Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • DA কাণ্ডে রাজ্যের কাছে গেল কড়া চিঠি, চাপে পড়বে নবান্ন?

    DA কাণ্ডে রাজ্যের কাছে গেল কড়া চিঠি, চাপে পড়বে নবান্ন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে সরকারের গলায় ডিএ বিষয় (Bengal DA Issue) যেন কাঁটার মতো হয়ে আছে। বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রশমন হওয়ার নামই নিচ্ছে না সরকারি কর্মীদের। শীঘ্রই যদি বকেয়া টাকা না মেটানো হয় তাহলে ফল ভালো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। চলতি মার্চ মাসেই বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতার প্রথম কিস্তি দেওয়ার কথা। কিন্তু এখনও অবধি সেই টাকা মেটানোর বিষয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেনি সরকার। যাইহোক, এরই মাঝে অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের কাছে মেল দেওয়া হল সরকারি কর্মীদের পক্ষ থেকে।

    DA নিয়ে সরকারকে চিঠি

    কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় মেলের একটা ছবি ফেসবুকে তুলে ধরেন। সেইসঙ্গে লেখেন, ‘সকলের জন্য ডিএ চাই। অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের কাছে মেল মারফত পত্র।’ মেল অনুযায়ী,

    (১) আপনার স্মারক নং ৩৯৬-এফ(পি), ১৯৯-এফ(পি) এবং ১৯৮-এফ(পি) আদেশনামা গত ৩০.০১.২০২৬ তারিখে জারি হয়েছে এবং ০৬.০২.২০২৬ তারিখের মধ্যে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। এটি একটি দীর্ঘদিনের বিষয়। ঘটনাক্রমে আদেশনামাটি ০১.০২.২০২৬ থেকে ০৬.০২.২০২৬ রাত ৮টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত গোপন রাখা হয়েছিল, যা বিধানসভা নির্বাচনের কোড অব কন্ডাক্ট জারির ৪০ মিনিট আগে (০৬.০২.২০২৬) মুখ্যমন্ত্রীকে নাটকীয়ভাবে ঘোষণা করার সুযোগ করে দিতে পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে এবং এর কোনও সদুত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

    (২) আদেশনামা নং ৩৯৮-এফ(পি), ৩০.০১.২০২৬-এর ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে—
    “The modalities for release of arrears of Dearness Allowance/Dearness Relief, as applicable, may be notified by the respective Administrative Departments thereafter with the concurrence of Finance Department.”

    অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তরগুলিকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। এর ফলে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

    (৩) উপরন্তু, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য কোষাগার থেকে বেতন/পেনশন প্রাপ্য সকল কর্মচারী একসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন—যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

    (৪) আদেশনামা নং ৩৯৮-এফ(পি), ৩০.০১.২০২৬ অনুযায়ী ‘Rule making authority’ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

    (৫) এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বেতন/পেনশনের তথ্য এইচ.আর.এম.এস পোর্টালে আপলোডের বিষয়ে দপ্তরের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে কর্মচারীদের প্রাপ্য বকেয়া নির্ধারণে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    (৬) আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বেতন/পেনশনের তথ্যভান্ডার প্রস্তুত করা জরুরি হলেও, বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি—এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অতএব, উপরোক্ত বিষয়গুলি বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার নিকট বিশেষভাবে আবেদন জানাচ্ছি।

  • পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ শিয়ালদা ডিভিশনের (Sealdah railway division) সবথেকে নোংরা রেল স্টেশন কোনটি? প্রথমেই নিশ্চয়ই আপনার মাথায় আসবে শিয়ালদা ডিভিশনের পার্ক সার্কাস স্টেশনের নাম। এই স্টেশনের ওপর দিয়ে যারা রোজ যাতায়াত করেন কিংবা একবার হলেও করেছেন তাঁরাই জানবেন স্টেশন ঢোকার মুখে বা ছাড়ার সময়ে চামড়ার গন্ধ কেমন হয়। সেইসঙ্গে ভাগাড় তো রয়েইছেই। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, এখন সেই নোংরা স্টেশনের (Dirtiest Railway Station) তকমা হারিয়েছে, এখন অন্য দুইটি স্টেশন সবথেকে বেশি নোংরা হয়ে উঠেছে। নাম শুনলে হয়তো চমকে যাবেন।

    শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি?

    এমনিতে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক, ভারতীয় রেল, সারা দেশে ৭,৪৬১টি রেল স্টেশন পরিচালনা করে। তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বেশিরভাগ রেল স্টেশনের আধুনিকীকরণ প্রচেষ্টা এবং উল্লেখযোগ্য সংস্কার সত্ত্বেও, কয়েকটি ভারতীয় ট্রেন স্টেশন এখনও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং আধুনিক স্বাস্থ্যবিধির মানের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে পারছে না। দিনে দিনে আরও যেন নোংরা হয়ে উঠছে। রোজ সেই স্টেশনগুলির ওপর যাতায়াত করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। যাইহোক, আজ কথা হচ্ছে শিয়ালদা বিভাগের সন্তোষপুর এবং বাঘাযতীন রেল স্টেশন নিয়ে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। বর্তমানে এই দুটি রেল স্টেশন সবথেকে নোংরা স্টেশন হিসেবে পার্ক সার্কাসকেও পেছনে ফেলে দিয়েছে।

    সম্প্রতি পূর্ব রেল যেখানে শিয়ালদহ স্টেশনে চার হাজার বর্গফুট এলাকা থেকে ৫০ টন বর্জ‌্য পরিষ্কার করা হয়েছে, সেখানেই সন্তোষপুর এবং বাঘাযতীন স্টেশনে ৪,০০০ বর্গফুট এলাকা থেকে ১০০ টন করে আবর্জনা সরানো হয়েছে। অন্যান্য প্রধান এলাকাগুলোর মধ্যে মগরাহাটে ২,০০০ বর্গফুট থেকে ৩৫ টন, পাতিপুকুর ও টালায় ৩০ টন করে, এবং বিধাননগর ও কলকাতা স্টেশনে ২০ টন করে আবর্জনা সরানো হয়েছে।রেল একটি পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালায়। সেখানেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এরই সঙ্গে তালিকায় রয়েছে লেক গার্ডেন থেকে শুরু করে সোদপুর, সোনারপুর, হালিশহর, আগরপাড়া, নিউ গড়িয়া, টালিগঞ্জ স্টেশন থেকে কয়েকশো টন নোংরা সরিয়েছে পূর্ব রেলওয়ের এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হাউসকিপিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগ।

    আরও পড়ুনঃ ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে স্বদেশী বুলেট ট্রেন, ১৬টি হাই-স্পিড ট্রেন সেটের অর্ডার

    ভারতের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি?

    এছাড়া আপনি কি জানতে ইচ্ছুক ভারতের কোন রেল স্টেশন সবথেকে নোংরা? ভারতীয় রেলওয়ের রেল স্বচ্ছ পোর্টাল অনুসারে, দক্ষিণ রেলওয়ে জোনের চেন্নাই রেলওয়ে বিভাগের তামিলনাড়ুর পেরুঙ্গালাথুর রেলওয়ে স্টেশনটি ভারতের সবচেয়ে নোংরা রেলওয়ে স্টেশন হওয়ার কুখ্যাত তকমা পেয়েছে। এছাড়াও, দেশের সবচেয়ে নোংরা স্টেশনগুলির মধ্যে আরও অসংখ্য রেল স্টেশন রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিহারের পাটনা, মুজাফফরপুর এবং আরারিয়া কোর্ট রেল স্টেশন, উত্তর প্রদেশের ঝাঁসি ও বরেলি রেল স্টেশন, এবং তামিলনাড়ুর ভেলাচেরি ও গুডুভানচেরি রেল স্টেশন।

  • ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেলে ট্রাইবুনালে করা যাবে আবেদন, জানুন প্রসেস

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেলে ট্রাইবুনালে করা যাবে আবেদন, জানুন প্রসেস

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দীর্ঘ টালবাহানার মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে শেষ হয়েছে এসআইআর বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া (SIR in Bengal)। ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে প্রায় ৬০ লক্ষের বেশি নাম বিচারাধীন অবস্থায় বা আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন অবস্থায় রয়েছে। এমনকি সেই সমস্ত ভোটারদের নথি যাচাই করছে জুডিশিয়াল অফিসাররা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এই নথি যাচাইয়ের পরেও একটি বৃহৎ অংশের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে কী উপায়?

    না, চিন্তার কারণ নেই। তালিকা থেকে নাম বাদ গেলে আবারও ট্রাইবুনালে (SIR Tribunal) আবেদন করা যাবে। এমনকি অনলাইন, অফলাইন দু’ভাবে আবেদন করতে পারবেন। আর সেখানে আবেদন খতিয়ে থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, রাজ্যে ১৯টি ট্রাইবুনাল তৈরি হয়েছে। আর সেখানেই ভোটারদের সমস্ত অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হবে। কিন্তু এই ট্রাইবুনালের জন্য কীভাবে আবেদন করবেন তা জানতে হলে পড়ুন এই প্রতিবেদনটি।

    কীভাবে আবেদন করবেন ট্রাইবুনালে?

    যেমনটা জানালাম, ট্রাইবুনালে অনলাইন এবং অফলাইন দু’ভাবেই আবেদন করা যাবে। অনলাইনে আবেদন করতে গেলে প্রথমে কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://ecinet.eci.gov.in এ গিয়ে আপিল করতে হবে। এছাড়া ইসাইনেট অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি অফলাইনে আবেদন করতে চান, সেক্ষেত্রে ডিএম, এসডিও বা এডিএম অফিসে গিয়ে সমস্ত ডকুমেন্ট জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে। তারপর সংশ্লিষ্ট অফিস থেকেই আপনার নথি ডিজিটালাইজ করে পোর্টালে আপলোড করে দেওয়া হবে। তারপর আপনি ট্রাইবুনালে গিয়ে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারবেন।

    এদিকে বেশ কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী খবর, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এই ট্রাইবুনাল গঠন করেছেন। রাজ্যজুড়ে মোট ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠিত হয়েছে। যেমন—

    • কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের তরফ থেকে উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা ট্রাইবুনাল।
    • প্রাক্তন বিচারপতি দীপক সাহা রায়ের তত্ত্বাবধানে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ট্রাইবুনাল।
    • প্রাক্তন বিচারপতি তপন সেনের তত্ত্বাবধানে পূর্ব মেদিনীপুরের ট্রাইবুনাল।
    • প্রাক্তন বিচারপতি প্রণব কুমারকে দেওয়া হয়েছে কোচবিহার ট্রাইবুনালের দায়িত্ব।
    • প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগকে দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ট্রাইবুনালের দায়িত্ব।

    আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের DA বিজ্ঞপ্তিতেও ভিজল না চিঁড়ে, এবার কলকাতা হাইকোর্টে নতুন মামলা

    এছাড়াও কলকাতা হাইকোর্টের বিভিন্ন বিচারপতিরা ট্রাইবুনালের দায়িত্বে রয়েছেন। যেমন প্রাক্তন বিচারপতি রঘুনাথ রায়, অশোক কুমার, মীরা দারা, দেবীপ্রসাদ দে প্রমুখ। আর প্রত্যেকটি জেলার জন্যই আলাদা আলাদা বিচারপতিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরাই এই ট্রাইবুনালে মামলা নিষ্পত্তি করবেন। এমনকি এ বিষয়ে কমিশনার তরফ থেকে অফিসিয়াল নোটিশ জারি করে দেওয়া হয়েছে।

  • ৩০০ ছুঁই ছুঁই, LPG সঙ্কটের মাঝে বাড়ল চিকেনের দাম

    ৩০০ ছুঁই ছুঁই, LPG সঙ্কটের মাঝে বাড়ল চিকেনের দাম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে দেশজুড়ে জ্বালানির হাহাকার দেখা দিয়েছে। রান্নার গ্যাস সংকট এখনও কাটেনি বেশ কয়েকটি জেলায়। আর এর মাঝেই সাধারণ মানুষের জন্য এল বড় দুঃসংবাদ। রান্নার গ্যাসের দামবৃদ্ধির (Cooking Gas) পর এবার এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়ানো হল মুরগির মাংসের দাম (Chicken Price Hike)। মাথায় হাত পড়ল মধ্যবিত্তদের।

    বাড়ল মুরগির দাম

    পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে জ্বালানি সরবরাহের শৃঙ্খল ভেঙে পড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে জীবনের প্রতিটি স্তরে। পর্যাপ্ত সিলিন্ডার না থাকায় ধুঁকছে হোটেল ও রেস্তরাঁগুলি। অনেক জায়গায় পরিষেবা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এই অবস্থায় চিকেনের দামও বেশ বেড়েছে। রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার মুরগির মাংসের দাম ২৫০-২৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রায় কম বেশি প্রতিদিনই নাকি দাম বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে কেজি প্রতি চিকেনের দাম ১৮০-১৯০ টাকা থেকে বাড়তে বাড়তে আড়াইশোর গণ্ডি ছাড়িয়েছিল। এই প্রসঙ্গে খামার মালিকরা জানাচ্ছেন বর্তমানে মুরগি উৎপাদন খরচ বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই, তাই এইভাবে দাম বাড়ছে।

    ব্রয়লার মুরগিদের ভ্যাকসিনের আকাল

    বাজারে খাসির মাংস বা মাটনের দাম ক্রমেই বেড়ে চলেছে। তার উপর ব্রয়লার মুরগিও দামবৃদ্ধির কারণে নিম্নবিত্তদের হাতের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। রাজ্য পোলট্রি ফেডারেশনের বক্তব্য, ব্রয়লার মুরগিদের যে ভিটামিন এবং ভ্যাকসিন দেওয়া হয়, তা মূলত আসে বিদেশ থেকে। যুদ্ধের প্রভাবে তাতে ভাঁটা পড়েছে। অন্যদিকে ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ফেডারেশন-এর সাধারণ সম্পাদক মদনমোহন মাইতি বলেন, ‘সারা দেশে চিকেনের দাম বেড়েছে। এ রাজ্যে গরম তেমন না পড়লেও, অন্যান্য রাজ্যে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। তার ফলে মুরগির উৎপাদন কমায় দাম বাড়ছে।” তবে আশা করা যাচ্ছে খুব দ্রুত এই দাম নাগালে আসবে।

    আরও পড়ুন: জাহান্নামে যাবে! রেড রোডে ঈদের মঞ্চে মোদিকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ তকমা মমতার

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটের আগেও কলকাতায় চিকেনের দাম কেজি প্রতি ৩০০ টাকা ছুঁয়েছিল। সে বার অবশ্য অতিরিক্ত গরমের জন্য মুরগির উৎপাদন কমে গিয়েছিল। কিন্তু ঈদের মরশুমে এইভাবে দাম বাড়ায় বেশ চিন্তায় পড়েছে সকলে। এদিকে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে অটোর জ্বালানির দাম যে হারে বেড়েছে, তাতে কার্যত দিশেহারা অটোচালকরা। প্রথম দফায় বেড়েছিল কয়েক দিন আগে প্রতি লিটারে ৫ টাকা বেড়ে দাম হয়েছিল ৬২.৬৮ টাকা। আজ এক ধাক্কায় আরও ৮ টাকা বাড়ল দাম। বর্তমানে এলপিজির দাম লিটার প্রতি ৭০.৬৮ টাকা। এবার ভাড়া বাড়ানোর পথে হাঁটতে চলেছে অটোচালকেরা।

  • তুমুল তুষারপাত, ৬ ইঞ্চি সাদা বরফে ঢাকল সান্দাকফু

    তুমুল তুষারপাত, ৬ ইঞ্চি সাদা বরফে ঢাকল সান্দাকফু

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণে গোটা রাজ্যে আবহাওয়ার আচমকা পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। উত্তর থেকে দক্ষিণ কোথাও ভারী বৃষ্টি, কোথাও শিলাবৃষ্টি হয়েই চলেছে। সঙ্গে ৪০-৫০ কিমি বেগে কালবৈশাখীও হচ্ছে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি চলবে। তার সঙ্গে পাহাড়ের উঁচু এলাকায় থাকবে তুষারপাত (Snowfall) হওয়ার সম্ভাবনা। আর সেই পূর্বাভাসকে সত্যি করে দার্জিলিঙের (Darjeeling) সান্দাকফুতে ধরা পড়ল আবহাওয়ার এক অন্য রূপ। সেখানে এইমুহুর্তে চলছে প্রবল তুষারপাত (Heavy Snowfall In Sandakfu) ।

    তুমুল তুষারপাত সান্দাকফুতে

    গত কয়েক দিন ধরেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের জেরে রাজ্যের বেশির ভাগ জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়েই চলেছে। শুক্রবার রাতভর টানা বৃষ্টিতে ভিজে গেছে দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ, শনিবার সকালেও তার রেশ ছিল। ঠাণ্ডা হওয়ার স্পর্শে বোঝা মুশকিল যে এইমুহুর্তে মার্চ মাস চলছে। এমতাবস্থায় উত্তরবঙ্গে তুষারপাতের এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখল রাজ্যবাসী। প্রায় ছয় ইঞ্চি পুরু বরফে ঢেকে গিয়েছে সান্দাকফুর রাস্তাঘাট। তুমুল তুষারপাতে শতাধিক পর্যটক আটকে পড়েছেন। পাশাপাশি উত্তর ও পূর্ব সিকিমেও তুষারপাত চলছে অনবরত।

    আটকে বহু পর্যটক

    সিকিমের লাচেন থেকে থাঙ্গু, থাঙ্গু থেকে গুরুদোংমার – একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ইউমথাং ভ্যালি থেকে জিরো পয়েন্টের পথও অচল। যদিও চুংথাং থেকে লাচুং ও মঙ্গনের কিছু রাস্তা খোলা রয়েছে, সেখানে হালকা যান চলাচলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্ন্যাল বলেন, ‘‘তুষারপাতের জেরে এখনও পর্যন্ত প্রায় শতাধিক পর্যটক সান্দাকফুতে আটকে রয়েছেন। ফলে অন্য উপায়ে যতটা পরিমাণ বরফ সরানো যায় সেই কাজ চলছে। সুরক্ষিত ভাবে পর্যটকদের যাতে নীচে নামিয়ে আনা যায়, সেই চেষ্টাই চালানো হচ্ছে।’’

    আরও পড়ুন: আসানসোলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতু, চাঞ্চল্য এলাকায়

    প্রসঙ্গত, মার্চ মাস মানেই শীতের মরসুম পেরিয়ে এ বার গরমের পালা। কিন্তু মার্চের শেষের দিকে সেই গরমের দাপট একেবারে নেই। উল্টে এই সময় সান্দাকফুতে এমন তুষারপাত হওয়ায় চিন্তিত আবহবিদেরা। জানা গিয়েছে, আগামীকালও দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে ২৪ মার্চ পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া এবং বজ্রবিদ্যুৎ এর সম্ভাবনা রয়েছে।

  • রবিবার আসানসোল ডিভিশনে বাতিল একগাদা ট্রেন, তালিকা দিল পূর্ব রেল

    রবিবার আসানসোল ডিভিশনে বাতিল একগাদা ট্রেন, তালিকা দিল পূর্ব রেল

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পূর্ব রেলের (Indian Railways) যাত্রীদের জন্য বড় খবর। জানা যাচ্ছে, আসানসোল ডিভিশনের বিভিন্ন শাখায় রবিবার অর্থাৎ আগামীকাল ট্র্যাক রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য বেশকিছু ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে। এছাড়াও রেলের এই বিশেষ কাজের কারণে একটি ট্রেন তার নির্ধারিত সময় থেকে দেরিতে ছুটবে আবার কিছু ট্রেন সংক্ষিপ্ত যাত্রা শেষ করবে বলেই রেল সূত্রে খবর। কোন কোন ট্রেন বাতিল থাকছে আর কোন ট্রেনগুলিই বা সংক্ষিপ্ত যাত্রা করবে দেখে নিন গোটা তালিকা।

    কোন কোন ট্রেন বাতিল থাকছে?

    পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, আগামীকাল অর্থাৎ 22 মার্চ, রবিবার আসানসোল ডিভিশনের নরগঞ্জ-ঝাঝা শাখা থেকে শুরু করে পারাজ ডাউন, রাজবাধ-দুর্গাপুর, পানাগর-মানকর আপ লাইন, ওয়ারিয়া-অন্ডাল শাখার আপ লাইন, রানীগঞ্জ-কালিপাহাড়ি শাখার আপ লাইন, মধুপুর থেকে নাওয়াপাত্র শাখার আপ লাইন, জসিডি-দেওঘর সহ আসানসোল ডিভিশনের একাধিক শাখায় আগামীকাল দিনের বিভিন্ন সময়ে চলবে ট্র্যাক রক্ষণাবেক্ষণের কাজ। আর সে কারণেই বেশকিছু ট্রেনের গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করেছে রেল। বাতিল থাকছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনও।

    পূর্ব রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামীকাল 63561 আসানসোল-জেসিডি মেমু প্যাসেঞ্জার, 63565 জেসিডি-ঝাঝা মেমু প্যাসেঞ্জার, 63566 ঝাঝা-জসিডি মেমু প্যাসেঞ্জার, 63545 অণ্ডাল-জসিডি মেমু প্যাসেঞ্জার, 63546 জসিডি-অণ্ডাল মেমু প্যাসেঞ্জার, 63298 ঝাঝা-দেওঘর মেমু প্যাসেঞ্জার, 63509 বর্ধমান-ঝাঝা মেমু প্যাসেঞ্জার, 63511,63513, 63549, 63517 বর্ধমান-আসানসোল মেমু প্যাসেঞ্জার, 63510 ঝাঝা-বর্ধমান মেমু প্যাসেঞ্জার, 63512, 63514, 63516 আসানসোল-বর্ধমান মেমু প্যাসেঞ্জার, 63552 আসানসোল-অণ্ডাল মেমু প্যাসেঞ্জার, 63550 অণ্ডাল-বর্ধমান মেমু প্যাসেঞ্জার, 73481 দুমকা-জসিডি মেমু প্যাসেঞ্জার, 73484 জসিডি-দুমকা ডেমু প্যাসেঞ্জার, 63547 জসিডি-বাঁকা মেমু প্যাসেঞ্জার এবং 63548 বাঁকা-জসিডি মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি বাতিল থাকছে।

    অবশ্যই পড়ুন: এবার আপনাকে বাড়িতেও পৌঁছে দেবে রেল! Railone App-এ নতুন পরিষেবা

    বাকি ট্রেনগুলির তালিকা

    রবিবার আসানসোল ডিভিশনে ট্র্যাক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য 13331 ধানবাদ-পাটনা জংশন ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ধানবাদ থেকে 1 ঘন্টা 20 মিনিট দেরিতে চলবে। এছাড়া 63209 দেওঘর-পাটনা জংশন মেমু প্যাসেঞ্জার ঝাঝা থেকে সংক্ষিপ্ত যাত্রা শুরু করবে এবং দেওঘর ও ঝাঝার মধ্যে এই ট্রেনের পরিষেবা বাতিল থাকবে। একই সাথে 17321 ভাস্কো দা গামা-জসিডি সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস মধুপুরে তার সংক্ষিপ্ত যাত্রা শেষ করবে এবং মধুপুর ও জসিডির মধ্যে এই ট্রেনের পরিষেবা আগামীকাল বাতিল থাকছে।

  • আসানসোলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতু, চাঞ্চল্য এলাকায়

    আসানসোলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতু, চাঞ্চল্য এলাকায়

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ভোট আদায়ের তাগিদে প্রতি কেন্দ্রে প্রার্থীদের ভিড় যেন বেড়েই চলেছে। এমতাবস্থায় আসানসোলে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতু (Bridge Collapsed In Asansol), তুমুল উত্তেজনা এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের জন্য ব্রিজ ভেঙে পড়েছে, প্রশাসনের দিকে আঙুল তুলছে সকলে।

    আসানসোলে ভাঙল নির্মীয়মাণ সেতু

    আসানসোল পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়গড় এলাকায় নুনিয়া নদীর উপরে যাতায়াতের সুবিধার জন্য একটি সেতু নির্মাণের কাজ করা হচ্ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার সকালে হুড়মুড়িয়ে সেতুর লোহার কাঠামো ভেঙে পড়ে। সাতসকালে ব্রিজ ভেঙে পরে যাওয়ার আওয়াজে আশেপাশের স্থানীয়রা ছুটে আসেন। হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। জানা গিয়েছে, আজ, সেতুর উপরের অংশে ঢালাই করার কথাও ছিল। এবং বিধানসভা ভোটের আগে সেতুর কাজ শেষ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল স্থানীয়দের। কিন্তু এইভাবে সেতু ভেঙে পড়ায় ক্ষুব্ধ সকলে। অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের জন্য এই পরিণতি।

    সেতু নির্মাণের জন্য দুই কোটি টাকা ধার্য

    বহু বছর ধরে আসানসোলের ধেমোমেন, গোপালপুর, সাতাশা কুলটির সীতারামপুর বিদায়গড়–সহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের প্রায় ২০ হাজার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য সেতু নির্মাণের দাবি তুলেছিলেন স্থানীয়রা। কিন্তু প্রতিবার কোনো না কোনো কারণে এই কাজে বাঁধা আসছিল, তবে এখন যেই কাজ শুরু হচ্ছে ওমনি নির্মিত সেতু ভেঙে পড়েছে। জানা গিয়েছে এই সেতুর জন্য নাকি প্রায় দুই কোটি টাকা ধার্য করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা মন্টু রজক অভিযোগের সুরে জানিয়েছেন, এই সেতু দিয়ে প্রত্যেক দিন বহু মানুষ ও যানবাহণ যাতায়াত করে। তাই উপযুক্ত গুণমানের সামগ্রী ব্যবহার করা না–হলে মানুষের বিপদ বাড়বে। পুর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: টিকিট না পেয়ে একের পর এক বোমা ফাটালেন দিলীপ পত্নী! রিঙ্কুর নিশানায় কে?

    আসানসোলের বিদায়গড় অঞ্চলের মেয়র বিধান উপাধ্যায় জানিয়েছেন, “ব্রিজটা নির্মাণ অবস্থায় কেন এমন হলো, তা নিয়ে বিস্তারিত খোঁজ করা হবে।” সেতু ভাঙার কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। রাজ্য সরকারের একাংশের বিরুদ্ধে চুরি, অবহেলা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা।

  • কমবে সময়! মালদহ ডিভিশনে বিরাট পদক্ষেপ রেলের

    কমবে সময়! মালদহ ডিভিশনে বিরাট পদক্ষেপ রেলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রেল যাত্রীদের জন্য চরম সুখবর (Indian Railways)! এবার থেকে আর ঘন্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হবে না ট্রেনে! পূর্ব রেলের মালদহ (Malda)ডিভিশনের উদ্যোগে রেল পরিষেবাকে আরও গতিশীল এবং আধুনিক করে তুলতে নিউ ফারাক্কা-আজিমগঞ্জ শাখার মনিগ্রাম ও মহিপাল রোড স্টেশনের মাঝে নওপাড়া মহিষাসুর হল্ট স্টেশনটিতে চালু করা হলো ইন্টারমিডিয়েটের ব্লক সিগন্যালিং ব্যবস্থা। এর ফলে এখন থেকে আর সিগন্যালের জন্য সমস্যায় পড়তে হবে না ট্রেন চালকদের। ফলে কমবে, ট্রেনে সফরের সময়ও।

    সুবিধা হবে যাত্রীদের

    পূর্ব রেল সূত্রে খবর, মনিগ্রাম এবং মহিপাল রোড স্টেশনের মাঝে নওপাড়া মহিষাসুর হল্টে যে নতুন ইন্টারমিডিয়েটেড ব্লক সিগন্যালিং ব্যবস্থা চালু করা হল তাতে এবার থেকে ট্রেন চলাচলের গতি যেমন বাড়বে তেমনই সিগন্যালিংয়ের ক্ষেত্রেও দ্রুত কাজ হবে। মালদহ রেল ডিভিশন সূত্রে খবর, এই বিশেষ প্রকল্পের অধীনে মনিগ্রাম স্টেশনের সিমেন্সের ইলেকট্রনিক্স ইন্টারলকিং ব্যবস্থাতেও কিছু বদল এসেছে। মূলত ইন্টারমিডিয়েটেড ব্লক ব্যবস্থা কার্যকর করার জন্যই এমন পদক্ষেপ।

    রেল সূত্রে খবর, মহিপাল রোড স্টেশনের ইন্টারলকিং সিস্টেমেও বড় বদল এসেছে। একই সাথে একটি নন ইন্টারলকড লেভেল ক্রসিং গেটকেও ইন্টারমিডিয়েটেড ব্লক সিগন্যালিং ব্যবস্থার সাথে যুক্ত করা হয়েছে। এক কথায়, যাত্রী সুবিধার কথা মাথায় রেখে এবং ট্রেনের সিগন্যালিং ব্যবস্থা কার্যকর করে তোলার জন্যই এমন ব্যবস্থা নিয়েছে রেল। এ প্রসঙ্গে মালদহ ডিভিশনের ডিআরএম মনিশ কুমার গুপ্তা স্পষ্ট জানিয়েছেন, টেলিকম ইঞ্জিনিয়ার ও সিনিয়র ডিভিশনাল সিগনাল রাজেন্দ্র কুমারের তত্ত্বাবধানেই সমস্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

    রেল আধিকারিকদের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন সিগনালিং ব্যবস্থা চালু করার ফলে এবার থেকে পূর্বের প্রায় 12 কিলোমিটার দীর্ঘ ব্লক সেকশনকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি ব্লক সেকশন 6 কিলোমিটার করে। আসলে ট্রেনের গতি বৃদ্ধি এবং যাত্রীদের সফরের সময় কমাতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে রেল। তাছাড়াও এতদিন রেল যাত্রীরা অভিযোগ করে আসছিলেন এই লাইনে সিগন্যালের জন্য বারবার দাঁড়িয়ে পড়ে গাড়ি। এই সমস্যা কমাতেই এই নয়া ব্যবস্থা।

     

    অবশ্যই পড়ুন: IPL-এ খবর আছে প্রতিপক্ষের, দ্বিতীয় রাসেল পেয়ে গেল KKR!

    প্রসঙ্গত, নতুন সিগন্যালিং ব্যবস্থা চালু করার পাশাপাশি অপারেটিং স্টাফদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও শুরু করেছে রেল। যাক আগামী এক সপ্তাহ ধরে চলবে। নওপাড়া মহিষাসুর হল্ট স্টেশনে নতুন সিগন্যালিং ব্যবস্থা চালু হয়ে যাওয়ায় মালদহ ডিভিশনে ট্রেন পরিষেবা অনেকটাই উন্নত হবে বলেই আশা করছেন রেলের আধিকারিকরা।

  • পশ্চিমবঙ্গ সরকারের DA বিজ্ঞপ্তিতেও ভিজল না চিঁড়ে, এবার কলকাতা হাইকোর্টে নতুন মামলা

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের DA বিজ্ঞপ্তিতেও ভিজল না চিঁড়ে, এবার কলকাতা হাইকোর্টে নতুন মামলা

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় এখনো অবধি ডিএ (Dearness allowance)-র প্রথম কিস্তি টাকা পাননি সরকারি কর্মীরা। অপরদিকে শীঘ্রই সপ্তম পেতন পে কমিশন লাগু হবে বলে নিজেদের ইস্তেহারে ঘোষণা করেছে তৃণমূল। এক কথায় যত সময় এগোচ্ছে ততই বকেয়া DA বা মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে। তবে এসবের মাঝেই এবার ষষ্ঠ বেতন পে কমিশনের (6th Pay Commission) মামলা গড়াল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্য সরকারের তুলনা টেনে এনে এবার আদালতেই মামলা করলেন সরকারি কর্মীরা। অর্থাৎ বিধানসভা ভোটের মুখে নতুন এক চাপের মুখে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    এবার হাইকোর্টে ষষ্ঠ বেতন পে কমিশন মামলা

    ষষ্ঠ বেতন পে কমিশন নিয়ে মামলা করেছে ‘ইউনিটি ফোরাম’ নামের একই সংগঠন। বিচারপতি মধুরেশ প্রসাদের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংগঠনের তরফে মামলায় দাবি করা হয়েছে। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের প্রথম কিস্তির ডিএ অল ইন্ডিয়া প্রাইস ইনডেক্স (AICPI) অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে। জানিয়ে রাখি, বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৫৮% হারে ডিএ পাচ্ছেন। সেখানে বাংলার সরকারি কর্মীরা এতদিন ১৮ শতাংশ হারে মহার্ঘ্য ভাতা পাচ্ছিলেন। তবে রাজ্য বাজেটে আরও ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অর্থাৎ সরকারি কর্মীরা এখন ২২ শতাংশ হারে ডিএ পাবেন। তারপরেও কেন্দ্রের সঙ্গে বাংলার সরকারের ডিএ ফারাক ৪০%, যা নিঃসন্দেহে চোখে পড়ার মতো।

    আরও পড়ুনঃ বকেয়া DA থেকে নতুন পে কমিশন, বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

    বিস্ফোরক দাবি আবেদনকারীদের

    অর্থাৎ পঞ্চম বেতন কমিশনের পাশাপাশি এখন ষষ্ঠ বেতন পে কমিশন নিয়েও আইনি লড়াইয়ে ফাঁসল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আবেদনকারীদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের তুলনায় এখনও প্রায় ৪০ শতাংশ কম ডিএ পাচ্ছেন রাজ্যের কর্মীরা। এই বৈষম্য দূর করতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। এর আগে পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, ভবিষ্যতে ডিএ নির্ধারণ করতে হবে অল ইন্ডিয়া প্রাইস ইনডেক্স মেনেই। কিন্তু সেই নির্দেশ বাস্তবায়িত হয়নি বলেই অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ক্ষেত্রেও একই নীতি কার্যকর করার দাবিতে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    সূত্রের খবর, আগামী ৬ এপ্রিল এই মামলার প্রথম শুনানি হতে পারে। অর্থাৎ বিধানসভা ভোটের মুখে আরও একটা কমিশন সংক্রান্ত মামলা। এদিকে সরকার সপ্তম বেতন পে কমিশন লাগুর বিষয়ে বড় তথ্য দিয়েছে সরকার। সরকার ইস্তেহারে সপ্তম বেতন পে কমিশন চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সরকার জানিয়েছে, রাজ্যে নতুন পে কমিশন গঠন করে সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, পেনশনভোগী এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন কাঠামোয় সামঞ্জস্য আনা হবে। এরইসঙ্গে সকল কর্মীদের মন জয় করার স্বার্থে ডিএ ছাড়াও একের পর এক কাজ করছে সরকার। অর্থ বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তম পে কমিশন চালু হলে ডিএ-সহ অন্যান্য ভাতা এবং বেতনের গঠন নতুন করে নির্ধারিত হতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে কর্মচারীদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি হবে। যদিও এই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, আদৌ শুরু হবে কিনা তা এখনই জোর দিয়ে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

     

  • বকেয়া DA থেকে নতুন পে কমিশন, বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

    বকেয়া DA থেকে নতুন পে কমিশন, বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে অপেক্ষা যেন শেষ হওয়ার নামই নিচ্ছে না বাংলার সরকারি কর্মীদের। ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে চলতি মার্চ মাসে প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আরও একটি কিস্তির টাকা চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে রিলিজ করা হবে বলে খবর। যদিও সরকারের ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না কর্মীরা। যাইহোক, এরই মাঝে ভোটের মুখে ইস্তেহার প্রকাশ করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সেই ইস্তেহারে DA মেটানো থেকে শুরু করে সপ্তম বেতন পে কমিশন (7th Pay Commission) চালু এবং সামগ্রিক বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ইস্তেহারে সপ্তম বেতন পে কমিশন চালুর প্রতিশ্রুতি

    সম্প্রতি বাংলায় বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ২০০৯ রোপা অনুযায়ী বকেয়া ডিএ ধাপে ধাপে মেটানো হবে। এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি অবধি জারি করে রাজ্য অর্থ দফতর। সেখানে বলা হয়, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল অর্থাৎ মাত্র ৪৮ মাসের বকেয়া টাকা মেটানো হবে কর্মীদের। বাকিটা কবে কী দেওয়া হবে তা পরে জানানো হবে। যাইহোক, এদিকে ইস্তেহারে কিন্তু কেন্দ্রীয় হারে ডিএ সংক্রান্ত কোনও উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এই রাজ্যের বিপুল পরিমাণ বকেয়া টাকা আটকে রয়েছে, বাড়ছে আর্থিক চাপ। ফলে এক কালীন বা বিশাল বড় অঙ্কের ডিএ দেওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু সরকার ইস্তেহারে সপ্তম বেতন পে কমিশন চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ হাওড়া-শিয়ালদা লাইনে বাতিল ৪৭টি লোকাল, বহু ট্রেনের সময়ও বদলাল রেল

    তবে কি শীঘ্রই লাগু হচ্ছে? বেতন, পেনশন বাড়ছে? সরকার জানিয়েছে, রাজ্যে নতুন পে কমিশন গঠন করে সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, পেনশনভোগী এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন কাঠামোয় সামঞ্জস্য আনা হবে। এরইসঙ্গে সকল কর্মীদের মন জয় করার স্বার্থে ডিএ ছাড়াও একের পর এক কাজ করছে সরকার। অর্থ বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তম পে কমিশন চালু হলে ডিএ-সহ অন্যান্য ভাতা এবং বেতনের গঠন নতুন করে নির্ধারিত হতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে কর্মচারীদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি হবে। যদিও এই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, আদৌ শুরু হবে কিনা তা এখনই জোর দিয়ে বলা সম্ভব হচ্ছে না।