Tag: Bardhaman

  • বর্ধমান লাইনে বিরাট কাজ করে ফেলল পূর্ব রেল, হাওড়া-দিল্লি রুট এখন আরও নিরাপদ

    বর্ধমান লাইনে বিরাট কাজ করে ফেলল পূর্ব রেল, হাওড়া-দিল্লি রুট এখন আরও নিরাপদ

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল (Indian Railways) যাত্রীদের চিন্তার দিন শেষ। এর কারণ এবার ট্রেনে ভ্রমণ করা আরও সুরক্ষিত। সবথেকে বড় কথা, বাংলার অন্যতম বেশি চাহিদাসম্পন্ন রুট হাওড়া-দিল্লি রুট (Howrah-Delhi Route) নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় রেল। আপনিও কি আগামী দিনে হাওড়া থেকে দিল্লি বা দিল্লি থেকে হাওড়া আসবেন বলে ঠিক করেছেন? তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনটি রইল শুধুমাত্র আপনার জন্য। হাওড়া-নয়া দিল্লি রুটের বর্ধমান এবং প্রধানকুণ্ডার মধ্যবর্তী ১৫৫ কিলোমিটার অংশে সফলভাবে কবচ অ্যান্টি-কলিশন সিস্টেম (Kavach) চালু করেছে।

    হাওড়া-দিল্লি রুটে বসল কবচ

    রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্ধমান এবং প্রধানকুণ্ডার মধ্যবর্তী ১৫৫ কিলোমিটার অংশে সফলভাবে কবচ অ্যান্টি-কলিশন সিস্টেম চালু করে নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে পূর্ব রেল। সেইসঙ্গে পরিচালনগত ক্ষমতা এবং যাত্রী সুরক্ষায় নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। এই সাফল্যের ফলে, চলতি অর্থ বছরে কবচ সিস্টেমের মোট বাস্তবায়ন ২৬০ কিলোমিটারে পৌঁছেছে, যা রেল সুরক্ষার সর্বোচ্চ মানের প্রতি পূর্ব রেলের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।

    বড় সাফল্য পূর্ব রেলের

    নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি, পূর্ব রেল কঠোর আর্থিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চমৎকার আর্থিক শৃঙ্খলা প্রদর্শন করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সাধারণ পরিচালন ব্যয় ১৪.৫৫% কমিয়ে এনেছে। পূর্ব রেলওয়ের এই জোনের রাজস্ব আয়ও বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে শক্তিশালী রয়েছে। স্ক্র্যাপ বিক্রি থেকে রাজস্ব আয় ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ৭০.২২ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা লক্ষ্যমাত্রা ৫৪.৫ কোটি টাকাকে ২৮.৮৪% ছাড়িয়ে গেছে। যাত্রী ভাড়া থেকেও রাজস্ব আয়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে, যা গত বছরের একই মাসের তুলনায় ১২.০১% বেড়ে ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ২৪৪.২২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    পূর্ব রেলওয়ের এই সকল সাফল্য শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রেখে পরিকাঠামো আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে এর সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিকেই প্রতিফলিত করে। আর্মার সিস্টেমের সম্প্রসারণ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা পূর্ব রেলওয়েকে পরিচালনগত দক্ষতা ও যাত্রী সুরক্ষার সর্বোচ্চ মান অর্জনে সহায়তা করছে।

    কবচ কী?

    কবচ হলো ভারতের প্রথম আধুনিক অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন (এটিপি) সিস্টেম। রেল কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে সমস্ত রুটে এর ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। হাওড়া থেকে ছোটা আম্বানা পর্যন্ত এই অংশটি ২৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ, যার মধ্যে ২২৯ কিলোমিটার পশ্চিমবঙ্গে এবং ৩১ কিলোমিটার ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত। সম্পূর্ণ লাইনটিতে ৪৭টি স্টেশন এবং গেটেড আর্মারযুক্ত ১৩টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে। ২০২২ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি চার বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত মজবুত।

     

  • পরিচারিকাতে ভরসা বিজেপির, আউশ গ্রামের পদ্মের প্রার্থী কলিতা মাজির নাম বিচারাধীন

    পরিচারিকাতে ভরসা বিজেপির, আউশ গ্রামের পদ্মের প্রার্থী কলিতা মাজির নাম বিচারাধীন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রবিবার নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দিন ঘোষণার পরেই গতকাল, সোমবার বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আর সেই তালিকায় নাম উঠে এল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাজি (Kalita Majhi)। ২০২১-এও প্রার্থী করেছিল বিজেপি কিন্তু পরাজিত হন তিনি। তবে এবারও তাঁর উপরেই ভরসা রেখে তপশিলি সংরক্ষিত এই আসনে কলিতাকে প্রার্থী করে রীতিমতো চমক দিল বিজেপি। কিন্তু এবার সেই প্রার্থীকে নিয়ে উঠল আরেক বিতর্ক।

    প্রার্থী হয়েও ভোটার তালিকায় বিবেচনাধীন!

    গুসকরা পুরসভার ১৯৫ নম্বর বুথের ভোটার কলিতা মাজি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছিল, সেখানে দেখা যাচ্ছে ওই বুথে ৩৯৭ নম্বর সিরিয়ালে রয়েছে কলিতা মাজির নাম। কিন্তু নামের উপর লেখা ‘আণ্ডার অ্যাডজুডিকেশন’। আর তাতেই তৃণমূল প্রশ্ন করছে কীভাবে অমীমাংসিত তালিকায় থাকা একজনকে বিজেপি প্রার্থী করল। এই নিয়েই এলাকায় শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। যদিও এই নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কলিতা মাজি। তিনি জানান, “আমার উপযুক্ত নথিপত্র আছে। সবকিছু দাখিল করেছি। এরপর কমিশন যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবে। তবে আমার বিশ্বাস যোগ্য ভোটার হিসাবে আমার যথাযথ নথিপত্র রয়েছে। আপাতত কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।”

    Kalita Majhi

    ভোটে জেতার আশ্বাস কলিতা মাজির

    জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝপুকুর পাড়ের বাসিন্দা কলিতা মাজি। পেশায় তিনি একজন পরিচারিকা। পরিবারে রয়েছেন স্বামী ও এক ছেলে। ছেলে পার্থ এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অভেদানন্দ থাণ্ডার জয়ী হয়েছিলেন। তিনি পেয়েছিলেন ১ লক্ষ ৩৯২টি ভোট। বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাজি দ্বিতীয় হয়ে পেয়েছিলেন ৮৮ হাজার ৫৭৭টি ভোট। কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠছে প্রার্থী হয়েও তিনি কি এবার ভোটে লড়তে পারবেন কিনা। তবে তাঁর বিশ্বাস এবার তাঁরাই জিতবে।

    আরও পড়ুন: এই কারণেই ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী! ফাঁস মেগা প্ল্যান

    জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম বলেন, “আমরা প্রথম থেকেই যে অভিযোগ করছিলাম, এখন তা কার্যত প্রমাণিত হল। বিজেপির সঙ্গে যে কমিশনের আঁতাত আছে এটা বোঝা গেল।” তবে এই বিষয়ে বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, “গোটা বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। কিন্তু এতে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ যে ভুল তা প্রমাণিত হল। কমিশন জাত বা ধর্ম দেখে নয়, তাদের নিয়ম অনুযায়ী কাজ করছে।”

  • দাঁড়ায় মাত্র ৫টি স্টেশনে, ‘লোকাল ট্রেনের রাজা’ বলা হয় এই ট্রেনটিকে! চলে হাওড়া-বর্ধমান রুটে

    দাঁড়ায় মাত্র ৫টি স্টেশনে, ‘লোকাল ট্রেনের রাজা’ বলা হয় এই ট্রেনটিকে! চলে হাওড়া-বর্ধমান রুটে

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: প্রতিদিন বাংলার বুক চিরে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলে অসংখ্য লোকাল ট্রেন (Super Local Train)। নিত্য অফিস যাত্রী থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী, এক কথায় ডেলি প্যাসেঞ্জারদের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম এই ট্রেনগুলি (Train)। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, বাংলার বুকে এমন একটি লোকাল ট্রেন রয়েছে যাকে যাত্রীরা লোকাল ট্রেনের রাজা বলে ডাকেন। হ্যাঁ, রেলের হোয়ার ইজ মাই ট্রেন অ্যাপেও এই লোকালটির নাম রয়েছে সুপার লোকাল হিসেবেই। কিন্তু কোন রুটে চলে এই ট্রেন? কেনই বা তাকে সুপার লোকাল বা লোকাল ট্রেনের রাজা বলা হয় জানা আছে?

    এই ট্রেনটিকে বলা হয় লোকাল ট্রেনের রাজা

    বাংলার অন্যতম ব্যস্ত রেলরুট বা লাইন হাওড়া-বর্ধমান। প্রতিদিন এই রুটেই চলে একাধিক মেল/এক্সপ্রেস এবং মেমু লোকাল। বলে রাখা প্রয়োজন, বর্ধমান থেকে হাওড়া পর্যন্ত মোট 33টি স্টেশন রয়েছে। এই রুটের প্রায় সব লোকাল ট্রেনই প্রতিটি স্টেশনের স্টপেজ দিয়ে থাকে। তবে এদের মধ্যে এমন একটি লোকাল ট্রেন রয়েছে যেটি বর্ধমান থেকে হাওড়া পর্যন্ত মাত্র পাঁচটি স্টেশনে দাঁড়ায়। হ্যাঁ, প্রতিদিন ভোর 6টা বেজে 35 মিনিটে বর্ধমান থেকে ছেড়ে সকাল সাড়ে আটটায় হাওড়ায় পৌঁছয় এই ট্রেন।

    ট্রেন নম্বর 37822 বর্ধমান-হাওড়া মেন লাইন সুপার লোকাল ট্রেনটি তার যাত্রাপথে বর্ধমান থেকে ছেড়ে প্রথমে মেমারি, তারপর বৈঁচি, এরপর পান্ডুয়া, মগরা, ব্যান্ডেল স্টেশনে স্টপেজ দিয়ে সোজা হাওড়া স্টেশনে ঢোকে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, আর পাঁচটা লোকাল ট্রেন যেখানে এই নির্দিষ্ট যাত্রা পথ অতিক্রম করতে আড়াই ঘণ্টা থেকে পৌনে তিন ঘন্টা সময় নেয় সেখানে এই সুপার লোকাল ট্রেনটি মাত্র 2 ঘন্টায় যাত্রীদের বর্ধমান থেকে হাওড়া আবার হাওড়া থেকে বর্ধমান এ পৌঁছে দেয়।

    অবশ্যই পড়ুন: LPG কানেকশনে শীর্ষে উত্তরপ্রদেশ, বাংলার অবস্থান কোথায়? দেখুন রাজ্যভেদে পরিসংখ্যান

    এক কথায় বলতে গেলে, আপাত দৃষ্টিতে বাংলার বর্ধমান থেকে হাওড়া রুট সহ অন্যান্য শাখার সাধারণ লোকাল ট্রেন গুলির তুলনায় কম স্টপেজ এবং অল্প সময়ে যাত্রা সম্পূর্ণ করার জন্যই এই ট্রেনটিকে লোকাল ট্রেনের রাজা বলেই ডাকেন নিত্যযাত্রীরা। হাওড়া-বর্ধমান শাখার একটা বড় অংশের যাত্রীর দাবি, একই খরচে অন্যান্য লোকাল ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেন অনেক আগে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। তাছাড়াও এর স্টপেজ অনেক কম। মূলত সে কারণেই, প্রতিদিন ভোর হলেই এই ট্রেনে ওঠার হিড়িক পড়ে যায় যাত্রীদের মধ্যে।

  • আট মাসেই মেমারিতে ধসল ১৯ নং জাতীয় সড়কের গার্ডওয়াল, বন্ধ যান চলাচল

    আট মাসেই মেমারিতে ধসল ১৯ নং জাতীয় সড়কের গার্ডওয়াল, বন্ধ যান চলাচল

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের আবহে সরগরম রাজ্য রাজনীতি, আর এই অবস্থায় ফের উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ল প্রশাসন। হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ল জাতীয় সড়কের ফ্লাইওভারের দেওয়াল (Highway Guard Wall Collapsed in Bardhaman)। জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) মেমারি থানার সরডাঙা এলাকায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারের একটি সুবিশাল সাইড ওয়াল হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ে। বিকট আওয়াজে ছুটে আসে স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি বর্ধমানমুখী লেনে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ বুধবার সকালে হঠাৎই বর্ধমান লেনে ১৯ নং জাতীয় সড়কের সরডাঙ্গা মোড়ে গার্ডওয়াল ধসে জাতীয় সড়কের উপরের একাংশ সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়ে। হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি, অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন সকলে। তবে জাতীয় সড়কের গার্ডওয়ালে ধসের কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে ওই লেনের যান চলাচল। যাতায়াতের ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মেরামতি বন্দোবস্ত করা হবে। ফলস্বরূপ কলকাতা-বর্ধমান লেনে যান চলাচল বন্ধ থাকবে। পর্যটকদের আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার পাশাপাশি বিকল্প রুট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ।

    নির্মাণ নিয়ে প্রশ্নের মুখে প্রশাসন

    বুধবার সকালে এই বিপর্যয় ঘটার পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার এবং অন্যান্য কর্মীরা। হোমগার্ড নিখিলেশ দাস ও শেখ বাপ্পা এবং স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় ওই অংশে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের এই অংশটি নির্মাণ করা হয়েছিল মাস আটেক আগে। তাহলে এত দ্রুত কীভাবে ভেঙ্গে পড়ল সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। নির্মাণ সামগ্রির গুণগত মান এবং সরকারি টাকার নয়ছয় নিয়েও অভিযোগ উঠছে।

    আরও পড়ুন: মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন প্রধান শিক্ষকরা

    এলাকার বাসিন্দা শেখ মিলন জানান, “এই ঘটনাটি দিনের বেলায় ঘটায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। চালকরা দেখতে পাওয়ায় গাড়ি সামলে নিয়েছেন। কিন্তু রাতে এই ঘটনা ঘটলে বড় কোনো প্রাণহানি ঘটতে পারত। তখন এর দায় কে নিত?” তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্রুত দেওয়ালটি মেরামত করে রাস্তাটিকে আবার যান চলাচলের উপযুক্ত করে তোলা হবে।

  • দাঁড়ায় প্রায় সব ট্রেন! তবে বাংলার এই স্টেশনের নাম জানেন না যাত্রীরা

    দাঁড়ায় প্রায় সব ট্রেন! তবে বাংলার এই স্টেশনের নাম জানেন না যাত্রীরা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এ বাংলায় (West Bengal) কমবেশি 700 র বেশি রেল (Indian Railways) স্টেশন রয়েছে। যে গুলির প্রত্যেকটি একে অপরের থেকে আলাদা। তবে পশ্চিমবঙ্গের বুকেই এমন এক স্টেশন রয়েছে যেখানে থেকে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করলেও কোনও নাম নেই সেই স্টেশনের। এক কথায় যাকে বলা যায় নামহীন বা অনামিকা স্টেশন। ভারতীয় রেলের অধীনস্থ এই স্টেশনের নামকরণ না হওয়ার কারণে স্টেশনটিতে প্রতিদিন অজস্র ট্রেন দাঁড়ালেও এই স্টেশনের নাম দেখায় না Where Is My Train অ্যাপেও! কোথায় রয়েছে সেই স্টেশন?

    বাংলাতেই রয়েছে নামহীন রেল স্টেশন

    ভারতীয় রেলের হাজার হাজার রেল স্টেশনের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নামহীন রেলস্টেশনটি। জানলে অবাক হবেন, এই স্টেশনই দেশের একমাত্র স্টেশন যার নামকরণ আজ পর্যন্ত হয়নি। নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে কোথায় রয়েছে এমন স্টেশন? বাংলা তথা ভারতের একমাত্র নামহীন রেল স্টেশনটি রয়েছে বর্ধমান জেলার জেলা সদর থেকে অন্তত 35 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রায়না নামক একটি গ্রামে।

    সালটা 2008। সে বছর এই গ্রামেই তৈরি হয়েছিল রেল স্টেশনটি। জানা যায়, ভারতীয় রেলের তরফে স্টেশনটি তৈরির পর এর নামকরণ করার প্রস্তুতি নেওয়া হলে রায়না এবং পার্শ্ববর্তী গ্রাম রায়নগরের বাসিন্দাদের মধ্যে স্টেশনের নামকরণ নিয়ে ব্যাপক মতপার্থক্য দেখা দিলে শেষ পর্যন্ত এই স্টেশনের নামকরণ করা যায়নি।

    জানা যায়, 2008 এ রায়নগর নামের একটি স্টেশন ছিল। পরবর্তীতে রায়নগরের বাসিন্দারা বাঁকুড়া থেকে মসাগ্রাম লাইনের নবনির্মিত স্টেশনটির নাম রায়নগর রাখার পরামর্শ দেন। তাতে ঘোর আপত্তি জানান রায়নার বাসিন্দারা। আসলে স্টেশনটি রায়না গ্রামের আওতায় পড়ায় সেই স্টেশনের নাম রায়না হওয়া উচিত বলেই দাবি করে বসেন রায়নার বাসিন্দারা। তাতে বাধা দেন পার্শ্ববর্তী গ্রামের সকলেই। ফলে দুই পক্ষের তীব্র মতপার্থক্যের কারণে এই স্টেশনের নাম রাখা সম্ভব হয়নি। যার কারণে আজও এই স্টেশনে গেলে হলুদ সাইনবোর্ডে দেখা যাবে না কোনও নাম। যাত্রীরা সেটা জেনেই এই নামহীন স্টেশনে ট্রেন ধরতে আসেন। টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কাটার সময়ও যাত্রীরা বলেন রায়না গ্রামের স্টেশনের টিকিট দিতে।

    অবশ্যই পড়ুন: ভক্তদের আশায় জল ঢাললেন KKR তারকা!

    সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, রবিবার দিন অর্থাৎ ছুটির দিনটিতে এই স্টেশনে বাজে না ট্রেনের বাঁশি। অর্থাৎ এই দিন একেবারে নিরব থাকে স্টেশনটি। যাতায়াত করেন না যাত্রীরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই স্টেশনে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে টিকিট কাটার ব্যবস্থা না থাকায় রবিবার দিন স্টেশন মাস্টার বর্ধমান শহরে যান টিকিট কিনতে। সে কারণেই এই দিন এই স্টেশনের যাত্রী পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকে। বলে রাখি, স্টেশনের নির্দিষ্ট কোনও নাম না থাকায় টিকিট ছাপানো হয় রায়নগর নামে। একই সাথে মোবাইল অ্যাপে বাঁকুড়া মসাগ্রাম লাইনে রায়নগর স্টেশনের নাম উল্লেখ রয়েছে। তবে হিসেব করে দেখতে গেলে, এই স্টেশন অনামিকা স্টেশন হওয়ায় আদতে এর নাম নেই অ্যাপে।