Tag: Bharatiya Janata Party

  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অতীত! বাংলার মহিলাদের জন্য গঠন হবে ৫৭০০ কোটির তহবিল

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অতীত! বাংলার মহিলাদের জন্য গঠন হবে ৫৭০০ কোটির তহবিল

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) শুরু হতে আর বেশিদিন বাকি নেই। অপেক্ষা শুধু কমিশনের দিনক্ষণ ঘোষণার। এদিকে এখনই জনসংযোগ বৃদ্ধি করতে উঠে পরে লেগেছে শাসক দল থেকে শুরু করে বিরোধীরা। এমতাবস্থায় পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে একাধিক জনমুখী প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইস্তেহার (BJP Manifesto) তৈরির প্রস্তুতি শুরু করেছে বিজেপি। মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পরিবর্তে বিরাট তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিল বিজেপি।

    বিজেপির ইস্তেহারে একাধিক চমক

    বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে টার্গেট করে জনসংযোগ বৃদ্ধি করতে রাজ্যজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসরা যেমন উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে সাধারণের ঘরে ঘরে ঠিক তেমনই বিজেপিও ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু করেছে বিজেপি। একাধিক জেলায় শুরু হয়েছে দলীয় কর্মীদের ‘পরিবর্তন যাত্রা’। এমতাবস্থায় পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে একাধিক জনমুখী প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী ইস্তাহার তৈরির প্রস্তুতি শুরু করেছে বিজেপি। আর সেখানেই সরকারি কর্মচারী, যুবসমাজ এবং মহিলাদের জন্য একাধিক ঘোষণা করা হতে চলেছে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, পরিবর্তনের বাংলায় মহিলাদের জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের থেকেও বিরাট তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি।

    ৫,৭০০ কোটি ফান্ডের তহবিল নারীদের জন্য

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের মত বিজেপিও নারী উন্নয়নকে নির্বাচনী অগ্রাধিকারের তালিকায় কার্যত সবার ওপরেই রেখেছে। তাইতো মহিলাদের জন্য প্রায় ৫,৭০০ কোটির একটি বিশেষ তহবিল গঠনের কথাও ঘোষণা করতে পারে বিজেপি। যেখানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের দৌলতে যেখানে মহিলাদের প্রতিমাসে ১৫০০/১৭০০ করে মেলে। সূত্রের খবর, এই তহবিল ব্যবহার করা হবে জীবিকা প্রকল্প, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি, স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে শক্তিশালী করা, শিক্ষায় সহায়তা এবং মহিলাদের নিরাপত্তা ও আর্থিক স্বনির্ভরতা বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগে। শুধু মহিলাদের জন্য নয়, যুবসমাজের জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। শূন্য পদে স্বচ্ছ ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছে দল।

    আরও পড়ুন: সারদা, রোজভ্যালির পর বাংলায় আরেক চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারি! পূর্বস্থলী! কোটি কোটি টাকা তছরুপ

    সরকারি কর্মীদের জন্য আনা হবে নানা চমক

    প্রসঙ্গত, বিজেপির পেশ করা ইস্তেহারে থাকবে সরকারি কর্মীদের জন্যও রয়েছে বড় চমক। সূত্রের দাবি, ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারীর বেতন ও ভাতা কেন্দ্রের কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংশোধন করা হবে। এবং কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে। আসলে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে সরকারি কর্মীদের আন্দোলন, ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যে পড়তে হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। সেই সুযোগকে তাই কাজে লাগিয়ে ইস্তাহারে বড় চমক এনেছে বিজেপি।

  • ৯৯টি বিদেশ সফর প্রধানমন্ত্রী মোদীর, খরচ কত? লাভ কী হল ভারতের? প্রকাশ্যে রিপোর্ট

    ৯৯টি বিদেশ সফর প্রধানমন্ত্রী মোদীর, খরচ কত? লাভ কী হল ভারতের? প্রকাশ্যে রিপোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই ঘন ঘন বিদেশ সফর করেছেন, যা নিয়ে এখনও বিরোধীরা মোদীকে নানাভাবে কটাক্ষও করেছেন, এমনকি তাঁর বিলাসিতা নিয়েও একাধিক কটূক্তি করেছেন। পাশাপাশি মোদীর এই বিদেশ সফরে আখেরে দেশের কী লাভ হয়েছে, তা নিয়ে নানা সময়ে বিরোধীরা প্রশ্নও তুলেছেন। আর এই নিয়ে গত মাসে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, এবং এই সফরে কত খরচ (Modi Travel Expenditure) পড়ে সেই নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। আর এবার সেই প্রশ্নের রিপোর্ট জমা দিল কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী।

    ৯৯টি বিদেশ সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

    কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নরেন্দ্র মোদী মোট ৭৮টি দেশ জুড়ে সর্বমোট ৯৯টি সফরে গিয়েছেন। আর এই সফরে মোট ৮১৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই বিদেশ সফরের কারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ভালো হয়েছে। এমনকি ভারতে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি, মেধা, মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে যৌথ উদ্যোগে অনেক কাজও শুরু হয়েছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বিশ্বের বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের মনোভাবের বিষয়ে বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। গিয়েছে অন্য দেশগুলির কাছে।

    বিদেশ ভ্রমণে কতটা লাভ হল ভারতের?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই বিদেশ সফরের কারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ভালো হয়েছে। ভারতে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি, মেধা, মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে যৌথ উদ্যোগে অনেক কাজও শুরু হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বিশ্বের বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের মনোভাবের বিষয়ে বার্তা পৌঁছেছে অন্য দেশগুলির কাছে। ফলে দেশের নাগরিকদের অর্থনৈতিক অবস্থা ও স্বাচ্ছন্দ্যের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও পরিবর্তন এসেছে।

    আরও পড়ুন: ফুড সেফটিতে কত নম্বরে বাংলা? রাজ্য সরকারের রিপোর্ট দেখে খুশি হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে মার্চে লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীর বিদেশসফর নিয়ে একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল। তাতে উল্লেখ ছিল, মোদীর বিদেশ সফরে ২০১৫-১৬ সালে ১২১ কোটি ৮৫ লক্ষ, ২০১৬-১৭ সালে ৭৮ কোটি ৫২ লক্ষ, ২০১৭-১৮ সালে ৯৯ কোটি ৯০ লক্ষ, ২০১৮-১৯ সালে ১০০ কোটি ২ লক্ষ এবং ২০১৯-২০ সালে ৪৬ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। আর সেই তথ্য নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে একাধিক শোরগোল দেখা গিয়েছিল। যদিও সেই নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি নরেন্দ্র মোদী।

  • পদত্যাগ করতে পারেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার! JDU-র সাথে জোট ভাঙবে BJP?

    পদত্যাগ করতে পারেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার! JDU-র সাথে জোট ভাঙবে BJP?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বিহারের রাজনীতি নিয়ে এবার নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত। খুব শীঘ্রই পদত্যাগ করে রাজ্যসভায় যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার (Nitish Kumar)। এমনটাই চলছে জল্পনা। যদি সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়, তাহলে তাঁর ছেলে নিশান্ত কুমারকেই রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী করা হতে পারে এমনটাও সম্ভাবনা থাকছে। কিন্তু এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। কিন্তু জেডিইউ-র অন্দরে এ নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে বলেই খবর।

    রাজ্যসভা নাকি উপমুখ্যমন্ত্রী?

    বলে রাখি, এর আগে শোনা গিয়েছিল, নিশান্ত কুমারকে সরাসরি রাজ্যসভায় পাঠানো হতে পারে। কিন্তু জনতা দল ইউনাইটেডের তরফ থেকে তাঁর মনোনয়ন সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও নথি এখনও পর্যন্ত প্রস্তুত হয়নি বলেই খবর। এদিকে নীতিশ কুমার যদি মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়েন, সেক্ষেত্রে বিজেপি কি নিজেদের কোনও মুখকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রস্তাব করবে নাকি জেডিইউ-র সঙ্গেই জোট বেঁধে থাকবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্টতা নেই।

    ইন্ডিয়া টিভির একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেডিইউ-র বর্ষীয়ান নেতা তথা বিহার সরকারের মন্ত্রী শ্রবণ কুমার জানিয়েছিলেন যে, নিশান্ত কুমারের রাজনীতিতে প্রবেশ প্রায় নিশ্চিত। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের তরুণ প্রজন্ম নিশান্তকে সক্রিয় রাজনীতিতে চাইছে। আর খুব শীঘ্রই দল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পর জল্পনা যে আরও বেড়েছে তাও বলার অপেক্ষা রাখে না।

    আরও পড়ুন: এক ডলার ৯২ টাকারও বেশি! মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে রেকর্ড পতন ভারতীয় মুদ্রায়

    এনডিএ জোটের শক্তিশালী অবস্থান

    বলে রাখি, বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট অর্থাৎ এনডিএ এবার দাপুটে জয় পেয়েছিল। কার্যত দিশেহারা হয়ে গিয়েছিল তেজস্বী যাদবের দল সহ ইন্ডিয়া জোট। প্রচারে নীতিশ কুমারকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সামনে রাখা হয়। আর সেই কৌশল সফল হয়। এনডিএ জোটের প্রধান দল ভারতীয় জনতা পার্টি এককভাবে ৮৯টি আসন জিতে রাজ্যের বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসে। আর তাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জনতা দল ইউনাইটেড পেয়েছিল ৮৫টি আসন। এমনকি জোটের অন্যান্য দল লোক জনশক্তি পার্টি পেয়েছিল ১৯টি আসন, হিন্দুস্তানি আওয়ামী মোর্চা পেয়েছিল ৫টি আসন এবং রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা পেয়েছিল ৪টি আসন। তাই এনডিএ জোটের ভিত যে মজবুত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে নীতিশ কুমারের পদত্যাগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। সবটাই সময়ের উপর নির্ভর করবে।

  • পার্টি অফিসে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে যৌন নির্যাতন! জলপাইগুড়িতে ধৃত বিজেপি কর্মী

    পার্টি অফিসে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে যৌন নির্যাতন! জলপাইগুড়িতে ধৃত বিজেপি কর্মী

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্য জুড়ে বেজে গিয়েছে ভোটের দামামা, তাই এখন থেকেই সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ময়দানে নেমে পড়েছে শাসকদল থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদরা। আর এই অবস্থায় দোলের দিন জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) ঘটে গেল এক নক্কারজনক ঘটনা। জানা গিয়েছে, মানসিক ভারসাম্যহীন এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল। চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি এলাকা জুড়ে। শেষে বিজেপি কর্মীকে পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দিল উত্তেজিত জনতা।

    মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে ধর্ষণ!

    জলপাইগুড়ির বিবেকানন্দ পল্লিতে বিজেপির পার্টি অফিস রয়েছে। রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার, দোলের দিন দুপুর প্রায় একটা নাগাদ পরে মানসিক ভারসাম্যহীন এক মহিলাকে সেই পার্টি অফিস নিয়ে আসে নিতাই রায় নামে এক স্থানীয় বিজেপি নেতা। আর সেখানেই ওই মহিলাকে নির্মমভাবে শারীরিক অত্যাচার করে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা সুকুমার রায় এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন, তিনি সঙ্গে সঙ্গে জলপাইগুড়ি কোতয়ালি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নামে এবং রাতেই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার করে। আজ, বুধবার তাকে জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে হাজির করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    অভিযোগ অস্বীকার বিজেপির

    ধর্ষণের অভিযোগ উঠতেই বিজেপির দাবি, অভিযুক্ত বিজেপির সঙ্গে যুক্ত নন। দলকে কালিমালিপ্ত করতে চক্রান্ত করে এই অভিযোগ করা হয়েছে। সম্পূর্ণটাই শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পরিকল্পনা। এই প্রসঙ্গে বিজেপির জলপাইগুড়ির-সহ সভাপতি চন্দন বর্মন বলেন, “এটি সাজানো চক্রান্ত। বিজেপিকে বদনাম করার জন্যই একজন অসুস্থ মানুষ কে দিয়ে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে।” একই সঙ্গে অভিযুক্ত দলের কেউ নন বলে দাবি করেন তিনি। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কোতায়ালি থানার পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর পেছনে অন্য কোনো পারিপার্শ্বিক তথ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: গুজরাতের বোমা হুমকি ই-মেল কাণ্ডে গ্রেফতার বাংলার যুবক, তদন্তে নামল পুলিশ

    বিবেকানন্দ পল্লীর বাসিন্দাদের দাবি, ধৃত ব্যক্তি এলাকায় বিজেপির একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। ওই দলীয় কার্যালয়েই সে নিয়মিত রাত কাটাত। তাঁরা এই ঘটনায় দোষীর কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে এলাকায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, নির্যাতিতার ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আইনের নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

  • তৃণমূলের পর এবার বিজেপির চমক! রাজ্যসভায় প্রার্থী হলেন রাহুল সিনহা

    তৃণমূলের পর এবার বিজেপির চমক! রাজ্যসভায় প্রার্থী হলেন রাহুল সিনহা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আসন্ন ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে রীতিমত হুলুস্থুল কাণ্ড রাজ্য জুড়ে। জনসংযোগ বৃদ্ধিতে কোথাও কোনো খামতি রাখছে না রাজনীতিবিদরা। আর এই অবস্থায় রাজ্যসভা নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে বিরাট ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি। জানা গিয়েছে তৃণমূলের পর এবার রাজ্য সভায় প্রার্থী হিসেবে বিজেপি রাখতে চাইছে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহাকে (Rahul Sinha)।

    রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির

    রিপোর্ট মোতাবেক বিধানসভা নির্বাচন শুরুর আগেই আগামী ১৬ মার্চ হতে চলেছে রাজ্যসভা নির্বাচন। ওইদিন দেশের মোট ১০টি রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোট হবে এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে পাঁচটি আসনে নির্বাচন হবে। তাই প্রার্থী নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েচ বিগত কয়েকদিন ধরে। অবশেষে গত শুক্রবার তৃণমূলের তরফে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হল পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী এবং টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিককে। আর এবার প্রার্থী নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি। দাঁড় করানো হল রাহুল সিনহাকে।

    আরও পড়ুন: বুথের ভিতরে-বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক! ভোট প্রস্তুতিতে কড়া নির্দেশ কমিশনের

    হারের গ্লানি মুছে রাজ্যসভার প্রার্থী রাহুল

    রাজ্যে বিজেপির প্রায় শুরুর সময় থেকেই রাহুল সিনহা সক্রিয়ভাবে দল গড়ে তোলার কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি ছিলেন, তাঁর সময়েই রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপির প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠার যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরপরই শীর্ষ নেতাদের সিদ্ধান্তে পরবর্তীকালে দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক হয়েছিলেন রাহুল। অতীতে একাধিক বার রাজ্যের বিভিন্ন আসন থেকে বিধানসভা ও লোকসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছেন রাহুল, তবে জিততে পারেননি কোনোটিতেই। এ বার রাজ্যসভার নিশ্চিত আসনে দল নয়া মুখের বদলে তাঁকেই প্রার্থী করল।

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ জন রাজ্যসভার সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিল। আর ওই সময়েই খালি হতে চলেছে দেশের বাকি ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি আসন। আর সেগুলি হল মহারাষ্ট্রের সাতটি, ওড়িশার চারটি, তামিলনাড়ুর ছ’টি, অসমের তিনটি, বিহারের পাঁচটি, ছত্তিশগড়ের দু’টি, হরিয়ানার দু’টি, হিমাচল প্রদেশের একটি এবং তেলঙ্গানার দু’টি। জানা গিয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন হল আগামী ৫ মার্চ এবং ৬ মার্চ মনোনয়নপত্র যাচাই করা হবে। পাশাপাশি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে ৯ মার্চ।

  • বাড়বে DA থেকে পেনশন, বাংলায় ৭ পে কমিশন গঠনের দিন ঘোষণা, তবে রয়েছে শর্ত

    বাড়বে DA থেকে পেনশন, বাংলায় ৭ পে কমিশন গঠনের দিন ঘোষণা, তবে রয়েছে শর্ত

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মহলে এখন প্রতিশ্রুতির ঝড় বইছে। বিভিন্ন দল নিজেদের নির্বাচনী রূপরেখা তুলে ধরা শুরু করেছে। আর সেই প্রেক্ষাপটেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিরাট ঘোষণা করল রাজ্যের বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি। দলের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তারা ক্ষমতায় আসলে ৪৫ দিনের মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) কার্যকর হবে।

    বেতন কমিশন নিয়ে চর্চা তুঙ্গে

    বলে রাখি, সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কেন্দ্র এবং রাজ্য প্রতি ১০ বছর অন্তর বেতন কমিশন গঠন করে। আর রাজ্যের ষষ্ঠ বেতন কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ এর ৩১ ডিসেম্বর। সেই অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকেই সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের কথা। তবে রাজ্য বাজেটে নতুন বেতন কমিশনের প্রসঙ্গ তোলা হলেও তা কবে থেকে বাস্তবায়িত হবে সে বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কিছু ঘোষণা করা হয়নি। যার ফলে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে স্বাভাবিক প্রত্যাশা আর অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

    কিন্তু বিজেপির দাবি, তারা সরকার গঠন করলে ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করবে। যার ফলে বাড়বে DA থেকে পেনশন। তবে শর্ত একটি বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। আর দীর্ঘদিন ধরেই ডিএ এবং বেতন কাঠামো নিয়ে অসন্তোষে থাকা কর্মীদের মন জিততেই এই ঘোষণা করা হয়েছে বলেই মত প্রকাশ করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কিন্তু এই প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের সমীকরণে ঠিক কতটা প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে রয়েছে মতভেদ।

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য প্রকল্প নিয়ে বড় ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের, উপকৃত হবেন …

    ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ঠিক কত হতে পারে?

    এদিকে বেতন কমিশনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর। এর উপরে নির্ভর করছে কর্মীদের মূল বেতন কতটা বাড়বে তা। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২.৯১ থেকে ৩.১৫ পর্যন্ত করা হতে পারে। আর সেই হিসেবে বর্তমানে যাদের বেসিক বেতন ১৮ হাজার টাকা, তাদের বেতন বেড়ে হতে পারে ৫২ হাজার টাকা থেকে ৫৬ হাজার টাকা। কিন্তু এই অংক পুরোপুরি নির্ভর করবে চূড়ান্ত সুপারিশের উপরেই।

  • ‘পরিবর্তন যাত্রা’র মঞ্চে বড় চমক! সাংবাদিকতা ছেড়ে বিজেপিতে সন্তু পান

    ‘পরিবর্তন যাত্রা’র মঞ্চে বড় চমক! সাংবাদিকতা ছেড়ে বিজেপিতে সন্তু পান

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে বঙ্গ রাজনীতিতে একের পর এক চমক দেখছে রাজ্যবাসী। কোথাও নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপির মন্ত্রী সবুজ পতাকা ধরছে তো কোথাও আবার তৃণমূল ছেড়ে অনেক মন্ত্রী বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে, সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত। এমতাবস্থায় ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু করেছে বিজেপি। আজও দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে আয়োজিত হয়েছে বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’র কর্মসূচি। উপস্থিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ একাধিক বিজেপি নেতা। আর এই কর্মসূচির মাঝেই সাংবাদিকতা ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখালেন সন্তু পান (Santu Pan Joins BJP)।

    বিজেপিতে যোগ সন্তু পানের

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ সোমবার, মথুরাপুরের বাপুলিবাজার সংলগ্ন ভগবতীপুর মাঠে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার সূচনায় যখন অমিত শাহ সহ একাধিক নেতা একের পর বক্তব্য পেশ করছিলেন আর সেই সময় এক বড় চমক দেখা গেল অনুষ্ঠানের মঞ্চে। রিপাবলিক বাংলার জনপ্রিয় সাংবাদিক সন্তু পান এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত ধরে যোগ দিলেন বিজেপি শিবিরে। তুলে নিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির পতাকা। ইতিমধ্যে সেই ছবি বেশ ভাইরাল। যদিও সাংবাদিক সন্তু পান এদিন তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই খবর প্রকাশ্যে এনেছেন। তিনি লিখেছেন, “প্রত্যেকটা জার্নি শেষ হয় নতুন উদ্যমে নতুন জার্নির প্রস্তুতি হিসেবে৷ রিপাবলিক বাংলা ছাড়লাম। এবার মথুরার ছেলেটি পথ নির্দেশ দেবেন। নতুন কর্মের দিশা দেবেন।”

    শক্তিপ্রদর্শন করে চলেছে বিজেপি

    উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতির তদন্তে ইডি যখন সন্দেশখালিতে পা রেখেছিল, সেদিনই রিপোর্টিং করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন সন্তু পান। খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিল সেই তথ্য। পরে তাঁকেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। আর সেই নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল সাংবাদিকদের তরফে। এমনকি রাজ্য প্রশাসনের সাংবাদিকের গ্রেফতারিরও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সন্দেশখালির বাসিন্দারা। আর এবার সেই সাংবাদিকই যোগ দিলেন বিজেপিতে। কিছুদিন আগেই জলপাইগুড়ি উত্তরবঙ্গের অ্যাথলিট কন্যা স্বপ্না বর্মন যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে, এছাড়াও কার্শিয়াংয়ের বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন, যা নিয়ে শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক চর্চা।

    আরও পড়ুন: ‘ভাইপো শাসন চলবে না’— মথুরাপুরে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় তৃণমূলকে নিশানা অমিতের

    প্রসঙ্গত, সামনেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। তাই তার আগে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে রাজ্যজুড়ে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু করেছে বিজেপিতে। যেখানে একাধিক কেন্দ্রের নেতা-মন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। সেই সভাতে যোগ দিতেই এদিন মথুরাপুর আসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আর সেখান থেকে শিক্ষক দুর্নীতি-সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ শানাচ্ছেন তিনি। এখন দেখার বিধানসভা নির্বাচনের ময়দানে কোন দল এগিয়ে থাকে।

  • জঙ্গল মহলে শক্তিবৃদ্ধি বিজেপির, গেরুয়া শিবিরে যোগ কুড়মিদের প্রধান উপদেষ্টার

    জঙ্গল মহলে শক্তিবৃদ্ধি বিজেপির, গেরুয়া শিবিরে যোগ কুড়মিদের প্রধান উপদেষ্টার

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন বাকি, এরপরেই রাজ্য জুড়ে শুরু হতে চলেছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। চারিদিকে শুরু হয়ে গিয়েছে বিজেপির প্রচার ব্যবস্থা। এদিকে বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে লড়াই জমজমাট জঙ্গলমহলে। কুড়মি সমাজে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব প্রকট। এমতাবস্থায় কুড়মি সমাজ, পশ্চিমবঙ্গের প্রধান উপদেষ্টা তথা শিক্ষক রাজেশ মাহাতো (Rajesh Mahato) বিজেপিতে যোগদান করেছেন। আর তাতেই সরগরম রাজ্য রাজনীতি। প্রার্থী করতেই নয়া পরিকল্পনার চাল বিজেপির।

    বিজেপিতে যোগদান করলেন রাজেশ মাহাতো

    রিপোর্ট মোতাবেক, রবিবার, বিজেপিতে যোগ দিলেন ঝাড়গ্রামের কুড়মি আন্দোলনের নেতা ও কুড়মি সংগঠনের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাতো। এদিন বিকেলে পশ্চিম গড়বেতায় বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সভায় রাজেশের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন ঝাড়গ্রাম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তুফান মাহাতো সহ অন্যান্য কার্যকর্তারা। গেরুয়া শিবিরের দাবি, কুড়মি আন্দোলনের নেতা রাজেশ মাহাতো সহ কুড়মি সমাজের অনেকে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি এবং দাবিপত্র জমা দিয়েছি। আশা করি দাবি পূরণ হবে।’ এছাড়াও এদিন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন সিপিএমের আরেক নেতা সুদর্শন লোহার।

    দলে যোগ দিয়েই প্রার্থী রাজেশ!

    বিজেপিতে কুড়মি সমাজের নেতা রাজেশ মাহাতো যোগদানের পরেই জল্পনা বাড়ছে তিনি নাকি এবার বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে ঘোষিত হবেন। জঙ্গলমহলের বিভিন্ন কুড়মি সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্ভবত ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর থেকে ওই শিক্ষক রাজেশ মাহাতো বিজেপির প্রার্থী হবেন। তিনি আগে আদিবাসী কুড়মি সমাজে ছিলেন। সেখান থেকে বার হয়ে কুড়মি সমাজ, পশ্চিমবঙ্গ গঠন করেন। এই গোপীল্লভপুর বিধানসভায় প্রায় ৩৫ শতাংশ কুড়মি জনজাতির বসবাস। আর সেই ভোট টানতেই বিজেপি এই পরিকল্পনা করতে চলেছে। একইভাবে পুরুলিয়ার জয়পুর থেকেও এক কুড়মি আন্দোলনকারীকে বঙ্গ বিজেপি প্রার্থী করার চেষ্টা করছে বলে খবর। যদিও দলের তরফে এখনো কোনো কিছুই জানানো হয়নি।

    আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ডুবল ৬ লক্ষ কোটি! বিরাট ধাক্কা ভারতের শেয়ারবাজারে

    বিজেপির পুরুলিয়া জেলা সভাপতি শংকর মাহাতো বলেন, “কে কোন আসনে প্রার্থী হবেন, সেটি দলের উচ্চ নেতৃত্বের বিষয়।” এদিকে আদিবাসী কুড়মি সমাজের ঘোষিত কর্মসূচিতে সাড়া দিয়ে কুড়মি আন্দোলনকারীরা জঙ্গলমহলে বিজেপির কায়দাতেই ‘জয় গরাম’ রথ বার করছেন। সেখানে ঝুমুর গানের মধ্য দিয়ে ‘নো ভোট টু টিএমসি’ প্রচার চালাতে সমাজমাধ্যমে একটি গানের ট্রেলার প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, “ছোটনাগপুর কুড়মি দেশে আমরা ফুল ফুটালি মরা ঘাসে/ঘাসের বাড় দেখে দাদা মাথা ঘুরায় যাছে। এবার ঘাসফুল উজড়াবো দাদা হামদের কুড়মি দেশে।”