Tag: Aadhaar

  • খুব শীঘ্রই ৫২০০ কোটি টাকা বিতরণ করবে EPFO, কারা পাবে জানুন

    খুব শীঘ্রই ৫২০০ কোটি টাকা বিতরণ করবে EPFO, কারা পাবে জানুন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: যাদের পুরনো পিএফ অ্যাকাউন্ট বন্ধ (Inactive PF Account) হয়ে পড়ে রয়েছে বা দীর্ঘকাল কোনও রকম লেনদেন হয়নি, তাদের জন্য বিরাট স্বস্তির খবর দিল কর্মচারী ভবিষ্যৎ নিধি সংগঠন বা ইপিএফও (EPFO)। এবার আর অকেজো হয়ে পড়ে থাকা অ্যাকাউন্টে টাকা (Provident Fund) তুলতে কোনও রকম সমস্যা পোহাতে হবে না, বরং ইপিএফও একটি বিশেষ অটোমেটেড সেটেলমেন্ট সিস্টেম আনতে চলেছে, যার মাধ্যমে প্রায় ৫২০০ কোটি টাকা সরাসরি গ্রাহকদের আধার লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

    কোনও ক্লেইম ছাড়াই মিলবে টাকা

    জানা যাচ্ছে, ইপিএফও-র এই নতুন উদ্যোগের সবথেকে বড় বৈশিষ্ট্য, টাকা তোলার জন্য কর্মীদের আলাদা করে কোনও রকম ফর্ম পূরণ করতে হবে না। প্রথম ধাপে আধারের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে এরকম ২৫ শতাংশ ইনঅ্যাকটিভ অ্যাকাউন্টগুলিকে এই প্রক্রিয়ায় আনা হবে। আর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৮ লক্ষ আধার ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টের মালিক এই সুবিধা পাবে। সেক্ষেত্রে ধাপে ধাপে প্রায় ৫২০০ কোটি টাকা বণ্টন করা হবে।

    প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইপিএফও-এর কাছে প্রায় ৩১ লক্ষ ইনঅ্যাকটিভ অ্যাকাউন্ট পড়ে রয়েছে। আর সেখানে সব মিলিয়ে মোট ১০,১৮১ কোটি টাকা জমা আছে। যার মধ্যে ১৪ হাজার অ্যাকাউন্টে ৫ লক্ষ টাকার বেশি করে জমা রয়েছে। আর ৩৮ হাজার অ্যাকাউন্টে ১ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে জমা রয়েছে। ইতিমধ্যেই ১০০০ টাকা পর্যন্ত ব্যালেন্স রয়েছে এরকম ছোট ছোট অ্যাকাউন্টগুলির অটো সেটেলমেন্ট সবুজ সংকেত দিয়েছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য গ্রেফতার ভারতীয় বায়ুসেনার এক বেসামরিক কর্মী

    কখন পিএফ অ্যাকাউন্ট ইনঅ্যাকটিভ হয়?

    জানিয়ে রাখি, সাধারণত কোনও কর্মচারী ৫৫ বছর বয়সে অবসর হওয়ার পর যদি টানা তিন বছর সেই অ্যাকাউন্টে কোনও রকম কন্ট্রিবিউশন বা টাকা জমা না পড়ে, তাহলে সেই অ্যাকাউন্টটিকে ইনঅ্যাকটিভ হিসেবেই গণ্য করা হয়। আর বর্তমানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য পিএফ আমানতের উপর ৮.২৫ শতাংশ সুদ দিচ্ছে ইপিএফও। আর এই উচ্চ সুদের হার চাকরিজীবীদের সঞ্চয়ে যে বিরাট অক্সিজেন দেবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

  • সঞ্চার সাথীর পর এবার এই অ্যাপ স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক করছে কেন্দ্র!

    সঞ্চার সাথীর পর এবার এই অ্যাপ স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক করছে কেন্দ্র!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সঞ্চার সাথীর পর এবার এক বিশেষ অ্যাপ (Mobile App) প্রত্যেকের স্মার্টফোনে ইনস্টল করা বাধ্যতামূলক করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government)। আর তা নিয়েই এবার বেঁকে বসেছে বেশ কিছু মোবাইল সংস্থা। নরেন্দ্র মোদি সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ঘোর বিরোধিতা করছেন তারা। সংস্থাগুলি চাইছে, দ্বিতীয় কোনও সরকারি অ্যাপ যেন নতুন করে স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক না করা হয়।

    কোন অ্যাপ স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক করতে চায় বিজেপি সরকার?

    সংবাদ সংস্থা রয়টার্স দাবি করেছে, গত জানুয়ারিতেই প্রত্যেকটি মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাকে স্মার্টফোনে mAdhar আধার বা মাই আধার অ্যাপটি প্রি ইনস্টল করে দিতে বলা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি সরকার খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের স্বার্থে এই অ্যাপ মোবাইলে রাখতেই হবে। এই আধার অ্যাপ দিয়ে ভারতের যেকোনও নাগরিক তাদের মোবাইল নম্বর থেকে শুরু করে নাম, অভিভাবকের নাম এমনকি ঠিকানা সংশোধন কিংবা বদল করতে পারবেন।

    মূলত সাধারণ মানুষের মুখের দিকে চেয়ে এই নতুন আধার অ্যাপটিকে প্রতিটি স্মার্টফোনে প্রি ইনস্টল করে দেওয়ার জন্য মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা গুলির কাছে আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্র। তবে কিছু সংস্থা কেন্দ্রকে সাহায্য করতে চাইলেও অ্যাপেল, স্যামসাংয়ের মতো সংখ্যাগুলি কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে সায় দেয়নি। এমন বক্তব্যের স্বপক্ষে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির দাবি, mAdhar আধার অ্যাপটিকে স্মার্টফোনে প্রি ইনস্টল করতে হলে ভারতের বাজারে বিক্রি হওয়া মোবাইলগুলির জন্য আলাদা করে প্রোডাকশন লাইন তৈরি করতে হবে। এর জন্য সংস্থাগুলির আলাদা করে অনেকটাই খরচ পড়ে যাবে। ফলে সরকারের এমন পদক্ষেপের বিরোধিতা করছে তারা। এখন দেখার এমন সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত কার্যকর হয় কিনা।

    অবশ্যই পড়ুন:   “অজিঙ্কা রাহানেকে ফের অধিনায়ক করে বড় ভুল করে ফেলল KKR”

     

    উল্লেখ্য, এর আগে সঞ্চার সাথি নামক অ্যাপটি মোবাইল ফোনে ইন্সটল করা বাধ্যতামূলক করেছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই সময় অবশ্য গোপনীয়তা অধিকার লঙ্ঘন করার অভিযোগ তুলে আপত্তি জানিয়েছিল মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। সেই বিতর্ক আজ পর্যন্ত কাটেনি।

  • ঘরে বসেই আধার কার্ডে বাবা অথবা স্বামীর নাম ও নতুন ঠিকানা যুক্ত করুন, রইল পদ্ধতি

    ঘরে বসেই আধার কার্ডে বাবা অথবা স্বামীর নাম ও নতুন ঠিকানা যুক্ত করুন, রইল পদ্ধতি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আধার কার্ড প্রয়োজন প্রায় সব ক্ষেত্রেই (Aadhaar Card New Update)। ব্যাঙ্কিং পরিষেবা থেকে শুরু করে নতুন সিম কার্ড তোলা, সর্বত্রই এই গুরুত্বপূর্ণ নথিটি কাজে লাগে। তবে আধার কার্ডে কেয়ার অফ বা অভিভাবকের নাম উল্লেখ থাকা বাধ্যতামূলক। অনেক সময় মহিলাদের বিয়ের পর তাঁদের অভিভাবক হন স্বামী। ফলে সেক্ষেত্রে অনেকেই অভিভাবকের নামের জায়গায় বা কেয়ার অফে নিজের স্বামীর নাম বসাতে চান। আগে পঞ্চায়েতের শংসাপত্র দিয়ে এই কাজ করা গেলেও বর্তমানে তা যথেষ্ট কঠিন। তবে চিন্তা নেই, দেশের নাগরিকদের কষ্ট কমাতে অনলাইনে যাতে এই ধরনের কাজ করা যায় সেদিকেই নজর দিয়েছে UIDAI।

    পরিবর্তন করা যাবে ঠিকানাও

    আধার কার্ডে অভিভাবকের নাম পরিবর্তন করার পাশাপাশি যে কেউ নিজের ঠিকানাও পরিবর্তন করে নিতে পারবেন অনলাইনেই। এর জন্য অবশ্য আবেদনকারী এবং যাঁর নাম যুক্ত করা হচ্ছে তাঁর আধার কার্ডের সাথে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক। UIDAI সূত্রে খবর, অনলাইনে যদি কেউ অভিভাবকের নাম পরিবর্তন করেন সে ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তাঁর বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন হয়ে যাবে। পরবর্তীতে পরিবারের প্রধানের আঁধার কার্ডে যে ঠিকানা রয়েছে সেই ঠিকানা চলে আসবে আবেদনকারীর আধার কার্ডে।

    কীভাবে আধার কার্ডে অভিভাবকের নাম এবং ঠিকানা পরিবর্তন করবেন?

    নিজের আধার কার্ডে অভিভাবকের নাম এবং ঠিকানা পরিবর্তন করতে প্রথমেই myAadhaar পোর্টালে গিয়ে লগইন করে নিন। এরপর সেখান থেকে অ্যাড্রেস আপডেট মেনুতে ক্লিক করে হেড অফ ফ্যামিলি বেসড অ্যাড্রেস অপশনে ক্লিক করুন। এবার যাঁর অ্যাড্রেস বা নাম দিতে চাইছেন অর্থাৎ বাবা বা স্বামীর আধার নম্বর লিখে ড্রপ ডাউন থেকে তাঁর সাথে আপনার সম্পর্ক বেছে নিন। এরপর সামনে আশা স্বঘোষিত পত্রটি গ্রহণ করে 75 টাকা পেমেন্ট করে দিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যাবে আপনার অভিভাবকের নাম এবং ঠিকানা।

    অবশ্যই পড়ুন: বিকেলে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ৭০ কিমি বেগে ঝড়, বৃষ্টি! দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাগুলোয় সতর্কতা

    বলে রাখা প্রয়োজন, অনলাইনে আবেদন করে টাকা জমা দেওয়ার পর প্রাপ্ত রশিদ থেকে SRN নম্বরটি নিজের কাছে রেখে দিন। পরবর্তী ধাপে বাবা অথবা স্বামীর আধার নম্বর দিয়ে আবার পোর্টালে লগইন করতে হবে। সেখান থেকে ড্যাশবোর্ডের নিচে থাকা মাই হেড অফ ফ্যামিলি রিকোয়েস্ট অপশনে ক্লিক করে সেখান থেকে SRN নম্বরটি লিখে আবেদনটি অ্যাক্সেপ্ট করলেই গোটা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। এর মধ্যে দিয়ে আসলে যাঁর নাম এবং ঠিকানা আপনার আধার কার্ডে বসতে চাইছেন তাঁর কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হল।