Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • হাওড়া-শিয়ালদা লাইনে বাতিল ৪৭টি লোকাল, বহু ট্রেনের সময়ও বদলাল রেল

    হাওড়া-শিয়ালদা লাইনে বাতিল ৪৭টি লোকাল, বহু ট্রেনের সময়ও বদলাল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সপ্তাহান্তে নতুন করে ফের ভোগান্তির শিকার হতে চলেছেন সাধারণ মানুষ। হাওড়া ডিভিশনে (Howrah) বাতিল (Train Cancelled) থাকতে চলেছে কয়েকগুচ্ছ ট্রেন। সেইসঙ্গে কিছু ট্রেন পুনর্নিধারণ, নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে খবর। মূলত। হাওড়া ডিভিশনের  বিভিন্ন শাখার রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ২২ মার্চ, রবিবার দিনের বেলায় ট্রাফিক ব্লকের প্রয়োজন হবে। সে কারণে কিছু ট্রেন বাতিল থাকবে এদিন। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    হাওড়া ডিভিশনে ফের ট্রাফিক ব্লক

    পূর্ব রেলের তরফে ইতিমধ্যে এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রবিবার কোন্নগর উত্তরপাড়া শাখায় ডাউন মেই লাইনে দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ৩টে অবধি, ভদ্রেশ্বর স্টেশন লিমিট-শেওড়াফুলি শাখায় ডাউন মেন লাইনে সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ২টো ৪৫ মিনিট অবধি, খন্যান-পাণ্ডুয়া শাখায় ডাউন মেইলাইনে সকাল ১০:৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ১:৪৫ মিনিট অবধি, ডানকুনি-সিসিএল শাঁখা রিভার্স সিসিআর লাইনে সকাল ৯:৪৫ মিনিট থেকে দুপুর ১২:৪৫ মিনিট অবধি, বারুইপাড়া স্টেশন লিমিটে আপ হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইন ১-এ সকাল ১০:৪০ মিনিট থেকে দুপুর ১:৪০ মিনিট অবধি, চেরাগ্রাম ব্লক হাট-গুড়াপ শাখায় আপ হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইনে সকাল ১০:৫০ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫০ মিনিট অবধি, জৌগ্রাম-মসাগ্রাম শাখায় আপ হাওড়া-বর্ধমান কর্ডলাইনে সকাল ১১:১৫ মিনিট থেকে দুপুর ২:১৫ মিনিট অবধি ব্লক (Traffic Block) থাকবে।

    কোন কোন ট্রেন বাতিল থাকবে?

    রবিবার কোন কোন ট্রেন বাতল থাকবে তার তালিকা দিয়েছে রেল। এদিন ৪৭টি ট্রেন বাতিল থাকবে বলে খবর। হাওড়া–চন্দনপুর লোকাল, হাওড়া–বর্ধমান লোকাল (কর্ড লাইন হয়ে), হাওড়া–ব্যাণ্ডেল লোকাল, হাওড়া–কাটোয়া লোকাল, হাওড়া–পাঁশকুড়া লোকাল, হাওড়া–মেমারি লোকাল, হাওড়া–বর্ধমান লোকাল (মেইন লাইনে), হাওড়া–ব্যান্ডেল লোকাল, বর্ধমান–হাওড়া লোকাল, ব্যাণ্ডেল–হাওড়া লোকাল, কাটোয়া–হাওড়া লোকাল, শেওড়াফুলি–হাওড়া লোকাল, পাঁশকুড়া–হাওড়া লোকাল, মেমারি–হাওড়া লোকাল, কাটোয়া–আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার, বর্ধমান–হাওড়া লোকাল (মেইন লাইনে), বর্ধমান–শিয়ালদহ লোকাল, বর্ধমান–হাওড়া লোকাল (কর্ড লাইনে), আহমদপুর–কাটোয়া মেমু, চন্দনপুর–হাওড়া লোকাল, তারকেশ্বর–শিয়ালদহ লোকাল, শ্রীরামপুর–তারকেশ্বর লোকাল, রামপুরহাট–আজিমগঞ্জ মেমু ইত্যাদি।

    কোন কোন ট্রেন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে?

    • (১) ১০১৫৫ হাওড়া–জামালপুর কবিগুরু এক্সপ্রেস ১০ মিনিট পরে ছাড়বে।
    • (২) ১৩০৩১ রামপুরহাট–হাওড়া এক্সপ্রেস ৭৫ মিনিট পরে ছাড়বে।
    • (৩) ১৩০৩২ গোদা–শিয়ালদহ এক্সপ্রেস ২০ মিনিট পরে ছাড়বে।
    • (৪) ৫৩০৫৩ কাটোয়া–নিমতিতা প্যাসেঞ্জার ৬০ মিনিট পরে ছাড়বে।

    এই ট্রেনগুলি নিয়ন্ত্রিত হবে

    (১) ১২৩৭৭ হাওড়া–রামপুরহাট শীর্ষ এক্সপ্রেস ৬০ মিনিট নিয়ন্ত্রিত হবে।
    (২) ১৩০০১ হাওড়া–জম্মু এক্সপ্রেস ৪৫ মিনিট নিয়ন্ত্রিত হবে।
    (৩) ১৩০০৩ হাওড়া–কাটোয়া এক্সপ্রেস ৫০ মিনিট নিয়ন্ত্রিত হবে।
    (৪) ১৩০১৬ জামালপুর–হাওড়া কবিগুরু এক্সপ্রেস ১২০ মিনিট নিয়ন্ত্রিত হবে।

  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কথামতো শুক্রবার বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ইস্তেহার প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। এদিন কালিঘাট থেকে দলীয় ইস্তেহারে রাজ্যবাসীর কাছে 10টি প্রতিজ্ঞা রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস জিতবে এবং পুনরায় ক্ষমতায় এলে আগামী দিনে দুয়ারে সরকারের আদলে দুয়ারে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন সাধারণ মানুষ। একাধিক প্রতিশ্রুতির সাথেই লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakshmir Bhandar) নিয়েও বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা স্পষ্ট বলে দেন, যাঁরা লক্ষী ভান্ডার পাচ্ছেন বা পাওয়ার যোগ্য তাঁরা আজীবন এই প্রকল্প থেকে অর্থ সাহায্য পাবেন।

    লক্ষীর ভান্ডার নিয়ে ঠিক কী জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    শুক্রবার দলীয় ইস্তেহার প্রকাশ করার সাথে সাথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলের কাছে অঙ্গীকার করেন রাজ্য সরকারের বিশেষ প্রকল্প লক্ষ্মীর ভান্ডার আজীবন দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “লক্ষীর ভান্ডার বাড়িয়েছি আমরা এবং বলে দিয়েছি মা বোনেরা আজীবন লক্ষ্মীর ভান্ডার পাবেন।” এদিন রাজ্যবাসীর কাছে একাধিক বিষয়ে প্রতিজ্ঞা করার পাশাপাশি তৃণমূল এবং নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করতে ছাড়েননি তৃণমূল সুপ্রিমো।

    এদিন পরোক্ষভাবে নাম না করে বিজেপিকে নিশানায় রেখে মমতা বলেন, “অনেকে আছে যারা ভোটের সময় বলবে কিন্তু পরে করবে না। আমরা যেটা বলি সেটা করে দেখিয়েছি এবং একমাস আগেই করে দিয়েছি।”

    আরও পড়ুন: ৮০ কিমি বেগে কালবৈশাখী, শিলাবৃষ্টির ভ্রূকুটি, ৬ জেলায় কমলা সতর্কতা জারি, আজকের আবহাওয়া

    শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন ছিল, এই মুহূর্তে রাজ্যের সাধারণ শ্রেণি ভুক্ত মহিলারা প্রতিমাসে 1500 টাকা অর্থাৎ বছরে 1800 হাজার টাকা করে পাচ্ছেন। অন্যদিকে আদিবাসী বা তপশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মহিলারা মাসে 1 হাজার 700 অর্থাৎ বছরে 20 হাজার 400 টাকা করে পাচ্ছেন। আমৃত্যু লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাবেন সুবিধাভোগীরা। মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর আনন্দিত বাংলার লক্ষ্মীরা।

  • দুয়ারে চিকিৎসা থেকে ঘরে ঘরে পানীয় জল, মর্ডান স্কুল! ইস্তেহারে ১০ প্রতিজ্ঞা তৃণমূলের

    দুয়ারে চিকিৎসা থেকে ঘরে ঘরে পানীয় জল, মর্ডান স্কুল! ইস্তেহারে ১০ প্রতিজ্ঞা তৃণমূলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে একের পর এক চমক দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC Manifesto 2026)। এবার ইস্তেহার প্রকাশ করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার কালীঘাট থেকে ইস্তেহার প্রকাশ করে বাংলার মানুষ জনের কাছে বড় প্রতিশ্রুতি রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। ইস্তেহারের নাম রাখা হল “বাংলার জন্য দিদির ১০ প্রতিজ্ঞা।” মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তৃণমূল কংগ্রেস ফের ক্ষমতায় এলে রাজ্যবাসীর দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাবে চিকিৎসা পরিষেবা। সেই সাথে বাংলার মানুষের কাছে আরও 9টি প্রতিজ্ঞা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তৃণমূল এলেই দুয়ারে চিকিৎসা

    শুক্রবার নিজেদের ইস্তেহারে রাজ্যবাসীর কাছে অন্যতম প্রতিশ্রুতি হিসেবে দুয়ারের চিকিৎসা পরিষেবা চালু করার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার কথায়, “তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষমতায় আসবে এবং দুয়ারে সরকারের আদলে দুয়ারের চিকিৎসা নামে ব্লকে ব্লকে খোলা হবে স্বাস্থ্যশিবির। সেখানে থাকবেন রাজ্যের অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা। আর সেই স্বাস্থ্য শিবির থেকেই নিজেদের যাবতীয় চিকিৎসা করাতে পারবে সাধারণ মানুষ।

    বলাই বাহুল্য, 2024 লোকসভা নির্বাচনের আগে নিজের ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে সেবাস্রয় শিবিরের আয়োজন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তীতে সেই সেবাশ্রয় গড়ে তোলা হয় নন্দীগ্রামেও। খানিকটা সেই আদলেই আগামী দিনে রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে স্বাস্থ্য শিবির গড়ে তোলার কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তৃণমূলের ইস্তেহারে আর কী কী আছে?

    ইস্তেহারে দুয়ারে চিকিৎসা পরিষেবা চালু করার কথা জানানোর পাশাপাশি রাজ্যের কয়েক হাজার সরকারি স্কুলের আধুনিকীকরণ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই স্কুল গুলিকে মডার্ন স্কুলে রূপান্তরিত করা হবে অর্থাৎ তালিকাভুক্ত প্রতিটি স্কুলে ই লার্নিং সহ আধুনিক পঠন-পাঠন চালানো হবে। এই প্রকল্পের অধীনে নিয়োগ করা হবে প্রচুর শিক্ষক।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ট্রেনের খাবার কতটা সতেজ জানতে পারবেন স্ক্যান করেই, QR কোড সিস্টেম চালু করল রেল

    এখানেই শেষ নয়, রাজ্যের প্রবীণ নাগরিকদের দেখাশোনার জন্যও বিশেষ প্রকল্পের ঘোষণা করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। পাশাপাশি বাংলার সাত থেকে আটটি জেলায় নতুন নতুন পৌরসভা তৈরি করার কথাও জানিয়েছেন তিনি। এগুলি ছাড়াও বাংলার প্রত্যেককে পাকা বাড়ি করে দেওয়া হবে বলেও নিশ্চয়তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তৃণমূলের ইস্তেহারে, বাড়িতে বাড়িতে পানীয় জল, বাংলাকে পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলা, কৃষি ক্ষেত্রে 30 হাজার কোটি টাকার বাজেট এবং প্রতিটি কৃষককে আর্থিক সাহায্য করা, বেকার যুবক যুবতীদের পাশে থাকা অর্থাৎ যুবসাথী প্রকল্প এবং বাংলার মহিলাদের লক্ষ্মীর ভান্ডারের হাত ধরে মাসিক অর্থ সাহায্য দিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • বাংলায় ঈদের ছুটি ২ দিন! ব্যাংক-স্কুল কবে বন্ধ থাকবে? জেনে নিন বিস্তারিত

    বাংলায় ঈদের ছুটি ২ দিন! ব্যাংক-স্কুল কবে বন্ধ থাকবে? জেনে নিন বিস্তারিত

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, শাওয়াল মাসের প্রথম দিনে ঈদ উদযাপিত হয় এবং ঈদের তারিখ চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে। তাই সৌদি আরবে চাঁদ দেখার পর পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) সহ সারা ভারতে ঈদ-উল-ফিতর (Eid Ul Fitr) উদযাপিত হয়। এই কারণে প্রতিবার ঈদের তারিখ নিয়ে মানুষ কিছুটা বিভ্রান্ত থাকে। এমনকি ঈদের ছুটি নিয়েও বিভ্রান্তি রয়েছে। চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক চলতি বছর ঈদের জন্য রাজ্য কোন কোন দিন ব্যাঙ্ক, স্কুল, কলেজ এবং অফিস বন্ধ থাকবে।

    সৌদি আরবে আজ খুশির ঈদ

    পবিত্র রমজান মাসের শেষে সকলেই অপেক্ষায় থাকেন খুশির ঈদের জন্য। কারণ এটি হল রমজান মাসের রোজা সমাপ্তির উৎসব। প্রতি বছর ঈদ-উল-ফিতর চাঁদ দেখার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। তাই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এই উৎসবটি বিভিন্ন দিনে উদযাপিত হয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সৌদি আরবে ঈদ উদযাপিত হয় সবার আগে। এইবছর সৌদি আরবে চাঁদ দেখা নিয়েও নানা সমস্যা তৈরি হয়েছিল। বুধবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তারপর ঠিক হয়েছিল বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১৯ মার্চ চাঁদ দেখা গেলে ভারতে আজ ঈদ পালন করা হবে। তবে শেষে দেখা গেল, সৌদি আরবে আজ খুশির ঈদ পালন করা হচ্ছে। অর্থাৎ আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার ভারতে পালন করা হবে ঈদ-উল-ফিতর।

    বাংলায় কোন দিন ঈদের ছুটি?

    পশ্চিমবঙ্গ অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আগামীকাল অর্থাৎ ২১ মার্চ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে আবার রাজ্য সরকার আজকেও ঈদের জন্য সরকারি ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। একই সঙ্গে রাজ্য শিক্ষাপরিষদও ২০ ও ২১ মার্চ-উভয় দিনই ঈদের ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। ফলে বাংলার স্কুল, কলেজ এবং অফিসে টানা দু’দিন ছুটি থাকার থাকতে চলেছে। অন্যদিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া বাংলায় আগামীকাল, ২১ মার্চ ঈদের ছুটি ঘোষণা করেছে।

    আরও পড়ুন: সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ পালন করে ভারতের এই গ্রাম! কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    প্রসঙ্গত, মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বছরের সবচেয়ে পবিত্র সময় হল রমজান মাস। এই গোটা এক মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখেন মুসলিমরা। এই বছর ভারতে রমজান মাস শুরু হয় ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে। আর রমজান মাসের শেষ দিনে পালিত হয় মুসলিমদের সবচেয়ে বড় উৎসব ইদ-উল ফিতর। ওইদিন সকালে ইদের প্রার্থনা, নতুন পোশাক ও মিষ্টিমুখ করে ইদের আনন্দে মেতে ওঠেন সবাই।

  • আলোচনা না করেই IAS-IPS বদলি কমিশনের! হাইকোর্টে মামলা দায়ের কল্যাণের

    আলোচনা না করেই IAS-IPS বদলি কমিশনের! হাইকোর্টে মামলা দায়ের কল্যাণের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে ভোটের (West Bengal Election 2026) প্রচার। দিন রাত এক করে প্রার্থীরা জনসংযোগ বৃদ্ধি করতে উঠে পড়ে লেগেছে। এদিকে ভোট ঘোষণার পর থেকে বাংলায় একের পর এক আধিকারিক বদল হয়েই চলেছে। যা নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ প্রশাসন। এমতাবস্থায় বাংলার IAS এবং IPS অফিসারদের অন্য রাজ্যে নির্বাচনের কাজে পাঠানোর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা দায়ের করলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। অনুমতি দিলেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সোমবার হবে শুনানি।

    প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের বদলি নিয়ে ক্ষুব্ধ সরকার

    গত রবিবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে কমিশন ৷ দুই দফায় হবে রাজ্যে হবে নির্বাচন। এদিকে ঘোষণার পরেই ওইদিন রাত থেকেই রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের একে একে পরিবর্তন করতে শুরু করে কমিশন। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে শুরু করে পুলিশ ও প্রশাসনের আরও বেশ কয়েকজন কর্তাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে শোনা যায় তাঁদের কয়েকজনকে অন্য রাজ্যে ভোটের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রশাসন। এবার সেই নিয়ে হাইকোর্টে দ্বারস্থ হলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

    কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের কল্যাণের

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ শুক্রবার, রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের মামলা দায়েরের আবেদন জানান। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। সেখানে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ জানিয়েছেন যে, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন করা। কিন্তু প্রশাসনের সমস্ত বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে স্থানান্তরের অধিকার নির্বাচন কমিশনের নেই। এতে প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার, এই মামলার শুনানি হবে। অন্যদিকে এই একই বিষয় নিয়ে এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও দিয়েছেন। কিন্তু মেলেনি কোনো জবাব।

    আরও পড়ুন: সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ পালন করে ভারতের এই গ্রাম! কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণার দিনেও বিজেপি এবং কমিশনকে সাংবাদিক সম্মেলনে সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ”বাংলাকে ইচ্ছে করে টার্গেট করা হচ্ছে। আপনাদের অনেক পরিকল্পনা, অনেক চক্রান্ত আছে। কিন্তু মনে রাখবেন, এবারেও বাংলার মাটিতে বিজেপির জেতার কোনো সম্ভাবনা নেই। SIR, গ্যাসের লাইনে দাঁড় করিয়ে মানুষকে হেনস্তা করলে কেউ আপনাদের পাশে থাকবে না। এই লড়াইয়ে বাংলা, বাংলার মা-মাটি-মানুষ জিতবে।” বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজ্য ও কমিশনের সংঘাত শুরু থেকেই ছিল৷ এর আগেও নানা ব্যাপারে কমিশনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে রাজ্য প্রশাসন ৷ একজন দেখার মামলার জল কত দূর এগোয়।

  • ফের বেড়ে গেল অটোর LPG-র দাম, ভাড়া নিয়ে আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ

    ফের বেড়ে গেল অটোর LPG-র দাম, ভাড়া নিয়ে আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: LPG নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রাজ্যবাসী। এরই মাঝে আবার নতুন করে দাম বাড়লো অটোয় ব্যবহৃত LPG র (Auto LPG Price Hike)। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই অটোর গ্যাসের দাম এক ধাক্কায় 8 টাকা বেড়েছে। এর ফলে শহর কলকাতায় প্রতি লিটার LPG র দাম গিয়ে দাঁড়িয়েছে 70 টাকা 68 পয়সায়। গতকাল মধ্যরাত থেকেই সেই দাম কার্যকর হয়েছে। আর তার পরেই অতিরিক্ত খরচের চিন্তায় কার্যত মাথায় হাত পড়েছে নিত্য যাত্রীদের। বাড়ছে দুর্ভোগের আশঙ্কা।

    ভোগান্তির আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ

    পশ্চিম এশিয়ার অশান্তির জের আগেই রাস্তা থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে 30 শতাংশ অটো। এই মুহূর্তে যেগুলো চলছে সেগুলিও নিয়মিত ছুটছে না। তার উপর আবার এক ধাক্কায় 8 টাকা বেড়ে গেল অটোতে ব্যবহৃত LPG র দাম। এদিকে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাস্তা থেকে উঠে যাচ্ছে একের পর এক বেসরকারি বাস। এর অন্যতম কারণ এবছর তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে রাজ্যে। ফলে তাঁদের বিভিন্ন বুথে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বেসরকারি বাসগুলি তুলে নিচ্ছে পুলিশ। যেগুলি ব্যবহার করা হবে ভোটের কাজে।

    বৃহস্পতিবার অবশ্য নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পরিবহন মালিকদের সাথে। বাস মালিকদের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, 1600 বা তারও বেশি বেসরকারী বাস রিকুইজিশন করা হয়েছে পুলিশের তরফে। এইসব বাস ভোটের কাজে লাগানো হবে। এবার শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে কলকাতার মূল জায়গাগুলির পাশাপাশি বারাসাত, আলিপুর এমনকি কসবা আরটিও থেকেও গাড়ি তোলা হবে। আর এর জেরেই রাস্তা থেকে উধাও হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বাসের। যার ফলে বড় ভোগান্তি পোহাতে হবে নিত্য যাত্রীদের। হাতে গোনা যে কটি বাস চলবে তাতে হবে বাদুর ঝোলা ভিড়।

    অবশ্যই পড়ুন: এই কর্মীদের পিএফের টাকা ট্রান্সফার হল আরও সহজ, ফের সুখবর শোনাল EPFO

    এদিকে LPG সংকটের আবহে রাস্তায় ঠিক মতো চলছে না অটোও। যে কটি বা চলছে অধিক ভাড়া দিয়ে যেতে হচ্ছে যাত্রীদের। তার উপর নতুন করে ভাড়া বৃদ্ধিতে বড়সড় সমস্যার সম্মুখীন হতে চলেছেন সাধারণ মানুষ। সব মিলিয়ে বলাই যায়, ভোটের আগে রাস্তায় বাস শূন্যতা এবং অটোর মাত্রাতিরুক্ত ভাড়ার কারণে কার্যত বিপাকে শহর কলকাতা সহ রাজ্যের অন্যান্য অংশের যাত্রীরা।

  • সিভিকরা পাবেনা ৬০০ টাকা বোনাস? নবান্নর সিদ্ধান্তের পরই রিপোর্ট চাইল কমিশন

    সিভিকরা পাবেনা ৬০০ টাকা বোনাস? নবান্নর সিদ্ধান্তের পরই রিপোর্ট চাইল কমিশন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) যত এগিয়ে আসছে ততই রাজ্য জুড়ে এক চাপা উত্তেজনা ক্রমেই প্রকাশ পাচ্ছে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা থেকে শুরু করে ভোটপ্রচার সব মিলিয়ে যেন উৎসব লেগেছে রাজ্যে। আর এদিকে ভোটের আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য বড় ঘোষণা করল নবান্ন (Nabanna)। চলতি অর্থবর্ষ থেকেই কার্যকরী হয়ে চলেছে তাঁদের অ্যাড-হক বোনাস। এদিকে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বৃদ্ধি নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)।

    ৬০০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বোনাস!

    গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অর্থ দফতরের নির্দেশিকার ভিত্তিতে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল যে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের অধীনস্থ সিভিক ভলান্টিয়ার এবং ভিলেজ পুলিশ ভলান্টিয়াররা এবার থেকে বছরে ৭ হাজার ৪০০ টাকা করে বোনাস পাবেন। গত অর্থবর্ষে এই বোনাসের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৮০০ টাকা। অর্থাৎ ৬০০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশে জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল এই বোনাস প্রদানের অনুমোদন দিয়েছেন। নির্দিষ্ট খাতে এর ব্যয় বহন করা হবে। এমতাবস্থায় গতকাল নবান্ন জানিয়েছে, রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের অধীনে থাকা সিভিক ভলান্টিয়ার ও ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশের অধীনে থাকা ভিলেজ পুলিশ ভলান্টিয়াররা চলতি অর্থবর্ষে এই বোনাস পাবেন। এবার এই নিয়ে রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন।

    পুরোহিত ভাতা বৃদ্ধি মমতা সরকারের

    গত রবিবার, নির্বাচনের দিন ঘোষণার কিছু আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোহিত এবং মোয়াজ্জিনদের ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা করেছিলেন। ১৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হয় পুরোহিত ও মোয়াজ্জিনদের ভাতা। শুধু তাই নয়, ওই ঘোষণার আধ ঘণ্টার মধ্যে বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক মহলের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগে এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ মনে হলেও রাজনৈতিক মহলে এই ঘোষণা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, নির্বাচনের আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের খুশি করতেই শাসকদলের এই ধরনের পদক্ষেপ।

    আরও পড়ুন: এই কারণেই পানিহাটিতে অভয়ার মায়ের নাম ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি?

    অন্যদিকে ভোটের আগেই যাতে বেকার যুবকদের হাতে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পে দেড় হাজার টাকা পৌঁছে দেওয়া যায়, তার জন্য সময় এগিয়ে আনেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেকেরই দাবি, সামনে যেহেতু বিধানসভা ভোট তাই ‘বেকার ভাতা’ এগিয়ে আনা হল। সেক্ষেত্রে শাসকদলের প্রতি ‘ইতিবাচক মনোভাব’ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমতাবস্থায় ভোটের মুখে সিভিক ভলান্টিয়ারদের অ্যাড-হক বোনাস নিয়ে এবার নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চাইল রাজ্য সরকারের কাছে। সব মিলিয়ে, নির্বাচন ঘোষণার আবহে এই বোনাস ঘোষণাকে ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দুই ক্ষেত্রেই চর্চা তুঙ্গে।

  • ফের আরজি কর, লিফটে আটকে রহস্যমৃত্যু ব্যক্তির! ঘনাচ্ছে রহস্য

    ফের আরজি কর, লিফটে আটকে রহস্যমৃত্যু ব্যক্তির! ঘনাচ্ছে রহস্য

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ফের খবরের শিরোনামে আরজি কর হাসপাতাল (RG Kar Hospital)। এবার লিফটে আটকে পড়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। জানা যাচ্ছে, মৃত ব্যক্তির নাম অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি দমদমের বাসিন্দা। তাঁর বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। হাসপাতালে ভর্তি থাকা ছেলেকে দেখতে লিফটে করে উপরের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। তবে সেই লিফটেই আটকে পড়ে মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে টালা থানার পুলিশ (Tala Police Station)। হাসপাতালে ফের এই রহস্যমৃত্যু নিয়ে তৈরি হচ্ছে সংশয়।

    আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে পড়ে মৃত্যু

    স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী খবর, হাসপাতালের ট্রমা কেয়ারে এই ঘটনা ঘটেছে। মৃত ব্যক্তির এক ছেলে হাসপাতালে ভর্তি। তাঁকে দেখতেই স্ত্রী এবং অন্য ছেলেকে নিয়ে লিফটে করে পাঁচ তলায় যাচ্ছিলেন তিনি। তবে ওই লিফটে কোনও অপারেটর ছিল না। এতেই তাঁরা আটকে পড়েন। কিন্তু এই ঘটনায় ওই ব্যক্তির রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হয়। যদিও কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল তা এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে যতদূর জানা যাচ্ছে, লিফটটি উপরে ওঠার বদলে নিচের থেকে নেমে আসে। যার কারণে তিনজনই লিফটে আটকে পড়েন। এমতাবস্থায় লিফট কেটে উদ্ধার করা হয় তিনজনকে। কিন্তু স্ত্রী এবং অন্য ছেলে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন বলেই খবর। রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় অরূপবাবুর।

    আরও পড়ুন: এই কারণেই পানিহাটিতে অভয়ার মায়ের নাম ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি?

    ইতিমধ্যে ঘটনার খবর পেয়ে টালা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে, এবং দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে। আর ওই মৃত ব্যক্তির দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না যে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট জানা যাবে। যদিও এই মৃত্যু নিয়ে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। এদিকে এই ঘটনার পর মৃত ব্যক্তির পরিবার হাসপাতালের পরিকাঠামের উপর ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছে। তাঁদের দাবি, লিফটে কোনও অপারেটর ছিল না এবং কোনও রক্ষণাবেক্ষণ নেই। যার ফলেই এই দুর্ঘটনা। কিন্তু মৃত ব্যক্তির পরিবারের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত লিখিত কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। সবটাই ময়নাতদন্তের রিপোর্টের উপর নির্ভর করছে।

  • বিয়ে না করেও এক সন্তানের মা, মানিকতলার তৃণমূল প্রার্থী শ্রেয়া পান্ডের অতীত জানলে গর্ব হবে

    বিয়ে না করেও এক সন্তানের মা, মানিকতলার তৃণমূল প্রার্থী শ্রেয়া পান্ডের অতীত জানলে গর্ব হবে

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: প্রত্যাশা মতোই মঙ্গলবার বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) । 291টি আসনে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেই বড় চমক দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। এ বছর 74 জন সিটিং MLA কে বসিয়ে রেখে নতুন মুখেদের নির্বাচনে লড়ার টিকিট দিয়েছে শাসক দল। সেই তালিকায় নাম রয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের মেয়ে শ্রেয়া পান্ডের (Shreya Pande)। কলকাতার মানিকতলা কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। সেই খবর পাঁচ কান হওয়া মাত্রই সাধন কন্যাকে নিয়ে একেবারে মেতে উঠেছেন অনুরাগীরা। কিন্তু কে এই শ্রেয়া পান্ডে?

    চিনে নিন তৃণমূলের মানিকতলা কেন্দ্রের মুখ শ্রেয়া পান্ডেকে

    সালটা 2011। সে বছরই 34 বছরের লাল জামানার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। আর সে বছরই বিধানসভা নির্বাচনে মানিকতলা কেন্দ্র থেকে আমজনতার রায়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন তৃণমূলের দীর্ঘ সময়ের সৈনিক সাধন পান্ডে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম ছায়া সঙ্গী তথা তৃণমূলের একনিষ্ঠ সৈনিক ছিলেন সাধন পান্ডে। 2022 এর 20 ফেব্রুয়ারি রাজ্যের বর্ষিয়ান নেতার মৃত্যু হয়। আর তারপরেই বাবার কেন্দ্রে সাধারণ মানুষের ভরসা হয়ে ওঠেন সাধন কন্যা শ্রেয়া।

    বলাই বাহুল্য, বাবা সাধন পান্ডের উপর অগাধ ভরসা ছিল মানিকতলা কেন্দ্রের সাধারণ মানুষের। সেই ভরসাকে কাজে লাগাতে চান তৃণমূলের টিকিটে বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী শ্রেয়া পান্ডে। একদিন, বাবা অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার সময় বলেছিলেন, “সুবিমলকে কম্বলগুলো দিস।” বাবার সেই কথা যেন আজও মনে গেঁথে রেখেছেন শ্রেয়া। লক্ষ্য একটাই বিধানসভা নির্বাচনে জয়যুক্ত হয়ে মানিকতলার মানুষের ঘরের মেয়ের মতো সমস্ত প্রয়োজন পূরণ করা।

    অবশ্যই পড়ুন: বাংলায় প্রচারের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছেন মোদী, করবেন ১২ টি সভা, কোথায় কোথায়?

    এবছর মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রে কনিষ্ঠতম তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন শ্রেয়া। লড়তে হবে বিজেপির অভিজ্ঞ নেতা তাপস রায়ের বিরুদ্ধে। তবে তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে তাঁকে মানিকতলার গুরুদায়িত্ব দেওয়ার পরই সাধন কন্যা জানিয়েছিলেন, “সারা বছর মানুষের পাশে থাকি। মানুষের ভালবাসতেই জিতব।” লড়াই কতটা কঠিন এমন প্রশ্নের উত্তরে শ্রেয়া স্পষ্ট বলেন, “লড়াই তখন হবে যখন নির্বাচিত বিধায়ক হিসেবে কী কী কাজ করতে পারব সেটা দেখব। না বললেই নয়, দলের প্রার্থী তালিকায় নিজের নাম দেখতে পাওয়া মাত্রই ভোটারদের দোরে দোরে যাচ্ছেন শ্রেয়া। শুরু করেছেন প্রচারও।

    এদিকে প্রাণের নেতা সাধন পান্ডের মেয়ে শ্রেয়াকে মানিকতলার প্রার্থী করায় আনন্দে আত্মহারা তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীরা। বয়োজ্যেষ্ঠরা ইতিমধ্যেই ঘরের মেয়েকে একেবারে জড়িয়ে ধরে আশীর্বাদ দিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই সেই সব রঙিন মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে বেশ। কম বেশি সকলেই জানেন, তৃণমূল নেত্রী শ্রেয়া পান্ডে সমাজ মাধ্যমে বেশ সক্রিয়। বিভিন্ন সময় দলের হয়ে নেট দুনিয়াতেই নিজের মতামত রাখেন তিনি। এক কথায় বলতে গেলে, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের নতুন মুখ হলেও শহর কলকাতায় এবং নেট দুনিয়ায় সাধন কন্যা কিন্তু পুরনো মুখ।

    শ্রেয়ার আরও একটি পরিচয় আছে

    মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সাধন পান্ডের মেয়ে শ্রেয়া পান্ডে আজ পর্যন্ত বৈবাহিক জীবনে পা রাখেননি ঠিকই, তবে বিয়ে না করেও তিনি এক সন্তানের মা। হ্যাঁ, বিষয়টা প্রথম প্রথম শুনলে অবাক লাগবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এর পেছনের কাহিনী জানলে চোখ ভিজবে অনেকের। সালটা 2021। সে বছর মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তাণ্ডবে একেবারে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল বাংলার বহু এলাকা। বিশেষ করে উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলিতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছিল এই ঘূর্ণিঝড়ের।

    কমবেশি সকলেই জানেন, সে বছর ঘূর্ণিঝড় ইয়াস বিধ্বস্ত সুন্দরবনের অসহায় মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন লোকনাথ দাস। সুন্দরবনে যাওয়ার পথে গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর। লোকনাথের মৃত্যুতে মাথার ছাদ হারিয়েছিল তাঁর সন্তানরা। সেই সময় সহকর্মীর সন্তানদের দায়িত্ব নিয়েছিলেন শ্রেয়া। পরবর্তীতে, বাড়িতে কিছু না জানিয়েই সিঙ্গেল মাদার হওয়ার সিদ্ধান্তটাও নিয়েছিলেন  তিনিই। 2017 সালে সারোগেসির মাধ্যমে শ্রেয়ার মা হওয়ার বিষয়টিকে অনেকেই ভালো চোখে দেখেননি। শুনতে হয়েছিল বহু কটাক্ষ। তবে সেসব পাশ কাটিয়েই আদর ওরফে ইন্দিরাকে মানুষ করেছিলেন তিনি।

    এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, শ্রেয়া পান্ডে যে সিঙ্গেল মাদার হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সে কথাটা বাবার সাধন পান্ডে জেনেছিলেন খবরের কাগজে দেখে। পরে মেয়ে গোটা বিষয়টি তাঁকে খুলে বললে তিনিও সবটা মেনে নেন। একবার এক সাক্ষাৎকারে শ্রেয়া জানিয়েছিলেন, “মেয়ে ইন্দিরার নামকরণ করেছিল বাবা। এর পেছনেও একটা ছোট্ট গল্প আছে। আসলে আমার নাম রেখেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। তাই বাবা মেয়ের নাম রাখেন ইন্দিরা।” যদিও নিজের ব্যস্ত রাজনৈতিক জীবনের মাঝে মেয়েকে খুব একটা সময় দিতে পারেন না শ্রেয়া। তবে তৃণমূল নেত্রী জানিয়েছিলেন, দিন শেষ বাড়িতে ফিরে মাম্মা ডাকটাই তাঁকে পৃথিবীর সর্ব সুখ এনে দেয়।”

  • নতুন চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, ফের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে DA মামলা

    নতুন চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, ফের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে DA মামলা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে ফের চাপ বাড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। কীসের চাপ? ডিএ নিয়ে নতুন চাপ (Bengal DA Case) তৈরি হতে পারে সরকারের বলে খবর। একদিকে যখন বাংলায় নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে, তখন অন্যদিকে সরকারি কর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত লড়াইও কিন্তু জারি রয়েছে। একদিকে যখন শাসক দলে ভোটের কাজে ব্যস্ত, গতখন অন্যদিকে সুদ সহ ডিএ ফেরানোর মামলা করতে চলেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। কানাঘুষো এমনটাই শোনা যাচ্ছে।

    DA মামলায় নয়া পদক্ষেপ নিতে পারে সরকারি কর্মীরা

    সরকারের অর্থ দফতরের তরফে ইতিমধ্যে বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল অবধি বকেয়া ডিএ দুই কিস্তিতে মেটানো হবে। একটা চলতি মার্চ মাসে অন্যটি সেপ্টেম্বর মাসে। বাকি টাকা কবে কীভাবে মেটানো হবে তা পরবর্তীকালে জানানো হবে। অর্থাৎ মাত্র ৪৮ মাসের টাকা মেটানোর ঘোষণা করেছে সরকার। তাও আবার সকলে নিজেদের ব্যাঙ্কে পাবেন না কিন্তু। সরকার জানিয়েছে, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। এখন মনে হচ্ছে, এই বিষয়টিই সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশনভোগীরা হজম করতে পারছেন না। ফলে আরও এক পদক্ষেপ নিতে চলেছেন সকলে। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের তরফে নাকি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হচ্ছে, ২০০৮ থেকে ২০১৬ সাল অবধি সরকার যাতে বকেয়া ডিএ সুদ সহ দেয় সেই ব্যবস্থা করতে। এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ।

    আরও পড়ুনঃ ভাড়া কমল উত্তরবঙ্গগামী এই ট্রেনের

    তিনি জানালেন, ‘মামলার শুনানির দিন আমাদের আইনজীবীকে দিয়ে আদালতকে সুদের বিষয়টি বলা করানো হয়েছিল। কম্পাউন্ড সুদ যাতে দেওয়া হয়, সেই আবেদন আমরা জানিয়েছিলাম শীর্ষ আদালতে। পরবর্তীকালে আমরা দেখি এই বিষয়টি খারিজ হয়নি। ফলে এখন ২০০৮ থেকে ২০১৬ সালের বকেয়া ডিএর সঙ্গে সুদটাও আদায় করা যায় কিনা তা নিয়ে আমরা আমাদের সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তিনি যা মতামত দেবেন আমরা সেই অনুযায়ীই এগিয়ে যাবো।’