Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • বাংলার গুরুত্বপূর্ণ রুটে একাধিক ট্রেন বাতিল করল রেল, সমস্যায় পড়বেন যাত্রীরা

    বাংলার গুরুত্বপূর্ণ রুটে একাধিক ট্রেন বাতিল করল রেল, সমস্যায় পড়বেন যাত্রীরা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মার্চ মাসে ফের দুর্ভোগে যাত্রীরা (Indian Railways)। জানা যাচ্ছে, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের গুরুত্বপূর্ণ ডিভিশন আদ্রায় আগামী এক সপ্তাহ ধরে বিভাগীয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলবে। যার কারণে বাতিল করা হচ্ছে একাধিক ট্রেন। শুধু তাই নয়, একাধিক ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করার পাশাপাশি বেশ কিছু ট্রেন নির্ধারিত সময় থেকে দেরিতে চলবে বলেই খবর। এর জেরেই একেবারে মাথায় হাত পড়েছে নিত্য যাত্রীদের।

    কতদিন পর্যন্ত দুর্ভোগ পোহাতে হবে যাত্রীদের?

    রেল সূত্রে খবর, 16 মার্চ অর্থাৎ সোমবার থেকে আদ্রা ডিভিশনে শুরু হয়েছে ভারতীয় রেলের রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত কিছু কাজ। এর ফলে রোলিং ব্লক নেওয়া হয়েছে। আর এর জেরেই আদ্রা ডিভিশনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন তার নির্ধারিত সময় থেকে দেরিতে চলছে। এছাড়াও সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হয়েছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন।

    এ প্রসঙ্গে আদ্রা ডিভিশনের সিনিয়র ডিসিএম বিকাশ কুমার স্পষ্ট জানিয়েছেন, রেলের রক্ষণাবেক্ষণ সহ বেশ কিছু প্রযুক্তিগত কাজের জন্য তিনটি ট্রেন সম্পূর্ণরূপে বাতিল থাকছে। এছাড়াও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন নির্দিষ্ট সময় থেকে সামান্য দেরিতে সংক্ষিপ্ত যাত্রা সম্পন্ন করবে। কিছু ট্রেন অধিক দেরিতেও চলতে পারে।” এর জন্য ইতিমধ্যেই যাত্রীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ-পূর্ব রেল।

    জানা যাচ্ছে, 16 মার্চ থেকে শুরু হয়ে আগামী 22 মার্চ পর্যন্ত আদ্রা ডিভিশনে রেলের রক্ষণাবেক্ষণ সহ প্রযুক্তি সংক্রান্ত কাজ চলবে। এর ফলে 17, 20 এবং 22 মার্চ বাতিল থাকছে 68090/68089 আদ্রা-মেদিনীপুর-আদ্রা মেমু প্যাসেঞ্জার। এছাড় 17, 19, 20 এবং 22 মার্চ বাতিল থাকবে আদ্র-ভাগা-আদ্রা মেমু প্যাসেঞ্জার আপ এবং ডাউন। একই সাথে বাতিল থাকছে ভজুডিহি-চন্দ্রপুরা-ভজুডিহি মেমু প্যাসেঞ্জার।

    অবশ্যই পড়ুন: তৃণমূলে যোগ দিলেন বাংলার তারকা ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, প্রার্থী হবেন এই কেন্দ্রের!

    ট্রেন বাতিল করা ছাড়াও টাটানগর-আসানসোল-বরাভূম মেমু প্যাসেঞ্জারের মতো ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ওদিকে আদ্রা-আসানসোল আবার আসানসোল থেকে আদ্রাগামী ট্রেনটিকে বাতিল করেছে রেল। বর্ধমান-হাটিয়া মেমুও 17 মার্চ সংক্ষিপ্ত যাত্রা শেষ করবে। পাশাপাশি বাতিল থাকছে গেমো-হাটিয়া অংশের ট্রেন পরিষেবা। রেল সূত্রে খবর, বোকারো থেকে আসানসোল মেমু প্যাসেঞ্জার সহ আরও কয়েকটি ট্রেন 16, 18, 19 ও 20 মার্চ নির্ধারিত সময় থেকে এক ঘন্টা দেরিতে চলবে। সব মিলিয়ে, আদ্রা ডিভিশনে কাজ চলাকালীন যথেষ্ট ভোগান্তিতে নিত্য যাত্রীরা।

  • তৃণমূলে যোগ দিলেন বাংলার তারকা ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, প্রার্থী হবেন এই কেন্দ্রের!

    তৃণমূলে যোগ দিলেন বাংলার তারকা ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, প্রার্থী হবেন এই কেন্দ্রের!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সোমবারই বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) প্রাক্কালে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বামফ্রন্ট এবং বিজেপি। দুই দলের তরফেই শাসক দলের (Trinamool Congress) উপর কার্যত চাপ সৃষ্টি করেই প্রকাশ করা হয়েছে প্রার্থীদের তালিকা। সেই তালিকায় ডানা ছাটা হয়েছে বহু দলবদলুর। এখন অপেক্ষা শাসকদল অর্থাৎ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের। এরই মাঝে বড় চমক দিয়ে দিল TMC। সূত্রের খবর, বঙ্গ ক্রিকেটের এক পরিচিত মুখ তথা তারকা পেসার শিব শংকর পালকে টিকিট দিতে চলেছে তৃণমূল। কেননা, ইতিমধ্যেই শাসক শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি।

    তুফানগঞ্জ থেকে দাঁড়াতে পারেন বাংলার পেসার

    একাধিক সূত্র মারফত খবর, বাংলা দলের হয়ে দীর্ঘদিন মাঠ কাঁপানো পেসার শিবশংকরের সাথে আগেই কথাবার্তা পাকা হয়ে গিয়েছিল তৃণমূল নেতৃত্বর। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবারই পাকাপাকি ভাবে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল বাংলার এই ক্রিকেটার। শেষ পর্যন্ত সেটাই হল। প্রত্যাশমতোই তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রাক্তন বাঙালি ক্রিকেটার। কাজেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের এই চাল যে বড় চমক তা বলাই যায়।

    আজই নির্বাচনের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে তৃণমূল। তার আগে পাকাপাকিভাবে বাংলার পেসার শিবশংকর ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেওয়ায় তাঁকে জন্মভূমি তুফানগঞ্জ থেকে দাঁড় করানো হতে পারে। আর সেটা হলে তাঁকে লড়তে হবে বিজেপির মালতি সাভা রায়ের বিরুদ্ধে। তুফানগঞ্জ আসন থেকে তাঁকেই টিকিট দিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    অবশ্যই পড়ুন: হর্ষিত রানার বিকল্প খুঁজছে না KKR, কারণ জানলে অবাক হতে বাধ্য!

    উল্লেখ্য, ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর পর বোলিং কোচ হিসেবে নতুন ইনিংস শুরু করেন বাংলার পেসার তথা বাঙালি ক্রিকেটার শিবশংকর। এই মুহূর্তে বাংলা দলের বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সবচেয়ে বড় কথা সম্প্রতি শেষ হওয়া রঞ্জি ট্রফিতে তাঁর কোচিয়েই মাঠ কাঁপানো পারফরমেন্স দেখিয়েছেন মহম্মদ শামিরা। যদিও ক্রিকেট কেরিয়ারে মধুর স্মৃতি রয়েছে প্রাক্তন প্লেয়ারের।

  • ‘দু’বছরের আগে হাত দেওয়া যাবে না DA-র টাকায়!’ মহার্ঘ ভাতার এ কেমন নিয়ম?

    ‘দু’বছরের আগে হাত দেওয়া যাবে না DA-র টাকায়!’ মহার্ঘ ভাতার এ কেমন নিয়ম?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA) নিয়ে অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে গিয়েছে। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের এক বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, নবান্ন রাজ্য কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার (Dearness allowance) বকেয়া একাধিক ধাপে পরিশোধ করবে। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের এই বকেয়ার কথা রবিবার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সরকার জানিয়েছে মার ৪৮ মাসের বকেয়া আগে শোধ করা হবে। তারপরে বাকিটা কবে কী শোধ করা হবে তা পরে জানাবে সরকার। এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কে টাকা পাবে এবং কবে থেকে পাবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    ৪৮ মাসের টাকা দেবে সরকার

    সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া গণনা করা হবে। এই অর্থ দুটি কিস্তিতে প্রদান করা হবে প্রথমটি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয়টি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি কর্তৃক মোট বকেয়ার চূড়ান্ত নির্ধারণের ওপর এই অর্থপ্রদান নির্ভরশীল থাকবে।

    এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ সময়কালের জন্য কী কী করা হবে তা পরবর্তীতে জানানো হবে। কর্মকর্তারা আরও জানান, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। যদিও এই টাকা নিয়ে অনেকেই নানা কথা বলছেন। কেউ বলছেন ডিএ-র টাকা যদি জিপিএফ অ্যাকাউন্টেই জমা হবে, তাহলে সেই তো একই বিষয় দাঁড়াল। এই টাকা আবার ২ বছরের আগে তোলা যাবে না।

    সরকারি কর্মী, পেনশন প্রাপকদের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সরকার বর্তমানে কর্মরত কর্মী, পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ সংক্রান্ত পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সরকার ৪৮ মাসের বকেয়া টাকাটি রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী, স্কুল ও কলেজের শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও পেনশনভোগী, পৌরসভা ও পঞ্চায়েতের মতো স্থানীয় সংস্থাগুলিতে কর্মরত কর্মচারীদের প্রদান করবে। রাজ্য সরকারের প্রাক্তন রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগীদের প্রাথমিকভাবে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে। টাকা দেওয়া হবে দুটি সমান কিস্তিতে। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে মার্চে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢুকবে সেপ্টেম্বরে। যাঁরা বর্তমানে পেনশনভোগী, তাঁদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি নগদ টাকা ঢুকবে।

    আরও পড়ুনঃ বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    আসলে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর একটি অপরিহার্য অংশ হলো মহার্ঘ ভাতা। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সাথে কর্মীদের মানিয়ে নিতে সাহায্য করার জন্যই এটি চালু করা হয়েছে। অন্যদিকে পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি অবসরের পর তাদের ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ডিএ প্রদানে দেরি হওয়া সকলের বাজেটকে অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবিত করে।

     

  • বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA Issue) বা মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে সরকার জারি করেছে নয়া বিজ্ঞপ্তি। কবে থেকে এবং কত দফায় এই বকেয়া পরিশোধ করা হবে তা বিজ্ঞপ্তি জারি করে সকলের সামনে তুলে ধরেছে রাজ্য অর্থ দফতর। যদিও এতে সরকারের নতুন চালাকি দেখছেন সরকারি কর্মীরা। এই ইস্যুতে বড় তথ্য দিয়েছেন কনফেডারেশন অব স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    DA নিয়ে সরকারের নতুন চালাকি?

    তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘ডিএ নোটিফিকেশন প্রেক্ষিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার এপ্রিল ২০০৮ – ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত DA/DR বকেয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সরকার প্রথম ধাপে জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ সময়ের বকেয়া দেওয়া হবে। এবং এই টাকা দুটি সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে –১ম কিস্তি মার্চ ২০২৬ এবং ২য় কিস্তি সেপ্টেম্বর ২০২৬। বলা হয়েছে গ্রুপ A, B, C কর্মচারীদের টাকা GPF account-এ জমা করা হবে। তবে Group D কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। চালাকি এখানে বলা হয়েছে, ২০০৮–২০১৫ সময়ের DA বকেয়া দেওয়ার নিয়ম পরে জানানো হবে। যা সর্বোচ্চ আদালতের পরিপন্থি। আমরা, সরকার যে আদালতের নির্দেশের মান্যতা দেয়নি তা আবারও সর্বোচ্চ আদালতে তুলে ধরবো।’

    আরও পড়ুনঃ কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    কেউ কেউ বলছেন, দয়া করে ১২.৫% হারে সুদের কথাটা তুলে ধরবেন। এতবছর ধরে টাকা গুলো সরকার খাটিয়ে নিল,তার তো একটা সুদ আছে। সুতরাং সুদসহ ফেরত দিতে হবে। একজন লিখেছেন, ‘এতো বছর পর এত টালবাহানা র পর টাকা GPF এ কেনো নেবো? তাও ২ বছর পর তোলা যাবে. মামার বাড়ি আব্দার স্যালারি অ্যাকান্ট এই দেওয়ার কথা তুলে ধরুন প্লিজ।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট কি আগে ২০১৬ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আগ দিয়ে পরে ২০০৮ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত পরে দিতে বলেছে? সমস্ত হিসাব করে তার ২৫ শতাংশ দেওয়ার কথা।’

    বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সোমবার রাজ্য অর্থ বিভাগের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সরকার জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত চার বছরের জন্য বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (এআইসিপিআই)-এর ভিত্তিতে বকেয়ার পরিমাণ নির্ভুলভাবে গণনা করা হবে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই পর্বের বকেয়া দুটি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। প্রথম কিস্তি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রদান করা হবে।

     

  • ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটে! প্রকাশ্যে গঙ্গাসাগর সেতুর প্রথম নকশা, শুরু নির্মাণ কাজ

    ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটে! প্রকাশ্যে গঙ্গাসাগর সেতুর প্রথম নকশা, শুরু নির্মাণ কাজ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: অবশেষে রূপায়ণের পথে গঙ্গাসাগর সেতু (Gangasagar Bridge)! প্রকাশ্যে এল গঙ্গাসাগর সেতুর প্রস্তাবিত নকশা (Gangasagar Setu Design)। চলতি বছর গঙ্গাসাগরে মুড়িগঙ্গার উপর গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জানা গিয়েছে, মুড়িগঙ্গার উপর দীর্ঘ ৪.৭৫ কিলোমিটার এই গঙ্গাসাগর সেতুতে থাকবে মোট ৪টি লেন। উভয়পাশে থাকবে ১.৫ মিটার চওড়া ফুটপাত। নতুন এই লুক ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে এলাকায়। নকশা প্রকাশ্যে আসার পরেই সেতু নির্মাণের প্রস্তুতির কাজ শুরু করল নির্মাণকারী সংস্থা।

    গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণের বীজ পুঁতেছিলেন মমতা

    কাকদ্বীপ থেকে কচুবেড়িয়া যাতায়াতের জন্য একমাত্র ভরসা পথ ছিল মুড়িগঙ্গা নদী। তাই স্বাভাবিকভাবেই স্টিমার, নৌকা এই সবের উপর নির্ভর করেই যাতায়াত করা হত। যেখানে সময় লাগত প্রায় এক ঘণ্টা! কিন্তু বর্ষার সময় কিংবা কোনও কারণে নদীর জল উপচে পড়লে সমস্যায় পড়তে হতো সকলকে। তাই এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই প্রায় ছয় বছর আগে মুড়িগঙ্গার উপর একটি সেতু তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের কাছে বারংবার সেতু তৈরির জন্য আর্থিক সাহায্য চেয়েছিল রাজ্য, কিন্তু মেলেনি কোনো ফল। তাই এবার কেন্দ্রের ভরসায় না থেকে মুখ্যমন্ত্রী নিজ দায়িত্বে বানাতে চলেছে স্বপ্নের গঙ্গাসাগর সেতু। এই সেতু নির্মাণ হয়ে গেলে এই ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটেই অতিক্রম করা যাবে। জানা গিয়েছে, মুড়িগঙ্গা নদীর উপর গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণের প্রস্তুতির কাজ শুরু করে দিয়েছে নির্মাণকারী সংস্থা ‘লারসন অ্যান্ড টুবরো’ সংক্ষেপে এল অ্যান্ড টি।

    সেতুর প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে

    সূত্রের খবর, গত রবিবার সাগরে সেতু সংক্রান্ত একটি বৈঠক ডাকা হয়েছিল, সেখানে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা, এল অ্যান্ড টি’র তিন প্রতিনিধি। তাঁরা সেই বৈঠকেই প্রস্তাবিত সেতুর কারিগরি নকশা দেখান। পাশাপাশি বৈঠকে ব্রিজের দৈর্ঘ্য, স্তম্ভের বিন্যাস এবং স্থায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাও হয়। ওইদিনই প্রশাসনিক কর্তা ও ইঞ্জিনিয়াররা নদী তীরবর্তী এলাকা পরিদর্শন করেন। আপাতত কাকদ্বীপ লট এইটের দিকে প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু করেছে এল অ্যান্ড টি। বৈঠকে সংস্থার পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সেতু নির্মাণের কাজ শেষ হবে।

    আরও পড়ুন: কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    প্রসঙ্গত, সাগরের দিকে কিছু পরিমাণ জমি কিনেছে এল অ্যান্ড টি। এই ব্রিজের জন্য তাদের আরও ১০ বিঘা জমির প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়াও সেতু তৈরির জন্য বড় আকারের যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সামগ্রী দরকার এবং যে সকল কর্মী এখানে দিনরাত কাজ করবে তাঁদের থাকারও বন্দোবস্ত করা হবে। তবে আশা করা যাচ্ছে এই সেতু নির্মাণ হলে সুন্দরবনের সঙ্গে একদিকে যেমন যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে ঠিক তেমনই পর্যটন বিপ্লবে ব্যাপক উন্নতি হবে। গঙ্গাসাগর মেলায় আসা পর্যটকদের যাতায়াতও আরও সহজ হবে।

  • কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বকেয়া ডিএ (DA) নিয়ে আরও এক ধাপ এগোলো পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ভোটের মুখে সরকার আদৌ টাকা রিলিজ করবে কিনা, তা নিয়ে এখন সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন আশঙ্কা তৈরী হয়েছিল। এদিকে এই আশঙ্কার মাঝেই সরকার বকেয়া DA ইস্যুতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানাল কবে থেকে এবং কত দফায় সরকারি কর্মীদের বকেয়া মেটানো হবে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বকেয়া DA নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি রাজ্যের

    সোমবার রাজ্য অর্থ বিভাগের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সরকার জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত চার বছরের জন্য বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (এআইসিপিআই)-এর ভিত্তিতে বকেয়ার পরিমাণ নির্ভুলভাবে গণনা করা হবে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই পর্বের বকেয়া দুটি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। প্রথম কিস্তি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রদান করা হবে।

    বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    গত রবিবার, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণার ঠিক কয়েক ঘন্টা আগে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া ডিএ পরিশোধের ঘোষণা করেন। তিনটি পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অর্থ বিভাগ এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ পরিশোধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।

    রাজ্য সরকার মূলত ২০২৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া একটি যুগান্তকারী রায় এবং শীর্ষ আদালত কর্তৃক গঠিত একটি পর্যবেক্ষণ কমিটির জারি করা নির্দেশাবলী মেনেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে খবর। বিজ্ঞপ্তিগুলিতে রাজ্য সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, বিভিন্ন কেন্দ্র-প্রযোজিত প্রকল্পের বিপুল পরিমাণ বকেয়া পাওনা এবং রাজ্যের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে চলমান দায়বদ্ধতার কারণে বর্তমানে এর আর্থিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য চাপের মধ্যে রয়েছে। এই আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, সরকার জোর দিয়ে বলেছে যে তার কর্মচারীদের কল্যাণ ও স্বার্থই অগ্রাধিকার পায়। তাই, বকেয়া মহার্ঘ ভাতা একাধিক পর্যায়ে পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক ভারতে! পরিসংখ্যান দেখলে শিউরে উঠবেন

    সরকারি কর্মচারীদের জন্য, কর্মচারী শ্রেণীর উপর ভিত্তি করে অর্থ প্রদানের পদ্ধতি ভিন্ন হবে। নির্দেশিকা অনুসারে, গ্রুপ A, গ্রুপ B এবং গ্রুপ C শ্রেণীর কর্মচারীদের ডিএ এরিয়ার সরাসরি তাদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (GPF) অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। তবে, জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা অর্থ জমা দেওয়ার তারিখ থেকে ২৪ মাসের জন্য অগ্রিম বা চূড়ান্ত অর্থ হিসাবে তোলা যাবে না।

  • চিকিৎসা, কাজের জন্য ব্যাঙ্গালুরু যাওয়া আরও সহজ, সাঁতরাগাছি থেকে নিয়মিত ট্রেন দিল রেল

    চিকিৎসা, কাজের জন্য ব্যাঙ্গালুরু যাওয়া আরও সহজ, সাঁতরাগাছি থেকে নিয়মিত ট্রেন দিল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যাত্রীদের সুবিধার্থে ফের বড় সিদ্ধান্ত দিল রেল। এবার বাংলা থেকে ভিন রাজ্যে যাওয়া আরও সহজ। বিশেষ করে সাঁতরাগাছি থেকে বেঙ্গালুরু যাওয়া আরও জলভাত হয়ে গেল, এর কারণ এবার সাঁতরাগাছি থেকে বেঙ্গালুরুর ইয়েলাহঙ্কা (Santragachi Yelahanka Train) অবধি যে স্পেশাল ট্রেনটি চলত এখন তা নিয়মিত করা হল রেলের তরফে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন।

    একাধিক ট্রেনের তালিকা দিল রেল

    দক্ষিণ পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, আগে যে ০২৮৬৩/০২৮৬৪ সাঁতরাগাছি-ইয়েলাহঙ্কা-সাঁতরাগাছি ট্রেনটি চলত, সেটিকে এবার নিয়মিত ট্রেনে রূপান্তর করা হয়েছে। এখন ট্রেন নম্বর ১৮০৬৩ সাঁতরাগাছি-ইয়েলাহঙ্কা এসি এক্সপ্রেস করে দেওয়া হয়েছে। ট্রেনটি আগামী ২ এপ্রিল থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার চলবে। ফিরতি ট্রেন, ট্রেন নম্বর ১৮০৬৪ ইয়েলাহঙ্কা-সাঁতরাগাছি এসি এক্সপ্রেস, ৪ এপ্রিল থেকে প্রতি মঙ্গলবার চলবে।

    রেল জানিয়েছে, উল্লেখিত নতুন ট্রেনটি পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামবে, ফলে পূর্ব ভারত থেকে বেঙ্গালুরু অবধি যাতায়াত আরও সহজ হবে। দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে এপ্রিল এবং মে মাস থেকে বিভিন্ন রুটে ছয় জোড়া বিশেষ ট্রেন নিয়মিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাঁতরাগাছি-ইয়েলাহঙ্কা ছাড়াও অন্যান্য ট্রেনগুলির মধ্যে শালিমার এবং এমজিআর চেন্নাই সেন্ট্রাল, শালিমার এবং ভাঞ্জপুর এবং ভাঞ্জপুর এবং পুরীর মধ্যে পরিষেবা। পাশাপাশি সাঁতরাগাছি এবং দিঘার মধ্যে দুটি জোড়া পরিষেবা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    উপকৃত হবেন যাত্রীরা

    ট্রেন ১৮০৪১ শালিমার-এমজিআর চেন্নাই সেন্ট্রাল এক্সপ্রেস ৬ এপ্রিল থেকে প্রতি সোমবার চলবে। ফিরতি পথে ১৮০৪২ এমজিআর চেন্নাই সেন্ট্রাল-শালিমার এক্সপ্রেস, ৭ এপ্রিল থেকে প্রতি মঙ্গলবার চলবে। সাঁতরাগাছি-দিঘা ফাস্ট প্যাসেঞ্জারের দুটি সাপ্তাহিক জোড়া ট্রেনও নিয়মিত করা হবে। ট্রেনটি ৪ এপ্রিল থেকে শনিবার চলবে। আরেকটি জোড়া ৫৮০২৯ সাঁতরাগাছি-দিঘা ফাস্ট প্যাসেঞ্জার এবং ৫৮০৩০ দিঘা-সাঁতরাগাছি ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ৫ এপ্রিল থেকে রবিবার চলবে।

    আরও পড়ুনঃ নতুন করে আবেদন করা যাবে যুবসাথীতে? এপ্রিলে কবে ঢুকবে টাকা! জানুন এখানে

    ট্রেন ১৮০১৫ শালিমার-ভাঞ্জপুর এক্সপ্রেস ২১ মে থেকে বৃহস্পতিবার এবং শনিবার চলবে। ফিরতি পরিষেবা, ১৮০১৬ ভাঞ্জপুর-শালিমার এক্সপ্রেস ২৩ মে থেকে সোমবার এবং শনিবার চলবে। ট্রেন ১৮০১৭ ভাঞ্জপুর-পুরী এক্সপ্রেস ২১ মে থেকে বৃহস্পতিবার এবং শনিবার চলবে। ফিরতি ট্রেন, ১৮০১৮ পুরী-ভাঞ্জপুর এক্সপ্রেস, ২৩ মে থেকে রবিবার এবং শুক্রবার চলবে।

  • নতুন করে আবেদন করা যাবে যুবসাথীতে? এপ্রিলে কবে ঢুকবে টাকা! জানুন এখানে

    নতুন করে আবেদন করা যাবে যুবসাথীতে? এপ্রিলে কবে ঢুকবে টাকা! জানুন এখানে

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার যুব সমাজকে সাহায্য করার জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্প পরিচালনা করে। এর মধ্যে একটি হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বাংলার ‘যুবসাথী’ প্রকল্প (Banglar Yuva Sathi)। রাজ্য বাজেট পেশ করার সময়ে এই স্কিমের ঘোষণা করে সকলকে চমকে দেয় সরকার। এই প্রকল্পটি বিশেষভাবে বেকার যুবকদের জন্য চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায়, রাজ্যের যোগ্য যুবক যুবতীরা ১৫০০ টাকা করে পাবেন। কেউ কেউ ইতিমধ্যে এই টাকা পেয়েছেন তো কেউ পাননি। এদিকে স্কিম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে কয়েক লক্ষ আবেদনও জমা পড়েছে। তবে সেইসঙ্গে অনেকের প্রশ্ন, সমস্যা এবং অভিযোগ শোনা ও সমাধানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন।

    যুবসাথী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নবান্নের

    জানা গিয়েছে, এখন সরকারের তরফে যুবসাথী সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বিশেষ হেল্পডেস্ক চালু করা হয়েছে। নবান্ন জানিয়েছে এই হেল্পডেস্কটি এখন থেকে সরাসরি Department of Youth Services and Sports–এর অধীনে কাজ করবে। এমনকি বিপুল চাপ সামাল দিতে এক মোবাইল নম্বরও ইস্যু করা হয়েছে। আবেদনকারী থেকে শুরু করে স্কিম সম্পর্কে বিশদে জানতে যে কেউ ৬২৯২২৪৮৮৮- নম্বরে ফোন করে হেল্পডেস্কের সাহায্য নিতে পারবেন।

    আরও পড়ুনঃ LPG সঙ্কটের মাঝে PNG কানেকশনে ৫০০ টাকা ছাড়ের ঘোষণা, কারা পাবেন জানুন

    সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, হেল্পডেস্ক খোলা থাকবে- সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তবে শনিবার, রবিবার এবং সরকারি ছুটির দিনে এই পরিষেবা বন্ধ থাকবে। এমনকি ইমেইল মারফতও আপনি আপনার সমস্যার কথা, প্রশ্ন জানাতে পারবেন সরকারের ঘরে। এর ফলে-লিখিত অভিযোগ জমা রাখা সহজ হবে। নথিভিত্তিক যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত হবে। যোগাযোগে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে।

    প্রতি মাসে মিলবে ১৫০০ টাকা

    সরকারের এই স্কিমের আওতায় যোগ্যরা প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে পাবেন। যদিও এই টাকার পরিমাণ আগামী দিনে বাড়বে কিনা, পুনরায় আবেদন করা যাবে কিনা সেই নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠছে। আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। আবেদনকারীকে কমপক্ষে দশম শ্রেণী পাস হওয়া থাকতে হবে।

     

  • বর্ষার আগেই রূপনারায়ণে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ, কপাল খুলল মৎস্যজীবীদের

    বর্ষার আগেই রূপনারায়ণে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ, কপাল খুলল মৎস্যজীবীদের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সবে চৈত্র মাসের আজ প্রথম দিন, এখনও গরম ঠিকঠাক পড়েনি, তাই বর্ষা আসতে এখনও ঢের দেরি আছে। কিন্তু তার আগেই মিলল ইলিশের দেখা।কপাল খুলে গিয়েছে কোলাঘাট রূপনারায়ণের (Huge Hilsa Catch In Rupnarayan) মৎস্যজীবীদের। কারণ বর্ষা আসার আগেই তাঁদের পাতা জালে ধরা দিয়েছে আট থেকে দশ কেজি ইলিশ। আনন্দে উচ্ছ্বসিত গোটা এলাকা। ড্রেজিংয়ের জেরেই নাকি সম্ভব হয়েছে এই কাজ।

    রূপনারায়ণে দেখা মিলেছে একঝাঁক ইলিশের

    স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, আজ থেকে ১৫-২০ বছর আগেও রূপনারায়ণে ভালো পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ত। তার স্বাদও ছিল অতুলনীয়। সেই ইলিশ বাগনান, কোলাঘাট, বাকসি, শ্যামপুর, বেলপুকুর, গাদিয়াড়া–সহ স্থানীয় বাজারগুলিতে বিক্রি হতো। কিন্তু রূপনারায়ণের নাব্যতা হারিয়ে যাওয়ায় কয়েক দশক ধরে সেই নদে আর ইলিশের দেখা মেলেনি। তাই এই নদের গুণ আবার ফিরিয়ে আনতে সম্প্রতি রূপনারায়ণে ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর তাতেই লক্ষ্মীলাভ হয়েছে মৎস্যজীবীদের, কেজি কেজি ইলিশ জালে ধরা পড়েছে। বাজারে নাকি ইতিমধ্যে সেই ইলিশ বিক্রিও হচ্ছে কেজি প্রতি ১৫০০ থেকে ১৭০০ টাকায়।

    ড্রেজিং-এর কারণে বাড়ছে ইলিশের সংখ্যা

    লোকমুখে শোনা যায়, রূপনারায়নের ইলিশের স্বাদ নাকি পদ্মার ইলিশকেও হার মানাবে। দূর দূরান্ত থেকে ইলিশপ্রেমীরা মাছ কিনতে আসত। কিন্তু রূপনারায়ণের পাড়ে এখন অনেক বেশি কলকারখানা হয়েছে। ফলস্বরূপ কারখানার বর্জ্য নদীতে পড়ছে, কোনরকম সতর্কতা এবং নজরদারি না থাকায় ছোট মাছ ধরার প্রবণতা বেড়ে যায়, আর তাই রূপনারায়ণে ইলিশের স্বাদ আগের মতো নেই। কিন্তু বছর দুয়েক আগে কোলাঘাটের দেনানে কেন্দ্রীয় পরিবহণ মন্ত্রকের অধীন ভারতীয় অন্তর্দেশীয় জলপথ কর্তৃপক্ষ একটি জেটি তৈরির ব্যাপারে উদ্যোগী হন। এরপর কয়েক কিলোমিটার অংশ ড্রেজিং করা হয়। আর তাতেই রূপনারায়ণে ইলিশের দেখা মিলছে।

    আরও পড়ুন: ৭০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, কিছুক্ষণেই তোলপাড় হবে দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলা

    সম্প্রতি সেচ দপ্তরের উদ্যোগেও কোলাঘাটে রূপনারায়ণ নদ সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। আগে গেঁওখালি থেকে ঘাটাল পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার রূপনারায়ণ নদের অংশ ছিল ইলিশের পছন্দের জায়গা। কিন্তু কোলাঘাট বাজার এলাকায় রূপনারায়ণে ৫০০ মিটারের মধ্যে সড়ক ও রেল প্রকল্প হওয়ায় বেশ পলি জমেছে তবে ড্রেজিং করায় ইলিশের দেখা মিলেছে। শ্রীমন্ত দাস নামে এক ইলিশ ব্যবসায়ী বলছেন, ‘আমার নিজের নৌকো রয়েছে। প্রতি দিন গড়ে ১০ থেকে ১৫ কেজি ইলিশ ধরা পড়ছে। এক একটি ইলিশের ওজন এক কেজি থেকে ১২০০ গ্রাম ওজনের। বিক্রিও হচ্ছে বেশি।’ রূপনারায়ণ নদে মাছ পুনরায় ফিরে আসায় বেশ খুশির মহল তৈরি হয়েছে।

  • ৬০ লক্ষ নাম এখনও বিচারাধীন! ভোট দিতে পারবেন কি তাঁরা? জানালেন জ্ঞানেশ কুমার

    ৬০ লক্ষ নাম এখনও বিচারাধীন! ভোট দিতে পারবেন কি তাঁরা? জানালেন জ্ঞানেশ কুমার

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বহু প্রতীক্ষার পর অবশেষে গতকাল রবিবার, সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে ভোটের দিনক্ষণ (West Bengal Election 2026) ঘোষিত হল। এবার রাজ্যে আট দফার পরিবর্তে দুই দফা ভোট হবে। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। কিন্তু এর মাঝেও ভোট নিয়ে বেশ চিন্তিত এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিচারাধীন তালিকার ভোটারেরা। ৬০ লক্ষের বেশি নাম এখনও রয়েছে তালিকায়। অবশেষে এই বিষয়ে মুখ খুললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)।

    কী বলছেন জ্ঞানেশ কুমার?

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, ”পশ্চিমবঙ্গে এই মুহুর্তে ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ভোটার রয়েছে। সঙ্গে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা যোগ হবে। ৭০০-৮৫০ ভোটার নিয়ে একটি করে বুথ হবে। ১০০% ওয়েবকাস্টিং হবে। সংবিধান মেনে রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR হয়েছে। অবৈধ ভোটাররা যাতে বাদ পড়েন এবং বৈধ ভোটারদের যাতে নাম ওঠে, সেই লক্ষ্যেই রাজ্যে এই কর্মসূচি প্রক্রিয়া। বিচারাধীন থাকা যোগ্য ভোটারদের নাম উঠবে ভোটার তালিকায়। তার জন্য অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তবে অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ যাবে।”

    বিচারাধীন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন

    SIR এর খসড়া তালিকায় প্রথম দফায় প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছিল। মৃত, স্থানান্তরিত এবং ভুয়ো ভোটারের নাম মূলত বাদ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী শুনানির পর আরও প্রায় ৫ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। ফর্ম ৭-এর মাধ্যমে আপত্তির ভিত্তিতে ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম মুছে ফেলা হয়েছে। এরপর ফর্ম ৬ ও ৬এ-এর মাধ্যমে নতুন করে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৩৬ জন ভোটারের নাম তালিকায় যুক্ত হয়েছে। সবশেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ্যে আমার পর বর্তমানে ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জনের নাম বিচারাধীন রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই এই আবেদনগুলির নিষ্পত্তি করা হবে এবং সংখ্যায় আরও কিছু পরিবর্তন হতে পারে।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল ছাড়লেন আরাবুল ইসলাম, কোন দলে যোগ দিচ্ছেন? ভাঙড়ে নতুন সমীকরণ

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ এর ২৭ অক্টোবর নিবিড় সংশোধনী কর্মসূচি বা এসআইআর ঘোষণা করা হয়েছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। এদিকে এই SIR নিয়ে শাসকদল এবং বিরোধীদলের মধ্যে তর্ক বিতর্ক লেগেই রয়েছে। শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনারকে বিজেপির দাস বলে কটাক্ষ করে গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ভ্যানিশ কুমার বলেও কটাক্ষ করেছেন। এখন দেখার পালা বিচারাধীন তালিকা থেকে কতজনের নাম বাদ যায়।