Tag: Airplane

  • বাড়ছে জ্বালানির দাম! এপ্রিল থেকে মহার্ঘ হচ্ছে বিমান ভাড়া? ইঙ্গিত কেন্দ্রের

    বাড়ছে জ্বালানির দাম! এপ্রিল থেকে মহার্ঘ হচ্ছে বিমান ভাড়া? ইঙ্গিত কেন্দ্রের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ নতুন মাস অর্থাৎ এপ্রিল থেকে আরও আর্থিক বোঝা চাপতে চলেছে সাধারণ মানুষের ওপর। এমনিতেই দিনে দিনে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ছে। এলপিজি কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে সাধারণ আমজনতার। এদিকে বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এখন ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলোকে প্রভাবিত করছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, আগামী এপ্রিল মাস থেকে বিমানে সফর আরও মহার্ঘ্য (Flight Fare) হতে পারে। সরকার তো অন্তত তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছে।

    এপ্রিল থেকে বাড়ছে বিমান ভাড়া?

    সরকার ইঙ্গিত দিয়েছে যে ১ এপ্রিল থেকে এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (ATF)-এর দাম বাড়তে পারে। তবে, কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে যে এই বোঝা অবিলম্বে যাত্রীদের উপর চাপানো হবে না এবং এ বিষয়ে কাজ চলছে। এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু। তিনি জানিয়েছেন যে, প্রতি মাসের ১ তারিখে এটিএফ-এর মূল্য নির্ধারণ করা হয় এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব ১ এপ্রিলের মধ্যেই দেখা যেতে পারে।

    আরও পড়ুনঃ পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    তিনি বলেন, এই বিষয়ে বিমান সংস্থাগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে। মন্ত্রী স্বীকার করেন যে বিমান সংস্থাগুলি আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছে, কিন্তু সরকারের অগ্রাধিকার হলো নিরাপদ ও নিয়মিত পরিষেবা নিশ্চিত করা। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর দিয়ে বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়লে তা সরাসরি এটিএফ (ATF)-এর দামকে প্রভাবিত করবে। তবে, সরকার স্পষ্ট করেছে যে তাদের অগ্রাধিকার হলো যাত্রীদের যেন অবিলম্বে ভাড়া বৃদ্ধির সম্মুখীন হতে না হয় তা নিশ্চিত করা।

    তেলের দাম বাড়বেই

    মন্ত্রী বলেছেন যে বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও এটিএফ-এর মূল্যবৃদ্ধি প্রায় অনিবার্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এর ফলে যেন টিকিটের দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি না ঘটে, তা নিশ্চিত করাই হবে মন্ত্রকের প্রধান লক্ষ্য। সরকার ভ্রমণকারীদের স্বার্থে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও এটিএফ-এর মূল্যবৃদ্ধি প্রায় অনিবার্য। রাম মোহন নাইডু জোর দিয়ে বলেন যে, এর ফলে যেন টিকিটের দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি না ঘটে, তা নিশ্চিত করাই হবে মন্ত্রকের প্রধান লক্ষ্য।

     

  • বিমানের ৬০ শতাংশ আসন পছন্দ করতে পারবেন একেবারে ফ্রিতে, নয়া নিয়ম DGCA-র

    বিমানের ৬০ শতাংশ আসন পছন্দ করতে পারবেন একেবারে ফ্রিতে, নয়া নিয়ম DGCA-র

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিমান যাত্রীদের জন্য চরম সুখবর (Airplane Free Seats)। এবার থেকে বিমানের অন্তত 60 শতাংশ সিট বা আসন অতিরিক্ত কোনও খরচ ছাড়াই পছন্দ করতে পারবেন যাত্রীরা। সেই মর্মেই, নির্দেশিকা জারি করেছে দেশের অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক (Ministry of Civil Aviation)। জানানো হয়েছে, এবার থেকে বিমানে পছন্দসই আসন গ্রহণের ক্ষেত্রে ফ্লাইটের টিকটের খরচের বাইরে অতিরিক্ত কোনও চার্জ দিতে হবে না যাত্রীদের। এক কথায়, বিমানে কোন সিটে ভ্রমণ করবেন সেটাও নিখরচায় বেছে নিতে পারবেন আপনি।

    নির্দেশিকায় ঠিক কী জানিয়েছে বিমান মন্ত্রক?

    সাধারণত এতদিন বিমানে আসন পছন্দ করার ক্ষেত্রে যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিত বিভিন্ন বিমান সংস্থাগুলি। টিকিট কাটার পরেও সিট পছন্দ করার জন্য আলাদা করে চার্জ করা হতো যাত্রীদের। তবে অসামরিক বিমান মন্ত্রক নির্দেশিকা জারি করে খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এই কাজ আর করা যাবে না। অর্থাৎ অন্তত 60 শতাংশ আসন যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ছেড়ে রাখতে হবে।

    শুধু তাই নয়, ওই নির্দেশিকায় বিমান মন্ত্রক এও জানিয়েছে , একই PNR নম্বরে যদি কেউ টিকিট কেটে থাকেন সেক্ষেত্রে যাত্রীদের আসন পাশাপাশি দিতে হবে। অর্থাৎ একই পরিবারের দুজন সদস্য কিংবা আত্মীয় অথবা বন্ধুদের সিট পাশাপাশি রাখতে হবে বলেই নির্দেশিকা জারি করেছে অসামরিক বিমান মন্ত্রক। এতদিন পাশাপাশি সিট পাওয়ার জন্য অতিরিক্ত খরচ গুনতে হতে যাত্রীদের। অনেকেই সেই অর্থ দিতে না পারায় আত্মীয় স্বজন বা পরিজনের থেকে দূরের সিট পেতেন।

     

    অবশ্যই পড়ুন: বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না! নেইমার বললেন, “আমার হাতে নেই”

    এছাড়াও যাত্রীদের প্রয়োজনীয় গান-বাজনা কিংবা খেলাধুলার সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাশাপাশি বিমানে যাওয়ার সময় পোষ্যদের নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও বিমান সংস্থাগুলির মতামত কী সেটাও জানতে চাওয়া হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, বিমান ছাড়তে দেরি হলে কিংবা কোনও কারণে ফ্লাইট ক্যান্সেল হলে তার কারণ যাত্রীদের জানাতে হবে বিমান সংস্থার ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং এয়ারপোর্ট কাউন্টার থেকে। পাশাপাশি বিমান সংস্থাগুলিকে এ-ও বলা হয়েছে, যাত্রীদের ভাষা বোঝার ক্ষেত্রে সমস্যা হলে তারও সমাধান করতে হবে তাদের। গুরুত্ব দিতে হবে আঞ্চলিক ভাষার উপর। কেন্দ্র বলছে, বিমানে যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাতে যাত্রীদের আগামী দিনে কোনও রকম সমস্যা না হয় সেদিকেই নজর রেখে এমন নির্দেশিকা জারি করা হল।

  • রমজানের প্রার্থনার অ্যালার্মেই বিপত্তি! সন্ত্রাসী হানা সন্দেহে জরুরি অবতরণ ফ্লাইট

    রমজানের প্রার্থনার অ্যালার্মেই বিপত্তি! সন্ত্রাসী হানা সন্দেহে জরুরি অবতরণ ফ্লাইট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রমজানের নামাজের (Ramadan Prayers) সময় মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য মোবাইলে অ্যালার্ম সেট করেছিলেন এক যাত্রী। তবে সেই ঘটনাকে ঘিরেই হল বড় ভুল বোঝাবুঝি। নিরাপত্তার আশঙ্কায় মাঝ আকাশেই রুট বদলে জরুরি অবতরণ করতে হল একটি যাত্রীবাহী বিমানকে (US Flight News)। পরে তদন্ত করে জানা যায়, গোটা ঘটনাটাই ছিল একটা সাধারণ ভুল বোঝাবুঝির জের। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। গত সপ্তাহে সাউথ-ওয়েস্ট এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট মাঝপথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। ন্যাশভিল থেকে ফ্লোরিডার ফোর্ট লডারডেলের উদ্দেশ্যে উড়ে যাওয়া বিমানটিকে জরুরী ভিত্তিতেই মাঝপথে নামানো হয়। জানুন সবটা।

    ঘটনাটি কী?

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ফ্লাইটটি ছেড়েছিল ন্যাশভিল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট থেকে সন্ধ্যা ৭:১৫ মিনিটে। তবে উড়ান শুরু হওয়ার ৩০ মিনিট পরেই বিমানের ভিতরে হঠাৎ করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কারণ, এক যাত্রী রমজান মাসে নামাজের সময় মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য নিজের ফোনে একটি টাইমার সেট করে রেখেছিলেন। কিন্তু সেই অ্যালার্মটি ঘিরেই বিমানের ভেতরে তৈরি হয় ভুল বোঝাবুঝি, আর সেটাকে সম্ভাব্য নিরাপত্তার আশঙ্কা হিসেবে ধরা হয়।

    বিমানে চাপা বেশ কয়েকজন যাত্রী জানান যে, আচমকায় বিমান কর্মীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই মাইকে ঘোষণা করে বলা হয়, যাত্রীদের মাথা নিচু করে বসে থাকতে আর হাত উপরে তুলতে। এক যাত্রী জানান, হঠাৎ করে এই ঘোষণা শুনে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। প্রথমে কেউই বুঝতে পারছিলেন না যে, ঠিক কী ঘটেছে। অনেকেই ভাবছিলেন হয়তো যান্ত্রিক কোনও সমস্যা বা চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অ্যালার্ট।

    আরও পড়ুন: “আমার জনগণকে রক্ষা করুন মা দুর্গা”, চলে যাওয়ার আগে রাজ্যবাসীকে খোলা চিঠি বোসের

    আটলান্টায় জরুরী অবতরণ

    এদিকে এই ঘটনার পর বিমানটি ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় আটলান্টায়। পরে রাত নটা নাগাদ বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছিল। তারপর আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা বিমানে ওঠে আর সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে নামিয়ে নিয়ে যান। এমনকি পরে যাত্রীদের লাগেজ বিশেষভাবে পরীক্ষা করা হয়। আর কে-৯ ইউনিট দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। ঘটনার তদন্ত করেছিল ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন এবং ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। তবে তদন্তে জানা যায় যে, ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে কোনও রকম বাস্তব নিরাপত্তার হুমকির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি শুধুমাত্র ভুল বোঝাবুঝি ছিল। তাই ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে কোনও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।