Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • মেসেজ পেলেও ঢোকেনি যুবসাথীর টাকা? জানুন কী হবে এবার

    মেসেজ পেলেও ঢোকেনি যুবসাথীর টাকা? জানুন কী হবে এবার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বর্তমান সময়ে বাংলায় সবথেকে আলোচ্য বিষয় হল যুবসাথী স্কিম (Banglar Yuva Sathi)। এই স্কিমের আওতায় বহু যুবক যুবতী ইতিমধ্যে ১৫০০ টাকা করে পেয়ে গিয়েছেন। আর কিছু মানুষ অপেক্ষা করছেন টাকা আসার। কিছুজনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে দেওয়া ১৫০০ টাকা নিয়ে ধন্ধ শুরু হয়েছে। আদৌ তাঁরা টাকা পাবেন তো? প্রশ্ন উঠছে কারণ, অনেকে নানানভাবে মেসেজ পেয়েছেন যে তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রানজেকশন ফেল হয়েছে। ফলে অনেক আবেদনকারীই এখন অপেক্ষা করছেন টাকার। আপনিও কি অপেক্ষা করছেন? তাহলে বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    কবে মিলবে যুবসাথীর টাকা?

    ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের সময়ে রাজ্য সরকার যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার স্কিম এনে সকলকে চমকে দিয়েছিল, এবারেও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল। কয়েকদিনের মধ্যেই বাংলায় ভোটের দামামা বেজে যাবে। কিন্তু তার আগে রাজ্য বাজেটে বাংলার যুবকদের ১৫০০ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। আগে ১৫ আগস্ট থেলে থেকে এই টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও, পরে বলা হয় এপ্রিল মাস থেকে টাকা দেওয়া হবে। তারপর, নারী দিবসের প্রাক্কালে, ৭ মার্চ মমতা ঘোষণা করেন যে ডিবিটি সেই দিন থেকেই শুরু হবে। ঘোষণা অনুযায়ী, অনেকে পেয়েওছেন তো আবার অনেকে পাননি।

    রাজ্যের বহু কর্মপ্রার্থী যুবক-যুবতী সম্প্রতি ‘বাংলার যুবসাথী’ প্রকল্পের একটি মেসেজ পেয়েছেন। ইনফরমেশন এন্ড কালচারাল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্ট থেকে হোয়াটসঅ্যাপে এই মেসেজ আসার পর অনেকেই ভাবছেন যে তাদের অ্যাকাউন্টে খুব শীঘ্রই টাকা জমা পড়বে। কিন্তু টাকা আসছে কই? এখানে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, সে ব্যাঙ্ক হোক বা অন্য কোনও জিনিসে আবেদন, আবেদন করার পর আপনার কাছে স্বাগত বার্তা আসবেই। এর মানেই এই নয় যে আপনি তখনই টাকা পাবেন। সেটি মূলত একটি প্রাপ্তি স্বীকার বা রিসিভ কপি। সকলের কাছে যুবসাথীর যে মেসেজ গিয়েছে সেটার অর্থ হল সরকারি পোর্টালে আপনার আবেদনটি সফলভাবে জমা পড়েছে। কিন্তু এটিকে টাকা পাওয়ার চূড়ান্ত নিশ্চয়তা হিসেবে ধরে নিলে কিন্তু ভুল করবেন। আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যেদিন টাকা ঢুকবে, সেদিন সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে একটি কনফার্মেশন মেসেজ আসবে আপনার কাছে।

    আরও পড়ুনঃ এরা পাবেন না গ্যাস সিলিন্ডার! নয়া বিধি নিষেধ আরোপ কেন্দ্রের

    এদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুব সাথী প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের অভিযোগ পেয়েছেন, কনফার্মেশন মেসেজ পেয়েছেন কিন্তু এখনও তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাননি, তাদের অবিলম্বে অভিযোগের সমাধানের জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

    যুবসাথীর যোগ্যতা কী?

    এই অর্থ সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত প্রদান করা হবে। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী যে কেউ দশম শ্রেণী পাস হওয়া পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পুরুষ, মহিলা এবং তৃতীয় লিঙ্গ উভয়ই স্বাগত। তবে আপনি যদি ইতিমধ্যেই লক্ষ্মীর ভান্ডারের সুবিধাভোগী হন বা অন্যান্য কোনও প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণকারী হয়ে থাকেন তাহলে আপনি এই টাকা পাবেন না। শেষ হিসাব অনুযায়ী, ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ মার্চের মধ্যে ৮৪ লক্ষ মানুষ যুবসাথির জন্য নাম নথিভুক্ত করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন যে কমপক্ষে এক কোটি ইতিমধ্যেই নাম নথিভুক্ত করেছেন।

  • আজই বাংলা সহ ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা! বিকেলে বৈঠক কমিশনের

    আজই বাংলা সহ ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা! বিকেলে বৈঠক কমিশনের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সকল প্রতীক্ষার অবসান, আজ রবিবাসরীয় বিকেলে ঘোষণা হবে ৫ রাজ্যের ভোটের নির্ঘন্ট (Bengal Election 2026)। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আজ পশ্চিমবঙ্গ, আসাম সহ মোট ৫ রাজ্যের নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    আজ ৫ রাজ্যের ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে কমিশন!

    সূত্রের খবর, আজ বিকেল ৪টের সময়ে দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে একটি সাংবাদিক সম্মেলন ডাকা হয়েছে। সেখানেই ভারতীয় নির্বাচন কমিশন বাংলা, আসাম, কেরালা, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসাম বিধানসভার মেয়াদ ২০ মে, কেরালা ২৩ মে, তামিলনাড়ু ১০ মে, পশ্চিমবঙ্গ ৭ মে এবং পুদুচেরির ১৫ জুন শেষ হচ্ছে। এর অর্থ হল, পাঁচটি রাজ্যেরই নির্বাচন ৭ মে-এর আগেই শেষ হতে পারে। যদিও যতক্ষণ না নির্ঘন্ট প্রকাশ পাচ্ছে কিছু বলা সম্ভব নয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী উপস্থিত থাকবেন।

    বাংলায় কত দফায় ভোট?

    বর্তমান সময়ে একটি প্রশ্ন বারবার উঠছে, বিশেষ করে বাংলায় কত দফায় ভোট হতে পারে? সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশন এবার কম দফায় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা বিবেচনা করছে। তারিখ ঘোষণার সাথে সাথেই এই সমস্ত রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হবে। ২০২১ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটগ্রহণের দফার সংখ্যা কম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল, কিন্তু এবার সংখ্যা কমাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হবে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে, সুষ্ঠু ও হিংসামুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে খবর।

    সূত্রের খবর, বাংলায় ৩ দফায় ভোট হতে পারে। ২ দফায় দক্ষিণবঙ্গে এবং উত্তরবঙ্গে ১ দফায়। কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা, হুগলি, নদিয়ায় ভোট হতে পারে একসঙ্গে। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে একসঙ্গে ভোট হতে পারে। অন্যদিকে অশান্তি প্রবণ কিছু জেলা যেমন মুর্শিদাবাদ, মালদহ, বীরভূম, কোচবিহারে কড়া নজর থাকছে কমিশনের।

    আরও পড়ুনঃ এরা পাবেন না গ্যাস সিলিন্ডার! নয়া বিধি নিষেধ আরোপ কেন্দ্রের

    সম্প্রতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের একটি উচ্চ পর্যায়ের দল কলকাতা সফর করে গিয়েছে। এই সফরের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বাস্তবতা মূল্যায়ন করা। সফরকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সাথে নির্বাচন কমিশনার ডঃ সুখবীর সিং সান্ধু এবং ডঃ বিনীত যোশী ছিলেন।

     

  • দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ আরও সহজ, খুলল ফারাক্কা ব্রিজের একাংশ

    দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ আরও সহজ, খুলল ফারাক্কা ব্রিজের একাংশ

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সাধারণ মানুষের জন্য দারুণ সুখবর। বিশেষ করে আপনিও যদি সড়কপথে উত্তরবঙ্গে যাওয়ার প্ল্যান করে থাকেন তাহলে আপনার জন্য রইল আজকের এই প্রতিবেদনটি। অবশেষে চালু হল ফারাক্কা সেতু (Farakka Bridge)! এবার সহজেই চলাচল করতে পারবে বাইক, গাড়ি। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    অবশেষে চালু হল ফারাক্কা সেতু!

    আসলে খুব শীঘ্রই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুর্শিদাবাদের ৪ লেনের নতুন ফারাক্কা সেতু উদ্বোধন হতে চলেছে। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। যদিও তার আগেই একটি লেন অস্থায়ীভাবে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। আর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে বিদ্যুতের গতিতে ভাইরাল হয়েছে। সেই অস্থায়ী লেনটি দিয়ে শুধুমাত্র ছোট গাড়ি এবং বাইক চলাচল করবে।

    আরও পড়ুনঃ ১ এপ্রিল থেকেই বেড়ে যাচ্ছে বার্ষিক টোল পাসের দাম, কত খরচ হবে জানুন

    ফারাক্কা সেতু নিয়ে অপেক্ষা বাড়ছে দক্ষিণবঙ্গ থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের মানুষের। এই ব্রিজটি একবার চালু হয়ে গেলে পর্যটন থেকে শুরু করে দুই বঙ্গের মধ্যে ব্যবসা সহ আরও অনেক বিষয় নতুন মাত্রা পাবে। সবথেকে বড় কথা দুই জায়গার মধ্যে ভ্রমণের সময় এক ধাক্কায় অনেকটাই কমতে চলেছে বলে খবর। এখনও কাজ কিছুটা বাকি আছে বলে খবর। সূত্রের খবর, টানা তিন মাস নাকি কাজ বন্ধ ছিল বাজেটের সমস্যার জন্য।

    মে মাসে চালু হতে পারে?

    যাইহোক, এখন শোনা যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই জাতীয় সড়কের ওপর যানজটের সমস্যা মিটতে চলেছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলের শেষে কিংবা মে মাসের শুরুর দিকে ফারাক্কা সেতুর উদ্বোধন হতে পারে বলে খবর। এর ফলে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ভালো হবে।

     

  • বোরখা পরা মহিলাদের জন্য বাংলায় ‘বিহার মডেল’! মুখ দেখিয়েই দিতে হবে ভোট

    বোরখা পরা মহিলাদের জন্য বাংলায় ‘বিহার মডেল’! মুখ দেখিয়েই দিতে হবে ভোট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) সময় যে ক্রমেই ঘনিয়ে আসছে সেটা বেশ বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু বিধানসভা ভোট কবে? কত দফায় হবে নির্বাচন? কবে ভোট ঘোষণা? ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে এখনও সেই প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায়নি। ঠিক এই আবহেই রাজ্যে ভোটের ইস্যুতে মুসলিম মহিলাদের ভোটদানের ক্ষেত্রে আরও কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)। অনুসরণ করা হবে বিহারের রীতি।

    বোরখা পরা মহিলাদের জন্য বিশেষ নির্দেশ

    সূত্রের খবর, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে এবার বিহার মডেলের বেশ কিছু নিয়ম চালু করতে উদ্যোগী হয়েছে নির্বাচন কমিশন। তার মধ্যে অন্যতম হল আলাদা কাউন্টার নীতি। বিহারে প্রতিটি বুথে একটি আলাদা কাউন্টার রাখা হয়। কোনও মহিলা যদি মুখ ঢেকে ভোট দিতে আসেন বা বোরখা পরে আসেন তাহলে তাঁকে ‘কাউন্টার’-এ গিয়ে নিজের মুখ পরিচয়পত্র ও মুখের পর্দা খুলে দেখালে তবেই ভোট দেওয়ার ছাড়পত্র মিলবে। যদিও এই সিদ্ধান্ত সংখ্যালঘুদের কাছে আদৌ গ্রহণযোগ্য হবে কি না তা-ও চিন্তাভাবনার মধ্যে রাখছে কমিশন। অন্যদিকে আবার বিচারাধীন থাকা কোনও ব্যক্তি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মনোনয়ন দাখিল করতে পারবেন না বলে সাফ জানাল কমিশন।

    মনোনয়ন দাখিল নিয়ে সমস্যা

    ইতিমধ্যেই বিচারাধীন তালিকার বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত বিচারবিভাগের আধিকারিকরা। চূড়ান্ত তালিকার আংশিক প্রকাশের পরে ধাপে ধাপে আরও তালিকা প্রকাশের কথা। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত পর্যন্ত প্রায় ১৫ লক্ষের সমাধান হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই তালিকা আগামী সপ্তাহের শেষে প্রকাশ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। যদিও সেই নিয়ে আতঙ্কিত ভোটে দাঁড়াতে ইচ্ছুক বিচারাধীন প্রার্থীরা। কারণ সেই তালিকা প্রকাশ হলে তাঁরা মনোনয়ন দাখিল করতে পারবেন কি না তা চূড়ান্ত হবে। সবটাই গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বিচারকরা। যদি বিচারকদের বিচারে কেউ বাতিল হয় তাহলে তাঁকে ট্রাইবুনালে আবেদন করতে হবে। কিন্তু কবে সেটি গঠন হবে তা অনিশ্চিত।

    আরও পড়ুন: দেশে ৩০% বাড়ল LPG-র উৎপাদন, কমবে গ্যাসের ক্রাইসিস

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বয়স্ক ভোটারদের পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষমদের ক্ষেত্রে বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে বলে খবর কমিশনের তরফে। পাশাপাশি তাঁদের জন্য ভোটকেন্দ্রগুলি বিল্ডিংয়ের নীচের তলায় রাখা হবে। এছাড়াও তাঁদের সুবিধার্থে বিশেষ হুইল চেয়ার থাকবে। এবং সেগুলো চালানোর জন্য ভলান্টিয়ার থাকবে। এবং ভোটকেন্দ্রের প্রত্যেক বুথে পানীয় জলের রাখার পাশাপাশি ভোটার সহায়তা কেন্দ্র থাকবে।

  • পোর্টালে সমস্যায় আপডেট করা যাচ্ছে না সার্ভিস বুক, কর্মীদের নয়া নির্দেশ রাজ্য সরকারের

    পোর্টালে সমস্যায় আপডেট করা যাচ্ছে না সার্ভিস বুক, কর্মীদের নয়া নির্দেশ রাজ্য সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ চলতি অর্থ বর্ষ যখন শেষ হওয়ার দোরগোড়ায়, তখন আচমকা বিপাকে পড়লেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা (Government Employees)। রাজ্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পোর্টাল খুলছে না। যখনই পোর্টাল খুলতে যাওয়া হচ্ছে তখনই হয় বলছে Service Unavailable নয়তো Error। এদিকে ইয়ার এন্ডের কাজ করতে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে সকলকে। রাজ্য সরকারের ডব্লিউবিআইএফএমএস (WBIFMS) পোর্টালে বিশেষ সমস্যা দেখা দিয়েছে।

    খুলছে না সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পোর্টাল

    সার্ভার সমস্যার কারণে এই পোর্টাল খুললেও আপডেট করা যাচ্ছে না eService Book। এদিকে অর্থবর্ষ শেষের দিকে এমন সমস্যার ফলে আটকে গিয়েছে অনলাইনে বহু কাজ। ফলে বেজায় উদ্বিগ্ন সরকারি কর্মীরা। থমকে রয়েছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সময়ের মধ্যে সেই কাজগুলি কীভাবে শেষ হবে তা নিয়ে এখন চিন্তিত সকলে। অর্থ বিভাগের তরফে ইতিমধ্যে কাজগুলির জন্য ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে। একদিকে সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার চাপ, অন্যদিকে পোর্টাল না খোলার সমস্যা। কীভাবে কী হবে তা ভেবে কুল কিনারা পাচ্ছেন না কেউ।

    বিপাকে সরকারি কর্মীরা

    সামনেই রয়েছে বিধানসভা ভোট। এদিকে মার্চ মাসটাই হল অর্থবর্ষের শেষ মাস। সব কাজ সময়ের মধ্যে করতে হবে। WBIFMS এই নির্দিষ্ট পোর্টালটি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সমস্ত আর্থিক এবং পরিষেবা-সম্পর্কিত কার্যক্রমের প্রাথমিক মাধ্যম। তবে, ওয়েবসাইটটি অ্যাক্সেস করা যাচ্ছে না কিছুতেই। ব্যবহারকারীরা বারবার তাদের স্ক্রিনে ‘503 পরিষেবা অনুপলব্ধ’ বা কখনও কখনও ‘404 Page is Unavailable’ এর মতো বার্তা স্ক্রিনে ভেসে উঠছে। এই চলমান সার্ভার অচলাবস্থার কারণে, সরকারি অফিসগুলির স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তবে WBIFMS এর পোর্টালে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, eService Book মডিউলের কাজ আপাতত রক্ষণাবেক্ষণ রয়েছে, যার জন্য ৭২ ঘণ্টা সময় লাগবে। কর্মীদের ৭২ ঘণ্টা পর নিজেদের কাজ শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    আসলে আগামী ২০ মার্চের মধ্য সরকারি কর্মীদের একটি বিশেষ কাজ করে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। রাজ্য অর্থ দফতরের তরফে জারি করা নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব সরকারি কর্মচারীর সার্ভিস বুক (Service Book) ডিজিটাল বা ই-সার্ভিস বুক হিসেবে তৈরি করতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ হানা দেবে কিউমুলোনিম্বাস মেঘ থেকে কালবৈশাখী! টানা ৬ দিন ভয়ঙ্কর দুর্যোগ বঙ্গে

    অর্থ দফতরের তরফে প্রকাশিত নতুন আদেশনামা 835-F(eGov) এবং ২৮/০২/২০২৬ অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চের মধ্যে সমস্ত সরকারি কর্মীর ই-সার্ভিস বুক তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে। প্রথমে সার্ভিস বুকের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বা কাস্টোডিয়ানরা মূল নথির পাতাগুলি স্ক্যান করে অনলাইনে আপলোড করবেন। এরপর কর্মচারীদের নিজেদের দায়িত্ব নিতে হবে। তাঁরা সেই স্ক্যান করা নথিগুলি দেখে অনলাইনে নিজেদের সমস্ত তথ্য সতর্কতার সঙ্গে এন্ট্রি করবেন।

     

  • শিয়ালদা ডিভিশনে ১৪ জোড়া লোকাল ট্রেনের ঘোষণা পূর্ব রেলের, দেখুন সময়সূচি

    শিয়ালদা ডিভিশনে ১৪ জোড়া লোকাল ট্রেনের ঘোষণা পূর্ব রেলের, দেখুন সময়সূচি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল যাত্রীদের জন্য সুখবর। এবার রেলের তরফে একটা বা দুটো নয়, ২৮টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিল পূর্ব রেল। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। আর এই ট্রেনগুলি চলবে শিয়ালদা বিভাগে (Sealdah local train)। জানা গিয়েছে, আগামী ১৬ মার্চ থেকে ২০ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত মোট ১৪ জোড়া বা ২৮টি স্পেশাল ট্রেন চলবে। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    ২৮টি বিশেষ ট্রেন চালানোর ঘোষণা রেলের

    জানা গিয়েছে, যেহেতু মতুয়া মেলা রয়েছে। সে কারণে বিপুল সমাগমের আশা করা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে কারোর যাতে মতুয়া মেলায় আসতে বা বাড়ি ফিরতে অসুবিধা না হয় সেজন্য পূর্ব রেলের তরফে শিয়ালদা ডিভিশনের বিভিন্ন রুটে বিশেষ লোকাল ট্রেন চালানো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ট্রেনগুলি ঠাকুরনগর থেকে গেদে, লালগোলা, ক্যানিং এবং নামখানা রুটের মধ্যে চলবে এবং যাত্রীদের সুবিধার্থে, এগুলি আপ এবং ডাউন উভয় লাইনের সমস্ত স্টেশনে থামবে।

    এক নজরে দেখুন ট্রেনের তালিকা

    ১৬.০৩.২০২৬

    সকাল ১১:২০ মিনিটে গেদে-ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া রানাঘাট-বনগাঁ।
    ভোর ৪:৫০ মিনিটে লালগোলা- ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া রানাঘাট-বনগাঁ ।
    সকাল ৬:৩৫ মিনিটে চলবে ক্যানিং- ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া বালিগঞ্জ-দমদম হয়ে।
    সকাল ৫টায় চলবে নামখানা ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া বালিগঞ্জ – দমদম হয়ে।

    ১৭.০৩.২০২৬ এবং ১৮.০৩.২০২৬ ২৬

    সকাল ১১:২০ মিনিটে গেদে-ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া রানাঘাট-বনগাঁ।
    ভোর ৪:৫০ মিনিটে লালগোলা- ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া রানাঘাট-বনগাঁ ।
    সকাল ৬:৩৫ মিনিটে চলবে ক্যানিং- ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া বালিগঞ্জ-দমদম হয়ে।
    সকাল ৫টায় চলবে নামখানা ঠাকুরনগর স্পেশাল ভায়া বালিগঞ্জ – দমদম হয়ে।

    এছাড়া ঠাকুরনগর থেকে ছেড়ে যাওয়া বিশেষ ট্রেনগুলি হল বিকেল ১৬:৩৫ নাগাদ ঠাকুরনগর–গেদে স্পেশাল ভায়া রানাঘাট – বনগাঁ, বকেল ১৫:৪৫ মিনিট নাগাদ ঠাকুরনগর-লালগোলা ভায়া রানাঘাট – বনগাঁ হয়ে চলবে, বিকেল ৫টার সময়ে ঠাকুরনগর-ক্যানিং ভায়া বালিগঞ্জ – দমদম হয়ে চলবে। এছাড়া বিকেল ১৬:০৫ মিনিটে ঠাকুরনগর–নামখানা স্পেশাল চলবে ভায়া বালিগঞ্জ – দমদম হয়ে।

    আরও পড়ুন: সত্যিই কি LPG সিলিন্ডার প্রতি ২৯১ টাকা কর নিচ্ছে রাজ্য সরকার? দেখুন হিসেব

    ১৯ এবং ২০ মার্চ ভোর ৪টে ৫০ মিনিটে লালগোলা-ঠাকুরনগর স্পেশাল, সকাল ৫টা নাগাদ নামখানা-ঠাকুরনগর স্পেশাল, দুপুর ৩টে ৪৫ মিনিটে ঠাকুরনগর-লালগোলা স্পেশাল এবং বিকেল ৪টে ০৫ মিনিটে মিলবে ঠাকুরনগর-নামখানা স্পেশাল ট্রেন।

  • হাওড়ার তিন রুটে ৩টি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা রেলের, রইল সময়সূচি

    হাওড়ার তিন রুটে ৩টি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা রেলের, রইল সময়সূচি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দোল বা হোলি মিটে যাওয়ার পরেই রেলের তরফে স্পেশাল ট্রেন চালানোর ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। এবারও যার ব্যতিক্রম ঘটল। আপনিও যদি ট্রেনে ভ্রমণ করতে পছন্দ করে থাকেন, বিশেষ করে হাওড়া ডিভিশন ভালো লাগে, তাহলে আপনার জন্য রইল সুখবর। আসলে হাওড়া রুটে এবার একটা বা দুটো নয়, একসঙ্গে তিনটি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা করেছে পূর্ব রেল (Howrah Special Train)। বিভিন্ন রুটে এই ট্রেন ছুটবে। সবথেকে বড় কথা, কনফার্ম সিটের জন্য ভাবনাচিন্তা করতে হবে না, কারণ এই ট্রেন পুরোপুরি অসংরক্ষিত। চলুন জেনে নেওয়া যাক পূর্ব রেল কোন কোন রুটে বিশেষ ট্রেন দিয়েছে।

    হাওড়া রুটে ৩টি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা রেলের

    পূর্ব রেলের তরফে ইতিমধ্যে তিনটি ট্রেনের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রেল ট্রেন নম্বর ০৩৫৪০/০৩৫৩৯ বরাকর-হাওরা-বরাকর স্পেশাল, ট্রেন নম্বর ০৩৫৪৪/০৩৫৪৩ দুর্গাপুর-হাওড়া-দুর্গাপুর এবং ০৩৫৪৬/০৩৫৪৫ সিউড়ি-হাওড়া-সিউড়ি স্পেশাল ট্রেন চালাবে। ইতিমধ্য এই ট্রেনগুলির সময়সূচী অবধি সামনে এসেছে।

    বরাকর-হাওড়া-বরাকর স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী

    আজ ১৩ মার্চ বরাকর-হাওড়া স্পেশাল রাত ২২:৫৫ মিনিটে বরাকর ছেড়ে যাবে এরপর ট্রেনটি পরের দিন অর্থাৎ ১৪ মার্চ ভোর ৪:২০ মিনিটে হাওড়া স্টেশনে ঢুকবে। ফিরতি পথে ট্রেনটি সেদিনই রাত ২০:৫০ মিনিটে হাওড়া থেকে ছেড়ে বরাকর ঢুকবে পরের দিন ১৫ মার্চ ভোর ৩:০০টে নাগাদ। যাত্রাপথে ট্রেনটি উভয়মুখেই কুলটি, সীতারাম্পুর, বরাচক, কালীপাহাড়ী, রাণীগঞ্জ, অন্ডাল এবং বর্ধমান স্টেশনে থামবে। এটি মেল/এক্সপ্রেস ক্যাটেগরির অসংরক্ষিত ট্রেন।

    দুর্গাপুর-হাওড়া-দুর্গাপুর স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী

    এই স্পেশাল ট্রেনটি দুর্গাপুর থেকে ১৪ মার্চ সকাল ৬টার সময় ছেড়ে যাবে এবং হাওড়া ঢুকবে সকাল ১০:৩০টা নাগাদ। এরপর ফিরতি পথে সেদিনই হাওড়া থেকে সন্ধে ১৯:১৫ মিনিটে ছেড়ে যাবে এবং দুর্গাপুর ঢুকবে রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ। এই স্পেশাল ট্রেনটি যাত্রাপথে বর্ধমান, মানকর স্টেশনে থামবে।

    আরও পড়ুনঃ হাওড়ার তিন রুটে ৩টি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা রেলের, রইল সময়সূচি 

    সিউড়ি-হাওড়া-সিউড়ি স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী

    এবার আসা যাক সিউড়ি-হাওড়া-সিউড়ি বিশেষ ট্রেন সম্পর্কে। রেল জানিয়েছে, সিউড়ি থেকে আজ রাত ২২:০০ নাগাদ ট্রেনটি ছেড়ে পরের দিন ১৪ মার্চ ভোর ৪:৫০ মিনিটে হাওড়া ঢুকবে। এরপর ফিরতি পথে ট্রেনটি হাওড়া থেকে সন্ধে ৭টা নাগাদ ছেড়ে যাবে এবং সিউড়ি ঢুকবে ১৫ মার্চ ভোর ৩:৩০ মিনিট নাগাদ। যাত্রাপথে বিশেষ ট্রেনটি কচুজোড়, চিনপাই, দুবরাজপুর, পাঁচরা, ভীমগড়া, পান্ডবেশ্বর এবং উখড়া স্টেশনেও থামবে বলে খবর।

  • আগামী রবিবার ফের বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু, কতক্ষণ? জানাল কলকাতা পুলিশ

    আগামী রবিবার ফের বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু, কতক্ষণ? জানাল কলকাতা পুলিশ

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: শিয়রে রয়েছে বিধানসভা ভোট। কিন্তু তার আগে ফের একবার দুর্ভোগের শিকার হতে চলেছেন সাধারণ মানুষ। আসলে আবারও একবার বিদ্যাসাগর সেতু (Vidyasagar Setu) বন্ধ থাকতে চলেছে। আগামী রবিবার সেতুটি বন্ধ থাকবে বলে খবর। এর ফলে নতুন করে সাধারণ মানুষের ব্যাপক হয়রানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। আপনিও কি রোজ এই সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াত করেন? তাহলে আপনার জন্য রইল আজকের খবরটি।

    ফের বন্ধ থাকবে বিদ্যাসাগর সেতু

    বিদ্যাসাগর সেতু প্রসঙ্গে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশ। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১৫ মার্চ, রবিবার রক্ষনাবেক্ষণের জন্য বিদ্যাসাগর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোর ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা অর্থাৎ টানা ১২ ঘন্টা বন্ধ থাকবে সেতুটি। সাধারণ মানুষকে বিকল্প রাস্তা দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে, সেতু বা এর অন্য কোনো পথ দিয়ে কোনও যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না।  হেস্টিংস ক্রসিং হয়ে এজেসি বোস রোড, কেপি রোড এবং সিজিআর রোড সহ বিকল্প রুট দিয়ে যানবাহন চলাচল করানো হবে। হাওড়া এবং স্ট্র্যান্ড রোডের দিকে যাওয়া যানবাহনগুলিকে নির্ধারিত ডাইভারশন অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কেন বন্ধ রাখা হবে?

    প্রশ্ন উঠছে, ফের কেন সেতুটি বন্ধ রাখা হবে?  পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সেতুর স্টে কেবল, হোল্ডিং ডাউন কেবল এবং বেয়ারিং বদলের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত কাজ করা হবে। সেই কারণেই এই সময়ের মধ্যে সেতু এবং তার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত র‌্যাম্প দিয়ে কোনও যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। গত ২০২৩ সাল থেকে কাজ চলছে ব্রিজের। তবে এখনো অবধি সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। এদিকে সামনেই বিধানসভা ভোট রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, আর কতদিন লাগবে কাজ শেষ হতে? উত্তর জানা নেই কারোর।

    আরও পড়ুনঃ ঠাকুরনগর থেকে এক ট্রেনে নৈনিতাল! স্পেশাল ট্রেন দিল রেল, জানুন রুট ও সময়সূচি

    বিকল্প রুট কী?

    পুলিশ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আলিপুর থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর দিকে আসা যানবাহনগুলিকে হেস্টিংস ক্রসিংয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে এবং তারপরে স্ট্র্যান্ড রোড ধরে আরও উত্তরে হাওড়া সেতুর দিকে যেতে নির্দেশ দেওয়া হবে। ডাইভারশন পরিকল্পনা অনুসারে, খিদিরপুর  রোড থেকে সেতুর দিকে যাওয়া যানবাহনগুলিকে ১১ ফার্লং গেট থেকে হেস্টিংস ক্রসিংয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে এবং তারপর স্ট্র্যান্ড রোড ধরে হাওড়া ব্রিজের দিকে যেতে হবে। এছাড়াও সার্কুলার গার্ডেন রিচ রোড ধরে সেতুর দিকে যাওয়া ছোট এবং ভারী যানবাহনগুলি হেস্টিংস ক্রসিং থেকে সেন্ট জর্জেস গেট রোড এবং স্ট্র্যান্ড রোডের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে।

  • ঠাকুরনগর থেকে এক ট্রেনে নৈনিতাল! স্পেশাল ট্রেন দিল রেল, জানুন রুট ও সময়সূচি

    ঠাকুরনগর থেকে এক ট্রেনে নৈনিতাল! স্পেশাল ট্রেন দিল রেল, জানুন রুট ও সময়সূচি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এক ট্রেনেই পৌঁছে যাওয়া যাবে উত্তরাখণ্ডের নৈনিতাল (Nainital)। হ্যাঁ, উত্তর 24 পরগনার শিয়ালদহ বনগাঁ শাখার গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ঠাকুরনগর (Thakurnagar) থেকে সরাসরি চালু হচ্ছে ঠাকুরনগর-কাঠগোদাম এক্সপ্রেস (Indian Railways)। এই বিশেষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঠাকুরনগর স্টেশন থেকে ছেড়ে উত্তরাখণ্ডের কাঠগোদাম স্টেশনে পৌঁছবে। এক কথায়, এক ট্রেনে চেপেই ভিন রাজ্যে পৌঁছতে পারবেন উত্তর 24 পরগনার যাত্রীরা। কিন্তু কবে কবে চলবে এই ট্রেন?

    কবে কবে চলবে ঠাকুরনগর-কাঠগোদাম এক্সপ্রেস?

    প্রতিবছরই উত্তর 24 পরগনার ঠাকুরনগরে অনুষ্ঠিত হয় মতুয়া ধর্ম মহা মেলা। মূলত মতুয়া সম্প্রদায়ভক্ত মানুষের পুণ্যস্নান এবং হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মোৎসব উপলক্ষেই প্রত্যেক বছর আয়োজন করা হয় এই মহা মেলার। ঠাকুরনগরের ঠাকুর বাড়িতে নিশান উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে শুভ উদ্বোধন হয় এই মেলার। গত বছর থেকে সেই মেলা উপলক্ষেই ঠাকুরনগর থেকে কাঠগোদাম পর্যন্ত একটি বিশেষ এক্সপ্রেস ট্রেন চালাচ্ছে পূর্ব রেলওয়ে।

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এবছর 17 মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে মতুয়া মহা মেলা। আর সেই মেলা উপলক্ষেই এ বছরও এই বিশেষ ট্রেনটি চালাবে পূর্ব রেল। জানা যাচ্ছে, মতুয়া উৎসব উপলক্ষ্যে শুধুমাত্র একদিনই চলবে এই ট্রেন। আগামী 15 মার্চ সকাল দশটায় প্রথম এই এক্সপ্রেস ট্রেনটি কাঠগোদাম থেকে রওনা দিয়ে 16 মার্চ রাতে ঠাকুরনগরে এসে পৌঁছবে। এরপর অনুষ্ঠান-পর্ব মিটিয়ে আবার সেই ট্রেন 18 মার্চ সকাল 10 টা বেজে 20 মিনিটে ঠাকুরনগর স্টেশন থেকে ছেড়ে 19 মার্চ রাতে কাঠগোদাম পৌঁছবে।

    অবশ্যই পড়ুন: যুদ্ধের কারণে বাতিল হচ্ছে IPL? জানিয়ে দিলেন BCCI-র সহ সভাপতি

    বলাই বাহুল্য, ঠাকুরনগর থেকে কাঠগোদাম পর্যন্ত দীর্ঘ যাত্রাপথে ঠাকুরনগর স্টেশন থেকে ছেড়ে দমদম, নৈহাটি, ব্যান্ডেল, বর্ধমান, রামপুরহাট, মালদা, কাটিহার, গোরখপুর, বারেলি, লালকুয়া হয়ে সোজা কাঠগোদাম পৌঁছবে এই স্পেশাল ট্রেনটি। মতুয়া উৎসব উপলক্ষ্যে চালানো এই ট্রেনের দৌলতে আখেরে উপকৃত হবেন বনগাঁ, বারাসাত, নৈহাটি অঞ্চলের মানুষজন। সূত্রের যা খবর, আর পাঁচটা এক্সপ্রেস ট্রেনের মতোই সমান ভাড়া গুনতে হবে এই ট্রেনেও।

  • ৫টি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য নয়া উন্নয়ন পর্ষদ গঠনের ঘোষণা নবান্নের

    ৫টি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য নয়া উন্নয়ন পর্ষদ গঠনের ঘোষণা নবান্নের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে বেশ তর্ক বিতর্ক হয়েই চলেছে, এখনও কাটেনি SIR এর জট। কিছুদিন আগে ধর্মতলায় SIR এর প্রতিবাদে রীতিমত পাঁচ দিনের জন্য ধরনা মঞ্চে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যা নিয়ে বিরোধীরা কম কটাক্ষ করেনি। আর এবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় ঘোষণা করলেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জানা গিয়েছে, দলিত, আদিবাসী তথা পিছিয়ে থাকা সম্প্রদায়ের উন্নতির জন্য সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন বোর্ড গঠন করতে চলেছে রাজ্য সরকার।

    বড় ঘোষণা মমতার

    আজ অর্থাৎ শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, “ আমি আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি মুন্ডা(এসটি), কোরা (এসটি), ডোম (এসসি), কুম্ভকার (ওবিসি), সদগোপদের (ওবিসি) জন্য শীঘ্রই পাঁচটি নতুন উন্নয়ন পর্ষদ গঠন করতে চলেছে আমাদের সরকার। এই সম্প্রদায়গুলি বাংলার প্রাণবন্ত কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁদের সকলকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন। এই বোর্ডগুলি উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও চাকরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাঁদের অনন্য ভাষা ও ঐতিহ্য রক্ষা করবে।

    পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য পাঁচটি বোর্ড গঠন

    সূত্রের খবর, এই নয়া নির্মিত পাঁচটি বোর্ডের মূল লক্ষ্য হবে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলির নিজস্ব ভাষা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করা। পাশাপাশি, তাদের শিক্ষা, উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সুনিশ্চিত করা। এর ফলে একদিকে যেমন তাদের প্রথাগত অধিকার সুরক্ষিত থাকবে ঠিক তেমনই আবার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই নির্দেশে বেশ খুশি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়গুলি। যদিও রাজনৈতিক মহলের মতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপগুলো আসলে সবই ভোট পাওয়ার টোপ। আর এক্ষেত্রে তাই টার্গেট করা হয়েছে ST, SC, OBC সম্প্রদায়কে।

    আরও পড়ুন: ব্যবসায়ীদের স্বার্থে বড় ঘোষণা মমতার

    প্রসঙ্গত, গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের ব্যবসায়ীদের স্বার্থে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড’ গঠন করেছে। যেখানে সরকার এবং ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে সমন্বয় যেমন বাড়বে ঠিক তেমনই বাজার, পাইকারি ব্যবসা, খুচরো বাণিজ্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ ও সমস্যার বিষয় সংক্রান্ত সমস্যা দূর হবে।