Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • হবে মাল্টিট্র্যাকিং, চতুর্থ লাইন! বাংলায় ফের একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের ঘোষণা

    হবে মাল্টিট্র্যাকিং, চতুর্থ লাইন! বাংলায় ফের একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের ঘোষণা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলায় বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ এগিয়ে আসছে। নির্ঘন্ট প্রকাশিত না হলেও সকল রাজনৈতিক দলগুলি এক অঘোষিত ভোট প্রচারের জন্য ময়দানে নেমে পড়েছে। করা হচ্ছে একের পর এক ঘোষণা, দেওয়া হচ্ছে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি। তবে এবার ভোটমুখী বাংলার জন্য বিরাট ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। বাংলায় একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের (Railway Project In Bengal) অনুমোদন দেওয়া হল। এর জেরে দারুণ লাভবান হবেন সাধারণ মানুষ।

    বাংলায় ফের একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটি রেলওয়ে সম্প্রসারণের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ মাল্টি-ট্র্যাকিং প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর ফলে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং ট্রেন চলাচল আরও সহজ হবে। রেলের ঘোষণার ফলে রেলওয়ে নেটওয়ার্কে ১৯২ কিলোমিটার যোগ হবে। মঙ্গলবার সাঁইথিয়া-পাকুড় এবং সাঁতরাগাছি-খড়গপুরের মধ্যে চতুর্থ রেললাইনের অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা। এর পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের ৫টি জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করে একাধিক মাল্টিট্র্যাকিং রেল প্রকল্প অনুমোদন করেছে কেন্দ্র।

    এই প্রকল্পগুলির মোট ব্যয় প্রায় ৪,৪৭৪ কোটি টাকা। এটি ব্যস্ত রেল রুটে ট্রেন চলাচল সহজ করবে এবং পরিচালনা দক্ষতা বৃদ্ধি করবে। এর পাশাপাশি বিহারের ছাপড়া-কাটিহার তৃতীয় লাইনের কাজও করা হবে। তৃতীয় লাইনটি ছাপড়া থেকে সোনপুর, হাজিপুর এবং মুজাফফরপুর হয়ে নির্মিত হবে। ছাপড়ায় কাজ চলছে, অন্যদিকে বারাউনি এবং কাটিহারের মধ্যে তৃতীয় লাইনের কাজ পুরোদমে চলছে। এই সিদ্ধান্তটি উত্তর বিহারের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ছাপড়া থেকে মুজাফফরপুর হয়ে কাটিহার পর্যন্ত তৃতীয় এবং চতুর্থ রেললাইন নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যেই চলছে। এটি সম্পন্ন হলে, এটি মুজাফফরপুর জংশনের রেল ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। রেল লাইন সম্প্রসারণের ফলে উত্তর বিহারের যাত্রী এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলি ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। ভবিষ্যতে, এই রুটে ট্রেনের সংখ্যা এবং পরিচালনা ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

    বড় বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    এই রেল প্রকল্পগুলি সম্পর্কে বড় তথ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘পূর্ব ভারতের রেল সংযোগ ও ক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ক্যাবিনেট পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝারখণ্ডের ৫টি জেলা জুড়ে বহু-ট্র্যাকিং প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এই প্রকল্পগুলি কার্যকারিতা বাড়াবে, ভিড় কমাবে এবং এই রাজ্যগুলির মধ্যে সংযোগ শক্তিশালী করবে। এগুলি পণ্য পরিবহনও উন্নত করবে, অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সমর্থন করবে এবং টেকসই, কম কার্বনের পরিবহনকে এগিয়ে নেবে।’

    আরও পড়ুনঃ ৪০ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৯০০০ করে টাকা, বিরাট স্কিম রাজ্য সরকারের

    উপকৃত হবেন সাধারণ মানুষ

    রেল মন্ত্রকের মতে, উল্লেখিত প্রকল্পগুলি প্রধানমন্ত্রী গতি শক্তি জাতীয় মাস্টার প্ল্যানের আওতায় তৈরি করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হল মাল্টি-মডেল সংযোগ জোরদার করা এবং লজিস্টিক সিস্টেমগুলিকে আরও দক্ষ করা। এটি কাঁচামাল পরিবহন এবং পর্যটনকেও উৎসাহিত করবে। সবথেকে বড় কথা, প্রকল্পগুলি সম্পন্ন হলে, বার্ষিক প্রায় ৩১ মিলিয়ন টন অতিরিক্ত মাল পরিবহন সম্ভব হবে এবং বোলপুর-শান্তিনিকেতন, তারাপীঠ এবং ভীমবন্ধ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের মতো প্রধান পর্যটন কেন্দ্রগুলির সাথে রেল যোগাযোগ উন্নত হবে। রেল প্রকল্পগুলির ফলে প্রায় ৫৬৫২টি গ্রাম এবং প্রায় ১.৪৭ কোটি মানুষ উন্নত রেল যোগাযোগ পাবে।

     

  • শিয়ালদহ ডিভিশনের ৭ স্টেশন নিয়ে বড় পরিকল্পনা রেলের, সুবিধা হবে যাত্রীদের

    শিয়ালদহ ডিভিশনের ৭ স্টেশন নিয়ে বড় পরিকল্পনা রেলের, সুবিধা হবে যাত্রীদের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: স্টেশনের (Indian Railways) পাশেই পড়ে রয়েছে বিশালাকার ময়লা-আবর্জনার স্তুপ। গন্ধে টেকা দায় স্থানীয়দের পক্ষে। তাই নাকে রুমাল চেপে পৌঁছতে হয় স্টেশনে। তবুও স্টেশন লাগোয়া আবর্জনার গন্ধ নাক থেকে যেন সরেই না। এই প্রবণতা কমাতে অর্থাৎ শিয়ালদহ (Sealdah) ডিভিশনের একাধিক স্টেশনের নামের পাশ থেকে নোংরা তকমা সরাতে গত ফেব্রুয়ারির 15 তারিখ থেকে সাফাই অভিযান শুরু করেছিল রেল। সেই অভিযানে শিয়ালদহ শাখার সাতটি স্টেশন মিলিয়ে মোট 300 টন বর্জ্য পদার্থ উদ্ধার করা গিয়েছে। এর ফলে 50 হাজার বর্গমিটার জমি উদ্ধার করতে পেরেছে রেল।

    পরিবেশের কথা চিন্তা করেই এমন পদক্ষেপ রেলের

    রেল সূত্রে খবর, শিয়ালদহ শাখার বাঘা যতীন, সন্তোষপুর, পার্ক সার্কাস, বিধান নগর রোড এবং সোদপুর স্টেশনের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে এতদিন আবর্জনা স্তূপ উপেক্ষা করে যাতায়াত করতে হয়েছে যাত্রীদের। পচা বর্জ্য পদার্থের গন্ধে যাত্রীদের যেমন ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে তেমনই স্টেশন গুলির পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে হেঁটে যাওয়া পথ চলতি মানুষও নাক চেপেই যাতায়াত করছিলেন এই কদিন। মূলত সে কারণেই, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে রোগের সংক্রমণ ঠেকাতে এবং পরিবেশ রক্ষা করতে সাফাই অভিযান শুরু করে ইস্টার্ন রেলওয়ে।

    জানা গিয়েছে, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বা বাজার লাগোয়া স্টেশন গুলির পাশে আবর্জনার স্তুপ উদ্বেগ বাড়াচ্ছিল রেল আধিকারিকদেরও। সে কারণেই স্টেশনগুলির পাশে থাকা আবর্জনা থেকে যাতে পরিবেশ দূষণ বৃদ্ধি না পায় এবং অগ্নিকাণ্ডের মতো ঝুঁকি কমে সে কারণেই শিয়ালদহ ডিভিশনের উল্লেখিত স্টেশন গুলিতে সাফাই অভিযান চালায় রেল।

    অবশ্যই পড়ুন: সাধ্যের মধ্যেই হতে পারে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের ভাড়া, কত? দেখুন রিপোর্ট

    উদ্ধার হওয়া জমিতে বিশেষ পরিকল্পনা রেলের

    রেল সূত্রে যা খবর, শিয়ালদহ ডিভিশনের বিধাননগর রোড, পার্ক সার্কাস, সন্তোষপুর, সোদপুর সহ 7টি স্টেশনে সাফাই অভিযান চালিয়ে উদ্ধারকৃত 50 হাজার বর্গমিটার জমিতে গাছ লাগিয়ে বাগান তৈরির পরিকল্পনা করছে রেল। রেল আধিকারিকদের একাংশের দাবি, মূলত যাত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে পরিবেশ দূষণ কমিয়ে শিয়ালদহ থেকে সন্তোষপুর অর্থাৎ প্রতিটি স্টেশনের পাশে উদ্ধারকৃত জমিতে ফুলের গাছ সহ অন্যান্য রকমারি গাছ লাগিয়ে নতুন করে বাগান তৈরি করা হবে। আর এর ফলে রেল যাত্রীদেরই সুবিধা হবে। তবে রেল আধিকারিকরা বলছেন, রেল নিজে দায়িত্ব নিয়ে যতই স্টেশন সংলগ্ন এলাকাগুলি পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুক যাত্রীরা সচেতন না হলে কোনও লাভই নেই।

  • Failed হতে শুরু করল যুবসাথীর পেমেন্ট! SMS ঢুকলেও মিলছে না টাকা

    Failed হতে শুরু করল যুবসাথীর পেমেন্ট! SMS ঢুকলেও মিলছে না টাকা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: যুবসাথী প্রকল্পের (Yuva Sathi Payment Failed) টাকা কবে মিলবে তা নিয়ে চিন্তিত রাজ্যের (Government Of West Bengal) একটা বড় অংশের আবেদনকারী। এর আগে গত শনিবার মেট্রো চ্যানেলের ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, 7 মার্চ অর্থাৎ শনিবার থেকেই প্রত্যেক আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা। সেই মতোই 8 তারিখের মধ্যে একাংশের আবেদনকারীর ফোন টাকা ক্লেম হওয়ার মেসেজ ঢুকলেও বাংলার একটা বড় অংশের আবেদনকারী এখনও রাজ্য সরকারের এই বিশেষ প্রকল্পের টাকা পাননি। ফলে তাঁরা উগরে দিচ্ছিলেন ক্ষোভ। এরই মাঝে এবার Failed হতে শুরু করল যুবসাথী প্রকল্পের পেমেন্ট।

    মেসেজ ঢুকলেও মিলছে না যুবসাথীর টাকা!

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর থেকে ধীরে ধীরে রাজ্যের সকল আবেদনকারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর কাজ শুরু হয় বলেই সূত্রের খবর। শুরুর দিকে না হলেও গতকাল অর্থাৎ সোমবার থেকে বহু আবেদনকারী নিজেদের অ্যাকাউন্টে যুবসাথীর টাকা পেয়ে গিয়েছেন। তবে অনেকের অভিযোগ, তাঁদের Whatsapp এবং মেসেজে যুবসাথী প্রকল্প সংক্রান্ত বার্তা সরকারের তরফে পাঠানো হলেও ক্রেডিট হয়নি টাকা।

    এরই মাঝে মঙ্গলবার বহু আবেদনকারীর ফোনে পেমেন্ট Failed হওয়ার মেসেজ এসেছে। স্মার্টফোনে আসা ওই বার্তায় বলা হচ্ছে আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টের উদ্দেশ্যে 1500 টাকা পাঠানো হলেও পেমেন্ট ফেলড হয়েছে। এর জন্য যত দ্রুত সম্ভব নিকটবর্তী সরকারি অফিস অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের ব্রাঞ্চে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে। আর এমন মেসেজ পেতেই একেবারে ঘাবড়ে গিয়েছেন একটা বড় অংশের আবেদনকারী। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, সাধারণত আবেদনপত্রে ব্যাঙ্ক ডিটেইলস ভুল দেওয়া হলে এই ধরনের মেসেজ আসে। এছাড়াও অনেক সময় যে ট্রেজারি থেকে টাকা পাঠানো হচ্ছে সেখানে আবেদনকারীর ব্যাঙ্কিং তথ্য ভুল নোট করা হলেও অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হয় না টাকা।

    অবশ্যই পড়ুন: আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস পেল নয়া স্টপেজ, কোন স্টেশনে দাঁড়াবে জানাল রেল

    এখন কী করণীয়?

    একাধিক সূত্র মারফত খবর, ইতিমধ্যেই বাংলার একাধিক জেলার আবেদনকারীরা নিজেদের অ্যাকাউন্টে যুবসাথী প্রকল্পের প্রদত্ত অর্থ পেয়ে গিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ভিডিও বার্তায় বেকার ভাতা দেওয়ার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। কিন্তু হঠাৎ করে ফোনে Failed মেসেজ আসা শুরু হওয়ায় আদৌ টাকা ঢুকবে কিনা তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন অনেকেই। যদিও সকলের ফোনে এমন মেসেজ যায়নি। এ নিয়ে কয়েকজন সরকারি আধিকারিকের দাবি, ফোনে যদি সত্যিই এমন ধরনের মেসেজ এসে থাকে সেক্ষেত্রে দ্রুত ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ অথবা BDO অফিসে যোগাযোগ করা ভাল।

  • ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে নতুন নিয়ম, বড় আপডেট দিলেন জ্ঞানেশ কুমার

    ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে নতুন নিয়ম, বড় আপডেট দিলেন জ্ঞানেশ কুমার

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে, আর কিছুদিন পরেই শুরু হতে চলেছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026), তাই জোর কদমে চলছে প্রস্তুতি। যদিও এখনও কমিশনের তরফে ঘোষণা করা হয়নি যে কবে হবে বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসেছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। চলছে একাধিক বৈঠক। এমতাবস্থায় ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাওয়া নিয়ে বড় আপডেট দিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (CEC Gyanesh Kumar)।

    মোবাইল নিয়ে বড় আপডেট কমিশনের

    বরাবরই ভোট কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢোকা নিষেধ বলেই গণ্য হয়ে আসছে। কিন্তু অনেকেই অভ্যাসের বশে পকেটে ফোন নিয়ে ভোট দিতে যান। আর সেখানে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। তাই এবার সেই নিয়ে বড় আপডেট দিল কমিশন। জানা গিয়েছে, প্রতিটি বুথের বাইরে মোবাইল রাখার জায়গা থাকবে। ভোট দেওয়ার পর বাইরে বেরিয়ে মোবাইল নিতে পারবেন সকলে। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে কমিশন। জানানো হয়েছে, কোনও বুথে ১২০০-র বেশি ভোটার থাকবে না। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার ইনফরমেশন স্লিপ দেবেন আধিকারিকরা।

    শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে একাধিক পদক্ষেপ কমিশনের

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, রাজ্যের প্রবীণ ভোটারদের জন্য ভোটকেন্দ্রগুলি বিল্ডিংয়ের নীচের তলায় রাখা হবে। এছাড়াও তাঁদের সুবিধার্থে বিশেষ হুইল চেয়ার থাকবে। এবং সেগুলো চালানোর জন্য ভলান্টিয়ার থাকবে। এছাড়াও ভোটকেন্দ্রের প্রত্যেক বুথে পানীয় জলের রাখার পাশাপাশি ভোটার সহায়তা কেন্দ্র থাকবে। এছাড়াও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার আরও জানিয়েছেন, “পশ্চিমবঙ্গে ৮০ হাজারেরও বেশি পোলিং স্টেশন রয়েছে। সমস্ত বুথে ১০০ শতাংশ ওয়েব কাস্টিং হবে। ভোট শতাংশ ECINET দেওয়া হবে। যাতে জানা যাবে, কত ভোট শতাংশ পড়ল।সব ভোটারদের আবেদন করব, ECINET ডাউনলোড করুন। কত শতাংশ ভোট পড়ল, রেজাল্টও এখানে দেখতে পাওয়া যাবে।”

    আরও পড়ুন: পুরুলিয়া থেকে দিল্লির ট্রেনের ঘোষণা দক্ষিণ পূর্ব রেলের, দেখুন সময়সূচি

    বৈঠকের মাধ্যমে জানা গিয়েছে, পোস্টাল কাউন্টিং EVM -এর দুই রাউন্ডের আগেই নাকি শেষ করা যাবে। এছাড়াও ইলেকশন সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য গণনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ECINET অ্যাপ দ্বারা বা কমিশনের ওয়েবসাইটে জানানো হবে। সেক্ষেত্রে যদি কোনও সমস্যা দেখা দেয় তাহলে EVM-এর পুরো VVPAT গণনা করা হবে কাউন্টিং এজেন্টের সামনে। এর ফলে গণনার ৭ দিনের মধ্যে যে কোনও পরাজিত প্রার্থী EVM খতিয়ে দেখতে পারবেন।

  • আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস পেল নয়া স্টপেজ, কোন স্টেশনে দাঁড়াবে জানাল রেল

    আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস পেল নয়া স্টপেজ, কোন স্টেশনে দাঁড়াবে জানাল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বাংলা এবং দক্ষিণ ভারতের রেল যাত্রীদের জন্য রইল দারুণ সুখবর। অবশেষে নতুন এক স্টপেজ পেল আলিপুরদুয়ার –এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস (Alipurduar – SMVT Bengaluru Amrit Bharat Express)। দীর্ঘদিন ধরেই এই ট্রেনের একটি স্টপেজ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন সাধারণ রেল যাত্রীরা। অবশেষে সকলের সেই ইচ্ছার দাম দিয়ে নতুন স্টপেজ দেওয়া হল। আপনিও কি জানতে ইচ্ছুক নতুন স্টপেজের নাম কী? চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    নতুন স্টপেজ পেল এই রুটের অমৃত ভারত এক্সপ্রেস

    পূর্ব রেলের তরফে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আলিপুরদুয়ার –এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস এবার থেকে দলগাঁও স্টেশনে থামবে। যাত্রীদের সুবিধার্থে ট্রেন নম্বর ১৬৫৯৮/১৬৫৯৭ আলিপুরদুয়ার-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস এবার থেকে নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী দলগাঁও স্টেশনে থামবে। গতকাল ৯ মার্চ থেকে নিয়মটি কার্যকর হবে।

    আরও পড়ুনঃ দাঁড়ায় প্রায় সব ট্রেন! তবে বাংলার এই স্টেশনের নাম জানেন না যাত্রীরা

    এক নজরে ট্রেনের কর্মসূচি

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৬৫৯৮ আলিপুরদুয়ার-এসএমভিটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস রাত ২৩:৪৬ নাগাদ দলগাঁও স্টেশনে পৌঁছাবে এবং সেখান থেকে ছাড়বে ২৩:৪৮ মিনিটে অর্থাৎ মাত্র ২ মিনিটের হল্ট দেওয়া হবে। এদিকে ফিরতি পথে ১৬৫৯৭ এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ১৪ মার্চ, ২০২৬ থেকে সকাল ৮:০১ মিনিটে দলগাঁওতে থামবে এবং ছাড়বে ৮:০৩ মিনিটে। যদিও ট্রেনটির অন্যান্য সকলের স্টেশনের কর্মসূচি অপরিবর্তিত থাকবে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আলিপুরদুয়ার-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন পরিষেবা চালু হবে । নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের এবং উচ্চমানের পরিষেবা প্রদানের জন্য এই নতুন নন-এসি ট্রেনটি তৈরি করা হয়েছে। ট্রেনটি ছয়টি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলির মধ্য দিয়ে যাবে: পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু এবং কর্ণাটক। ট্রেনটি বোলপুর শান্তিনিকেতন, ডানকুনি, খুরদা রোড, নেলোরের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে স্টপেজ দেয়।

     

  • ‘এই দিন পর্যন্ত সমাধান হলেও দিতে পারবেন ভোট’ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

    ‘এই দিন পর্যন্ত সমাধান হলেও দিতে পারবেন ভোট’ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) শুরু হতে আর খুব বেশি দেরি নেই, এদিকে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আগে থেকেই মামলা চলছে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদেরও এই SIR প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়েছে। আদালত জানিয়েছিল, ভোটার তালিকার তথ্যগত অসঙ্গতির ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বর্তমান এবং প্রাক্তন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এবং রাজ্যকে তা পালন করতে হবে। এরই মধ্যে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি জানালেন যে, শুনানিতে (SIR Hearing) রাজ্যের বিবেচনাধীনের ভোটার তালিকায় থাকা আপাতত ১০ লক্ষ লোকের নিষ্পত্তি হয়েছে।

     ১০ লক্ষ ভোটারের শুনানির কাজ নিষ্পত্তি

    রিপোর্ট মোতাবেক আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে SIR সংক্রান্ত মূল মামলার শুনানি ছিল। সেখানে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, এখনও পর্যন্ত বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ১০ লক্ষ লোকের নিষ্পত্তি হয়েছে। এই নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় যোগ দিয়েছেন আরও ২০০ জুডিশিয়াল অফিসার। এদিকে রাজ্যের আইনজীবি মেনকা গুরুস্বামী জানান, ‘মাত্র ৭ লক্ষ লোকের নিষ্পত্তি হয়েছে, এখনও বাকি ৫৭ লক্ষ’। এরপরই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, “ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন যে ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের শুনানির কাজ নিষ্পত্তি হয়েছে। জুডিশিয়াল অফিসারদের নিজেদের মতো করে কাজ করতে দিন। আপনারা সবকিছু জানেন না, কোথায় কী হচ্ছে আমরা জানি।’

    ভোট দেওয়া নিয়ে বিশেষ নির্দেশ আদালতের

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “সমস্ত বৈধ ভোটারদের তালিকায় যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েই বিচার বিভাগ কাজ করছে। তবে এক্ষেত্রে কোনও জুডিশিয়াল অফিসারদের কর্মদক্ষতা নিয়ে যেন কোনও প্রশ্ন না ওঠে। যদি কেউ তা করে থাকেন তবে তাঁর দৃষ্টান্তমূলক জরিমানা করা হবে। যদি কোনও জুডিশিয়াল অফিসার মনে করেন কেউ বৈধ ভোটার নন, তাহলে তিনি ভোট দিতে পারবেন না। এমনকি ভোটের আগের দিন পর্যন্ত যদি কোনও ভোটারের সমস্যার সমাধান হয়ে যায় তবে তিনিও ভোট দিতে পারবেন।” এই নির্দেশের পর কোর্টে আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী দাবি করেন যে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জুডিশিয়াল অফিসারদের কাজ শেষ করা যাবে বলে মনে হচ্ছে না, আর সেই মন্তব্য শুনে পাল্টা জবাব দেন প্রধান বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: একটু পরেই দক্ষিণবঙ্গের এই ৫ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, বইবে ঝোড়ো হাওয়া

    রাজ্যের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, “আপনাদের কমিশনের কাছে আবেদন জুডিশিয়াল অফিসারদের ভোটারদের যে তালিকা রিভিউ করার জন্য দেওয়া হয়েছে সেটা প্রত্যাহার করা হোক। কারণ এটা আমাদের নির্দেশের পরিপন্থী’। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন যে, “দু’পক্ষের সততা নিয়ে আমরা এই মুহূর্তে সন্দিহান। তাই সেক্ষেত্রে দরকার পড়লে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের দিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। তখন জুডিশিয়াল অফিসারদের নির্দেশের বিরুদ্ধে এই ট্রাইব্যুনালের কাছে আবেদন করা যাবে।”

  • ধর্মীয় অত্যাচারে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে, CAA-তে আবেদনে ৮ মাসেই মিলল নাগরিকত্ব

    ধর্মীয় অত্যাচারে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে, CAA-তে আবেদনে ৮ মাসেই মিলল নাগরিকত্ব

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা CAA নিয়ে প্রথম থেকেই কেন্দ্রের বিরোধিতা করে আসছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। যদিও এখনও প্রতিবাদ করেই চলেছে মমতা সরকার। তবে সম্প্রতি নির্বাচনের আবহে SIR কর্মসূচি লাগু হওয়ার পর CAA নিয়ে তীব্র সংকট দেখা দিল। আর এই আবহে মধ্যেই নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করে সার্টিফিকেট (CAA Certificate) পেল বাংলাদেশ থেকে আসা পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর (Purbasthali) একাধিক পরিবার।

    নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট পেল ৩টি পরিবার

    রিপোর্ট মোতাবেক, পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ৩ টি পরিবার কিছুদিন আগেই ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে CAA-র জন্য আবেদন করেছিল, অবশেষে মিলল সেই সার্টিফিকেট। আবেদনকারীদের মধ্যে একজন, সরস্বতী মল্লিক এবং তার দুই ছেলে দুলাল মল্লিক ও অরবিন্দ মল্লিক আগে বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানা এলাকায় বসবাস করতেন। কিন্তু ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ২০০৬ সালে এদেশে চলে এসেছিল। এখানকার ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ড সহ যাবতীয় নথি থাকলেও তাঁদের মনে ভয় ছিল। শেষে স্থানীয় বিজেপি নেতার কথায় গত বছর অক্টোবর মাসে CAA তে আবেদন করে। শেষে চার মাসের মাথায় ইমেইলের মারফত তারা নাগরিকত্ব সার্টিফিকেটের সফট কপি পায়। বেশ খুশি আবেদনকারীরা।

    ৩ মাসের মধ্যে মিলেছে সার্টিফিকেট

    এর আগে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর কালেখাতলা পঞ্চায়েতের বড়গাছি গ্রামের বাসিন্দা সবুজ দাসও নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট পেয়েছিল। জানা যায় প্রায় ২৬ বছর আগে সে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে অত্যাচারিত হয়ে এদেশে এসেছিলেন। আর তারপর থেকেই পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতেই রয়েছেন। ভোটার, আধার-সহ যাবতীয় নথি থাকলেও SIR এর ভয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের উপর ভরসা করে CAA-তে আবেদন করেছিলেন, এরপর ৩ মাসের মধ্যেই পেয়ে যান নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতারা বলেন, “শাসকদল অপ্রপ্রচার করছে। বিভ্রান্ত না হলে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে আবেদন করুন।”

    আরও পড়ুন: টিম ইন্ডিয়ার লজ্জা লাগা উচিৎ! বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ কীর্তি আজাদ

    বিজেপি নেতা বেচারাম দাস বলেন, “আমরা এই এলাকায় প্রায় দেড় হাজার পরিবারকে CAA-এর জন্য আবেদন করতে সাহায্য করেছি। আশা রাখছি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এলাকার সকলেই CAA এর সার্টিফিকেট পেয়ে যাবে। রাজ্যের শাসক দল সিএএ নিয়ে লাগাতার মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে গিয়েছে। নানা স্লোগান দিয়ে শাসকদল কতই মিটিং-মিছিল করেছে। কিন্তু বাংলার মানুষ এখন বুঝতে পারছেন CAA নিয়ে শাসক দল এতদিন তাঁদের শুধুই ভুল বুঝিয়ে গিয়েছে।”

  • অবশেষে বকেয়া DA দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    অবশেষে বকেয়া DA দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সামনেই রয়েছে বিধানসভা ভোট। এখনও অবধি বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ না পেলেও তোড়জোড় ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) ইস্যুতে সরকারের চাপ বাড়াচ্ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। এই ক্ষোভ কবে প্রশমন হবে? উত্তর জানা নেই কারোর। এরই মধ্যে সরকারি কর্মীদের উদ্দেশ্যে নতুন নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন (Nabanna)। আগামী ২০ মার্চের মধ্য সরকারি কর্মীদের একটি বিশেষ কাজ করে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ২০ মার্চের মধ্যে এই কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    আপনিও কি জানতে ইচ্ছুক যে সরকার ২০ মার্চের মধ্যে কী কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে? তাহলে জানিয়ে রাখি, রাজ্য অর্থ দফতরের তরফে জারি করা নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব সরকারি কর্মচারীর সার্ভিস বুক (Service Book) ডিজিটাল বা ই-সার্ভিস বুক হিসেবে তৈরি করতে হবে। তাহলে কি বকেয়া DA নিয়ে তোড়জোড় শুরু করতে চাইছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? সুপ্রিম কোর্টে চলা পঞ্চম বেতন পে কমিশনের বকেয়া ডিএ মেটানোর বিষয়ে এটা প্রথম পদক্ষেপ? এই নিয়ে সরকারের তরফে কিছু না জানানো হলেও, ইতিমধ্যে সরকারি কর্মীদের মধ্যে ফিসফাস শুরু হয়ে গিয়েছে।

    এমনিতেই বকেয়া ডিএ মামলায় নতুন করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সুপ্রিম কোর্টে শাসক দল জানিয়েছে, এখনই সরকারের পক্ষে সকলের বকেয়া মেটানো সম্ভব নয়। যে কারণে আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি সময় দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। এদিকে সরকারের এহেন মন্তব্যে ক্ষোভে ফুঁসছেন সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকরা। তাঁদের অপেক্ষা আরও কত দীর্ঘ হবে? আদৌ টাকাটা মিলবে তো? এই আশঙ্কায় ভুগছেন সকলে।

    কী আছে বিজ্ঞপ্তিতে?

    অর্থ দফতরের তরফে প্রকাশিত নতুন আদেশনামা 835-F(eGov) এবং ২৮/০২/২০২৬ অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চের মধ্যে সমস্ত সরকারি কর্মীর ই-সার্ভিস বুক তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে। প্রথমে সার্ভিস বুকের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বা কাস্টোডিয়ানরা মূল নথির পাতাগুলি স্ক্যান করে অনলাইনে আপলোড করবেন। এরপর কর্মচারীদের নিজেদের দায়িত্ব নিতে হবে। তাঁরা সেই স্ক্যান করা নথিগুলি দেখে অনলাইনে নিজেদের সমস্ত তথ্য সতর্কতার সঙ্গে এন্ট্রি করবেন।

  • সাতসকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড গোবরডাঙ্গা স্টেশনে, পুড়ে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    সাতসকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড গোবরডাঙ্গা স্টেশনে, পুড়ে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    সৌভিক মুখার্জী, গোবরডাঙ্গা: সাতসকালে গোবরডাঙ্গা স্টেশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড (Gobardanga Station Fire)। পুড়ে ভস্মীভূত প্রায় ৪ থেকে ৫টি দোকান এবং আরও ১০-১২টি দোকানের উপর পড়েছে প্রভাব। জানা যাচ্ছে, স্টেশন বাজার সংলগ্ন ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম লাগোয়া একটি হোটেল থেকেই আগুনের সূত্রপাত। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী খবর, হোটেলে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়েই এই অগ্নিকাণ্ড। কিন্তু তাতে হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড গোবরডাঙ্গায়

    জানা যাচ্ছে, আজ সকাল সাড়ে ছয়টা নাগাদ এই আগুনের সূত্রপাত। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গোবরডাঙ্গা ফায়ার ব্রিগেডের দুটি ইঞ্জিন। সূত্রের খবর, ওই হোটেলের ভিতরে একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ছিল। হঠাৎ করেই বিস্ফোরণ ঘটে এই দুর্ঘটনা। তবে ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন নেভাতে যথেষ্ট হ্যাপা পোহাতে হয়েছে দমকল বাহিনীকে। সবথেকে বড় ব্যাপার, চারদিকে দোকানপাট থাকায় মুহুর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, সিলিন্ডার ফেটেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয়দের মধ্যে শুরু হয় হইহুল্লোড় এবং পার্শ্ববর্তী দোকানদাররাও চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে।

    বেশিরভাগ ব্যবসায়ী তাদের দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে যায় এবং অনেকেই দোকানের মালপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যেতে তৎপর হয়। তবে এই ঘটনায় ট্রেন চলাচলের উপরেও সাময়িকভাবে প্রভাব পড়েছে। সামান্য কিছু সময়ের জন্য বনগাঁ-শিয়ালদা লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল বলেই খবর। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঠিক কীভাবে আগুনের আগুন লাগল আর ক্ষয়ক্ষতের পরিমাণ কতটা তা খতিয়ে দেখা হবে। যদিও স্থানীয়দের দাবি, দমকল ইঞ্জিন আসা সত্ত্বেও তাতে জল ছিল না। তাই আগুন নেভাতে আরও বিলম্ব হয়েছে।

    আরও পড়ুন: গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    এ বিষয়ে গোবরডাঙ্গা পৌরসভার চেয়ারম্যান শংকর দত্ত বলেন, এই ঘটনা খুবই মর্মাহত। প্রায় চার থেকে পাঁচটি দোকানের কিছু নেই। পুরো ভস্মীভূত হয়ে গেছে এবং আরও ১০ থেকে ১২টি দোকানের উপরেও প্রভাব পড়েছে। দোকানদারদের মন শক্ত করতে বলছি। আমরা পৌরসভার তরফ থেকে সকলের পাশে থাকার চেষ্টা করব, এবং যতটা সম্ভব ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করার চেষ্টা করব।

  • দাঁড়ায় প্রায় সব ট্রেন! তবে বাংলার এই স্টেশনের নাম জানেন না যাত্রীরা

    দাঁড়ায় প্রায় সব ট্রেন! তবে বাংলার এই স্টেশনের নাম জানেন না যাত্রীরা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এ বাংলায় (West Bengal) কমবেশি 700 র বেশি রেল (Indian Railways) স্টেশন রয়েছে। যে গুলির প্রত্যেকটি একে অপরের থেকে আলাদা। তবে পশ্চিমবঙ্গের বুকেই এমন এক স্টেশন রয়েছে যেখানে থেকে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করলেও কোনও নাম নেই সেই স্টেশনের। এক কথায় যাকে বলা যায় নামহীন বা অনামিকা স্টেশন। ভারতীয় রেলের অধীনস্থ এই স্টেশনের নামকরণ না হওয়ার কারণে স্টেশনটিতে প্রতিদিন অজস্র ট্রেন দাঁড়ালেও এই স্টেশনের নাম দেখায় না Where Is My Train অ্যাপেও! কোথায় রয়েছে সেই স্টেশন?

    বাংলাতেই রয়েছে নামহীন রেল স্টেশন

    ভারতীয় রেলের হাজার হাজার রেল স্টেশনের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নামহীন রেলস্টেশনটি। জানলে অবাক হবেন, এই স্টেশনই দেশের একমাত্র স্টেশন যার নামকরণ আজ পর্যন্ত হয়নি। নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে কোথায় রয়েছে এমন স্টেশন? বাংলা তথা ভারতের একমাত্র নামহীন রেল স্টেশনটি রয়েছে বর্ধমান জেলার জেলা সদর থেকে অন্তত 35 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রায়না নামক একটি গ্রামে।

    সালটা 2008। সে বছর এই গ্রামেই তৈরি হয়েছিল রেল স্টেশনটি। জানা যায়, ভারতীয় রেলের তরফে স্টেশনটি তৈরির পর এর নামকরণ করার প্রস্তুতি নেওয়া হলে রায়না এবং পার্শ্ববর্তী গ্রাম রায়নগরের বাসিন্দাদের মধ্যে স্টেশনের নামকরণ নিয়ে ব্যাপক মতপার্থক্য দেখা দিলে শেষ পর্যন্ত এই স্টেশনের নামকরণ করা যায়নি।

    জানা যায়, 2008 এ রায়নগর নামের একটি স্টেশন ছিল। পরবর্তীতে রায়নগরের বাসিন্দারা বাঁকুড়া থেকে মসাগ্রাম লাইনের নবনির্মিত স্টেশনটির নাম রায়নগর রাখার পরামর্শ দেন। তাতে ঘোর আপত্তি জানান রায়নার বাসিন্দারা। আসলে স্টেশনটি রায়না গ্রামের আওতায় পড়ায় সেই স্টেশনের নাম রায়না হওয়া উচিত বলেই দাবি করে বসেন রায়নার বাসিন্দারা। তাতে বাধা দেন পার্শ্ববর্তী গ্রামের সকলেই। ফলে দুই পক্ষের তীব্র মতপার্থক্যের কারণে এই স্টেশনের নাম রাখা সম্ভব হয়নি। যার কারণে আজও এই স্টেশনে গেলে হলুদ সাইনবোর্ডে দেখা যাবে না কোনও নাম। যাত্রীরা সেটা জেনেই এই নামহীন স্টেশনে ট্রেন ধরতে আসেন। টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কাটার সময়ও যাত্রীরা বলেন রায়না গ্রামের স্টেশনের টিকিট দিতে।

    অবশ্যই পড়ুন: ভক্তদের আশায় জল ঢাললেন KKR তারকা!

    সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, রবিবার দিন অর্থাৎ ছুটির দিনটিতে এই স্টেশনে বাজে না ট্রেনের বাঁশি। অর্থাৎ এই দিন একেবারে নিরব থাকে স্টেশনটি। যাতায়াত করেন না যাত্রীরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই স্টেশনে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে টিকিট কাটার ব্যবস্থা না থাকায় রবিবার দিন স্টেশন মাস্টার বর্ধমান শহরে যান টিকিট কিনতে। সে কারণেই এই দিন এই স্টেশনের যাত্রী পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকে। বলে রাখি, স্টেশনের নির্দিষ্ট কোনও নাম না থাকায় টিকিট ছাপানো হয় রায়নগর নামে। একই সাথে মোবাইল অ্যাপে বাঁকুড়া মসাগ্রাম লাইনে রায়নগর স্টেশনের নাম উল্লেখ রয়েছে। তবে হিসেব করে দেখতে গেলে, এই স্টেশন অনামিকা স্টেশন হওয়ায় আদতে এর নাম নেই অ্যাপে।