Category: পশ্চিমবঙ্গ

  • ব্রিগেডে মোদির মেগা র‍্যালি! কর্মীদের জন্য উত্তরবঙ্গ থেকে ১৬ জোড়া স্পেশাল ট্রেন

    ব্রিগেডে মোদির মেগা র‍্যালি! কর্মীদের জন্য উত্তরবঙ্গ থেকে ১৬ জোড়া স্পেশাল ট্রেন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে, মুখ্যমন্ত্রীর সিংহাসন দখলের জন্য একদিকে যেমন মরিয়া বিরোধীরা, ঠিক তেমনই আবার সিংহাসন ধরে রাখতে তুমুল চেষ্টা করে চলেছে তৃণমূল। আর এই আবহে আগামী ১৪ মার্চ, শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মহাসভা (PM Modi Brigade Rally) হতে চলেছে। সভাস্থলে উপস্থিত থাকতে কর্মীদের জন্য উত্তরবঙ্গ থেকে ১৬ জোড়া বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হতে চলেছে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ নয়া রাজ্যপাল আর এন রবিকে।

    ১৬ জোড়া ট্রেনের ব্যবস্থা দলীয় কর্মীদের জন্য

    আগামী ১৪ মার্চ কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মহাসভা হতে চলেছে। একই দিনে রাজ্যে বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’র সমাপ্তি ঘটতে চলেছে। এদিকে ব্রিগেডের সভাকে সফল করতে টার্গেট করা হচ্ছে উত্তরবঙ্গকে। সেখানকার দলীয় কর্মীদের যাতে সভায় আসতে কোনো রকম সমস্যা না হয় তাই উত্তরবঙ্গ থেকে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হল রেলের তরফে। জানা গিয়েছে আপ ডাউন নিয়ে স্পেশাল ১৬ জোড়া ট্রেনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উত্তরবঙ্গ বরাবরই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের ৫৪টি আসনের মধ্যে ৩০টিতে জয়লাভ করেছিল বিজেপি। তবে কি সেই কারণে এবার এই পদক্ষেপ? যদিও এই তত্ত্ব মানতে নারাজ বিজেপি।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি

    রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি গোস্বামী এই তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সভায় ভিড় উপচে পড়বে। শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, গোটা রাজ্যের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসবেন।’ সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার, রাজ্যে আসছেন নরেন্দ্র মোদী। বেলা ১-৩৫ নাগাদ আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা বিমানবন্দরে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হাসিমারা সামরিক ঘাঁটি থেকে হেলিকপ্টারে কোকরাঝাড়ে যাবেন মোদি। পরেরদিন অর্থাৎ শনিবার অসমের শিলচর থেকে বেলা ১-২০ নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবং ১:৫০ নাগাদ ব্রিগেডের প্রশাসনিক সভা মঞ্চে উঠবেন।

    আরও পড়ুন: গ্যাসের আকাল! হাসপাতালে বন্ধ হতে পারে বিনামূল্যে রুটি-সবজি

    প্রসঙ্গত, ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গডকড়ী। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘শনিবার ব্রিগেডে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিমবঙ্গে চলছে হাইওয়ের একাধিক প্রকল্পের কাজ। জাতীয় সড়ক-সহ একাধিক প্রকল্পের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।’ সেই অনুষ্ঠানে থাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

  • গ্যাসের আকাল! হাসপাতালে বন্ধ হতে পারে বিনামূল্যে রুটি-সবজি

    গ্যাসের আকাল! হাসপাতালে বন্ধ হতে পারে বিনামূল্যে রুটি-সবজি

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: LPG বা রান্নার গ্যাসের সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হতে উঠেছে গোটা দেশ জুড়ে। বাণিজ্যিক গ্যাসের আকালে (LPG Cylinders Shortage) কলকাতার একাধিক জেলার ছোট হোটেল ও রেস্তোরাঁর মালিক কার্যত নাজেহাল হয়ে পড়েছে। অনেকেই নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছেন তবে কেউ আবার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য বাড়ির সিলিন্ডার এনে রান্না করছেন। আর এবার হাসপাতালে (Government Hospital) রোগীর পরিবারের জন্য এল বড় দুঃসংবাদ, জানা গিয়েছে আর নাকি পাওয়া যাবে না বিনামূল্যে রুটি সবজি।

    বন্ধ বিনামূল্যে রুটি সবজি

    কলকাতার বিভিন্ন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ গুলি-সহ মোট দশটি সরকারি হাসপাতালের সামনে মা ক্যান্টিনে প্রতিদিন প্রায় হাজার পাঁচেক রোগীর পরিবারকে বিনামূল্যে রুটি সবজি এবং ডিম সেদ্ধ খাওয়ানো হয়ে থাকে। যাঁদের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ, তাঁরা এই পরিষেবায় বেশ সন্তুষ্ট। কিন্তু LPG সংকটে এবার সেই পরিষেবায় কোপ পড়ল। বন্ধ হয়ে যেতে পারে বিনামূল্যে এই খাবার। এদিকে এসএসকেএম বা পিজি হাসপাতালের এই মা ক্যান্টিনে প্রতিদিন ৫ টাকার পরিবর্তে পেট ভরা খাবার দেওয়া হয়। কিন্তু গ্যাসের সংকটে সকলের চোখে মুখে চিন্তা দেখা যাচ্ছে। যদিও এই ক্যান্টিন চলবেই বলে আশাবাদী কর্মীরা।

    ভোগের রান্নাও কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে

    মা ক্যান্টিনে কর্মরত কর্মীরা জানিয়েছেন, রোগীর আত্মীয়রাও এই খাবারের ওপর নির্ভরশীল। এখনও পর্যন্ত গ্যাসের সরবরাহ ঠিক আছে। তবে আগামী দিনে কি হবে তা জানা নেই কারোর। এদিকে রান্নার গ্যাস নিয়ে সমস্যা দেখা গিয়েছে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে। কয়েক মাস আগে মন্দিরে ভোগ বিতরণ শুরু করা হয়েছিল। কুপন কেটে সকাল, দুপুর এবং রাতে ভোগ পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল ভক্তদের। প্রতিদিন প্রায় ৩০০০ মানুষের জন্য রান্না হয়। তার জন্য প্রতিদিন ১০টি করে কমার্শিয়াল সিলিন্ডার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু এখন যেহেতু সিলিন্ডারের সমস্যা তাই ভক্তদের জন্য ভোগ রান্না কমিয়ে দেওয়া হয়েছে মঙ্গলবার থেকে। এখন মাত্র ৭৫০ জনের আয়োজন করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: একপাশে টোল ফ্রি হল ডানকুনি টোল প্লাজা, কতদিন?

    মন্দিরের প্রধান পুরোহিত ও অন্যতম ট্রাস্টি রাধারমণ দাস বলেন, ‘এখন সিলিন্ডার পেতে সমস্যা হচ্ছে। তাই ভক্তদের জন্য ভোগ রান্না কমিয়ে দেওয়া হয়েছে মঙ্গলবার থেকে। যে গ্যাস সিলিন্ডার আমাদের হাতে আছে, তা দিয়ে কিছুদিন টানা যেতে পারে। আমরা ডিস্ট্রিবিউটরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছি, যাতে গ্যাসের সরবরাহ দ্রুত পাওয়া যায়। তবে এমন অবস্থা বেশিদিন চলতে থাকলে কাঠ, ঘুঁটে বা অন্য কোনো বিকল্পের আশ্রয় নিতে হবে।”

  • একপাশে টোল ফ্রি হল ডানকুনি টোল প্লাজা, কতদিন?

    একপাশে টোল ফ্রি হল ডানকুনি টোল প্লাজা, কতদিন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনিও কি রোজ ডানকুনি টোল প্লাজা (Dankuni Toll Plaza)-র ওপর দিয়ে যাতায়াত করেন? তাহলে আপনার জন্য রইল জরুরি খবর। টোল নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যা সকলের জানা উচিৎ। জানা গিয়েছে, জাতীয় সড়কে বর্ধমানগামী কোনও গাড়িকে আপাতত আর টোল দিতে হবে।

    ডানকুনিতে টোল মকুব?

    যারা আগামী দিনে এই ডানকুনি টোল প্লাজার ওপর দিয়ে বর্ধমান যাবেন বলে ভেবেছেন তাঁদের জন্য প্রশাসনের তরফে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্ধমান যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও টোল দিতে হবে না। অনির্দিষ্টকালের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এহেন সিদ্ধান্তের ফলে স্বাভাবিকভাবেই অনেকটাই স্বস্তি পাবেন সাধারণ মানুষ। তবে এই টোল না নেওয়া কতদিন চলবে, তা জানানো হয়নি। অবশ্য এখানে একটি বড় চমক রয়েছে। নিশ্চয়ই ভাবছেন কী সেই চমক?

    আরও পড়ুনঃ হাওড়া-শিয়ালদা থেকে ১৮টি স্পেশাল ট্রেন চালাবে রেল, দেখুন রুট ও সময়সূচি

    তাহলে জানিয়ে রাখি, কলকাতাগামী গাড়ির জন্য টোল লাগু থাকবে আগের মতোই। ট্রাক চালক থেকে শুরু করে গাড়ি চালকরা জানাচ্ছেন, বর্ধমান যাওয়ার ক্ষেত্রে আপাতত টোল লাগল না। আগে যখন গিয়েছিলেন তখন টাকা লেগেছিল। কেউ কেউ বলছেন কেন্দ্রের এটা ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা। আসলে গতকাল ১১ মার্চ মেমারিতে গার্ডওয়াল ধসে পড়ে।

    ভেঙে পড়ল জাতীয় সড়কের একাংশ

    জাতীয় সড়কের একাংশ ভেঙে পড়ে। সবথেকে বড় কথা, ঘটনার কয়েক সেকেন্ড আগেই ওই রাস্তার ওপর দিয়ে গাড়ি গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এহেন ঘটনায় আতঙ্কিত মানুষ। এই ঘটনার পরেই টোল নিয়ে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর। গতকাল বুধবার সকাল ৯.৫০ মিনিটে পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারির সোরডাঙ্গা এলাকায় জাতীয় সড়ক-১৯ এর পাশের গার্ড ওয়াল ভেঙে পড়ে। ক্যারেজওয়ের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ক্ষতিগ্রস্ত লেনে সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়, যার ফলে যাত্রীদের অসুবিধা হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মহাসড়ক সম্প্রসারণের কাজ মাত্র কয়েক মাস আগে সম্পন্ন হয়েছে। ট্রাফিক ডিএসপি আশীষ মণ্ডল বলেন, ফ্লাইওভারের একটি পাশের লেন ধসে পড়েছে এবং তৃতীয় লেনের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মেরামতের কাজ চলছে বলে খবর।

  • হাওড়া-শিয়ালদা থেকে ১৮টি স্পেশাল ট্রেন চালাবে রেল, দেখুন রুট ও সময়সূচি

    হাওড়া-শিয়ালদা থেকে ১৮টি স্পেশাল ট্রেন চালাবে রেল, দেখুন রুট ও সময়সূচি

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বাংলার রেল যাত্রীদের জন্য রইল দুর্দান্ত সুখবর। এবার হাওড়া এবং শিয়ালদা থেকে মোট ১৮টি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিল পূর্ব রেল (Eastern Railway Zone)। এশিয়ার অন্যতম বড় দুই স্টেশন হাওড়া এবং শিয়ালদা থেকে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বিভিন্ন রুটে বহু ট্রেন চালানো হবে বলে খবর। রেলের তরফে জানানো হয়েছে এই ১৮টি  ট্রেন অসংরক্ষিত হবে। সবথেকে বড় কথা, রেলের সিদ্ধান্তের কারণে মালদহ টাউন, আসানসোল, দুর্গাপুরের মানুষ উপকৃত হবেন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন রুটে এবং কোন সময়ে বিশেষ ট্রেন চালাবে রেল।

    ১৮টি স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা রেলের

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, বরাকর-হাওড়া, আসানসোল-হাওড়া, দুর্গাপুর হাওড়া, সিউড়ি-হাওড়া,  মালদা টাউন হাওড়া, নিউ ফারাক্কা হাওড়া,  মুরারাই হাওড়া, কাটোয়া হাওড়া, পলাশী শিয়ালদা, কাকদ্বীপ শিয়ালদা, বসিরহাট শিয়ালদা, রানাঘাট শিয়ালদা, বনগাঁ শিয়ালদা, ক্যানিং শিয়ালদা, লালগোলা শিয়ালদা (২টি), গেদে শিয়ালদা এবং শান্তিপুর শিয়ালদা রুটে বিশেষ ট্রেনগুলি চালানো হবে।

    রইল সময়সূচি

    এবার আসা যাক ট্রেনগুলির সময়সূচি সম্পর্কে।

    ১) ট্রেন নম্বর ০৩৫৪০ বরাকর – হাওড়া স্পেশাল ১৩ মার্চ বরাকর থেকে রাত ২০:৫৫ মিনিটে ছেড়ে পরের দিন ০২:৪৫ মিনিটে হাওড়া পৌঁছবে এবং ফিরতি পথে ট্রেন নম্বর ০৩৫৩৯ হাওড়া – বরাকর স্পেশাল ১৪ মার্চ হাওড়া থেকে ২০:৫০ মিনিটে ছেড়ে পরের দিন ০৩:০০ মিনিটে বরাকর পৌঁছবে।

    ২) ট্রেন নম্বর ০৩৫৪২ আসানসোল – হাওড়া স্পেশাল আগামী ১৩ মার্চ আসানসোল থেকে রাত ১২:০০ টায় ছেড়ে পরের দিন ০৩:৫৫ টায় হাওড়া পৌঁছবে এবং ফিরতি পথে ট্রেন নম্বর ০৩৫৪১ হাওড়া – আসানসোল স্পেশাল ১৪ মার্চ হাওড়া থেকে রাত ১২:০০ টায় ছেড়ে পরের দিন ০৩:৩০ টায় আসানসোল পৌঁছবে।

    ৩) ০৩৫৪৪ দুর্গাপুর – হাওড়া স্পেশাল ১৩ মার্চ দুর্গাপুর থেকে রাত ৯:৫৫ মিনিটে ছেড়ে পরের দিন ০৩:১৫ মিনিটে হাওড়া পৌঁছবে এবং ফিরতি পথে ট্রেন নম্বর ০৩৫৪৩ হাওড়া – দুর্গাপুর স্পেশাল ১৪ মার্চ হাওড়া থেকে সন্ধ্যা ৭:১৫ মিনিটে ছেড়ে একই দিনে রাত ৯:৩০ মিনিটে দুর্গাপুর পৌঁছবে।

    ৪) ট্রেন নম্বর ০৩৫৪৬ সিউড়ি – হাওড়া স্পেশাল ১৩ মার্চ সিউড়ি থেকে রাত ১২:০০ টায় ছেড়ে পরের দিন ০৪:৫০ টায় হাওড়া পৌঁছাবে এবং ট্রেন নম্বর ০৩৫৪৫ হাওড়া – সিউড়ি স্পেশাল ১৪ মার্চ হাওড়া থেকে সন্ধ্যা ৭:০০ টায় ছেড়ে পরের দিন ০৩:৩০ টায় সিউড়ি পৌঁছাবে।

    ৫) ট্রেন নম্বর ০৩৪২০ মালদা টাউন – হাওড়া স্পেশাল ১৩ মার্চ মালদা টাউন থেকে রাত ৯:১০ টায় ছেড়ে পরের দিন ০৫:১০ টায় হাওড়া পৌঁছাবে এবং ফিরতি পথে ট্রেন নম্বর ০৩৪১৯ হাওড়া – মালদা টাউন স্পেশাল ১৪ মার্চ হাওড়া থেকে সন্ধ্যা ৭:৫৫ টায় ছেড়ে পরের দিন ০৩:৫৫ টায় মালদা টাউন পৌঁছাবে।

    ৬) ট্রেন নম্বর ০৩৪২২ নিউ ফারাক্কা – হাওড়া স্পেশাল ১৩ মার্চ নিউ ফারাক্কা থেকে রাত ৯:০০ টায় ছেড়ে পরের দিন ০৪:৩০ টায় হাওড়া পৌঁছাবে এবং ফিরতি পথে ট্রেন নম্বর ০৩৪২১ হাওড়া – নিউ ফারাক্কা স্পেশাল ১৪ মার্চ হাওড়া থেকে রাত ৯:২০ টায় ছেড়ে পরের দিন ০৫:০০ টায় নিউ ফারাক্কা পৌঁছবে।

    ৭) ট্রেন নম্বর ০৩০২০ মুরারাই – হাওড়া স্পেশাল ১৩ মার্চ মুরারাই থেকে রাত ৯:০০ টায় ছেড়ে পরের দিন ০২:০০ টায় হাওড়া পৌঁছাবে এবং ফিরতি পথে ট্রেন নম্বর ০৩০১৯ হাওড়া – মুরারাই স্পেশাল ১৪ মার্চ হাওড়া থেকে রাত ৮:৩৫ টায় ছেড়ে পরের দিন ০৩:৩৫ টায় মুরারাই পৌঁছবে।

    ৮) ০৩০২২ কাটোয়া – হাওড়া স্পেশাল আগামী ১৪ মার্চ কাটোয়া থেকে সকাল ৬:০০ টায় ছেড়ে একই দিনে ১০:২০ টায় হাওড়া পৌঁছবে এবং ফিরতি পথে ০৩০২১ হাওড়া – কাটোয়া স্পেশাল একই দিনে হাওড়া থেকে সন্ধ্যা ৬:৪৫ টায় ছেড়ে একই দিনে রাত ৯:৪৫ টায় কাটোয়া পৌঁছবে।

    ৯) ট্রেন নম্বর ০৩১২০ পলাশী – শিয়ালদহ স্পেশাল ১৪ মার্চ সকাল ৬:০০ টায় ছেড়ে একই দিনে ১১:০০ টায় শিয়ালদহ পৌঁছাবে এবং ফিরতি পথে ০৩১১৯ শিয়ালদহ – পলাশী স্পেশাল সেদিনই শিয়ালদহ থেকে সন্ধ্যা ৬:৩০ টায় ছেড়ে একই দিনে রাত ৯:০০ টায় পলাশী পৌঁছবে।

    ১০) ট্রেন নম্বর ০৩১২১ কাকদ্বীপ – শিয়ালদহ স্পেশাল আগামী ১৪ মার্চ কাকদ্বীপ থেকে সকাল ৭:৫০ মিনিটে ছেড়ে একই দিনে ১০:৩০ মিনিটে শিয়ালদহে পৌঁছাবে এবং ০৩১২২ শিয়ালদহ – কাকদ্বীপ স্পেশাল  শিয়ালদহ থেকে সন্ধ্যা ৭:০০ মিনিটে ছেড়ে একই দিনে রাত ৯:৪৫ মিনিটে কাকদ্বীপে পৌঁছাবে।

    আরও পড়ুন: IPL শুরুর আগেই বড় ক্ষতি হয়ে গেল KKR তারকার!

    ১১) ট্রেন নম্বর ০৩১২৪ বসিরহাট – শিয়ালদহ স্পেশাল আগামী ১৪ মার্চ বসিরহাট থেকে সকাল ৭:০০ টায় ছেড়ে একই দিনে ১০:১৫ টায় শিয়ালদহ পৌঁছাবে এবং ০৩১২৩ শিয়ালদহ – বসিরহাট স্পেশাল একই দিনে শিয়ালদহ থেকে রাত ৯:০০ টায় ছেড়ে একই দিনে রাত ৯:০০ টায় বসিরহাট পৌঁছাবে।

    ১২)  ০৩১৪৩ ক্যানিং – শিয়ালদহ স্পেশাল ১৪ মার্চ ক্যানিং থেকে সকাল ৮:০০ টায় ছেড়ে একই দিনে ১০:০০ টায় শিয়ালদহ পৌঁছাবে এবং ফিরতি পথে ০৩১৪৪ শিয়ালদহ – ক্যানিং স্পেশাল সেদিনই শিয়ালদহ থেকে রাত ৯:১০ টায় ছেড়ে একই দিনে রাত ৯:০০ টায় ক্যানিং পৌঁছাবে।

    ১৩)  ০৩১৫৪ লালগোলা – শিয়ালদহ স্পেশাল আগামী ১৩ মার্চ লালগোলা থেকে রাত ৯:৪৫ মিনিটে ছেড়ে পরের দিন ভোর ৫:০০ মিনিটে শিয়ালদহ পৌঁছাবে এবং ০৩১৫৩ শিয়ালদহ – লালগোলা স্পেশাল ১৪ মার্চ শিয়ালদহ থেকে সন্ধ্যা ৭:৪০ মিনিটে ছেড়ে পরের দিন ভোর ৪:০০ মিনিটে লালগোলা পৌঁছাবে।

    ১৪) এরপর ট্রেন নম্বর ০৩১৫৬ লালগোলা – শিয়ালদহ স্পেশাল ১৩ মার্চ লালগোলা থেকে রাত ৯:০০ টায় ছেড়ে পরের দিন ভোর ৪:০০ টায় শিয়ালদহ পৌঁছাবে এবং ফিরতি পথে ট্রেন নম্বর ০৩১৫৫ শিয়ালদহ – লালগোলা স্পেশাল ১৪ মার্চ শিয়ালদহ থেকে রাত ৯:১৫ টায় ছেড়ে পরের দিন ভোর ৪:১৫ টায় লালগোলা পৌঁছাবে।

    ১৫) ট্রেন নম্বর ০৩১৬৬ শান্তিপুর – শিয়ালদহ স্পেশাল আগামী ১৪ মার্চ শান্তিপুর থেকে সকাল ৭:৩০ মিনিটে ছেড়ে শিয়ালদহ পৌঁছাবে সেদিনই সকাল ১০:৩০ মিনিটে এবং ০৩১৬৫ শিয়ালদহ – শান্তিপুর স্পেশাল  শিয়ালদহ থেকে সন্ধ্যা ৭:১৫ মিনিটে ছেড়ে একই দিনে রাত ১২:১৫ মিনিটে শান্তিপুর পৌঁছাবে।

    ১৬) ট্রেন নম্বর ০৩১৬০ গেদে – শিয়ালদহ স্পেশাল ১৪ মার্চ গেদে থেকে সকাল ৬:০০ টায় ছেড়ে একই দিনে সকাল ৯:৩০ টায় শিয়ালদহ পৌঁছাবে। এরপর ফিরতি পথে ট্রেন নম্বর ০৩১৫৯ শিয়ালদহ – গেদে স্পেশাল  শিয়ালদহ থেকে সন্ধ্যা ৬:৪৫ টায় ছেড়ে একই দিনে রাত ১২:১৫ টায় গেদে পৌঁছাবে।

    ১৭) ট্রেন নম্বর ০৩১৩৮ রানাঘাট – শিয়ালদহ স্পেশাল ১৪ মার্চ রানাঘাট থেকে সকাল ৬:৪৫ মিনিটে ছেড়ে শিয়ালদহে পৌঁছাবে একই দিনে সকাল ৯:১৫ মিনিটে। সে এরপর ফিরতি পথে ট্রেন নম্বর ০৩১৩৭ শিয়ালদহ – রানাঘাট স্পেশাল  শিয়ালদহ থেকে রাত ৮:৪৫ মিনিটে ছেড়ে একই দিনে রাত ৯:০০ মিনিটে রানাঘাট পৌঁছাবে।

    ১৮) ট্রেন নম্বর ০৩১৪০ বনগাঁ – শিয়ালদহ স্পেশাল ১৪ মার্চ বনগাঁ থেকে সকাল ৬:০০ টায় ছেড়ে একই দিনে সকাল ৯:০০ টায় শিয়ালদহ পৌঁছাবে এবং ০৩১৩৯ শিয়ালদহ – বনগাঁ স্পেশাল শিয়ালদহ থেকে রাত ৮:৩০ টায় ছেড়ে একই দিনে রাত ৯:০০ টায় বনগাঁ পৌঁছাবে।

  • LPG দাম বৃদ্ধি এবং সংকটে পথে নামছেন মমতা! দিলেন মহামিছিলের ডাক

    LPG দাম বৃদ্ধি এবং সংকটে পথে নামছেন মমতা! দিলেন মহামিছিলের ডাক

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সংকটে ভুগছে গোটা দেশ। উদ্বেগ তৈরি হয়েছে গৃহস্তের হেঁশেলে। রাতারাতি গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে (LPG Cylinder Price Hike) রীতিমত দিশেহারা সকলে। এদিকে পরিকল্পনা ছাড়া, আলোচনা ছাড়া আচমকা গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করায় কেন্দ্রের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শুধু তাই নয়, গ্যাস বুকিং-এর সময়সীমা বাড়ানো নিয়েও তৈরি হয়েছে অসন্তোষ। তাই এসবের প্রতিবাদে আগামী ১৬ মার্চ সোমবার, পথে মহামিছিলের ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    জ্বালানি সংকটে কেন্দ্রকে দায়ী করলেন মমতা

    ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে চলমান SIR নিয়ে একাধিক বিতর্ক হয়েই চলেছে, আর এসবের মাঝেই বিতর্কের তালিকায় জুড়ল রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি। এই সঙ্কটের মোকাবিলায় রাজ্যের তরফে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় তার জন্য বৃহস্পতিবার জরুরি বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, যুদ্ধ শুরু হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে কিন্তু তারপরও কেন্দ্র সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তাই এই সব কিছুর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে সম্পূর্ণভাবে দায়ী করছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, গ্যাস বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ২৫ দিনের নতুন নিয়ম চালু করেছে কেন্দ্র। আর সেই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও উদ্বেগ আরও বেড়েছে। তাই এই সবকিছুর প্রতিবাদে সোমবার মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    রাজপথে মহামিছিলের ডাক মমতার

    জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার, ১৬ মার্চ, বিকেল ৪টের সময় মিছিল শুরু হবে কলেজ স্কোয়ার থেকে যা শেষ হবে ডরিনা ক্রসিংয়ে। মিছিলের নেতৃত্বে থাকবেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা। মুখ্যমন্ত্রী জানান, “পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের কাছে আমাদের দাবি, SIR-এর নাম কাটার দিকে না তাকিয়ে, মানুষের অধিকার না কেড়ে গ্যাসের সমস্যা মেটান। গ্যাসের জোগান যেন বন্ধ না হয়। অটো, মিড ডে মিল, বাড়ির রান্নার গ্যাস, ছোটখাটো রেস্তরাঁর সমস্যা মেটাতে হবে। আগে মানুষের কথা ভাবা দরকার। আমরা চাই, দ্রুত কেন্দ্রীয় সরকার পদক্ষেপ করুক।“

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ-পূর্ব রেলে ফের বড় চমক! সাঁতরাগাছি থেকে চালু নতুন স্পেশাল ট্রেন

    প্রসঙ্গত, আজ, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন। রান্নার গ্যাস নিয়ে যে আচমকা সমস্যা তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত সমাধান করতে ডিলারদের রাজ্যের মজুত গ্যাস বাইরে না পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও ডিএম এসপিদের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। হাসপাতাল, মিড ডে মিল-এ যাতে খুব তাড়াতাড়ি গ্যাস মেলে তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা হয়েছে বলে জানান মমতা। এখন দেখার কবে এই জ্বালানি সংকট দূর হবে।

  • দক্ষিণ-পূর্ব রেলে ফের বড় চমক! সাঁতরাগাছি থেকে চালু নতুন স্পেশাল ট্রেন

    দক্ষিণ-পূর্ব রেলে ফের বড় চমক! সাঁতরাগাছি থেকে চালু নতুন স্পেশাল ট্রেন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মার্চেই যাত্রীদের জন্য বড় উপহার আনল ভারতীয় রেল (Indian Railways), ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে এবং সকলের সুবিধার্থে নতুন ট্রেন সাঁতরাগাছি থেকে চালুর সিদ্ধান্ত নিল। কয়েক দিন আগেই দক্ষিণ – পূর্ব রেলের সাঁতরাগাছি থেকে খড়গপুরের মধ্যে চতুর্থ লাইন তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। আর এই অবস্থায় দক্ষিণ পূর্ব রেলে ঢালাও উন্নয়নের চমক পেয়ে খুশিতে আত্মহারা যাত্রীরা। কোন ট্রেন কোন রুটে কখন পৌঁছবে সম্পূর্ণটা জেনে নিন আজকের প্রতিবেদনে।

    খড়গপুর থেকে নতুন লাইনের পর বড় সিদ্ধান্ত

    দক্ষিণ-পূর্ব রেলে যাত্রীদের ভোগান্তি নতুন কিছু নয়। প্রায় রোজদিনই দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়গপুর শাখায় ট্রেন লেট হয়েই চলেছে। তাই সেই সমস্যা দূর করতে সম্প্রতি দক্ষিণ-পূর্ব রেলের সাঁতরাগাছি থেকে খড়গপুর পর্যন্ত নতুন লাইন তৈরির কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সাঁতরাগাছি থেকে খড়গপুরের মধ্যে এই চতুর্থ লাইন তৈরি হয়ে গেলে বাড়বে ট্রেন চলার গতিবেগ। ফলে, ট্রেন লেট কম হবে। এ ছাড়াও এই লাইন তৈরি হয়ে গেলে হলদিয়া বন্দর থেকে কলকাতা বন্দরের মধ্যে পণ্য পরিবহণও সহজ হয়ে যাবে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, যাত্রীদের সুবিধার্থে আরও বড় চমক আনল ভারতীয় রেল। জানা গিয়েছে, ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে নতুন এক জোড়া ট্রেন এবার সাঁতরাগাছি থেকেই চালাতে চলেছে।

    নয়া ট্রেনের সময়সূচি

    দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ০৬০৮১ তিরুবনন্তপুরম উত্তর – সাঁতরাগাছি এক্সপ্রেস স্পেশাল ট্রেন ও ০৬০৮২ সাঁতরাগাছি – তিরুবনন্তপুরম উত্তর এক্সপ্রেস এবং ০৬৫৭১ যশবন্তপুর – কাটিহার স্পেশাল ও ০৬৫৭২ কাটিহার – যশবন্তপুর স্পেশাল চালু করা হচ্ছে। ০৬০৮১ তিরুবনন্তপুরম উত্তর – সাঁতরাগাছি এক্সপ্রেস স্পেশাল ট্রেনটি আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার ও ২০ মার্চ, শুক্রবার দুপুর ২ টো বেজে ১৫ মিনিটে তিরুবনন্তপুরম উত্তর স্টেশন ছেড়ে রওনা দেবে সাঁতরাগাছির উদ্দেশে। সেখান থেকে পরের দিন রাত্রি ১০ টা বেজে ৫৫ মিনিটে এই ট্রেন পৌঁছবে দুভাদা। এবং তৃতীয়দিন এই ট্রেন দুপুর ২ টো বেজে ১৫ মিনিট পৌঁছে যাবে সাঁতরাগাছি। অন্যদিকে ০৬০৮২ সাঁতরাগাছি – তিরুবনন্তপুরম উত্তর এক্সপ্রেস ১৬ মার্চ, শুক্রবার ও ২৩ মার্চ, শুক্রবার।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে FIR দায়ের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের!

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, সাঁতরাগাছি – তিরুবনন্তপুরম উত্তর এক্সপ্রেসটি দুপুর ২টো ২০ মিনিট নগদ সাঁতরাগাছি থেকে ছাড়বে এই ট্রেন। পরের দিন ভোরে এই ট্রেন পৌঁছে যাবে দুভাদা। তৃতীয়দিন সকল ৯ টা বেজে ৫৫ মিনিটে এই ট্রেন তিরুবনন্তপুরম উত্তর স্টেশনে পৌঁছে যাবে। অন্যদিকে ০৬৫৭১ যশবন্তপুর – কাটিহার স্পেশাল যশবন্তপুর থেকে ছাড়বে ১০, ১৭, ২৪ ও ৩১ মার্চ মঙ্গলবার। কাটিহার পৌঁছে যাবে বৃহস্পতিবার । ফিরতি পথে ট্রেন নম্বর ০৬৫৭২ কাটিহার – যশবন্তপুর স্পেশাল কাটিহার থেকে ছাড়বে ১৩, ২০ ও ২৭ মার্চ ও ৩ এপ্রিল শুক্রবার ভোর ৫টা বেজে ১৫ মিনিটে এবং রবিবার যশবন্তপুর পৌঁছে যাবে।

  • তালা ভেঙে অট্টহাস কালী মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি! CCTV অচল করে পালাল দুষ্কৃতীরা

    তালা ভেঙে অট্টহাস কালী মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি! CCTV অচল করে পালাল দুষ্কৃতীরা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: জাগ্রত মা কালীর গা থেকে খুলে নেওয়া হল সোনার গয়না! তালা ভেঙে চুরি হয়ে গেল সতীপীঠ অট্টহাস মন্দির সংলগ্ন রটন্তী কালী মন্দিরে (Ratanti Kali Temple) লাখ টাকার সম্পদ। শুধু তাই নয় প্রণামীর বাক্স ভেঙে টাকা পয়সা নিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। এই ভয়ংকর চুরির ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে মন্দির চত্বরে পুলিশ ক্যাম্প ও সিসিটিভি নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই চুরির ঘটনা ঘটল। তদন্ত শুরু করেছে কেতুগ্রাম থানার পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    রিপোর্ট মোতাবেক, গত মঙ্গলবার, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের অট্টহাস সতীপীঠের মূল মন্দির সংলগ্ন রটন্তী কালী মন্দিরে প্রত্যেক দিন সন্ধ্যায় নিত্য পুজো হওয়ার পরও পুরোহিত সেখানে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন। এরপর মায়ের সেবা করে রাতে মন্দিরের মূল গেটে তালা দিয়ে চলে যায়। বাইরে পাহারায় থাকেন নিরাপত্তারক্ষীরা। কিন্তু অভিযোগ, তালা ভেঙে চোর দেবীর সোনা ও রুপোর অলঙ্কার লুঠ করে নিয়ে যায়। শুধু তাই নয়, মন্দিরের গর্ভগৃহের মধ্যে থাকা প্রনামি বাক্সও ভেঙে টাকাপয়সা লুঠ করে পালায় দুষ্কৃতীরা। বাক্স ভাঙা অবস্থায় জঙ্গলে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এখন স্থানীয়দের মনে প্রশ্ন উঠছে সতীপীঠে পুলিশ ক্যাম্প থাকার পরেও কীভাবে এমন চুরি হল। কেতুগ্রাম থানায় দ্বারস্থ মন্দির কমিটি।

    CCTV ক্যামেরায় কাদা!

    মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পরেরদিন অর্থাৎ বুধবার সকালে মন্দির খুলতে গিয়ে এই ভয়ংকর দৃশ্য দেখেন মন্দিরের এক কর্মী। এবং দেখা যায় মন্দিরে থাকা CCTV ক্যামেরায় কাদা দেওয়া রয়েছে, যাতে চোরদের পরিচয় ধরা না পড়ে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। মন্দিরের সেবক রামজি মহারাজ জানান, “কালী মূর্তির মাথায় একটি রুপোর মুকুট ছিল, সেটি নিয়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এছাড়া দেবীর পায়ে থাকা রুপোর তোড়া এবং গলায় থাকা সোনার চেনও চুরি হয়েছে। প্রণামী বাক্সে বেশ কিছু টাকা ছিল।” পুলিশের অনুমান দুষ্কৃতীরা সতীপীঠ লাগোয়া পেছনের মাঠ দিয়ে জঙ্গলের ভেতরের রাস্তা ধরে রটন্তী কালী মন্দিরে ঢুকে পড়েছিল।

    আরও পড়ুন: দূর হবে চিন্তা, LPG নিয়ে এল বড় সুখবর

    এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমাদের এখানকার খুবই জাগ্রত মায়ের মন্দির। কত দূরদূরান্ত থেকে এখানে লোকে পুজো দিতে আসে। সারাক্ষণই ভক্তদের ভিড় থাকে। এই মন্দিরে নিরাপত্তারক্ষীরাও থাকেন সর্বক্ষণ। কীভাবে এসবের পরও এমন হল! আমি বলি, চোরেদের কি ধর্মের ভয় নাই?” অপর এক বাসিন্দা জানিয়েছেন মন্দিরের ভেতর ক্যামেরা এবং পুলিশে নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও যদি চুরি হয় তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই প্রশাসন কি ভাবছে। যদিও পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে এবং চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।

  • নবান্নের দিকে জানলা ব্যালকনি রাখা যাবে না! পুলিশের শর্তে বড় ধাক্কা দিল হাইকোর্ট

    নবান্নের দিকে জানলা ব্যালকনি রাখা যাবে না! পুলিশের শর্তে বড় ধাক্কা দিল হাইকোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নবান্নের (Nabanna) সামনে বাড়ি তৈরির জন্য স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া তিনটি শর্ত খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। আর এই রায়ের নিরিখে স্বস্তি পেল নির্মাণকারীরা। হাই সিকিউরিটি জোন হিসেবে চিহ্নিত নবান্নের দিকে বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছিল কোনো জানলা থাকবে না, ছাদের উপরে তুলতে হবে পাঁচিল! যেটা খুবই অস্বস্তিকর, এই নিয়ে মামলা উঠতেই বড় সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

    একাধিক শর্ত আরোপ হাইকোর্টের

    নবান্নর নিরাপত্তার মূল দায়িত্বে রয়েছে লালবাজার। পুলিশের ২০১৯-এর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ওই এলাকা ‘হাই সিকিউরিটি জোন’ হিসেবে চিহ্নিত। তাই নবান্নের আশেপাশে বাড়ি তৈরি করার জন্য ১৭ দফা শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। নবান্নের আশেপাশের আবাসনে কাউকে ফ্ল্যাট বিক্রির আগে সেই ব্যক্তির অতীত সম্পর্কে প্রোমোটারকে খোঁজ নিতে হবে। আইনজীবীদের ব্যাখ্যা, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনও ক্রিমিনাল কেস থাকলে তাঁর কাছে ফ্ল্যাট বিক্রি করা যাবে না। শুধু তাই নয় কোনও ভাবেই আশেপাশের আবাসন বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা যাবে না। বিল্ডিং তৈরির পরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো সংক্রান্ত একাধিক নিয়ম জারি করা হয়েছিল। এমনকি জানলা এবং ব্যালকনি নিয়েও শর্ত রাখা হয়েছিল।

    শর্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা দায়ের

    নবান্নের পাশে বাড়ি তৈরির লালবাজারের অন্যতম শর্ত ছিল নবান্নের দিকে মুখ করে কোনও জানলা অথবা বারান্দা রাখা যাবে না৷ ছাদে নবান্নের দিকে পাঁচিলের উচ্চতা হতে হবে অন্তত ১০ ফুট। নবান্ন যাতে দেখা না যায় তা নিশ্চিত করতে ছাদের উপরেও ১০ মিটার উঁচু পাচিল তুলতে হবে৷ এদিকে নবান্নের সামনে ক্ষেত্রমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় লেনে এক ব্যক্তি পাঁচ তলা বাড়ি তৈরি করতে চেয়েছিলেন। তাই হাওড়া পুরসভার কাছে বাড়ির পরিকল্পনা জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় অনুমোদন চান তিনি। কিন্তু অভিযোগ, তখনই তাঁকে পুলিশের ১৭টি শর্ত ধরানো হয়। তাই এবার নির্দিষ্ট এই শর্তগুলি চ্যালেঞ্জ করে জমির মালিক এবার সরাসরি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন।

    প্রশ্ন তোলা হয় শর্তগুলি নিয়ে

    জানা গিয়েছে, নবান্ন থেকে ১০০ মিটার দূরে হাওড়া পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৫ তলা ওই বাড়িটি তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন জমির মালিক৷ বছর সাতেক আগে হাওড়া পুরসভায় প্রস্তাবিত বাড়িটির নকশা অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়া হয়৷ কিন্তু নবান্নের দিকে জানলা, বারান্দা না রাখতে দেওয়া, ছাদের উপরে দশ মিটার উচ্চতার পাঁচিল তোলার শর্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়৷ মামলাকারীর আইনজীবী শ্রীজীব চক্রবর্তীর প্রশ্ন, আইন অনুযায়ী এই ধরনের শর্ত কি কোনও বাড়ির উপর চাপানো যায়? কী ভাবে বাড়ি তৈরি করা হবে, তা কি প্রশাসন ঠিক করে দিতে পারে? অবশেষে গতকাল সেই শর্ত খারিজ করে দিল হাই কোর্টের বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    শর্ত খারিজ হাইকোর্টের

    আদালতের পর্যবেক্ষণ, কোনও এলাকার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ হলেও শর্তাবলি আইনের সীমার মধ্যে রাখা উচিত। ছাদে ১০ ফুটের দেওয়াল তৈরি করতে গেলে বাড়ির প্রয়োজনীয় আলো-বাতাস বন্ধ হয়ে যাবে। লালবাজারের জানলা বা বারান্দার নির্মাণ নিষিদ্ধ করাও অমানবিক, এতে আবাসিকদের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই এই জোড়া শর্তকে ‘অবৈধ’ বলে উল্লেখ করেছেন বিচারপতি। এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, কে বাড়িতে থাকবেন, তা নির্ধারণ করা পুরসভার কাজ নয়। তাই পুলিশের ক্রাইম ইনসিডেন্ট ভেরিফিকেশন শর্তটিও খারিজ করা হয়েছে।

  • DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ সত্ত্বেও বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) দিতে ব্যর্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেইসঙ্গে ডিএ দেওয়ার সময়সীমা যাতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি বৃদ্ধি করা হয় তার জন্য সরকারের তরফে এমএ, রিভিউ পিটিশন দাখিল করা হয়েছে শীর্ষ আদালতে। এহেন পরিস্থিতিতে আগামীকাল ১৩ মার্চ বৃহত্তর আন্দোলনে (DA Protest) সামিল হতে চলেছেন সরকারি কর্মীরা। এই আন্দোলনে থাকবেন শিক্ষকরাও। যদিও কিছু শিক্ষকের উদ্দেশ্যে এবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। আর এই নির্দেশিকাই এখন যত বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

    বিশেষ নোটিশ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    যেহেতু এখন মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা দেখা চলছে। তাই যে সকল শিক্ষক এই কাজ করছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে পর্ষদের সাফ বার্তা, ধর্মঘট হলেও স্কুলে যেতে হবে শিক্ষকদের। সেইসঙ্গে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা দেখার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকেরা কোনও ভাবেই আগামী ১৩ মার্চ ‘লিভ অফ অ্যাবসেন্স অন ডিউটি’ নিতে পারবেন না। আর এই ঘটনায় একদিকে যেমন অবাক শিক্ষকরা তেমনই ক্ষুব্ধও বটে। ডিএ ইস্যু থেকে নজর ঘোরাতে সরকারের এটি নতুন চাল বলে দাবি করছেন অনেকে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হয়েছে বলে সরব হল একাধিক শিক্ষক সংগঠন। ধর্মঘট যাতে সফল না হয় তার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    কী বলছেন শিক্ষকরা?

    এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সব স্কুলের প্রধান পরীক্ষক, পরীক্ষক এবং স্ক্রুটিনির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকদের। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নোটিশ প্রসঙ্গে বড় মন্তব্য করেছেন বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল। তিনি জানান, ‘সাধারণত মাধ্যমিকের খাতা দেখা, নম্বর জমা দেওয়া-সহ পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত রয়েছেন তাঁরা স্কুল থেকে ‘লিভ অফ অ্যাবসেন্স অন ডিউটি’ নিয়ে থাকেন। অর্থাৎ সেই দিন গুলি তাঁরা স্কুলে যান না। সরকার যে ভাবে শিক্ষক কর্মচারীদের বঞ্চিত করছে তাতে এই ধর্মঘটে অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া যাবে বুঝতে পেরে পর্ষদ মাঠে নেমেছে। কিন্তু যতই ফতোয়া জারি করুক না কেন ধর্মঘট হচ্ছেই এবং তাতে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীরা ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করবেন এবং সরকারকে উপযুক্ত জবাব দেবেন।’ শিক্ষকদের বক্তব্য, ধর্মঘটে যোগ দেওয়ার অধিকার সরকার তো কেড়ে নিতে পারে না।

    আরও পড়ুনঃ কালো মেঘে ঢাকবে আকাশ, ঘূর্ণাবর্তের জেরে ৫ জেলায় দুর্যোগ! আজকের আবহাওয়া

    এক আন্দোলনকারী জানান, “যেহেতু সুপ্রিম কোর্ট ৬ মার্চ রাজ্য সরকারকে প্রথম কিস্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল, তাই ৬ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর আমরা ১৩ মার্চ প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। আমাদের ন্যায্য অধিকার অর্জনের জন্য আমরা যতদূর যেতে হবে ততদূর যেতে প্রস্তুত।” তিনি আরও বলেন যে এই প্রতিবাদ আন্দোলনের পাশাপাশি, ফোরাম এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তাদের আইনি বিকল্পগুলিও প্রস্তুত রেখেছে। এখন দেখার বিষয় হলো, রাজ্য সরকার সরকারি কর্মচারীদের প্রস্তাবিত কর্মবিরতির ডাকে কীভাবে সাড়া দেয়।