Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • এক্সট্রা বোনাস, এই কর্মীরা পাবে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা! বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর

    এক্সট্রা বোনাস, এই কর্মীরা পাবে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা! বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দুর্গাপুজো ও ঈদের আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিরাট ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। উৎসবের কথা মাথায় রেখে অ্যাড-হক বোনাস এবং সুদ মুক্ত ফেস্টিভাল অ্যাডভান্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে। জানা যাচ্ছে, এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্ন (Nabanna) একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। আর সেখানে চলতি বছর কর্মীদের আর্থিক স্বস্তি দিতে আগের তুলনায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। তাই উৎসবের মরসুমে সরকারি কর্মচারীদের মুখে যে হাসি ফুটবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এরা পাবে ২২ হাজার টাকা উৎসব অগ্রিম

    নবান্নের তরফ থেকে জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট বেতনসীমার মধ্যে থাকা কর্মচারীরা এবার সুদমুক্ত ফ্যাসিভ্যাল অ্যাডভান্স পাবে। সেক্ষেত্রে যাদের মাসিক বেতন ৪৬ হাজার টাকার বেশি এবং ৫৪ হাজার টাকার মধ্যে, তারাই এই সুবিধার আওতায় আসবে। আর এই সমস্ত কর্মচারীরা সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত উৎসব অগ্রিম নিতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। আর সবথেকে উল্লেখ করার বিষয়, গত বছর বেতন সীমা ছিল ৪৪ হাজার টাকা থেকে ৫২ হাজার টাকার মধ্যে। অর্থাৎ, চলতি বছরে সেই সীমা আরও ২ হাজার টাকা বাড়ানো হল। আর একইভাবে গত বছর উৎসবের অগ্রিম পরিমাণ ছিল ২০ হাজার টাকা। এবার তা ২২ হাজার টাকা করা হয়েছে।

    বাড়ানো হয়েছে অ্যাড-হক বোনাস

    এদিকে যে সমস্ত কর্মচারীর মাসিক বেতন ৪৬ হাজার টাকা কিংবা তার কম, তারা এবার অ্যাড হক বোনাস পাবে বলে জানানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে বোনাসের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৪০০ টাকা। গত বছর এই পরিমাণ ছিল মাত্র ৬৮০০ টাকা। অর্থাৎ, এবারও গত বছরের তুলনায় ৬০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে অ্যাড-হক বোনাস।

    পেনশনভোগীদের জন্য বড় ঘোষণা

    অন্যদিকে রাজ্য সরকারি পেনশনভোগীদের কথাও মাথায় রেখেছে। যাদের মাসিক পেনশন ৪০ হাজার টাকার মধ্যে, তারা এবার উৎসব উপলক্ষে বিশেষ অনুদান পাবে। হ্যাঁ, এবার ৩৮০০ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে উৎসবের মরসুমে। আর গত বছর এই হার ছিল ৩৫০০ টাকার। ফলে তারাও এবার থেকে ৩০০ টাকা করে বেশি পাবে।

    নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, যে মুসলিম কর্মীদের ঈদ-উল-ফিতরের আগেই এই সুবিধা দিয়ে দেওয়া হবে। আর অন্যান্য কর্মচারীরা ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর এর মধ্যেই বোনাস পাবে। অর্থাৎ দুর্গাপুজোর আগে এই বোনাস হাতে আসবে। তবে এই উৎসব অগ্রিম সম্পূর্ণ সুদমুক্ত হলেও পরে দশটি কিস্তিতে বেতন কেটে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। সরকার জানিয়েছে যে, ৩১ আগস্ট ২০২৭ এর মধ্যে এই টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী, সেই স্ট্রিট লাইটে নেই বাল্ব! সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ

    তবে হ্যাঁ, শুধুমাত্র রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা হন, বরং আরও কয়েকটি ক্ষেত্রের কর্মীরা এই সুবিধার আওতায় আসবে। সেক্ষেত্রে তালিকায় পড়ছে সরকারি এবং সরকারপোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা, রাজ্য সরকারের অধীনস্থ সংস্থার কর্মচারীরা এবং পারিবারিক পেনশনভোগী ও অতিরিক্ত পেনশনভোগীরা। এছাড়াও যে সমস্ত সরকারি সংস্থায় কর্মীদের মাসিক বেতন ১০ হাজার টাকা কিংবা তার কম, সেখানে কর্মীরা ৩৫০০ টাকা বোনাস পাবে বলে জানানো হয়েছে।

  • খামেনিকে কটূক্তি করায় গ্রেফতার বিষাক্ত ছেলে প্রহ্লাদ মাইতি? জানালেন খোদ ইউটিউবার

    খামেনিকে কটূক্তি করায় গ্রেফতার বিষাক্ত ছেলে প্রহ্লাদ মাইতি? জানালেন খোদ ইউটিউবার

    সৌভিক মুখার্জী, বারাসত: মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের আবহে সম্প্রতি খামেনির (Ali Khamenei) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বাংলাজুড়ে চলা প্রতিবাদ মিছিলের বিরুদ্ধে সরব হয়ে একটি ভিডিও বানিয়েছিলেন বারাসতের জনপ্রিয় ইউটিউবার প্রহ্লাদ মাইতি (Prahlad Maity) ওরফে ‘বিষাক্ত ছেলে’। তবে সেই ভিডিওকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় রাজনৈতিক জলঘোলা। ধর্মীয় ভাবাবেগকে আঘাত করা হয়েছে এমনটা দাবি করে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা তাঁর বিরুদ্ধে বসিরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল, এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল যে প্রহ্লাদ মাইতিকে নাকি গ্রেফতার করা হয়েছে! তবে সমস্ত জলপথের অবসান ঘটালেন ইউটিউবার নিজেই।

    ঘটনাটি কী?

    আসলে জানিয়ে রাখি, গত ২ মার্চ প্রহ্লাদ মাইতি একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। আর সেখানে তিনি বলেছিলেন, যে ইরান ভারতের থেকে কত দূরবর্তী একটি দেশ। আর এখানকার ধর্মীয় নেতা আয়তুল্লা আলি খামেনিকে ইজরায়েল আর আমেরিকা যৌথভাবে মেরে ফেলেছে। খামেনি ইতিহাসের সবথেকে জঘন্যতম মানুষ ছিলেন, মহিলাদের উপর অত্যাচার করতেন এবং নিজের ধর্মের মানুষদেরকে মারতেন। তাঁর মৃত্যুর প্রতিবাদেই ভারতবর্ষের মুসলিমরা পথ নেমেছে। এমনকি আন্দোলন করছে। পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলার সময় কাউকে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। এমনকি আরজি কর ঘটনার সময়ও কেউ পথে নামেনি।

    তবে তাঁর সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই নেট নাগরিকরা সমালোচনা করতে থাকে। কেউ কেউ বলে, প্রহ্লাদ মাইতি মুসলিম ধর্মের মানুষদের ভাবাবেগকে আঘাত করছে। আবার কেউ কেউ তাঁর এই ভিডিওকে প্রশংসাও করে। তবে চাপে পড়ে বিষাক্ত ছেলে ওরফে প্রহ্লাদ মাইতি নিজের ভিডিওটি সন্ধ্যাবেলা ইউটিউব এবং ফেসবুক থেকে ডিলিটও করে দেয়। এমনকি তাঁকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড় হয়। অনেকের দাবি, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে জঘন্যতম মন্তব্য করেছেন তিনি। তাঁর অবিলম্বে শাস্তির দরকার। আর সেই সূত্রেই বসিরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    আরও পড়ুন: রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ সৌরভের

    জল্পনার অবসান ঘটালেন প্রহ্লাদ মাইতি নিজেই

    তবে আজ ফেসবুকে তুষার দাস নামের তাঁর ঘনিষ্ঠ ইউটিউবারের পেজ থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করে প্রহ্লাদ মাইতি নিজেই জানান যে, আমাকে কোনও রকম গ্রেফতার করা হয়নি। কিন্তু এই ভিডিওটি প্রকাশের পর আমাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্নরকম ভাবে ট্রোল করা হচ্ছে, এবং অহেতুক গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমি ধর্মীয় ভাবাবেগকে আঘাত করে ওই ভিডিও বানাইনি। আমার বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। কিন্তু আমাকে গ্রেফতার করা হয়নি। আমার আইনজীবী প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলছেন। তবে এটুকু বলে রাখি, গুজবে কান দেবেন না আর আমি রিলাক্সেই আছি। সমস্তটা সময়েই বলা হবে।

  • ফুড সেফটিতে কত নম্বরে বাংলা? রাজ্য সরকারের রিপোর্ট দেখে খুশি হাইকোর্ট

    ফুড সেফটিতে কত নম্বরে বাংলা? রাজ্য সরকারের রিপোর্ট দেখে খুশি হাইকোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বর্তমান সময়ে বাংলার (West Bengal) প্রতিটি খাবারের মধ্যেই এখন ভেজাল থাকে। এদিকে চিকিৎসকরা বারংবার খাবারে ভেজাল সম্পর্কে সতর্ক করে চলেছে সুস্থতার ক্ষেত্রে। কারণ খাবারের মেশানো রাসায়নিক দ্রব্য শরীরে বিপদ ডেকে আনে। আর এই আবহে খাবারে ভেজাল ও কৃত্রিম রঙের ব্যবহার রুখতে এবং খাবারের গুণগতমান নিয়মিত যাচাইকরণ নিয়ে রাজ্য সরকার (Government Of West Bengal) নিল এক বড় পদক্ষেপ। যা নিয়ে এবার বেশ প্রশংসা করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।

    খাদ্যে ভেজাল নিয়ে জনস্বার্থ মামলা

    রিপোর্ট মোতাবেক, সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে দিনের পর দিন খাবারে ভেজাল থাকা নিয়ে এক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, কাঁচা সবজি, মাছ, মাংস, দুধ, ফল, রাস্তার খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার, মিষ্টি জাতীয় খাবারে ভেজাল ও বিভিন্ন পানীয় দ্রব্যে কৃত্রিম রঙের ব্যবহার করা হচ্ছে, যা খুবই ভয়ংকর। এতে শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রত্যেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তাই সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকার কী ভূমিকা নিচ্ছে। এবার সেই মামলায় প্রশংসা অর্জন করল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার, হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেয়, যা দেখে রীতিমত সন্তোষ প্রকাশ করে ডিভিশন বেঞ্চ।

    রিপোর্ট জমা দিল রাজ্য সরকার

    রাজ্যের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, বর্তমানে জেলা, পুরসভা এবং ব্লক স্তরে মোট ১৭৬ জন ফুড সেফটি অফিসার কাজ করছেন। এর পাশাপাশি জেলাগুলিতে রয়েছেন ২৮ জন আধিকারিক এবং ৩ জন রাজ্য খাদ্যদ্রব্য তদন্তকারী আধিকারিক। নিয়ম অনুযায়ী ফুড সেফটি অফিসাররা প্রতি মাসে অন্তত ২৫টি খাদ্য নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠান। সেই পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এছাড়াও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের খাদ্য সুরক্ষা সূচক বা Food Safety Index-এ পশ্চিমবঙ্গ বর্তমানে ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে। যেখানে, ২০১৯ সালে এই সূচকে রাজ্যের অবস্থান ছিল ১৫তম। অর্থাৎ খাদ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের অগ্রগতি বেশ উল্লেখযোগ্য।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল নেতার উসকানিতে তরোয়াল দিয়ে একের পর এক কোপ! মালদায় বাচ্চাদের ঝামেলায় প্রাণ গেল ব্যক্তির

    প্রসঙ্গত, এই জনস্বার্থ মামলায় আদালত রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে যে, প্রতি মুহূর্তে খাদ্যের গুণগত মান ও শুদ্ধতা যাচাইকরণ নিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরকে তৎপর থাকতে হবে। যদি খাদ্যদ্রব্যে ব্যবসায়ীদের কোনও ত্রুটি বা ভুল ধরা পড়ে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরে কর্মীর যাতে কোনো অভাব না হয়, সঙ্গে সঙ্গে নিয়ম মেনে শূন্যপদে নিয়োগ করতে হবে। এরপরই সেই জনস্বার্থ মামলাটির নিষ্পত্তি করে দেয় আদালত।

  • দীর্ঘদিনের দাবিতে সাড়া, এবার চার লেন হবে বারাকপুর-বারাসত রোড

    দীর্ঘদিনের দাবিতে সাড়া, এবার চার লেন হবে বারাকপুর-বারাসত রোড

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দীর্ঘদিনের যানজট নিয়ে ক্রমেই অসুবিধায় পড়ছে এলাকাবাসী, বারাকপুরের লাইফ লাইন বলে পরিচিত বারাকপুর-বারাসত রোড (Barrackpore Barasat Four Lane Project) সম্প্রসারণ করা নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হয়েছিল। অবশেষে সেই আবেদনে সাড়া দিল পূর্তদপ্তর। ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে এবার ওই দু’লেনের রাস্তা চার লেন করা হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে এই রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ।

    যানজটের সমস্যা বারাকপুর-বারাসত রোডে

    উল্লেখ্য, বারাকপুরের ১৫ নম্বর রেলগেটের উপর থাকা উড়ালপুল থেকে ওয়্যারলেস মোড় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা চওড়া করার দাবি তুলেছিল স্থানীয়রা। কারণ নোনা চন্দনপুকুর বাজারের সামনে রাস্তার ধারেই রয়েছে স্কুল, বিভিন্ন অফিস, ক্লাব, সুইমিং পুল। কিন্তু রাস্তাটি খুবই সরু হওয়ায় ফলস্বরূপ অফিস টাইমে যাতায়াত করা খুবই কষ্টকর হয়ে ওঠে। এদিকে এই সমস্যা শুধুই নোনা চন্দনপুকুর নয়, মসজিদ মোড়, মাঠপাড়া, জাফরপুর মোড় এই জায়গাগুলিতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। তাই ওই রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য স্থানীয় বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী পূর্তমন্ত্রী পুলক রায়ের কাছে আবেদন করেন এবং সেই আবেদনে পরে সবুজ সংকেত দেয় পূর্তদপ্তর।

    বরাদ্দ হতে চলেছে ২০ কোটি টাকা

    রিপোর্ট মোতাবেক, বারাসত বারাকপুরের এই রাস্তা চার লেনের জন্য ২০ কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। এর মধ্যে বিদ্যুতের খুঁটি সহ বিভিন্ন ইউটিলিটি সার্ভিস সরানোর জন্য ছ’কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। কয়েকদিন আগেই পূর্ত দফতর, কেএমডিএ, বিদ্যুৎ দফতর এবং পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা রাস্তাটি পরিদর্শন করে হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে রাস্তার দু’ধারে নর্দমা নির্মাণ করা হবে। আর তখনই বিদ্যুতের খুঁটি ও মাটির নীচে থাকা পাইপলাইন সরানোর কাজও চলবে। এই কাজের জন্য প্রায় আট কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আগামী এক বছরের মধ্যেই চার লেনের কাজ সম্পূর্ণ হবে। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী জানান, এই রাস্তাটির সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি ছিল।

    আরও পড়ুন: দোলে ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ, বাজেয়াপ্ত ২৫ লিটার মদ

    রাজ্য সরকারের এই প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় খুব খুশি এলাকার মানুষজন। নোনা চন্দনপুকুর বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এই রাস্তা সম্প্রসারিত হলে সাধারণ মানুষের খুবই উপকার হবে। বাজারের সময় এত ভিড় হয় এই রাস্তায় যান চলাচল থমকে যায়। সরকার অত্যন্ত ভালো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। প্রশাসনের দাবি, এই সম্প্রসারণের ফলে যানজট অনেকটাই কমবে এবং বারাকপুর ও বারাসত সংযোগ আরও মসৃণ হবে।

  • মার্চে কবে ঢুকবে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা? বড় আপডেট!

    মার্চে কবে ঢুকবে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা? বড় আপডেট!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে 500 টাকা করে বাড়ানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প লক্ষী ভান্ডারের (Lakshmir Bhandar) মাসিক ভাতা। এর ফলে সাধারণ শ্রেণীর মহিলারা 1500 এবং তপশিলি জাতি এবং উপজাতিভুক্ত মহিলারা 1700 টাকা করে পাচ্ছেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে এই বর্ধিত অর্থ ঢুকতে শুরু করেছে বাংলার মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। কিন্তু আজ মার্চের চতুর্থ দিন। এ মাসে কি তাহলে দেরি হবে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা পেতে? কবে ঢুকবে এই বিশেষ প্রকল্পের মাসিক ভাতা?

    মার্চে কবে ঢুকবে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা?

    পুরনো উপভোক্তাদের পাশাপাশি যাঁরা নতুন করে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন করেছিলেন তাঁদের টাকা দেওয়ার কাজও শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। গত মাস অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি থেকেই নতুন আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে লক্ষ্মীর ভান্ডারের মাসিক ভাতা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে কমপক্ষে 20.62 লাখ মহিলাকে এই বিশেষ প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে রাজ্যজুড়ে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের মোট সুবিধাভোগীর সংখ্যা 2 কোটি 42 লাখ।

    আরও পড়ুনঃ ৩৭ লক্ষ মানুষের অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! কারা পেলেন?

    সাধারণত, প্রত্যেক মাসের প্রথম সপ্তাহেই উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরে পাঠিয়ে দেওয়া হয় লক্ষীর ভান্ডারের মাসিক অর্থ। তবে বেশ কয়েকটি সূত্র বলছে, এ মাসে প্রশাসনিক কিছু কারণে এবং বিপুল সংখ্যক নতুন উপভোক্তার তথ্য যাচাইয়ের জন্য টাকা দিতে সামান্য দেরি হলেও হতে পারে। কয়েকজন সরকারি আধিকারিকের বক্তব্য, নতুন করে যেহেতু লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে প্রচুর আবেদন জমা পড়েছে, ফলে নতুন এবং পুরনো সকলকে বর্ধিত ভাতা দিতে ব্যাঙ্কিং প্রক্রিয়ায় সামান্য সময় লাগতে পারে। সে ক্ষেত্রে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা পেতে খুব বেশি হলে দু একদিন দেরি হতে পারে বলেই মনে করছেন কেউ কেউ।

    অবশ্যই পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ যুদ্ধের মাঝে গোপনে মারণ ড্রোন ‘শেষনাগ 150’ তৈরি করছে ভারত!

    কয়েকটি সরকারি সূত্র মারফত খবর, যাই হয়ে যাক মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকে যেতে পারে লক্ষ্মীর ভান্ডারের অর্থ। যদি সেটা নাও হয়, চিন্তার কোনও কারণ নেই। মনে করা হচ্ছে, টেকনিক্যাল বা পদ্ধতিগত সমস্যা থাকলেও তা কাটিয়ে মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে বা তার আগেই উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এ পাঠিয়ে দেওয়া হবে মাসিক অর্থ। যদিও এ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

  • দোলে ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ, বাজেয়াপ্ত ২৫ লিটার মদ

    দোলে ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ, বাজেয়াপ্ত ২৫ লিটার মদ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: প্রতি বছর দোলের দিন শহর জুড়ে একের পর এক নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকে। এবারে যাতে সেই পরিস্থিতি তৈরি না হয় তাই আগেভাগেই সার্বিক নিরাপত্তার জন‍্য গুরুত্ব অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় ৩৯৮টি পুলিশ পিকেটের ব্যবস্থা করেছিল রাজ্য পুলিশ। খান্না মোড়, পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট, শ‍্যামবাজার-সহ ৮৬ টি জায়গায় বিশেষ পিকেট ছিল মঙ্গলবার। এছাড়াও নজরদারির জন‍্য মোটর বাইক এবং পিসিআর ভ‍্যানে ছিলেন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকেরা। আর রাত পোহাতেই এবার গতকালের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসল। কলকাতায় (Kolkata) গ্রেফতারির সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩০।

    ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    লালবাজারের তরফে জানানো হয়েছে, দোলের দিন মেয়েদের সঙ্গে অভব্য আচরণ এবং মত্ত অবস্থায় ঘোরাফেরা করায় এলাকায় ঝামেলার অভিযোগে সব মিলিয়ে ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ পিকেটিং থেকে শুরু করে টহলদারির জেরে, শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই গ্রেপ্তারির ঘটনা ঘটেছে। গ্রেফতারির পাশাপাশি প্রায় ২৫ লিটার মদও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ, শহরের ১০টি ডিভিশন জুড়েই এই অভিযোগ উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে আজ হোলিতেও সকাল থেকে কলকাতা পুলিশের তরফে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

    আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বড় পদক্ষেপ

    গত কয়েক বছরে দোলের দিনে বেপরোয়া ও মদ্যপ চালকদের কারণে একাধিক বড় দুর্ঘটনার নজির রয়েছে শহরে। তাই জারি করা হচ্ছে একগুচ্ছ নির্দেশিকা। মদ্যপ চালকদের কারণে একাধিক বড় দুর্ঘটনার নজির রয়েছে শহরে। আর তাতেই শহরের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন, তাই বিতর্ক ওঠার আগে ভাগেই রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্ছিদ্র রাখতে বড়সড় পদক্ষেপ করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি কঠোর নজরদারি ও তৎপরতার জেরে এ বার দোলের দিন শহরে বড় কোনও দুর্ঘটনার খবর মেলেনি।

    আরও পড়ুন: দুবাইয়ে আটকে অভিনেত্রী শুভশ্রী! ইউভানকে নিয়ে কবে ফিরবেন কলকাতায়?

    প্রসঙ্গত, দোলের দিন, গঙ্গার ঘাটগুলিতেও সমান সতর্কতা বজায় রেখেছে কলকাতা পুলিশ। বিচলিঘাট, দাইঘাট ও আউটরাম ঘাট এলাকায় জোয়ার-ভাঁটার সময় মাইকিং করে সতর্ক করা হয় সাধারণ মানুষকে। শহরের আটটি ঘাটে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণে পশ্চিম বন্দর থানা এলাকা থেকে হুগলির কোন্নগর পর্যন্ত চারটি স্পিডবোট নিয়ে টহল দেয় রিভার ট্রাফিক পুলিশ। ঘাট সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। তবে এসবের মাঝেও বেশ কয়েকটি জেলায় দুর্ঘটনার খবর উঠে এসেছে।

  • হোলির দিন মধ্যমগ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, সিলিন্ডার ফেটে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    হোলির দিন মধ্যমগ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, সিলিন্ডার ফেটে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: হোলির দুপুরে যখন সকলে আনন্দের উৎসবে মাতোয়ারা, তখন মধ্যমগ্রামে ঘটে গেল এক ভয়ংকর বিপদ (Fire Breaks Out In Madhyamgram)। রেল স্টেশনের কাছে সিলিন্ডার ফেটে ভয়াবহ আগুনে ভস্মীভূত একাধিক দোকান। প্রথমে একটি কাঠের গোলায় আগুন লাগে, তারপর একটি হোটেলে আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে এখনও অবধি এসেছে দমকলের চারটি ইঞ্জিন। সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে ট্রেন চলাচল এবং ফ্লাইওভারের ওপরেও গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

    সিলিন্ডার ব্লাস্ট মধ্যমগ্রামে

    রিপোর্ট মোতাবেক জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ বুধবার দুপুরে মধ্যমগ্রাম রেল স্টেশনের কাছেই আচমকা পরপর সিলিন্ডার ব্লাস্টের ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা, ভয়ে চিৎকার করতে করতে ছুটতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে গোটা স্টেশন চত্বর। সঙ্গে সঙ্গে দমকলকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় দমকলের চারটি ইঞ্জিন। এছাড়াও SDPO বারাসত, ডিএসপি ট্র্যাফিক-সহ পুলিশ আধিকারিকরাও এসেছেন ঘটনাস্থলে। সামনেই স্কুল থাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এখনও পর্যন্ত হতাহতের খবর মেলেনি কোনো।

    ক্ষতিগ্রত একাধিক দোকান

    ভরদুপুরে সিলিন্ডার ব্লাস্টের এই ঘটনার পর ছুটে আসেন আশেপাশের মানুষজন। অনেকেই জানান, একটি মিষ্টির দোকানে প্রথম আগুন লাগে। সেখান আগুন লাগার পর পর দোকানে ছড়াতে শুরু করে। মুহুর্তের মধ্যে আশেপাশে যত খাবারের দোকান আছে সবই আগুনের লেলিহান শিখায় পর পর সিলিন্ডার ফাটতে থাকে, দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে দোকানগুলি। প্রায় ৮-১০ টি দোকান ক্ষতির মুখে পড়েছেন কীভাবে এই সিলিন্ডার ব্লাস্ট হল কিছুই বোঝা যায়নি। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর তথা মধ্যমগ্রাম পুরসভার উপপ্রধান প্রকাশ রাহা।

    আরও পড়ুন: ফ্রিতে দেখা যাবে মোহনবাগানের ম্যাচ, বড় ঘোষণা গোয়েঙ্কার

    স্থানীয় কাউন্সিলর প্রকাশ রাহা বলেন, ‘এই দোকানগুলি কেন হলো, কী ভাবে হলো, তা নিয়ে বলতে গেলে আমাদের দিকেও প্রশ্ন উঠবে। এ নিয়ে আমার সন্দেহ নেই। তবে এখানে খাবারের দোকান থেকেই আগুন লেগেছে। সিলিন্ডার ফেটেছে। তাতেই এই ঘটনা। তবে সবটাই তদন্ত করা হচ্ছে।

  • ৯৬% কাজ শেষ নতুন চার লেনের ফারাক্কা ব্রিজের, কবে হবে উদ্বোধন?

    ৯৬% কাজ শেষ নতুন চার লেনের ফারাক্কা ব্রিজের, কবে হবে উদ্বোধন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এবার সড়কপথে দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ যাওয়া আরও সহজ হতে চলেছে। কাজ একপ্রকার শেষের পর্যায়ে। আজ কথা হচ্ছে নতুন ফারাক্কা ব্রিজ (New Farakka Bridge) নিয়ে। শিলিগুড়ি এবং কলকাতার মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীরা শীঘ্রই স্বস্তি পাবেন। আসলে গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত ভারতের দীর্ঘতম নতুন ফারাক্কা সেতু শীঘ্রই নাকি উদ্বোধন হতে চলেছে। এই চার লেনের নতুন ব্রিজটি একবার উদ্বোধন হয়ে গেলে ভ্রমণের সময় কয়েক ঘন্টা কমে যাবে।

    কবে উদ্বোধন হবে নতুন ফারাক্কা ব্রিজের?

    এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গঙ্গা নদীর উপর এই নতুন সেতুর নির্মাণকাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যেই সমস্ত পিলার বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। যার ফলে শীঘ্রই যানবাহনগুলি এই চার লেনের সেতুটি ব্যবহার করতে পারবে। পুরাতন ফারাক্কা ব্যারেজের কাছে গঙ্গার উপর ৫.৪৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নতুন চার লেনের সেতুটি এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক, পর্যটন এবং সামাজিক দৃশ্যপটকে বদলে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। ৬২২.০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে এই ব্রিজটি এবং ৯৬% কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

    উপকৃত হবেন উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গের মানুষ

    সম্প্রতি মালদহের জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্প পরিচালক অজয় গেটকার জানান যে এই সেতুটি উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের মানুষের জন্য একটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বপ্ন। উদ্বোধনের পর, এটি কেবল উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের জন্যই নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের বাসিন্দাদের জন্যও উপকারী হবে। এছাড়াও, কলকাতা এবং উত্তরবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।

    আরও পড়ুনঃ এক ধাক্কায় খরচ বাড়ল ৯০ হাজার কোটি, দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন নিয়ে দুঃসংবাদ!

    এর আগে যানবাহন চলাচলের জন্য ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নতুন ফারাক্কা সেতু উদ্বোধনের কথা ছিল। তবে তা পিছিয়ে যায়। যাইহোক, সেতুর উভয় দিকে মোট ৮৮টি পিলার এবং ৮৬টি স্প্যান স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও, সেতুর উভয় পাশে মোট ৩০০টি আলো লাগানোর কাজ শেষ হয়েছে। এই ব্রিজ নির্মাণের ফলে পর্যটন ব্যবসাও আরও উন্নত হবে। কুলিক পাখি অভয়ারণ্য, গৌর মালদা, আদিনা মসজিদ, সেইসাথে দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং এবং সিকিম রাজ্যের মতো পাহাড়ি ডেস্টিনেশনগুলিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের আগ্রহ বাড়বে এবং পর্যটন ব্যবসাও ফুলেফেঁপে উঠবে বলে খবর। যেহেতু ৯৬% কাজ শেষ হয়েছে, তাই ব্রিজের উদ্বোধনের আর খুব বেশি দেরি নেই বলে আশা করাই যায়।

  • DA মামলায় জোড়া চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    DA মামলায় জোড়া চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ডিএ (Dearness allowance) বা বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে সরকারের চাপ বাড়িয়েই চলেছেন কর্মীরা। কখনও মলয় মুখোপাধ্যায়রা তো আবার ভাস্কর ঘোষের নেতৃত্বাধীন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, ভোটের আগে DA প্রদান নিয়ে চাপ সৃষ্টি করছেন। এবারেও যার ব্যতিক্রম ঘটল না। মলয় মুখোপাধ্যায়ের পর এবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হল। আসন্ন বিধানসভা ভোটের মুখে সরকারের বিরুদ্ধে এহেন পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ সহকারে দেখা হচ্ছে।

    ডিএ মামলায় সরকারের বিরুদ্ধে ফের আদালত অবমাননার মামলা

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নির্দেশ দেয় সরকারি কর্মীদের বকেয়া ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে ৩১ মার্চ, ২০২৬-এর মধ্যে। বাকি টাকা কিস্তিতে দিতে হবে। এদিকে সুপ্রিম নির্দেশ পাওয়ার পরেও সরকারের তরফে কোনও হেলদোল না থাকায় সরকারি কর্মীদের ক্ষোভ আরও দ্বিগুণ হয়েছে। রাস্তায় নেমে নতুন করে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন সকলে। তবে এরই মাঝে ভাস্কর ঘোষ জানালেন, সরকারের বিরুদ্ধে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় থাকা ডিএ মামলা নিয়ে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এই মামলার শুনানি কবে হবে সেই নিয়ে এখনও অবধি জানা যায়নি।

    নজরে ১৩ মার্চ

    এদিকে ভোটের মুখে বকেয়া ডিএ সহ আরও নানা দাবিতে আগামী ১৩ মার্চ শুক্রবার রাস্তায় নামতে চলেছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। ধর্মঘট সফল করতে ইতিমধ্যে জায়গায় জায়গায় পোস্টার এবং ফ্লেক্স লাগানোর কাজ চলছে। এই প্রসঙ্গে বড় তথ্য দিয়েছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ডুয়ার্স কন্যার সামনে ধর্মঘটের স্বপক্ষে ব্যানার লাগানো হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ATM-এ টাকা তোলা থেকে ডেবিট কার্ড, ১ এপ্রিল বদলাচ্ছে HDFC ব্যাঙ্কের একাধিক নিয়ম

    একগুচ্ছ দাবি নিয়ে ১৩ মার্চ নামতে চলেছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে অবিলম্বে বকেয়া ডিএ প্রদান করতে হবে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের, যোগ্য অনিয়মিত কর্মচারীদের নিয়মতিকরণ করতে হবে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে অবিলম্বে ছয় লাখ শূন্যপদে স্বচ্ছ ও স্থায়ী নিয়োগ করতে হবে। এছাড়াও সরকারি দফতর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিটেলমেন্ট এবং প্রতিহিংসামূলক বদলি বন্ধ করতে হবে। এখন দেখার সরকার ডিএ মামলায় কর্মচারীদের ক্ষোভ প্রশমনে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করে কিনা সে বিষয়ে।

  • পার্টি অফিসে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে যৌন নির্যাতন! জলপাইগুড়িতে ধৃত বিজেপি কর্মী

    পার্টি অফিসে মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে যৌন নির্যাতন! জলপাইগুড়িতে ধৃত বিজেপি কর্মী

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্য জুড়ে বেজে গিয়েছে ভোটের দামামা, তাই এখন থেকেই সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ময়দানে নেমে পড়েছে শাসকদল থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদরা। আর এই অবস্থায় দোলের দিন জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) ঘটে গেল এক নক্কারজনক ঘটনা। জানা গিয়েছে, মানসিক ভারসাম্যহীন এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল। চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি এলাকা জুড়ে। শেষে বিজেপি কর্মীকে পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দিল উত্তেজিত জনতা।

    মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে ধর্ষণ!

    জলপাইগুড়ির বিবেকানন্দ পল্লিতে বিজেপির পার্টি অফিস রয়েছে। রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার, দোলের দিন দুপুর প্রায় একটা নাগাদ পরে মানসিক ভারসাম্যহীন এক মহিলাকে সেই পার্টি অফিস নিয়ে আসে নিতাই রায় নামে এক স্থানীয় বিজেপি নেতা। আর সেখানেই ওই মহিলাকে নির্মমভাবে শারীরিক অত্যাচার করে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা সুকুমার রায় এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন, তিনি সঙ্গে সঙ্গে জলপাইগুড়ি কোতয়ালি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নামে এবং রাতেই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার করে। আজ, বুধবার তাকে জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে হাজির করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    অভিযোগ অস্বীকার বিজেপির

    ধর্ষণের অভিযোগ উঠতেই বিজেপির দাবি, অভিযুক্ত বিজেপির সঙ্গে যুক্ত নন। দলকে কালিমালিপ্ত করতে চক্রান্ত করে এই অভিযোগ করা হয়েছে। সম্পূর্ণটাই শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পরিকল্পনা। এই প্রসঙ্গে বিজেপির জলপাইগুড়ির-সহ সভাপতি চন্দন বর্মন বলেন, “এটি সাজানো চক্রান্ত। বিজেপিকে বদনাম করার জন্যই একজন অসুস্থ মানুষ কে দিয়ে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে।” একই সঙ্গে অভিযুক্ত দলের কেউ নন বলে দাবি করেন তিনি। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কোতায়ালি থানার পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর পেছনে অন্য কোনো পারিপার্শ্বিক তথ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: গুজরাতের বোমা হুমকি ই-মেল কাণ্ডে গ্রেফতার বাংলার যুবক, তদন্তে নামল পুলিশ

    বিবেকানন্দ পল্লীর বাসিন্দাদের দাবি, ধৃত ব্যক্তি এলাকায় বিজেপির একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। ওই দলীয় কার্যালয়েই সে নিয়মিত রাত কাটাত। তাঁরা এই ঘটনায় দোষীর কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে এলাকায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, নির্যাতিতার ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আইনের নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।