Tag: Bihar

  • সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ পালন করে ভারতের এই গ্রাম! কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ পালন করে ভারতের এই গ্রাম! কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পবিত্র রমজান মাসের শেষে সকলেই অপেক্ষায় থাকেন খুশির ঈদের জন্য। প্রতি বছর ঈদ-উল-ফিতর-ও (Eid Ul Fitr Celebration) চাঁদ দেখার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। তাই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এই উৎসবটি বিভিন্ন দিনে উদযাপিত হয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সৌদি আরবে (Saudi Arab) ঈদ উদযাপিত হয় সবার আগে। এইবছর সৌদি আরবে বুধবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি বলে সেখানে ঈদ পালিত হচ্ছে আজ। তাই আগামীকাল কলকাতায় পবিত্র ইদুল ফিতর পালিত হবে। কিন্তু জানেন কি বিহারের (Bihar) এই গ্রামে গোটা দেশে পবিত্র ঈদ পালনের একদিন আগেই উৎসব উদযাপিত হয়।

    সৌদি আরবের নিয়ম মেনে চলে এই গ্রাম

    সৌদি আরবে সাধারণত ঈদ উদযাপনের একদিন পর ভারতে ঈদ উদযাপিত হয়। কারণ ভৌগোলিক অবস্থানের প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায়শই চাঁদ প্রথমে দেখা যায়। এই নিয়মই চলে আসছে দীর্ঘকাল। তবে এমন একটি গ্রাম আছে যেখানে সৌদি আরবের দিনেই ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করা হয়ে থাকে। আর সেই জায়গাটি হল বাদাকার গ্রাম যা বিহারের নালন্দা জেলায় অবস্থিত। সেখানকার মুসলিম সম্প্রদায় দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনে চাঁদ দেখার ব্যাপারে আরব দেশগুলোর নিয়মকানুন মেনে চলে। তাঁদের বিশ্বাস, চাঁদ সারা বিশ্বে একই, সেটা যতই ভিন্ন সময় দেখা যাক না কেন। তবে শুধু বিহারের বাদাকার গ্রাম নয়, কেরলেও এই নিয়ম পালন করা হয়।

    কেরলেও পালন করা হয় এই নিয়ম

    জানা গিয়েছে কেরলে বৃহৎ সংখ্যক মুসলিমদের বসবাস। তাঁরাও দুটি কারণে সৌদি আরবের সঙ্গে একই দিনে ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করে। প্রথমত, সেখানে ইসলামিক চন্দ্র ক্যালেন্ডারের ২৯তম দিনে চাঁদ দেখা যায়। যা প্রায়শই সৌদি আরবে চাঁদ দেখার সঙ্গে মিলে যায়। অন্যদিকে বেশিরভাগ মুসলিম সৌদি আরবের ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করে তাই একই দিনে ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করে। গ্রামবাসীদের মতে এই ঐতিহ্যটি গ্রামে প্রতি বছর উদযাপিত হয় এবং সকল ধর্মের মানুষ এতে নিজ থেকেই অংশগ্রহণ করে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য, মহিলা, কর্মসংস্থান—তৃণমূলের ইস্তেহারে বড় চমক আনতে চলেছেন মমতা

    প্রসঙ্গত, আগামীকাল, শনিবার সকাল থেকেই ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে সম্পূর্ণ বদলে যাবে শহরের চেনা ছবি। নিরাপত্তা সঠিক রাখতে সকাল ৬:৩০ থেকে ৮:৩০-এর মধ্যে নাখোদা মসজিদ, টিপু সুলতান মসজিদ এবং রেড রোডে বিশাল জামায়াতের আয়োজন করা হচ্ছে। নামাজের পরে চলবে ঐতিহ্যবাহী কোলাকুলি। এদিকে এখন থেকেই সেজে উঠেছে জাকারিয়া স্ট্রিট এবং পার্ক সার্কাস চত্বর। ফিরনি, হালিম আর বিরিয়ানির গন্ধে ম ম করছে গোটা এলাকা।

  • বাংলা ও বিহার হচ্ছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল? স্পষ্ট জানিয়ে দিল সরকার

    বাংলা ও বিহার হচ্ছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল? স্পষ্ট জানিয়ে দিল সরকার

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগে পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) ঘিরে নতুন করে বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করা হচ্ছিল যে, পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি সংলগ্ন বেশ কিছু এলাকা এবং বিহারের কয়েকটি জেলা নিয়ে নাকি নতুন একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Union Territory) গঠনের পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু সেই জল্পনার ইতি টানল কেন্দ্র। হ্যাঁ, দেশের তথ্য যাচাই সংস্থা জানিয়ে দিল, কোনও পরিকল্পনা বা প্রস্তাব সরকারের কাছে নেই। আর এই দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো আর বিভ্রান্তিকর।

    কী দাবি উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়?

    আসলে সাম্প্রতিক সময় বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দাবি করা হচ্ছিল যে, বিহারের পূর্ণিয়া, আরারিয়া, কিষাণগঞ্জ, কাটিহারসহ কয়েকটি জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি বেশ কিছু এলাকা নিয়ে একটি নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠিত হবে। এমনকি কিছু পোস্টে বলা হচ্ছিল, সীমান্ত এলাকায় জনসংখ্যা পরিবর্তন আর অনুপ্রবেশের কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। আর এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনাও লক্ষ্য করা যায়।

    তবে এই জল্পনার মধ্যেই পিআইবি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্র সরকার এরকম কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কোনও রকম তথ্য প্রকাশের আগে অবশ্যই সরকারি সূত্র থেকে তা যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    রাজ্যপাল বদল নিয়ে জল্পনা

    বলাবাহুল্য, সম্প্রতি একাধিক রাজ্যের রাজ্যপাল বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস, এবং তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আরএন রবিকে। একইসঙ্গে বিহারের রাজ্যপাল পদ থেকেও আরিফ মহম্মদ খানকে সরানো হয়েছে। অন্যদিকে আমেরিকায় ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত তরনজিৎ সিংহ সাঁধুকে দিল্লির নতুন রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও তেলেঙ্গানা থেকে শুরু করে মহারাষ্ট্র, নাগাল্যান্ড এবং হিমাচল প্রদেশ সহ একাধিক রাজ্যের রাজ্যপাল বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবং লাদাখেও নতুন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: গ্যাসের দাম বাড়তেই ক্ষুব্ধ মমতা, নারী দিবসে হাঁড়ি-কড়াই নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

    এদিকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের জল্পনা ছড়িয়ে পড়তেই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকেই তিনি বলেছেন যে, দিল্লির বাবুরা নাকি বাংলা আর বিহারকে ভাগ করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করতে চাইছে। বাংলায় হাত দিয়ে দেখাক। তাঁর এই মন্তব্য সামনে আসছেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

  • রাজ্যসভায় নীতীশ কুমার, বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? উঠে এল ৫ নাম

    রাজ্যসভায় নীতীশ কুমার, বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? উঠে এল ৫ নাম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: জল্পনার অবসান, এবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চলেছেন JDU সভাপতি নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। সব মিলিয়ে বিহারের (Bihar) রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, কারণ এবার বিহারে প্রথমবারের মতো বিজেপির নিজস্ব মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই নীতিন সংসদের উচ্চকক্ষে (Rajya Sabha Election) মনোনয়নের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন, কে হতে চলেছেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    রাজ্যসভার প্রার্থী হবেন নীতিন!

    বিহারের ইতিহাসে নীতীশ কুমার অন্যতম এক প্রভাবশালী নেতা। তিনি ১০ বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিহারে এবং প্রায় ২০ বছর ধরে রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রে রয়েছেন। তাঁর এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা তাঁকে বিহারের রাজনীতির এক অনন্য চরিত্রে পরিণত করেছে। এই অবস্থায় নীতিশকে নিয়ে কয়েক দিন ধরেই এক জল্পনা শুরু হয়েছে বিহারের রাজনীতিতে। শোনা যাচ্ছে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন JDU সভাপতি নীতীশ কুমার। তবে অনেকেই এই কথা মানতে চাননি। আর এবার আসল রহস্য ফাঁস করলেন খোঁদ নীতীশ কুমার। স্বীকার করলেন রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়ার কথা।

    সমাজমাধ্যমে পোস্ট নীতিশের

    আজ, বৃহস্পতিবার বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়া নিয়ে একটি পোস্ট করলেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, “দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে, আপনারা আমার উপর আস্থা রেখেছেন এবং সেই শক্তির মাধ্যমেই আমি সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সাথে বিহার এবং আপনাদের সকলের সেবা করেছি। তাই বহুবার এর জন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি। তবে আমার সংসদীয় কর্মজীবন শুরু করার পর থেকেই বিহার আইনসভার উভয় কক্ষ এবং সংসদের উভয় কক্ষের সদস্য হওয়ার ইচ্ছা ছিল। তাই আমি রাজ্যসভার নির্বাচনে সদস্য হতে চাইছি।” তুমুল ভাইরাল হয়ে যায় সেই পোস্ট। জানা গিয়েছে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে পাটনায় মনোনয়ন জমা দিয়েছেন নীতিশ। আর এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে, কে হবে বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: প্রথমবার বিধানসভায় কোয়েল মল্লিক, প্রার্থী হিসেবে জমা দিলেন মনোনয়নপত্র

    মুখ্যমন্ত্রীর তালিকায় উঠে আসছে ৫ নাম

    নীতীশ কুমার যদি জাতীয় রাজনীতিতে চলে যান, তা হলে বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসবেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে একাধিক জল্পনা। আশা করা যাচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট NDA-র ক্ষমতা ভাগাভাগির ফর্মুলা মেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় কোনও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হতে পারেন তিনি। সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বিজেপির যে নেতাদের নাম উঠে আসছে তাঁরা হলেন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি, নিত্যানন্দ রাই, দিলীপ জয়সওয়াল, বিজয় সিনহা এবং সঞ্জীব চৌরাসিয়া। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে সমঝোতার শর্ত মেনে নীতীশ-পুত্র নিশান্ত বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। তবে এই নিয়ে এখনো কিছু স্পষ্ট ঘোষণা হয়নি।