Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • বেলডাঙা কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের বড় ধাক্কা! বহাল থাকল হাইকোর্টের নির্দেশ

    বেলডাঙা কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের বড় ধাক্কা! বহাল থাকল হাইকোর্টের নির্দেশ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026), দুই দফাতেই হতে চলেছে নির্বাচন। এদিকে রাজ্যের অন্দরে হিংসা ক্রমেই বাড়ছে। ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল বেলডাঙা হিংসাকাণ্ড (Beldanga Incident)। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ফের বেলডাঙা কাণ্ডে রাজ্যকে ধাক্কা খেতে হল। নথি হস্তান্তর করা নিয়ে আর্জি খারিজ করে দেওয়া হল। হাইকোর্টের রায়ে কোনও হস্তক্ষেপ করল না শীর্ষ আদালত। NIA-এর নথি হস্তান্তর নিয়ে হাইকোর্ট যা নির্দেশ দিয়েছিল সেটাই আপাতত বহাল রাখা হল।

    বেলডাঙা হিংসা মামলায় ধাক্কা খেল রাজ্য

    বেলডাঙা হিংসা মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার ঘটনায় রাজ্য পুলিশের হাতে যে ডকুমেন্ট বা তথ্য রয়েছে, সেই সবগুলো NIA-কে হস্তান্তর করতে হবে। কিন্তু সেই নির্দেশ মানতে নারাজ হাইকোর্ট। তাই বাধ্য হয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যায়। সেখানে রাজ্য অভিযোগ জানায় তাদের বক্তব্য পুরো না শুনেই কলকাতা হাইকোর্টের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু লাভের ল কিছুই হল না। ফের সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। NIA-এর নথি হস্তান্তর নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশকেই মান্যতা দিল শীর্ষ আদালত।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসে ঝাড়খণ্ডে আলাউদ্দিন শেখ নামে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। পরে জানা যায়, আলাউদ্দিনকে খুন করা হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ ঝাড়খণ্ডে গিয়ে সেখানকার পুলিশের তথ্যপ্রমাণ দেখে এসেছিল। এদিকে বেলডাঙায় এর জেরে অশান্ত ছিল বেশ কয়েকদিন। স্টেশন সংলগ্ন রেলগেটে ভাঙচুর চালানো হয়েছিল সেই সময়। রেলের সিগন্যালও ভেঙে ফেলা হয়েছিল। ব্যাহত হয়েছিল রেল পরিষেবা। সড়কপথেও যান চলাচল ব্যাহত হয়েছিল। মারধর করা হয়েছিল সাংবাদিকদেরও। এরপর মামলা ওঠে হাইকোর্টে। সেই সময় আদালত বলেছিল, কেন্দ্র যদি মনে করে, তাহলে বেলডাঙার হিংসা নিয়ে NIA তদন্ত হতে পারে। সেই মতো তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। কিন্তু সেই তদন্ত ঠেকাতেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য।

    আরও পড়ুন: ২৪-র লোকসভা ভোট হিংসায় যুক্ত পুলিশ অফিসারদের তালিকা তলব, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

    NIA-কে বেলডাঙার কেস ডায়েরি হস্তান্তর করার জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্দেশ দিয়েছিল বিশেষ আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবং সমস্ত তদন্ত প্রক্রিয়ার ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে ফের সেই মামলা দেয় কলকাতা হাইকোর্টে। আর সেই মামলাতেই রাজ্য সরকারের আপত্তি খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।

  • DA নিয়ে রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র? নয়া লড়াই শুরুর ঘোষণা ভাস্কর ঘোষের

    DA নিয়ে রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র? নয়া লড়াই শুরুর ঘোষণা ভাস্কর ঘোষের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ফের একবার আলোচনায় উঠে এল বাংলার ডিএ মামলা (Bengal DA Case)। অবশ্য এবারে সরকারের সিদ্ধান্তে খুশি চাকুরীজীবী থেকে শুরু করে সরকারি পেনশন প্রাপকরা। এর কারণ, চলতি মার্চ মাসেই ২০০৯ রোপা আইন মেনে ২৫% বকেয়া DA মেটানোর ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরই সঙ্গে রাজ্য বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে এই সিদ্ধান্তকে সরকারের বিরাট মাস্টারস্ট্রোক হিসেবে দেখছে বিশিষ্ট মহল। তবে অপরদিকে অন্য কথা বললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ (Bhaskar Ghosh)। তিনি জানালেন, লড়াই শেষ হয়নি, বরং নতুন করে শুরু হল। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন।

    ডিএ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি ভাস্কর ঘোষের

    ভাস্কর ঘোষ জানান, ‘সবার আগে, আমি বলতে চাই যে এটি মানুষের জন্য একটি বড় জয়। কর্মচারীরা সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতৃত্বে শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা উপেক্ষা করে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে গিয়েছেন। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হই, লড়াই যদি সঠিক পথে পরিচালিত হয়, লক্ষ্য স্থির রাখি, তাহলে স্বৈরাচারীনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেও তাঁকে মাথা নত করতে হয়। অরাজনৈতিক সিস্টেমের কাছেই মাথানত করতে হয়। আমরা কুল গোত্রহীন। আমাদের শতাব্দীর ইতিহাস নেই। কিন্তু যা আমাদের আছে, তা হল যৌবনের তারণ্য এবং প্রবল তেজ। আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকার এক কাটমানি সিন্ডিকেটের যে জাল বিস্তার করে রেখেছিল তাকে মাথা নত করতে হল।

    রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র?

    ডিএ নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন ভাস্কর ঘোষ। তিনি জানান, ‘আমরা যেন এই আনন্দের মুহূর্তে ভেসে না যাই। এর ষড়যন্ত্রটা বুঝুন। তিনি যদি স্বদিচ্ছায় সব মেনে নিতেন তাহলে আর মডিফিকেশন অ্যাপ্লিকেশন বা M.A. দায়ের করতে যেতেন না। তিনি বলেছিল এটি সাব-জুডিসের বিষয়। আজ চাপ পড়েছে বলে সাব-জুডিস উঠে গিয়েছে। তিনি কী বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টে M.A. দায়ের করে যে শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তাদেরই এটা ডিএ দেওয়া হবে। কিন্তু এখন তিনি বলছেন এটা সবাই পাবে। আজ, সবাই এটি পাবে। সুপ্রিম কোর্ট কী বলেছি? পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কর্মচারীরা সবাই এটি পাবে। তিনি কী বললেন? পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মচারীরা ডিএ পাবেন। তাঁকে খারিজ করতে হল। নিজে যে থুতু ফেলেছিলেন সেটা চাটতে হল তাঁকে।’

    আরও পড়ুনঃ ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    ভাস্কর ঘোষ জানান, ‘আমরা বলেছিলাম মুখ্যমন্ত্রীকে আমরা আন্দোলন শেখাবো। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে সেই মুখ্যমন্ত্রীকে কিন্তু আন্দোলন শেখানোই শুধু নয়, আন্দোলনের কাছে কীভাবে মাথানত করতে হয় সেটাও শেখালাম। কিন্তু এরই মাঝে অর্থ দফতর থেকে একটি খবর এসেছে। সরকার একটি ষড়যন্ত্র করছে। তাঁরা জিওটাকে এখন বের করবেন না। তাঁরা বলবেন যেহেতু ভোট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে তাই জিও দেওয়া যাবে না।’

  • ২৪-র লোকসভা ভোট হিংসায় যুক্ত পুলিশ অফিসারদের তালিকা তলব, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

    ২৪-র লোকসভা ভোট হিংসায় যুক্ত পুলিশ অফিসারদের তালিকা তলব, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: অবশেষে ২৬ এর বিধানসভা (West Bengal Election 2026) নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় অনুষ্ঠিত হবে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। আর তার কয়েক ঘণ্টার পরেই প্রশাসনিক রদবদলের ইঙ্গিত দিল কমিশন। শুধু তাই নয়, ২০২৪-এর ভোট হিংসায় যুক্ত ‘দাগি’ পুলিশ কর্তাদের তালিকা (Police Officers List) পাঠানোর নির্দেশ দিল কমিশন।

    সময়সীমা বেঁধে দিল কমিশন

    রিপোর্ট মোতাবেক, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরেই একাধিক এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠে এসেছিল। একাধিক এলাকায় দলীয় কর্মীদের খুন হতে হয়েছিল। এমনকি ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের পরেও ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। তৃণমূলের তরফে বিজেপির দিকে আঙুল যেমন তোলা হয়েছিল, ঠিক তেমনই বিজেপিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিল। এমতাবস্থায় জানা গিয়েছে, সমস্ত হিংসাকবলিত এলাকায় থাকা থানাগুলিতে সেইসময় কারা ওসি ছিলেন তাঁদের তালিকা রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে চাইল নির্বাচন কমিশন। এর জন্য বেঁধে দেওয়া হল সময়সীমা। আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই রিপোর্ট দিতে হবে।

    ডিজিপি, সিপি বদল কমিশনের

    রবিবার রাতেই রাজ্যের ডিজিপি, সিপি বদল করার নির্দেশ পাঠানো হয় নির্বাচন কমিশনের তরফে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পীযুস পাণ্ডের পরিবর্তে রাজ্যের নতুন ডিজি হলেন সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। তিনি ১৯৯২ ব্যাচের আইপিএস। অন্যদিকে সিপি হলেন অজয় নন্দ, তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ছিলেন এবং এডিজি আইন শৃঙ্খাল হলেন অজয় রানাডে, তিনি ১৯৯৫ ব্যাচের আইপিএস। কারা দফতরের ডিজি হয়েছেন এন রমেশ বাবু। উল্লেখ্য, ভোট পর্বে কখনও কারা প্রশাসন, কারা দফতর বদল করতে পদক্ষেপ করেনি নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এবার সেই পদক্ষেপ নিল কমিশন। অনুমান করা হচ্ছে বেশ কয়েকদিন ধরে অভিযোগ উঠে এসেছে যে ভোট এলেই নাকি জেল থেকে অনেক অপরাধীকে ছেড়ে দেওয়া হয়, আর তাই সেই কারণে এই উদ্যোগ।

    আরও পড়ুন: নন্দিনী চক্রবর্তীর জায়গায় রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, চিনে নিন এই আমলাকে

    তবে শুধু পুলিশ অধি কর্তাদের অদল বদল নয়, রবিবার রাতে সাড়ে বারোটার পর বদলি করে দেওয়া হল রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে। নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে ১৯৯৩ ব্যাচের আইএএস দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে মুখ্যসচিব নিয়োগ করা হয়েছে। অন্যদিকে জগদীশ প্রসাদ মীনার পরিবর্তে ১৯৯৭ ব্যাচের আইএএস সংঘমিত্রা ঘোষকে স্বরাষ্ট্রসচিব পদে বসানো হচ্ছে। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ নন্দিনী চক্রবর্তী ও জগদীশ প্রসাদ মীনাকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত কোনও পদেও বসানো যাবে না।

  • শিয়ালদার তিন রুটে EMU পরিষেবা সম্প্রসারণ, যাত্রীদের স্বার্থে বড় উদ্যোগ রেলের

    শিয়ালদার তিন রুটে EMU পরিষেবা সম্প্রসারণ, যাত্রীদের স্বার্থে বড় উদ্যোগ রেলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শিয়ালদহ (Sealdah) ডিভিশনের যাত্রীদের বিরাট সুখবর দিল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। জানা যাচ্ছে, শিয়ালদহ-বনগাঁ, শিয়ালদহ-ক্যানিং এবং শিয়ালদহ-ডায়মন্ড হারবার রুটে EMU লোকাল পরিষেবা সম্প্রসারণ করল রেল। এর দৌলতে এবার থেকে আর যাত্রীদের মাঝপথে নেমে দ্বিতীয় ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। এক কথায়, বিভিন্ন লোকালগুলির গন্তব্য বাড়াচ্ছে রেল।

    কষ্ট কমবে যাত্রীদের

    রেল সূত্রে খবর, যাত্রীদের সমস্যা কিছুটা কমাতে আগামী 23 মার্চ থেকে 23 মে পর্যন্ত শিয়ালদহ শাখার বনগাঁ, ক্যানিং এবং ডায়মন্ড হারবার রুটে EMU পরিষেবা দীর্ঘায়িত করছে রেল। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ভারতীয় রেলের এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য মিড জার্নি ইন্টারঅ্যাপশনস বা যাত্রার মাঝপথে ট্রেন থেকে নেমে যাওয়ার সমস্যা কমানো। অর্থাৎ এবার থেকে ট্রেনগুলি তাদের চূড়ান্ত টার্মিনাল পর্যন্ত চলবে। এর ফলে শিয়ালদহ শাখার লাখ লাখ যাত্রী নিরাপদে এবং কোনও রকম দুশ্চিন্তা ছাড়াই নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন।

    জানা যাচ্ছে, বনগাঁ শাখায় যাত্রীদের সমস্যা কমাতে দত্তপুকুর এবং গোবরডাঙ্গা লোকালের গন্তব্য পথ সম্প্রসারণ করছে রেল। রেল সূত্রে, ট্রেন নম্বর 33617 শিয়ালদহ-দত্তপুকুর লোকাল এবার থেকে দত্তপুকুর পর্যন্ত যাওয়ার বদলে সরাসরি বনগাঁ পর্যন্ত চলবে। পরবর্তীতে সেই ট্রেন আবার বনগাঁ থেকে শিয়ালদহ পৌঁছবে। এছাড়াও রাতের ট্রেন 33685 শিয়ালদহ-গোবরডাঙ্গা এবং 33271 দমদম-গোবরডাঙ্গা লোকাল এবার থেকে সরাসরি বনগাঁ স্টেশনে পৌঁছবে। পরবর্তীতে সেখান থেকেই ছেড়ে নিজ গন্তব্যে পৌঁছবে ট্রেন দুটি।

    অবশ্যই পড়ুন: ইডেনে বাড়ল IPL টিকিটের দাম, KKR র ম্যাচ দেখতে কোন ব্লকে কত খরচ?

    এদিকে ক্যানিং এবং ডায়মন্ড হারবার শাখায় যাত্রীদের দুশ্চিন্তা কমাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। ক্যানিং রুটে ট্রেন নম্বর 34392 এবং 30552 চাম্পাহাটি এবং ঘুটিয়ারি যাওয়ার বদলে একেবারে ক্যানিং পর্যন্ত চলবে। পরবর্তীতে সেই ট্রেন আবার ক্যানিং থেকে ছেড়ে নিজ গন্তব্যে পৌঁছবে। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবারের যাত্রীদের জন্য ট্রেন নম্বর 34898 শিয়ালদহ-মগরাহাট এর দূরত্ব বাড়িয়ে ট্রেনটিকে ডায়মন্ড হারবার পর্যন্ত চালানো হবে। সেই ট্রেন আবার ডায়মন্ড হারবার থেকে ছেড়ে নিজে গন্তব্য শিয়ালদহ পৌঁছবে। অনেকেই মনে করছেন, রেলের এই উদ্যোগে উপকৃত হবেন নিত্যযাত্রীরা।

  • নন্দিনী চক্রবর্তীর জায়গায় রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, চিনে নিন এই আমলাকে

    নন্দিনী চক্রবর্তীর জায়গায় রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, চিনে নিন এই আমলাকে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিধানসভা ভোটের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হল। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুদফায় রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে। এদিকে দিনক্ষণ ঘোষণার প্রায় ছয় ঘণ্টার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)। রাজ্যের মুখ্য সচিবের পদ থেকে নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে তাঁর পরিবর্তে নিয়োগ করা হল প্রবীণ IAS অফিসার দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে (Dushyant Nariala)। চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক কে এই দুষ্মন্ত নারিয়ালা।

    নয়া দায়িত্ব গ্রহণের নির্দেশ কমিশনের

    রিপোর্ট মোতাবেক, নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব পদে দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে নিয়ে এসেছে কমিশন পাশাপাশি নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব করা হয়েছে সংঘমিত্রা ঘোষকে। আজ, সোমবার দুপুর ৩টের মধ্যে তাঁদের দায়িত্ব গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আসলে ভোট ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়ে গিয়েছে। এই সময় রাজ্য সরকারের আমলা, আধিকারিক, পুলিশকর্তাদের বদলির নির্দেশ দিতে পারে কমিশন। এবারেও তাই হয়েছে কিন্তু মুখ্যসচিব পরিবর্তন সাম্প্রতিক সময়ে বড় নজির গড়ে তুলেছে। যদিও এই নয়া মুখ্যসচিব এর আগে একাধিক দায়িত্ব সামলেছেন।

    কে এই দুষ্মন্ত নারিওয়ালা?

    জানা গিয়েছে, দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, ১৯৯৩ সালের ব্যাচের আইএএস আধিকারিক। আগে রাজ্য সরকারের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। সেই সময় উত্তরবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের কাজ তদারকি করতেন তিনি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে তিনি জিটিএ-র প্রধান সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। দার্জিলিং পাহাড় এবং সংলগ্ন এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং রাজ্য সরকার ও জিটিএ-র মধ্যে নীতিগত সমন্বয় রক্ষার দায়িত্ব তাঁর উপর ছিল। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের অগস্ট পর্যন্ত সামলেছেন বিপর্যয় মোকাবিলা এবং অসামরিক প্রতিরক্ষা দফতরের দায়িত্বও।

    আরও পড়ুন: মমতার ধরনা মঞ্চে ‘ভুয়ো সাধু’? ‘আমাদের কেউ না’ রামকৃষ্ণ মিশনের বিজ্ঞপ্তিতে নতুন বিতর্ক

    উল্লেখ্য, দুষ্মন্ত নারিওয়ালা কুরুক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক (বি.এসসি.) এবং আইন বিষয়ে স্নাতক (এলএল.বি.) ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর— এই দুই স্পর্শকাতর জেলার জেলাশাসক (DM) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কাজের দক্ষতা এবং প্রতিভাকে সামনে রেখেই তাই নন্দিনীকে সরিয়ে তাঁকেই রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব করল কমিশন। অন্যদিকে জগদীশের বদলে নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব করা হয়েছে IAS আধিকারিক সংঘমিত্রাকে। তিনি ১৯৯৭ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার। এত দিন তিনি নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের প্রধান সচিব ছিলেন।

  • ভোটের আগে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে বদল করল কমিশন

    ভোটের আগে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে বদল করল কমিশন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গতকালই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election) দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় হবে নির্বাচন। তবে তার আগেই রাজ্যের প্রশাসনিক বিভাগে একাধিক রদবদল করছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। সেই সূত্রে এবার পুলিশের শীর্ষস্থরের রদবদল। গতকাল রাতেই রাজ্যের মুখ্য সচিব এবং স্বরাষ্ট্র সচিবের বদল করেছিল কমিশন। এবার কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকেও বদলি করা হল।

    ভোটের আগে পুলিশস্তরে রদবদল

    রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে বদলি করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার রাজ্যের নতুন ডিজিপি হিসেবে নিযুক্ত হচ্ছেন সিদ্ধনাথ গুপ্ত। জানা যাচ্ছে, ডিজি এবং ভারপ্রাপ্ত আইজিপি পদে তাঁকেই নিয়োগ করা হচ্ছে। অন্যদিকে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে সুপ্রতিম সরকারকে সরানো হয়েছে। তাঁর জায়গায় নিয়োগ করা হয়েছে আইপিএস অফিসার অজয় নন্দকে। এমনকি সোমবার দুপুর তিনটের মধ্যেই নতুন পুলিশ কমিশনার এবং ডিজিকে দায়িত্ব নিতে হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

    এদিকে গতকাল রাতে রাজ্যের মুখ্য সচিব পদ থেকে নন্দিনী চক্রবর্তীকে নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দিয়েছিল। তাঁর জায়গায় দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে নিয়োগ করা হয়। পাশাপাশি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকেও সরানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। তাঁর জায়গায় নতুন স্বরাষ্ট্র সচিব হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে সংঘমিত্রা ঘোষকে। সেই সূত্রে গতকালই আঁচ করা যাচ্ছিল যে, রাজ্যের পুলিশস্তরেও রদবদল করতে পারে নির্বাচন কমিশন। সেই ভাবনাই সত্যি হলো আজ।

    আরও পড়ুন: ৪ মে ভোটের ফল ঘোষণা, কলকাতায় হচ্ছে না ইস্ট-মোহনের ISL ডার্বি? বড় খবর

    উল্লেখ্য, কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত অজয় নন্দ আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। আর মাওবাদী দমনেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি আসানসোল ও দুর্গাপুর কমিশনার হিসেবেও তিনি একসময় কাজ করেছেন। আর কলকাতা পুলিশেও একসময় নিযুক্ত ছিলেন। এদিকে গতকাল বিকালে দিল্লি থেকে সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেন। এবারের ভোট যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, এবং কোনও রকম জটিলতা না হয় তার জন্যই নির্বাচন কমিশন একের পর এক বড়সড় পদক্ষেপ নিচ্ছে।

  • ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অবশেষে দীর্ঘ লড়াইয়ের অবসান। লক্ষ লক্ষ রাজ্য সরকারি কর্মচারীর জন্য অবশেষে এল বড় সুখবর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে রাজ্য সরকার বড় ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রোপা ২০০৯ অনুযায়ী বকেয়া DA পরিশোধের প্রক্রিয়া (Bengal DA) শুরু করছে। চলতি মার্চ ২০২৬ থেকেই শুরু হবে ডিএ এরিয়ার প্রদান। এদিকে সরকারের এহেন ঘোষণায় বেজায় খুশি সরকারি কর্মীরাও। সরকারের এহেন পদক্ষেপে এবার বড় মন্তব্য করলেন ডিএ মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    আমাদের আনন্দ ধরে রাখতে পারছি নাঃ মলয় মুখোপাধ্যায়

    মলয় মুখোপাধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় জানান। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে যেভাবে ডিএ-টা দিতে বলেছিল সেটা সরকার মেনে নিয়েছে এবঙ্গা মরা সেভাবেই ডিএটা পেতে চলেছি। কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ২০১৬ সালে ডিএ মামলা দায়ের করেছিল। ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল দীর্ঘ ১০ বছর ধরে নির্দিষ্ট লক্ষ্য রেখে লড়াই করে গিয়েছি। আগেই বলেছিলাম রোপা মেনে যারাই ডিএ পান তাঁরা সকলেই পাবেন। শিক্ষক, অশিক্ষক, ভোট, পুরসভা সকলেই পাবেন। আমরা সকলের জন্যি লড়াই করেছি। মাঝখানে একটা বিভ্রান্ত তৈরি হওয়াতে আমরা খুব দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম। ভেবেছিলাম শুধু আমরাই টাকা পাবো। এই লড়াই কি তাহলে অসম্পূর্ণ রয়ে গেল? কিন্তু সরকার যখন ঘোষণা করল সকলেই ডিএ পাবেন তখন আমরা আমাদের আনন্দ ধরে রাখতে পারছি না।’

    তিনি আরও জানিয়েছেন, আমাদের লড়াই কিছুটা পূর্ণতা পেল। নোটিফিকেশন যখন সামনে আসবে তখন আমরা সম্পূর্ণটা বলব। এটা মনে রাখতে হবে ২০১৯ সালে রাজ্য ট্রাইব্যুনাল যে রায়টা দিয়েছিল সেটাই কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে যায় এবং সেটা এখন মান্যতা পেয়েছে।’ শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অর্থ দফতরের সর্বশেষ নোটিফিকেশন অনুযায়ী ধাপে ধাপে এই বকেয়া টাকা কর্মীদের দেওয়া হবে। বহু বছর ধরে জমে থাকা এই বকেয়া অর্থ অবশেষে কর্মীদের হাতে পৌঁছাতে চলেছে, যা রাজ্যের বিপুল সংখ্যক কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জন্য যা নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তির খবর।

    বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান যে তাঁর “মা-মাটি-মানুষ” সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। তিনি বলেন যে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অ-শিক্ষক কর্মী এবং পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো অনুদান-সহায়তা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরাও উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে , রোপা ২০০৯ আইনের অধীনে কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা ও মহার্ঘ্য ত্রাণ প্রদান ২০২৬ সালের মার্চ মাসে শুরু হবে। তিনি আরও বলেন যে, রাজ্যের অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিস্তারিত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

     

  • দার্জিলিং-এর আকাশে ওটা কী! রহস্যময় আলো ঘিরে পাহাড়ে শোরগোল

    দার্জিলিং-এর আকাশে ওটা কী! রহস্যময় আলো ঘিরে পাহাড়ে শোরগোল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আকাশে ওটা কী! দার্জিলিং (Darjeeling) ঘুরতে গিয়ে ঘোরার আনন্দ যেন অনেকেরই মাটি হয়ে গেল। রাতের আকাশে এক রহস্যময় আলো (Mysterious Light) দেখে আতঙ্কিত সকলে। ইতিমধ্যে দার্জিলিং-এর আকাশে দেখা যাওয়া সেই আলোর ছবি সামাজিক মাধ্যমে বিদ্যুতের গতিতে ভাইরাল হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, কীসের আলো এটা? কীসেরই বা ইঙ্গিত এটা? ভেবে দিশেহারা সকলে।

    দার্জিলিং-এর আকাশে রহস্যময় আলো

    শুধু দার্জিলিং-ই নয়, শিলিগুড়ি, সিকিমের আকাশেও এই আলো দেখা গিয়েছে। সবথেকে বড় কথা, একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন যে উজ্জ্বল এবং রহস্যময় আলোটা আকাশে ৫–৭ মিনিট ধরে ছিল। আলোটি নাকি উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিমের দিকে ছিল। তাহলে কি বিমানের থেকে আলো ঠিকরে বেরিয়েছে? সেটাও কেউ বলতে বা মানতে নারাজ। কারণ মানুষ জানিয়েছেন, ঘটনার সময়ে নাকি আকাশে কোনও বিমান বা জেট প্লেনের আওয়াজ বা দেখা মেলেনি।

    আরও পড়ুনঃ শিয়ালদা ডিভিশনের যাত্রীদের পোয়া বারো, একাধিক লোকাল ট্রেনের স্টপেজ বাড়াল রেল

    ভাইরাল ভিডিও

    কেউ কেউ বলছেন, চাইনিজ রকেট বা মিসাইল টেস্ট করা হচ্ছে? অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন, দার্জিলিং-এর আকাশে উজ্জ্বল “জেলিফিশ”-এর মতো দেখতে আলো দেখা গিয়েছে, যা সম্ভবত চীনের ইয়াওগাং-৫০-০২ উপগ্রহ উৎক্ষেপণ থেকে এসেছে। গত ১৫ মার্চ তাইয়ুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার থেকে লং মার্চ-৬এ রকেটে উৎক্ষেপণ করা হয়। আবার এউ কেউ বলছেন ভিনগ্রহ থেকে আসা কোনও যান নয়তো? যদিও এই বিষয়ে এখনও অবধি প্রশাসনের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

     

  • শিয়ালদা ডিভিশনের যাত্রীদের পোয়া বারো, একাধিক লোকাল ট্রেনের স্টপেজ বাড়াল রেল

    শিয়ালদা ডিভিশনের যাত্রীদের পোয়া বারো, একাধিক লোকাল ট্রেনের স্টপেজ বাড়াল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনিও কি শিয়ালদা ডিভিশনের (Sealdah) যাত্রী? তাহলে আপনার জন্য রইল দারুণ সুখবর। আসলে পূর্ব রেলের তরফে কয়েক গুচ্ছ ট্রেনের স্টপেজ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ট্রেনগুলির স্টপেজ দেওয়া হবে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্টেশনগুলিতে। আপনিও কি জানতে ইচ্ছুক কোন ট্রেন কোন স্টেশনে স্টপেজ দেবে? তাহলে চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বহু ট্রেনের স্টপেজ বাড়াল রেল

    শিয়ালদহ ডিভিসনের বিভিন্ন স্টেশনে কিছু লোকাল ট্রেনের স্থায়ী স্টপেজ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি অবধি জারি করেছে রেলওয়ে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যাত্রীদের সুবিধার্থে এবং শহরতলির রেল পরিষেবা আরও সহজলভ্য করতে কয়েকটি ট্রেনের আগামী বুধবার অর্থাৎ ১৮ মার্চ থেকে উল্লেখিত স্টেশনগুলিতে স্টপেজ দেবে। তালিকা অনুযায়ী, ৩১৫১৩ শিয়ালদা শান্তিপুর লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস, ৩১৫১৯ শিয়ালদা শান্তিপুর লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস স্টেশনে থামবে।

    আরও পড়ুনঃ ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    রেল আরও জানিয়েছে, ৩১৫২৫ শিয়ালদা শান্তিপুর লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস, ৩১৭৪৮ শান্তিপুর-রাণাঘাট লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস, ৩১৫৩৬ শান্তিপুর-শিয়ালদা লোকাল বাথনা কৃত্তিবাস, ৩১৭৪৫ রাণাঘাট-গেদে লোকাল শান্তিনগর হল্ট, ৩১৭৪৪ গেদে-রানাঘাট শান্তিনগর হল্ট, ৩১৯২২ গেদে শিয়ালদা লোকাল শান্তিনগর হল্ট, ৩১৮২৮ কৃষ্ণনগর সিটি-শিয়ালদা লোকাল তাহেরপুর, বীরনগর, ৩১৭২৩ রাণাঘাট-কৃষ্ণনগর সিটি লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮২৭শিয়ালদা-কৃষ্ণনগর সিটি লোকাল জালালখালি হল্ট স্টেশনে থামবে।

    উপকৃত হবেন যাত্রীরা

    এছাড়াও ৩১৮৩৮ কৃষ্ণনগর-শিয়ালদা লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮৩৭ শিয়ালদা কৃষ্ণনগর সিটি গ্যালপিং লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮১৬ কৃষ্ণনগর সিটি-শিয়ালদা লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮৪৩ শিয়ালদা কৃষ্ণনগর লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩১৮২০ কৃষ্ণনগর সিটি-শিয়ালদা লোকাল জালালখালি হল্ট, ৩৩৮১৭ শিয়ালদা বনগাঁও লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩০৬১ ক্যানিং বারাসাত লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩৮১৪ বনগাঁও শিয়ালদা লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩৮১৬ বনগাঁও শিয়ালদা লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩৮২০ বনগাঁও শিয়ালদা লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৩৬২২ দত্তপুকুর-শিয়ালদা লোকাল বিশরপাড়া কোদালিয়া, ৩৪৫২১ ক্যানিং শিয়ালদা লোকাল মাতলা স্টেশনে থামবে।

     

  • আলু বিক্রি না হওয়ায় চরম সিদ্ধান্ত! দেনার দায়ে গোঘাটে আত্মঘাতী ভাগচাষি

    আলু বিক্রি না হওয়ায় চরম সিদ্ধান্ত! দেনার দায়ে গোঘাটে আত্মঘাতী ভাগচাষি

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফের আরও এক আলু চাষির আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেল গোঘাটের (Goghat) মথুরা এলাকায় (Potato Farmer Commits Suicide)। পরিবারের সদস্যের অনুপস্থিতে গলায় দড়ি বেঁধে ফাঁস দেন বছর ৩৩ এর ভাগচাষি বাপন সুর। দেনার দায়ে চরম হতাশায় পড়ে ঘটে গেল এক ভয়ংকর বিপদ। কয়েক বছর ধরেই আলু চাষ করে আসছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন ভালো ফলন হলে এবং দাম পেলে আলু বিক্রি করে ঋণ শোধ করবেন। কিন্তু তা আর হল না, কান্নায় ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    রিপোর্ট মোতাবেক, রাজ্য সরকারের তরফে আলুর অভাবী বিক্রি ঠেকাতে সহায়ক মূল্যে আলু কিনে নেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও এখনও এই এলাকায় আলু কেনা শুরু হয়নি। ফলে ঋণের টাকা কী ভাবে শোধ করবেন তা নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিলেন ভাগচাষি বাপন সুর। এই নিয়ে পরিবারও খুব চিন্তায় ছিল। বাড়িতেও প্রায় অশান্তি হত বলে পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন। ওই ব্যক্তির আলুর ব্যবসাও ছিল। দিন দিন পরিস্থিতি বেগতিক দেখে হতাশার মুখে পড়ে গত শনিবার, পরিবারের লোকজন পাশের পাড়ায় যখন অনুষ্ঠানের জন্য গিয়েছিলেন, সেই সময় দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেন তিনি।

    তদন্তে নেমেছে গোঘাট থানার পুলিশ

    পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, বাপন সুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় প্রথম দেখেছিল তাঁর ৫ বছরের সন্তান। বাবাকে এই অবস্থায় দেখে চিৎকার করায় ছুটে এসেছিল বাড়ির সদস্যরা, সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। শোকাহত গোটা পরিবার। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে গোঘাট থানার পুলিশ। মাঠে এখনও মৃত ভাগচাষী বাপন সুরের চাষ করা আলু পরে রয়েছে। জানা গিয়েছে বাপন সুর নাকি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জড়িত। সরকারের তরফে এই পরিবারে ক্ষতিপূরণ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছুই জানানো হয়নি।

    আরও পড়ুন: কটকের হাসপাতালে ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ড, মর্মান্তিক মৃত্যু ১০ রোগীর

    কয়েকদিন আগেই একই ঘটনা ঘটেছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা-১ ব্লকের রাঙামাটি গ্রামে। স্ত্রীর গয়না বন্ধক রেখে, ঋণ নিয়ে আলু চাষ করেছিলেন রাখাল আড়ি নামে এক ভাগ চাষি। কিন্তু ফলন হলেও পর্যাপ্ত দাম না পাওয়ার আত্মঘাতী হয়েছিলেন তিনি। পরে গত বৃহস্পতিবার মৃত ওই আলু চাষির পরিবারকে নগদ দু’লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য করেন তৃণমুল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই টাকা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সূর্যকান্ত দোলই ও ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমুল সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তী মৃত চাষির স্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন।