Tag: Bharatiya Janata Party

  • নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুর, কোথা থেকে প্রার্থী হবেন শুভেন্দু? যা জানালেন বিরোধী দলনেতা

    নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুর, কোথা থেকে প্রার্থী হবেন শুভেন্দু? যা জানালেন বিরোধী দলনেতা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election)। তবে তার আগে নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুর কোথা থেকে ভোটে লড়তে চান শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কে কোথায় প্রার্থী হবেন তা বিজেপি নেতৃত্বও ঠিক করবে। কিন্তু তাঁকে যদি বেছে নিতে বলা হয়, তাহলে তিনি কোন আসনকে বেছে নেবেন? নিজেই জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    নন্দীগ্রাম আর ভবানীপুর নিয়ে বড় মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, যদি তাঁকে নন্দীগ্রাম আর ভবানীপুরের মধ্যে বিধানসভা বেছে নিতে হয়, তাহলে নন্দীগ্রামকে বেছে নেবেন। কারণ, তিনি সেখান থেকে লড়াই করতে ইচ্ছুক। কিন্তু ভবানীপুর নিয়েও বেশ কিছুদিন ধরে মন্তব্য করে আসছিলেন বিরোধী দলনেতা। তাহলে এবার কী হল তাঁর? নন্দীগ্রামকে নিয়ে তিনি কি আলাদা কিছু ভাবছেন? নাকি দুই কেন্দ্র থেকেই এবার ভোটে দাঁড়াবেন শুভেন্দু অধিকারী? সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমার ভাবার কিছুই নেই। বিজেপি ব্যক্তিগত দল না। এটা পিসি -ভাইপোর পার্টি নয়। আর এখানে কোনও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হয় না। বিজেপি আমাকে যেখানে লড়াই করতে দেবে আমি সেখানে লড়াই করব। আমাকে লড়াই করতে দিলেও ঠিক আছে, লড়ালেও ঠিক আছে।”

    এদিন তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, তাহলে আমি নন্দীগ্রাম থেকেই লড়ব। কিন্তু বিজেপি যদি বলে যে এটা করতে হবে, ওটা করতে হবে, তবে তাই হবে। কিন্তু হ্যাঁ, নন্দীগ্রাম নিয়ে আমার কোনও দ্বিমত নেই। দল আমাকে যেটা করতে বলবে আমি সেটাই করব।” এদিকে ভবানীপুর নিয়ে সম্প্রতি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন শুভেন্দু। ভবানীপুরে নিজের সভা করেছেন তিনি। আর সেখানকার দোলেও অংশ নেন। এমনকি এসআইআর-এ ভবানীপুর থেকে ৪৭ হাজারের বেশি নাম পড়ার কারণে সেখানে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন শুভেন্দু, এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধোনাও করেন।

    শুভেন্দু এও বলেন যে, ২০২১ সালে তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেভাবে হারতে হয়েছিল, এবার ভবানীপুরেও তাঁর পুনরাবৃত্তি হবে। দল চাইলে ভবানীপুরে তিনি প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি স্পষ্ট জবাব দেন যে, “ভবানীপুর থেকে যদি আমি এক ভোটেও জিতি, তাহলেও জিতবো। এখানে আমাকে হারানোর কোনও ক্ষমতা নেই।”

    আরও পড়ুন: বাংলায় কবে ভোটগ্রহণ, গণনা এবং কত দফায় ভোট? জানাল নির্বাচন কমিশন

    এদিকে শুভেন্দুর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শাসকদোলের বিধায়ক অরূপ চক্রবর্তী কটাক্ষ করেন। তিনি বলেছেন, “শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি দুবারই ধরাশায়ী হয়েছে। ভবানীপুরে কোনও পাত্তা পাবে না শুভেন্দু। যা পারফরমেন্স তাতে ধোপে টিকবে না। বাংলার মানুষ মমতাকেই ৩৯টি আসনে জয়ী করেছিল। আর বিজেপি শমিক ভট্টাচার্যকে রাজ্য সভাপতি করে ওঁর ডানা ইতিমধ্যেই ছেঁটে দিয়েছে। শুভেন্দু এবার টিকিট পাবে কিনা তা নিয়েই সংশয় থেকে যাচ্ছে। নিজের মুখে যখন এরকম কথা বলছে, তাহলে বোঝা যাচ্ছে, বিজেপিতে ঠিক শুভেন্দু কতটা কোণঠাসা।” এমনকি অরূপ এও জানান যে, “লোডশেডিং না করলে ২০২১ সালে বিধায়ক হওয়া হতো না। কিন্তু নন্দীগ্রামে তো এবার লোডশেডিং হবে না। পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুৎ বিভাগ এবার সব ঠিক করে রেখেছে। সবটা সময়েই দেখা যাবে।”

  • বিজেপি কর্মী বোঝাই ট্রেনে ছোঁড়া হল পাথর, ভাঙল একাধিক জানলার কাঁচ! চাঞ্চল্য শিলিগুড়িতে

    বিজেপি কর্মী বোঝাই ট্রেনে ছোঁড়া হল পাথর, ভাঙল একাধিক জানলার কাঁচ! চাঞ্চল্য শিলিগুড়িতে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election)। ইতিমধ্যেই সময়সূচি ঘোষণা হয়েছে নির্বাচনের। তার আগে গতকাল কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসভা ছিল। আর সেখানে উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে গোটা দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিজেপি সমর্থকরা ভিড় জমিয়েছিল। সেই সূত্রে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে (Siliguri) বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ফিরছিল একটি ট্রেন। আর সেই ট্রেনকে লক্ষ্য করেই পাথর ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।

    হঠাৎ করে ট্রেনে পাথর বৃষ্টি

    জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিয়ে উত্তরবঙ্গের কর্মী সমর্থকরা ওই ট্রেনে করে শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। আর সেই সময় হঠাৎ করে ট্রেনটিকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, এই ঘটনাটি ঘটে শিলিগুড়ির পুর নিগমের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কয়লাডিপো এলাকায়। বিজেপি অভিযোগ করছে, কলকাতায় প্রধানমন্ত্রীর সভাশেষ হওয়ার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এমনকি এতে ট্রেনের কয়েকটি জানালার কাঁচ ভেঙে যায় আর যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই আতঙ্কে সিট থেকে সরে যান।

    এদিকে এই ঘটনায় বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত দুষ্কৃতীরায় পরিকল্পনা করে তাদের উপর এই হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, বিজেপির কর্মীরা যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে না পারে, সেই উদ্দেশ্যেই আক্রমণ করা হয়েছে। তবে অন্যদিকে তৃণমূল তাদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। শাসকদলের দাবি, বিজেপি রাজনৈতিকভাবে বিষয়টিকে দেখাতে চাইছে। স্থানীয় কিছু বাসিন্দাদের বক্তব্য, ট্রেন থেকে কয়েকজন বিজেপি কর্মী উস্কানিমূলক আচরণ করেছিলেন এবং অশালীন অঙ্গভঙ্গিও করেন। তাতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    আরও পড়ুন: দুই দফায় নির্বাচন বাংলায়, কোন জেলায় কবে ভোটগ্রহণ? দেখুন তালিকা

    এদিকে স্থানীয়রা আরও দাবি করে, ঘটনার পর দুই পক্ষের মধ্যে পাথর ছোঁড়াছুড়ি হয়। আর এতে ট্রেনের বেশ কয়েকটি জানালার কাঁচও ভেঙে যায়। আর এই ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু সেরকম কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

  • ব্রিগেড যাওয়ার পথে সংঘর্ষ, গিরিশ পার্কে মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে ছোঁড়া হল পাথর

    ব্রিগেড যাওয়ার পথে সংঘর্ষ, গিরিশ পার্কে মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে ছোঁড়া হল পাথর

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ক্রমেই অপেক্ষার প্রহর কাটতে চলেছে, কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে (Modi Brigade Rally) বিজেপির জনসভাকে ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। কিছুক্ষণ পরেই শুরু হতে চলেছে মোদীর সভা। আর এই অবস্থায় গিরিশ পার্কে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার (Shashi Panja House Attacked) অভিযোগ উঠল কয়েকদল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তৃণমূল কর্মীদের দাবি, ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভায় যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা এ সব করেছেন।

    শশী পাঁজার বাড়িতে হামলা

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ শনিবার দুপুরে ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদীর জনসভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় একদল বিজেপি গিরিশপার্কে রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজার বাসভবনে হামলা করে। ছোঁড়া হয় পাথর। তাতেই দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটনায় শশী পাঁজা বলেন, ‘‘বিজেপি গুণ্ডারা এ সব করেছে। আজ যে বাস ব্রিগেডে যাচ্ছে, সেগুলিতে রয়েছে ইট, কাচের বোতল, বোম। বহিরাগত গুণ্ডাদের নিয়ে তারা ব্রিগেডে যাচ্ছে।’’ পাথর ছোড়াছুড়িতে রক্তাক্ত বিজেপির উত্তর কলকাতার সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ। তাঁকে ইতিমধ্যেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শশীর কথায়, ‘‘এরা খুনও করতে পারে। এরা গুণ্ডা। গণতন্ত্রের খুন করা হয়েছে। ওঁদের দুঃসাহস দেখুন!’’

    তৃণমূল-বিজেপির হাতাহাতি

    গোটা ঘটনায় তৃণমূল কর্মীদের দাবি, ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভায় যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করেছেন। কিন্তু এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে বিজেপির পাল্টা অভিযোগ, গিরিশ পার্কে মিছিল করে যাওয়ার সময় তাদের কর্মীদের লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে তৃণমূল। সবটা দেখেও পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। ঘটনায় আহত হয়েছেন বৌবাজার থানার ওসি বাপ্পাদিত্য নস্কর-সহ কয়েক জন। বিক্ষুব্ধ পরিস্থিতি এলাকা জুড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে একাধিক পুলিশকর্মী। এদিকে পাথর এবং ইটের আঘাতে বাড়ির জানালার কাচ ও সদর দরজার ক্ষতি হয়েছে বলে খবর।

    আরও পড়ুন: শিয়ালদায় বিজেপির কর্মীদের নিজের হাতে খাবার পরিবেশন শমীকের

    ইতিমধ্যেই, কলকাতা বিমানবন্দরে নেমেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিমান। অসমের শিলচরে সভা শেষ করে শহরে এলেন তিনি। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে গিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। ওদিকে ব্রিগেডের মঞ্চে ইতিমধ্যেই উপস্থিত হয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী, দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, সুকান্ত মজুমদার , শুভেন্দু অধিকারী সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব।

  • শিয়ালদায় বিজেপির কর্মীদের নিজের হাতে খাবার পরিবেশন শমীকের

    শিয়ালদায় বিজেপির কর্মীদের নিজের হাতে খাবার পরিবেশন শমীকের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজেপির জনসভাকে ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। আর কিছুক্ষণ পরেই শুরু হতে চলেছে বহু প্রতীক্ষিত মোদীর হাইভোল্টেজ সভা (Modi Brigade Rally)। ইতিমধ্যে জেলা থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা সভায় ভিড় জমাতে শুরু করেছে। কাতারে কাতারে মানুষ হাওড়া-শিয়ালদা হয়ে ব্রিগেড অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছেন। এই অবস্থায় স্টেশনের বাইরে কর্মী-সমর্থকদের জন্য তৈরি করা অস্থায়ী ক্যাম্পে অন্য ভূমিকায় দেখা গেল রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে। করলেন খাবার পরিবেশন।

    খাবার পরিবেশন শমীকের

    দূর-দূরান্ত থেকে যে সকল কর্মী সমর্থকরা বিজেপির সভায় হাজির হয়েছেন। শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে বিজেপির তরফে যে ক্যাম্প করা হয়েছে, সেখানে সকাল থেকেই উত্তরবঙ্গ-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কর্মী-সমর্থকদের জন্য খাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ওই ক্যাম্পে বিশ্রাম নিচ্ছেন কর্মীরা। এক এক সকলেই দুপুরের খাবার খাচ্ছেন। মেনুতে রয়েছে ভাত, ডাল, সবজী, ডিম। আর সেখানেই কর্মী সমর্থকদের খাবার পরিবেশন করতে দেখা গিয়েছে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে। খাবার পরিবেশন প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এটা নতুন কিছু নয়। ছোটবেলা থেকেই বিজেপির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মানুষকে খাবার পরিবেশন করার অভ্যাস রয়েছে তাঁর।

    দলীয় অবস্থান নিয়ে কড়া বার্তা শমীকের

    ব্রিগেডে মোদীর জনসভা রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করা হলে দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করে কড়া বার্তা দিলেন তিনি। শমীক বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ বহুত্ববাদের মাটি এবং এই মাটিকে কখনও বিভেদের রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া যাবে না। এই মাটিকে কিছুতেই হুমায়ুনের মাটি বানাতে দেব না।” বিজেপির আদর্শ নিয়ে শমীক বলেন, “শ্যামা প্রসাদ মুখার্জীর আদর্শেই দল এগিয়ে চলছে। দেশভাগের পর শিয়ালদহ স্টেশনে উদ্বাস্তুদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সেই ঐতিহ্য থেকেই বিজেপি বাংলার মানুষের পাশে থাকার দাবি করছে।”

    আরও পড়ুন: বোরখা পরা মহিলাদের জন্য বাংলায় ‘বিহার মডেল’! মুখ দেখিয়েই দিতে হবে ভোট

    ব্রিগেড সভার আগে শিয়ালদহে কর্মী-সমর্থকদের জমায়েতের মধ্যে রাজনৈতিক শিবিরে এক টান টান মুহূর্ত তৈরি হয়েছে। এখন বাকি শুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্টেজে ওঠার। এদিকে রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “আসন্ন নির্বাচন মূলত মানুষের সঙ্গে তৃণমূলের লড়াই হয়ে উঠেছে। রাজ্যের মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত এবং সেই বার্তাই ব্রিগেডের সভা থেকে আজ স্পষ্ট হবে।

  • ভোট ঘোষণার আগেই ১৫০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত বিজেপির? তালিকায় কাদের নাম?

    ভোট ঘোষণার আগেই ১৫০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত বিজেপির? তালিকায় কাদের নাম?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) সময় যত এগিয়ে আসছে ততই রাজ্য রাজনীতিতে এক উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তাই এই পরিস্থিতিতে জনসংযোগ বৃদ্ধি করতে উঠেপড়ে লেগেছে শাসক দল থেকে শুরু করে বিরোধীরা। এদিকে অনুমান করা হচ্ছে আগামী ১৬ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতে পারে। এমতাবস্থায় শোনা যাচ্ছে বঙ্গের ১৫০ আসনে নাকি ঠিক হয়ে গিয়েছে বিজেপির প্রার্থী।

    ১৫০ আসনে প্রার্থী প্রস্তুত বিজেপির

    রিপোর্ট মোতাবেক, দু’দিন ধরে দিল্লিতে বৈঠকে গিয়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা তৈরি করা হয়েছিল বলে খবর। দলের অন্দরেও শোনা যাচ্ছে, ১৫০ এর মতো আসনে প্রার্থীদের ঠিক করে ফেলেছে বিজেপি। তবে সবার নাম প্রকাশ্যে আনবে ভোটের দিন ঘোষণার পরেই। অনুমান করা হচ্ছে, ১৬ মার্চ ভোট ঘোষণা হলে প্রথম দফার নির্বাচনের আগে অন্তত ২৮ থেকে ৩০ দিন সময় দিতে হবে। অর্থাৎ এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি বা তৃতীয় সপ্তাহে হবে প্রথম দফার নির্বাচন।

    তালিকায় থাকবে নতুন মুখ

    সূত্রের খবর বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় নাম থাকতে পারে বর্তমান বিধায়কদের মধ্যে ৮৭ থেকে ৮৮ শতাংশের। বাকি ১০ থেকে ১২ শতাংশ শারীরিক অসুস্থতা আর বয়সজনিত কারণে প্রার্থী না হতে চেয়ে দলকে জানিয়েছে বলে খবর। এছাড়াও তালিকায় থাকতে পারে একাধিক নতুন মুখও। যদিও বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা কেউই কোনো মন্তব্য করেনি এই ব্যাপারে। এদিকে নির্বাচন ক’দফায় হবে তা এখনও স্পষ্ট না হলেও মোটামুটি এক থেকে তিন দফায় ভোট হতে পারে বলেই ইঙ্গিত মিলছে। অতীতে রাজ্যে নির্বাচনী হিংসা রুখতে ৮ দফায় ভোটগ্রহণের নজির গড়ে উঠেছিল। তবে এবার শোনা যাচ্ছে এত বেশি দফায় ভোটের আর কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই।

    আরও পড়ুন: পুলিশের উপরেও চলবে নজরদারি? ভোটে নিরাপত্তা জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ কমিশনের

    প্রসঙ্গত, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে এখনও কিছু মতামত পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে বাংলার সঙ্গেই ভোটের দিন ঘোষণা হবে তামিলনাড়ু, কেরল, অসম, পুদুচেরিতে। রাজ্যে ক’দফায় ভোট হবে, এই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে রয়েছে। ১ থেকে ৩ দফায় ভোট হতে পারে বলে একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগামী এপ্রিলেই ভোটের ফল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তৃণমূলের হেভিওয়েট বিধায়ক, ছড়াল জল্পনা

    বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তৃণমূলের হেভিওয়েট বিধায়ক, ছড়াল জল্পনা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দোরগোড়ায় এসে গিয়েছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026), হাতে সময় বেশ কম, তাই এখন থেকেই ভোট প্রচারে মনোযোগ দিয়েছে শাসকদল থেকে শুরু করে বিরোধীরা। কমিশন সূত্রে খবর, সোমবার ১৬ মার্চ ঘোষণা হতে পারে ভোটের দিনক্ষণ, তাইতো সকলের মধ্যে এক চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এমতাবস্থায় বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বেসুরো হয়ে উঠলেন তমলুকের তৃণমূল বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্র (Soumen Mahapatra)। উঠছে দল বদলের সম্ভাবনা।

    সৌমেন মহাপাত্রের নিরাপত্তায় কাটছাঁট!

    উল্লেখ্য, সৌমেন মহাপাত্র বর্তমানে তমলুকের বিধায়ক। তবে এই পদ ছাড়াও বিধানসভার ‘লোকাল ফান্ড স্ট্যান্ডিং কমিটির’ চেয়ারম্যান তিনি। যদিও মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়লেও এখনও তিনি ‘পাইলট কার’-সহ নিরাপত্তা পান। কিন্ত ভোট যখন বাংলার দোরগোড়ায়, সেই সময় ঘটল বড় চমক। হঠাৎ করেই তমলুকের বিধায়কের বাড়ির এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। জানা গিয়েছে এইমুহুর্তে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন তিনজন পুলিশকর্মী। আর এই ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র।

    ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করলেন বিধায়ক

    জানা গিয়েছে, তমলুকের বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্র সাংবাদিক বৈঠক করে শাসক দলের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ভোট সামনে থাকলেও দল তাঁকে কাজে লাগাচ্ছে না। এমনকি চারবারের বিধায়ক ও তিনবারের মন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও কেন তাঁকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না? এদিন সাংবাদিকরা বিজেপির প্রসঙ্গ তুলতেই সৌমেন মহাপাত্র স্বীকার করে নেন যে, পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই কঠিন। কিন্তু একটিবারও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে কোনো ভালো-খারাপ মন্তব্য করলেন না। আর তাতেই সন্দেহ বাড়ছে তবে কি নির্বাচনের আগেই পদ্ম শিবিরের যোগ দেবেন এই বিধায়ক?

    আরও পড়ুন: ৫টি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য নয়া উন্নয়ন পর্ষদ গঠনের ঘোষণা নবান্নের

    প্রসঙ্গত, তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই দলের সঙ্গে রয়েছেন সৌমেন মহাপাত্র। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার তিনবারের মন্ত্রীও ছিলেন। এমনকী গত বিধানসভা নির্বাচনে তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদও সামলেছেন সৌমেন মহাপাত্র। কিন্তু আচমকাই গত ২০২২ সালে সৌমেন মহাপাত্রকে মন্ত্রিত্বকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকী ক্ষুদ্র শিল্প নিগমের চেয়ারম্যান পদ এবং সমস্ত দলীয় পদও খোয়াতে হয় তাঁকে। এদিকে নিরাপত্তা প্রত্যাহার প্রসঙ্গে সৌমেন মহাপাত্রের স্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী সুমনা মহাপাত্রও একই সুরে অভিযোগ তোলেন। যদি ওই বিষয় নিয়ে এখনো তৃণমূলের তরফে কোন প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এখন দেখার নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সঙ্গে সৌমেন মহাপাত্রের সম্পর্কের সমীকরণটি বদলায় নাকি।

  • ব্রিগেডে মোদির মেগা র‍্যালি! কর্মীদের জন্য উত্তরবঙ্গ থেকে ১৬ জোড়া স্পেশাল ট্রেন

    ব্রিগেডে মোদির মেগা র‍্যালি! কর্মীদের জন্য উত্তরবঙ্গ থেকে ১৬ জোড়া স্পেশাল ট্রেন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে, মুখ্যমন্ত্রীর সিংহাসন দখলের জন্য একদিকে যেমন মরিয়া বিরোধীরা, ঠিক তেমনই আবার সিংহাসন ধরে রাখতে তুমুল চেষ্টা করে চলেছে তৃণমূল। আর এই আবহে আগামী ১৪ মার্চ, শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মহাসভা (PM Modi Brigade Rally) হতে চলেছে। সভাস্থলে উপস্থিত থাকতে কর্মীদের জন্য উত্তরবঙ্গ থেকে ১৬ জোড়া বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হতে চলেছে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ নয়া রাজ্যপাল আর এন রবিকে।

    ১৬ জোড়া ট্রেনের ব্যবস্থা দলীয় কর্মীদের জন্য

    আগামী ১৪ মার্চ কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মহাসভা হতে চলেছে। একই দিনে রাজ্যে বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’র সমাপ্তি ঘটতে চলেছে। এদিকে ব্রিগেডের সভাকে সফল করতে টার্গেট করা হচ্ছে উত্তরবঙ্গকে। সেখানকার দলীয় কর্মীদের যাতে সভায় আসতে কোনো রকম সমস্যা না হয় তাই উত্তরবঙ্গ থেকে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হল রেলের তরফে। জানা গিয়েছে আপ ডাউন নিয়ে স্পেশাল ১৬ জোড়া ট্রেনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উত্তরবঙ্গ বরাবরই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের ৫৪টি আসনের মধ্যে ৩০টিতে জয়লাভ করেছিল বিজেপি। তবে কি সেই কারণে এবার এই পদক্ষেপ? যদিও এই তত্ত্ব মানতে নারাজ বিজেপি।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি

    রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি গোস্বামী এই তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সভায় ভিড় উপচে পড়বে। শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, গোটা রাজ্যের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসবেন।’ সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার, রাজ্যে আসছেন নরেন্দ্র মোদী। বেলা ১-৩৫ নাগাদ আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা বিমানবন্দরে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হাসিমারা সামরিক ঘাঁটি থেকে হেলিকপ্টারে কোকরাঝাড়ে যাবেন মোদি। পরেরদিন অর্থাৎ শনিবার অসমের শিলচর থেকে বেলা ১-২০ নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবং ১:৫০ নাগাদ ব্রিগেডের প্রশাসনিক সভা মঞ্চে উঠবেন।

    আরও পড়ুন: গ্যাসের আকাল! হাসপাতালে বন্ধ হতে পারে বিনামূল্যে রুটি-সবজি

    প্রসঙ্গত, ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গডকড়ী। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘শনিবার ব্রিগেডে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিমবঙ্গে চলছে হাইওয়ের একাধিক প্রকল্পের কাজ। জাতীয় সড়ক-সহ একাধিক প্রকল্পের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।’ সেই অনুষ্ঠানে থাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

  • নির্বাচন হোক ২ দফায়, কমিশনের কাছে আর কী কী দাবি জানাল বিজেপি?

    নির্বাচন হোক ২ দফায়, কমিশনের কাছে আর কী কী দাবি জানাল বিজেপি?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) কাছে একগুচ্ছ দাবি জানিয়েছে বিজেপি (BJP on Commission)। সোমবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি প্রতিনিধি দল। আর সেখানে তারা মোট ১৬ দফা দাবি পেশ করেছে। বিরোধী দলের দাবি, রাজ্যে দীর্ঘদিন সময় ধরে বহু দফায় ভোট করানোর বদলে এবার এক বা দুই দফায় নির্বাচন করা হোক। তাদের মতে, এতে প্রশাসনিক চাপ অনেকটাই কমবে এবং দ্রুত আর সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

    বলাবাহুল্য, ওই বৈঠকে বিজেপি প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠকে নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কমিশনের সঙ্গে তাঁর আলোচনা করেছেন। আর বৈঠকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, প্রায় আধাঘন্টা ধরে কমিশনের সামনে তাঁদের দাবি এবং প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।

    কী কী দাবি জানানো হল বিজেপির তরফ থেকে?

    বিজেপির দাবি, আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন যাতে হিংসামুক্ত আর ভয়মুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, সেই লক্ষ্যেই এই দাবি জানানো হয়েছে। এ নিয়ে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা কমিশনকে জানানো হয়েছে।

    বিজেপির দাবিগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ছয় সপ্তাহ ধরে দীর্ঘ ৭-৮ ধাপের পরিবর্তে স্বল্প সময়ের মধ্যেই একক বা সর্বোচ্চ দুটি ধাপে ভোট গ্রহণ করতে হবে। ভোটের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কল্যাণ সংস্থাকে নিষিদ্ধ করা উচিত এবং তাদের সমস্ত অফিস ও কার্যক্রম এলাকা সিল করে দেওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, বড় বড় বহুতল কমপ্লেক্সের ভেতরে ভোটকেন্দ্র থাকা বাধ্যতামূলক। স্থানীয় পুলিশের উপর নির্ভর না করে সাধারণ এবং পুলিশ পর্যবেক্ষক দ্বারা চিহ্নিত এলাকাগুলির উপর ভিত্তি করেই সিএপিএফ-এর আধিপত্য যাচাই করতে হবে। সাধারণ এবং পুলিশ পর্যবেক্ষকদের এলাকা সম্পর্কে জানার জন্য আর মূল্যায়নের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আগেই মোতায়েন করা উচিত।

    আরও পড়ুন: ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব’ বকেয়া DA কাণ্ডে বড় ঘোষণা, ঘুরে যাবে খেলা? জল্পনা তুঙ্গে

    এছাড়াও পূর্ববর্তী তিনটি নির্বাচনে অর্থাৎ ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন, ২০২১ বিধানসভা নির্বাচন আর ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে কমিশনের আদেশে বদলি হওয়া সকল কর্মকর্তাদের বদলি করার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে কমিশনকে। বিজেপির স্পষ্ট দাবি, আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন যেন কোনও রকম অসন্তোষ ছাড়াই সম্পন্ন হয়।

  • ভোটের আগে তৃণমূলে ভাঙন? বিজেপিতে ফিরছেন মুকুটমণি? জানালেন শান্তনু ঠাকুর

    ভোটের আগে তৃণমূলে ভাঙন? বিজেপিতে ফিরছেন মুকুটমণি? জানালেন শান্তনু ঠাকুর

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে, আর কিছুদিন পরেই রাজ্যে হতে চলেছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026)। তাই এখন থেকেই দিন রাত ভোট প্রচারের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে শাসকদল থেকে শুরু করে বিরোধীরা। আর এই আবহে ফের শাসকদলের ভাঙনের ইঙ্গিত মিলল। শোনা যাচ্ছে মুকুটমণি অধিকারী (Mukut Mani Adhikari) নাকি ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের তৃণমূল থেকে বিজেপিতে (Bharatiya Janata Party) যেতে চলেছেন। ক্রমেই বাড়ছে সেই জল্পনা, অবশেষে এই নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজেই জানালেন সত্যিটা।

    ফের বিজেপিতে ফিরে যাবেন মুকুটমণি?

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে এর আগেও আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ঠিক আগে বিজেপি ছেড়েছিলেন মুকুটমণি অধিকারী, যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। নারী দিবস উপলক্ষ্যে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে পতাকা নিয়ে দল বদল করেছিলেন। লোকসভা নির্বাচনে রাণাঘাটে তৃণমূলের প্রার্থী হন। তবে হেরে যান। তবে তৃণমূলের টিকিটে রাণাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা আসনে উপনির্বাচনে জয়ী হন। আর এবারেও আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ঠিক আগে দলবদলের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে তাঁর। ফের বিজেপিতে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বৈঠকের পর মুকুটের।

    শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বৈঠক মুকুটের

    রিপোর্ট মোতাবেক গতকাল অর্থাৎ শনিবার, ঠাকুরনগরে ঠাকুরবাড়িতে এসে বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করেছিলেন মুকুটমণি অধিকারী। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে সেই বৈঠক। বৈঠক শেষে বেরিয়ে মুকুটমণি অধিকারী সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হন। সেখানে তিনি বলেন, “আমি নতুন গাড়ি কিনেছি। ঠাকুরবাড়িতে নতুন গাড়ির পুজো দিতে এসেছিলাম। সেখানেই শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছি।” এই প্রসঙ্গে শান্তনু ঠাকুরও একই কথা বলেন। তিনি বলেন, “এতে কোনও রাজনীতির বিষয় নেই। গাড়ির পুজো দিতে এসে আমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। দলে ফেরা নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।” শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকরা এদিন মুকুটমণি অধিকারীকে বিজেপিতে পুনরায় ফিরে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি সেই সকল জল্পনা খারিজ করে দেন।

    আরও পড়ুন: ‘Updated Soon’ মেসেজে বিপাকে আবেদনকারীরা, যুবসাথীর স্ট্যাটাস চেক নিয়ে আপডেট সরকারের

    মুকুটমণি অধিকারী সাংবাদিকদের স্পষ্ট জানান, “আমি বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে যেমন দেখা করেছি ঠিক তেমনই ঠাকুরবাড়ির আরেক সদস্য তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের বাড়িতেও গিয়েছিলাম।” কিন্তু এই দাবি সম্পূর্ণ নাকচ করে দেন মমতাবালার মেয়ে তথা বাগদার তৃণমূল বিধায়ক মধুপর্ণা ঠাকুর। তিনি বললেন, “আমাদের বাড়িতে আসেননি মুকুটমণি অধিকারী। এটা ঠাকুরবাড়ি। যে কেউ আসতে পারেন। কিন্তু কেন মিথ্যা কথা বললেন, এটা বুঝতে পারছি না।” দল পরিবর্তন নিয়ে মধুপর্ণা বলেন, “তিনি বিজেপিতে যাবেন কি না, সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার।” ফলস্বরূপ জল্পনা যেন কিছুতেই কাটতে চাইছে না।

  • মনোনয়ন ঘিরে একাধিক বিভ্রান্তি! স্ক্রুটিনির পর অবশেষে গৃহীত রাহুল সিনহার ফর্ম

    মনোনয়ন ঘিরে একাধিক বিভ্রান্তি! স্ক্রুটিনির পর অবশেষে গৃহীত রাহুল সিনহার ফর্ম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আগামী ১৬ মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচন (Rajya Sabha Election)। দেশের ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোট হবে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি আসনও রয়েছে। তৃণমূলের তরফে কে কে নির্বাচনে নামবেন তাঁদের নাম ঘোষণা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। বিজেপিও প্রার্থী হিসেবে রাহুল সিনহার নাম ঘোষণা করেছে। এদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজ্যসভার টিকিট মিললেও মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে একেবারে ফেসাদে পড়লেন রাহুল (Rahul Sinha)। রীতিমত নাম বাদ পড়ার জোগাড় তৈরি হয়েছিল। অবশেষে আজ রাজ্যসভা নির্বাচনের মনোনয়ন পরীক্ষায় পাশ করলেন রাহল সিনহা! নথির সমস্যা মিটতেই গৃহীত হল তাঁর মনোনয়ন পত্র (Nomination Files)।

    নথির স্ক্রুটিনি শুরু বিধানসভায়

    রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ রাজ্যসভা নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন বঙ্গের পাঁচ জন প্রার্থী অর্থাৎ তৃণমূলের পক্ষে চার জন এবং বিজেপির পক্ষে এক জন প্রার্থী। তৃণমূলের পক্ষে মনোনয়ন জমা দেন প্রাক্তন আইপিএস রাজীব কুমার, অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক, আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী, এবং রাজ্যের মন্ত্রী তথা গায়ক বাবুল সুপ্রিয়। অন্য দিকে, ভ্রান্তি-বিলম্ব কাটিয়ে বিজেপির তরফে একমাত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন রাহুল সিনহাও। কিন্তু রাহুল সিনহার মনোনয়ন পত্র নিয়ে একটি সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই আজ, শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে সেই নথির স্ক্রুটিনি শুরু হয়েছে।

    মনোনয়নপত্র পূরণে ভুলভ্রান্তি রাহুলের

    গতকাল, মনোনয়নপত্র পূরণে বিস্তর ভুলভ্রান্তি দেখা গিয়েছিল বিজেপির একমাত্র প্রার্থী রাহুল সিনহার। মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে হলফনামা বা এফিডেভিট। মনোনয়নপত্রতে যেখানে স্পষ্ট করে ‘Not Applicable’ লেখার কথা ছিল, সেখানে লেখা হয়েছে সংক্ষেপে ‘N/A’। এছাড়াও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী হলফনামার নির্দিষ্ট কিছু জায়গা হাতে লেখার নির্দেশ থাকলেও, সেটা ‘প্রিন্টেড’ হয়ে এসেছে। তাই শেষ মুহূর্তে তাই বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি। এরপর দফায় দফায় নতুন করে ফর্ম পূরণ করেন তিনি। পরে প্রাথমিকভাবে মনোনয়পত্র গৃহীত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও একটি নথিতে সমস্যা দেখা যায়। জানানো হয়েছে, যে নথি তিনি দিতে ভুল করেছেন, তা স্ক্রুটিনি শুরুর আগেই জমা করতে হবে। আর এসবের মাঝেই আজ বিধানসভায় হাজির হন CEO মনোজ আগরওয়াল।

    আরও পড়ুন: দোলে রেকর্ড মদ বিক্রি উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে, কোন জেলায় কত? দেখুন পরিসংখ্যান

    গৃহীত হল রাহুলের মনোনয়ন পত্র

    রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা থেকে যাতে নাম বাদ না যায় তাই তড়িঘড়ি স্ক্রুটিনির আগে জরুরি নথি জমা দিতে বিধানসভায় এসেছিলেন রাহুল সিনহা। অবশেষে মেটে সেই নথির সমস্যা। বহু ঝামেলা ঝক্কির পর গৃহীত হল রাহুলের মনোনয়ন পত্র। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে একগাল হাসিমুখ নিয়ে বিধানসভা থেকে বেরলেন রাহুল। সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, “কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে ৯ তারিখে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। আমি খুব খুশি। এরপর যা কাজ, দায়িত্ব পাব তা পূরণ করব।” এদিকে বিধানসভায় মনোজ আগরওয়াল আসা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। একাংশের দাবি ছিল, রাহুলকে বিপন্মুক্ত করতেই ছক ভেঙে বিধানসভায় হাজির হয়েছেন মনোজ। তবে সেই নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি বিজেপি প্রার্থী।