Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • শালিমার থেকে নতুন অমৃত ভারত ঘোষণা রেলের, ছুটবে জনপ্রিয় রুটে, দেখুন সময়সূচি

    শালিমার থেকে নতুন অমৃত ভারত ঘোষণা রেলের, ছুটবে জনপ্রিয় রুটে, দেখুন সময়সূচি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এসে গেল আরও একটা সুখবর। এবার আরও সস্তায় হয়ে যাবে ট্রেনে সফর। আসলে বাংলা আরও একটা নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস (Amrit Bharat Express) ট্রেন পেতে চলেছে। যার ফলে সস্তায় এবং আরামে দূরে ভ্রমণ করা যাবে। মূলত হায়দ্রাবাদের চার্লাপল্লী ও শালিমারের মধ্যে নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস (Shalimar Charlapalli Amrit Bharat Express) পরিষেবাটি শুরু হতে চলেছে বলে জানিয়েছে রেল। অর্থাৎ এক ট্রেনেই এখন আরও ভালোভাবে পৌঁছানো যাবে হায়দ্রাবাদ। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস পাচ্ছে বাংলা

    নতুন ট্রেনটি সম্পর্কে বিশেষ তথ্য দিয়েছে পূর্ব উপকূল রেলওয়ে। রেলের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ট্রেনটি সাপ্তাহিক হতে চলেছে। প্রতি মঙ্গলবার ট্রেন নম্বর ১৭০৬৫ চার্লাপল্লি থেকে প্রতি মঙ্গলবার সকাল ৬:৫৫ মিনিটে ছাড়বে। এরপর সেটি পরেরদিন অর্থাৎ বুধবার সকাল ১১:২০ মিনিট নাগাদ বাংলার শালিমারে পৌঁছাবে। ফিরতি পথে ১৭০৬৬ শালিমার থেকে বুধবার দুপুর ১২:৫০ মিনিটে ছেড়ে যাবে এবং পরেরদিন বৃহস্পতিবার সন্ধে ৭টা নাগাদ চার্লাপল্লি স্টেশনে ঢুকবে।

    রেল জানিয়েছে, আগামী ৭ এপ্রিল থেকে নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের পরিষেবা শুরু হবে। রেলের দাবি, দক্ষিণ ভারতের সাথে বাংলার যোগাযোগ আরও আধুনিক ও আরামদায়ক করতে চালু হচ্ছে এই সাপ্তাহিক অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

    আরও পড়ুনঃ সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! এক ধাক্কায় বাড়ল এত টাকা

    স্টপেজ কী কী হবে?

    এবার আসা যাক নতুন ট্রেনটির স্টপেজ কী কী হবে সে সম্পর্কে। পূর্ব রেলওয়ে জানিয়েছে, যাত্রাকালে ট্রেনটি সাঁতরাগাছি, খড়গপুর, বালাসোর, ভদ্রক, জাজপুর কেওনঝাড় রোড, কটক, ভুবনেশ্বর, খুরদা রোড, ব্রহ্মপুর, পালাসা, শ্রীকাকুলাম রোড, ভিজিয়ানাগ্রাম, দুভভাদা, টুনি, সামালকোট, রাজামুন্দ্রি, এলুরু, রায়ানাপাড়ু, খাম্মাম, মাহবুদাবাদ, ওয়ারাঙ্গাল এবং কাজিপেট-এর মতো বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে।

  • সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! এক ধাক্কায় বাড়ল এত টাকা

    সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! এক ধাক্কায় বাড়ল এত টাকা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যবাসীকে একের পর এক সুখবর দিচ্ছে বাংলার সরকার (Government Of West Bengal)। সম্প্রতি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করে একের পর এক নতুন সব প্রকল্প চালু করেছে রাজ্য সরকার। নতুন নতুন প্রকল্প চালু করার পাশাপাশি সেইসব প্রকল্পের আর্থিক অনুদানও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে আবেদনকারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। এছাড়াও অন্তর্বর্তী বাজেটে বাড়ানো হয়েছে আশা কর্মী থেকে শুরু করে ICDS এমনকি সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) বেতনও। এবার রাজ্যে ভোট ঘোষণা হওয়ার পরেও সিভিকদের অ্যাড হক বোনাস বাড়িয়ে দিল নবান্ন। নিউজ 18 এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এক ধাক্কায় 600 টাকা বাড়ান হল বোনাস।

    600 টাকা বেড়ে কত হল সিভিকদের বোনাস?

    নিউজ 18 এর প্রতিবেদন বলছে, নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারদের অ্যাড হক বোনাস 600 টাকা বাড়িয়ে 7400 টাকা করা হয়েছে। আগে এই বোনাস ছিল 6,800 টাকা। এক কথায় প্রায় সাড়ে 7 হাজার টাকার কাছাকাছি বোনাস পেতে চলেছেন রাজ্যের সিভিকরা।

    সূত্রের খবর, শহর কলকাতা সহ রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চল এমনকি প্রত্যন্ত গ্রাম গঞ্জের সিভিকরাও এবার থেকে 7400 টাকা বোনাস পাবেন। নতুন বোনাস কাঠামোর নির্দেশিকা জারি করার সাথে সাথে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশের সিপিকে এই তথ্য দিয়েছে নবান্ন।

    অবশ্যই পড়ুন: লটারি লাগল রেল কর্মীদের! ৫০% DA বৃদ্ধির পর এবার ২৫ শতাংশ বাড়ছে KMA

    উল্লেখ্য, 2011 তে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল সরকার। আর তার দু বছরের মধ্যেই অর্থাৎ 2013 সালে গিয়ে রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশকে সাহায্য করার জন্য স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী অর্থাৎ সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করে রাজ্য। এঁদের কাজ মূলত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পুলিশকে সাহায্য করা এবং যানজট দেখা দিলে জনশৃঙ্খলা বজায় রেখে তা ঠিক করা। যদিও এর আগে বহুবার রাজ্যের সিভিকদের বিরুদ্ধে পথচলতি মানুষের সাথে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

  • ভারতের সবথেকে সস্তার শহর কলকাতা, খরচ কত? দেখুন রিপোর্ট

    ভারতের সবথেকে সস্তার শহর কলকাতা, খরচ কত? দেখুন রিপোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বরাবরই কলকাতাকে (Kolkata) সিটি অফ জয় বলা হয়ে থাকে। কিন্তু সকলের একটাই অভিযোগ রাজ্যে চাকরির বড্ড অভাব। এই শহরে অসংখ্য বেকার যুবক যুবতী রয়েছে যাঁরা এখনও একটি চাকরি পাওয়ার আশায় হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পরিস্থিতি এমনই যে বেঁচে বর্তে থাকার খরচ যোগান করতেই হিমশিম খাচ্ছে সকলে। তাই এই নিয়ে একটি সমীক্ষা করল Numbeo নামের এক বেসরকারি সংস্থা। গোটা বিশ্বের প্রতিটি শহরে এই সমীক্ষায় আনা হয়েছে, আর তাতেই উঠে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে দেশের মধ্যে একমাত্র কলকাতা নাকি সবচেয়ে সস্তা শহর (Cheapest City In India)।

    বিভিন্ন শহরের জীবনযাত্রার খরচ ভিন্ন

    Numbeo নামের সংস্থাটি চলতি মাসে একটি তথ্য দিয়ে জানিয়েছিল যে, দেশের প্রতি ব্যক্তির জীবনযাপনের জন্য বাড়ি ভাড়া বাদে মাসে প্রায় ২৭ হাজার ৩০০ টাকার প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে চার সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে এই খরচ বেড়ে দাঁড়াতে পারে প্রায় ৯৮ হাজার টাকায়। এই হিসাবে খাওয়াদাওয়া, বাকি খরচ বা পরিষেবা সংক্রান্ত খরচ, যাতায়াত এবং বিনোদন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে। যদিও এই খরচের পরিমাণ কম বেশি হয়। কারণ মুম্বই-দিল্লি-বেঙ্গালুরুর মতো বড় মহানগরীতে জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই বেশি। কারণ এখানে বাড়িভাড়া, যাতায়াতের খরচ বেশি। আবার চেন্নাইয়ের মতো মেট্রো শহরে খরচ তুলনামূলক কম।

    সবচেয়ে বেশি খরচ হয় মুম্বইতে

    সমীক্ষায় ভারতের শহরভিত্তিক জীবনযাত্রার খরচ ২০২৬ এর তালিকা অনুযায়ী প্রথমেই রয়েছে মুম্বইয়ের নাম। এখানে প্রতি মাসে ন্যূনতম খরচ ৩০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা। যার মধ্যে মাসিক খরচের সূচক ২৫.৮ এবং বাড়িভাড়ার সূচক ১৭.৫। এরপরেই তালিকায় রয়েছে দিল্লির নাম। সেখানে চারজন সদস্যের পরিবারের ন্যূনতম খরচ দেখানো হয়েছে ২২ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা। এর মাসিক খরচের সূচক ২২.৫ এবং বাড়িভাড়ার সূচক ৭.১। তৃতীয় ধাপে রয়েছে, পুনে। সেখানে চার সদস্যের পরিবারের কস্ট অফ লিভিং ২৫ হাজার থেকে ৪৫ হাজার টাকা। এছাড়াও এই শহরে মাসিক খরচের সূচক ২২.৪ এবং বাড়িভাড়ার সূচক মাত্র ৬.৬।

    চেন্নাইয়ে বাড়িভাড়া অনেক কম

    তালিকায় চতুর্থ নম্বরে রয়েছে, বেঙ্গালুরু, সেখানে চার সদস্যের পরিবারের কস্ট অফ লিভিং ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা। এছাড়াও মাসিক খরচের সূচক ২১.৫ এবং বাড়িভাড়ার সূচক মাত্র ৮.৫। পঞ্চমে রয়েছে, হায়দ্রাবাদ। সেখানে পরিবারের ন্যূনতম খরচ দেখানো হয়েছে ১২ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা। এই শহরের মাসিক খরচের সূচক ২১.১ এবং বাড়িভাড়ার সূচক মাত্র ৫.৬। ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে চেন্নাই, এখানকার কস্ট অফ লিভিং ১৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার। চেন্নাইয়ের বাড়িভাড়া দেশের অন্যান্য শহরের তুলনায় অনেকটাই কম। বাড়িভাড়া সূচক মাত্র ৪.৪ এবং মাসিক খরচ ইনডেক্স ২০.০। আর সপ্তম স্থানে রয়েছে কলকাতা।

    আরও পড়ুন: ‘বিরোধী নেই, আমি নিজেই প্রতিদ্বন্দ্বী’ বিপক্ষকে পাত্তাই দিতে নারাজ ইন্দ্রনীল সেন

    সবচেয়ে সস্তা শহর কলকাতা

    Numbeo নামের এক বেসরকারি সংস্থা সমীক্ষায় জানিয়েছে কলকাতায় চারজন সদস্যের পরিবারের ন্যূনতম খরচ দেখানো হয়েছে ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা। সেখানকার মাসিক খরচের সূচক ১৯.৩ এবং বাড়িভাড়ার সূচক মাত্র ৩.৮। অর্থাৎ সব দিক থেকেই অন্য শহরের তুলনায় কম খরচ শহর কলকাতায়। তাই কলকাতাকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ বেছে নেন। কলকাতা শহরে মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৫–৩০% মানুষই অভিবাসী। বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা ইত্যাদি অনেক জায়গা থেকে মানুষ এখানে বসবাস করে।

  • বর্ধমান লাইনে বিরাট কাজ করে ফেলল পূর্ব রেল, হাওড়া-দিল্লি রুট এখন আরও নিরাপদ

    বর্ধমান লাইনে বিরাট কাজ করে ফেলল পূর্ব রেল, হাওড়া-দিল্লি রুট এখন আরও নিরাপদ

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল (Indian Railways) যাত্রীদের চিন্তার দিন শেষ। এর কারণ এবার ট্রেনে ভ্রমণ করা আরও সুরক্ষিত। সবথেকে বড় কথা, বাংলার অন্যতম বেশি চাহিদাসম্পন্ন রুট হাওড়া-দিল্লি রুট (Howrah-Delhi Route) নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় রেল। আপনিও কি আগামী দিনে হাওড়া থেকে দিল্লি বা দিল্লি থেকে হাওড়া আসবেন বলে ঠিক করেছেন? তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনটি রইল শুধুমাত্র আপনার জন্য। হাওড়া-নয়া দিল্লি রুটের বর্ধমান এবং প্রধানকুণ্ডার মধ্যবর্তী ১৫৫ কিলোমিটার অংশে সফলভাবে কবচ অ্যান্টি-কলিশন সিস্টেম (Kavach) চালু করেছে।

    হাওড়া-দিল্লি রুটে বসল কবচ

    রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্ধমান এবং প্রধানকুণ্ডার মধ্যবর্তী ১৫৫ কিলোমিটার অংশে সফলভাবে কবচ অ্যান্টি-কলিশন সিস্টেম চালু করে নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে পূর্ব রেল। সেইসঙ্গে পরিচালনগত ক্ষমতা এবং যাত্রী সুরক্ষায় নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। এই সাফল্যের ফলে, চলতি অর্থ বছরে কবচ সিস্টেমের মোট বাস্তবায়ন ২৬০ কিলোমিটারে পৌঁছেছে, যা রেল সুরক্ষার সর্বোচ্চ মানের প্রতি পূর্ব রেলের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।

    বড় সাফল্য পূর্ব রেলের

    নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি, পূর্ব রেল কঠোর আর্থিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চমৎকার আর্থিক শৃঙ্খলা প্রদর্শন করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সাধারণ পরিচালন ব্যয় ১৪.৫৫% কমিয়ে এনেছে। পূর্ব রেলওয়ের এই জোনের রাজস্ব আয়ও বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে শক্তিশালী রয়েছে। স্ক্র্যাপ বিক্রি থেকে রাজস্ব আয় ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ৭০.২২ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা লক্ষ্যমাত্রা ৫৪.৫ কোটি টাকাকে ২৮.৮৪% ছাড়িয়ে গেছে। যাত্রী ভাড়া থেকেও রাজস্ব আয়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে, যা গত বছরের একই মাসের তুলনায় ১২.০১% বেড়ে ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ২৪৪.২২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    পূর্ব রেলওয়ের এই সকল সাফল্য শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রেখে পরিকাঠামো আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে এর সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিকেই প্রতিফলিত করে। আর্মার সিস্টেমের সম্প্রসারণ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা পূর্ব রেলওয়েকে পরিচালনগত দক্ষতা ও যাত্রী সুরক্ষার সর্বোচ্চ মান অর্জনে সহায়তা করছে।

    কবচ কী?

    কবচ হলো ভারতের প্রথম আধুনিক অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন (এটিপি) সিস্টেম। রেল কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে সমস্ত রুটে এর ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। হাওড়া থেকে ছোটা আম্বানা পর্যন্ত এই অংশটি ২৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ, যার মধ্যে ২২৯ কিলোমিটার পশ্চিমবঙ্গে এবং ৩১ কিলোমিটার ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত। সম্পূর্ণ লাইনটিতে ৪৭টি স্টেশন এবং গেটেড আর্মারযুক্ত ১৩টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে। ২০২২ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি চার বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত মজবুত।

     

  • DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে উত্তেজনার পারদ ততটাই বাড়ছে। বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মীদের মুখে বর্তমানে একটাই প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রথম কিস্তির টাকা। এদিকে বাংলায় বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে অনেকের আশঙ্কা যে সরকার টাকা রিলিজ করবে কিনা। এসবের মাঝেই মহার্ঘ্য ভাতা বা DA নিয়ে সামনে এল বড় আপডেট যা সকলের জানা উচিৎ।

    বকেয়া DA নিয়ে প্রকাশ্যে বড় আপডেট

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের চলতি মার্চ মাস থেকে কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) প্রদান শুরু হবে। আশা করা হচ্ছে, এই পদক্ষেপে রাজ্য জুড়ে সরকারি কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী, শিক্ষক এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্য অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুসারেই এই অর্থ প্রদান করা হবে।

    কারা ডিএ পাবেন?

    • রাজ্য সরকারি কর্মচারী
    • পেনশনভোগীরা
    • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারী
    • অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা
    • পঞ্চায়েত ও পৌরসভার মতো স্থানীয় সংস্থাগুলির কর্মচারীরা

    কবে টাকা দেওয়া হবে?

    রাজ্য সরকারের মতে, যোগ্য সুবিধাভোগীরা ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে বকেয়া অর্থ পেতে শুরু করবেন। অর্থ বিভাগের সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদ্ধতি অনুসরণ করেই এই অর্থ প্রদান করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, ‘সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে এবং অনুমোদিত কাঠামো অনুযায়ী অর্থ প্রদান শুরু হবে।’ ডিএ বকেয়ার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ বকেয়া ডিএ প্রদানের বিষয়টি বিচার বিভাগ পর্যন্তও পৌঁছেছিল। রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের একটি দল বকেয়া অর্থ পরিশোধের দাবিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। আদালত রাজ্য সরকারকে ২০২৬ সালের ৩১শে মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫% প্রদান করার নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে সরকার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে যে মার্চ এবং সেপ্টেম্বর মাসে দুই দফায় প্রাথমিকভাবে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া টাকা মেটানো হবে। বাকি ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া টাকা কীভাবে এবং কবে দেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করতে সরকার পরে একটি পৃথক নির্দেশিকা জারি করবে। অর্থাৎ এর জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে সাধারণ কর্মীদের।

    আরও পড়ুন: কালবৈশাখী থেকে শিলাবৃষ্টিতে তোলপাড় হবে দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলা, আজকের আবহাওয়া

    সরকার জানিয়েছে, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। যদিও এই টাকা নিয়ে অনেকেই নানা কথা বলছেন। কেউ বলছেন ডিএ-র টাকা যদি জিপিএফ অ্যাকাউন্টেই জমা হবে, তাহলে সেই তো একই বিষয় দাঁড়াল। এই টাকা আবার ২ বছরের আগে তোলা যাবে না।

  • মদ তো ছিলই, এবার থেকে এই জিনিসগুলি নিয়ে কলকাতা মেট্রোয় উঠলেই জেল!

    মদ তো ছিলই, এবার থেকে এই জিনিসগুলি নিয়ে কলকাতা মেট্রোয় উঠলেই জেল!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সময়ের সাথে সাথে শহর কলকাতায় (Kolkata) নিজের বিস্তার বাড়াচ্ছে পাতাল রেল (Kolkata Metro)। আসলে যাত্রীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই মেট্রোর এই সম্প্রসারণ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কলকাতা মেট্রোর বুক ধরে এক স্থান থেকে নিজের গন্তব্যে পৌঁছচ্ছেন। আবার ফিরে আসছেন পূর্বের ঠিকানায়। তবে মেট্রোর নিত্যযাত্রী হওয়া সত্ত্বেও এমন অনেকেই রয়েছেন যাঁরা মেট্রোয় কোন কোন জিনিস নিয়ে ওঠা যায় না সে বিষয়ে ওয়াকিবহাল নন। এবার তাঁদের জন্যই নিষিদ্ধ জিনিসপত্রের তালিকা প্রকাশ করল মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। কলকাতা মেট্রোর তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বেশ কিছু বস্তু ব্যাগে বা অন্য কোনও উপায়ে মেট্রোয় নিয়ে উঠলে কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে হবে যাত্রীদের।

    এইসব দ্রব্য মেট্রোয় নিয়ে যাওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ

    কলকাতা মেট্রোর দৌলতে যেমন অল্প সময় আরামদায়ক যাত্রার সুবিধা নিতে পারেন অফিস যাত্রীরা, তেমনই কাজ সেরে মেট্রোতে চেপেই বাড়ি ফেরেন বিভিন্ন মিস্ত্রি শ্রেণীর মানুষেরা। মেট্রোর নিরাপত্তা কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, অনেক সময় বিভিন্ন সেন্টারিং মিস্ত্রিরা বাড়ি ফেরার পথে ব্যাগে করে ছেনি, হাতুড়ি, স্ক্রু ড্রাইভারের মতো নানান যন্ত্রপাতি নিয়ে মেট্রো স্টেশনে আসেন। পরবর্তীতে স্টেশনের স্ক্যানারে ব্যাগ দেওয়ার সময় আটকে যান তাঁরা। অনেকেই আবার স্ক্যানার মেশিনে ব্যাগ রাখতে চান না। এর ফলে তৈরি হয় সমস্যা। বাঁধে অশান্তি। মূলত সে কারণেই এই ধরনের সমস্যা এড়াতে এবং যাত্রী সুরক্ষায় কড়া নজর দিয়েছে মেট্রো রেল।

    কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ছেনি, হাতুড়ি, কাস্তে, কুড়ুলের মতো যন্ত্রপাতির পাশাপাশি ধারালো ছুরি, কাচি, ছোট বা বড় ব্লেড এমনকি শাবল, ছোট কুঠারি, স্ক্রু ড্রাইভার এমনকি তরল পদার্থের মধ্যে মদ, স্পিরিট, কেরোসিন, পেট্রোল, অন্যান্য এনে নেশাজাত কোনও তরল পদার্থ মেট্রোতে নিয়ে ওঠা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়াও মেট্রোরেলের তরফে জানানো হচ্ছে, বিভিন্ন বিপদজনক তেজস্ক্রিয় পদার্থ, অ্যাসিড, বিষাক্ত পদার্থ, কাঁদানে গ্যাস, ডিনামাইট বিস্ফোরক, অন্য রাসায়নিক পদার্থ, মানবদেহের ভস্ম, ছাই, মৃতদেহ, কঙ্কাল, হাড়, মাংস নিয়ে মেট্রোয় ওঠা যায় না।

    অবশ্যই পড়ুন: ব্যাট-বল দুদিকেই পারদর্শী, KKR-র সহ অধিনায়ক হচ্ছেন সেই প্লেয়ার!

    মেট্রোর আধিকারিকরা বলছেন, বড় ব্যাটারি, প্লাস্টিকের গ্রেনেড, গান পাউডার, পিস্তল, ছোট ব্লেডের মতো জিনিসগুলি নিয়ে মেট্রোয় যাতায়াত করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সাধারণত বহু মানুষ ছোট চারা গাছ বা সিল না করা কাঁচা মাংস নিয়ে মেট্রোয় ওঠার চেষ্টা করেন। তখনই তাঁদের ধরে ফেলেন আরপিএফ। পরবর্তীতে বাঁধে বচসা। তাই এবার থেকে এই সব দ্রব্য নিয়ে মেট্রো যাতায়াতের ক্ষেত্রে কড়া হচ্ছে মেট্রো রেল। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, কেউ যদি এই বিধি নিষেধ অমান্য করেন সেক্ষেত্রে 500 টাকা জরিমানা এবং চার বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।

  • বাংলায় ফের বড় অ্যাকশন কমিশনের, পাঁচ DIG সহ ১১ DM-কে সরাল কমিশন

    বাংলায় ফের বড় অ্যাকশন কমিশনের, পাঁচ DIG সহ ১১ DM-কে সরাল কমিশন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গত রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনের জেরে প্রকাশিত হয়েছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দিনক্ষণ। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হতে চলেছে বাংলায়। আর এই অবস্থায় রাজ্যে একের পর এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে কমিশন (Election Commission Of India)। ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের মুখ্যসচিব থেকে ডিজি, সিপি বদল করেছিল কমিশন আর আজ, বুধবার পাঁচ জায়গার ডিআইজি-কেও সরানো হয়েছে। পাশাপাশি ১১ টি জেলার ডিএম বদল করল নির্বাচন কমিশন।

    নজিরবিহীন পদক্ষেপ কমিশনের

    কিছুদিন আগেই নির্বাচন কমিশনার পুলিশ সুপারদের বদলি করেছিল। আর সেই বদলির রেশ কাটতে না কাটতেই উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়েই ফের ১১টি জেলার DM বদল করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। তালিকা অনুযায়ী দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার DM বা জেলাশাসক পরিবর্তন করা হয়েছে। এ ছাড়াও কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণের DEO বদল করা হয়েছে। এদিকে ভোটের আগে ফের একসঙ্গে পাঁচ ডিআইজি বদল করার সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন।

    ১১ টি জেলায় DM বদল কমিশনের

    নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে কোচবিহারে দায়িত্ব পেলেন জিতিন যাদব, জলপাইগুড়িতে সন্দীপ ঘোষ, উত্তর দিনাজপুরে বিবেক কুমার, মালদায় রজনবীর সিং কাপুর, আলিপুরদুয়ারে টি বালাসুব্রহ্মণ্যম, দার্জিলিংয়ে হরিশঙ্কর পানিক্কর। দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদে আর অর্জুন, নদিয়ায় শ্রীকান্ত পল্লি, পূর্ব বর্ধমানে শ্বেতা আগরওয়াল, উত্তর ২৪ পরগনায় শিল্পা গৌরিসারিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অভিষেক কুমার তিওয়ারি। অন্যদিকে কলকাতা উত্তরের DEO ও মিউনিসিপ্যাল কমিশনার হলেন স্মিতা পাণ্ডে এবং রণধীর কুমার হলেন দক্ষিণ কলকাতার DEO।

    আরও পড়ুন: ‘অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী …’ মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    পাঁচ ডিআইজি বদল কমিশনের

    পাঁচ ডিআইজি বদল করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে এসেছে নতুন বিজ্ঞপ্তি। জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ রেঞ্জের ডিআইজি হচ্ছেন ২০০৯ ব্যাচের আইপিএস রাঠোর অমিতকুমার ভরত। মুর্শিদাবাদের ডিআইজি হচ্ছেন অজিত কুমার যাদব, বর্ধমানের ডিআইজি হচ্ছেন শ্রীহরি পাণ্ডে, প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি হচ্ছেন কংকর প্রসাদ বাড়ুই এবং জলপাইগুড়ি রেঞ্জের ডিআইজি হচ্ছেন অঞ্জলি সিং। আগামিকাল বৃহস্পতিবার ১১ টার মধ্যেই নয়া এই পাঁচ ডিআইজিকে দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ এক্ষেত্রেও নাকি রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • ‘অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী …’  মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    ‘অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী …’ মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে বেশ তৎপর হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করছে একেকটা রাজনৈতিক দল। আর এই অবস্থায় ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল আইপ্যাক মামলা (IPAC ED Case)। আর এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কাণ্ডকারখানাকে ভালো চোখে দেখল না সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। অন্যদিকে বুধবার শুনানি শুরু হতেই জবাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চাইল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। যার বিরোধিতা করেন কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

    মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    বুধবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়া বেঞ্চে ফের সময় চেয়ে আবেদন জানান রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। তাতে সলিসেটর জেনারেল তুষার মেহেতার বক্তব্য, “সময় নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ।” ইতিমধ্যেই রাজ্যকে যে আদালত চার সপ্তাহ সময় দিয়ে দিয়েছে, তা স্মরণ করান বিচারপতি। পাশাপাশি এদিন শীর্ষ আদালত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গে জানায়, “ED-র তদন্তে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর ঢুকে পড়াটা অনভিপ্রেত। যদি আর্টিকেল ৩২ বা আর্টিকেল ২২৬ অনুযায়ী মামলা করা না যায়, তাহলে কী করা যাবে? ভবিষ্যতে যদি অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রীও এ ভাবে অন্য কোনও দফতরে প্রবেশ করেন, তখন তার বিচার কী ভাবে হবে?”

    প্রশ্নের মুখে ED-র মৌলিক অধিকার

    উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগ এনেছিল ED। এর আগে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করেছিল ED। হলফনামায় ইডি-র তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, “নথি নেওয়ার আগে কোনও তদন্তকারী আধিকারিকের অনুমতি নেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে নথিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা তৃণমূলের নাকি কয়লাপাচারের সে সম্পর্কে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। এছাড়াও ED এও দাবি করেছিল যে ইডি র আধিকারিকদের কাজে বাধা দিয়ে এবং তাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৩১ মার্চের পর শুধু আধার দিয়ে বানানো যাবে না প্যান কার্ড! কী কী লাগবে জানুন

    মামলা করার প্রসঙ্গে আজ, শুনানির সময় রাজ্যের তরফে বলা হয়, “আমরা বলছি, কেন্দ্রীয় সরকার এক্ষেত্রে মামলা করতে পারে। কিন্তু কোন দপ্তর নয় বা CID বা ইডির মত সংস্থা নয়। যদি তারা করেন, তাহলে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ গঠন করে এ ধরনের সংস্থার ক্ষমতা এক্তিয়ার সব নতুন করে ঠিক করতে হবে।” এছাড়াও এদিন শুনানি শুরু হতেই ED-র জবাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী।, আর তাতে সায় দিল আদালত।

  • জোয়ার আসবে বাণিজ্য থেকে পর্যটন শিল্পে! বাংলার নতুন রেলপথ নিয়ে বড় সুখবর

    জোয়ার আসবে বাণিজ্য থেকে পর্যটন শিল্পে! বাংলার নতুন রেলপথ নিয়ে বড় সুখবর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বাংলার বুকে নতুন রেলপথ নিয়ে বড় সুখবর (West Bengal New Rail Line)। জানা যাচ্ছে, মানবাজার হয়ে পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম নতুন রেলপথ তৈরির আগেই হয়ে গেল বড় কাজ। রেল সূত্রে খবর, মানবাজারের মধ্য দিয়ে রেলপথ স্থাপনের প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ অর্থাৎ ফাইনাল সার্ভের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই একেবারে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন পুরুলিয়া (Purulia) থেকে শুরু করে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বাসিন্দারা।

    তৈরি হবে মোট আটটি নতুন স্টেশন

    রেলের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মানবাজারের মধ্যে দিয়ে যে নতুন রেলপথ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সেই রেলপথের মোট দৈর্ঘ্য হবে 125 কিলোমিটার। এই দীর্ঘ রূটে তৈরি হবে মোট 8টি নতুন রেল স্টেশন। এছাড়াও দুটি স্টেশনকে মূল লাইনের সাথে জুড়ে দেওয়া হবে। রেল সূত্রে খবর, পুরুলিয়ার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবিকে মান্যতা দিয়ে অবশেষে বিশেষ প্রকল্পের কাজে হাত লাগানো হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, আটটি স্টেশনের মধ্যে অর্ধেক অর্থাৎ চারটি স্টেশনেই তৈরি হবে পুরুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায়।

    জানা গিয়েছে, নতুন রেলপথ নির্মাণের আগে মান বাজারের মধ্যে দিয়ে যেসব এলাকায় নতুন রেলস্টেশন তৈরি হবে সেইসব জায়গা ইতিমধ্যেই পরিদর্শন করে দেখেছেন রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এই পরিদর্শন চলাকালীন যে জমিতে রেলপথ তৈরি হবে সেইসব জমি থেকে শুরু করে পার্শ্ববর্তী এলাকার পরিবেশ সবই খতিয়ে দেখা হয়েছে।

     

    কবে থেকে শুরু হবে লাইন পাতার কাজ?

    রেলের ডেপুটি চিফ ইঞ্জিনিয়ারের তরফে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মানবাজারের মধ্যে দিয়ে নতুন রেললাইন তৈরির আগে ফাইনাল সার্ভে ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এই রিপোর্ট যাবে রেল মন্ত্রকের কাছে। সেখান থেকে সবুজ সংকেতের পর তিন মাসের মধ্যে প্রকল্পের বিস্তারিত বরাদ্দ ও প্রস্তাব রেলমন্ত্রকের কাছে উপস্থাপন করা হবে। পরবর্তীতে রেলমন্ত্রকের অনুমতি পেলে শুরু হয়ে যাবে রেললাইন পাতার কাজ। তবে ঠিক কবে থেকে এই কাজ শুরু হবে তা জানা যায়নি।

    অবশ্যই পড়ুন: এই মুহূর্তে ISL-এ কোন দলের অবস্থা কেমন? কত নম্বরে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় রেলের নতুন উদ্যোগে উচ্ছসিত পুরুলিয়া থেকে শুরু করে মানবাজারের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামের মধ্যে নতুন রেল লাইনের দাবি করে আসছিলেন। অবশেষে সেই দাবিতে সিলমোহর পড়ায় খুশি তাঁরা সকলেই। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, নতুন রেলপথ তৈরি হয়ে গেলে পুরুলিয়া এবং ঝারগ্রামের মধ্যে যোগাযোগ অনেকটাই পোক্ত হবে। বাড়বে বাণিজ্য। জোয়ার আসবে পর্যটন শিল্পেও।

  • গ্যাস বুকিং আরও সহজ, জারি হল নয়া নম্বর ও নিয়ম

    গ্যাস বুকিং আরও সহজ, জারি হল নয়া নম্বর ও নিয়ম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে একধাক্কায় বেড়ে গিয়েছে জ্বালানির দাম। এদিকে রান্নার গ্যাস (LPG Gas Cylinder) নিয়েও নানা গুজব ছড়িয়ে পড়েছে দেশ জুড়ে। ফলস্বরূপ গ্যাসের আকাল পড়ায় বিভিন্ন প্রান্তে গ্যাস এজেন্সির সামনে গ্রাহকের দীর্ঘ লাইন দিতে হচ্ছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার বারবার জানিয়েছে, গৃহস্থালির LPG সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। এরপরেও দ্রুত সিলিন্ডার বুক (LPG Gas Booking) করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন সকলে। ব্যস্ত লাইনের কারণে অসুবিধা হচ্ছে, ফলে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি রান্নার সমস্যাও বাড়ছে। তাই এবার বড় উদ্যোগ নিল ইন্ডিয়ান অয়েল।

    গ্যাস বুকিংয়ের জন্য নতুন নম্বর

    গ্যাস বুকিংয়ের জন্য বারবার চেষ্টা করেও গ্রাহকদের মধ্যে নানা সমস্যা দেখা যাচ্ছে। ফোন করার চেষ্টা করা হলেও মিলছে না সুরাহা। ব্যস্ত বলেই চলেছে প্রতিটি লাইন, তাই এই সমস্যা দূর করতে বুকিংয়ের জন্য নতুন দুটি নম্বর চালু করল ইন্ডিয়ান অয়েল। এখন থেকে INDANE গ্রাহকরা ফোন করে সিলিন্ডার বুক করতে পারবেন। মিসড কল বুকিংয়ের জন্য যে নতুন নম্বর দেওয়া হয়েছে সেটি হল, ‘89272-25667’। এছাড়াও আইভিআরএসের মাধ্যমে বুকিংয়ের নতুন নম্বর হল ‘83919-90070’। জানা গিয়েছে ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে এই নম্বর দুটি। এই উদ্যোগে বেশ খুশি সকলে।

    বুকিং এর জন্য নয়া নিয়ম

    গ্যাসের অযথা মজুত বন্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে শহরে এবং গ্রামে এলপিজি বুকিং সাইকেলে নানা পরিবর্তন আনা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। শহরের গ্রাহকদের জন্যও এলপিজি বুকিং সাইকেলে পরিবর্তন করা হয়েছে। আগে যেখানে দুটি সিলিন্ডার বুকিংয়ের মধ্যে সময়সীমা ২১ দিন ছিল, এখন সেটি বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। অন্যদিকে গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকেরা যেখানে প্রতি ২৫ দিনে একবার সিলিন্ডার বুক করার সুবিধা পেতেন, সেটি এখন বাড়িয়ে সরাসরি ৪৫ দিন করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রথম সিলিন্ডার বুক করার ৪৫ দিন পরেই দ্বিতীয় সিলিন্ডার বুক করতে পারবেন গ্রাহকরা।

    আরও পড়ুন: কলেজ শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অনিয়ম! বিতর্ক উঠতেই চিন্তায় চাকরিপ্রার্থীরা

    প্রসঙ্গত, গ্যাস ডেলিভারি করার ক্ষেত্রে DAC নম্বর বা ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু ডিস্ট্রিবিউটররা অভিযোগ জানাচ্ছেন যে বহু গ্রাহকই গ্যাস ডেলিভারি নেওয়ার সময় DAC দিতে পারছে না। ফেডারেশনের সহ সভাপতি বিজনবিহারী বিশ্বাস জানিয়েছেন, ‘DAC না দেওয়ার ফলে আমাদের সমস্যা হচ্ছে। তেল সংস্থাগুলি বারবার দাবি করছে, DAC ছাড়া সিলিন্ডার ডেলিভারি দেওয়া হবে না।’ কিন্তু এই সমস্যার জট কাটছে না। আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে গ্যাসের সঙ্গে রেজিস্টার্ড করা মোবাইল নম্বরটি রিচার্জ না করায় আসছে না ‘DAC’।