Tag: Bharatiya Janata Party

  • বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন কামদুনি আন্দোলনের অন্যতম মুখ টুম্পা কয়াল? বড় খবর

    বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন কামদুনি আন্দোলনের অন্যতম মুখ টুম্পা কয়াল? বড় খবর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভোটের আগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি (West Bengal Assembly Election)। বঙ্গের দুই প্রতিদ্বন্ধী তৃণমূল এবং বিজেপি ইতিমধ্যেই নিজেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিয়েছে। ঠিক সেই আবহে এবার সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নামতে চাইলেন কামদুনি (Kamduni) আন্দোলনের অন্যতম মুখ টুম্পা কয়াল। জানা যাচ্ছে, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে লড়াই করতে চেয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সাথে যোগাযোগ করেছেন তিনি! কামদুনির মেয়ে টুম্পা বলছেন, আন্দোলন করেই বেঁচে থাকতে চান তিনি। তবে রাজনীতি ছাড়া এই আন্দোলন মূল্যহীন!

    বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন টুম্পা কয়াল?

    বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির টিকিটে দাড়াতে চাইছেন কামদুনি আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ টুম্পা। সে কথা ইতিমধ্যেই নাকি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীককে জানিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলার সময় টুম্পা স্পষ্ট জানালেন, “12টা বছর কেটে গেছে। আমি ঠিক করলাম এবার কোনও একটা রাজনৈতিক দলের অধীনে থেকে আন্দোলন করবো। এর কারণ আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন করে এসেছি। অনেক কিছু দেখেছি। তবে রাজনীতি ছাড়া আন্দোলন করা অত্যন্ত কঠিন। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম বিজেপি জয়েন করব।”

    টুম্পা বলেন, “রাজনীতির ময়দানে লড়াই করতে চাই। সেজন্যেই দাদার ( শমীক ভট্টাচার্য) সাথে কথা বললাম। দু-তিন দিনের মধ্যেই আমি বিজেপিতে জয়েন করে যাব। তারিখটা পরে জানিয়ে দেবো। আমি চাই মানুষের পাশে দাঁড়াতে। রাজনীতির ময়দানে লড়াই করতে।” বিজেপির টিকিটে দাঁড়াবেন টুম্পা? এমন প্রশ্নের উত্তরে কামদুনির মেয়ে জানিয়েছেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমি অনেকটাই দেরি করে ফেলেছি। বলতে গেলে একেবারে শেষের মুখে। আমি জানিনা দল কী করবে এখন। তবে দলের তরফে যা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আমি সেটাই মেনে নেব। এটা মানতেই হবে আমি তো অনেক শেষে এসেছি।”

    অবশ্যই পড়ুন: সত্যিই কপাল খারাপ KKR-র! এবার IPL থেকে ছিটকে গেলেন আকাশদীপও

    প্রসঙ্গত, এদিন নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন কামদুনি আন্দোলনের মুখ টুম্পা! তাঁকে বলতে শোনা যায়, “রাজ্য সরকারের পুলিশ রাজ্যের কথায় চলে। তাঁদের পুলিশ মন্ত্রী যেমন নির্দেশ দেবেন তেমনভাবেই চলবেন। রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী যা বলেছেন… রাজ্যের পুলিশ সেভাবে আমাদের কাজ করেননি। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলাম 2013 সাল থেকে। আজও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যারা দোষী, ধর্ষণকারী তাদেরকেই সাপোর্ট করে রাজ্যের পুলিশ। উল্টে তাদের সুরক্ষা দেয়।”

  • জাহান্নামে যাবে! রেড রোডে ঈদের মঞ্চে মোদিকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ তকমা মমতার

    জাহান্নামে যাবে! রেড রোডে ঈদের মঞ্চে মোদিকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ তকমা মমতার

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দোরগোড়ায় ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026)। তাইতো ভোটের প্রচারে এখনই ময়দানে নেমেছেন প্রার্থীরা। জনসংযোগ বৃদ্ধিতে যাতে কোনো ত্রুটি না থাকে নজর রাখছে সকলে। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) রেড রোডে ইদের পবিত্র সকালে সম্প্রীতি বার্তার পাশাপাশি রাজনৈতিক বার্তা দিলেন। শুধু তাই নয়, এসআইআর থেকে ধর্মীয় মেরুকরণ নিয়ে কমিশন এবং বিজেপি সরকারকে সরাসরি আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

    রেড রোডে মমতা

    রিপোর্ট মোতাবেক আজ অর্থাৎ শনিবার সকালে প্রতি বছরের মতো ঈদের অনুষ্ঠান উপলক্ষে রেড রোডে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। আর সেখান থেকেই সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরাসরি সুর চড়ালেন মমতা। সম্প্রীতির আবহে মঞ্চে দাঁড়িয়ে মমতা জানান যে, “SIR-এ বহু মানুষের নাম কাটা হয়েছে, অনেক নাম এখনও বিচারাধীন। আপনাদের জন্য আমার লড়াই চলবে। বাংলার সব মানুষের সঙ্গে আছি। আমি সব ধর্মের মানুষের পাশে আছি। আমাদের অধিকার কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।”

    বিজেপি-কমিশনকে হুঁশিয়ারি মমতার

    রাজ্যে SIR-এর চূড়ান্ত তালিকায় লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদে বিজেপির কারসাজিকে তুলে ধরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মোদীকে আমাদের অধিকার নিতে দেব না। নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের হয়ে কাজ করছে।” এরপরেই বিজেপিকে ‘চোর-ডাকাত-গুণ্ডাদের দল’ বলে কটাক্ষ করে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, “যারা বাংলাকে টার্গেট করছে, তারা জাহান্নামে যাক।” এদিন রেড রোডের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা তৃণমূলনেত্রী। মমতার হুঙ্কার, ‘আপনি সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশকারী। উনি দুবাই গিয়ে হাত মেলান তখন প্রভাব পড়ে না ওরা হিন্দু না মুসলিম। ভারতে এসেই সব ভুলে যান।”

    আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের DA বিজ্ঞপ্তিতেও ভিজল না চিঁড়ে, এবার কলকাতা হাইকোর্টে নতুন মামলা

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ভারত সরকার, অমিত শাহর অফিস, নরেন্দ্র মোদির অফিস ফোন করে করে যাকে পারছে হুমকি দিচ্ছে। আর বলছে এখানে ২০ লক্ষ জওয়ান পাঠাও। তারা নাকি ভোটের ভিতরে গিয়ে ছাপ্পা দেবে। পরিকল্পনা অনেক। আবার যাতে বাংলার পুলিশ ধরতে না পারে, সেজন্যই কতগুলো পেটোয়া লোককে আগমন করেছে। কুচো থেকে পোনা, রুই থেকে পুঁই সব বসে থাকবে। তারা তো বাংলার সব খেয়ে নেবে।’ বিধানসভা ভোটের আবহে ঈদের দিনে মুখ্যমন্ত্রীর এই হুংকার স্বাভাবিকভাবে বড় প্রভাব পড়বে বলে আশা করছে রাজনৈতিক মহল।

  • পানিহাটিতে অভয়ার মা দাঁড়ালে বিজেপির লাভ না ক্ষতি? সমীক্ষায় মিলল চমকপ্রদ উত্তর

    পানিহাটিতে অভয়ার মা দাঁড়ালে বিজেপির লাভ না ক্ষতি? সমীক্ষায় মিলল চমকপ্রদ উত্তর

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) জন্য বিজেপির (BJP) দ্বিতীয় দফা প্রার্থী তালিকা নিয়ে সকলেই আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। কারণ পানিহাটিতে (Panihati) আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নির্যাতিতা চিকিৎসকের মা নাকি বিজেপি প্রার্থী হতে চলেছে। পদ্ম-প্রতীকের প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছার কথা নাকি তিনি নিজেই জানিয়েছেন। অন্যদিকে নির্যাতিতার পরিবারকে প্রার্থী হিসাবে পাওয়ার ইচ্ছা যে বিজেপি নেতৃত্বের ছিল, সে কথা বিজেপি সূত্রও অস্বীকার করছে না। তবে বেশ কিছু আইনি জটের কারণে সেই কেন্দ্রে প্রার্থী তালিকা নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে অভয়ার মা ভোটে দাঁড়ালে, বিজেপির কি সুবিধে পাবে পানিহাটিতে?

    বিজেপির প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ নির্যাতিতার মায়ের

    পানিহাটির সম্ভাব্য বিজেপি প্রার্থীর কথায়, ‘‘ বিজেপির প্রার্থী হিসাবে আমি লড়তে চাই। অনেক দিন ধরেই আমাকে প্রার্থী হতে বলা হচ্ছিল। আমি রাজি ছিলাম না। কিন্তু আমি দেখলাম যে, নারীদের নিরাপত্তা, নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হলে, আর পশ্চিমবঙ্গকে রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে যাওয়া দুর্নীতি থেকে মুক্তি দিতে হলে তৃণমূলকে মূল থেকে উপড়ে ফেলা দরকার। তাই আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি এবং প্রার্থী হতে রাজি হয়েছি।’’ এই আবহে ABP আনন্দ ইউটিউব প্ল্যাটফর্ম ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সমীক্ষা করার জন্য প্রশ্ন তুলেছিল যে তিনি পানিহাটি থেকে হয়ে ভোটে দাঁড়ালে, বিজেপি কি ডিভিডেন্ট পাবে? আর সেই প্রশ্নের জবাবে উঠে এসেছে একাধিক জবাব।

    সমীক্ষায় মিলল উত্তর

    সমীক্ষায় জানা যায় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নির্যাতিতা চিকিৎসকের মা বিজেপির প্রার্থী হিসেবে পানিহাটিতে দাঁড়ালে ৬৭ শতাংশ মানুষ জানিয়েছে বিজেপির লাভ হবে এবং ২৯ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন লাভ হবে না। তবে ৪ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন বলতে পারবেন না। অর্থাৎ সুবিধার ফলাফলটাই বেশি। বুধবার বিকেল পর্যন্ত পানিহাটিতে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে নাম ছিল দলের পুরনো নেতা তথা রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি অনিন্দ্য (রাজু) বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু বুধবার বিকেলের দিকে প্রার্থী বাছাই নিয়ে জটিলতায় পড়ে বিজেপি, তাই আপাতত ওই কেন্দ্রে প্রার্থী এখনও অঘোষিত আছে।

    আরও পড়ুন: মার্চেও কনকনে ঠান্ডা! ভাঙল ৬ বছরের রেকর্ড, বিপর্যস্ত জনজীবন

    প্রসঙ্গত, রবিবার নির্বাচনের দিন ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সেখানে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন শুভেন্দু অধিকারী এদিকে আবার ভবানীপুরে লড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নন্দীগ্রামে করছেন পবিত্র কর। অন্যদিকে খড়গপুরে লড়ছেন দিলীপ ঘোষ। সব মিলিয়ে এবার আসন নিয়ে ভোটের লড়াই যে বেশ জবরদস্ত হবে, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে।

  • BJP-র দ্বিতীয় তালিকা, তৃণমূল নেতা খুন…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৯ মার্চ)

    BJP-র দ্বিতীয় তালিকা, তৃণমূল নেতা খুন…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৯ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ১৯ মার্চ, বৃহস্পতিবার। BJP-র দ্বিতীয় তালিকা, তৃণমূল নেতা খুন, দেশে গ্যাসের সংকট, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) ভোটের আগে বাংলায় ১২টি সভার পরিকল্পনা মোদীর

    বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার প্রচার জোরদার করতে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১২টি জনসভা করার পরিকল্পনা করলেন। নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণার পর থেকেই সব দল প্রচারে নেমে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গে কোচবিহার, শিলিগুড়ি এবং বালুরঘাটে আর দক্ষিণবঙ্গে খড়্গপুর, কাঁথি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, হাওড়া এবং দুই ২৪ পরগনায় সভা করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি জায়গায় সভা করে ফেলেছেন মোদী। পাশাপাশি অমিত শাহ একাধিক জনসভা করতে পারেন বলে খবর। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৯) বর্ধমান লাইনে ১৫৫ কিলোমিটার কবচ বসাল পূর্ব রেল

    পূর্বরেল হাওড়া-দিল্লি রুটের বর্ধমান থেকে প্রধানকুণ্ডা পর্যন্ত ১৫৫ কিলোমিটার অংশে কবচ অ্যান্টি-কলিশন সিস্টেম চালু করল। আর এতে যাত্রীদের সুরক্ষা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এর ফলে ট্রেন চলাচল আরও নিরাপদ ও আধুনিক হয়েছে। চলতি অর্থবছরে মোট ২৬০ কিলোমিটার রুটে এই প্রযুক্তি বসানো হয়েছে। পাশাপাশি পরিচালন ব্যয় কমিয়ে আরও আর্থিক উন্নতি করা হয়েছে। রেল যাত্রী ভাড়া ও স্ক্র্যাপ বিক্রিতেও আয় বেড়েছে। কবচ হল দেশের নিজস্ব অটোমেটিক ট্রেন প্রটেকশন, যেখানে দুর্ঘটনা অটোমেটিক এড়ানো যাবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৮) কাতারের রাস লাফানে ইরানের হামলা, ফের এলপিজি সংকটে ভারত

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরান কাতারের রাস লাফান গ্যাস কেন্দ্রে হামলা চালানোর কারণে বিশ্বজুড়ে এলএনজি সরবরাহে বিরাট ধাক্কা লাগল। ভারতের বেশিরভাগ গ্যাস কাতার থেকে আসার কারণে নতুন এলপিজি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। ইতিমধ্যেই হরমুজে একাধিক জাহাজ আটকে রয়েছে। যার ফলে সরবরাহ আরও ব্যাহত হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে সরকার ভর্তুকি দিয়ে গ্যাস সরবরাহ করছে। আর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না আসলে ভবিষ্যতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেতে পারে এবং আরও তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৭) দেশে চালু হল এলপিজি এটিএম পরিষেবা

    দেশে এলপিজি সংকটের মধ্যে আবার নতুন উদ্যোগ হিসেবে ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড হরিয়ানার গুরুগ্রামে চালু করল দেশের প্রথম এলপিজি এটিএম পরিষেবা। এই ব্যবস্থায় গ্রাহকরা কয়েক মিনিটের মধ্যে খালি সিলিন্ডার দিয়ে ভর্তি সিলিন্ডার নিতে পারবে। জানা যাচ্ছে, ওটিপি যাচাইকরণ এবং কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ২৪ ঘণ্টা চালু এই পরিষেবায় ইউপিআই, কার্ড বা নেট ব্যাঙ্কিং এর মাধ্যমে পেমেন্ট করা যাবে। আর কম্পোজিট হালকা সিলিন্ডার এখানে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৬) হাড়োয়ায় উদ্ধার তৃণমূল নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ

    ভোটের আগে হাড়োয়া এলাকায় তৃণমূল নেতা মশীউর কাজীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার রাত থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন আর হাতের কব্জি কাটা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। পরিবার দাবি করছে, পরিকল্পনা করে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাঁকে খুন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ অনুমান করছে যে, ধারালো অস্ত্র দিয়েই নৃশংসভাবে তাঁকে খুন করা হয়েছে। গোষ্ঠীদ্বন্দের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৫) কমিশনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালে। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বাংলার একাধিক শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিককে সরানো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত আর অঘোষিত জরুরি অবস্থা’র ইঙ্গিত দিচ্ছে। পুলিশ কমিশনারদের হঠাৎ করে বদলি এবং গুরুত্বপূর্ণ দফতরের অফিসারদের সরানোর কারণে প্রশাসন আরও দুর্বল হচ্ছে বলে মনে করেছেন তিনি। পাশাপাশি ভোটার তালিকা, এসআইআএ প্রক্রিয়া এবং নাগরিকত্ব নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপিকেও নিশানা করেছেন তিনি। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৪) ভোটের আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল সরকার

    ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সিভিক ভলেন্টিয়ারদের জন্য এবার বিরাট ঘোষণা করলেন। নবান্নের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাজ্য পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারদের অ্যাড হক বোনাস ৬০০ টাকা বাড়িয়ে ৭৪০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। যা আগে ছিল ৬৮০০ টাকা। রাজ্যের সমস্ত এলাকায় এই বোনাস প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছে। ২০১৩ সালে চালু হওয়া এই স্বেচ্ছাসেবকবাহিনী মূলত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৩) শালিমার থেকে নতুন অমৃত ভারত ঘোষণা রেলের

    বাংলার জন্য বিরাট সুখবর। চালু হচ্ছে নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। শালিমার থেকে হায়দ্রাবাদের চার্লাপল্লি পর্যন্ত এই সাপ্তাহিক ট্রেনটি চলবে বলে জানানো হয়েছে। এটি যাত্রীদের কম খরচে আরামদায়ক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা দেবে। ট্রেন নম্বর ১৭০৬৫ প্রতি মঙ্গলবার সকাল ৬:৫৫ মিনিটে চার্লাপল্লি থেকে ছেড়ে বুধবার শালিমারে পৌঁছবে। আর ফিরতি ট্রেন ১৭০৬৬ বুধবার দুপুর ১২:৫০ মিনিটে শালিমার স্টেশন থেকে ছাড়বে। আগামী ৭ এপ্রিল থেকে এই পরিষেবা শুরু হচ্ছে। সাতরাগাছি, খড়গপুর, ভুবনেশ্বর সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে এই ট্রেন থামবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ২) দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি

    বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। প্রথম দফায় ১৪৪ আসনের পর এবার বাকি ১১১ জনের নাম ঘোষণা করল বিজেপি। তালিকায় রয়েছে হিরন চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে রেখা পাত্র, সুব্রত ঠাকুর, তাপস রায়, রূপা গাঙ্গুল সহ একাধিক পরিচিত নেতারা। আর বিভিন্ন জেলায় নতুন এবং পুরনো মুখের মিশ্রণ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে শক্তিশালী প্রার্থী দিয়ে লড়াই আরও বাড়ানোর চেষ্টা করতে চাইছে বিজেপি। ভোটের আগে এই তালিকা প্রকাশ রাজনীতিতে আরও উত্তাপ বাড়িয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ১) ভাড়া কমল উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনের

    দিল্লি এবং উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের জন্য বিরাট স্বস্তির খবর। ভারতীয় রেল ১০টি ট্রেনে সুপারফাস্ট তকমা তুলে দিয়ে ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্ত নিল। এর মধ্যে নিউ জলপাইগুড়ি-নিউদিল্লি ট্রেন এখন থেকে ১৫৭২৫/২৬ নম্বরে মেল বা এক্সপেক্স হিসাবেই চলবে। আর সুপারফাস্ট চার্জ বাদ পড়ার কারণে ভাড়া প্রায় ১০% কমে যাবে। এই পরিবর্তন ২১ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে। বর্তমানে এই ট্রেনটি আনন্দবিহার টার্মিনাল থেকে চলাচল করছে। আর যাত্রীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে ভ্রমণ আরও সাশ্রয়ী হয়। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

  • বাংলায় প্রচারের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছেন মোদী, করবেন ১২ টি সভা, কোথায় কোথায়?

    বাংলায় প্রচারের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছেন মোদী, করবেন ১২ টি সভা, কোথায় কোথায়?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বহু প্রতীক্ষার পর গত রবিবার নির্বাচন কমিশন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দিয়েছে। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যে সংগঠিত হবে ভোট। তাই স্বাভাবিকভাবেই তুমুল ব্যস্ততা শুরু হয়েছে জেলায় জেলায়। দেওয়াল লিখন, প্রচার কোনটাতেই ত্রুটি রাখছে না রাজনীতিবিদরা। এমতাবস্থায় ফের বঙ্গে আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে কমপক্ষে তিনি ১২ জনসভা করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।

    ১২টি জনসভা মোদীর

    ভোটের দিনক্ষণ প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূল থেকে বিজেপি, সিপিআইএম- প্রায় সব দল প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণার পরই রাজ্যের ২৯১ আসনের পূর্ণাঙ্গ প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি ও সিপিআইএমও তাদের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। তার উপর জেলায় জেলায় চলছে দলবদলের পালা। এই অবস্থায় কর্মীদের শক্তি জোগাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যে অন্তত ১২টি জনসভা করতে চলেছেন৷ যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে৷

    কোথায় কোথায় সভা হওয়ার সম্ভাবনা?

    কয়েকদিন আগেই ব্রিগেডে মহাসভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অসংখ্য লোকের ভিড় দেখা গিয়েছে সেখানে। আর এবার উত্তরবঙ্গে ৩টি ও দক্ষিণবঙ্গে ৯টি জনসভা করতে চলেছেন মোদী। দলীয় সূত্রে খবর উত্তরবঙ্গে কোচবিহার, শিলিগুড়ি ও বালুরঘাটে সভা হবে। এরপর দক্ষিণবঙ্গের খড়গপুর, কাঁথি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনায় তাঁর সভা করার কথা রয়েছে। অর্থাৎ মোট ১২টি সভা করতে পারেন। শোনা যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে কাঁথিতে একইভাবে খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের সমর্থনে সভা করার কথা মোদীর। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও ততধিক সভা করতে আসবেন বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: লটারি লাগল রেল কর্মীদের! ৫০% DA বৃদ্ধির পর এবার ২৫ শতাংশ বাড়ছে KMA

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দলের সাংগঠনিক দশটি বিভাগের মধ্যে ৭টি বিভাগে সভা ইতিমধ্যেই করেছেন। যার মধ্যে আলিপুর, দমদম, দুর্গাপুর, তাহেরপুর, মালদহ, সিঙ্গুর ও ব্রিগেড উল্লেখযোগ্য ৷ তাই এবার বাকি এলাকাগুলিকে টার্গেট করা হচ্ছে। একটাই লক্ষ্য গেরুয়া শিবিরের প্রচার আরও বিস্তৃত করা৷ এছাড়া, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও রাজ্যে একাধিক জনসভা করবেন বলে জানা গিয়েছে৷ যদিও কিছুই এখনও সরকারিভাবে ঘোষণা হয়নি।

  • টিকিট পেলেন রেখা পাত্র, হিরণ, সুব্রত ঠাকুর! দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ BJP-র

    টিকিট পেলেন রেখা পাত্র, হিরণ, সুব্রত ঠাকুর! দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ BJP-র

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দুয়ারে কাড়া নাড়ছে বাংলার বিধানসভা নির্বাচন। গত ১৬ তারিখ প্রথম দফায় মোট ১৪৪ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল ভারতের জনতা পার্টি। আর আজ বাকি ১১১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি (BJP Candidate List)। তালিকায় রয়েছে হিরণ চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে রেখা পাত্র, তাপস রায়, সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক দাপুটে নেতারা। বিস্তারিত তালিকা নিচে তুলে ধরা হল—

    বিজেপির দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা

    • অশোকনগর – ডা. সূমোয় হীরা
    • ইটাহার – শ্রীমতি সবিতা বর্মন
    • উলুবেড়িয়া উত্তর – শ্রী চিরন বেরা
    • এন্টালি – শ্রীমতি প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল
    • এগরা – শ্রী দিব্যেন্দু অধিকারী
    • কসবা – শ্রী সন্দীপ ব্যানার্জী
    • কালিম্পং – শ্রী ভরত ছেত্রী
    • কার্শিয়াং – শ্রী সোনম লামা
    • কালনা – শ্রী সিদ্ধার্থ মজুমদার
    • কান্দি – শ্রীমতি গার্গী দাস ঘোষ
    • কামারহাটি – শ্রী অরূপ চৌধুরী
    • কাশিপুর-বেলগাছিয়া – শ্রী রিতেশ তিওয়ারি
    • কুশমণ্ডি – শ্রী তাপস চন্দ্র রায়
    • কুলপি – শ্রী অবনি নস্কর
    • কৃষ্ণগঞ্জ – শ্রী সুকান্ত বিশ্বাস
    • কৃষ্ণনগর দক্ষিণ – শ্রী সাধন ঘোষ
    • ক্যানিং পশ্চিম – শ্রী প্রশান্ত বায়েন
    • খড়গ্রাম – শ্রীমতি মিতালী মাল
    • খড়দহ – ডা. কল্যাণ চক্রবর্তী
    • খন্ডঘোষ – শ্রী গৌতম ধারা
    • গাইঘাটা – শ্রী সুব্রত ঠাকুর
    • গলসি – শ্রী রাজু পাত্র
    • গোসাবা – শ্রী বিকর্ণ নস্কর
    • চন্ডীতলা – শ্রী দেবাশীষ মুখোপাধ্যায়
    • চাপড়া – শ্রী সৈকত সরকার
    • চাঁপদানি – শ্রী দিলীপ সিং
    • চিকিৎসা – শ্রী সুদীপ্তা দাস (বীজপুর)
    • চোপড়া – শ্রী শঙ্কর অধিকারী
    • জঙ্গিপুর – অ্যাড. চিত্তো মুখোপাধ্যায়
    • জগৎদল – ডা. রাজেশ কুমার, আইপিএস
    • জগৎবল্লভপুর – শ্রী অনুপম ঘোষ
    • জাঙ্গিপাড়া – শ্রী প্রসেনজিৎ বাগ
    • জয়নগর – শ্রী আলোক হালদার
    • জলপাইগুড়ি – শ্রী অনন্ত দেব অধিকারী
    • জোড়াসাঁকো – শ্রী বিজয় ওঝা
    • টালিগঞ্জ – শ্রীমতি পাপিয়া (দে) অধিকারী
    • তেহট্ট – শ্রী সুব্রত কবিরাজ
    • দমদম – অ্যাড. অরিজিৎ বক্সী
    • দার্জিলিং – শ্রী নোমান রাই
    • ধনেখালি – শ্রীমতি বর্ণালী দাস
    • ধূপগুড়ি – শ্রী নরেশ চন্দ্র রায়
    • নকাশিপাড়া – শ্রী শান্তনু দে
    • নন্দকুমার – শ্রী নির্মল খাঁড়া
    • নবগ্রাম – শ্রী দিলীপ সাহা
    • নবদ্বীপ – শ্রী শ্রুতি শেখর গোস্বামী
    • নয়াগ্রাম – শ্রী অমিয়া কিস্কু
    • নওদা – শ্রী রাণা মণ্ডল
    • পুরুলিয়া – শ্রী সুদীপ কুমার মুখোপাধ্যায়
    • পান্ডুয়া – শ্রী তুষার কুমার মজুমদার
    • পিংলা – শ্রীমতি স্বাগতা মান্না
    • পূর্বস্থলী উত্তর – শ্রী গোপাল চট্টোপাধ্যায়
    • ফারাক্কা – শ্রী সুনীল চৌধুরী
    • ভরতপুর – শ্রীমতি অনামিকা ঘোষ
    • ভাঙড় – শ্রী জয়ন্ত গায়েন
    • বিধাননগর – ডা. শরদ্বত মুখোপাধ্যায়
    • বিষ্ণুপুর – শ্রীমতি শুক্লা চট্টোপাধ্যায়
    • বীজপুর – শ্রী সুদীপ্তা দাস
    • বড়ওয়ান – শ্রী সুখেন কুমার বাগদী
    • বনগাঁ উত্তর – শ্রী অশোক কীর্তনীয়া
    • বনগাঁ দক্ষিণ – শ্রী স্বপন মজুমদার
    • ব্যারাকপুর – শ্রী কৌস্তভ বাগচী
    • বারুইপুর পশ্চিম – শ্রী বিশ্বজিৎ পাল
    • বারুইপুর পূর্ব – শ্রীমতি টুম্পা সরদার
    • বারাসাত – শ্রী শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়
    • বালি – শ্রী সঞ্জয় সিং
    • বালিগঞ্জ – ডা. শতরূপা
    • বাঘমুন্ডি – শ্রী রহিদাস মাহাতো
    • বাগনান – শ্রী প্রেমাংশু রানা
    • বাঁকুড়া – শ্রী নীলাদ্রি শেখর দানা
    • বেহালা পশ্চিম – ডা. ইন্দ্রনীল খান
    • বেহালা পূর্ব – শ্রী সুনীল মহারাজ
    • বেলেঘাটা – ডা. পার্থ চৌধুরী
    • বলাগড় – শ্রীমতি সুমনা সরকার
    • বর্ধমান দক্ষিণ – শ্রীমতি মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র
    • মাদারিহাট – শ্রী লক্ষ্মণ লিম্বু
    • মাথাভাঙ্গা – শ্রী নিশীথ প্রামাণিক
    • মানিকতলা – শ্রী তাপস রায়
    • মাল – শ্রী শুক্রা মুন্ডা
    • মেকলিগঞ্জ – শ্রী দধিরাম রায়
    • মগরাহাট পশ্চিম – শ্রী গৌর সুন্দর ঘোষ
    • মঙ্গলকোট – শ্রী শিশির ঘোষ
    • ময়নাগুড়ি – শ্রী কৌশিক রায়
    • মন্দিরবাজার – শ্রীমতি মল্লিকা পাইক
    • মুরারই – শ্রীমতি রিঙ্কি ঘোষ
    • যাদবপুর – শ্রীমতি সরবোরী মুখোপাধ্যায়
    • রানাঘাট দক্ষিণ – ডা. অসীম কুমার বিশ্বাস
    • রানীনগর – শ্রী রানা প্রতাপ সিং রায়
    • রানিগঞ্জ – অ্যাড. পার্থ ঘোষ
    • রাজারহাট নিউ টাউন – শ্রী পীযূষ কনোড়িয়া
    • রাজারহাট গোপালপুর – শ্রী তরুণ জ্যোতি তিওয়ারি
    • রামপুরহাট – শ্রী ধ্রুব সাহা
    • লাভপুর – শ্রী দেবাশীষ ওঝা
    • সাগর – শ্রী সুমন্ত মন্ডল
    • সাগরদিঘি – শ্রী তাপস চক্রবর্তী
    • সাতগাছিয়া – শ্রী অগ্নিশ্বর নস্কর
    • সন্দেশখালি – শ্রী সনত সরদার
    • সমসেরগঞ্জ – শ্রী ষষ্ঠী চরণ ঘোষ
    • সাঁকরাইল – শ্রীমতি বর্ণালী ঢালী
    • সোনারপুর দক্ষিণ – শ্রীমতি রূপা গাঙ্গুলি
    • শ্রীরামপুর – শ্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য
    • শ্যামপুকুর – শ্রীমতি পূর্ণিমা চক্রবর্তী
    • শ্যামপুর – ডা. হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়
    • হরিণঘাটা (পূর্বের তালিকা অনুযায়ী)
    • হরিহরপুর (তালিকায় থাকলে বাদ)
    • হরিশচন্দ্রপুর – শ্রী রতন দাস
    • হাওড়া উত্তর – শ্রী উমেশ রায়
    • হাড়োয়া – শ্রী ভাস্কর মন্ডল
    • হাবড়া – শ্রী দেবদাস মন্ডল
    • হিঙ্গলগঞ্জ – শ্রীমতি রেখা পাত্র
  • বাংলার মসনদে ফের তৃণমূল নাকি বিজেপি? নিজের দলকে পিছিয়ে রেখে ভবিষ্যদ্বাণী অভিষেকের!

    বাংলার মসনদে ফের তৃণমূল নাকি বিজেপি? নিজের দলকে পিছিয়ে রেখে ভবিষ্যদ্বাণী অভিষেকের!

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ পশ্চিমবঙ্গ সহ ৫ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের (West Bengal Election 2026) দামামা বেজে গিয়েছে। এদিকে ভোট ঘোষণার পরেই তৃণমূল থেকে শুরু করে বাম, বিজেপি নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে। এখন শুধুমাত্র বাকি রয়েছে কংগ্রেস, আইএসএফ। যাইহোক, এরই মাঝে বাংলায় কে জিতবে, তা নিয়ে বড় দাবি করলেন সিনিয়র কংগ্রেস নেতা তথা আইজীবী অভিষেক মনু সিংভি। সবথেকে বড় কথা, বাংলায় কংগ্রেসের কী অবস্থা হবে তারও ইঙ্গিত দিলেন। চলুন বিশদে জেনে নেবেন।

    ২৬-এর ভোটে বাংলায় কে জিতবে?

    ২৬-এর ভোটে বাংলায় কে জিতবে? বিজেপি, তৃণমূল নাকি অন্য কেউ? অভিষেক মনু সিংভির উত্তর সকলকে চমকে দিয়েছে। আসলে সম্প্রতি বাংলায় কংগ্রেসের লড়াই করা উচিৎ কি না, একসঙ্গে লড়া ভালো নাকি জোটে? এই প্রশ্নের উত্তরে অভিষেক মনু সিংভি বলেন, “এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত যে বাংলায় জোট হওয়া উচিত। কিন্তু এমন অনেক কারণ আছে যার জন্য জোট গঠন করা যায় না। এটা আমাদের বা কয়েকজন নেতার সিদ্ধান্ত হতে পারে না। কংগ্রেসের তিন-চারজন এই সিদ্ধান্ত নেন।”

    তিনি আরও বলেন, “আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস হলো, নির্বাচন আসন্ন হওয়ায় সঠিক সংখ্যার ভিত্তিতে জোট গঠন করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আমি আবারও বলছি যে এটি আমার ব্যক্তিগত মতামত।” এদিকে, অভিষেক মনু সিংভি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূল নেত্রী প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে যদি এমন কোনো নেত্রী থাকেন যিনি মানুষের মন জয় করেছেন, তবে তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তাঁর শিরায় শিরায় বইছে।” তাহলে কি ভোট, ফলাফলের আগেই বাংলার মসনদে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত তৃণমূলই বসছে? সেই ইঙ্গিতই কি দিতে চাইলেন দিল্লির এই সিনিয়র কংগ্রেস নেতা? উঠছে প্রশ্ন।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভুয়সী প্রশংসা কংগ্রেস নেতার

    কংগ্রেস নেতা আরও বলেছেন যে, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে অফুরন্ত শক্তি, সামর্থ্য, দিকনির্দেশনা এবং গতি রয়েছে। তিনি বাংলার সংকট বোঝেন। সমস্ত ভারতীয় নেতাদের মধ্যে, বিশেষ করে নারীদের মধ্যে, তাঁর চেয়ে ভালো রাজনীতি আর কেউ করতে পারেন না। অভিষেক মনু সিংভিও বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাস, বিজেপি কেবল একটি পরিবেশ তৈরি করছে। প্রত্যেকের ব্যক্তিগত জীবনই একসময় শেষ হয়ে যায়। কিন্তু বিজেপি ভাবছে এটাই সঠিক সময়, আমি বলবে এমনটা ভাবা ঠিক নয়।’

    আরও পড়ুনঃ একসময় বিজেপিতে আস্থা দেখিয়েছিল ভবানীপুর, জিতেছিল গেরুয়া শিবির

    অভিষেক মনু সিংভি বলেছেন, “গতবারের মতোই এবারও প্রচুর শোরগোল হবে। সে সময় এমন একটা আবহ তৈরি করা হয়েছিল যে বিজেপি জিতছে এবং ২০২, ২২৫, ২৫০-এর মতো সংখ্যাও দেওয়া হয়েছিল। মানুষ এমনকি বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল যে বাংলায় গেরুয়া ঝড় বইতে চলেছে, কিন্তু ‘পাহাড় খুঁড়তে গিয়ে ইঁদুর’ প্রবাদটি সেই সময়ে সত্যি প্রমাণিত হয়। তাই বাংলার মানুষের আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়; ঢাক পেটানোই বিজেপির স্বভাব।”

  • হিরণ ছাড়া বিজেপির প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ আরও ৮ বিধায়ক, দেখুন লিস্ট

    হিরণ ছাড়া বিজেপির প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ আরও ৮ বিধায়ক, দেখুন লিস্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দুদফায় ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) হবে। এই অবস্থায় গতকাল অর্থাৎ সোমবার প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি (Bharatiya Janata Party)। কিন্তু তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই দেখা যায় ১৪৪টি আসনের মধ্যে ৪৮টি আসন এমন, যেগুলি বিজেপির দখলেই ছিল। কিন্তু তার মধ্যে টিকিট পেলেন ৪০ জন। বাদ পড়লেন আট জন বিধায়ক। তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক।

    বাদ পড়েছে ৮ বিজেপি বিধায়ক

    বিজেপির প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী যে আটটি জয়ী আসনে প্রার্থী বদল করা হয়েছে, তার মধ্যে তিনটি উত্তরবঙ্গে, তিনটি রাঢ়বঙ্গে, বাকি দু’টি রাঢ় ঘেঁষা দক্ষিণবঙ্গে। অর্থাৎ তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন বালুরঘাটের অশোক লাহিড়ি, খড়্গপুর সদরের হিরণ চট্টোপাধ্যায়, শীতলকুচির বরেন্দ্রচন্দ্র বর্মন, কালিয়াগঞ্জের সৌমেন রায়, বলরামপুরের বালেশ্বর মাহাতো, রঘুনাথপুরের বিবেকানন্দ বাউরি, আরামবাগের মধুসূদন বাগ এবং গোঘাটের বিশ্বনাথ কারক। এদিকে খড়্গপুর সদরের বিধায়ক তথা কাউন্সিলর হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের বদলে বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা ওই আসনের প্রাক্তন বিধায়ক দিলীপ ঘোষকে টিকিট দেওয়া হয়। পুনরায় এই একই আসনে প্রার্থী হওয়ায় বেশ খুশি তিনি।

    দ্বিতীয় বিয়েই কি কাল হল হিরণের!

    কয়েক মাস আগে থেকেই দলীয় অন্দরে শোনা যাচ্ছিল যে, দিলীপ ঘোষ এবারেও খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হতে পারবেন না। কিন্তু সম্প্রতি হিরণের দ্বিতীয় বিবাহ ঘিরে বিতর্ক চরম আকার নেওয়ায় পাশা পাল্টে যায়। যার ফলে স্থানীয় সমীক্ষাতেও দিলীপের নামই বেশি সমর্থন পাচ্ছিল। ফলে দিলীপ সেই আসন ফিরে পেলেন, যেখান থেকে তিনি প্রথম বার জনপ্রতিনিধি হয়েছিলেন। এই কাণ্ডে হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা বলেন, ‘‘সম্প্রতি যে ঘটনাটি ঘটেছে, তা সাধারণ মানুষ ভাল ভাবে নেননি। বিজেপি-ও যে তার এই কাণ্ড ভাল চোখে দেখেনি, তা এই প্রার্থিতালিকা থেকেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: প্রতি দফায় ২ লাখ ৫০ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, অশান্তি হলে … কড়া বার্তা কমিশনের

    প্রসঙ্গত, আজ, মঙ্গলবার বিকেলে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে চলেছে। এদিকে নাম ঘোষণার আগেই সকাল থেকে একাধিক জেলায় শাসক দলে যোগ দেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আজ কলকাতার দলীয় কার্যালয়ে প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, সাঁওতাল সম্প্রদায়ের পরিচিত শিক্ষাবিদ তনুশ্রী হাঁসদা এবং ইসলামিক স্কলার আবদুল মতিন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এখন দেখার ভোটের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে কাকে নির্বাচনের মুখ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে শুভেন্দু! প্রথম দফায় ১৪৪ আসনে প্রার্থীর তালিকা দিল বিজেপি

    নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে শুভেন্দু! প্রথম দফায় ১৪৪ আসনে প্রার্থীর তালিকা দিল বিজেপি

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ২০২৬ বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। বামফ্রন্টের পর বিজেপি তাদের প্রার্থী ঘোষণা করল (BJP Candidate List)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরে প্রার্থী হলেন শুভেন্দু। এমনকি ২৬ এর বিধানসভায় নন্দীগ্রামেও প্রার্থী হয়েছেন তিনি। জল্পনাতেই পড়ল সিলমোহর। জানা যাচ্ছে, প্রথম দফায় ১৪৪ আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি।

    বিজেপি প্রার্থী তালিকা

    বিজেপির প্রকাশ করা ১৪৪ জনের তালিকা হল—

    • অশোকনগর – শ্রী তনয় ভট্টাচার্য
    • আউশগ্রাম – শ্রীমতী কলিতা মাঝি
    • আমডাঙা – শ্রী অরিন্দম দে
    • আমতা – শ্রী অমিত সামন্ত
    • আরামবাগ – শ্রী হেমন্ত বাগ
    • আসানসোল উত্তর – শ্রী কৃষ্ণেন্দু মুখার্জী
    • আসানসোল দক্ষিণ – শ্রীমতী অগ্নিমিত্রা পাল
    • আলিপুরদুয়ার – শ্রী পরিতোষ দাস
    • ইন্দাস – শ্রী নির্মল কুমার ধারা
    • উলুবেড়িয়া দক্ষিণ – স্বামী মঙ্গলাণন্দ পুরী মহারাজ
    • ওন্দা – শ্রী অমরনাথ শাখা
    • করাণদিঘি – অ্যাড. বিরাজ বিশ্বাস
    • করিমপুর – শ্রী সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ
    • কালচিনি – শ্রী বিশাল লামা
    • কালিয়াগঞ্জ – শ্রী উৎপল মহারাজ
    • কালীগঞ্জ – শ্রী বাপন ঘোষ
    • কাশীপুর – শ্রী কমলাকান্ত হাঁসদা
    • ক্যানিং পূর্ব – শ্রী অসীম সপুই
    • কাকদ্বীপ – শ্রী দীপংকর জানা
    • কুমারগঞ্জ – শ্রী সুভেন্দু সরকার
    • কুমারগ্রাম – শ্রী মনোজ কুমার ওঁরাও
    • কুলতলী – শ্রী মাধবী মহালদার
    • কুলটি – শ্রী অজয় কুমার পোদ্দার
    • কুশমণ্ডি – শ্রী তাপস চন্দ্র রায়
    • কেতুগ্রাম – শ্রী অনাদি ঘোষ (মথুরা)
    • কেশপুর – শ্রী শুভেন্দু সামন্ত
    • কেশিযারী – শ্রী ভাদ্রা হেমব্রম
    • কোতুলপুর – শ্রী লক্ষ্মীকান্ত মজুমদার
    • কোচবিহার উত্তর – শ্রী সুকুমার রায়
    • খড়গপুর – শ্রী তপন ভূঁইয়া
    • খড়্গপুর সদর – শ্রী দিলীপ ঘোষ
    • খানাকুল – শ্রী সুশান্ত ঘোষ
    • গঙ্গারামপুর – শ্রী সত্যেন্দ্র নাথ রায়
    • গাজোল – শ্রী চিন্ময় দেব বর্মন
    • ঘাটাল – শ্রী শীতল কপাট
    • চন্দ্রকোনা – শ্রী সুকান্ত দলুই
    • চাকদহ – শ্রী বঙ্কিম চন্দ্র ঘোষ
    • চাকুলিয়া – শ্রী মনোজ জৈন
    • চাঁচল – শ্রী রতন দাস
    • ছাতনা – শ্রী সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়
    • জলঙ্গী – শ্রী নবা কুমার সরকার
    • জামুরিয়া – ডা. বিজন মুখার্জী
    • জামালপুর – শ্রী অরুণ হালদার
    • ঝাড়গ্রাম – শ্রী লক্ষ্মীকান্ত সাহু
    • ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি – শ্রীমতী শিখা চ্যাটার্জী
    • ডায়মন্ড হারবার – শ্রী দীপক কুমার হালদার
    • ডোমকল – শ্রী নন্দ দুলাল পাল
    • ডোমজুড় – শ্রী গোবিন হাজরা
    • ডেবরা – শ্রী শুভাশীষ ওম
    • তপন – শ্রী বুধরাই টুডু
    • তারকেশ্বর – শ্রী সন্তু পান
    • তালডাংরা – শ্রী সৌভিক পাত্র
    • তুফানগঞ্জ – শ্রীমতী মালতী রাভা রায়
    • দিনহাটা – শ্রী অজয় রায়
    • দুর্গাপুর পশ্চিম – শ্রী লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘোড়ুই
    • দুর্গাপুর পূর্ব – শ্রী চন্দ্র শেখর ব্যানার্জী
    • দুবরাজপুর – শ্রী অনুপ কুমার সাহা
    • দেগঙ্গা – শ্রী তরুণ কান্তি ঘোষ
    • দাঁতন – শ্রী অজিত কুমার জানা
    • দাসপুর – শ্রী তপন দত্ত
    • নানুর – শ্রী খোকন দাস
    • নাগরাকাটা – শ্রী পুনা ভেংরা
    • নয়াগ্রাম – শ্রী অমিয়া কিস্কু
    • নারায়ণগড় – শ্রী রাম প্রসাদ গিরি
    • নন্দীগ্রাম – শ্রী শুভেন্দু অধিকারী
    • নওদা – শ্রী রাণা মণ্ডল
    • নৈহাটি – শ্রী সৌমিত্র চ্যাটার্জী
    • পটাশপুর – শ্রী তপন মাইতি
    • পাণ্ডবেশ্বর – শ্রী জিতেন্দ্র কুমার তিওয়ারী
    • পাথরপ্রতিমা – শ্রী অসিত কুমার হালদার
    • পাঁশকুড়া পশ্চিম – শ্রী সিন্টু সেনাপতি
    • পাঁশকুড়া পূর্ব – শ্রী সুব্রত মাইতি
    • পুরশুড়া – শ্রী বিমান ঘোষ
    • পলাশীপাড়া – শ্রীমতী অনিমা দত্ত
    • ফালাকাটা – শ্রী দীপক বর্মন
    • ফাঁসিদেওয়া – শ্রী দুর্গা মুর্মু
    • বজ বজ – ডা. তরুণ কুমার আদক
    • বড়জোড়া – শ্রী বিলেশ্বর সিংহা
    • বহরমপুর – শ্রী সুব্রত মিত্র
    • বাসন্তী – শ্রী বিকাশ সর্দার
    • বাদুড়িয়া – শ্রী সুকৃতি সরকার
    • বালুরঘাট – শ্রী বিদ্যুৎ রায়
    • বিনপুর – ডা. প্রণত টুডু
    • বিষ্ণুপুর – শ্রী অগ্নীশ্বর নস্কর
    • বেলডাঙা – শ্রী ভরত কুমার ঝাওর
    • বোলপুর – শ্রী দিলীপ কুমার ঘোষ
    • ভাটপাড়া – শ্রী পবন কুমার সিং
    • ভাতার – শ্রী সৌমেন করফা
    • ভগবানগোলা – শ্রী ভাস্কর সরকার
    • ভবানীপুর – শ্রী শুভেন্দু অধিকারী
    • ময়না – শ্রী অশোক ডিন্ডা
    • ময়ূরেশ্বর – শ্রী দুধ কুমার মণ্ডল
    • মন্তেশ্বর – শ্রী সৈকত পাঁজা
    • মেটিয়াবুরুজ – শ্রী বীর বাহাদুর সিং
    • মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি – শ্রী আনন্দময় বর্মন
    • মানিকচক – শ্রী গৌর চন্দ্র মণ্ডল
    • মানবাজার – শ্রীমতী মৈনা মুর্মু
    • মালদহ – শ্রী গোপাল চন্দ্র সাহা
    • মালতীপুর – শ্রী আশীষ দাস
    • মুর্শিদাবাদ – শ্রী গৌরী শংকর ঘোষ
    • মোথাবাড়ি – শ্রী নিবারণ ঘোষ
    • রঘুনাথপুর – শ্রীমতী মামনি বাউরি
    • রঘুনাথগঞ্জ – শ্রী সুরজিৎ পোদ্দার
    • রতুয়া – শ্রী অভিষেক সিংঘানিয়া
    • রানাঘাট উত্তর পশ্চিম – শ্রী পার্থসারথী চ্যাটার্জী
    • রানাঘাট উত্তর পূর্ব – শ্রী অসীম বিশ্বাস
    • রাসবিহারী – শ্রী স্বপন দাস গুপ্তা
    • রায়গঞ্জ – শ্রী কৌশিক চৌধুরী
    • রায়দিঘি – শ্রী পলাশ রাণা
    • রায়না – শ্রী সুভাষ পাত্র
    • রানীবাঁধ – শ্রী ক্ষুদিরাম টুডু
    • রামনগর – শ্রী চন্দ্র শেখর মণ্ডল
    • রাইপুর – শ্রী ক্ষেত্র মোহন হাঁসদা
    • রেজিনগর – শ্রী বাপন ঘোষ
    • লালগোলা – শ্রী অমর কুমার দাস
    • বরানগর – শ্রী সজল ঘোষ
    • শালতোড়া – শ্রীমতী চন্দনা বাউরি
    • শালবনী – শ্রী বিমান মাহাতো
    • শীতলকুচি – শ্রীমতী সাবিত্রী বর্মন
    • শিবপুর – শ্রী রুদ্রনীল ঘোষ
    • শিলিগুড়ি – ডা. শংকর ঘোষ
    • সবং – শ্রী অমল পান্ডা
    • সোনামুখী – শ্রী দিবাকর ঘরামী
    • সুজাপুর – শ্রী অভিরাজ চৌধুরী
    • সুতি – শ্রী মহাবীর ঘোষ
    • সিউড়ী – শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়
    • সপ্তগ্রাম – শ্রী স্বরাজ ঘোষ
    • হরিণঘাটা – শ্রী অসীম কুমার সরকার
    • হরিহরপাড়া – শ্রী তন্ময় বিশ্বাস
    • হরিরামপুর – শ্রী দেবব্রত মজুমদার
    • হাবিবপুর – শ্রী জোয়েল মুর্মু
    • হাসন – শ্রী নিখিল ব্যানার্জী
    • হাওড়া উত্তর – শ্রী উমেশ রায়

  • বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়? সমাজমাধ্যমে ছড়াল জল্পনা

    বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়? সমাজমাধ্যমে ছড়াল জল্পনা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনের মাসেই বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election)। তবে তার আগে রাজ্যের শাসকদল থেকে শুরু করে বিরোধীদল একের পর এক চমক দিচ্ছে। অনেক পরিচিত মুখ এবার রাজনীতির ময়দানে নিজের নাম লেখাচ্ছেন। এমনকি সম্প্রতি কোয়েল মল্লিকও তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন। তবে এবার গুজব ছড়ালো প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে (Prosenjit Chatterjee) নিয়ে। ভোটের মুখে বিজেপিতে যোগদান করছেন বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক? সম্প্রতি প্রসেনজিৎ এর ছেলে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের একটি পোস্টকে ঘিরেই এরকম জল্পনা ছড়িয়েছে।

    বিজেপিতে যোগদান করছেন প্রসেনজিৎ?

    আসলে রবিবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে বাবাকে নিয়ে একটি ফটো পোস্ট করেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। আর সেই ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল “জয় শ্রীরাম”। ভোটমুখী বাংলায় এরকম ছবি আর ক্যাপশন দেখেই গেরুয়া শিবিরের মধ্যে জল্পনা ওঠে যে প্রসেনজিৎ হয়তো এবার বিজেপিতে যোগদান করছেন! আদৌ কি এই দাবির কোনও সত্যতা আছে? সত্যিই কি এবার পদ্ম শিবিরে নিজের নাম লেখাবেন নায়ক?

    আপনাদের জানিয়ে রাখি, তৃষাণজিৎ এর ওই পোস্টে যে ছবি দেখা গিয়েছে সেটা নতুন কোনও ফটো নয়য়, বরং গত ফেব্রুয়ারি মাসের। সেই সময় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছিলেন। আর তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতেই নায়কের বালিগঞ্জের বাসভবনে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সেই সময়ের তোলা ওই ছবিটিতে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে বাবা এবং বিজেপি নেতার মধ্যে দেখা যায়। আর সেই ছবি গতকাল পোস্ট করে জল্পনা বাড়িয়ে দেন তৃষাণজিৎ। সমাজমাধ্যমে তো হইহুল্লোর পড়ে যায় যে, ভোটের আগেই তাহলে তারকা নায়ক বিজেপিতে যোগদান করছেন!

    আরও পড়ুন: শিয়ালদার তিন রুটে EMU পরিষেবা সম্প্রসারণ, যাত্রীদের স্বার্থে বড় উদ্যোগ রেলের

    যদিও এ বিষয়ে তৃষাণজিৎ বা প্রসেনজিৎ এর তরফ থেকে কোনও রকম বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি। আর প্রসেনজিৎ এর বিজেপিতে যোগদান করার কোনও সত্যতাও আমাদের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়নি। কারণ, গত ফেব্রুয়ারি মাসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার নিজেই জানিয়েছিলেন যে, “প্রসেনজিৎদার বাড়িতে আসার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সংযোগ নেই। আর সব বিষয়ে রাজনীতি ঢোকাতেও নেই। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্যই আমরা এখানে এসেছি।” মোদ্দা কথা, প্রসেনজিৎ বিজেপিতে যোগদান করছেন, এই দাবি সম্পূর্ণ গুজব। এখন আগামীদিন নায়ক এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেন কিনা সেটা তাঁর উপরেই নির্ভর করছে।