Tag: Ashwini Vaishnaw

  • সুরক্ষায় নয়া রেকর্ড গড়ল রেল, ৩০০০ কিমিতে চালু ‘কবচ’, কাজ চলছে আরও ২০০০০ কিমিতে

    সুরক্ষায় নয়া রেকর্ড গড়ল রেল, ৩০০০ কিমিতে চালু ‘কবচ’, কাজ চলছে আরও ২০০০০ কিমিতে

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: এখন ট্রেনে সফর করা আরও সুরক্ষিত। এর কারণ এখন বিভিন্ন ট্রেনে এবং ট্র্যাকে লাগানো হয়েছে কবচ (Kavach) নামের এক সুরক্ষা সিস্টেম, যা যে কোনো দুর্ঘটনা রোধ করতে সক্ষম। আর এবারে এই কবচ নিয়ে নতুন মাইলফলক অর্জন করল ভারতীয় রেল। এই কবচ নাকি ইতিমধ্যেই ৩০০০ কিমি দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে ফেলেছে বলে খবর।

    কবচ নিয়ে বড় তথ্য দিলেন রেলমন্ত্রী

    সংসদে দাঁড়িয়ে কবচ নিয়ে সম্প্রতি বড় তথ্য দিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানিয়েছেন, কবচে ৩০০০ কিলোমিটার সম্পূর্ণ হয়েছে এবং আরও ২০, ০০০ কিলোমিটার জুড়ে কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। ট্র্যাকগুলোর উন্নয়নের কারণে গতিতে বড় উন্নতি হয়েছে। এদিকে দেশের অন্যতম ব্যস্ততম দিল্লি-হাওড়া রুটটি এখন আগের চেয়েও বেশি নিরাপদ হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে ভারতীয় রেল ‘কবচ ৪.০’ প্রযুক্তি চালু করেছে। এটি হাওড়া-বর্ধমান-ছোটা আম্বানা সেকশনে স্থাপন করা হয়েছে।

    কবচ কী?

    কবচ হলো ভারতের প্রথম আধুনিক অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন (এটিপি) সিস্টেম। রেল কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে সমস্ত রুটে এর ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। হাওড়া থেকে ছোটা আম্বানা পর্যন্ত এই অংশটি ২৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ, যার মধ্যে ২২৯ কিলোমিটার পশ্চিমবঙ্গে এবং ৩১ কিলোমিটার ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত। সম্পূর্ণ লাইনটিতে ৪৭টি স্টেশন এবং গেটেড আর্মারযুক্ত ১৩টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে। ২০২২ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি চার বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত মজবুত।

    আরও পড়ুনঃ কালবৈশাখী থেকে শিলাবৃষ্টিতে তোলপাড় হবে দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলা, আজকের আবহাওয়া

    রেল মন্ত্রকের তথ্যমতে, রেললাইনে ৭,৮৯৭টি আরএফআইডি ট্যাগ স্থাপন করা হয়েছে। ৬০টি ল্যাটিস টাওয়ারে ইউএইচএফ অ্যান্টেনা এবং ৫২০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার কেবল নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে। হাওড়া ও শিয়ালদহ ডিপোতে থাকা ১১৮টি বৈদ্যুতিক লোকোমোটিভ এবং একটি ইএইউ-কে আর্মার প্রযুক্তিতে সজ্জিত করা হয়েছে।

  • ভারতীয় রেলে বিদ্যুৎ বিপ্লব! বছরে বাঁচাল ৬০০০ কোটি টাকা

    ভারতীয় রেলে বিদ্যুৎ বিপ্লব! বছরে বাঁচাল ৬০০০ কোটি টাকা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতীয় রেলের (Indian Railways) মুকুটে নয়া পালক। ডিজেল থেকে বৈদ্যুতিক চালনায় জোর দিয়ে ৬০০০ কোটি টাকার সাশ্রয় হয়েছে রেলের। মঙ্গলবার লোকসভায় এমনটাই দাবি করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। এমনকি তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, দেশের এই জাতীয় পরিবহন সংস্থাটি এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পণ্য পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি ভারতীয় রেলের একাধিক প্রকল্প নিয়েও এদিন তিনি আলোচনা করেন।

    ডিজেল চালিত ইঞ্জিন থেকে বৈদ্যুতিকে রুপান্তর

    এদিন লোকসভায় রেলমন্ত্রী বৈষ্ণব জানান যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলে ৩৫ হাজার কিলোমিটার নতুন রেললাইন পাতা হয়েছে, আর আনুমানিক ২৭ হাজার কিলোমিটার রেললাইন বৈদ্যুতিকরণ করা হয়েছে। কংগ্রেস সিংহভাগ ডিজেল চালিত পরিষেবা ছিল। এমনকি তিনি বলেন যে, ভারতীয় রেলের ব্যয়ের ক্ষেত্রে কর্মীবাবদ খরচ সবথেকে বেশি। আর দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যয়ের খাত হল জ্বালানি বা শক্তি। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, আগামী দিনগুলোতে ডিজেল চালিত ইঞ্জিন সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হবে আর ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিক চালিত ইঞ্জিন সেই জায়গা দখল করবে।

    এদিকে রেল প্রকল্পগুলোর জন্য জমি অধিগ্রহণ সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অনুদান বরাদ্দ না করায় রাজ্যের INDIA জোট শাসন রাজ্য যেমন কেরালা, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, কর্ণাটক নিয়ে সমালোচনা করেছেন রেলমন্ত্রী। আর বিরোধী দলগুলিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভোটের রাজনীতির পরিবর্তে কাজের রাজনীতি প্রাধান্য পেয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রী রেল বাজেটকে সবসময় অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। যার ফলে তাঁর মন্ত্রকের জন্য আর্থিক বরাদ্দের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে সারা বছর ধরেই নতুন নতুন ট্রেনের উদ্ভাবন আর নতুন প্রকল্পের সূচনা হয়েই থাকে, যা আগে চোখে পড়ত না। রেলের আর্থিক স্বাস্থ্যের উন্নতি দিনের পর দিন বাড়ছে। এমনকি এদিন রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, অর্থ মন্ত্রক আর অন্যান্য সংস্থাগুলোর অত্যাধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবস্থা ব্যবহার করে ভারতীয় রেল আরও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হওয়ার চেষ্টা করছে।

    আরও পড়ুন: ইতিহাস গড়লেন TTE, বিনা টিকিটে যাত্রীদের ধরে একদিনেই ২.৫৭ লাখ আদায় রেলের

    এদিকে স্বাস্থ্যবিমা নিয়েও লোকসভায় বড়সড় দাবি রাখেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তিনি স্পষ্ট বলেন, স্বাস্থ্যবিমা এই সরকারের সবথেকে জনপ্রিয় অগ্রাধিকার। আর আশা করা যাচ্ছে যে, আগামী ২০৩৩ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি নাগরিককেই এই স্বাস্থ্যবিমা কভারেজের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এমনকি প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানিয়েছেন যে, বীমা খাতের ব্যয় দিনের পর দিন বাড়ানো হচ্ছে। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই খাতের আওতায় আনুমানিক ৫৮ কোটি টাকা মানুষ জীবনবিমার সুরক্ষা পেয়েছে।

  • ‘৭৭% ট্রেন চলেছে একেবারে সঠিক সময়ে’ দাবি রেলমন্ত্রীর! কোন বিভাগে?

    ‘৭৭% ট্রেন চলেছে একেবারে সঠিক সময়ে’ দাবি রেলমন্ত্রীর! কোন বিভাগে?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল যতই আপগ্রেড হোক না কেন, ট্রেন দেরিতে চলার (Train late) সমস্যা বছরের পর বছর ধরে রয়েই গিয়েছে। কখনও বৃষ্টি কখনও কুয়াশা কখনও আবার রেল লাইনে কাজের জেরে একের পর এক ট্রেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা দেরিতে চলে। এই নিয়ে যথেষ্ট বিরক্ত রেল যাত্রীরাও। যদিও এখন অন্য কথা বললেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানালেন ট্রেন দেরির সমস্যা কয়েক শতাংশ কমে গিয়েছে এবং একদম সঠিক সময়ে ট্রেন চলাচল করছে। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ৭৭% ট্রেন সময় মতো চলছে

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারতীয় রেলওয়ে ২০২৫-২৬-এর ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত মোট ৭৭% সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ২৪টি রেল বিভাগ ৯০ শতাংশেরও বেশি সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে। সম্প্রতি রাজ্যসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বের উত্তরে, অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন যে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কত শতাংশ ট্রেন আসছে তার উপর ভিত্তি করে সময়ানুবর্তিতা পরিমাপ করা হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে রেলওয়ে তার বিশাল নেটওয়ার্কের কর্মক্ষমতা উন্নত করার জন্য একাধিক কৌশল গ্রহণ করেছে।

    আরও পড়ুনঃ মার্চে বকেয়া DA-র কত শতাংশ পাবেন সরকারি কর্মীরা? জানুন

    তিনি বলেন, ট্রেনের সময়সূচীতে কাঠামোগত সমস্যা চিহ্নিত এবং সমাধানের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক সিস্টেম, এআই-ভিত্তিক বিশ্লেষণ সহ উন্নত প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে। ৪৩টি বিভাগ ৮০ শতাংশেরও বেশি সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে, যেখানে একটি বিভাগ ৯৫ শতাংশ অতিক্রম করেছে।

    কোন ডিভিশনে সময়ে চলছে ট্রেন?

    রেলমন্ত্রী মাদুরাই, যোধপুর, হুগলি, ভাবনগর, কোটা, ইজ্জতনগর, রতলম এবং আজমিরকে এমন বিভাগগুলির মধ্যে উল্লেখ করেছেন যেখানে সময়ানুবর্তিতার হার অত্যন্ত বেশি। তিনি স্বীকার করেছেন যে বর্তমান সময়ানুবর্তিতার পরিসংখ্যান ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইতালির মতো দেশের সাথে তুলনীয় হলেও, ভারতের উচিত জাপানের সাথে তার মানদণ্ড স্থাপন করা।

  • ১৩০ কিমি বেগে ছুটবে ট্রেন, দেশ জুড়ে হাইস্পিড ট্র্যাকের উন্নতিতে বড় সাফল্য রেলের

    ১৩০ কিমি বেগে ছুটবে ট্রেন, দেশ জুড়ে হাইস্পিড ট্র্যাকের উন্নতিতে বড় সাফল্য রেলের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যত সময় এগোচ্ছে ততই ভারতীয় রেল (Indian Railways) ব্যবস্থার উন্নতি ঘটছে। হাইস্পিড ট্রেন থেকে শুরু করে উন্নত ট্র্যাক ইত্যাদি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করেই চলেছে ভারতীয় রেল। সবথেকে বড় কথা, যাত্রীদের সুরক্ষা মাথায় রেখে ট্রেনে বসেছে কবচ। যাইহোক, এরই মাঝে বড় তথ্য দিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বভারতীয় রেলওয়ে নিরাপত্তা জোরদার এবং ট্রেন পরিচালনা উন্নত করার জন্য ২০১৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ৫৪,৬০০ কিলোমিটার ট্র্যাক সংস্কার করেছে বুধবার সংসদে জানালেন তিনি। সেইসঙ্গে আরও ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে খবর।

    ৮০% ট্র্যাক এখন ১১০ কিমি/ঘণ্টা

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১২ বছরে রেল নেটওয়ার্কের ৮০% এরও বেশি অংশকে ১১০ কিমি/ঘন্টা বা তার বেশি গতিতে উন্নীত করা হয়েছে। ২০১৪ সালে এই কাজ প্রায় ৪০% ছিল। ১৩০ কিমি/ঘন্টা বা তার বেশি গতিতে সক্ষম ট্র্যাকগুলিও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, বর্তমানে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০%। লোকসভায় এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ট্র্যাক নবায়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া যা ট্র্যাকের বয়স, ট্র্যাফিকের চাপ এবং সামগ্রিক অবস্থার মতো পরামিতিগুলির উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।

    আরও পড়ুনঃ পোর্টালে সমস্যায় আপডেট করা যাচ্ছে না সার্ভিস বুক, কর্মীদের নয়া নির্দেশ রাজ্য সরকারের

    কী জানাচ্ছেন রেলমন্ত্রী?

    তিনি আরও বলেন, অনুমোদিত গতিতে ট্রেন চলাচলের জন্য রেলপথ নিরাপদ রাখার জন্য নবায়নের কাজগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।রেলওয়ে নেটওয়ার্ক নিয়মিতভাবে একাধিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে মনোনীত কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন, যার মধ্যে রয়েছে দৈনিক টহলদারি, ট্রলি করে পরিদর্শন ইত্যাদি।

    ট্র্যাকের জ্যামিতি এবং স্বাস্থ্য আরও বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়ন করার জন্য, রেলওয়ে ট্র্যাক রেকর্ডিং কার (TRC) এবং অসিলেশন মনিটরিং সিস্টেম (OMS) ব্যবহার করে নির্ধারিত রান পরিচালনা করে। সমগ্র নেটওয়ার্ক এই মনিটরিং সিস্টেমের আওতায় আসে যাতে সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা যায় এবং সময়সীমার মধ্যে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া যায়। এছাড়াও সরকার ৭৬৫ কোটি টাকার অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন অনুমোদন করেছে যার লক্ষ্য হল কার্যক্রম উন্নত করা, লাইনের ক্ষমতা সম্প্রসারণ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা।

  • শ্রীরামপুর স্টেশন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলমন্ত্রীর, হাওড়া লাইনে হতে পারে আরেকটি হল্ট স্টেশনও

    শ্রীরামপুর স্টেশন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলমন্ত্রীর, হাওড়া লাইনে হতে পারে আরেকটি হল্ট স্টেশনও

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ নির্ঘন্ট প্রকাশ না পেলেও বাংলার বিধানসভা ভোট নিয়ে কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আর এই সময়কে কাজে লাগিয়েই এক অঘোষিত রাজনৈতিক প্রচারে নেমে পড়েছে বাম থেকে শুরু করে শাসক দল তৃণমূল, বিজেপি ও অন্যান্যরা। জায়গায় জায়গায় যাচ্ছেন রাজনৈতিক দলীয় নেতৃবৃন্দরা। এদিকে বাংলায় নিজেদের জমি দখল করতে বিজেপিও একের পর এক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এসে ঘুরে গিয়েছেন। এবার বঙ্গ সফরে এলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। সম্প্রতি তিনি হুগলীর শ্রীরামপুর (Serampore) গিয়েছিলেন এবং সেখানে গিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন।

    বঙ্গ সফরে এসে বড় ঘোষণা রেলমন্ত্রী

    বঙ্গ সফরে এসে শ্রীরামপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন নিয়ে বড় ঘোষণা করেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। সেইসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলার জন্য রেল প্রকল্পের ক্ষেত্রে কত কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে সে বিষয়ে বড় তথ্য দেন তিনি। অশ্বিনী বৈষ্ণব জানালেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বছরের সাধারণ বাজেটে বাংলার রেলওয়ের উন্নয়নের জন্য রেকর্ড ১৪,২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন। এছাড়াও, রাজ্যে ইতিমধ্যেই ৯৩,০০০ কোটি টাকার বিভিন্ন রেল উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।

    স্থানীয়দের তরফে রেলমন্ত্রীর কাছে একটি বিশেষ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণেশ্বর স্টেশন যেমন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে হয়েছে। তেমনই এবার মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরের আদলে যেন শ্রীরামপুর স্টেশন করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। এমনকি রেলমন্ত্রীর কাছে এদিন হাওড়া লাইনে শ্রীরামপুর থেকে রিষড়ার মধ্যে একটি হল্ট স্টেশন হয় সেই দাবিও জানানো হয়। এই স্টেশনটি হলে মাহেশের রথযাত্রা দেখতে আসা দর্শনার্থীদের অনেক সুবিধা হবে।

    সরকারের বিরুদ্ধে গুরতর অভিযোগ রেলমন্ত্রীর

    রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব শনিবার আবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে নিশানা করেন। দাবি করেন যে রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে বাংলায় হাজার হাজার কোটি টাকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্প ঝুলে আছে। এদিন হুগলি জেলার শ্রীরামপুরে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণকারী অশ্বিনী বৈষ্ণব সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় অভিযোগ করেন যে রাজ্য সরকার রেল প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা করছে না। জমি অধিগ্রহণের জন্য রাজ্য সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

    আরও পড়ুনঃ বদলে গেল ভোল, অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় অত্যাধুনিক হল সিউড়ি থেকে হলদিয়া স্টেশন

    তিনি বলেন যে, বাংলায় রেল প্রকল্পের জন্য মাত্র ২৭ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে ৭৩ শতাংশ এখনও অঅধিগ্রহণ করা হয়নি। তিনি দাবি করেন যে এর ফলে অনেক প্রকল্প আটকে আছে। রেলমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকারের অব্যাহত অসহযোগিতা সত্ত্বেও, রেল প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রচুর প্রচেষ্টা এবং কঠোর পরিশ্রম করা হচ্ছে। বাংলায় ১০ থেকে ১২টি এমন রেল প্রকল্প রয়েছে যেখানে কাজ করার জন্য সরকার কোনও সাহায্য করছে না। রেলমন্ত্রী জানান, ২০১৪ সালের আগের ৪০ বছরে, পূর্ববর্তী সরকারগুলির অধীনে, কলকাতা মেট্রো লাইনের মাত্র ২৭ কিলোমিটার সম্প্রসারণ করা হয়েছিল। কিন্ত ২০১৪ সালে মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১১ বছরে, কলকাতায় ৪৫ কিলোমিটার মেট্রো লাইন সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ যুবসাথীর চক্করে কত হাজার কোটির ধাক্কা রাজ্য সরকারের? ভয়ঙ্কর রিপোর্ট দিল RBI

    রেলমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে বাংলা জুড়ে ১০১টি রেলস্টেশন সংস্কার করা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এই বছরের বাজেটে বাংলার জন্য একটি বুলেট ট্রেনের পাশাপাশি একটি নতুন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর অনুমোদন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে, বুলেট ট্রেনটি শিলিগুড়িকে সংযুক্ত করবে।