Tag: Bhowanipore

  • ভোটের আগে অন্য খেলা! শুভেন্দু হাইকোর্টে যেতেই শোরগোল

    ভোটের আগে অন্য খেলা! শুভেন্দু হাইকোর্টে যেতেই শোরগোল

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর ভোটের (West Bengal Election 2026) দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে। তাই বেশি দেরি না করে সোমবারই বিজেপি প্রথম দফার ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই দেখা যায় নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর এই দুই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিকে ভবানীপুরে তাঁর প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়াচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাই সেখানে টক্কর যে বেশ নজরকাড়া হবে তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় ঘটল আরেক ঘটনা। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার আগে ফের হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ, ভবানীপুর এলাকায় প্রচার মিছিলেও যান শুভেন্দু অধিকারী৷ কিন্তু, হঠাৎ করেই ঢুকে পড়েন ভবানীপুর থানার ভিতরে। বেশ খানিকক্ষণ কথাও বলেন সেখানে৷ এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে গিয়েই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি। আর তাতেই সকলের মনে প্রশ্ন জাগে যে কী এমন হল যে হাইকোর্টে আসলেন শুভেন্দু অধিকারী? পরে জানায় হাইকোর্টে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। শুভেন্দুর বক্তব্য, তাঁর বিরুদ্ধে মোট কতগুলি মামলা রয়েছে, সেই সঠিক তথ্য পুলিশ তাঁকে দিচ্ছে না। কিন্তু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীকে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, অপরাধমূলক রেকর্ড, আর্থিক অবস্থা, পেশা ও আয়ের উৎস, সরকারি বকেয়া সবই বিস্তারিত জানাতে হয়। তাই এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বিজেপি নেতা।

    খারিজ হয়েছিল ১৫ টি FIR

    শুভেন্দু অধিকারী এর আগে আইনি রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, আদালতের অনুমতি ছাড়া শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনো নতুন FIR করা যাবে না। কিন্তু গত বছর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘদিনের আইনি সুরক্ষাকবচ সরিয়ে নেন। এদিকে সুরক্ষাকবচ তুলে নিলেও একই রায়ে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৫টি FIR বা মামলা সম্পূর্ণ খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। কারণ স্বরূপ আদালত জানিয়েছিল মামলাগুলি ভিত্তিহীন ছিল বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। আর সেই রায় বড় স্বস্তি লাভ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    আরও পড়ুন: হাড়োয়ায় উদ্ধার তৃণমূল নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ! গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন? উত্তেজনা এলাকায়

    উল্লেখ্য, চলতি বছর পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ উত্তেজোনামূলক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এই নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই মামলায় ২০২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিল হাইকোর্ট। এবার এই পরিস্থিতিতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু। এখন দেখার আদালত এই প্রসঙ্গে কী নির্দেশ দেয়।

  • এই কারণেই ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী! ফাঁস মেগা প্ল্যান

    এই কারণেই ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী! ফাঁস মেগা প্ল্যান

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আরও একটা বিধানসভা ভোটের (Bengal Election 2026) ঘোষণা হয়ে গেল। ভোট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সামনে এসেছে বিজেপি ও বামেদের প্রার্থী তালিকাও। তবে তালিকা প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখ আটকে গিয়েছে নাম এবং কেন্দ্রের দিকে। সেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)। প্রত্যাশা মতো নন্দীগ্রামে তাঁকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। কিন্তু আসল চমক তো বাকি রয়েছে, আর সেটা হল, স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হটস্পট বা বলা ভালো বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরেও শুভেন্দুকেই প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। অর্থাৎ ২৬-এ বিজেপির নয়া স্ট্র্যাটেজি। আর এই রণনীতি স্বাভাবিকভাবেই অবাক করেছে সকলকে। অবশ্য অনেকে বলতে শুরু করেছেন, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) হারাতে পারে একজনই, আর সেটা হল তৃণমূলের ভাষায় ‘গদ্দার’ শুভেন্দু অধিকারী।

    প্রশ্ন উঠছে, শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কাউকে রিস্ক নিতে পারছে না বিজেপি? অবশ্য বিজেপির প্রার্থী তালিকা দেখে সেটাই মনে হচ্ছে। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ফলাফল কারোর অজানা  নয়। সকলকে চমকে দিয়ে হুইলচেয়ারে থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে নন্দীগ্রাম দখল করেন শুভেন্দু। সেক্ষেত্রে হয়তো এবার ২৬-এর ভোটে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও শুভেন্দুকে প্রার্থী করে মানুষের মন ও বিশ্বাস বাজিয়ে দেখতে চাইছে বিজেপি বলে মনে করছে বিশিষ্ট মহল।

    যদিও নন্দীগ্রামে ২১-এর বিধানসভা ভোটের ফলাফলে কারচুপি ছিল বলে জানিয়েছিলেন একদা বিজেপি নেতা এবং পরবর্তীকালে তৃণমূল নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ঘাসফুলে যোগ দিয়ে জানিয়েছিলেন কীভাবে শুভেন্দু অধিকারী সেখানে ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বৈরথ দেখেছিল গোটা পশ্চিমবঙ্গ। পা ভেঙে হুইলচেয়ারে বসেও নন্দীগ্রাম জিততে ব্যর্থ হন মমতা। ভোটগণনায় নাটকীয় সব ঘটনার পর শেষ পর্যন্ত ১,৯৫৬ ভোটে জয়ী হন বিজেপির শুভেন্দু।

    আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    এখনও অবধি তৃণমূলের কিন্তু প্রার্থী তালিকা প্রকাশ পায়নি। আজ ১৭ মার্চ তালিকা প্রকাশ করতে পারে ঘাসফুল শিবির বলে খবর। সেখানে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই বিজেপির তরফে ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীকে দাঁড় করানোকে অনেকে মোক্ষম চাল বলছেন তো আবার অনেকে বোকামিও বলতে শুরু করেছেন। বোকামি কেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদৌ ভবানীপুর থেকে ভোটে দাঁড়াবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছেন। শুরু হয়েছে নানান জল্পনা কল্পনা।

    এই কারণেই ভবানীপুরে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী!

    এখন আরও একটা প্রশ্ন বারবার উঠছে, শুভেন্দুর ইচ্ছে ছিল নাকি দলের ইচ্ছে ছিল তাঁকে ভবানীপুরে ভোটে দাঁড় করানোর? সূত্রের খবর, বিজেপি যথা সম্ভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের কেন্দ্র ব্যস্ত রাখার জন্য পরিকল্পনা করেছে। এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না তৃণমূলের ভোট মানেই হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দেওয়া। মানুষ দল নয়, তাঁকে দেখেই ভোট দেন, সেটা অনেক নেতা সাংসদও স্বীকার করেছে। অনেকে এও বলছেন, নন্দীগ্রামে যেহেতু শুভেন্দু ‘ভূমিপুত্র’ তাই কিছুটা হলেও হালে পানি পেয়ে মমতাকে হারাতে পেরেছিলেন। কিন্তু ভবানীপুর হল মমতার নিজের জায়গা। যাকে বলে তিনি হলেন সেখানকার ‘ঘরের মেয়ে’। সেক্ষেত্রে শুভেন্দু কতটা কী করতে পারবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যাইহোক, মানুষ এখন মুখিয়ে থাকবেন ‘ভূমিপুত্র’ বনাম ‘ঘরের মেয়ে’র লড়াই কেমন হয় তা জানা ও দেখার জন্য।

     

  • “১ ভোট হলেও ভবানীপুর থেকে আমিই জিতব!” হুঙ্কার মমতার

    “১ ভোট হলেও ভবানীপুর থেকে আমিই জিতব!” হুঙ্কার মমতার

    সৌভিক মুখার্জী, ভবানীপুর: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগেই উত্তপ্ত রাজ্যের রাজনীতি। সেই আবহে আজ বড়সড় বক্তব্য রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সম্প্রতি এসআইআর তালিকা প্রকাশের পর ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রায় ৪৭ হাজারের নাম বাদ পড়েছে। এমনকি আরও ১৪ হাজারের বেশি নাম অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে। আর তা নিয়েই এবার বিজেপি হংকার ছেড়েছে যে, এই কেন্দ্রে তারা জিতবে। তবে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, “বারবার আমি লড়াই করেছি এবং আমিই এখানে জিতব।”

    এসআইআর-এ বাদ ৪৭ হাজারে বেশি নাম

    জানিয়ে রাখি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই ভবানীপুরের বিধায়ক। তবে এতদিন পর্যন্ত এই কেন্দ্রে কতজনের নাম বাদ পড়বে তা নিয়ে চলছিল জল্পনা। তবে তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় যে, সেখানে ৪৭ হাজারের বেশি নাম বাদ পড়েছে। এমনকি আরও ১৪ হাজারের বেশি নাম অমীমাংসিত তালিকায় পড়ে রয়েছে। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ৬ হাজার ২৯৫। তাছাড়াও ১৬ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা গিয়েছিল ৪৪ হাজার ৭৮৬ জনের নাম সেখান থেকে বাদ পড়েছে। আর এবার আরও ৩২৪ জনের নাম যুক্ত হল। অনুমান করা হচ্ছে, নথি যাচাইয়ের আরও নাম বাদ পড়বে। সেই কারণেই সুর চড়িয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দল।

    নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে সুকান্ত মজুমদাররা ভবানীপুরে এসে একাধিকবার দাবি করেছেন যে, এবার বিজেপিই এই আসনে জিতবে। আর শুভেন্দু অধিকারী নিজেই বলেছেন যে, “উনি জানেন কাদের ভোট জিতেছিলেন। ওটা বিজেপির জায়গা। আর আমি চ্যালেঞ্জ করছি, আপনি দাঁড়ান। বাকিটা নিজেই বুঝে নেবেন।” কিন্তু এই বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়া নিয়ে ভোটের উপর কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে উঠছে বড়সড় প্রশ্ন।

    আরও পড়ুন: ‘ভাইপো শাসন চলবে না’— মথুরাপুরে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় তৃণমূলকে নিশানা অমিতের

    “আমিই জিতব ভবানীপুরে”—মমতা

    এদিকে আজ সভা করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই বলেছেন যে, “এক ভোট হলেও ভবানীপুর থেকে আমি জিতব। বারবার আমি নিজে এখান থেকে লড়াই করেছি। আর আমাকে নৈতিকভাবেই সবাইকে সমর্থন করুন। এখানে কোনও ভাবেই বিজেপিকে আসতে দেবো না।” এমনকি তিনি এদিন আরও জানিয়েছেন, “বাংলার ১ কোটির ২০ লক্ষ মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চলেছে কমিশন। বৈধ ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে। সমস্ত তথ্য দেওয়ার পরেও নাম কেটেছে নির্বাচন কমিশন। ভেরিফিকেশন ছাড়াই বাদ গেছে ৫৮ লক্ষের নাম। সব দোষই বিজেপির।”

  • মমতার বিরুদ্ধে হবে ভোটে লড়াই, ভবানীপুরে বিরাট কাজ করলেন শুভেন্দু

    মমতার বিরুদ্ধে হবে ভোটে লড়াই, ভবানীপুরে বিরাট কাজ করলেন শুভেন্দু

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগে রাজনৈতিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জোড়কদমে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে তাঁকেই এবার কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল বিজেপি। হ্যাঁ, সেই লক্ষ্যেই ভবানীপুরে বিশেষ ওয়ার রুম তৈরি করে ফেলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    কোথায় তৈরি হচ্ছে এই ওয়ার রুম?

    দক্ষিণ কলকাতার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের ৮/১ বি চক্রবেড়িয়া রোডের একটি বাড়ির নিচতলায় এই নির্বাচনী কার্যালয় গড়ে তোলা হচ্ছে বলে বেশ কয়েকটি সুত্রের খবর। এমনকি বিজেপির তরফ থেকে দাবী করা হচ্ছে, এই অফিস থেকেই ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের সার্বিক ভোট পরিচালনা করা হবে। আর ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি গঠিত হয়েছে কলকাতা পৌরসভার মোট আটটি ওয়ার্ড নিয়ে। সেই ওয়ার্ডগুলি হলে যথাক্রমে ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৭ এবং ৮২।

    এদিকে বিজেপি নেতৃত্বদের মতে, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে ভবানীপুরের একাধিক পদ্ম শিবির ভালো ফলাফল করেছে। বিশেষ করে ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২ এবং ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি ভালো ভোট পেয়েছে। তবে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভবানীপুর বিধানসভা অংশে বিজেপি প্রার্থী তথাগত রায় তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত বক্সীর থেকে মোট ১৭৬টি ভোটে এগিয়ে ছিলেন। আর সেই পরিসংখ্যানকেই বিজেপি নেতা নেতৃত্বরা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। এদিকে দলের এক স্থানীয় নেতার দাবি, ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে সংখ্যালঘু ভোটের ব্যবধানেই তৃণমূল অতীতে জয়ী হয়েছে। কিন্তু এসআইআর এর তালিকা পরিস্থিতি বদলাতে পারে।

    আরও পড়ুন: হোলির ৪ দিন বন্ধ থাকবে হাওড়ার পুরনো ক্যাব রোড! বিকল্প উপায় কী?

    পাশাপাশি ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। আর সেখানে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হন। পরে ভবানীপুর উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সাংবাদিক শর্ত পূরণ করেছিলেন তিনি। বিজেপি নেতাদের অনুমান, ২০২৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই লড়াই করবেন। আর সেই সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে শুভেন্দু অধিকারী প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার ভবানীপুরের দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন বলে খবর। দক্ষিণ কলকাতা বিজেপির এক সূত্রের দাবি, ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে দলের শক্ত ভিত রয়েছে বলেই সেখানে এই ওয়ার রুম তৈরি করা হয়েছে। আর ঘটনাচক্রে সম্প্রতি ওই এলাকাতেই জনসংযোগ কর্মসূচি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।