Category: টেক

  • ১৬০ টাকারও কমে চলবে গোটা মাস, দারুণ প্ল্যান Jio ও Airtel-র

    ১৬০ টাকারও কমে চলবে গোটা মাস, দারুণ প্ল্যান Jio ও Airtel-র

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনিও কি নতুন ফোন কিনেছেন? নতুন সিম কিনবেন বলে ভাবছেন কিন্তু কোন কোম্পানির নেবেন বুঝতে পারছেন না? তাহলে আপনার জন্য রইল আজকের এই খবরটি। আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদের দেশের প্রথম সারির উটি টেলিকম কোম্পানি Jio এবং Airtel এমন এক জনপ্রিয় সস্তার প্ল্যান (Cheap Recharge Plan) সম্পর্কে তথ্য দেব যার দাম শুনলে আকাশ থেকে পড়বেন। প্রতি মাসে মাত্র ১৬০ টাকারও কম খরচে আপনি রিচার্জ করে আনলিমিটেড কথা বলতে পারবেন। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ১৬০ টাকারও কমে আনলিমিটেড কলিং-র সুবিধা দিচ্ছে Jio, Airtel

    আজ কথা হচ্ছে Airtel-এর ৪৬৯ টাকা এবং ১৮৪৯ টাকার রিচার্জ প্ল্যান নিয়ে। একইভাবে ৪৪৮ এবং ১৭৪৮ টাকার প্ল্যানগুলি Jio এনেছে। মূলত সকলের পকেট এবং চাহিদার কথা মাথায় রেখে প্ল্যানগুলি আনা হয়েছে। উল্লেখিত রিচার্জ প্ল্যানগুলি আনলিমিটেড কলিং এবং SMS অফার করে। এই প্ল্যানগুলির ভ্যালেডিটি যথাক্রমে ৮৪ এবং ৩৬৫ দিনের। অর্থাৎ মাসিক কলিং খরচ ১৬০ টাকারও কম হয়। এর সাথে, যখনই ইচ্ছা ডেটা প্যাক রিচার্জ করে ইন্টারনেট ব্যবহারের বিকল্পও উপলব্ধ। অবশ্য এখানে জানিয়ে রাখি, প্ল্যানগুলিতে আপনি ডেটা পাবেন না। তার জন্য আপনাকে আলাদা প্যাক নিতে হবে।

    Airtel-এর কলিং প্ল্যান কী?

    প্রথমেই আসা যাক এয়ারটেলের কলিং প্ল্যান সম্পর্কে। এই কোম্পানি আপনাকে দুটো দামের আনলিমিটেড কলিং প্ল্যান অফার করে। একটি মূল্য ৪৬৯ এবং অন্যটির মূল্য ১৮৪৯ টাকা। দুটি প্ল্যানে আপনি যথাক্রমে ৮৪ এবং ৩৬৫ দিনের ভ্যালেডিটি পাবেন। এই দুটি প্ল্যানে কিন্তু কোনও ইন্টারনেট পরিষেবা পাবেন না। এতে আপনি শুধু কলিং এবং এসএমএস-এর সুবিধা পাবেন। অতিরিক্তভাবে, উভয় প্ল্যানের সাথেই ৪,০০০ টাকা মূল্যের একটি বছরব্যাপী Adobe Express প্রিমিয়াম প্ল্যানের সুবিধা পাওয়া যাবে।

    আরও পড়ুনঃ প্রতিমাসে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৭০০০ টাকা! মহিলাদের ক্ষমতায়নে বড় প্ল্যান LIC-র

    Jio-র কলিং প্ল্যান কী?

    জিও আবার এয়ারটেলের তুলনায় কম দামে প্ল্যান অফার করে। জানা গিয়েছে, জিও যে দুটি প্ল্যান অফার করছে সেগুলির মূল্য যথাক্রমে ৪৪৮ টাকা এবং ১,৭৪৮ টাকা। এই প্ল্যানগুলিতে আপনি ৮৪ দিন এবং ৩৩৬ দিনের ভ্যালেডিটি পেয়ে যাবেন। এই প্ল্যানগুলিতে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস ছাড়াই আনলিমিটেড কলিং এবং প্রতিদিন ১০০টি এসএমএস পরিষেবা পাবেন। জিও ব্যবহারকারীরা এই প্ল্যানগুলির সাথে JioTV এবং JioAiCloudও পাবেন। এছাড়াও, ব্যবহারকারীরা ১৯ টাকা থেকে শুরু করে ডেটা প্যাক ব্যবহার করে যখনই চান ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

     

     

  • 6500mAh ব্যাটারি সহ গেমিং প্রসেসর, লঞ্চ হচ্ছে Vivo X300 FE, জানুন দাম

    6500mAh ব্যাটারি সহ গেমিং প্রসেসর, লঞ্চ হচ্ছে Vivo X300 FE, জানুন দাম

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতের স্মার্টফোন বাজারে খুব শীঘ্রই নতুন স্মার্টফোন লঞ্চ করতে পারে Vivo। হ্যাঁ, সংস্থার নতুন স্মার্টফোন Vivo X300 FE খুব শীঘ্রই আসছে ভারতে। ইতিমধ্যেই এই সিরিজের অন্যান্য মডেলগুলি বাজারে ভালো সাড়া ফেলেছে। আর এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে পারে ডিভাইসটি। সম্প্রতি রাশিয়ার বাজারে এই ফোনটি লঞ্চ করা হয়েছে। প্রযুক্তি মহল মনে করছে, আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই ভারতের বাজারে এই ফোন আনতে পারে সংস্থা। বিস্তারিত জানুন প্রতিবেদনে।

    ডিজাইন এবং ডিসপ্লেতে নজরকাড়া

    বেশ কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, নতুন Vivo X300 FE ফোনটিকে কম্প্যাক্ট ফ্লাগশিপ হিসাবেই ধরা হচ্ছে। আর এতে 6.31 ইঞ্চির FHD+ LTPO AMOLED ডিসপ্লে রয়েছে। এমনকি স্ক্রিনে পাঞ্চ হোল ডিজাইন থাকছে। আর এটি 120Hz পর্যন্ত রিফ্রেশ রেট দেবে। এছাড়াও ফোনটিতে IP68 এবং IP69 রেটিং রয়েছে, যেগুলি জল বা ধুলো থেকে সুরক্ষা দেবে।

    শক্তিশালী প্রসেসর এবং ব্যাটারি

    পারফরমেন্সের দিক থেকে ফোনটিতে এবার Qualcomm Snapdragon 8 Gen 5 প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে, যা উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন চিপসেট। এটি গেমিংয়ের জন্য বেশ ভালো পারফরমেন্স দেবে। এমনকি এর সঙ্গে 12GB RAM থাকবে। আর ব্যাটারির ক্ষেত্রে ফোনটিতে 6500mAh এর একটি ধামাকাদার ব্যাটারি দেওয়া হচ্ছে। সঙ্গে 90W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করবে, যেটি একবার চার্জ দিলেই অনায়াসে একদিন কাটানো যাবে।

    ক্যামেরাতেও চমক

    অন্যদিকে ক্যামেরার দিক থেকে Vivo বরাবরই শক্তিশালী। এই ফোনটির পিছনে রয়েছে ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ। যার মধ্যে রয়েছে 50MP প্রাইমারি ক্যামেরা, 50MP পেরিস্কোপ লেন্স এবং 8MP আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা। অন্যদিকে সেলফি এবং ভিডিও কলের জন্য 50MP ফ্রন্ট ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কৃষকরা কবে পাবেন পিএম কিষাণের ২২ তম কিস্তির টাকা? এভাবে চেক করুন স্ট্যাটাস

    দাম কত হতে পারে?

    যদিও ভারতে এখনও পর্যন্ত ফোনটির আনুষ্ঠানিক দাম ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু রাশিয়ার বাজারে যে দাম রাখা হয়েছে সেই অনুযায়ী 12GB RAM ও 256GB স্টোরেজ ভেরিয়েন্টটির দাম হতে পারে মোটামুটি 71 হাজার টাকা মতো। অন্যদিকে 512GB স্টোরেজ ভেরিয়েন্টের দাম হতে পারে 76 হাজার টাকার কাছাকাছি। রাশিয়া ফোনটি গত 4 মার্চ লঞ্চ করেছে। যদিও ভারতে এখনো পর্যন্ত নির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানানো হয়নি। কিন্তু হয়তো আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই ভারতের বাজারে আসবে এই মডেল।

  • ২৮ দিনের প্ল্যান থেকে মুক্তি, সস্তায় নতুন রিচার্জ নিয়ে এল Jio

    ২৮ দিনের প্ল্যান থেকে মুক্তি, সস্তায় নতুন রিচার্জ নিয়ে এল Jio

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় রিচার্জ প্ল্যান নিয়ে আসলো রিলায়েন্স জিও (Reliance Jio)। যারা প্রতি মাসে রিচার্জ করতে করতে বিরক্ত, তাদের জন্য এই প্ল্যানটি হতে পারে দারুণ বিকল্প। কারণ, কম খরচেই 36 দিনের ভ্যালিডিটি, প্রতিদিন 2GB করে ডেটা এবং আনলিমিটেড কলিং এর সুবিধা রয়েছে এই প্ল্যানে (Jio Recharge Plan)। আর সাথে মিলছে দারুণ দারুণ সব সাবস্ক্রিপশন। বিস্তারিত জানতে পড়ুন প্রতিবেদনটি।

    একবার রিচার্জ করলেই ঝামেলা মুক্তি

    আসলে বেশিরভাগ মোবাইল ব্যবহারকারী 28 দিনের রিচার্জ প্ল্যান ব্যবহার করে থাকে। ফলে প্রায় প্রতিমাসেই রিচার্জ করতে হয়। আর এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই জিও এমন একটি প্ল্যান নিয়ে এসেছে, যেখানে ভ্যালিডিটি দেওয়া হচ্ছে 36 দিন। কিন্তু দামও খুব একটা বেশি নয়। হ্যাঁ, জিওর এই প্ল্যানটির দাম মাত্র 450 টাকা। এই প্ল্যানে গ্রাহকরা একটানা 36 দিনের ভ্যালিডিটি পাবে। আর যারা 84 দিন বা 90 দিনের প্ল্যান নিতে চান না, তাদের জন্য এটা সেরা অপশন।

    কী কী সুবিধা মিলছে?

    এই প্ল্যান রিচার্জ করলে ব্যবহারকারীরা সমস্ত নেটওয়ার্কে আনলিমিটেড লোকাল এবং এসটিডি কলিং এর সুবিধা পাবে। পাশাপাশি প্রতিদিন 100টি করে এসএমএস পাঠাতে পারবে। সবথেকে বড় ব্যাপার, ডেটার ক্ষেত্রে এই প্ল্যানটি বেশ সুবিধাজনক। কারণ, মোট 72GB হাই-স্পিড ডেটা দেওয়া হয় এই প্ল্যানে। অর্থাৎ, প্রতিদিন 2GB করে ডেটা মেলে। আর এতে সহজেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, ভিডিও দেখা বা ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা যায়।

    আরও পড়ুন: রাশিয়া থেকে ভয়ানক অস্ত্র কিনছে ভারত, মাথা ঝোঁকাবে পাকিস্তানের মতো শত্রুরা!

    অন্যদিকে এই রিচার্জ প্ল্যানের সঙ্গে অতিরিক্ত কিছু সুবিধা মিলেছে। ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জিওর বিভিন্ন ডিজিটাল পরিষেবা উপভোগ করতে পারবে। যার মধ্যে ওটিটি এবং ক্লাউড স্টোরজের সুবিধা রয়েছে। কিন্তু যদি বেশি দিনের ভ্যালিডিটি চান, সেক্ষেত্রে 999 টাকার প্ল্যানও ভালো বিকল্প। তাতে 98 দিনের ভ্যালিডিটি মেলে এবং আনলিমিটেড কলিং ও প্রতিদিন 2GB করে ডেটার সুবিধা পাওয়া যায়।

  • ৫ লাখে Maruti 800-কেই বানিয়ে ফেলল দেশি ল্যাম্বরগিনি, বিরাট কৃতিত্ব যুবকের

    ৫ লাখে Maruti 800-কেই বানিয়ে ফেলল দেশি ল্যাম্বরগিনি, বিরাট কৃতিত্ব যুবকের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: প্রতিভা যে বড় কোনও ডিগ্রি বা শহরের উপর নির্ভর করে না তার জলজ্যান্ত উদাহরণ তৈরি করলেন ঝাড়খণ্ডের সরাইকেলার এক তরুণ মেকানিক। সাধারণ একটি মারুতি 800 কেই তিনি রূপ দিলেন দেশি ল্যাম্বরগিনিতে (Desi Lamborghini)। জানলে চমকে উঠবেন, গাড়িটি দেখলে একেবারে বুঝতেই পারবেন না যে সেটি আসল নাকি নকল। আর এই অভিনব কৃতিত্ব গড়েই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি ভাইরাল।

    ঘটনাটি কী?

    আসলে ঝাড়খণ্ডের সরাইকেলার জেলায় মোহম্মদ আরিফ নামের ওই মেকানিকের ছোট্ট একটি গ্যারেজ ছিল। আর গ্যারেজের নাম ছিল টারজান। গ্যারেজে ছোটবেলা থেকেই গাড়ি নিয়ে নাড়াচাড়া করার বিশেষ শখ ছিল তাঁর। সেই শখই একসময় স্বপ্নে রূপ নেয়। সেই স্বপ্ন পূরণ করতে তিনি বেছে নেন জনপ্রিয় পুরনো ছোট মারুতি 800 গাড়িকে। আরিফ জানান, তাঁর গ্যারেজের নামকরণ একটি বিশেষ অনুপ্রেরণা থেকে বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগন অভিনীত সিনেমা ‘টারজান দ্য ওয়ান্ডার কার’ দেখেই তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। সেই সূত্রেই তাঁর গ্যারেজের নাম রাখেন টারজান।

    আসলে একটি সাধারণ মারুতি 800 কেই তিনি ল্যাম্বরগিনির আদলে গড়ে তুলেছেন। আর এর পেছনে ছিল আরিফ এবং তাঁর ছয়জন মেকানিকের দল। তবে এর জন্য সময় লেগেছিল দুই বছর। জানা গিয়েছে, গোটা প্রজেক্টে মাত্র 5 লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। আর গাড়ির বাইরের ডিজাইন থেকে শুরু করে ওয়েল্ডিং, বডি শেপিং, দরজার কাটিং, ফাইবার ওয়ার্ক সবকিছুই একেবারে হাতে-কলমে নিখুঁতভাবে করা হয়েছে। শুধু এক্সটেরিয়র নয়, বরং ইন্টেরিয়রেও আনা হয়েছে বিরাট পরিবর্তন। হ্যাঁ, ড্যাশবোর্ড, সিট, ডিজাইন থেকে শুরু করে লাইটিং সেটআপও পরিবর্তন করা হয়েছে। যাতে গাড়িটি একেবারে আধুনিক এবং সুপারকারের মতো লাগে।

    আরও পড়ুন: ৩৭ লক্ষ মানুষের অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! কারা পেলেন?

    দেখতে ল্যাম্বরগিনি হলেও পারফরমেন্সে খামতি

    আসলে এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরী যে, এই গাড়িটি কেবলমাত্র ল্যাম্বরগিনির মতোই দেখতে। এটি প্রকৃত কোনও সুপারকার নয়। আসলে ল্যাম্বরগিনি গাড়ির ইঞ্জিন প্রযুক্তি সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়ে থাকে। আর তাঁর তৈরি গাড়িটি সাধারণ মারুতি 800 ইঞ্জিনের উপরেই নির্ভরশীল। অর্থাৎ, চেহারায় সুপার হলেও পারফরমেন্স সেই হ্যাচব্যাকই থেকে গিয়েছে। ভারতে ল্যাম্বরগিনির একাধিক জনপ্রিয় মডেল রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল Lamborghini Urus, Lamborghini Revuelto, Lamborghini Huracán EVO। আর এই গাড়িগুলোর এক্স শোরুম দামই শুরু হয় প্রায় 1 কোটির কাছাকাছি থেকে এবং তা 8 কোটি টাকা পর্যন্ত পৌঁছয়। তাই 5 লক্ষ টাকায় যে আধুনিক ল্যাম্বরগিনি পাওয়া যাবে এমনটা আশা করাও বৃথা। কিন্তু তাঁর এই আবিষ্কারকে সত্যিই সাধুবাদ জানাতে হয়।