যানজটমুক্ত হবে বীরভূম

    ২৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে চার লেনের বাইপাস, যানজটমুক্ত হবে বীরভূম

    সৌভিক মুখার্জী, বীরভূম: এত বছর ধরে যানজটের যন্ত্রণা সহ্য করে এসেছে বীরভূমের (Birbhum) দুবরাজপুরের বাসিন্দারা। ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক শহরের মাঝখান দিয়ে যাওয়ার কারণে প্রতিদিন ভারী পণ্যবাহী লরির চাপ বাড়ত। যার ফলে সকাল থেকে রাত যান চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হত সাধারণ মানুষের। অবশেষে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। বিরাট স্বস্তি পেতে চলেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। দুবরাজপুর শহরকে এড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে নতুন চার লেনের আধুনিক বাইপাস।

    নতুন বাইপাস সংক্রান্ত কিছু তথ্য

    জানিয়ে রাখি, এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটির কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দিক রয়েছে। প্রথমত, এই বাইপাসটির দৈর্ঘ্য হবে ৬ কিলোমিটার এবং এটি চার লেনের প্রশস্ত একটি আধুনিক রাস্তা। এই প্রকল্পের জন্য মোট ২৩২ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। আর সমবায় হিমঘর এলাকা থেকে শুরু করে সাতকেন্দুরির কাছে মূল সড়কের সংযুক্ত হবে এই বাইপাসটি। এমনকি এটি চালু হলে শহরের ভেতর দিয়ে ভারী যানবাহনের প্রবেশ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।

    বলে দিই, ইতিমধ্যেই তৎপরতার সঙ্গে শুরু হয়েছে কাজ। জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী এলাকায় বড় বড় স্থাপনা ভাঙার কাজে চলছে। আর ভারী যন্ত্রপাতি এবং নির্মাণকারীরাও মাঠে নেমে পড়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বহুদিনের দাবি অবশেষে পূরণ হতে চলেছে। অনেকেই মনে করছেন যে, এটি শুধুমাত্র রাস্তা নয়, বরং দুবরাজপুরের ভবিষ্যতের সংযোগ।

    আরও পড়ুন: বুথের ভিতরে-বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক! ভোট প্রস্তুতিতে কড়া নির্দেশ কমিশনের

    এদিকে এ বিষয়ে এলাকার বিধায়ক অনুপ সাহা জানিয়েছেন, এই ফোর লেন বাইপাস দুবরাজপুরের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। তিনি বলেছেন, শহরের ভিতর দিয়ে জাতীয় সড়ক যাওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত সমস্যার মুখে পড়তে হত সাধারণ মানুষকে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতেই প্রশাসনের তরফ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রকের অনুমোদন পাওয়ার পরেই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথের দিকে এগিয়েছে। আর এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নীতি গড়করির দফতরের সহযোগিতার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।