Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • নবান্নে স্টেশনারি সামগ্রী সরবরাহের সুযোগ! বিজ্ঞপ্তি করল অর্থ দফতর

    নবান্নে স্টেশনারি সামগ্রী সরবরাহের সুযোগ! বিজ্ঞপ্তি করল অর্থ দফতর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগে বিভিন্ন দফতরের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহের জন্য এবার কোটেশন আহ্বান করেছে রাজ্যের অর্থ দফতর (Government of West Bengal)। নবান্ন এবার সরকার অনুমোদিত হোলসেল কনজিউমার কো-অপারেটিভ সোসাইটিগুলির কাছ থেকে এবার স্টেশনারি, গ্রোসারি, স্যানিটারি এবং অন্যান্য সামগ্রী সরবরাহের জন্য দরপত্র জমা দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। এমনকি এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছেন নবান্ন।

    কী বলা হল ওই বিজ্ঞপ্তিতে?

    অর্থ দফতরের তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত এক বছরের জন্য বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহের উদ্দেশ্যেই কোটেশন আহ্বান করা হচ্ছে। ইচ্ছুক সরকারি অনুমোদিত কো-অপারেটিভ সংস্থাগুলিকে নিয়ম মেনেই সিল করা খামে কোটেশন জমা করতে হবে। এমনকি সেই কোটেশন জমা করার শেষ তারিখ ১৯ মার্চ ২০২৬। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবান্নে অবস্থিত অর্থ দফতরের কার্যালয়ে এই কোটেশন জমা দিতে হবে। যার ঠিকানা ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট, গ্রুপ–এইচ; ১০ তলা, রুম নম্বর ১০০৪; নবান্ন, হাওড়া।

    তবে সমস্ত জামা পড়া কোটেশন খোলা হবে ২৩ মার্চ ২০২৬ দুপুর ১২ টার সময়। আর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে অর্থ দফতরের স্পেশালিস্ট সেক্রেটারী দফতরের মাধ্যমে। এমনকি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দফতরের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের স্টেশনারি সামগ্রী, গ্রোসারি পণ্য, স্যানিটারি সামগ্রী এবং অন্যান্য অফিসের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করা হবে। আর এই সমস্ত সামগ্রীর নির্দিষ্ট তালিকা অর্থ দফতর থেকে সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি আগ্রহী প্রতিনিধিরা নবান্নে এসে নমুনা দেখতে পারবে।

    আরও পড়ুন: ৫২৪টি LPG সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক উধাও! গ্যাসের সংকটের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঝাঁসিতে

    রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত

    তবে বিজ্ঞপ্তিতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, কোটেশনে উল্লেখিত দাম জিএসটি ছাড়াই দিতে হবে। আর সরবরাহ করা সামগ্রী অবশ্যই দফতরের দেওয়া নমুনা অনুযায়ী হতে হবে। পাশাপাশি কোনও সংস্থার কোটেশন গ্রহণ করা কিংবা বাতিল করার সম্পূর্ণ অধিকার দফতরের হাতেই থাকবে। আর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যে সংস্থার কোটেশন গ্রহণ করা হবে তাদের দফতরের চাহিদা পাওয়ার সাত দিনের মধ্যেই সমস্ত সামগ্রী সরবরাহ করতে হবে। সময়ের মধ্যে সরবরাহ না করলে সেই সংস্থা ব্ল্যাকলিস্ট হতে পারে।

    অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি- Download Now

  • LPG সিলিন্ডার মজুত রাখলে বাজেয়াপ্ত করবে রাজ্য সরকার! জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

    LPG সিলিন্ডার মজুত রাখলে বাজেয়াপ্ত করবে রাজ্য সরকার! জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের হাওয়া গায়ে লেগেছে বাংলারও। কেন্দ্রীয় সরকার আশ্বস্ত করলেও এক ধাক্কায় 60 টাকা বেড়েছে রান্নার গ্যাসের (LPG) দাম। তাতে পকেটে টান পড়ছে মধ্যবিত্তের। এদিকে জ্বালানি সমস্যার কারণে অটোতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের। এমতাবস্থায়, ভবিষ্যতে সমস্যা এড়াতে আগেভাগে কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যাঁরা এই কঠিন সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে নিজেদের মজুত বাড়াচ্ছেন, প্রয়োজন হলে সরকার তাদের কাছ থেকে সেই মজুত বাজেয়াপ্ত করবে।

    কেন্দ্রকে দুষে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের

    গত 27 ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে ভয়াবহ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। পরবর্তীতে দুই শক্তিধর দেশের হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির। যেই ঘটনায় প্রত্যাঘাত করে পশ্চিম এশিয়ার দেশটি। বেঁধে যায় যুদ্ধ। অনেকেই ভেবে নিয়েছিলেন এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে। সময় যত গড়াচ্ছে সেদিকেই যাচ্ছে পরিস্থিতি। এদিকে যুদ্ধের আবহে কেন্দ্রীয় সরকার দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছিল খুব কঠিন পরিস্থিতি তৈরি না হলে দেশে বাড়বে না গ্যাসের দাম। তবে হয়েছে উল্টোটা।

    দেশজুড়ে এক ধাক্কায় গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের দাম 60 টাকা বাড়ায় ক্ষুব্ধ বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই একযোগে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার জ্বালানি সংকট তৈরির নেপথ্যে ফের নরেন্দ্র মোদির সরকারকে দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, সঞ্চয়ের খতিয়ান না দেখে কেন LPG বুকিং এ কড়াকড়ি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল? এই পদক্ষেপ দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় বলেই মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    অবশ্যই পড়ুন: LPG সঙ্কটের মাঝে যাত্রীদের খাবারের জন্য রেলের ক্যান্টিনকে বড় নির্দেশ IRCTC-র

    এদিকে, কঠিন পরিস্থিতিতে রাজ্যে যাতে গ্যাসের জন্য হাহাকার দেখা না দেয় সেজন্যই এবার কঠিন পদক্ষেপ নিতে পারে রাজ্য সরকার। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ইতিমধ্যেই জেলাশাসক থেকে শুরু করে পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ নিয়ে খুব শীঘ্রই প্রশাসনিক বৈঠকে বসবেন তিনি। সেখানেই কীভাবে কঠিন সময়ে সাধারণ মানুষকে বাঁচানো যায় তা নিয়ে ই হবে আলোচনা। তবে সেই বৈঠক শুরুর আগেই এরই মধ্যেই জেলা প্রশাসনকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন খারাপ সময়ে গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে অবৈধভাবে LPG সিলিন্ডার মজুত করে রাখছে এমন খবর পেলে তৎক্ষণাৎ তা বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে বলেও জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সাফ বক্তব্য, কালোবাজারি সহ্য করবে না সরকার।

  • “আমার জনগণকে রক্ষা করুন মা দুর্গা”,  চলে যাওয়ার আগে রাজ্যবাসীকে খোলা চিঠি বোসের

    “আমার জনগণকে রক্ষা করুন মা দুর্গা”, চলে যাওয়ার আগে রাজ্যবাসীকে খোলা চিঠি বোসের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের আবহে সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাঁর পদত্যাগ রাজ্য রাজনীতিতে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করেছেন, এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক কারণ থাকতে পারে। তবে সব কিছু ভুলে রেখে এবার রাজ্যবাসীর কাছে খোলা চিঠি লিখলেন বিদায়ী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সকলের জন্য মা দুর্গার কাছে করলেন মঙ্গল কামনা।

    খোলা চিঠি আনন্দ বোসের

    রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। যেখানে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, “রাজ্যপাল পদে আমার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে ৷ তবুও পশ্চিমবঙ্গে আমার যাত্রা এখনও শেষ হয়নি । আমি আমার দ্বিতীয় বাড়ি-পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে এর অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে যুক্ত থাকব।” চিঠিতে আনন্দ বোস পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমার প্রিয় বাংলার সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ, শিশুদের উচ্ছ্বাস, যুবকদের দৃঢ় করমর্দন এবং প্রবীণদের স্নেহময় দৃষ্টির স্মৃতি অমূল্য হয়ে থাকবে। আমি আবারও আপনাদের প্রতি আমার সমর্থন এবং বিবেচনার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

    রাজ্যের মানুষের আন্তরিকতা নিয়ে আপ্লুত বোস

    চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার একটি অংশও তুলে ধরেছেন প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস যেখানে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। বাংলার সংস্কৃতি, সাহিত্য ও মানুষের আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছেন, এখানে কাটানো সময় তাঁর জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা সফর করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন। কখনও সাধারণ মানুষের বাড়িতে বসে খেয়েছেন, কখনও ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। আবার নানা ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করার অভিজ্ঞতাও তাঁর কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।

    আরও পড়ুন: আট মাসেই মেমারিতে ধসল ১৯ নং জাতীয় সড়কের গার্ডওয়াল, বন্ধ যান চলাচল

    খোলা চিঠির শেষে বিদায়ী রাজ্যপাল পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী দিনে বাংলা আরও গৌরবের শিখরে পৌঁছাবে বলে তাঁর বিশ্বাস। একইসঙ্গে তিনি বাংলার মানুষের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে লেখেন, ‘মা দুর্গা আমার জনগণকে রক্ষা করুন।’ প্রসঙ্গত, গতকাল বিদায়ী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাক্ষাতের পর মমতা বলেন, ‘‘উনি চলে যাচ্ছেন। তাই ওঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম। আমরা একসঙ্গে অনেক দিন কাজ করেছিলাম। আমার সঙ্গে ওঁর ভাল সম্পর্ক ছিল।’’

  • আট মাসেই মেমারিতে ধসল ১৯ নং জাতীয় সড়কের গার্ডওয়াল, বন্ধ যান চলাচল

    আট মাসেই মেমারিতে ধসল ১৯ নং জাতীয় সড়কের গার্ডওয়াল, বন্ধ যান চলাচল

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের আবহে সরগরম রাজ্য রাজনীতি, আর এই অবস্থায় ফের উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ল প্রশাসন। হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ল জাতীয় সড়কের ফ্লাইওভারের দেওয়াল (Highway Guard Wall Collapsed in Bardhaman)। জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) মেমারি থানার সরডাঙা এলাকায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারের একটি সুবিশাল সাইড ওয়াল হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ে। বিকট আওয়াজে ছুটে আসে স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি বর্ধমানমুখী লেনে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ বুধবার সকালে হঠাৎই বর্ধমান লেনে ১৯ নং জাতীয় সড়কের সরডাঙ্গা মোড়ে গার্ডওয়াল ধসে জাতীয় সড়কের উপরের একাংশ সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়ে। হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি, অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন সকলে। তবে জাতীয় সড়কের গার্ডওয়ালে ধসের কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে ওই লেনের যান চলাচল। যাতায়াতের ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মেরামতি বন্দোবস্ত করা হবে। ফলস্বরূপ কলকাতা-বর্ধমান লেনে যান চলাচল বন্ধ থাকবে। পর্যটকদের আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার পাশাপাশি বিকল্প রুট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ।

    নির্মাণ নিয়ে প্রশ্নের মুখে প্রশাসন

    বুধবার সকালে এই বিপর্যয় ঘটার পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার এবং অন্যান্য কর্মীরা। হোমগার্ড নিখিলেশ দাস ও শেখ বাপ্পা এবং স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় ওই অংশে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের এই অংশটি নির্মাণ করা হয়েছিল মাস আটেক আগে। তাহলে এত দ্রুত কীভাবে ভেঙ্গে পড়ল সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। নির্মাণ সামগ্রির গুণগত মান এবং সরকারি টাকার নয়ছয় নিয়েও অভিযোগ উঠছে।

    আরও পড়ুন: মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন প্রধান শিক্ষকরা

    এলাকার বাসিন্দা শেখ মিলন জানান, “এই ঘটনাটি দিনের বেলায় ঘটায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। চালকরা দেখতে পাওয়ায় গাড়ি সামলে নিয়েছেন। কিন্তু রাতে এই ঘটনা ঘটলে বড় কোনো প্রাণহানি ঘটতে পারত। তখন এর দায় কে নিত?” তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্রুত দেওয়ালটি মেরামত করে রাস্তাটিকে আবার যান চলাচলের উপযুক্ত করে তোলা হবে।

  • মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন প্রধান শিক্ষকরা

    মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন প্রধান শিক্ষকরা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সদ্য মিটেছে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা, অ্যাডমিট কার্ড, রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি নিয়ে একাধিক গোলযোগের পর মোটামুটি সুষ্ঠভাবেই মিটেছে এই পরীক্ষা। তবে একাধিক বিষয় নিয়ে স্কুলের শিক্ষক থেকে শুরু করে প্রধান শিক্ষকদের (Headmasters) উপর চাপ যেন বেড়েই চলেছে। আর সেই কাজে সামান্য ভুল হলেই আসছে কারণ দর্শানোর নোটিস এবং আর্থিক জরিমানা। তাই এবার এই ব্যবস্থা নিয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (West Bengal Board Of Secondary Education) বিরুদ্ধে গর্জে উঠল প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন।

    আর্থিক জরিমানা নিয়ে সংকটে প্রধান শিক্ষকরা

    দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠে আসছে যে, কোথাও রেজিস্ট্রেশনে ছাত্র অথবা ছাত্রীদের নামের বানান ভুল হলে বা কোথাও কোনও সরকারি কাজে খানিক বিলম্ব হলেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ স্কুলগুলিকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠাচ্ছে। এখানেই শেষ নয়, প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে জরিমানা স্বরূপ টাকা আদায়ও করা হচ্ছে, আর তাতেই মহা সমস্যায় পড়েছেন সকলে। তাই এবার প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসের সাধারণ সম্পাদক চন্দন মাইতি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়কে প্রতিবাদ স্বরূপ ই-মেল জানিয়েছেন।

    ইমেলের জবাব দেয়নি মধ্যশিক্ষা পর্ষদ

    প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসের সাধারণ সম্পাদক চন্দন মাইতি বলেন, “কারণ দর্শানোর নোটিস তো রয়েছেই, এমনকি কোনও ক্ষেত্রে বিভাগীয় তদন্তের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ ভাবে প্রধানশিক্ষকদের উপরে শাস্তির খাঁড়া নামিয়ে আনা যায় না। আমাদের অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়।” একই ক্ষোভ প্রকাশ করেন আরেক প্রধানশিক্ষক। তিনি জানিয়েছেন, স্কুলছুটের সংখ্যা কমিয়ে পড়ুয়াদের স্কুলমুখী করতে গিয়ে রেজিস্ট্রেশনে দেরি হয়ে যায়। কিন্তু তা নিয়ে পর্ষদের তরফে চাপ বাড়ে। যদিও এ বিষয়ে পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়ের কোনও বক্তব্য পেশ করেননি।

    আরও পড়ুন: সারদা কাণ্ডের গোপন নথি প্রকাশ্যে আসছে? ১৩ বছর পর বিরাট নির্দেশ হাইকোর্টের

    এর আগে ২৬ হাজার চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের নিয়ে অবস্থান নিয়েছিল প্রধান শিক্ষকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেস। সেই সময় মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে চিঠি পাঠিয়ে ছিল। শুধু তাই নয় ওই ২৬ হাজার চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ভবিষ্যৎ নিয়েও সরাসরি প্রশ্ন তুলে কাঠগড়ায় তুলেছিল পর্ষদকে। আর এবার শিক্ষকদের সামান্য ভুলের জন্য আর্থিক জরিমানা নিয়ে গর্জে উঠল সংগঠন।

  • DA নিয়ে এবার নয়া পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের, ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল কর্মীদের

    DA নিয়ে এবার নয়া পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের, ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল কর্মীদের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (DA) মামলায় খেলা যেন উল্টে গিয়েছে। সরকারি কর্মীদের পর এবার পাল্টা সক্রিয় হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া ডেডলাইনের মধ্যে সরকার কিছুতেই বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা (Dearness allowance) দিতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। এই সময়সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ অবধি বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। এই নিয়ে প্রথমে এম-এ পিটিশন, এবার রিভিউ পিটিশন দাখিল করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আর তা নিয়ে নতুন করে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন সাধারণ কর্মচারীরা।

    ডিএ মামলায় রাজ্যের পদক্ষেপে ফের খুব্ধ সরকারি কর্মীরা

    কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক তথা ডিএ মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee) সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। নিজের ফেসবুক পেজে গত ৬ মার্চ সরকারের এমএ পিটিশন এবং গত ৯ মার্চে রিভিউ পিটিশনের একটি স্ক্রিনশট তুলে ধরেন। সেইসঙ্গে সরকারকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেন। তিনি লেখেন, ‘DA মামলা রাজ্য সরকার দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে কি মনে করছেন?’ অর্থাৎ সরকারের ডিএ নিয়ে এরকম মনোভাব সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকদের মধ্যে কত ক্ষোভের সৃষ্টি করছে তা যেন নতুন করে ফুটে উঠেছে তাঁর কথায়।

    এই নিয়ে বহু মানুষের প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে। একজন লিখেছেন, ‘এই মূহুর্তে রাজ্যের অর্থসচিব এবং মুখ্যসচিব কে তলব করে এই টালবাহানার নাটক বন্ধ করে ওনাদের বেতন ফ্রিজ করে দেওয়ার জন্য মাননীয় সর্বোচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন।’ অন্য একজন বেশ মজার ছলে লিখেছেন, ‘সুপ্রীম কোর্ট রাজ্য সরকারকে কী মনে করেছে সেটাও তো জানা দরকার! এত আবদার লোক নিজের বৌয়েরও রাখতে পারে না! অপর একজন লিখেছেন, ‘এতদিন বাদে বকেয়া DA দেওয়ার রায় দিলেন বিচারপতিরা কোনো সুদ ছাড়া, এইজন্য এত সাহস পাচ্ছে।’

    আরও পড়ুনঃ ৫২৪টি LPG সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক উধাও! গ্যাসের সংকটের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঝাঁসিতে

    সরকারের এহেন পিটিশন নিয়ে অন্য আরেকজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘করতেই পারে। যতটা সময় এই করে করে কাটানো যায় আর কি! কিন্তু ওপেন কোর্ট হিয়ারিং সবরিমালা কেসে হয়েছিল। কিন্তু সেই ভারডিক্টে কোনো স্টে নেই। আর ডেথ পেনাল্টি র ক্ষেত্রে ওপেন কোর্ট হিয়ারিং হয়। আর কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই এর। সুতরাং সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তবুও উনি হাল ছাড়বেন না আর কি।’

    কী বলছে সরকার?

    এমনিতেই বকেয়া ডিএ মামলায় নতুন করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সুপ্রিম কোর্টে সরকার জানিয়েছে, এখনই রাজ্যের পক্ষে সকলের বকেয়া মেটানো সম্ভব নয়। যে কারণে আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি সময় দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। এদিকে সরকারের এহেন মন্তব্যে ক্ষোভে ফুঁসছেন সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকরা। তাঁদের অপেক্ষা আরও কত দীর্ঘ হবে? আদৌ টাকাটা মিলবে তো? এই আশঙ্কায় ভুগছেন সকলে।

  • গ্যাস সংকটের প্রভাব এবার পরিবহণে! CNG-র দাম বাড়ায় কলকাতায় বাড়ছে অটোভাড়া, কতটা?

    গ্যাস সংকটের প্রভাব এবার পরিবহণে! CNG-র দাম বাড়ায় কলকাতায় বাড়ছে অটোভাড়া, কতটা?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে মাথায় হাত পড়েছে গোটা বিশ্বের। ভারতেও ব্যাপক প্রভাব পড়েছে, শহর থেকে জেলা, রান্নার গ্যাসে কমবেশি আকাল দেখা দিয়েছে প্রায় সব জায়গাতেই। দামবৃদ্ধির পাশাপাশি বাণিজ্যিক গ্যাসের সংকটে বন্ধ হতে চলেছে একাধিক হোটেল এবং রেস্তোরাঁ। আর এবার গ্যাসের দামবৃদ্ধির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে অটো পরিষেবায়। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অটোচালকেরাও পেট্রোল পাম্প থেকে CNG পাওয়া নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন। আর তাতেই বাড়ল ভাড়া, (Kolkata Auto Fare Increased) পকেটে টান মধ্যবিত্তের।

    একাধিক রুটে বাড়ছে অটোভাড়া

    আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ার প্রভাবে সাধারণ মানুষের রান্নার খরচের পাশাপাশি পরিবহণের খরচ বেশ বেড়েই চলেছে কলকাতায়। কারণ হিসেবে জানা গিয়েছে CNG-র জোগান কমছে তাতেই বাড়ল অটোর গ্যাসের দাম। মঙ্গলবার রাতে গ্যাসের দাম ছিল ৫৭ টারা ৬৮ পয়সা। কিন্তু রাতারাতি সেই দাম একলাফে ৫ টাকা দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন গ্যাসের দাম বেড়ে হয়েছে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা। তাই বাড়তি খরচ সামাল দিতে একাধিক রুটের অটোভাড়া বাড়ানো হয়েছে। সরকারিভাবে অটোভাড়া না বাড়লেও যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন রুটে। শুধুই যে দাম তাই নয়, অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরেও গ্যাস পাচ্ছেন না অনেকে। বাড়ছে ক্ষোভ।

    ৫-১০ টাকা বাড়ছে ভাড়া

    চিংড়িহাটা থেকে এসডিএফগামী এক যাত্রীর দাবি, এই রুটে অটো ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা। যা আগে নিত ১৫ টাকা। একধাক্কায় তিন টাকা ভাড়া বেড়ে গিয়েছে। আবার গড়িয়া-বারুইপুর, সোনারপুর-গড়িয়া রুটেও ভাড়া কিছুটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অটোচালকদের বক্তব্য, সম্প্রতি গ্যাসের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি পাম্পে গিয়ে পর্যাপ্ত গ্যাসও পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে, বিশেষ করে কাটা গ্যাসের দোকান থেকে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে তাদের। অটোচালক সংগঠন সূত্রে খবর, প্রতিটি রুটে আগামী দিনে ৫-১০ টাকা করে বাড়তে পারে ভাড়া। নইলে অটো পরিষেবা বন্ধ করে দিতে হবে।

    আরও পড়ুন: সাতসকালে দুর্গাপুরে ED-র হানা, কয়লা কাণ্ডে পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতে তল্লাশি

    প্রসঙ্গত বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিষেবায় অসংগতি দেখা দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার উচ্চপর্যায়ে বৈঠক করেন। সেখানে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো এবং বুকিং পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন আনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের রান্নার গ্যাসের জোগান যাতে ব্যাহত না হয়, সে দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে অটোর ক্ষেত্রে বাড়তি ভাড়া দেওয়া নিয়ে নিত্য যাত্রীদের সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে। এখন প্রশ্ন এই পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে।

  • জগন্নাথের উদ্যোগে রানাঘাট-গেদে-শিয়ালদায় একাধিক ট্রেন দিল রেল, দেখুন সময়সূচি

    জগন্নাথের উদ্যোগে রানাঘাট-গেদে-শিয়ালদায় একাধিক ট্রেন দিল রেল, দেখুন সময়সূচি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ভোটের মুখে বাংলার রেল যাত্রীদের পোয়া বারো। একগুচ্ছ লোকাল ট্রেন (Local Train) চালানোর ঘোষণা করা হল রেলের তরফে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। মূলত শিয়ালদা ডিভিশনের (Sealdah Division) বেশ কিছু রুটে আগামী ১৬ মার্চ থেকে অস্থায়ী এবং পরীক্ষামুলকভাবে স্পেশাল লোকাল ট্রেন চালাবে পূর্ব রেল। এখন আপনিও নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন রুটে? চলুন বিশদে জেনে নেবেন।

    একগুচ্ছ লোকাল ট্রেনের ঘোষণা পূর্ব রেলের

    পূর্ব রেল জানিয়েছে, শিয়ালদহ-রানাঘাট-গেদে (Sealdah Ranaghat Gede) এবং গেদে-রানাঘাট-নৈহাটি-মাঝেরহাট শাখায় নতুন ট্রেন চালানো হবে। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই লাভবান হবেন সাধারণ যাত্রীরা। রেলের তরফে কিছু নতুন ট্রেন পরিষেবা সঙ্গে কিছু ট্রেনের সময়সূচী বদল করা হয়েছে। বিশেষ ট্রেনের জন্য সাধারণ মানুষ রাণাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। কারণ তাঁর উদ্যোগেই বিশেষ ট্রেনগুলি চালানো হবে বলে খবর। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে একটি ভিডিও করেছেন সাংসদ।

    আরও পড়ুনঃ হবে মাল্টিট্র্যাকিং, চতুর্থ লাইন! বাংলায় ফের একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের ঘোষণা

    কী বলছেন সাংসদ?

    সাংসদ জানিয়েছেন, ‘গেদে লোকাল প্যাসেঞ্জারদের বহু দিনের সমস্যার সমাধান হতে চলেছে আগামী ১৬ই মার্চ থেকে। সত্যিই এই লাইনে ট্রেন বাড়ানো খুব দরকার ছিলো তাই প্যাসেঞ্জার দের সুবিধার্থে রেলের মিটিং গুলোতে এবং DRM শিয়ালদাহ মহাশয়কে ফোন করে আমি সবসময় এই বিষয়টা তুলে ধরতাম। তাই একাধিক নতুন গেদে লোকাল ট্রেন চালু করা হচ্ছে।’

    এক নজরে ট্রেনের সময়সূচি

    ১. একটি নতুন আপ গেদে লোকাল শিয়ালদা স্টেশন থেকে সকাল ৯:২৮ টায় ছাড়বে, রাণাঘাট স্টেশনে পৌঁছাবে ১১:০১ টায় এবং গেদে স্টেশনে পৌঁছাবে দুপুর ১২:০৭ মিনিটে।

    ২. একটি ডাউন গেদে লোকাল গেদে থেকে সকাল ৮:২৬ টায় ছাড়বে, রানাঘাট পৌঁছাবে ৯:১৮ টায় এবং শিয়ালদহ পৌঁছাবে ১০:৫৭ টায়।

    ৩. আরেকটি আপ গেদে লোকাল শিয়ালদহ থেকে বিকাল ১৬:৫০ টায় ছাড়বে, রানাঘাট পৌঁছাবে ১৮:৩৭ টায় এবং গেদে পৌঁছাবে ১৯:৩৮ টায়।

    ৪. একটি নতুন ডাউন গেদে–মাঝেরহাট লোকাল গেদে থেকে বিকাল ১৬:১৫ টায় ছাড়বে এবং মাঝেরহাট রেলস্টেশনে পৌঁছাবে সন্ধ্যা ১৯:২৮ টায়।

    ৫. একটি নতুন রানাঘাট–গেদে লোকাল (আপ) রানাঘাট থেকে সকাল ৭:০৫ টায় ছাড়বে এবং গেদে পৌঁছাবে ৭:৫৭ টায়।

    ৬. আরও দুটি নতুন ডাউন গেদে–রানাঘাট লোকাল চালু করা হবে, যা গেদে থেকে যথাক্রমে ১৩:০০ টা এবং ২০:২৫ টায় ছাড়বে এবং রানাঘাট পৌঁছাবে যথাক্রমে ১৩:৫৫ টা ও ২১:২১ টায়।

    সাংসদ জানান, ‘এই নতুন ট্রেন পরিষেবাগুলি চালু হলে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রসহ আশেপাশের এলাকার যাত্রীদের যাতায়াতে বিশেষ সুবিধা হবে। আর আগামী ১৬ ই মার্চ থেকে ট্রেন গুলি গেদে লাইনে চলবে এবং ১৫ অথবা ১৬ ই মার্চ রানাঘাট স্টেশন থেকে আমি এবং DRM শিয়ালদা মহাশয় ফ্ল্যাগ দেখিয়ে শুভ উদ্বোধন করবো।’

  • সাতসকালে দুর্গাপুরে ED-র হানা, কয়লা কাণ্ডে পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতে তল্লাশি

    সাতসকালে দুর্গাপুরে ED-র হানা, কয়লা কাণ্ডে পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতে তল্লাশি

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের আবহে রাজ্যে ফের ED-র হানা! কয়লা পাচার মামলার (Coal Smuggling Scam) তদন্তে আজ, বুধবার সকালে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে রাজ্য পুলিশের আধিকারিক মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে হানা দিল ED (Enforcement Directorate)। সকাল থেকেই গোটা বাড়ি ঘেরাও করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এখনও চলছে তদন্ত। চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি এলাকা জুড়ে।

    সাতসকালে দুর্গাপুরে ED হানা

    রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবার, দুর্গাপুরে সিটি সেন্টার অঞ্চলে অম্বুজা নগরীতে বুদবুদ থানার প্রাক্তন ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে আচমকাই চলে আসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ED। বাড়িতে ঢুকতেই ইডির আধিকারিকরা গেটেই হাজিরার নোটিস টাঙিয়ে দেয়। নোটিশে স্পষ্ট জানানো হয় আগামী ১৩ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে তদন্তকারীদের সামনে হাজিরা দিতে হবে। জানা গিয়েছে এর আগে হাজিরা না দেওয়ায় এই নিয়ে তৃতীয়বার মনোরঞ্জনকে কয়লা পাচার মামলার তদন্তের জন্য সমন পাঠাল। এরপর তদন্তের ভিত্তিতে প্রাক্তন ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে ঢুকে পড়ে আধিকারিকরা। গোটা বাড়ি জুড়ে নথিপত্রের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন একদল। এবং অপর দল জিজ্ঞাসাবাদ করছে পরিবারের সদস্যদের।

    পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

    ED-র তরফে অভিযোগ, কয়লা পাচার মামলায় যে প্রোটেকশন মানির লেনদেন হয়েছিল তাতে নাকি মনোরঞ্জন মণ্ডল মোটা টাকার বিনিময়ে সাহায্য করেছিল। আসলে কয়লা পাচার মামলায় দু’মাস আগে তদন্তের ভিত্তিতে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল মোবাইল ফোন, হোয়াটস অ্যাপ চ্যাট-সহ আরও একাধিক ডিজিটাল নথি। সেই সময়ই উঠে আসে বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের নাম। এছাড়াও তালিকায় উঠে আসে আখতার, প্রবীর দত্ত, অমিত বনশল, মির্জা নিজামুদ্দিন, চিন্ময় মণ্ডলের নামও। এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় মনোরঞ্জনের বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। কিন্তু মেলেনি কোনো যথোপযুক্ত তথ্য। তবে আজকের তদন্তে রাজ্যের পুলিশ আধিকারিক বাড়িতে ছিলেন কি না, এখনও সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

    আরও পড়ুন: ক্যাবিনেটের বৈঠকে বড় সিদ্ধান্ত! DA বাড়ছে শীঘ্রই? জানুন আপডেট

    প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক মাস ধরেই রাজ্যে কয়লা পাচার মামলা এবং বালি পাচার মামলাকে কেন্দ্র করে প্রায়শই একাধিক ব্যবসায়ী এবং পুলিশ আধিকারিকদের বাড়ি হানা দিচ্ছে ED, এবং বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ নথি। ফলে বোঝাই যাচ্ছে কয়লা পাচার মামলার তদন্তের জল গড়িয়েছে অনেকটা। এখন দেখার পালা সেই চক্রের সূত্র ধরতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কতটা সাফল্য অর্জন করে।

  • সারদা কাণ্ডের গোপন নথি প্রকাশ্যে আসছে? ১৩ বছর পর বিরাট নির্দেশ হাইকোর্টের

    সারদা কাণ্ডের গোপন নথি প্রকাশ্যে আসছে? ১৩ বছর পর বিরাট নির্দেশ হাইকোর্টের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আবহে সারদা কেলেঙ্কারি মামলা (Sarada Scam Case) নিয়ে বড় আপডেট দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রায় ১৩ বছর পর মামলার তদন্তে রাজ্যের গঠিত বিচারপতি শ্যামল সেন কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশের নির্দেশ দিল উচ্চ আদালত (Calcutta High Court)। আশঙ্কা করা হচ্ছে এত বছর পর এবার হয়ত আর্থিক হিসেব-নিকেশ সহ যাবতীয় রিপোর্ট এবং দীর্ঘদিন ধরে গোপন থাকা গুরুত্বপূর্ণ নথি এবার সকলের সামনে আসতে চলেছে।

    বিচারপতি শ্যামল সেনের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল কমিশন

    উল্লেখ্য, শুরু থেকেই সারদা কেলেঙ্কারিকে ঘিরে রাজ্যজুড়ে তীব্র শোরগোল হয়ে চলেছে। ২০১৩ সালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেই কারণে রাজ্য সরকার, বিচারপতি শ্যামল সেনের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করেছিল। আর সেই কমিশনের মাধ্যমে রাজ্যের ঘোষিত ৫০০ কোটির তহবিল থেকে প্রায় ২২৫ কোটি টাকা আমানতকারীদের মধ্যে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করে। পরে কমিশনের কাজ শেষ হলে সমস্ত হিসেব নিকেশ এবং অবশিষ্ট অর্থ রাজ্য সরকারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এবং একটি প্রতিলিপি আদালতের কাছেও জমা দেওয়া হয়। কিন্তু প্রকাশ্যে আনা হয়নি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট।

    পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেশের নির্দেশ হাইকোর্টের

    এক যুগ কেটে গেলেও বিচারপতি শ্যামল সেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিশন রিপোর্ট না বের করায় আদালতে মামলা করা হয়। গতকাল, মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ওঠে হাইকোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ। আমানতকারীদের আইনজীবী তাঁদের পক্ষের মন্তব্য পেশ করেছেন। কিন্তু এদিনও চিটফান্ডের মামলাগুলিতে সিবিআই ও ইডি-র আইনজীবী না থাকা নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চ ক্ষোভ প্রকাশ করে। বিচারপতি ভরদ্বাজ বলেন, “চিটফান্ডের যাবতীয় কোম্পানির তদন্ত এই দুই সংস্থার হাতে। অথচ লক্ষ্য করছি, ৯০ শতাংশ চিটফান্ডের মামলায় এই দুই এজেন্সির আইনজীবী গরহাজির থাকছেন। এইভাবে চললে, আদালত পদক্ষেপ করতে বাধ্য হবে।” এরপরই আদালত স্পষ্ট জানায় শীঘ্রই ওই রিপোর্ট মামলার সব পক্ষকে দেখাতে হবে।

    আরও পড়ুন: হবে মাল্টিট্র্যাকিং, চতুর্থ লাইন! বাংলায় ফের একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের ঘোষণা

    প্রসঙ্গত, সারদা কেলেঙ্কারি নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ের মধ্যে এই নির্দেশ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। আমানতকারীদের আইনজীবী শুভাশিস চক্রবর্তী ও অরিন্দম দাস বলেন, এতদিনে সারদা সংক্রান্ত শ্যামল সেন কমিশনের যাবতীয় রিপোর্ট প্রকাশ্যে এলে নতুন করে এই রিপোর্ট নিয়ে অগ্রসর হওয়া যাবে। এখন দেখার কবে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসে।