Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ২৬-এর বিধানসভা ভোটের মুখে বিরাট মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অবশেষে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় সরকারি কর্মীদের ২০০৯ রোপা অনুযায়ী বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) টাকা মেটানোর ঘোষণা করেছে। চলতি মার্চ মাস থেকেই এই টাকা রিলিজ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাভাবিকভাবেই সরকারের এহেন ঘোষণায় খুশি কর্মীরা। তবে এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কত টাকা পাবেন? চলুন সে বিষয়ে বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ২৫% বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা

    গতকাল রবিবার বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই ২৫% বকেয়া ডিএ মেটানোর ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের তরফে এই বকেয়া মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারকে। অবশ্য দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর এই ঘোষণা সামনে এল। এখন যাইহোক, আজ আলোচনা হবে গ্রুপ এ থেকে শুরু করে গ্রুপ ডি কর্মীরা হাতে কত টাকা পাবেন সে বিষয়ে। রাজ্য় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের রোপা 2009 অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা ও মহার্ঘ ত্রাণ দেওয়া হবে।

    কে কত টাকা পাবেন?

    এক হিসেব অনুযায়ী, ২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতার (DA) হিসেবে অনুযায়ী, রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-ডি কর্মী হাতে পাবেন ১ থেকে দেড় লক্ষ টাকা পাবেন। অপরদিকে রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-সি কর্মী হাতে পাবেন ২ লক্ষ টাকা। রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-এ কর্মী হাতে পাবেন ৩ থেকে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা। একজন সর্বনিম্ন বেতনভুগ গ্রুপ-ডি কর্মী পাবেন প্রায় ৪ লক্ষ টাকার বেশি। এছাড়া একজন গ্রুপ-সি কর্মী পাবেন প্রায় ৬ লক্ষ টাকার বেশি। এই বকেয়া ডিএর আওতায় মাসে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা পেনশন প্রাপক গ্রুপ-ডি কর্মী পাবেন প্রায় ১ লক্ষ টাকা। সেইসঙ্গে ১০,০০০ টাকা পেনশন পাওয়া অবসরপাওয়া গ্রুপ-সি কর্মী পাবেন প্রায় ২ লক্ষ টাকা।

    আরও পড়ুনঃ ৭০ কিমি বেগে কালবৈশাখী, দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় ভারী বৃষ্টি, আজকের আবহাওয়া

    বিশেষ পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান যে তাঁর “মা-মাটি-মানুষ” সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। তিনি বলেন যে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অ-শিক্ষক কর্মী এবং পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো অনুদান-সহায়তা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরাও উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে , রোপা ২০০৯ আইনের অধীনে কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা ও মহার্ঘ্য ত্রাণ প্রদান ২০২৬ সালের মার্চ মাসে শুরু হবে। তিনি আরও বলেন যে, রাজ্যের অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিস্তারিত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • বিজেপি কর্মী বোঝাই ট্রেনে ছোঁড়া হল পাথর, ভাঙল একাধিক জানলার কাঁচ! চাঞ্চল্য শিলিগুড়িতে

    বিজেপি কর্মী বোঝাই ট্রেনে ছোঁড়া হল পাথর, ভাঙল একাধিক জানলার কাঁচ! চাঞ্চল্য শিলিগুড়িতে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election)। ইতিমধ্যেই সময়সূচি ঘোষণা হয়েছে নির্বাচনের। তার আগে গতকাল কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসভা ছিল। আর সেখানে উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে গোটা দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিজেপি সমর্থকরা ভিড় জমিয়েছিল। সেই সূত্রে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে (Siliguri) বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ফিরছিল একটি ট্রেন। আর সেই ট্রেনকে লক্ষ্য করেই পাথর ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।

    হঠাৎ করে ট্রেনে পাথর বৃষ্টি

    জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিয়ে উত্তরবঙ্গের কর্মী সমর্থকরা ওই ট্রেনে করে শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। আর সেই সময় হঠাৎ করে ট্রেনটিকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, এই ঘটনাটি ঘটে শিলিগুড়ির পুর নিগমের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কয়লাডিপো এলাকায়। বিজেপি অভিযোগ করছে, কলকাতায় প্রধানমন্ত্রীর সভাশেষ হওয়ার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এমনকি এতে ট্রেনের কয়েকটি জানালার কাঁচ ভেঙে যায় আর যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই আতঙ্কে সিট থেকে সরে যান।

    এদিকে এই ঘটনায় বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত দুষ্কৃতীরায় পরিকল্পনা করে তাদের উপর এই হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, বিজেপির কর্মীরা যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে না পারে, সেই উদ্দেশ্যেই আক্রমণ করা হয়েছে। তবে অন্যদিকে তৃণমূল তাদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। শাসকদলের দাবি, বিজেপি রাজনৈতিকভাবে বিষয়টিকে দেখাতে চাইছে। স্থানীয় কিছু বাসিন্দাদের বক্তব্য, ট্রেন থেকে কয়েকজন বিজেপি কর্মী উস্কানিমূলক আচরণ করেছিলেন এবং অশালীন অঙ্গভঙ্গিও করেন। তাতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    আরও পড়ুন: দুই দফায় নির্বাচন বাংলায়, কোন জেলায় কবে ভোটগ্রহণ? দেখুন তালিকা

    এদিকে স্থানীয়রা আরও দাবি করে, ঘটনার পর দুই পক্ষের মধ্যে পাথর ছোঁড়াছুড়ি হয়। আর এতে ট্রেনের বেশ কয়েকটি জানালার কাঁচও ভেঙে যায়। আর এই ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু সেরকম কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

  • মার্চে বকেয়া DA-র কত শতাংশ পাবেন সরকারি কর্মীরা? জানুন

    মার্চে বকেয়া DA-র কত শতাংশ পাবেন সরকারি কর্মীরা? জানুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: অবশেষে মিটল অপেক্ষা (WB DA Latest Update)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে নিয়েই রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। রবিবার দুপুরেই নিজের X হ্যান্ডেলে সে কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার পরই একদিকে বকেয়া DA বা মহার্ঘ ভাতা পাবেন জেনে উচ্ছ্বসিত সরকারি কর্মী এবং অবসরপ্রাপ্তরা। অন্যদিকে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার ঠিক কত শতাংশ মার্চ মাসে দেওয়া হবে তা নিয়ে চিন্তিত অনেকেই। এবার সে বিষয়েই মুখ খুললেন রাজ্যের DA মামলাকারি মলয় মুখোপাধ্যায়।

    মার্চ মাসেই দেওয়া হবে বকেয়া DA

    আজ দুপুরে নিজের X হ্যান্ডেল থেকে একটি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “আমি আনন্দের সাথে ঘোষনা করছি যে, আমাদের মা মাটি মানুষের সরকার সমস্ত সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখলো। আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী, সেই সাথে পঞ্চায়েত এবং পৌর সংস্থা ও অন্যান্য সংস্থার কর্মীদেরও কথা রেখেছে আমাদের সরকার। রাজ্য সরকারের অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ROPA 2009 হিসেবে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন তাঁরা। এই অর্থ মার্চ মাস থেকে অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে।”

    মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পরই এক ভিডিও বার্তায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন রাজ্যের DA মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায়। সেই সাথে রাজ্য সরকারের তরফে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার ঘোষণার নেপথ্যে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভারমেন্ট এমপ্লয়িজের দীর্ঘ আন্দোলন এবং লড়াইকে স্মরণ করিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা প্রাপকদের অভিনন্দনও জানিয়েছেন মলয় বাবু। সেই সাথে প্রথম মাস অর্থাৎ মার্চ মাসে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার কত শতাংশ দেওয়া হবে তা নিয়েও কথা বলেন তিনি।

    মার্চ মাসে বকেয়া DA র কত শতাংশ দেবে রাজ্য সরকার?

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার পরই বকেয়া DA নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাজ্যের DA মামলাকারি মলয় বাবু জানান, “সুপ্রিম কোর্টের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA র অন্তত 25 শতাংশ এখনই মিটিয়ে দিতে হবে। বাকি বকেয়ার প্রথম কিস্তি কতটা দিতে পারবে 6 মার্চের মধ্যে কমিটির কাছে সেই পরিমাণ জানাতে হবে রাজ্য সরকারকে। এখন রাজ্য সরকার ঠিক কতটা বলেছে সেটা আমরা জানি না। অর্থাৎ 25 শতাংশের সাথে প্রথম কিস্তি যেটাই হোক সেটা যদি 10 শতাংশ হয় তবে 35 শতাংশ যদি 25 শতাংশ হয় তবে 50 শতাংশ বকেয়া ভাতা দেওয়া হবে মার্চ মাসের 31 তারিখের মধ্যে। এক কথায় বলা যেতে পারে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো প্রথম 25 শতাংশ বকেয়া মহার্ঘ ভাতার সাথে সরকার প্রদত্ত প্রথম কিস্তির DA যুক্ত হয়ে মোট রাশি চলতি মাস শেষ হওয়ার আগেই হাতে পাবেন সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তরা।

    অবশ্যই পড়ুন: মিনিটে কাটা যাবে ১ লাখ ২৫ হাজার টিকিট, তৎকাল বুকিং নিয়েও ভোগান্তি দূর করছে রেল

    উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের তরফে নির্দেশ সত্ত্বেও এতদিন রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে কোনও ঘোষণা আসছিল না রাজ্য সরকারের তরফে। যার কারণে ক্রমশ ক্ষোভ বাড়ছিল রাজ্যের কর্মীদের। এ নিয়ে গত শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দেয় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। যদিও সেই ধর্মঘট সফল হয়নি। আর তার একদিন পর অর্থাৎ রবিবার দুপুরেই বকেয়া ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে সরকারি কর্মীদের মুখে হাসি ফোটালেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • দুই দফায় নির্বাচন বাংলায়, কোন জেলায় কবে ভোটগ্রহণ? দেখুন তালিকা

    দুই দফায় নির্বাচন বাংলায়, কোন জেলায় কবে ভোটগ্রহণ? দেখুন তালিকা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ভোট ঘোষণা হল আজ। এবার বাংলায় দুই দফায় নির্বাচন (West Bengal Election) হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। যার মধ্যে প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল মোট ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে, আর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে ১৪২টি আসনে। সেই সূত্রে এবার মোট ২৯৪টি আসনে ভোট হবে বাংলায়। তবে কোন জেলায় কবে ভোটগ্রহণ হবে? জেনে নিন।

    প্রথম দফায় যে যে জেলায় ভোট হবে

    নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে যেমনটা জানানো হয়েছে, এবার প্রথম দফায় পশ্চিমবঙ্গের মোট ১৬টি জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। সেক্ষেত্রে আগেই বলেছি মোট আসন রয়েছে ১৫২টি। তবে প্রথম দফার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৬ এপ্রিল আর মনোনয়ন স্ক্রুটিনি হবে ৭ এপ্রিল, এবং প্রথম দফার মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিন ৯ এপ্রিল ২০২৬। প্রথম দফায় যে যে জেলায় যে যে আসনে ভোট হবে সেগুলি হল—

    ১) দার্জিলিং এবং কালিম্পং-এ ৬টি আসন: কালিম্পং, কার্শিয়াং, দার্জিলিং, ফাঁসিদেওয়া, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি।

    ২) কোচবিহারে ৯টি আসন: কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, তুফানগঞ্জ, দিনহাটা, নাটাবাড়ি, মাথাভাঙা, মেখলিগঞ্জ, শীতলকুচি, সিতাই।

    ৩) আলিপুরদুয়ারে ৫টি আসন: আলিপুরদুয়ার, কালচিনি, কুমারগ্রাম, ফালাকাটা, মাদারিহাট।

    ৪) জলপাইগুড়িতে ৭টি আসন: ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, ধূপগুড়ি, নাগরাকাটা, পশ্চিম জলপাইগুড়ি, ফুলবাড়ি, ময়নাগুড়ি, মাল, রাজগঞ্জ।

    ৫) উত্তর দিনাজপুরে ৯টি আসন: ইটাহার, ইসলামপুর, করণদিঘি, কালিয়াগঞ্জ, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, চোপড়া, রায়গঞ্জ, হেমতাবাদ।

    ৬) দক্ষিণ দিনাজপুরে ৬টি আসন: কুমারগঞ্জ, কুশমন্ডি, গঙ্গারামপুর, তপন, বালুরঘাট, হরিরামপুর।

    ৭) মালদহে ১২টি আসন: ইংরেজবাজার, মালদহ, গাজোল, চাঁচল, বৈষ্ণবনগর, মানিকচক, মালতীপুর, মোথাবাড়ি, রতুয়া, সুজাপুর, হরিশ্চন্দ্রপুর, হবিবপুর।

    ৮) মুর্শিদাবাদে ২২টি আসন: কান্দি, খড়গ্রাম, জলঙ্গি, জঙ্গিপুর, ডোমকল, তরেজিনগর, নওদা, নবগ্রাম, বড়ঞা, বহরমপুর, বেলডাঙা, ভগবানগোলা, ভরতপুর, মুর্শিদাবাদ, রঘুনাথগঞ্জ, রানিনগর, রেজিনগর, লালগোলা, সাগরদিঘি, সামশেরগঞ্জ, সুতি, হরিহরপাড়া, ফরাক্কা।

    ৯) পূর্ব মেদিনীপুরে ১৬টি আসন: তমলুক, এগরা, কাঁথি উত্তর, কাঁথি দক্ষিণ, খেজুরি, চণ্ডীপুর, তন্দকুমার, নন্দীগ্রাম, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম, পটাশপুর, ভগবানপুর, মহিষাদল, ময়না, রামনগর, হলদিয়া।

    ১০) পশ্চিম বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামে ১৯টি আসন: গড়বেতা, ঘাটাল, গোপীবল্লভপুর, চন্দ্রকোনা, ঝাড়গ্রাম, ডেবরা, দাঁতন, দাসপুর, নয়াগ্রাম, নারায়ণগড়, পিংলা, বিনপুর, মেদিনীপুর, খড়গপুর সদর, কেশপুর, কেশিয়ারি, শালবনি, সবং।

    ১১) পুরুলিয়ায় ৯টি আসন: কাশীপুর, জয়পুর, পাড়া, পুরুলিয়া, বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুন্ডি, মানবাজার, রঘুনাথপুর।

    ১২) বাঁকুড়ায় ১২টি আসন: ইন্দাস, ওন্দা, কোতুলপুর, ছাতনা, তালড্যাংরা, বড়জোড়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, রাইপুর, রানিবাঁধ, শালতোড়া, সোনামুখী।

    ১৩) পশ্চিম বর্ধমানে ৯টি আসন: আসানসোল উত্তর, আসানসোল দক্ষিণ, কুলটি, দুর্গাপুর পশ্চিম, দুর্গাপুর পূর্ব, পাণ্ডবেশ্বর, বারাবনি, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া।

    ১৪) বীরভূমে ১১টি আসন: দুবরাজপুর, নানুর, নলহাটি, বোলপুর, ময়ূরেশ্বর, মুরারই, লাভপুর, রামপুরহাট, শিউড়ি, সাঁইথিয়া, হাঁসন।

    আরও পড়ুন: বাংলায় কবে ভোটগ্রহণ, গণনা এবং কত দফায় ভোট? জানাল নির্বাচন কমিশন

    দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে কোন কোন জেলায়?

    নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে যেমনটা জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল ৭টি জেলায় ভোট হবে। আর এই দফায় মোট আসনের সংখ্যা ১৪২টি। দ্বিতীয় দফায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৯ এপ্রিল এবং মনোনয়ন স্ক্রুটিনি হবে ১০ এপ্রিল, এবং আর মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিন ১৩ এপ্রিল ২০২৬। এই দিন যে যে জেলায় ভোট হবে সেগুলি হল—

    ১) নদীয়ায় ১৭টি আসন: কল্যাণী, কালীগঞ্জ, করিমপুর, কৃষ্ণগঞ্জ, কৃষ্ণনগর উত্তর, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, চাকদহ, চাপড়া, তেহট্ট, নাকাশিপাড়া, নবদ্বীপ, পলাশিপাড়া, রানাঘাট উত্তর-পূর্ব, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম, রানাঘাট দক্ষিণ, শান্তিপুর, হরিণঘাটা।

    ২) উত্তর ২৪ পরগনায় ৩৩টি আসন: অশোকনগর, আমডাঙা, কামারহাটি, কুলতলি, খড়দহ, গাইঘাটা, জগদ্দল, টিটাগড়, দমদম, দমদম উত্তর, দেগঙ্গা, নৈহাটি, নোয়াপাড়া, পানিহাটি, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, বরানগর, বারাকপুর, বারাসাত, বাদুড়িয়া, বাসন্তী, বাগদা, বিজপুর, বিধাননগর, ভাটপাড়া, মধ্যমগ্রাম, মিনাখাঁ, রাজারহাট গোপালপুর, রাজারহাট-নিউটাউন, সন্দেশখালি, স্বরূপনগর, হাবড়া, হাড়োয়া।

    ৩) দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩১টি আসন: কাকদ্বীপ, কসবা, ক্যানিং পূর্ব, ক্যানিং পশ্চিম, কুলতলি, কুলপি, গোসাবা, জয়নগর, ডায়মন্ড হারবার, টালিগঞ্জ, পাথরপ্রতিমা, ফলতা, ভাঙড়, বারুইপুর পূর্ব, বারুইপুর পশ্চিম, বাসন্তী, বিষ্ণুপুর, বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম, বজবজ, মগরাহাট পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম, মন্দিরবাজার, মহেশতলা, মেটিয়াবুরুজ, যাদবপুর, রাইদিঘি, সাগর, সাতগাছিয়া, সোনারপুর উত্তর, সোনারপুর দক্ষিণ।

    ৪) কলকাতায় ১১টি আসন: এন্টালি, কাশীপুর-বেলগাছিয়া, কলকাতা বন্দর, চৗরঙ্গী, জোড়াসাঁকো, ভবানীপুর, বালিগঞ্জ, বেলেঘাটা, মানিকতলা, রাসবিহারী, শ্যামপুকুর।

    ৫) হাওড়ায় ১৬টি আসন: আমতা, উদয়নারায়ণপুর, উলুবেড়িয়া উত্তর, উলুবেড়িয়া দক্ষিণ, জগৎবল্লভপুর, ডোমজুড়, পাঁচলা, বাগনান, বালি, শিবপুর, শ্যামপুর, সাঁকরাইল, হাওড়া উত্তর, হাওড়া দক্ষিণ, হাওড়া মধ্য।

    ৬) হুগলিতে ১৮টি আসন: আরামবাগ, উত্তরপাড়া, ওল্ড মালদা, কসবা, খানাকুল, গোঘাট, চন্দননগর, চণ্ডীতলা, চুঁচুড়া, চাঁপদানি, জাঙ্গিপাড়া, তারকেশ্বর, ধনেখালি, পাণ্ডুয়া, পুরশুড়া, বলাগড়, সপ্তগ্রাম, সিঙ্গুর, শ্রীরামপুর, হরিপাল।

    ৭) পূর্ব বর্ধমানে ১৬টি আসন: আউশগ্রাম, কালনা, কাটোয়া, কেতুগ্রাম, খণ্ডঘোষ, গলসি, জামালপুর, পূর্বস্থলী উত্তর, পূর্বস্থলী দক্ষিণ, বর্ধমান উত্তর, বর্ধমান দক্ষিণ, ভাতার, মঙ্গলকোট, মন্তেশ্বর, মেমারি, রায়না।

  • বাংলায় কবে ভোটগ্রহণ, গণনা এবং কত দফায় ভোট? জানাল নির্বাচন কমিশন

    বাংলায় কবে ভোটগ্রহণ, গণনা এবং কত দফায় ভোট? জানাল নির্বাচন কমিশন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ পশ্চিমবঙ্গের ভোট ঘোষণা (Elections in West Bengal)। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিল, এবার পাঁচটি ভোটমুখী রাজ্যে মোট ১৭ কোটি ৫০ লক্ষ ভোটারের ভোট হবে, এবং ২৫ লক্ষের বেশি কমিশনের আধিকারিক থাকবে। তবে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৭ মে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারির রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলায় এখনো এখন ভোটারের সংখ্যা ৬.৪৪ কোটি। কবে হবে বাংলায় নির্বাচন আর গণনা কবে হবে? কী বলল নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার?

    বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ

    নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, পশ্চিমবঙ্গে এবার মোট দুই দফায় ভোট হবে আর এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। পাশাপাশি ভোট গণনা হবে ৪ মে। এদিকে এও জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে মোট ২৯৪টি আসনে ভোট হবে। আর দুই দফার মধ্যে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোট হবে, আর দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল ১৪২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    অন্যদিকে অসমে ১২৬টি কেন্দ্রে ভোট হবে এক দফায়, যেখানে ৯ এপ্রিল ভোট হবে আর ৪ মে গণনা করা হবে। কেরলে ১৪০টি কেন্দ্রে এক দফায় ভোট হবে, যেখানে ৯ এপ্রিল ভোট হবে আর ৪ মে গণনা হবে। পুদুচেরিতে ৯ এপ্রিল এক দফায় ভোট হবে আর সেখানে গণনা হবে ৪ মে। তামিলনাড়ুতে ২৩ এপ্রিল ২৩৪টি কেন্দ্রে ভোট হবে আর গণনা হবে ৪ মে।

    কোন রাজ্যে কত ভোটার?

    প্রসঙ্গত, এবার পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর কোন রাজ্য কত ভোটার তাও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই সূত্রে বাংলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ, অসমে ভোটার ২ কোটি ৫০ লক্ষ, কেরলে মোট ২ কোটি ৭০ লক্ষ, পুদুচেরিতে ৯ কোটি ৪৪ লক্ষ এবং তামিলনাড়ুতে ৫ কোটি ৬৭ লক্ষ। মোট ভোটারের সংখ্যা ১৭ কোটি ৫০ লক্ষ।

    এদিকে কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলায় ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সের নতুন ভোটার রয়েছে আনুমানিক ৫ লক্ষ ২৩ হাজার। আর ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ।

    আরও পড়ুন: মিসাইল ছুঁড়লেই শেষ! ভয়েই হরমুজ পেরোতে পারল না বাংলাদেশের জাহাজ

    ভোটের সময় থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা

    নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এবার স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভোট দেওয়ার সময় প্রতিটি বুথেই পানীয় জলের যথাযথ ব্যবস্থা, টয়লেট, হুইল চেয়ারের বন্দোবস্ত করা হবে যাতে কারোর কোনও রকম অসুবিধা না হয়। এমনকি প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে বলে জানানো হয়েছে। আর স্পেশাল বেঞ্চ থাকবে বসার জন্য। আর ভোটদানের ব্যবস্থা গ্রাউন্ড ফ্লোরেই হবে। পাশাপাশি যাতায়াতের ব্যবস্থাও করা হবে। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বুথের মধ্যে কোনও ভাবেই মোবাইল নিয়ে ঢোকা যাবে না। বুথের বাইরে মোবাইল রেখেই ঢুকতে হবে। ভোট দিয়ে মোবাইল সংগ্রহ করে ভোটারদের ফিরে যেতে হবে। আর বুথের বাইরে মোবাইল রাখার ব্যবস্থা করা হবে।

  • ভোটের আগেই কল্পতরু মমতা, কর্মীদের বকেয়া DA দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ভোটের আগেই কল্পতরু মমতা, কর্মীদের বকেয়া DA দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভোট ঘোষণার আগেই একেবারে কল্পতরু হয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। হ্যাঁ, এবার সরকারি কর্মচারীদের মুখে হাসি ফোটালো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটের আগেই বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) দেবে রাজ্য সরকার। নিজেই এ কথা জানালেন মমতা। সেই অনুযায়ী, চলতি মার্চ মাসেই কর্মীদের অ্যাকাউন্টে এই বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু হবে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    ভোটের আগে ডিএ দেবে রাজ্য

    বলে দিই, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে আইনি জটিলতা। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যকে সরকারি কর্মীদের ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। তবে সেই রায়কেই চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যায়। আর সেখানে অবিলম্বে ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। কিন্তু সেই সময়সীমার মধ্যে কোনও রকম ডিএ মেটাতে পারেনি রাজ্য। সেই কারণে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও অতিরিক্ত ৬ মাস সময় চেয়েছিল নবান্ন। এই সময়সীমা শেষ হয়েছিল ২০২৫ এর সেপ্টেম্বর মাসে। এমনকি তখনো ডিএ মেটাতে ব্যর্থ হয় বাংলা।

    এদিকে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে, যে করে হোক রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মেটাতেই হবে। আর আদালত ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর জন্য মে মাস পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয় এবং বলা হয় যে, দুই দফায় এই ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। কিন্তু প্রথম কিস্তি অবশ্যই ৩১ মার্চের মধ্যে প্রদান করতে হবে। আর এবার ভোটের আগে সেই কথাই রাখল রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর ভাতা বাড়ল পুরোহিত ও ইমামদের! এবার কত?

    এদিকে বকেয়া ডিএ দেওয়ার জন্য ৩ লক্ষ ১৭ হাজারের বেশি কর্মচারীর নথি খতিয়ে দেখতে হবে রাজ্যের অর্থ দফতরকে এমনটাই খবর। আর ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত যাদের তথ্য ডিজিটাল নেই তাদেরকে আবার নতুন করে সেই তালিকায় নথিভুক্ত করতে হবে। আর সেগুলো ডিজিটাইজ করতে সময় লাগছে বলেই জানিয়েছে রাজ্য। তবে তার আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা করলেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের মা মাটি মানুষ সরকার তাঁদের সকল কর্মচারী আর পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ দেবে। যার মধ্যে শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী রয়েছে। ২০১৬ সালের মার্চ মাস থেকে তাদের রোপা ২০০৯-এর বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এই মাসেই ঢোকা শুরু হবে।

  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর ভাতা বাড়ল পুরোহিত ও ইমামদের! এবার কত?

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর ভাতা বাড়ল পুরোহিত ও ইমামদের! এবার কত?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজই বাংলায় ভোট ঘোষণা। আগামী মাসেই হতে পারে বিধানসভা নির্বাচন। তবে ভোটের আগেই কল্পতরু হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বিরাট ঘোষণা করলেন। অন্তর্বর্তী বাজেটে রাজ্যের মহিলাদের লক্ষীর ভাণ্ডারের ভাতা এমনিতেই ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এবার আরও এক ভাতা বাড়াল শাসকদল। হ্যাঁ, পুরোহিত এবং ইমাম মোয়াজ্জেমদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা নিজেই এ কথা জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    বাড়ল পুরোহিত এবং ইমামদের ভাতা

    এক্স হ্যান্ডেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের পুরোহিত এবং মোয়াজ্জেমদের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা করে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আজ যাদের সেবায় আমাদের সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক জীবন সমৃদ্ধ থাকে, তাঁদের জন্য এই ঘোষণা। তাঁরা এখন থেকে প্রতিমাসে ১৫০০ টাকার বদলে ২০০০ টাকা করে ভাতা পাবেন।” এমনকি একই সঙ্গে পুরোহিত আর ইমাম মোয়াজ্জেমদের পক্ষ থেকে যথাযথভাবে দাখিলকৃত সমস্ত নতুন আবেদন রাজ্য সরকারের দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে শীঘ্রই আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

    শুধু এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। মমতা জানান, “এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে আমরা গর্বিত যেখানে প্রতিটি সম্প্রদায় আর প্রতিটি ঐতিহ্য সমানভাবে মর্যাদা ও শক্তি লাভ করে। আমাদের সমৃদ্ধি, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের ধারক আর বাহকরা যাতে তাদের প্রাপ্য সম্মান আর স্বীকৃতিটুকু পায়, সেই সেই দিকেই আমরা এগোতে চাইছি। আমরা চাই, প্রতিটি সম্প্রদায় সমানভাবে এগিয়ে যাক। আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের ধারকদের প্রাপক স্বীকৃতি দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

  • রাজ্যে শীঘ্রই আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

    রাজ্যে শীঘ্রই আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে বিরাট নিয়োগের ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। তিনি জানালেন, খুব শীঘ্রই রাজ্যে আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে (West Bengal Teacher Recruitment)। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার তেঘরিয়ায় এক সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। সূত্রের খবর, এদিন তেঘরিয়া শিক্ষানিকেতন নিকেতন হাইস্কুলে একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। আর ওই স্কুলটিকে বাংলা মাধ্যম থেকে উন্নীত করে সরকারি কো-এড ইংরেজি এবং বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয় হিসেবে চালু করার সূচনা হয়েছিল ওই অনুষ্ঠানে। সেখানেই বড়সড় ঘোষণা করেন তিনি।

    রাজ্যে অতিরিক্ত ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা

    এদিন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগে নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল তা কাটিয়ে ওঠার জন্য দ্রুত ২৬ হাজার অনিশ্চয়তার মুখে থাজা প্রার্থীর চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন, শুধুমাত্র ২৬ হাজার প্রার্থীর সমস্যা সমাধানে আমরা থেমে থাকব না, বরং এর পাশাপাশি আরও দ্রুত ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়েও এদিন কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, স্কুলের মিড ডে মিল প্রকল্প আর উন্নয়নমূলক বিভিন্ন খাতে কেন্দ্র সরকার রাজ্যকে দিনের পর দিন বঞ্চিত করে আসছে। সেই সঙ্গে তিনি বিজেপিকেও নিশানা করেন।

    শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের মাতৃভাষা বাংলা। আর এটি আমাদের শিকড়ের ভাষা। তাই বাংলাকে ভালোভাবে শেখার উপরেই জোর দিতে হবে। পাশাপাশি ইংরেজি আর হিন্দি ভাষাকেও সমান ভাবে গুরুত্ব দিয়ে শেখা দরকার। কারণ, বাইরের রাজ্যে গেলে হিন্দি তো দরকারই। আর দেশের বাইরে গেলে ইংরেজি ছাড়া চলাই যাবে না। এদিকে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি স্কুলগুলিতে ইংরেজি শিক্ষার প্রসার বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছিলেন বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    প্রসঙ্গত, উত্তর ২৪ পরগনার বাগুইআটি অঞ্চলে অবস্থিত তেঘরিয়া শিক্ষানিকেতন স্কুলটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আর দীর্ঘদিনের পুরনো এই বিদ্যালয় থেকে এবার সরকারি উদ্যোগে ইংরেজি আর বাংলা দুই মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক আর পরিচালন কমিটির আবেদনের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমনকি উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দমদমের সাংসদ সৌগত রায়, অদিতি মুন্সি, বিধানসভা ও পৌরসভার প্রতিনিধিরা এবং স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালন কমিটির সদস্যরা। এখন দেখার, এই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া ঠিক কবে সম্পন্ন হয়।

  • আলুর দাম নিয়ে বড় ঘোষণা নবান্নের, চিন্তা দূর হবে চাষিদের?

    আলুর দাম নিয়ে বড় ঘোষণা নবান্নের, চিন্তা দূর হবে চাষিদের?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে আলু নিয়ে বিপাকে বাংলার চাষিরা (Farmer)। এবারে ফলন হলেও বাজারে আলুর সঠিক দাম (Potato Price) মিলছে না, যা স্বাভাবিকভাবেই মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে চাষিদের। আলু আতঙ্কে বর্ধমানের এক চাষি আত্মহত্যা অবধি করেছে। এহেন পরিস্থিতিতে বড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    আলু চাষিদের জন্য বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    কুইন্টাল পিছু ৯৫০ টাকা দরে আলু কেনার কথা ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। শনিবার চাষিদের স্বার্থে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ‘আলুর অভাবী বিক্রি রোধ করতে এবং আলু চাষিদের জন্য লাভজনক দাম নিশ্চিত করতে আমরা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অন্যান্য বারের মতো এবারেও আলু সংগ্রহ প্রকল্প চালু রেখেছে। আলুর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে কুইন্টাল পিছু ৯৫০ টাকা করা হয়েছে।’

    তিনি টুইটারে লেখেন, ‘আমাদের সমবায় দফতরের হিমঘর সহ রাজ্যের প্রায় সমস্ত হিমঘর এই প্রকল্পে অংশ নিচ্ছে। রাজ্যের হিমঘরে ছোট আলু চাষিদের জন্য ৩০ শতাংশ জায়গা সংরক্ষিত আছে। আন্তঃরাজ্যে বাণিজ্যে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। রাজ্যের মানুষকে বঞ্চিত না করে অন্য রাজ্যে আলু রপ্তানি করতে চাইলে রাজ্য সরকার কৃষকদের স্বার্থে তাতে কোনও বাধা দেবে না। বরং আলুর ক্ষেত্রে আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যে রাজ্যের উৎসাহই আছে।’

    কী অবস্থা রাজ্যের আলু চাষিদের ?

    সূত্রের খবর, ‘গত বছর, রাজ্যে ১১০ লক্ষ টন আলু উৎপাদন হয়েছিল। ফসল তোলার সময় কৃষকরা পর্যাপ্ত দাম পাননি, এবং ব্যবসায়ীরা, যারা হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করেছিলেন, তারা মরসুমের শেষে তাদের উৎপাদিত পণ্য অনেক কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন – প্রায় ₹ ২ কেজি। এই বছর, উৎপাদন অনেক বেশি, এবং ফলস্বরূপ, সমস্যাটি আরও বড়।’

    আরও পড়ুনঃ ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, “রাজ্যের চাহিদা প্রায় ৬০ লক্ষ টন। বাকিটা আগে বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং আসামের মতো রাজ্যে পাঠানো হত। কিন্তু ২০১৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বাংলা সরকার অন্যান্য রাজ্যে আলু বিক্রির উপর বারবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায়, প্রতিবেশী রাজ্যগুলি আর বাংলার আলুর উপর নির্ভরশীল নয়, যার ফলে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ নিয়ে শঙ্কিত।” হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় প্রায় ১৫ লক্ষ আলু চাষী রয়েছে। তাঁদের সমস্যা শীঘ্রই দূর করতে বদ্ধপরিকর সরকার বলে খবর।

  • সিভিক, হোমগার্ডদের ইউনিফর্ম স্টিচিং ভাতা দেবে নবান্ন

    সিভিক, হোমগার্ডদের ইউনিফর্ম স্টিচিং ভাতা দেবে নবান্ন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যে কোনও মুহূর্তে বাংলায় বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে। এরই মাঝে বাংলায় কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের জন্য রইল সুখবর। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Government of West Bengal) তরফে সকলের জন্য বিশেষ তোড়জোড় শুরু করা হয়েছে। মিলবে টাকা। আপনিও যদি সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ড হয়ে থাকেন তাহলে বিশদে জেনে নেবেন।

    সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের জন্য বিরাট সুখবর

    আসলে এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকার সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের ‘ইউনিফর্ম স্টিচিং অ্যালাওয়েন্স’ দিতে উদ্যত হয়েছে। ভোটের মুখে ইউনিফর্ম সেলাইয়ের টাকা পাবেন ১ লক্ষ ৪০ হাজার সিভিক ভলান্টিয়ার এবং হোমগার্ড। মূলত পশ্চিমবঙ্গ এবং কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার এবং হোমগার্ডরা এই সুবিধা পাবেন বলে সূত্রের খবর। এই নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ কিছু তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। সেইসঙ্গে হিসেব নিয়েও কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকার বলে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে।

    এমনিতে বছরে দুটি ইউনিফর্ম তৈরির বর্তমানে বছরে দু’টি ইউনিফর্ম তৈরির জন্য নির্দিষ্ট রঙের কাপড় দিয়ে দেওয়া হয় সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের। কিন্তু সরকারের তরফে পাঠানো সেই কাপড় সেলাইয়ের টাকা দেওয়া হত না। টাকা বরাদ্দ করত না সরকার। তবে এবার ছবি বদলে গিয়েছে।

    আর্জি অর্থ দফতরে

    শোনা যাচ্ছে, এবার থেকে অর্থ দফতরকে এর জন্য অর্থ বরাদ্দের আর্জি জানানো হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ এবং কলকাতা পুলিশের প্রস্তাবের উপর ভিত্তি করেই অর্থ দফতরের কাছে ছাড়পত্র চেয়েছে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতর। এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কত টাকা পাবেন এবং কতজনই বা টাকা পাবেন? সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি ইউনিফর্ম সেলাই বাবদ ৫০০ টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। আর কলকাতা পুলিশ প্রস্তাব দিয়েছে ৩০০ টাকার। এদিকে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে জিএসটি সহ ৫২০ টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর। এখন রাজ্যের অর্থ দফতর সবুজ পতাকা দেখালেই কাজ শুরু হয়ে যাবে। মিলবে টাকা।

    আরও পড়ুনঃ এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও? 

    নবান্ন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এলাকায় রয়েছেন ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৭১৪ জন সিভিক ভলান্টিয়ার। অন্যদিকে কলকাতা পুলিশ এলাকায় প্রায় ৭৫০০ জন। পশ্চিমবঙ্গ ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে হোমগার্ডের সংখ্যা ১০,৫০০। এছাড়াও মহিলা হোমগার্ডের সংখ্যা ১৫৩৭। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই সংখ্যক মানুষ টাকা পাবেন।