Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • মার্চে টানা বন্ধ থাকবে স্কুল, দেখে নিন শিক্ষা পর্ষদের ছুটির তালিকা

    মার্চে টানা বন্ধ থাকবে স্কুল, দেখে নিন শিক্ষা পর্ষদের ছুটির তালিকা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ নতুন মাস পড়তে না পড়তেই পোয়া বারো বাংলার স্কুল পড়ুয়াদের। এই মার্চ মাসে সরকারি কর্মীদের পাশাপাশি এবার পড়ুয়ারাও (School Vacation) অনেক ছুটি পেতে চলেছে। ১ মার্চ থেকে ইতিমধ্যে ছুটি পড়ে গিয়েছে। আর এই ছুটি চলবে আপাতত। ফলে একদিকে যখন বাড়তি ছুটি পেয়ে স্কুল পড়ুয়ারা খুশি তেমনই খুশি অভিভাবকরাও। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    মার্চ মাসে টানা ছুটি থাকবে স্কুলে

    গত ১ মার্চ থেকে ছুটি শুরু হয়েছে। আর এই ছুটি থাকবে ৪ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত। মূলত বিভিন্ন কারণে বন্ধ থাকতে চলেছে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ফলে এই আবহে খুশির মেজাজ তৈরি হয়েছে ছাত্রছাত্রী তথা শিক্ষক- শিক্ষিকাদের মধ্যে। সকলের কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যে মধ্যশিক্ষা শিক্ষা পর্ষদ বার্ষিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছর মোট ৬৫ টি ছুটি রয়েছে। তার মধ্যে ৪ টি ছুটি মাসের প্রথম সপ্তাহেই পড়েছে। যার কারণে সমস্ত সরকারি ও সরকার পোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে উল্লেখিত দিনগুলোতে।

    আরও পড়ুনঃ মার্চেই হাঁসফাঁস পরিস্থিতি দক্ষিণবঙ্গে? ৪ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ, শিলাবৃষ্টি! আজকের আবহাওয়া

    এছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ১ মার্চ এমনিতেই রবিবার ছিল। এরপর আজ ২ মার্চ সোমবার হোলিকা দহন কিংবা দোল উৎসবের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে বাংলা সহ কিছু রাজ্যে ছুটি থাকতে পারে। আগামীকাল অর্থাৎ ৩ মার্চ মঙ্গলবার এবং ৪ মার্চ বুধবার যথাক্রমে দোল ও হোলি উপলক্ষে অফিসিয়ালি স্কুল ছুটি থাকবে। এমনিতে যত সময় এগোচ্ছে ততই সে স্কুল হোক কিংবা কলেজ, ইউনিভার্সিটি, পড়াশোনার চাপ বাড়ছে। দু দণ্ড দম ফেলার সময় পাচ্ছে না কেউ। এহেন পরিস্থিতি এই টানা ছুটি অনেকটা অক্সিজেনের মতো কাজ করবে পড়ুয়াদের জন্য।

    সরকারি কর্মীদের জন্যেও সুখবর

    মার্চ মাসে একগুচ্ছ ছুটির ঘোষণা করেছে নবান্ন। যেমন মাসের শুরুতেই রয়েছে টানা দুদিনের ছুটি। আগামী ৩রা মার্চ মঙ্গলবার দোলযাত্রা উপলক্ষে এন.আই অ্যাক্ট (N.I. Act) অনুযায়ী ছুটি থাকছে। ঠিক তার পরদিন অর্থাৎ ৪ মার্চ বুধবার রাজ্য সরকারের বিশেষ ছুটি হিসেবে হোলি পালিত হবে।যে কারণে ছুটি থাকবে। এরপর আগামী ১৭ই মার্চ (মঙ্গলবার) শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি উপলক্ষে সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এরপর মাসের শেষে ২৬শে মার্চ (বৃহস্পতিবার) রাম নবমী এবং ৩১শে মার্চ (মঙ্গলবার) মহাবীর জয়ন্তী উপলক্ষেও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ‘এই দিনের মধ্যে DA দিতেই হবে পশ্চিবঙ্গ সরকারকে’

    এই মাসে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম বড় উৎসব ইদও অনুষ্ঠিত হবে। ২০শে মার্চ শুক্রবার ইদের আগের দিন হিসেবে বিশেষ ছুটি এবং ২১শে মার্চ শনিবার ইদ-উল-ফিতর উপলক্ষে এন.আই অ্যাক্ট অনুযায়ী ছুটি থাকবে। এছাড়া আবার ২২ মার্চ রবিবার পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে আপনি হাতে এক টানা তিনদিন পাচ্ছেন ছুটি কাটানোর জন্য।

     

  • SIR মামলা শুনছেন যিনি, ভোটার লিস্টে সেই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর নামেই বিরাট ভুল

    SIR মামলা শুনছেন যিনি, ভোটার লিস্টে সেই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর নামেই বিরাট ভুল

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গত শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, SIR বা বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (Final SIR Voter List) প্রকাশ করেছিল কমিশন। এর প্রথম দফার চূড়ান্ত তালিকা থেকে আপাতত বাদ গিয়েছে ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম। যেখানে খসড়া তালিকায় নাম ছিল ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০ জনের। আর সেখানে বাদ পড়েছিল ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ জন। ফলে সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাদের হিসাব দাঁড়াল ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের। এমতাবস্থায় ঘটল আরেক ঘটনা। নামের গরমিল নিয়ে সুপ্রেইম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর এজলাসে এতদিন যে SIR মামলার শুনানি চলছিল এবার তাঁরই নামের বানানে ধরা পড়ল বড় ভুল।

    ভোটার লিস্টে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির নামের বানান ভুল

    প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ইংরেজি এবং বাংলা দুই ভাষাতেই প্রকাশ করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর নামের ‘বাংলা বানান’ ভুল রয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে ‘জোযমল্যা বাগচি’। যদিও ভোটার তালিকার ইংরেজি সংস্করণে বিচারপতির নামের বানান ঠিক আছে। এইরকম ভুল শুধু বিচারপতিই নন, এমনকি কমিশনের এক আধিকারিকের নামের বাংলা বানানেও ভুল রয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের প্রচুর সংখ্যক মানুষের ক্ষেত্রে হয়েছে। আর এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনও এমন ভুলের কথা স্বীকার করেছে। তাদের যুক্তি, আসলে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে বাংলা বানানে ভুল হয়েছে। তাই ভোটার তালিকার ইংরেজি সংস্করণ দেখেই বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।

    কমিশনের প্রযুক্তি নিতে উঠছে প্রশ্ন

    কমিশনের এক আধিকারিকের কথায়, ‘‘ইংরেজিতে ভোটার তালিকা দেখা নিয়ম। প্রান্তিক মানুষরা যাতে ভোটার তালিকা দেখতে পারেন, সেই কারণে আঞ্চলিক ভাষায় লেখা হয়েছে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এমনটা হয়েছে। আগামী দিনে এগুলো সংশোধন করা যাবে।’’ আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, ভোটারদের নামের বানান নিয়ে এই ধরনের ভুল কি ইচ্ছাকৃত? অভিযোগ, আগেও এই ধরনের ভুল ছিল, কমিশন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। সেই ভুলই রেখে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ইংরেজিতেই নাম প্রকাশ সঠিক ধরা হলে, তাহলে কেন বাংলায় ভুলে ভরা তালিকা প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা ছিল? যদিও এই নিয়ে আর বিশেষ কোনো মন্তব্য করেনি নির্বাচন কমিশন।

    আরও পড়ুন: ‘এই দিনের মধ্যে DA দিতেই হবে পশ্চিবঙ্গ সরকারকে’

    প্রসঙ্গত, নতুন ভোটার কার্ডের ক্ষেত্রেও ব্যাপক ভুল দেখা যাচ্ছে। সেখানেও ইংরেজি নামের নানান ঠিক থাকলেও বাংলায় সেটি সম্পূর্ণ ভুল। আর এতেই সমস্যায় পড়ছে সাধারণেরা। যদিও কমিশনের মতে, নতুন ভোটারদের ক্ষেত্রে নামের বানান ভুলের অভিযোগ খুবই কম। চূড়ান্ত তালিকায় ২০০২ সালের ওই সব ভুলই থেকে গিয়েছে। তাহলে কি এই পুরো প্রক্রিয়ায় কমিশন অনেক বেশি প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়েছে বলেই এত ত্রুটি? অন্যদিকে তালিকায় নাম রয়েছে, অথচ নথি যাচাই এবং নিষ্পত্তি হয়নি, ওই ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জনের তালিকায় লেখা ‘বিচারাধীন’। তাই সেই নিয়েও এক চাপা উত্তেজনা বাড়ছে।

  • যানজট এড়িয়ে ১৫ মিনিটেই সমতল থেকে পাহাড়, কার্শিয়াংয়ে কবে থেকে শুরু হবে রোপওয়ে?

    যানজট এড়িয়ে ১৫ মিনিটেই সমতল থেকে পাহাড়, কার্শিয়াংয়ে কবে থেকে শুরু হবে রোপওয়ে?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ পর্যটকদের জন্য রইল দারুণ সুখবর। আপনিও কি সম্প্রতি পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? তাহলে জানিয়ে রাখি, এবার আপনি মাত্র ১৫ মিনিটে সমতল থেকে পাহাড়ে এবং পাহাড় থেকে সমতলে ওঠানামা করতে পারবেন। আর এর জন্য দীর্ঘ বহু বছর পর চালু হবে কার্শিয়াংয়ে রোপওয়ে (Kurseong Ropeway) পরিষেবা। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। এই রোপওয়ে পরিষেবার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ পর্যটকরা দারুণভাবে লাভবান হবেন।

    এবার সমতল থেকে পাহাড়ে পৌঁছান মাত্র ১৫ মিনিটে

    জানা গিয়েছে, দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে শিলিগুড়ির রোহিণী লেক থেকে কার্শিয়াংয়ের গিদ্দা পাহাড় পর্যন্ত যাত্রীবাহী রোপওয়ে পরিষেবা শুরু হতে চলেছে। ২০১৪ সালে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ এই রোপওয়ে তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল ১৮ মাসের মধ্যে কাজ শেষ করা। কিন্তু এক যুগ পেরিয়ে গেলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। এরপর ২০২৩ সালে বরাতপ্রাপ্ত কলকাতার সংস্থাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এদিকে এখন পাহাড়ের গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নতুন করে অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে টেন্ডার ডেকেছে। সংস্থার মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শক্তিপ্রসাদ শর্মা জানিয়েছেন, নতুন কোনও সংস্থাকে দায়িত্ব দিয়ে দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, এ বার আর বাধা আসবে না।

    এই প্রোজেক্টের সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা জানান, “২.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রোপওয়ে শিলিগুড়ি এবং কার্শিয়াংয়ের পর্যটক এবং বাসিন্দাদের জন্য উপকারী হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, পাহাড়ি রাস্তা ধরে যানবাহনের তুলনায় রোপওয়েটি ভ্রমণের সময়কে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেবে। রোপওয়েতে ভ্রমণে প্রায় ১৫ মিনিট সময় লাগবে এবং যানবাহন চলাচলে ৪০-৪৫ মিনিট সময় লাগবে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘এই দিনের মধ্যে DA দিতেই হবে পশ্চিবঙ্গ সরকারকে’

    কী কী রয়েছে গিদ্দা পাহাড়ে?

    এই মনোকেবল কন্টিনিউয়াস রোটেটিং গন্ডোলাতে ২২টি কেবিন থাকবে এবং প্রতি ঘন্টায় ৫০০ জন যাত্রী বহন করতে পারবে। এটি একটি দূষণমুক্ত পরিবহন ব্যবস্থাও প্রদান করবে। মোট প্রকল্প ব্যয় প্রায় ১৮ কোটি টাকা বলে খবর। কার্শিয়ং বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গিদ্দা পাহাড় থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এবং উপত্যকার বেশ মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।

    আরও পড়ুনঃ মার্চেই হাঁসফাঁস পরিস্থিতি দক্ষিণবঙ্গে? ৪ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ, শিলাবৃষ্টি! আজকের আবহাওয়া

    গিদ্দাপাহাড়ে অবস্থিত নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু জাদুঘরটি একটি প্রধান পর্যটন আকর্ষণ। এটি মূলত ১৯২২ সালে লেখক এবং প্রবীণ স্বাধীনতা সংগ্রামী শরৎ চন্দ্র বসুর কেনা একটি ব্যক্তিগত বাড়ি ছিল। পরবর্তীতে ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৫ সালের মধ্যে, শরৎচন্দ্র এবং পরবর্তীকালে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুকে ব্রিটিশরা এখানে গৃহবন্দী করে রেখেছিল বলে খবর। গিদ্দা পাহাড় সেতি মাতা মন্দির – দেবী দুর্গার হিন্দু মন্দির – পর্যটকদের জন্য আরেকটি প্রধান আকর্ষণ।

  • ‘এই দিনের মধ্যে DA দিতেই হবে পশ্চিবঙ্গ সরকারকে’

    ‘এই দিনের মধ্যে DA দিতেই হবে পশ্চিবঙ্গ সরকারকে’

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ২০০৮ সাল থেকে ২০২০ সাল, সময়টা কম নয়। আর এই কয়েক বছরে সরকারি কর্মীদের ডিএ (Dearness allowance) বকেয়া টাকা না মেলায় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। যদিও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় বকেয়া টাকা নিয়ে ট্রাইব্যুনাল, উচ্চ আদালত এবং সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে জয় পেয়েছেন সরকারি কর্মীরা। চলতি মার্চ মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারকে সকল বকেয়া DA মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিকে এই বিষয়ে সরকারের কোনও হেলদোল না থাকার ক্রমেই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছেন কর্মীরা। এসবের মধ্যেই ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল অবধি কী কী অর্ডার দেওয়া হয়েছিল তা সবটা তুলে ধরলেন ডিএ মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    ২০০৮-২০২০ সালের পরিসংখ্যান তুলে ধরলেন মলয় মুখোপাধ্যায়

    এক ফেসবুক ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘এই বকেয়া প্রসঙ্গে উচ্চ আদালত হলফনামা চায় সরকারের কাছে। রাজ্য সরকারের ডিএ অর্ডার অনুযায়ী আজ পর্যন্ত কত শতাংশ ডিএ দেওয়া হল এবং কেন্দ্রীয় সরকার তথা এই দিল্লি, চেন্নাইতে কর্মরত তাঁরা কত পরিমাণে ডিএ পাচ্ছেন সেটার তালিকা চাওয়া হয়। এই তালিকা আমাদের কাছে আছে। অন্যদিকে সরকারকেও দিতে হচ্ছে।’ ভিডিও বার্তায় মলয়বাবু তুলে ধরেন, ২০০৯ সালে রোপা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ সরকার কত ডিএ দিচ্ছিল এবং এআইসিপিআই সূচক মেনে কেন্দ্রীয় সরকার থেকে অন্যান্য রাজ্য সরকার কত শতাংশ টাকা দিচ্ছিল সেটার তথ্য।

    আরও পড়ুনঃ মার্চেই হাঁসফাঁস পরিস্থিতি দক্ষিণবঙ্গে? ৪ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ, শিলাবৃষ্টি! আজকের আবহাওয়া

    মলয়বাবু জানান, ‘সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে ২০০৮ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বকেয়া ডিএ সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের মিটিয়ে দিতে হবে। প্রথমে ২৫ শতাংশ মেটাতে হবে এবং পরবর্তীটা কিস্তিতে মেটাতে হবে। সরকারের কাছে টাকা থাকলেও দেওয়া হচ্ছে না। তাঁরা বলেছিল ২৫ শতাংশ টাকা সুপ্রিম কোর্টে জমা দেবে। কিন্তু কিছুই কাজের কাজ করেনি। যে কারণে আমরা সরকারকে আদালত অবমাননার নোটিশ দিয়েছিলাম। এরপর গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের অর্থসচিব এবং মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে অবমাননার পিটিশন ফাইল হয়ে গিয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত নিশ্চয়ই ৫ মার্চ অবধি দেখবে তারপর মামলার শুনানির তারিখ বলবে।’

    এই দিনের মধ্যে DA দিতেই হবে, আমরা ছেড়ে দেব নাঃ মলয় মুখোপাধ্যায়

    মলয়বাবুর ফের হুঁশিয়ারি, ‘আমরা ছেড়ে দেব না। তবে হঠাৎ করে যদি ২৫ শতাংশের অর্ডার বেরিয়ে যায়, বেরোবেই, ডিএ দিতে হবেই। ডিএটা যদি না দেয় ২৫ শতাংশ সঙ্গে প্রথম কিস্তি ৫০ শতাংশ ডিএ ৩১ মার্চের মধ্যে বা বিধানসভা ভোটের আগে দিয়ে যেতে হবে। আর ডিএ দেওয়াটাই সরকারের পক্ষে লাভ।’

  • হোলির ৪ দিন বন্ধ থাকবে হাওড়ার পুরনো ক্যাব রোড! বিকল্প উপায় কী?

    হোলির ৪ দিন বন্ধ থাকবে হাওড়ার পুরনো ক্যাব রোড! বিকল্প উপায় কী?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই হোলি। উৎসবকে সামনে রেখে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে রাজ্যের প্রধান প্রধান স্টেশনগুলিতে। বিশেষ করে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব ভারতগামী দূরপাল্লার ট্রেনগুলি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এবার বিরাট সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ছয়টা থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত হাওড়ার পুরনো ক্যাব রোড (Howrah Old Cab Road) বন্ধ থাকবে।

    বন্ধ করা হচ্ছে পুরনো ক্যাব রোড

    জানিয়ে রাখি, হাওড়া স্টেশন থেকে দূরপাল্লার ট্রেনে যাত্রীসংখ্যা হোলির আগে অনেকটাই বাড়ে। আর সেই বাড়তি ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং যাত্রীদের নিরাপদ অপেক্ষার ব্যবস্থা করার জন্যই পুরনো ক্যাব রোড এলাকাকে অস্থায়ীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ যান চলচলের জন্য এই রাস্তা বন্ধ থাকবে। এমনকি রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের হাওড়া নতুন ক্যাব রোড ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে।

    বাড়তি ট্রেন পরিষেবা

    এদিকে হাওড়া ছাড়াও শিয়ালদা এবং কলকাতা স্টেশন থেকে বিশেষ ট্রেন চালানো হচ্ছে। পূর্ব রেলের সূত্রে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন ডিভিশন মিলিয়ে মোট ২০০টির বেশি ট্রেন চলছে। আর শিয়ালদা ডিভিশন থেকে ৯ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। শুক্রবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যেই এই বিশেষ ট্রেনগুলি চলাচল করবে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মধুমনি ও গোরক্ষপুরগামী ট্রেন, উড়িষ্যার মালতিপাটপুর পর্যন্ত ট্রেন, উত্তরবঙ্গের নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত ট্রেন আর উত্তরাখণ্ডের লালকূঁয়া ও ঋষিকেশগামী ট্রেন। এছাড়াও যাত্রীদের চাহিদের কথা মাথায় রেখে শিয়ালদা থেকে প্রয়াগরাজ আর হাওড়া থেকে নতুন দিল্লি পর্যন্ত দুটি অসংরক্ষিত বিশেষ ট্রেন চালানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: গিগ কর্মীদের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক, নয়া নিয়ম রাজ্য সরকারের

    এদিকে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী মোতায়ন করা হয়েছে। আর দোলের দিন শিয়ালদা ডিভিশনে বহু লোকাল ট্রেন বাতিল থাকবে। এমনকি হাওড়া ডিভিশনও বাতিল করা হয়েছে ৬৬টি লোকাল ট্রেন। যার তালিকা ইতিমধ্যে পূর্ব রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে সকালের বেশিরভাগ ট্রেন এই দিন বন্ধ থাকতে পারে বলেই রেলের সূত্র মারফৎ খবর। তাই আগেভাগেই এই দিন যাত্রার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে বেরোবেন।

  • মার্চে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের জন্য একগাদা ছুটি, দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    মার্চে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের জন্য একগাদা ছুটি, দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: আজ থেকে মার্চ মাস পড়ে গিয়েছে। আর এই মাসেই বাংলার সরকারি কর্মীদের জন্য ছুটির বন্যা বইয়ে দেবে রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। দোল থেকে শুরু করে ঈদ ও অন্যান্য উৎসবের জেরে এক ধাক্কায় অনেক ছুটি পেতে চলেছেন সরকারি কর্মীরা। আর এই ছুটিগুলিকে কাজে লাগিয়ে একা কিংবা পরিবারকে নিয়ে কোথাও ঘুরেও আসতে পারেন। চলুন সরকার কবে কবে ছুটি ঘোষণা করেছে সে বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।

    মার্চ মাসে একগুচ্ছ ছুটির ঘোষণা সরকারের

    দোল ও হোলির ছুটি- মাসের শুরুতেই রয়েছে টানা দুদিনের ছুটি। আগামী ৩রা মার্চ মঙ্গলবার দোলযাত্রা উপলক্ষে এন.আই অ্যাক্ট (N.I. Act) অনুযায়ী ছুটি থাকছে। ঠিক তার পরদিন অর্থাৎ ৪ মার্চ বুধবার রাজ্য সরকারের বিশেষ ছুটি হিসেবে হোলি পালিত হবে।যে কারণে ছুটি থাকবে। এই দু’দিনের ছুটিকে কাজে লাগিয়ে আপনি পুরুলিয়া, ঘাটশিলা, দিঘা অনায়াসেই ঘুরে আসতে পারেন। কিংবা কোথাও দুদিনের জন্য স্টেকেশনও করতে পারেন।

    এরপর আগামী ১৭ই মার্চ (মঙ্গলবার) শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি উপলক্ষে সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এরপর মাসের শেষে ২৬শে মার্চ (বৃহস্পতিবার) রাম নবমী এবং ৩১শে মার্চ (মঙ্গলবার) মহাবীর জয়ন্তী উপলক্ষেও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই ছুটিগুলিকে কাজে লাগিয়ে আপনি একদিনের জন্য কিংবা ডে ট্যুর করে নিতে পারেন।

    আরও পড়ুনঃ গর্ভবতী মহিলাদের ৫০০০, কন্যা সন্তান হলে ৬০০০ দিচ্ছে সরকার, কীভাবে আবেদন?

    ইদ-উল-ফিতর: এই মাসে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম বড় উৎসব ইদও অনুষ্ঠিত হবে। ২০শে মার্চ শুক্রবার ইদের আগের দিন হিসেবে বিশেষ ছুটি এবং ২১শে মার্চ শনিবার ইদ-উল-ফিতর উপলক্ষে এন.আই অ্যাক্ট অনুযায়ী ছুটি থাকবে। এছাড়া আবার ২২ মার্চ রবিবার পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে আপনি হাতে এক টানা তিনদিন পাচ্ছেন ছুটি কাটানোর জন্য। একদিনে জন্য হলেও পাহাড়ে ঘুরে আসতে পারেন। সরকারি কর্মীদের ক্যালেন্ডার দেখে নিজেদের ভ্রমণের পরিকল্পনা সাজিয়ে নিতে পারেন।

    মার্চে কতদিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে?

    এই মাসে অর্থাৎ মার্চ মাসে, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে মোট ১৮ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। আরবিআই কর্তৃক প্রকাশিত ক্যালেন্ডার অনুসারে, আগামী মাসে, পাঁচটি রবিবার এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার ছাড়াও, বিভিন্ন স্থানে ব্যাংক ১১ দিন বন্ধ থাকবে। এই মাসের ৩রা মার্চ দেশের বেশিরভাগ রাজ্যে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। অতএব, যদি আপনার আগামী মাসে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকিং কাজ থাকে, তাহলে আপনাকে এই ছুটির দিনগুলি মনে রাখতে হবে।

  • চূড়ান্ত তালিকায় নামের পাশে “DELETED” দেখাচ্ছে? কী করবেন জেনে নিন

    চূড়ান্ত তালিকায় নামের পাশে “DELETED” দেখাচ্ছে? কী করবেন জেনে নিন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (SIR In Bengal)। তালিকা প্রকাশের পরে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বহু নাম বাদ পড়ার খবর সামনে আসছে। সূত্র মারফৎ খবর, রাজ্যজুড়ে প্রায় ৬৫ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। আর কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্রেও বহু নাম বাদ গিয়েছে। খসড়া তালিকায় সেখানে প্রায় ৪৪,৭৮৬ জনের নাম বাদ পড়েছিল। আর চূড়ান্ত তালিকায় আরও যুক্ত হয়েছে ২৩২৪ জনের নাম। তবে সবথেকে বড় সমস্যা, জীবিত থাকা সত্ত্বেও অনেকের নামের পাশে “DELETED” দেখাচ্ছে। এক্ষেত্রে কী করবেন?

    কেন ডিলিট হতে পারে নাম?

    আসলে এসআইআর প্রক্রিয়ায় সাধারণত মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আর অন্যত্র স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম মুছে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি একই নাম একাধিক জায়গায় থাকলে সেগুলিকে সংশোধন করে “DELETED” লেখা হয়েছে। কিন্তু কখনো কখনো ভুলবশত বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেও জীবিত ভোটারদের নাম বাদ পড়ে যেতে পারে।

    নাম ডিলিট হলে কী করবেন?

    জীবিত থাকা সত্ত্বেও যদি আপনার নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ডিলিট দেখায়, তাহলে চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। কারণ, নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তা সংশোধন করে নিতে পারবেন। এর জন্য আপনি ডিইও-র কাছে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে তালিকা প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন জানাতে হবে। আর প্রয়োজনে পরিচয়ের প্রমাণপত্র দিতে হবে। আর যদি সে আপনার আবেদন খারিজ করে দেয়, সেক্ষেত্রে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্যের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসারের কাছে আপিল করতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: মাসের প্রথম দিনে সোনা, রুপোর দামে মহা পরিবর্তন! আজকের রেট

    অনলাইনেও করা যাবে আবেদন

    এদিকে নির্বাচন কমিশনের সরকারি পোর্টাল voters.eci.gov.in এবং electoralsearch.eci.gov.in এ সরাসরি আপনি আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনার এপিক নম্বর ব্যবহার করে নিজের তথ্য যাচাই করতে হবে। তারপর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। এমনকি সংশ্লিষ্ট বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলও-র যোগাযোগের তথ্য আপনি সেখান থেকে পেয়ে যাবেন। এছাড়াও সরাসরি বিএলও-র মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। তবে যদি আপিল প্রক্রিয়াতেও সমাধান না হয়, সেক্ষেত্রে ৬ নম্বর ফর্ম জমা দিয়ে নতুন করে ভোটার হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন করতে হবে। ১৮ বছর পূর্ণ হলেই আবেদন করা সম্ভব।

  • কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বাতিল একগুচ্ছ ফ্লাইট

    কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বাতিল একগুচ্ছ ফ্লাইট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। এদিকে ইজরায়েলের বিমান হামলায় প্রাণ গিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির। এই ঘটনা রীতিমতো গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে রেখে দিয়েছে। যুদ্ধের আগুন আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে ইরান-মার্কিন-ইজরায়েলের চলমান সংঘাতের মাঝেই সাধারণ মানুষের হয়রানি শুরু হল। আকাশথ বন্ধ করে দেওয়ায় ভারত থেকে সমস্ত ফ্লাইট বাতিল (Flight Cancelled) করা হয়েছে এবং যাত্রীরা দিল্লি বিমানবন্দরে ভিড় করছেন। এদিকে কলকাতা বিমানবন্দরের (Kolkata Airport) তরফেও মধ্যপ্রাচ্যগামী বহু বিমান বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এহেন ঘটনার জেরে বেজায় সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

    কলকাতা থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী বহু বিমান বাতিল

    এয়ার ইন্ডিয়া এবং ইন্ডিগোর বিমান বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। কলকাতা বিমানবন্দর (Kolkata Airport) থেকে কাতার এবং সৌদি আরবগামী একাধিক বিমান বাতিল করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের (Iran Israel War) কিছু অংশের উপর দিয়ে বড় ধরনের আকাশসীমা বন্ধের পর, ১ মার্চ ৪৪৪টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে, সিভিল এভিয়েশন ডিরেক্টরেট জেনারেল (DGCA) জানিয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি, একই আকাশসীমা বিধিনিষেধের কারণে ভারতীয় অভ্যন্তরীণ বিমান সংস্থাগুলি ইতিমধ্যে ৪১০টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় মৃত্যু খামেনির! কী হবে এবার ইরানের?

    কলকাতা থেকে দুবাইগামী ফ্লাই Emirates, কলকাতা থেকে দোহাগামী Qatar এয়ারলাইন্সের বিমান, কলকাতা থেকে আরবিয়ার বিমান, এবং কলকাতা থেকে আবু ধাবীগামী ইথিয়াদ এয়ার ওয়েসের বিমান বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে যাত্রীদের আগাম কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ যাত্রীদের। যার ফলে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে ব্যাপক ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয় বলেও অভিযোগ। যদিও সমগ্র পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে দেশগুলি।

    কী বলছে DGCA?

    ডিজিসিএ জানিয়েছে যে মন্ত্রকের যাত্রী সহায়তা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (পিএসিআর) যাত্রীদের সমস্যাগুলি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করছে। এক্স-এর একটি পোস্টে, DGCA জানিয়েছে যে সম্ভাব্য ফ্লাইট ডাইভারশন পরিচালনা করতে এবং যাত্রীদের সুষ্ঠুভাবে সহায়তা করার জন্য প্রধান বিমানবন্দরগুলি সতর্ক রয়েছে। যাত্রী সহায়তা, বিমান সংস্থার সমন্বয় এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ পরিচালনার জন্য বিমানবন্দরগুলিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মোতায়েন করা হয়েছে।

  • বাংলায় SIR তালিকা থেকে বাদ কত সংখ্যালঘুর নাম? রিপোর্টে চাঞ্চল্য

    বাংলায় SIR তালিকা থেকে বাদ কত সংখ্যালঘুর নাম? রিপোর্টে চাঞ্চল্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সকল অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রকাশ পেয়েছে SIR-এর চূড়ান্ত তালিকা। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে গতকাল শনিবার নির্বাচন কমিশনের তরফে চূড়ান্ত তালিকা (SIR In Bengal) প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে এই তালিকা প্রকাশ পেতেই চক্ষু চড়কগাছ হয়েছে সকলের। নাম বাদ পড়েছে কয়েক লক্ষ মানুষের। সাড়ে ৬৩ লক্ষেরও বেশি নাম বাদ গিয়েছে। তবে চাপ নেই, নাম বাদ গেলেও পুনরায় আবেদন কয়রা যাবে বলে খবর। যদিও আজ কথা হবে, এবারের তালিকা থেকে কতজন সংখ্যালঘুর নাম বাদ গেল সে বিষয়ে। তাহলে চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    কতজন সংখ্যালঘুর নাম বাদ গেল?

    মুখ্য নির্বাচন কর্মকর্তা মনোজ কুমার আগরওয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন যে এসআইআর-এর পরে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ৭০,৪৫৯,২৮৪। তিনি আরও জানিয়েছেন যে বাংলায় ৬০ লক্ষেরও বেশি মানুষ এখনও বিচারাধীন বিভাগে রয়েছেন। তবে, এসআইআর-এর পরে প্রস্তুত ভোটার তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ৬৬ লক্ষ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যাইহোক, এদিকে মালদা থেকে মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলি বছরের পর বছর ধরে নির্বাচনে বড় ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু এবারে SIR-এর চূড়ান্ত তালিকা থেকে বহু জনের নাম বাদ পড়েছে। সেই রিপোর্টই এখন সামনে এসেছে।

    রিপোর্টে চাঞ্চল্য

    এক রিপোর্ট অনুযায়ী, মালদায় খসড়া তালিকায় ২ লক্ষ ১ হাজার ৮৭৩ জনের নাম বাদ গিয়েছিল। চূড়ান্ত তালিকায় সংখ্যাটা ২ লক্ষ ২০ হাজার ১৫৩। সেই অনুযায়ী বিচার করলে আরও ১৮ হাজার ২৮০ নাম বাদ গিয়েছে। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদে খসড়া তালিকায় নাম বাদ গিয়েছিল ২ লক্ষ ৭৮ হাজার জনের। আর চূড়ান্ত তালিকায় বাদ গেল আরও ১৪ হাজার ৯৮৫ নাম, সব মিলিয়ে প্রায় ২ লক্ষ ৯৩ হাজার। জেলায় খসড়া তালিকায় নাম বাদ গিয়েছিল ৭ লক্ষ ৯২ হাজারের উপর। চূড়ান্ত তালিকায় দেখা গেল নাম বাদ গেছে আরও ১ লক্ষ ৪২ হাজার ২৯৭ জনের।

    আরও পড়ুনঃ মাসের প্রথম দিনে সোনা, রুপোর দামে মহা পরিবর্তন! আজকের রেট

    আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় খসড়া তালিকায় ৮লক্ষ ১৮ হাজার ৪৩২ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল, শনিবারের চূড়ান্ত তালিকায় দেখা গেল ৮৭ হাজার ৫৪৮ জন ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। এ নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম। তাঁর বক্তব্য, “ওরা যতই ফন্দি করুক, অমিত শাহ যতই মুর্শিদাবাদকে ভয় পান, যতই বাঙালি ভোটার কাটুন, বাংলাকে কাটাতে পারবে না। আমরা কেউ অনুপ্রবেশকারী নই, আমরা কেউ রোহিঙ্গা নই।”