Tag: Bengal DA Case

  • DA নিয়ে রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র? নয়া লড়াই শুরুর ঘোষণা ভাস্কর ঘোষের

    DA নিয়ে রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র? নয়া লড়াই শুরুর ঘোষণা ভাস্কর ঘোষের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ফের একবার আলোচনায় উঠে এল বাংলার ডিএ মামলা (Bengal DA Case)। অবশ্য এবারে সরকারের সিদ্ধান্তে খুশি চাকুরীজীবী থেকে শুরু করে সরকারি পেনশন প্রাপকরা। এর কারণ, চলতি মার্চ মাসেই ২০০৯ রোপা আইন মেনে ২৫% বকেয়া DA মেটানোর ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরই সঙ্গে রাজ্য বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে এই সিদ্ধান্তকে সরকারের বিরাট মাস্টারস্ট্রোক হিসেবে দেখছে বিশিষ্ট মহল। তবে অপরদিকে অন্য কথা বললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ (Bhaskar Ghosh)। তিনি জানালেন, লড়াই শেষ হয়নি, বরং নতুন করে শুরু হল। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন।

    ডিএ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি ভাস্কর ঘোষের

    ভাস্কর ঘোষ জানান, ‘সবার আগে, আমি বলতে চাই যে এটি মানুষের জন্য একটি বড় জয়। কর্মচারীরা সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতৃত্বে শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা উপেক্ষা করে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে গিয়েছেন। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হই, লড়াই যদি সঠিক পথে পরিচালিত হয়, লক্ষ্য স্থির রাখি, তাহলে স্বৈরাচারীনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেও তাঁকে মাথা নত করতে হয়। অরাজনৈতিক সিস্টেমের কাছেই মাথানত করতে হয়। আমরা কুল গোত্রহীন। আমাদের শতাব্দীর ইতিহাস নেই। কিন্তু যা আমাদের আছে, তা হল যৌবনের তারণ্য এবং প্রবল তেজ। আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকার এক কাটমানি সিন্ডিকেটের যে জাল বিস্তার করে রেখেছিল তাকে মাথা নত করতে হল।

    রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র?

    ডিএ নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন ভাস্কর ঘোষ। তিনি জানান, ‘আমরা যেন এই আনন্দের মুহূর্তে ভেসে না যাই। এর ষড়যন্ত্রটা বুঝুন। তিনি যদি স্বদিচ্ছায় সব মেনে নিতেন তাহলে আর মডিফিকেশন অ্যাপ্লিকেশন বা M.A. দায়ের করতে যেতেন না। তিনি বলেছিল এটি সাব-জুডিসের বিষয়। আজ চাপ পড়েছে বলে সাব-জুডিস উঠে গিয়েছে। তিনি কী বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টে M.A. দায়ের করে যে শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তাদেরই এটা ডিএ দেওয়া হবে। কিন্তু এখন তিনি বলছেন এটা সবাই পাবে। আজ, সবাই এটি পাবে। সুপ্রিম কোর্ট কী বলেছি? পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কর্মচারীরা সবাই এটি পাবে। তিনি কী বললেন? পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মচারীরা ডিএ পাবেন। তাঁকে খারিজ করতে হল। নিজে যে থুতু ফেলেছিলেন সেটা চাটতে হল তাঁকে।’

    আরও পড়ুনঃ ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    ভাস্কর ঘোষ জানান, ‘আমরা বলেছিলাম মুখ্যমন্ত্রীকে আমরা আন্দোলন শেখাবো। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে সেই মুখ্যমন্ত্রীকে কিন্তু আন্দোলন শেখানোই শুধু নয়, আন্দোলনের কাছে কীভাবে মাথানত করতে হয় সেটাও শেখালাম। কিন্তু এরই মাঝে অর্থ দফতর থেকে একটি খবর এসেছে। সরকার একটি ষড়যন্ত্র করছে। তাঁরা জিওটাকে এখন বের করবেন না। তাঁরা বলবেন যেহেতু ভোট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে তাই জিও দেওয়া যাবে না।’

  • ‘এবার সুপ্রিম কোর্ট দেখাবে অ্যাগ্রেসিভ মনোভাব’, DA মামলায় বড় আপডেট

    ‘এবার সুপ্রিম কোর্ট দেখাবে অ্যাগ্রেসিভ মনোভাব’, DA মামলায় বড় আপডেট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ উপেক্ষা আর উপেক্ষা। এই বকেয়া ডিএ (Bengal Da Case) নিয়ে কবে টানাপোড়েন, উপেক্ষার পালা শেষ হবে? উত্তর খুঁজছেন সাধারণ সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকরা। এদিকে সরকার শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী সহ অনেককে এই বকেয়া ডিএ-র আওতায় রাখেনি। সেই এমএ পিটিশন দাখিল করা হয়েছে আদালত। এহেন ঘটনায় ক্ষোভের মুখে পড়েছে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ। ডিএ মামলাকারী এক ভিডিও বার্তায় এই বিষয়ে মুখ খুললেন। তিনি জানালেন, ‘রাজ্য সরকার ইমেইল মারফত সর্বোচ্চ আদালতে একটি MA পিটিশন দাখিল করে। পরবর্তীকালে সেটা আমাদের হাতে আসে। সকাল থেকেই যে খবরটি ভাইরাল হয়েছে সেটা অনুযায়ী সরকার নাকি শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত কর্মীদের ডিএ-র আওতায় রাখেনি। আমরাও দেখলাম। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, এটি এমএ অ্যাপ্লিকেশন যেটি সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এখনও কিন্তু ফাইলিং হয়নি। সেটা গ্রাহ্য হবে কি হবে না সেটা পরে জানা যাবে।’

    ক্ষোভের মুখে পড়েছে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ

    মলয়বাবু বলেন, ‘সরকার যে কর্মচারীদের সংখ্যা তুলে ধরেছে তা বিভেদ সৃষ্টি করার জন্যই করেছে বলে মনে হচ্ছে। সেইসঙ্গে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজকেই দায়ী করেছে। আমরা আগেও বলেছি, খোদ রাজ্য সরকারি কর্মীদের মামলায় আমাদের আসতে হয় ট্রাইব্যুনাল দিয়ে। আমাদের মামলা রোপা মেনে হয়েছে। যারা বেতন, ডিএ, পেনশন পায় তাঁরাই এর আওতায় আসবেন। আজ যে বলছে শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী, পুরসভা কর্মীদের DA দেওয়া হবে না, তাঁদেরই কিন্তু বকেয়া দিতে বেশি খরচ হবে। সরকারের খরচ হবে ১৮,৩৬৯,৩২ কোটি টাকা।’

    তিনি আরও বলেন, ‘সব মিলিয়ে সরকারের খরচ হবে ৪২,০০০ কোটি টাকা। ২৫ শতাংশ যে দেওয়ার কথা ছিল অর্থাৎ সেখানে খরচ হত ১০,০০০ কোটি টাকা মতো। সেখানে সবাই ছিল। কর্মচারী সমাজ, শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত, ভোট কর্মী প্রমুখ। ১০ নম্বর পেজে কিন্তু সবটা লেখা আছে। তারপরেও কেন আমাদের যাতা বলছেন? বেশ কিছু শিক্ষক কর্মচারী সমাজ থেকেই আমাদের যা নয় তাই বলা হচ্ছে। এখানে তো আমরাই তুলে ধরেছিলাম।’ মলয় মুখোপাধ্যায় এও বলেছেন যে, ‘এবার সুপ্রিম কোর্ট দেখাবে অ্যাগ্রেসিভ মনোভাব।’

    আরও পড়ুনঃ ‘Updated Soon’ মেসেজে বিপাকে আবেদনকারীরা, যুবসাথীর স্ট্যাটাস চেক নিয়ে আপডেট সরকারের

    কী বলছেন কর্মীরা?

    সরকারের নতুন পিটিশন নিয়ে কেউ কেউ বলছেন, ‘আপনারা আগে থেকে সব জানতেন তবু এটা নিয়ে কোনোদিন কোনোদিন ব্যবস্থা নেননি ‘ অন্য আরেকজন লিখেছেন, এই সরকার কে আর এক দিনও ক্ষমতায় রাখা উচিৎ নয়,,, এরা divide and rule করতে চাইছে,,, প্রথম বার যখন 25% দেওয়ার কথা হয়েছিল তখন এই রাজ্য সরকার supreme court এ বলেছে যে আমাদের 10 লাখ কর্মচারীদের বেতন দিতে হয়, তাই এই পরিমাণ DA দিতে পারব না,,,, এখন চুপিসারে অন্য পিটিশন দাখিল করেছে,,,, সমস্ত রাজ্যবাসীদের এরা ভিখারী আর ভাতাজীবিতে পরিণত করতে চায়।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘শ্রদ্ধেয় মলয় বাবু আজকে তো রিপোর্ট দেখে আমাদের তো মন ভেঙে যাচ্ছে আপনারা ডিএ পাবেন অথচ আমরা প্রাথমিক শিক্ষক বা শিক্ষক সমাজ এরা ডি এ পাব না। এটা বোধহয় আপনার আগে জানা ছিল। মাঝে এই নিয়ে একটু তর্কাতর্কি হচ্ছিল যাক দুঃখ করে লাভ নাই জীবনে বাঁচতে হলে অনেক কিছুই দেখ কে স্বীকার করতে হয়।’