Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে বাংলার সরকারি কর্মীদের আশঙ্কাই যেন সত্যি হল। বকেয়া DA প্রদানের জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে নতুন করে সময়সীমা চাইল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সাফ কথা, এখনই তাঁরা ডিএ দিতে পারবে না। যে কারণে এই মামলায় নতুন করে সর্বোচ্চ আদালতে ‘M.A’ করেছে সরকার। যদিও তা ফাইলিং হয়নি বলে খবর। এরই মধ্যে নয়া হুঁশিয়ারি দিলেন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়। তিনি জানালেন, ‘দেখা যাক, লড়াই জারি থাকবে।’

    চরম হুঁশিয়ারি সরকারি কর্মীদের

    তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘সরকার MA করলেও Filling is not done yet. দেখা যাক লড়াই জরি থাকবে।’ এরপর অপর একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নির্লজ্জ বেহায়া, আবারও এম.এ অ্যাপ্লিকেশন করলো।’ অন্যদিকে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেছেন, ‘রাজ্য M.A ফাইল করে অধিকার আটকাতে চেয়েছে। এমনকি ২৫ শতাংশ দেবার জন্যও ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সময় চেয়েছে! লড়াই জোরদার করতে হবে।’

    সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মূলত পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া DA পেতে চলেছেন রাজ্য সরকারের ৩,১৭,৯৫৪ জন কর্মচারী, সবাই নন। পাবেন রাজ্য সরকারের পেনশনাররা। তবে বৃহত্তর কর্মচারীরা (শিক্ষক,শিক্ষাকর্মী,পঞ্চায়েত ও পৌর কর্মী প্রমুখ) এই বকেয়া পাওনা থেকে বাদই থাকতে চলেছেন। রাজ্য সরকার তার ২১৫ পাতার মডিফিকেশন আবেদনে সুপ্রিম কোর্টে যে পিটিশন জমা করেছে তার আইনজীবী মারফত।

    কী বলছে রাজ্য সরকার?

    শুক্রবার, রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। তারা ডিএ মামলায় রায় কার্যকর করার জন্য আদালতের কাছে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য একটি নতুন আবেদন জমা দেয়। শুক্রবার রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে যে ডিএ প্রদানের আদেশ বাস্তবায়নে তারা বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। সরকার তাদের আর্থিক অসুবিধাগুলিও তুলে ধরেছে। এই কারণেই তারা আদালতের রায় অনুসরণ করার জন্য আরও সময় চেয়েছে। রাজ্য সরকার তাদের আবেদনে দাবি করেছে যে অল্প সময়ের মধ্যে এত বিশাল আর্থিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। সরকার ব্যাখ্যা করেছে যে মুলতুবি ডিএ গণনা করার জন্য ৩.১৭ লক্ষেরও বেশি বর্তমান কর্মচারীর পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।

    আরও পড়ুনঃ DA না দেওয়ার জন্য বিরাট যুক্তি রাজ্য সরকারের, কবে মিলবে বকেয়া? জানাল সময়

    রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে যে ২০১৬ সালের আগে, সমস্ত কর্মচারী তথ্য ডিজিটাল ছিল না। এই হাতে লেখা রেকর্ডগুলি, যা পরিষেবা বইতে রাখা হয়, যাচাই করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ফলস্বরূপ, ভোটের মুখে এই তথ্য ডিজিটালাইজেশন এবং তারপর যাচাই করার প্রক্রিয়াটি অনেক সময় নিচ্ছে। এর ফলে নতুন করে বাংলার সরকারি কর্মীরা ফের একবার অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে চলেছেন। বারবার সুপ্রিম নির্দেশ সত্ত্বেও ডিএ না পাওয়া, সরকারি কর্মীদের কাছে কতটা ধাক্কার সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

    চালু পোর্টাল

    সরকার আরও জানিয়েছে যে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের তথ্য আংশিকভাবে ‘ইন্টিগ্রেটেড ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (IFMS) তে পাওয়া যাচ্ছে এবং এই তথ্য ব্যবহার করে গণনা শুরু হয়েছে। তবে, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের তথ্যের জন্য, তারা একটি পৃথক অনলাইন পোর্টাল তৈরি করছে। যাচাইয়ের জন্য কর্মীদের এই পোর্টালে তাদের বিবরণ আপলোড করতে হবে। ফলে সবদিক থেকে বিচার করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে কমপক্ষে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। এটি ডিএ-র প্রথম ২৫% কিস্তি পরিশোধের জন্য, যা আদালত ৩১ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। এদিকে চুপ করে বসে নেই আন্দোলনকারীরাও। সরকারের এহেন পদক্ষেপের পর রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা পাল্টা সতর্কবার্তা জারি করেছেন। তারা ১৩ মার্চ, শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।

  • আজ থেকেই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে যুবসাথীর টাকা, ধরনা মঞ্চ থেকে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতার

    আজ থেকেই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে যুবসাথীর টাকা, ধরনা মঞ্চ থেকে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতার

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে বিরাট ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আজ থেকেই যুবসাথী প্রকল্পের (Banglar Yuva Sathi) টাকা বেকারদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে বলেই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। হ্যাঁ, গতকাল অর্থাৎ ৬ মার্চ থেকে এসআইআর প্রতিবাদে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী সহ তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা। আর আজ ৭ মার্চ তিনি নিজেই ঘোষণা করলেন, আজ থেকেই যুবসাথীর টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকবে। ফলে ভোটের আগেই যে বেকারদের মুখে হাসি ফোটাতে ফেলেছে শাসক দল তা স্পষ্ট।

    আজ থেকে যুবসাথীর টাকা

    বলাই বাহুল্য, চলতি বাজেটে যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছিল। যেখানে জানানো হয়েছিল, মাধ্যমিক পাস করলেই বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে। তবে তার জন্য অবশ্যই ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে বয়স হতে হবে। আগে ঠিক করা হয়েছিল, ১৫ আগস্ট থেকে এই ভাতা দেওয়া হবে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী পরে জানান যে, ১ এপ্রিল থেকেই অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে। কিন্তু আজ ধরনা মঞ্চ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ৭ মার্চ থেকেই যুবসাথীর টাকা ঢুকবে। এমনকি আন্তর্জাতিক মহিলা দিবসের উপহার হিসেবেই তিনি এই ঘোষণা করলেন।

    আরও পড়ুন: ভোটের আগে রদবদল, ৭ IAS অফিসার সহ KMC-র কমিশনারকেও সরাল নবান্ন

    এদিকে যুবসাথী আবেদনের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি শর্ত বেধে দিয়েছিল রাজ্য সরকার। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল আবেদনকারীকে অবশ্যই ২১ থেকে ৪০ বছর বয়স হতে হবে। আর রাজ্য সরকারের অন্য কোনও রকম জনমুখী প্রকল্পের আওতায় থাকা যাবে না। প্রাথমিকভাবে আগামী পাঁচ বছর প্রতি মাসে এই প্রকল্পের আওতায় আবেদনকারীরা ভাতা পাবেন বলে জানানো হয়। তবে যদি তার পরেও কেউ বেকার থাকে, সেক্ষেত্রে আবার রিভিউ নিতে পারবে। সেই অনুসারী, সকলে ভেবেছিলে হয়তো ১ এপ্রিল থেকেই এই প্রকল্পের টাকা ঢুকবে। কিন্তু তার আগেই বিরাট খুশির খবর শোনালেন মমতা।

  • ভোটের আগে রদবদল, ৭ IAS অফিসার সহ KMC-র কমিশনারকেও সরাল নবান্ন

    ভোটের আগে রদবদল, ৭ IAS অফিসার সহ KMC-র কমিশনারকেও সরাল নবান্ন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে বেশ উত্তপ্ত পরিস্থিতি রাজ্য রাজনীতিতে। আর এই ভোট আবহেই রাজ্যে এবার একাধিক আইএএস এবং ডব্লিউবিএস এগজিকিউটিভ অফিসার বদলি করল নবান্ন (Nabanna)। গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার, নবান্ন থেকে জারি হওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সাতজন IAS অফিসারের বদলি (WB IAS Officer Transfer) নতুন দায়িত্বের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    নবান্নের জরুরি বিজ্ঞপ্তি

    সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বর্তমানে কলকাতা পুরসভার মিউনিসিপ্যাল কমিশনার হিসেবে কর্মরত সুমিত গুপ্তকে ডিএলআরএস, পশ্চিমবঙ্গ পদে নিয়োগ করা হয়েছে। এবং তাঁকে কলকাতা দক্ষিণের জেলা নির্বাচন আধিকারিকের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুরসভার নতুন কমিশনারের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বসানো হয়েছে অংশুল গুপ্তাকে, এছাড়াও তাঁকে কলকাতা উত্তরের জেলা নির্বাচন আধিকারিকও করা হয়েছে। নদিয়ার বর্তমান জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্তকে বাঁকুড়ার জেলাশাসক করা হয়েছে। সিয়াদ এন উত্তর ২৪ পরগনার নতুন জেলাশাসক হয়েছেন, তিনি আগে বাঁকুড়ার জেলাশাসক ছিলেন।

    Nabanna

    রাজ্যপালের সম্মতিতেই বদলি

    প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন বিভাগের স্পেশাল সেক্রেটারি শেভালে অভিজিৎ তুকারামকে আলিপুরদুয়ারের জেলা শাসক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনাকে কেএমডিএ-র সিইও করা হয়েছে। WBSIDCL এর এমডি নিখিল নির্মলকে নদিয়ার জেলাশাসক করা হয়েছে। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সদস্য সচিব তনভির আফজলকে উত্তর দিনাজপুরের নতুন জেলাশাসক হিসেবে বসানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল এই বদলিগুলিতে সম্মতি দিয়েছেন এবং পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

    আরও পড়ুন: সাতসকালে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কলকাতায়,পাইকপাড়ায় উড়ল ক্লাবের চাল, এলাকায় আতঙ্ক

    প্রসঙ্গত, গত বছরের শেষের দিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় পরিবর্তন করেছিলেন। সেই সময় কলকাতা পুরসভার কমিশনার-সহ রাজ্যের একঝাঁক জেলার জেলাশাসক এবং অতিরিক্ত জেলাশাসকদেরও বদল করা হয়েছিল। এবার মার্চের শুরুতে ফের বদলি করা হল। আসলে সামনেই যেহেতু বিধানসভা নির্বাচন, তাই সমস্ত জেলায় নিয়ম শৃঙ্খলা সুরক্ষিত এবং নিয়ন্ত্রণ করতে এই বদল আনা হয়েছে বলে মনে করছেনরাজ্য প্রশাসনের একাংশ।

  • সাতসকালে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কলকাতায়,পাইকপাড়ায় উড়ল ক্লাবের চাল, এলাকায় আতঙ্ক

    সাতসকালে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কলকাতায়,পাইকপাড়ায় উড়ল ক্লাবের চাল, এলাকায় আতঙ্ক

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগে ভয়ংকর বিস্ফোরণ পাইকপাড়ায় (Blast At Paikpara Club)। শনিবার সকালে একের পর এক বোমা বিস্ফোরণের জেরে কেঁপে উঠল গোটা চত্বর, উড়ল ক্লাবের ছাদ, তছনছ হয়ে গেল। অনুমান এখনও ক্লাবের ভিতরে কিছু তাজা বোমা রাখা রয়েছে, তাই পুলিশ কুকুর এনে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে এবং বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড ডেকে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু কী থেকে এই বিস্ফোরণ, এখনও তা স্পষ্ট নয়।

    বোমা বিস্ফোরণ পাইকপাড়ায়

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ শনিবার, সাতসকালে পরপর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পাইকপাড়া। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে সেখানকার একটি ক্লাবের টিনের চাল উড়ে চলে যায় পাশের বাড়ির ছাদে। পাশাপাশি ক্লাবঘরে আগুনও লেগে যায়। বিস্ফোরণের খবর পেতেই ঘটনাস্থলে আসে দমকল। আপাতত আগুন নেভানোর চেষ্টা চলছে। একাধিক বিস্ফোরণের জেরে পাইকপাড়া এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর নেই। কী থেকে বিস্ফোরণ, এখনও তা স্পষ্ট নয়। তদন্তে নেমেছে চিৎপুর থানার পুলিশ।

    প্রোমোটিংয়ের জন্য ক্লাবে বিস্ফোরণ

    পাইকপাড়ার ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে বম্ব স্কোয়াড। অনুমান করা হচ্ছে, সেখানে আরও কিছু তাজা বোমা রাখা রয়েছে।তাই সেখানে ভরপুর তল্লাশি চলছে, এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে। ক্লাবের ধারেকাছে কাউকে যেতে নিষেধ করেছেন আধিকারিকরা। এদিকে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয়দের অভিযোগ প্রোমোটিংয়ের জন্য ক্লাবটির উপর এলাকার অনেকের নজর ছিল। তাই তাঁরা চাইছেন কারা এই কাণ্ড ঘটালেন, কেন ঘটালেন, পুলিশ তা খুঁজে বার করুক এবং এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক। পাশাপাশি এলাকায় পুলিশ পিকেট এবং সিসি ক্যামেরা বসানোর দাবিও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

    আরও পড়ুন: DA না দেওয়ার জন্য বিরাট যুক্তি রাজ্য সরকারের, কবে মিলবে বকেয়া? জানাল সময়

    বোমা বিস্ফোরণের জেরে ক্লাবঘরটি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভেঙে গিয়েছে দেওয়াল। ক্লাবের সেক্রেটারি জানিয়েছেন , ‘‘ক্লাবটার উপর অনেক দিন ধরে অনেকের নজর রয়েছে। ক্লাবটা তারা নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমি এটুকুই বলব, যাদের স্বার্থ আছে, তারাই এটা করেছে। পুলিশ খুঁজে বার করুক।’’ প্রসঙ্গত, কলকাতায় গত কয়েক দিন ধরে একাধিক বোমাতঙ্কের ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি স্কুল কলেজ আদালতে কিছু বোমা বিস্ফোরণের অজ্ঞাত হুমকি মেলও আসছে, যা নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়েছে প্রশাসন। তবে পুলিশ সবটাই তদন্ত করছে।

  • DA না দেওয়ার জন্য বিরাট যুক্তি রাজ্য সরকারের, কবে মিলবে বকেয়া? জানাল সময়

    DA না দেওয়ার জন্য বিরাট যুক্তি রাজ্য সরকারের, কবে মিলবে বকেয়া? জানাল সময়

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বকেয়া ডিএ (Dearness allowance)) নিয়ে নয়া জলঘোলা শুরু বাংলায়। আরও সময় চাইল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। মার্চ নয়, আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ অবধি সময়সীমা চেয়ে নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আর সরকারের এই আবেদন রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে যথেষ্ট ধাক্কার সেটা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বকেয়া ডিএ মেটাতে সময় চাইল সরকার

    সরকারের এখন সাফ কথা, ‘এখন ডিএ দিতে পারব না।’ এমনিতে গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রায় ২০ লক্ষ সরকারি কর্মচারীকে স্বস্তি দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তাদের মহার্ঘ্য ভাতা (ডিএ) প্রদানের নির্দেশ দেয়। আদালতের দাবি, এটা সরকারি কর্মীদের অধিকার। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং প্রশান্ত কুমার মিশ্রের একটি বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে ৩১ মার্চের মধ্যে তাদের কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র ২৫% পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছে। তারা বেতন প্রদানের তদারকির জন্য সুপ্রিম কোর্টের তিনজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক এবং অন্য একজন কর্মকর্তার সমন্বয়ে চার সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়।

    বাকি ৭৫% ডিএ-র জন্য একটি পেমেন্ট পরিকল্পনা ঠিক করার জন্য কমিটিকে রাজ্য সরকারের সাথে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে ৬ মার্চের মধ্যে তাদের সুপারিশ পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পেমেন্ট প্রদানের পর রাজ্য সরকারকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে আদালতে একটি সম্মতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। যদিও এখন বকেয়া ২৫% DA-র প্রথম কিস্তি দিতে সময় চায় রাজ্য। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়াতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন।

    নতুন যুক্তি সরকারের

    সকলের আশঙ্কা সত্যি করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। সেখানে তাদের বক্তব্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ মেটানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এই নিয়ে তাদের যুক্তি ২০১৬ সালের আগে নিয়োগ পাওয়া সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের সার্ভিস বুক খুঁজে বার করতে অনেকটা সময় লাগবে। এহেন পরিস্থিতিতে নাকি ডিসেম্বর মাসের ৩১ তারিখের আগে তারা কোনও ভাবেই ডিএ দিতে পারবে না।

  • একসময় ছিল পাকিস্তানের অংশ! বাংলাতেই রয়েছে ভারতের শেষ স্টেশন

    একসময় ছিল পাকিস্তানের অংশ! বাংলাতেই রয়েছে ভারতের শেষ স্টেশন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতীয় রেল ব্যবস্থায় এমন বহু স্টেশন রয়েছে যেগুলির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ইতিহাস (India’s Last Rail Station)। কিন্তু তা সত্ত্বেও ঐতিহাসিক সেই সব স্টেশনে বর্তমানে পা পড়ে না যাত্রীদের। ভারতীয় রেলের অধীনে এমনই একটি স্টেশন রয়েছে উত্তর 24 পরগনার বনগাঁ শাখায়। জানলে অবাক হবেন, এই স্টেশনটি ভারতের অন্তিম স্টেশন। যা একটা সময় পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের অংশ ছিল। যদিও কালের নিয়মে স্টেশনটির কয়েকটি ভবন একপ্রকার ভগ্নপ্রায় অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এই স্টেশন থেকে আজ মানুষের বদলে যাতায়াত করে শিয়াল কুকুর সহ অন্যান্য সব বন্যপ্রাণী।

    এটিই ভারতের শেষ স্টেশন

    সালটা 1947 সালের আগস্ট মাস। প্রায় সকলেই জানেন সে বছরের 15 আগস্ট দিনটিকে ভারতের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। অন্যদিকে 14 আগস্ট পালিত হয় পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস। তবে 1947 এর আগস্ট মাস নাগাদ ভারত যখন স্বাধীন তখনও উত্তর 24 পরগনার বনগাঁ সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকাকে পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। যার ফলে যথেষ্ট আতঙ্কে ছিলেন সেখানকার বাসিন্দারা। যদিও পরবর্তীতে ওই এলাকা গুলিকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

    সেই সময়, পেট্রাপোল স্টেশন সহ বেশ কিছু স্টেশন পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। যদিও বর্তমানে সেটি ভারতের অংশ। অনেকেই হয়তো জানেন না, এই স্টেশনটি বনগাঁ-পেট্রাপোল শাখার শেষ স্টেশন। একটা সময় এই স্টেশন দিয়েই বর্তমান বাংলাদেশ তথা পূর্ব পাকিস্তানে নিয়মিত বিভিন্ন পণ্য পাঠানো হতো। যদিও পরবর্তীতে এই স্টেশন হয়েই বন্ধন এক্সপ্রেস বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

    একটা সময় এই স্টেশনের কদর থাকলেও বর্তমানে স্টেশনটিতে কুকুর, শিয়ালের মতো বন্যপ্রাণী ছাড়া আর কারও দেখা মেলে না। সবচেয়ে বড় কথা, এই স্টেশনের পাশেই রয়েছে ট্রেন চলাচলের সিঙ্গেল লাইন। যদিও বর্তমানে এই স্টেশনে থামেনা কোনও যাত্রীবাহী ট্রেন, বলা ভাল এই রেল ট্র্যাক দিয়ে চলাচল করে না কোনও ট্রেন। জানিয়ে রাখা ভাল, দেশের সর্বশেষ স্টেশন পেট্রাপোল থেকে জিরো পয়েন্টের দূরত্ব মাত্র 600 মিটার। একইভাবে বাংলাদেশের বেনাপোল স্টেশনের দূরত্ব মাত্র আড়াই কিলোমিটার।

    অবশ্যই পড়ুন: ঘূর্ণাবর্ত-পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট, ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী সহ বৃষ্টি, আজকের আবহাওয়া

    বলাই বাহুল্য, একটা সময় পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হিসেবে দেখানো পেট্রাপোল স্টেশনটির পাশেই রয়েছে একটি ছোট্ট গ্রাম। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, ভারতের শেষ স্টেশন পেট্রাপোল বাংলাদেশের একেবারে গা ঘেঁষে তৈরি হওয়ায় প্রায়শই এই অংশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ ওঠে। তবে সেই সব বিতর্ক কাটিয়ে আগামী দিনে দেশের ঐতিহাসিক এই স্টেশনটিকে ভারতীয় রেলের তরফে কাজে লাগানো হবে কিনা তা নিয়ে কৌতুহল রয়েছে অনেকেরই।

  • নতুন স্টেশন পূর্ব মেদিনীপুরে, দিঘা যাওয়ার পথে থামবে ট্রেন

    নতুন স্টেশন পূর্ব মেদিনীপুরে, দিঘা যাওয়ার পথে থামবে ট্রেন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে মেদিনীপুরবাসীর। উদ্বোধন হতে চলেছে আরও এক নতুন রেল স্টেশনের যেটার দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে আপনিও যদি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দিঘা ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করে থাকেন তাহলে ট্রেন নতুন এক স্টেশনে দাঁড়াবে এবং তার ওপর দিয়ে যাবে। নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন স্টেশন? তাহলে বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    এবার দিঘা যাওয়ার পথে নতুন স্টেশনে থামবে ট্রেন

    আজ কথা হচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরের ঘোলবাগদা রেল স্টেশন (Gholbagda Railway Station) নিয়ে। যেটি এখনও উদ্বোধন হয়নি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মার্চ মাসেই এই স্টেশনটি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেবে প্রশাসন। একটা স্থানীয় স্টেশনে যা যা সুবিধা থাকার কথা তা সবই থাকবে এই স্টেশনে। যাত্রীদের বসার জায়গা থেকে শুরু করে পানীয় জলের কল, শৌচালয়, টিকিট কাউন্টার ইত্যাদি। এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর–২ ব্লকের ঘোলবাগদায় তৈরি হয়েছে নতুন হল্ট স্টেশন।

    আরও পড়ুনঃ কামরূপ এক্সপ্রেসের টিকিট কাটা? বড় আপডেট দিল রেল

    জানা গিয়েছে, দিঘা–তমলুক রেলপথে নাচিন্দা ও হেঁড়িয়া স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় গড়ে উঠেছে এই ঘোলবাগদা হল্ট স্টেশনটি। আগে ভগবানপুর ব্লকের বহু জায়গার মানুষদের ট্রেন ধরতে অনেক দূরে যেতে হত। সমস্যার শেষ থাকত না বোরোজ, অর্জুননগর, পটাশপুর–২ ব্লকের আড়গোয়াল ও মথুরা, কাঁথি–৩ ব্লকের কানাইদিঘি ও কুমীরদা গ্রামের মানুষদের। সেই নাচিন্দায় যেতে হত ট্রেন ধরতে। তবে আর নয়, কারণ নতুন স্টেশনটি সকলের মুশকিল আসান করবে। বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২০২৪ সালের ১ মার্চ এই স্টেশনের শিলান্যাস করা হয়। এরপর কাজ শুরু হয়। বর্তমান সময়ে কাজ একদম শেষ পর্যায়ে। আগামী ১২ মার্চ স্টেশনটির উদ্বোধন হতে পারে।

    কোন কোন ট্রেন থামতে পারে?

    এক রিপোর্ট অনুযায়ী, রেলওয়ে বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোলবাগদা স্টেশনে কিছু ট্রেনের গুলোর পরীক্ষামূলক স্টপেজ অনুমোদন করেছে। যদিও এই ট্রেনগুলোর নির্দিষ্ট আগমন ও প্রত্যাবর্তনের সময় এখনও প্রকাশিত হয়নি। জানা গিয়েছে, স্টেশনটি উদ্বোধনের পর ট্রেন নম্বর ৬৮১১৩ মেচেদা-দিঘা লোকাল, ৬৮১১৪ দিঘা পাঁশকুড়া লোকাল, ৬৮১১৫ পাঁশকুড়া দিঘা লোকাল, ৬৮১১৬ দিঘা-পাঁশকুড়া, ৬৮১১৭ পাঁশকুড়া-দিঘা, ৬৮১১৮ দিঘা-পাঁশকুড়া, ৬৮১১৯ পাঁশকুড়া-দিঘা এবং ৬৮১২০ দিঘা পাঁশকুড়া ঘোলবাগদা স্টেশনে দাঁড়াতে পারে। বর্তমানে, পাঁশকুড়া–দিঘা–পাঁশকুড়া বিশেষ ট্রেনটি ঘোলবাগদা স্টেশনে থামবে না।

  • কামরূপ এক্সপ্রেসের টিকিট কাটা? বড় আপডেট দিল রেল

    কামরূপ এক্সপ্রেসের টিকিট কাটা? বড় আপডেট দিল রেল

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ট্রেন যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে দফতর (Northeast Frontier Railway)। জানানো হয়েছে কামরূপ এক্সপ্রেস ট্রেন (Kamrup Express) আগামীকাল অর্থাৎ ৭ মার্চ থেকে বেশ কয়েকটি নতুন স্টেশনে স্টপেজ দেবে। রেল দফতরের এই পদক্ষেপে এবার দূরপাল্লার ট্রেন ধরতে আর কষ্ট করতে হবে না যাত্রীদের। কোন এক্সপ্রেস ট্রেন কোন স্টেশনে দাঁড়াবে আমাদের আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনে নিন।

    কামরূপ এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ আপডেট

    রেলের রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ শুক্রবার, ৬ মার্চ থেকে ১৫৯৫৯ হাওড়া-ডিব্রুগড় টাউন কামরূপ এক্সপ্রেস এবং ১৫৯৬০ ডিব্রুগড়-হাওড়া এক্সপ্রেস বেশ কয়েকটি নতুন স্টেশনে স্টপেজ দেবে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে জানিয়েছে এই এক্সপ্রেস ট্রেনটি চাবুয়া, কামপুর, সরুপেটা ও বিজনী স্টেশনে দাঁড়াবে। তবে এই স্টপেজ এখনও স্থায়ী নয়, আপাতত পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রাখা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ১৫৯৬০ ডিব্রুগড়-হাওড়া ট্রেনটি আজ ২০:৩১ মিনিটে চাবুয়া স্টেশনে পৌঁছবে এরপর ২ মিনিট সেখানে দাঁড়িয়ে ৩৩ এ স্টেশন ছাড়বে। অন্যদিকে আগামীকাল থেকে কামপুর স্টেশনে ০৬:১৫ মিনিটে পৌঁছবে এবং ১৭ তে ছাড়বে।

    একইভাবে আগামীকাল অর্থাৎ শনি থেকে, ডিব্রুগড়-হাওড়া এক্সপ্রেস সরুপেটা স্টেশনে ১০:৩৫ মিনিটে পৌঁছবে এবং ৩৭ এ ছাড়বে। বিজনী স্টেশনে পৌঁছবে ১১:১০ মিনিটে পৌঁছবে এবং ১২ টে ছাড়বে। অন্যদিকে ১৫৯৫৯ হাওড়া-ডিব্রুগড় টাউন কামরূপ এক্সপ্রেসটি আগামী ৯ মার্চ থেকে চাবুয়া স্টেশনে পৌঁছবে ৩:০৬ মিনিটে এবং ছাড়বে ৮ এ। কামপুর স্টেশনে পৌঁছবে ১৭:০০ মিনিটে এবং ছাড়বে ১৭:০২ এ, পাশাপাশি সরুপেটা স্টেশনে ১১:৫৪ মিনিটে পৌঁছবে এবং ৫৬ এ ছাড়বে। বিজনী স্টেশনে পৌঁছবে ১১:১৬ মিনিটে পৌঁছবে এবং ১৮ টে ছাড়বে।

    আরও পড়ুন: ভোটাধিকার রক্ষায় ধরনায় মমতা, ধর্মতলায় কতদিন চলবে এই কর্মসূচি?

    আরও দুটি এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ পরিবর্তন

    প্রসঙ্গত, কামরূপ এক্সপ্রেস ছাড়াও ২২৫০৪ ডিব্রুগড় কন্যাকুমারী বিবেক সুপার এক্সপ্রেস এবং ২২৫০৩ কন্যাকুমারী ডিব্রুগড় বিবেক সুপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি অভয়াপুরী স্টেশনে থামবে। আগামীকাল ২২৫০৪ ডিব্রুগড় কন্যাকুমারী বিবেক সুপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি ৯:৩০ মিনিটে অভয়াপুরী স্টেশনে থামবে এবং ৩২ এ ছাড়বে। অন্যদিকে ২২৫০৩ কন্যাকুমারী ডিব্রুগড় বিবেক সুপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি অভয়াপুরী স্টেশনে ০৪:৪৪ মিনিটে পৌঁছবে এবং ০৪:৪৬ মিনিটে স্টেশন ছাড়বে। এটিও সম্পূর্ণ পরীক্ষা করার জন্য থামবে।

  • যুদ্ধের প্রভাব গ্যাসে! কলকাতায় বন্ধ হল LPG-র গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা

    যুদ্ধের প্রভাব গ্যাসে! কলকাতায় বন্ধ হল LPG-র গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: ইরান এবং ইসরাইলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়ল সাধারণ মানুষের হেঁশেলেও। আপনার যদি কলকাতার বাসিন্দা হয়ে থাকেন এবং ডবল গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Cylinder) কানেকশন নেওয়ার কথা ভেবে থাকেন তাহলে আপনার জন্য রইল অত্যন্ত খারাপ খবর। জানা গিয়েছে, আগামী কয়েক দিন কলকাতায় নতুন ডবল সিলিন্ডারের গ্যাস কানেকশন পাওয়া যাবে না। তাহলে কী আগামী কয়েক দিনের মধ্যে গ্যাস নিয়ে হাহাকার দেখা যাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে?

    কলকাতায় বন্ধ ডবল গ্যাস কানেকশন প্রদান পরিষেবা

    নিশ্চয়ই ভাবছেন আচমকা এরকম সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল? মূলত আগামী দিনে গ্যাসের যোগান ঠিকঠাক থাকে সেজন্য নতুন ডাবল গ্যাস কানেকশন পরিষেবা আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। যত সময় এগোচ্ছে ইরান ও ইজরায়েলের (Iran Israel Conflict) মধ্যে সম্পর্ক ততই খারাপ হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশ একে অপরকে তাক করে মিসাইল ছুঁড়েই চলেছে। মৃত্যু হচ্ছে বহু মানুষের। সেই সঙ্গে ভারত সহ বিভিন্ন দেশের মধ্যপ্রাচ্যের এই হল সংঘাতের প্রভাব যথেষ্ট পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতি কবে ঠিক হবে ? সেই উত্তর জানা নেই কারোর। এহেন উত্তপ্তময় পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের যাতে খাদ্য যোগানের ক্ষেত্রে কোনওরকম সমস্যা না হয় সেজন্য একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েই চলেছে সরকার।  জানা যাচ্ছে, যাঁদের একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে তাঁরা দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা মঞ্জুর করা হচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।

    বিজ্ঞপ্তি জারি তেল সংস্থাগুলির

    ইতিমধ্যে এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে তেল সংস্থাগুলি। তেল সংস্থাগুলির তরফে বলা হয়েছে, আগামী কিছুদিন নতুন করে এলপিজি-র ডবল সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়া হবে না। ডিস্ট্রিবিউটারদের এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমগ্র পরিস্থিতির ওপর সরকার কড়া নজর রাখছে বলে খবে। ইতিমধ্যেই নয়া দিল্লির তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে আপাতত তেলের সংকট হবে না কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়ে রাখতে চাইছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক।

    আরও পড়ুনঃ মার্চে টানা ৬ দিনের লম্বা ছুটি, কবে থেকে কবে? দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    সূত্রের খবর, অপরিশোধিত তেল বা এলএনজির তুলনায় এলপিজির উৎস সীমিত এবং এর মজুতও তুলনামূলকভাবে কম। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ৩০ দিন অর্থাৎ এক মাসের মতো এলপিজি মজুত রয়েছে। আগামী দিনে কী হবে এখন তা নিয়ে অনেকের মধ্যে আশঙ্কা তৈরী হয়েছে।

  • মার্চে টানা ৬ দিনের লম্বা ছুটি, কবে থেকে কবে? দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    মার্চে টানা ৬ দিনের লম্বা ছুটি, কবে থেকে কবে? দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মার্চ মাস মানেই একেবারে ছুটির রমরমা। হ্যাঁ, এ মাসের ছুটির তালিকা যে অনেকটাই দীর্ঘ তা নবান্নের হলিডে লিস্ট (March Holiday List) দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। দোল থেকে শুরু করেই ঈদ-উল-ফিতর, রামনবমী, মহাবীর জয়ন্তী সবকিছুই এই মাসে। এক কথায়, সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের পড়ুয়ারা ছোটখাটো ভ্রমণের পরিকল্পনা সেরা নিতে পারে মার্চে। আর সাথে সাপ্তাহিক ছুটি তো থাকছেই। সবথেকে বড় ব্যাপার, সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়াও এই মাসে অতিরিক্ত ৭টি ছুটি পাওয়া যাবে। দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট।

    মার্চ মাসের ছুটির তালিকা

    প্রথমেই বলি, এ মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ মার্চ রবিবার ছিল। তারপর ৩ মার্চ ছিল মঙ্গলবার, দোলের ছুটি। আর ৪ মার্চ হোলির ছুটি। অর্থাৎ টানা দু’দিন ছুটি মিলেছে কর্মীদের। তবে সেক্ষেত্রে যদি সোমবারটা ছুটি নেওয়া যেত তাহলে টানা ৪ দিনের লম্বা ছুটির সুযোগ পেত সরকারি কর্মীরা। বিশেষ করে রঙের মরসুমে অনেকেই শান্তিনিকেতন বা সমুদ্রের হাওয়া গায়ে লাগিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এদিকে আগামী ১৭ মার্চ মঙ্গলবারও রয়েছে ছুটি। কারণ, এদিন শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি আর মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশী উপলক্ষে সমস্ত সরকারি স্কুল-কলেজ, অফিস আদালত ছুটি থাকবে। পাশাপাশি ১৮ এবং ১৯ মার্চ অফিসের পর আবার পরপর তিনদিন ছুটির সুযোগ মিলছে। কারণ, ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদ-উল-ফিতরের আগের দিন ছুটি আর ২১ মার্চ ঈদ-উল-ফিতরের ছুটি থাকছে। আবার ২২ মার্চ রবিবার। অর্থাৎ এই দিনও সাপ্তাহিক ছুটি। ফলত, এখানেও মিলছে টানা তিনদিন ছুটি। আর যদি ১৮ এবং ১৯ মার্চ ব্যক্তিগত ছুটি নেওয়া যায়, তাহলে ১৭ থেকে একেবারে ২২ মার্চ লম্বা ৬ দিনের ছুটির সুযোগ পাবে সরকারি কর্মচারীরা।

    আরও পড়ুন: একদম ঝাঁ চকচকে, অমৃত ভারত প্রকল্পে ভোল বদলে গেল পুরুলিয়ার দুই রেল স্টেশনের

    এখানেই শেষ নয়। আগামী ২৬ মার্চ রামনবমী উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুরু করে গোটা ভারতবর্ষের সমস্ত সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। আর ৩১ মার্চ পড়ছে মহাবীর জয়ন্তী। সেই কারণে এইদিনও রয়েছে ছুটি। অর্থাৎ মাসের শুরু ছুটি দিয়ে আবার শেষও ছুটি দিয়ে। এক কথায়, মার্চ মাস মানেই সরকারি কর্মচারীদের শুধু ছুটি আর ছুটি।