Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আমাদের কি আর কোনও কাজ নেই!” রেগে অগ্নিশর্মা প্রধান বিচারপতি

    “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আমাদের কি আর কোনও কাজ নেই!” রেগে অগ্নিশর্মা প্রধান বিচারপতি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলাকালীন ফের ওঠে বাংলার SIR এর প্রসঙ্গ (Cji Suryakant On West Bengal SIR)। আর তারপরেই আচমকা রেগে যান দেশের শীর্ষ আদালতের (Supreme Court of India) প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারক রাগের বশে একেবারে সরাসরি বলে বসেন, “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টে কি আর কোন কাজ নেই!” প্রশ্ন উঠছে, হঠাৎ কেন বাংলার SIR ইস্যু নিয়ে রেগে অগ্নি শর্মা হলেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত?

    হঠাৎ কেন রেগে গেলেন বিচারপতি?

    LIVE LAW এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার, সুপ্রিম কোর্টে নতুন করে উত্থাপিত হয় বাংলার SIR সম্পর্কিত মামলা। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের বেঞ্চে শুনানি চলাকালীন বঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন মামলার প্রসঙ্গ ওঠে। এদিন রাজ্যের তরফে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মেনকা গুরুস্বামী প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে তাঁদের নথি রেকর্ড করা হয়নি।”

    সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী জানান, “ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে তাঁরাও তো ভোটার। এর আগে তাঁরাও ভোট দিয়েছেন। কিন্তু এখন তাঁদের নথি গ্রহণ করা হচ্ছে না।” রাজ্য পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কিছুটা থমকে গিয়ে বলেন, “বর্তমানে সুপ্রিমকোর্ট বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের উপর সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে না।” এরপরই রাজ্যের আইনজীবী মেনকা নির্বাচনী আইনের 23 এবং 24 নম্বর ধারা উল্লেখ করে অনুরোধ করেন যাতে এই বিষয়টিকে মূল বিষয়ের সাথে যুক্ত করা হয়।

    অবশ্যই পড়ুন: “ভারত ক্রিকেটটাকেই ধ্বংস করে দিচ্ছে”, সূর্যরা ফাইনাল জিততেই বললেন শোয়েব আখতার

    রাজ্য পক্ষের আইনজীবীর তরফে এমন বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানিয়ে দেন, মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি। সেদিন শুনানি চলাকালীন এই বিষয়ে উল্লেখ করা যেতে পারে। এদিন রাজ্যপক্ষের সিনিয়র আইনজীবী আবেদনকারীদের তরফে দায়ের করা আরেকটি আবেদন উল্লেখ করেছিলেন। যেখানে দাবি করা হয়েছিল, তাদের ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। কারণ তাঁরা উপস্থিত হতে পারবেন না। এমন বক্তব্য শোনার পরই আচমকা রেগে গিয়ে বিচারপতি সূর্যকান্ত বলে বসেন, “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আমাদের আর কোনও কাজ নেই নাকি। “

  • নতুন প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ, ট্রেন ধারণের ক্ষমতা হবে দ্বিগুণ! হাওড়া স্টেশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    নতুন প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ, ট্রেন ধারণের ক্ষমতা হবে দ্বিগুণ! হাওড়া স্টেশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতবর্ষের সবথেকে বড় আর অন্যতম পুরনো রেলওয়ে স্টেশন হাওড়াকে (Howrah Railway Station) এবার নতুন রূপে সাজানো হবে। ১৭৩ বছরের পুরনো পশ্চিমবঙ্গের বৃহৎ এই স্টেশনকে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই উন্নত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রেল মন্ত্রণালয়। ১৮৫৪ সালে নির্মিত হাওড়া স্টেশনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানোর জন্য বেশ কয়েকবার সম্প্রসারিত করা হয়েছে। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে ট্রেন পরিচালনা ক্ষমতা দ্বিগুণ করানোর জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে (Indian Railways)।

    বলে দিই, ১৯০৫ সালে হাওড়া রেলওয়ে স্টেশনে নতুন ছয়টি প্ল্যাটফর্ম যুক্ত করা হয়। যার ফলে প্ল্যাটফর্ম সংখ্যা দাঁড়ায় সাতটি। আর ১৯৮৪ সালে আরও আটটি প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ করা হয়। ফলে তখন প্লাটফর্ম সংখ্যা দাঁড়িয়ে ছিল ১৫টিতে। আর ১৯৯২ সালে আরও চারটি প্ল্যাটফর্মসহ নতুন একটি টার্মিনাল কমপ্লেক্স তৈরি করা হয়। পরে ২০০৯ সালে স্টেশনটিকে আবারো সম্প্রসারণ করা হয় এবং বর্তমানে এই স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩টি।

    ২০৩০ সালের মধ্যেই ট্রেন পরিচালনা ক্ষমতা হবে দ্বিগুণ

    রেলওয়ে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, আগামী পাঁচ বছর প্রধান স্টেশনগুলির ট্রেন পরিচালনা ক্ষমতা দ্বিগুণ করা হবে। যার মধ্যে হাওড়া স্টেশন অন্যতম। এ বিষয়ে পূর্ব রেলের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা শিবরাম মাঝি বলেছেন, নতুন প্ল্যাটফর্ম এবং প্লাটফর্ম সম্প্রসারণের মাধ্যমে হাওড়া স্টেশনের টার্মিনাল ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। ভারতবর্ষের অন্যতম ব্যস্ততম রেল টার্মিনালের ট্রেন পরিচালনা ক্ষমতা বাড়ানো হবে আর ট্রাফিক আরও উন্নত করা হবে। হাওড়া স্টেশনে আসা দূরপাল্লার ট্রেনগুলি বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ট্রেনগুলির সময়ানুবর্তিতা করার জন্যই এই পদক্ষেপ।

    এদিকে জানিয়ে রাখি, হাওড়া স্টেশনের ১৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পুনঃনির্মাণ এবং সম্প্রসারণ সম্পন্ন হয়েছে। হ্যাঁ প্ল্যাটফর্মটি ৩১২ মিটার থেকে ৫৯১ মিটার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যার ফলে ২২ থেকে ২৪টি কোচবিশিষ্ট দূরপাল্লার ট্রেনগুলি আরামসে দাঁড়াতে পারবে। কারণ, আগে এই প্ল্যাটফর্মে শুধুমাত্র লোকাল ট্রেন চলাচল করতে পারত। এছাড়াও ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের সম্প্রসারণ সম্পন্ন হয়েছে। এটির দৈর্ঘ্য ৫৬৪ মিটার থেকে ৫৮১ মিটার করা হয়েছে। যার ফলে বেশি কোচের ট্রেনগুলি সহজেই দাঁড়াতে পারে।

    আরও পড়ুন: ব্যবসার জন্য ১০ লক্ষ দিচ্ছে রাজ্য সরকার! হাফ টাকা মুকুব, মাধ্যমিক পাসেই আবেদন

    তৈরি হবে নতুন প্ল্যাটফর্ম

    এদিকে স্টেশনের ক্ষমতা সম্প্রসারণ করানোর জন্য আরও দুটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে বলেই খবর। আর এই প্ল্যাটফর্ম দুটি হবে ৬৩৫ মিটার লম্বা, যাতে ২৪টি কোচবিশিষ্ট দূরপাল্লার ট্রেন দাঁড়াতে পারবে। এই প্ল্যাটফর্মগুলি নির্মিত হলে সেগুলি শহরতলির সাথে দূরপাল্লার পরিষেবাকে আরও উন্নত করবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। পাশাপাশি যাত্রীদের ভোগান্তিও দূর হবে।

  • সিভিকের মতো এবার পথবন্ধু ভলান্টিয়ার নিয়োগ করতে চায় রাজ্য সরকার, কী কাজ করবে?

    সিভিকের মতো এবার পথবন্ধু ভলান্টিয়ার নিয়োগ করতে চায় রাজ্য সরকার, কী কাজ করবে?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সময় যত এগোচ্ছে রাজ্যে (West Bengal) বেপরোয়া চাকার দৌরাত্ম্য যেন ক্রমেই বাড়ছে। যার ফলে গত কয়েক বছরে রাজ্যে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে বেলাগাম চাকার শিকার হচ্ছেন পুলিশকর্মীরাও। যদিও দুর্ঘটনা রুখতে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়েই চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এমতাবস্থায় দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় ‘পথবন্ধু’ (Pathbandhu) নিয়োগের পরিকল্পনা নিতে চলেছে নবান্ন, প্রতি স্থানে ৭ জন করে নিয়োগ করা হবে পথবন্ধু ভলেন্টিয়ার।

    বেড়েই চলছে শহরে দুর্ঘটনার পরিমাণ

    লালবাজারের তথ্য বলছে, কলকাতায় পথ দুর্ঘটনায় ২০২৩–এ মারা গিয়েছিলেন ১৫৯ জন। সেখানে ২০২৪ সালে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৯১ জনে। ২০২৫ এ সেই সংখ্যা আরও বেড়েছে। গত কয়েক বছরে রাজ্যে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে। এছাড়াও দুশ্চিন্তার বিষয় হল দুর্ঘটনার পর দ্রুত সহায়তা না পাওয়ার কারণে বহু ক্ষেত্রে আহতদের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। সেই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক পরিকল্পনা করে আসছে। এবার তাই প্রশিক্ষিত পথবন্ধু নিয়োগ করা হতে চলেছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জাতীয় ও রাজ্য সড়কে চিহ্নিত প্রায় এক হাজারের বেশি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় নতুন করে ‘পথবন্ধু’ নিয়োগ করা হতে পারে।

    দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় নিয়োগ করা হবে পথবন্ধু

    রাতের বেলায় দুর্ঘটনা ঘটলে যাতে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেরি না হয় এবং দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা এবং উদ্ধার করার পরিষেবা বাড়াতে ‘পথবন্ধু’ নিয়োগ বাড়ানোয় মনোযোগ দিচ্ছে রাজ্য সরকার। প্রতিটি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় নির্দিষ্ট ভাবে সাত জন করে পথবন্ধু নিয়োগ করা হতে পারে। তাঁদের উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি আধুনিক ফার্স্ট এড বক্স দেওয়ার কথাও ভাবা হয়েছে। যাতে দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দ্রুত ব্যান্ডেজ করা, রক্তপাত বন্ধ করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা করা যায়। তবে তার আগে সবটাই তাঁদের হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব’ বকেয়া DA কাণ্ডে বড় ঘোষণা, ঘুরে যাবে খেলা? জল্পনা তুঙ্গে

    প্রসঙ্গত, ‘পথবন্ধু’রা ভলান্টিয়ার হিসেবেই কাজ করেন বেশিরভাগ সময়। কিন্তু প্রশিক্ষণের অভাবে নানা রকম সমস্যা তৈরি হয়। তাই রাজ্য সরকার এই উদ্যোগ নিচ্ছে। অন্যদিকে ‘পথবন্ধু’দের কাজ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ চিন্তা ভাবনা করেছে প্রশাসন। পথবন্ধুদের মাধ্যমেই বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দুর্ঘটনার সময় মানুষ দ্রুত তাঁদের সাহায্য নিতে পারেন।

  • ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব’ বকেয়া DA কাণ্ডে বড় ঘোষণা, ঘুরে যাবে খেলা? জল্পনা তুঙ্গে

    ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব’ বকেয়া DA কাণ্ডে বড় ঘোষণা, ঘুরে যাবে খেলা? জল্পনা তুঙ্গে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আবহে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে একের পর এক বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। SIR নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসেছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তুলে ধরছেন একের পর এক অভিযোগ। আর এই অবস্থায় গর্জে উঠল সরকারি কর্মীরা। DA না দিয়ে যুবসাথীর টাকা ঘোষণা করায় কাটমানির প্রসঙ্গ তুললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। ভোটে মমতাকে (Mamata Banerjee) দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিলেন।

    কাটমানির প্রসঙ্গ তুললেন ভাস্কর

    কনফেডারেশন এবং সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ রাজ্য সরকারের যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করেন। গত ৭ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে ঘোষণা করেছিলেন যে ১ এপ্রিল থেকে নয়, যুবসাথীর টাকা ৭ মার্চ থেকে দেওয়া হবে। আর সেই ঘোষণা নিয়ে বিরোধী পক্ষ থেকে উঠে আসে একাধিক কটাক্ষ। কীসের জন্য এই তাড়াহুড়ো তাই নিয়ে ওঠে প্রশ্ন, এবার সেই নিয়ে এক সাক্ষাৎকার পর্বে ভাস্কর ঘোষ কাটমানির প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, “ অনেকেই জানেন না যে রাজ্যের উচ্চপদস্থ আমলাকারীদের মধ্যে কতজনকে যুবসাথী দেওয়া হচ্ছে, এমনকি RTI করেও সেই তথ্য মিলবে না, কারণ এই সরকার যদি ৭০ লক্ষ বেকারদের মাসে ১৫০০ করে দেয় তাহলে রেকর্ডে এন্ট্রি হবে ১ কোটি উপোভোক্তাদের দেওয়া হচ্ছে। বাকি ৩০ লক্ষকে ভুতুড়ে সাজিয়ে টাকা পার্টি ফান্ডে ঢোকাবে। এইভাবেই চলবে কাটমানি।”

    DA নিয়ে খোঁচা সরকারকে

    গত শুক্রবার, সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা (Dearness allowance) মামলার রায় কার্যকর করার সময়সীমা বাড়ানোর জন্য নতুন করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জমা দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জানানো হয়েছিল, ডিএ বকেয়া পরিশোধ সংক্রান্ত নির্দেশ বাস্তবায়নে একাধিক প্রশাসনিক, প্রযুক্তিগত এবং আর্থিক জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে। সেই কারণেই অন্তত ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ এবং প্রথম কিস্তির অর্থ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। যদিও এখনও এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের তরফে কিছুই জানানো হয়নি। এই নিয়েও ভাস্কর ঘোষ বলেন, “এটি আসলে সুপ্রিম কোর্টকে বিভ্রান্ত করে সময় নষ্ট করা ছাড়া কিছুই নয়। তাঁরা নিজেরাই জানেন আজ নয়ত কাল DA মেটাতে হবে সকলকে। আমরাও আপনাকে ভোটের ময়দানে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব। ”

    আরও পড়ুন: রাজ্যে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার দিন ঘোষণা, দেখুন সূচি

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, “মমতা সরকারকে বুঝিয়ে দেব কর্মচারীদের প্রতি যদি এরূপ দৃষ্টিভঙ্গি তিনি চালিয়ে যান তাহলে মে মাসের পরে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম মমতা ব্যানার্জি হবে না। রাজ্যবাসী তখন বুঝবে সরকার আসলে সরকারি কর্মীরা চালায় কোন কালীঘাটের লোকজন এই সরকার চালায় না। ” প্রসঙ্গত, আগামী ১৩ মার্চ রাজ্য জুড়ে সরকারি অফিস অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সরকারি কর্মচারী সংগঠনের নেতারা। যদিও যে কোনও ধর্মঘটের ক্ষেত্রে বরাবর কড়া অবস্থান নিয়ে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এবার সেই সরকার আদৌ কর্মীদের সঙ্গে সংঘাতে যাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

  • রাজ্যে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার দিন ঘোষণা, দেখুন সূচি

    রাজ্যে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার দিন ঘোষণা, দেখুন সূচি

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) শুরু হতে হাতে বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন, তাই রাজ্য জুড়ে বেশ থমথমে পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আর এই অবস্থায় বহু আলোচনার পর অবশেষে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার (West Bengal Joint Entrance Examination) দিন ঘোষণা করল বোর্ড। জানা গিয়েছে, ভোট মিটলেই নেওয়া হবে ইঞ্জিনিয়ারিং-এর প্রবেশিকা। বহু আলোচনার পর যাবতীয় খুঁটিনাটি জানিয়ে ‘ইনফরমেশন বুলেটিন’ প্রকাশ করল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড।

    জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা নিয়ে বড় আপডেট

    ৬ মার্চ রাজ্যে জয়েন্ট পরীক্ষা সম্পর্কিত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে আগামী ২৪ মে, রবিবার একদিনে রাজ্যে দু’দফায় হবে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা হবে। ওএমআর শিটের মাধ্যমে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রথম পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং দ্বিতীয় পরীক্ষা চলবে দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত। প্রথম পত্র হিসাবে থাকবে গণিত এবং দ্বিতীয় পত্রে পদার্থবিদ্যা এবং রসায়নের পরীক্ষা নেওয়া হবে। নম্বর বিভাজনের ক্ষেত্রে প্রথম পত্রের মোট নম্বর থাকবে ১০০ এবং দ্বিতীয় পত্রে দু’টি বিষয়ে প্রতিটিতে ৫০ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বর বরাদ্দ করা হবে।

    ফর্ম সংশোধন কবে করা হবে?

    বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরীক্ষার জন্য আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া অনলাইনের মাধ্যমে শুরু হচ্ছে আগামীকাল, ১০ মার্চ মঙ্গলবার থেকে। নির্ধারিত ফি-র ভিত্তিতে ফর্ম পাওয়া যাবে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত। অনলাইনে পূরণ করা ফর্ম সংশোধন করার জন্য দু’দিন ধার্য করা হয়েছে। ৭ এপ্রিল থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত ফর্ম সংশোধন করা যাবে। এবং আবেদনকারীদের পরীক্ষায় বসার জন্য অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে ১৫ মে থেকে ২৪ মে বিকেল ৪ টে পর্যন্ত। তবে ফলাফল কবে প্রকাশিত হবে, সেই দিন এখনও ঘোষণা হয়নি। আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই আলাপ আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত দিন ঘোষণা করা হবে।

    আরও পড়ুন: বিজ্ঞপ্তি জারি, তবু শুরু হয়নি প্রক্রিয়া! মিড ডে মিল নিয়ে মহা সমস্যায় স্কুলগুলি

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ারিং, টেকনোলজি, ফার্মাসি এবং আর্কিটেকচার নিয়ে স্নাতকস্তরের ভর্তির জন্য প্রবেশিকা পরীক্ষা স্বরূপ জয়েন্ট এন্ট্রান্স নেওয়া হয়। এবারেও ব্যতিক্রম থাকছে না, আসলে ভোটের কারণে এতদিন পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনো তথ্য দেওয়া যাচ্ছিল না, তবে এবার সেই নিয়ে বড় আপডেট দেওয়া হল।

  • এই দিনের মধ্যেই সবার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে যুবসাথীর টাকা, বললেন অভিষেক

    এই দিনের মধ্যেই সবার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে যুবসাথীর টাকা, বললেন অভিষেক

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর গত শনিবার থেকেই যুবসাথী প্রকল্পের (Banglar Yuva Sathi) টাকা ছাড়ার কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু আবেদনকারী নিজেদের অ্যাকাউন্টে পেয়ে গিয়েছেন বেকার ভাতার অর্থ। তবে অনেকেরই অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী বলে তো দিলেন কিন্তু তাঁদের অ্যাকাউন্টে কোনও টাকা ঢোকেনি। এবার সেই সব আবেদনকারীদের বড় সুখবর দিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সম্প্রতি সুন্দরবনের গোপীনাথপুরের এক সভা থেকে তৃণমূল নেতা জানালেন, যাঁরা আবেদন করেছেন সবাই টাকা পাবেন।

    কত তারিখের মধ্যে ঢুকবে যুবসাথীর টাকা?

    গত শনিবার অর্থাৎ 7 মার্চ, মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, পহেলা এপ্রিল নয় বরং আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আগের দিন অর্থাৎ শনিবার থেকেই আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা। সেই মতোই, রবিবারের মধ্যে অনেকেই নিজেদের স্মার্টফোনে যুবসাথীর মেসেজ পেয়েছেন। তবে অনেকেরই দাবি, 1500 টাকা তো দূরের কথা ফোনে কোনও রকম মানি ডিস্ট্রিবিউশন বা রিলিজের মেসেজ আসেনি।

    এ নিয়ে সুন্দরবনের গোপীনাথপুরের সভা থেকে বড় কথা বলে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সাংসদদের বক্তব্য, রাজ্যের যেসব বেকার যুবক যুবতীরা যুবসাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছিলেন প্রত্যেককেই 1500 টাকা করে দেবে মা মাটি মানুষের সরকার। এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একেবারে স্পষ্ট করে বলেন, সোমবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে সকল আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে বেকার ভাতার টাকা চলে যাবে। এক কথায়, যাঁরা এখনও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিশেষ প্রকল্পের টাকা পাননি তাঁদের অ্যাকাউন্টেও মঙ্গলবারের মধ্যে নির্দিষ্ট অর্থ পৌঁছে যাবে।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ফিল্ডিং করার জন্য ১০ হাজার টাকা করে নেন টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়াররা! ফাঁস হল হাঁড়ির খবর

    উল্লেখ্য, রবিবার পর্যন্ত একটা বড় অংশের আবেদনকারীর অভিযোগ থাকলেও সোমবার সকাল থেকেই একে একে সকলের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে যুবসাথী প্রকল্পের নির্দিষ্ট অর্থ। আবেদনকারীদের দাবি, প্রথমে ফোনে টাকা রিলিজের একটি মেসেজ আসছে। তারপরই অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হচ্ছে যুবসাথী প্রকল্পের অর্থ।

  • বিজ্ঞপ্তি জারি, তবু শুরু হয়নি প্রক্রিয়া! মিড ডে মিল নিয়ে মহা সমস্যায় স্কুলগুলি

    বিজ্ঞপ্তি জারি, তবু শুরু হয়নি প্রক্রিয়া! মিড ডে মিল নিয়ে মহা সমস্যায় স্কুলগুলি

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মিড ডে মিলে (Mid Day Meal) পড়ুয়াদের যাতে আরও পুষ্টি মেলে তাঁর জন্য একের পর এক পরিকল্পনা নিয়েই চলেছে রাজ্য সরকার। তাই এবার সেই মিলে অতিরিক্ত দিন দেওয়ার উদ্যোগ নিল স্কুল শিক্ষা দপ্তর (School Education Department)। জানানো হয়, রাজ্যের ৮১ লক্ষ ১৯ হাজার ৪১৫ জন পড়ুয়াকে ১২ দিন অতিরিক্ত ডিম দেওয়া হবে। কিন্তু বিজ্ঞপ্তি জারি করলেই এখনও সেই প্রক্রিয়া শুরু না হওয়ায় চিন্তায় পড়ল সরকারি স্কুলগুলো।

    মিড ডে মিল নিয়ে বিজ্ঞপ্তি স্কুল শিক্ষা দপ্তরের

    গত ১৭ ফেব্রুয়ারি স্কুল শিক্ষা দপ্তরের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে এসেছিল। সেখানে জানানো হয়েছিল এবার থেকে রাজ্যের ৮১ লক্ষ ১৯ হাজার ৪১৫ জন পড়ুয়াকে অতিরিক্ত ডিম দেওয়া হবে। ফ্লেক্সি ফান্ডে প্রতি মাসে ১২ দিন অতিরিক্ত ডিম দেওয়া হবে অথবা মরসুমি ফল দিতে হবে। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে। আসলে বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, ডাল, সবজির সঙ্গে বাড়তি পুষ্টি হিসাবে ডিম, ফল দেওয়াটা খুব জরুরি, তাই এই উদ্যোগ। কিন্তু ওই বিজ্ঞপ্তির পরে ফেব্রুয়ারি মাস পেরিয়ে গিয়ে মার্চ মাসের আট দিন কেটে গেল এখনও সেই বহু স্কুলে শুরুই হয়নি।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী শুরু হয়নি কাজ!

    জানা গিয়েছে, কলকাতা লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলার প্রায় কোনও স্কুলেই এখনও অতিরিক্ত ডিম বা ফল দেওয়া শুরু হয়নি। এদিকে চলতি মাস শেষ হতে বাকি ২৩ দিন, মাঝে রয়েছে রবিবার ও ছুটির দিন, সব মিলিয়ে হাতে সময় খুবই কম। ওদিকে মিড-ডে মিলের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সপ্তাহে দু’টি ডিম এমনিই পড়ুয়াদের পাওয়ার কথা। সেই হিসাবে, আগামী তিন সপ্তাহের দু’দিন করে বাদ দিলে ছ’দিন বাদ যাচ্ছে। বাকি থাকছে ১৪ দিন। ফলস্বরূপ যে সব স্কুলে এখনও ফল এবং ডিম দেওয়া শুরু হয়নি, সেখানে কীভাবে ৩১ মার্চের মধ্যে তা দেওয়া সম্ভব হবে এই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এমনকি, যে সব স্কুলে এই কাজ শুরু হয়েছে, সেখানেও ১২টি ডিম বা মরসুমি ফল দিতে পারা যাবে কিনা, সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    বিলম্বের কারণ জানালো দপ্তর

    শিক্ষা দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যখন সমস্ত সরকারি স্কুলে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে তখন নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক শিক্ষা দফতরের এক কর্তা জানিয়েছেন, সব পড়ুয়া অতিরিক্ত ডিম বা ফল পাবে। উচ্চ মাধ্যমিকের জন্য কিছু স্কুল এই কর্মসূচি শুরু করতে পারেনি। দ্রুত সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলিতে সেই কাজ শুরু হবে। উল্লেখ্য, কলকাতার বেশ কিছু স্কুলে ফল বা ডিম দেওয়া শুরু হলেও যে সব স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিকের আসন পড়েছিল, সেখানে এখনও এই কাজ শুরু হয়নি বলে অভিযোগ। তবে কিছু স্কুলে সবে অতিরিক্ত ডিম বা ফল দেওয়া শুরু হয়েছে। তার উপর শহরের কয়েকটি স্কুলে আগামী দু’-এক দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর চলে আসার কথা। কীভাবে সবটা সামলানো হবে তা বোঝা মুশকিল হয়ে উঠছে সকলের কাছে।

    আরও পড়ুন: ‘রাজ্য সরকার চাইলে বাংলায় কমবে গ্যাসের দাম’ কতটা?

    বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হান্ডা জানিয়েছে, “ মার্চে পাঁচ দিন অতিরিক্ত ছুটি। তা হলে ১৪ দিনের মধ্যে পড়ে রইল ন’দিন। যে সব স্কুলে এখনও অতিরিক্ত ডিম বা ফল দেওয়া শুরু হয়নি, সেখানে মাত্র এই ক’দিনে কোনও ভাবেই তা দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা চাই, প্রতিটি পড়ুয়াকে অতিরিক্ত ডিম বা ফল দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হোক।’’ এখন দেখার ৩১ মার্চের মধ্যে এই কাজ কীভাবে সম্পন্ন হয়।

  • SIR ইস্যুতে ক্ষোভ! উঠল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান, কালীঘাটে পুজো দিতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেশ কুমার

    SIR ইস্যুতে ক্ষোভ! উঠল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান, কালীঘাটে পুজো দিতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেশ কুমার

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) আবহে রাজ্য জুড়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, মুখ্যমন্ত্রীর সিংহাসন দখলের করার জন্য রীতিমত উঠে পড়ে লেগেছে রাজনৈতিক দলগুলি। আর এই অবস্থায় রাজ্যে তিন দিনের সফরে এসেছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনারের ফুল বেঞ্চ। সোমবার সকালে বৈঠক শুরুর আগে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (CEC Gyanesh Kumar)। কিন্তু তাঁর গাড়ি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাড়ায় ঢুকতেই শুরু হয় বিক্ষোভ, ওঠে গো ব্যাক স্লোগান। ক্ষুব্ধ পরিস্থিতি মন্দির এলাকা জুড়ে।

    পুজো দিতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেশ

    পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিধানসভা নির্বাচন সংক্রান্ত বৈঠকের জন্য গতকাল অর্থাৎ রবিবার রাতে কলকাতায় এসেছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। আজ থেকেই দফায় দফায় রাজ্য প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাদের বৈঠক করার কথা। কিন্তু এসবের আগে সকালে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালও। কিন্তু এই পুজো দেওয়া নিয়ে মন্দিরের সামনে শুরু হল তুমুল বিক্ষোভ। কালো পতাকা হাতে নিয়ে নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে উঠল গো ব্যাক স্লোগান।

    আরতি এবং অঞ্জলি দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    সোমবার সকাল থেকেই কালীঘাট মন্দিরের (Kalighat Mandir) বাইরে হাতে কালো পতাকা নিয়ে জমায়েত করেছিলেন একদল বিক্ষোভকারী। অভিযোগ, এসআইআর-এর মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে অযথা অনেকের নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে।তবে সেই বিক্ষোভ এবং গো ব্যাকের স্লোগানকে খুব একটা পাত্তা দিলেন না জ্ঞানেশ কুমার। শান্তভাবে বিক্ষোভকারীদের কাটিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করেন তিনি। কোনও মন্তব্য করেননি। পুজো দেন মায়ের, আরতি এবং অঞ্জলিও দিয়েছিলেন। এরপর মন্দির থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন জ্ঞানেশ কুমার। তিনি বলেন ‘‘পশ্চিমবঙ্গের সকল ভাইবোনকে আমার নমস্কার। কালী মা সকলকে ভাল রাখুন।’’ কিন্তু বিক্ষোভ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি কমিশনার।

    আরও পড়ুন: ১৮ বছর বয়স হলেই মহিলাদের প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা, নতুন স্কিম ঘোষণা রাজ্য সরকারের

    প্রসঙ্গত, শুধু কালীঘাট মন্দিরেই যে শুধু মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্লোগান এবং বিক্ষোভের মুখোমুখি হয়েছেন তা কিন্তু নয়, গতকাল রাতে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে নিউটাউনের হোটেল পর্যন্ত তাঁর যাত্রাপথে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান ওঠে। দেখানো হয় কালো পতাকাও। যদিও সেই নিয়েও কোনো মন্তব্য করতে চাননি। এদিন ফুল বেঞ্চের সঙ্গে রয়েছেন আরও দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক জোশীও। আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার, বেলুর মঠে যাওয়ার কথা তাঁর।

  • ‘আরও এক দফায় লড়াই, এবার জিতবেন …’ DA মামলা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী

    ‘আরও এক দফায় লড়াই, এবার জিতবেন …’ DA মামলা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA Case) নিয়ে অপেক্ষা এবং লড়াই দীর্ঘ হয়েই চলেছে। আদৌ বকেয়া টাকা মিলবে তো? সেই প্রশ্ন সকলের। এমনিতে যেখানে ৩১ মার্চের মধ্যে রাজ্য সরকারকে ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত, সেখানে তা না করে উল্টে সরকার এখন এমএ পিটিশন দাখিল করে জানিয়েছে, এখনই তাঁদের পক্ষে ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়। আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এরইসঙ্গে সকলের এখন প্রশ্ন, আর কবে তাহলে ডিএ মিলবে? আর কত অপেক্ষা করতে হবে? অবশেষে এই নিয়ে মুখ খুললেন বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য (Bikas Ranjan Bhattacharya)।

    ডিএ নিয়ে ফের লড়াই শুরু?

    এমনিতেই বকেয়া ডিএ নিয়ে বছরের পর বছর ধরে বিক্ষোভ, আন্দোলন করছেন বাংলার সরকারি কর্মীরা। এরপর মাঝে সুপ্রিম নির্দেশে স্বস্তি পেলেও এখন সেই স্বস্তি হতাশায় পরিণত হয়েছে সকলের। তার ওপর গোদের ওপর বিষফোঁড়ার সমান হয়েছে সরকারের নতুন এক তথ্য। সরকার সুপ্রিম কোর্টে যে তথ্য পেশ করেছে সেখানে শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা কর্মীদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া থেকে। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভে ফুঁসছেন সকলে। জায়গায় জায়গায় বিশেষ করে শিক্ষকরা আগামী কয়েকদিনে আন্দোলনের ঘোষণা করেছে। প্রশ্ন উঠছে, সত্যিই কি তাঁরা বকেয়া ডিএ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন? মুখ খুললেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। বিশিষ্ট আইনজীবী জানালেন, ‘অনৈতিকভাবে যদি একটা সরকার চলে, তাঁদের রাজনৈতিক প্রশাসক যদি চূড়ান্ত অরাজনৈতিক হন, তাঁরাই শুধুমাত্র এরকম কৌশলের কথা ভাবতে পারেন।’ তিনি আরও জানান যে আরেক দফা লড়াইয়ে যেতে হবে। অপরদিকে বিশ্লেষক সনময় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন যে, ‘এই লড়াইটা আবারও লড়তে হবে, তবে এবার জিতবেন কর্মচারীরাই।’

    আরও পড়ুনঃ প্রতিমাসে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৭০০০ টাকা! মহিলাদের ক্ষমতায়নে বড় প্ল্যান LIC-র

    কী বলছেন বিশিষ্ট আইনজীবী?

    কর্মচারী ইউনিয়ন মামলা করলেও বিষয় ছিল রোপা রুলস অনুযায়ী ডিএ প্রাপ্য কিনা এবং তা প্রাপ্য হলে কীভাবে তা নির্ধারণ করা হবে। রোপা রুলস অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের যোগ্য সকলেই। কিন্তু এই সরকার সুনীতির পথে যাবেন না, এই সরকার সবসময় দুর্নীতির পথে মানুষকে নিয়ে যেতে পছন্দ করেন। বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ যারা রোপা রুলস অনুযায়ী আওতাভুক্ত তাঁরা ডিএ পাবেন। হয়তো যারা সরাসরি কর্মচারী নন তাঁদের আবার মামলার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।’ অর্থাৎ ডিএ নিয়ে সকলকে আরও এক দফায় লড়াইয়ে সামিল হতে হবে।

     

  • কালীঘাটে পুজো থেকে বেলুড় দর্শন, বাংলায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সফরনামা

    কালীঘাটে পুজো থেকে বেলুড় দর্শন, বাংলায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সফরনামা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের দামামা প্রায় বেজে গিয়েছে রাজ্যে, তাইতো জনসংযোগ বৃদ্ধি করতে দিন রাত প্রচার চালিয়েই চলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। আর এই আবহে রাজ্যে আসছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)। যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ায়, এমনই খবর প্রকাশ্যে এল। জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে পুজো দেবেন কালীঘাট মন্দিরে। তার পরে শুরু হবে রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে তাঁর বৈঠক এবং সফরের অন্য কর্মসূচি।

    বাংলায় আসছেন জ্ঞানেশ কুমার

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ রবিবার রাজ্যে আসতে চলেছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। থাকবেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তাঁর সঙ্গে এই দলে থাকছেন দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক জোশীও। আজ রাতের বিমানে কলকাতায় পৌঁছে যাবেন তাঁরা। তবে আজ কোনও ঘোষিত কর্মসূচি নেই। সোম ও মঙ্গলবার পরপর দুই দিন একাধিক বৈঠক রয়েছে রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত। আলাদা ভাবে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকও করবে ফুল বেঞ্চ। তবে এইসব বৈঠকের আগে আগামীকাল সকালেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ায় যাবেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। পুজো দেবেন কালীঘাট মন্দিরে।

    পুজো দেবেন কালীঘাট মন্দিরে

    ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR-এর কাজ ঘিরে গত কয়েক মাসে কমিশন বনাম রাজ্য সরকার তথা রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘাত বার বার প্রকাশ্যে এসেছে। এমনকি এই নিয়ে এইমুহুর্তে ধর্মতলায় ধর্নায় বসেছেন তিনি। আর এই অবস্থায় আজ রাতে রাজ্যে আসছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। কালীঘাট মন্দির দর্শন করার পরেই বৈঠক শুরু করবেন তিনি। অন্যদিকে মঙ্গলবার বেলুড় মঠেও যাবেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও এই প্রসঙ্গে CEO মনোজকুমার আগরওয়ালকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “এমন কিছু জানা নেই। তবে তাঁর ব্যক্তিগত কোনও প্রোগাম থাকলে তিনি সেখানে যেতে পারেন।”

    আরও পড়ুন: খেল দেখাবে ঘূর্ণাবর্ত, কিছুক্ষণেই ঝেঁপে বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গের ৩ জেলায়

    প্রসঙ্গত, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনার আগামীকাল অর্থাৎ সোমবার সকাল থেকে দফায় দফায় বেশ কিছু বৈঠক করবেন। রাজনৈতিক দলগুলি থেকে রাজ্য প্রশাসনের উচ্চ আধিকারিক এবং BLO দের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং দিনের শেষে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে পুলিশকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করবে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এর পরে মঙ্গলবারও রাজ্যের মুখ্যসচিব, পুলিশপ্রধান-সহ অন্য শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে কমিশন। আশা করা যাচ্ছে এই বৈঠকের মধ্যেই নির্ধারিত হবে রাজ্যের ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের দিন।