Tag: Ammonia

  • ২৫ হাজার কোটির মেগা চুক্তি! গ্রিন এনার্জি সেক্টরে বিরাট কৃতিত্ব রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের

    ২৫ হাজার কোটির মেগা চুক্তি! গ্রিন এনার্জি সেক্টরে বিরাট কৃতিত্ব রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দেশের সবুজ জ্বালানি ক্ষেত্রে এবার বিরাট সাফল্য পেল রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (Reliance Industries)। দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্থা Samsung C&T Corporation এর সঙ্গে এবার দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এই সংস্থা। আর এই চুক্তির আওতায় আগামী ১৫ বছর ধরে গ্রিন অ্যামোনিয়া সরবরাহ করবে রিলায়েন্স, এমনটাই জানানো হয়েছে। জানা যাচ্ছে, এই চুক্তির মোট মূল্য প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি, যা বিশ্বের সবথেকে বড় গ্রীন অ্যামোনিয়া সরবরাহ চুক্তি হিসেবেই মনে করা হচ্ছে।

    কী এই চুক্তির বিশেষত্ব?

    রিলায়েন্সের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই চুক্তি কার্যকর হবে ২০২৯ সালের দ্বিতীয় পর্যায়ে। আর এর মাধ্যমে ভারত থেকে উৎপাদিত গ্রিন অ্যামোনিয়া বিদেশে রফতানি করা হবে। জানা যাচ্ছে, এই চুক্তির আওতায় ভারত সবুজ জ্বালানি রফতানিকারক দেশ হিসেবে পাকাপোক্ত অবস্থান করবে। আর এটি সম্পূর্ণ এনার্জি ইকো সিস্টেম তৈরি করবে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য শক্তি স্টোরেজ, হাইড্রোজেন এবং রাসায়নিক উৎপাদন সবই এবার এক ছাতার তলায় আসবে।

    প্রসঙ্গত, এই গ্রিন অ্যামোনিয়া এমন এক ধরনের জ্বালানি, যেটি তৈরি হয় গ্রিন হাইড্রোজেন থেকে। আর এতে কার্বন নিঃসরণ খুবই কম হয়। এটি পরিষ্কার জ্বালানি হিসেবে, সার উৎপাদন এবং ভবিষ্যতের ফুয়েল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আর বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভবিষ্যতের ক্লিন ফুয়েল ইকোনমির সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এদিকে রিলায়েন্স জানিয়েছে যে, এই প্রকল্পটি দেশের ন্যাশনাল গ্রিন হাইড্রোজেন মিশনের সঙ্গেই সামঞ্জস্যপূর্ণ। যার ফলে দেশে ক্লিন এনার্জি ম্যানুফ্যাকচারিং আরও বাড়বে আর মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগ আরও শক্তিশালী হবে। শুধু তাই নয়, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে।

    আরও পড়ুন: LPG সঙ্কটের মাঝে গ্যাস নিয়ে নয়া নির্দেশনা, না মানলে মিলবে না সিলিন্ডার

    এ বিষয়ে রিলায়েন্সের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অনন্ত আম্বানি বলেছেন, এই চুক্তি ভারতের ক্লিন এনার্জি যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে চলেছে। রিলায়েন্সের মূল লক্ষ্য হবে সৌরশক্তি, ব্যাটারি স্টোরেজ, ইলেক্ট্রোলাইজার প্রযুক্তি। এই সমস্ত ক্ষেত্রে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো আর বিশ্বমানের অবকাঠামো গড়ে তোলা। এমনকি এই চুক্তি শুধুমাত্র শুরু। কারণ রিলায়েন্সের তরফ থেকে এও জানানো হয়েছে, আরও একটি দীর্ঘমেয়াদী আন্তর্জাতিক চুক্তি করা হবে, যেটি গিগাফ্যাক্টরি আর গ্রিন হাইড্রোজেন ইকোসিস্টেম দ্রুত বাড়াবে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।