Category: রাজনীতি

  • উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী, সেই স্ট্রিট লাইটে নেই বাল্ব! সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ

    উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী, সেই স্ট্রিট লাইটে নেই বাল্ব! সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ

    সৌভিক মুখার্জী, বর্ধমান: সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়নের নামে তোলাবাজির প্রতিচ্ছবি সামনে এল। সম্প্রতি পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল (Asansol) উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের সারাকডিহি গ্রামের একটি স্ট্রিট লাইটকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন করে বিতর্ক। জানা যাচ্ছে, তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতার উপস্থিতিতে যে লাইটের উদ্বোধন করা হয়েছিল, সেখানে বর্তমানে আর কোনও লাইটেরই অস্তিত্ব নেই!

    লাইট পোস্ট ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ স্থানীয়দের

    সারাকডিহি গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, ওই জায়গায় আগে একটি স্ট্রিট লাইট ছিল। কিন্তু সেটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পরে নতুন করে স্থাপন করা হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যের শ্রম মন্ত্রী মলয় ঘটক সেটির উদ্বোধনও করেন। তবে এখন সেখানে কোনও লাইট দেখা যাচ্ছে না। রাতের বেলা ঘুটঘুটে অন্ধকারে বাসিন্দাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে এবং সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। বাসিন্দাদের স্পষ্ট দাবি, স্ট্রিট লাইটটি এই এলাকার জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে রাতের বেলা রাস্তা অন্ধকার হয়ে থাকায় পথচারী এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ। আর উদ্বোধনের সময় অনেক প্রচার করা হয়েছিল। তবে সেখানে এখন আর লাইট নেই। তাই অন্ধকারেই রাত কাটাতে হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: খামেনিকে কটূক্তি করায় গ্রেফতার বিষাক্ত ছেলে প্রহ্লাদ মাইতি? জানালেন খোদ ইউটিউবার

    এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার কিছু মানুষ শাসকদলের উন্নয়নমূলক কাজের বাস্তবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। তারা দাবি করছে, অনেক সময় উদ্বোধনের খবর সামনে এলেও পরিষেবার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা বজায় থাকে না। উন্নয়নের নামে শুধু তোলাবাজি করছে শাসক দল। তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়নি। কিন্তু গ্রামের বাসিন্দাদের স্পষ্ট দাবি, এই বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং পুনরায় স্ট্রিট লাইটটিকে বসানো হোক।

  • রাজ্যসভায় নীতীশ কুমার, বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? উঠে এল ৫ নাম

    রাজ্যসভায় নীতীশ কুমার, বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? উঠে এল ৫ নাম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: জল্পনার অবসান, এবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চলেছেন JDU সভাপতি নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। সব মিলিয়ে বিহারের (Bihar) রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, কারণ এবার বিহারে প্রথমবারের মতো বিজেপির নিজস্ব মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই নীতিন সংসদের উচ্চকক্ষে (Rajya Sabha Election) মনোনয়নের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন, কে হতে চলেছেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    রাজ্যসভার প্রার্থী হবেন নীতিন!

    বিহারের ইতিহাসে নীতীশ কুমার অন্যতম এক প্রভাবশালী নেতা। তিনি ১০ বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিহারে এবং প্রায় ২০ বছর ধরে রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রে রয়েছেন। তাঁর এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা তাঁকে বিহারের রাজনীতির এক অনন্য চরিত্রে পরিণত করেছে। এই অবস্থায় নীতিশকে নিয়ে কয়েক দিন ধরেই এক জল্পনা শুরু হয়েছে বিহারের রাজনীতিতে। শোনা যাচ্ছে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন JDU সভাপতি নীতীশ কুমার। তবে অনেকেই এই কথা মানতে চাননি। আর এবার আসল রহস্য ফাঁস করলেন খোঁদ নীতীশ কুমার। স্বীকার করলেন রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়ার কথা।

    সমাজমাধ্যমে পোস্ট নীতিশের

    আজ, বৃহস্পতিবার বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়া নিয়ে একটি পোস্ট করলেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, “দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে, আপনারা আমার উপর আস্থা রেখেছেন এবং সেই শক্তির মাধ্যমেই আমি সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সাথে বিহার এবং আপনাদের সকলের সেবা করেছি। তাই বহুবার এর জন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি। তবে আমার সংসদীয় কর্মজীবন শুরু করার পর থেকেই বিহার আইনসভার উভয় কক্ষ এবং সংসদের উভয় কক্ষের সদস্য হওয়ার ইচ্ছা ছিল। তাই আমি রাজ্যসভার নির্বাচনে সদস্য হতে চাইছি।” তুমুল ভাইরাল হয়ে যায় সেই পোস্ট। জানা গিয়েছে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে পাটনায় মনোনয়ন জমা দিয়েছেন নীতিশ। আর এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে, কে হবে বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: প্রথমবার বিধানসভায় কোয়েল মল্লিক, প্রার্থী হিসেবে জমা দিলেন মনোনয়নপত্র

    মুখ্যমন্ত্রীর তালিকায় উঠে আসছে ৫ নাম

    নীতীশ কুমার যদি জাতীয় রাজনীতিতে চলে যান, তা হলে বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসবেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে একাধিক জল্পনা। আশা করা যাচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট NDA-র ক্ষমতা ভাগাভাগির ফর্মুলা মেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় কোনও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হতে পারেন তিনি। সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বিজেপির যে নেতাদের নাম উঠে আসছে তাঁরা হলেন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি, নিত্যানন্দ রাই, দিলীপ জয়সওয়াল, বিজয় সিনহা এবং সঞ্জীব চৌরাসিয়া। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে সমঝোতার শর্ত মেনে নীতীশ-পুত্র নিশান্ত বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। তবে এই নিয়ে এখনো কিছু স্পষ্ট ঘোষণা হয়নি।

  • প্রথমবার বিধানসভায় কোয়েল মল্লিক, প্রার্থী হিসেবে জমা দিলেন মনোনয়নপত্র

    প্রথমবার বিধানসভায় কোয়েল মল্লিক, প্রার্থী হিসেবে জমা দিলেন মনোনয়নপত্র

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সামনেই রাজ্যসভার নির্বাচন (Rajya Sabha Election), তাই রাজ্যসভা নির্বাচনে মনোনয়ন পেশ করতে আজই বিধানসভায় পৌঁছলেন তৃণমূলের প্রার্থীরা। রাজনীতির ময়দানে কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick) বরাবরই দূরত্ব বজায় রেখে চলেছেন, কিন্তু এবার শাসকদল তৃণমূল তাঁকে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করল। আর সেই অনুযায়ী এবার স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে বিধানসভায় প্রথমবার মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন কয়েল মল্লিক। উপস্থিত ছিলেন রাজীব কুমার, বাবুল সুপ্রিয় এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী।

    রাজ্যসভার নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই মমতার

    প্রতিবারই তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে বিভিন্ন ধরনের গুজব এবং গালগল্প ছড়াতে থাকে, অনেকের নাম সম্ভাব্য তালিকায় ধরা হয়, কিন্তু দিনের শেষে দেখা যায় অভাবনীয় সব প্রার্থীর নাম নিয়ে হাজির হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারেও ব্যতিক্রম হয়নি কিছুই। সমাজের ‘উচ্চপর্যায়’ থেকে এবার রাজ্যসভার নির্বাচনের জন্য প্রার্থী বাছাই করেছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাঁরা হলেন রাজ্য পুলিশের সদ্য প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। এ ছাড়াও, অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। আজ, বৃহস্পতিবার মনোনয়ন পেশ করতে বিধানসভায় যান চার প্রার্থীই।

    বিধানসভায় জমা দেওয়া হল মনোনয়ন পত্র

    আগামী ১৬ মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচন। দেশের ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোট হবে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি আসনও রয়েছে। তাই আজ বৃহস্পতিবার মনোনয়ন পেশ করতে বিধানসভায় যান রাজীব কুমার, বাবুল সুপ্রিয়, কোয়েল মল্লিক এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। সকাল ১০ টা বেজে ৪৪ মিনিট নাগাদ পৌঁছন রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার। এরপরই এসেছেন মেনকা গুরুস্বামী। পাশাপাশি প্রথমবার স্বামী নিসপাল সিংয়ের সঙ্গে বিধানসভায় পা রাখলেন টলিকুইন কোয়েল মল্লিক। তবে নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুটা পড়ে ঢুকলেন বাবুল সুপ্রিয়। কোয়েল মল্লিক বলেন, “একটা নতুন যাত্রা। সবার ভালোবাসা, আশীর্বাদ পেলে যাত্রা সফল হবে। এটা একটা অনেক বড় দায়িত্ব। আমি জানি আমি দায়িত্ব নিয়েছি যখন, সফল হব।”

    আরও পড়ুন: ৯৯টি বিদেশ সফর প্রধানমন্ত্রী মোদীর, খরচ কত? লাভ কী হল ভারতের? প্রকাশ্যে রিপোর্ট

    অন্যদিকে, মনোনয়ন পেশ করতে বিধানসভায় গিয়েছেন বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থী রাহুল সিনহা। নির্ধারিত সময়ে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে যান বিধানসভায়। ২০০৯ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত তিনি ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। শেষবার ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে হাবড়া থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন। সেই ভোটে পরাজয়ের পর থেকে অবশ্য কোনও স্থায়ী পদ নেই রাহুল সিনহার। তবে এবার নতুনভাবে বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়ায় তিনি বেশ উত্তেজিত।

  • ৯৯টি বিদেশ সফর প্রধানমন্ত্রী মোদীর, খরচ কত? লাভ কী হল ভারতের? প্রকাশ্যে রিপোর্ট

    ৯৯টি বিদেশ সফর প্রধানমন্ত্রী মোদীর, খরচ কত? লাভ কী হল ভারতের? প্রকাশ্যে রিপোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই ঘন ঘন বিদেশ সফর করেছেন, যা নিয়ে এখনও বিরোধীরা মোদীকে নানাভাবে কটাক্ষও করেছেন, এমনকি তাঁর বিলাসিতা নিয়েও একাধিক কটূক্তি করেছেন। পাশাপাশি মোদীর এই বিদেশ সফরে আখেরে দেশের কী লাভ হয়েছে, তা নিয়ে নানা সময়ে বিরোধীরা প্রশ্নও তুলেছেন। আর এই নিয়ে গত মাসে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, এবং এই সফরে কত খরচ (Modi Travel Expenditure) পড়ে সেই নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। আর এবার সেই প্রশ্নের রিপোর্ট জমা দিল কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী।

    ৯৯টি বিদেশ সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

    কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নরেন্দ্র মোদী মোট ৭৮টি দেশ জুড়ে সর্বমোট ৯৯টি সফরে গিয়েছেন। আর এই সফরে মোট ৮১৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই বিদেশ সফরের কারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ভালো হয়েছে। এমনকি ভারতে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি, মেধা, মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে যৌথ উদ্যোগে অনেক কাজও শুরু হয়েছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বিশ্বের বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের মনোভাবের বিষয়ে বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। গিয়েছে অন্য দেশগুলির কাছে।

    বিদেশ ভ্রমণে কতটা লাভ হল ভারতের?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই বিদেশ সফরের কারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ভালো হয়েছে। ভারতে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি, মেধা, মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে যৌথ উদ্যোগে অনেক কাজও শুরু হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বিশ্বের বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের মনোভাবের বিষয়ে বার্তা পৌঁছেছে অন্য দেশগুলির কাছে। ফলে দেশের নাগরিকদের অর্থনৈতিক অবস্থা ও স্বাচ্ছন্দ্যের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও পরিবর্তন এসেছে।

    আরও পড়ুন: ফুড সেফটিতে কত নম্বরে বাংলা? রাজ্য সরকারের রিপোর্ট দেখে খুশি হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে মার্চে লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীর বিদেশসফর নিয়ে একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল। তাতে উল্লেখ ছিল, মোদীর বিদেশ সফরে ২০১৫-১৬ সালে ১২১ কোটি ৮৫ লক্ষ, ২০১৬-১৭ সালে ৭৮ কোটি ৫২ লক্ষ, ২০১৭-১৮ সালে ৯৯ কোটি ৯০ লক্ষ, ২০১৮-১৯ সালে ১০০ কোটি ২ লক্ষ এবং ২০১৯-২০ সালে ৪৬ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। আর সেই তথ্য নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে একাধিক শোরগোল দেখা গিয়েছিল। যদিও সেই নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি নরেন্দ্র মোদী।

  • রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ সৌরভের

    রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ সৌরভের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) প্রাক্কালে বড় চমক নিয়ে আসল তৃণমূল (Trinamool Congress)। এবার শাসকদলের ঝাণ্ডা ধরলেন আইনজীবী সৌরভ চন্দ্র (Lawyer Sourav Chunder)। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের হাত ধরে সৌরভ জোড়া ফুলে যোগ দিলেন। একদিকে যখন বিজেপির শিবিরে তুখোড় সাংবাদিক সন্তু পান অমিত শাহের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন, সেই সময় সৌরভের তৃণমূলে যোগদান নিয়ে জোর চর্চা চলছে রাজনৈতিক শিবিরে।

    তৃণমূলে যোগ দিলেন সৌরভ

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী সৌরভ চন্দ্র। সেখানে একদিকে যেমন তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়ন নিতে একাধিক আলোচনা করা হয়েছে ঠিক তেমনই আবার বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক সমালোচনা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আইনজীবী সৌরভ চন্দ্র খুবই সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তাঁর বাবা একজন নামকরা কাপড়ের ব্যবসায়ী ছিলেন এবং মা ছিলেন রাজা রাজেন্দ্র মল্লিকের পরিবারের সদস্য। আর এই পরিবারের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে বেশ আপ্লুত তৃণমূল কংগ্রেস।

    মেনকা গুরুস্বামীর নাম রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকায়

    কিছুদিন আগেই রাজ্যসভায় প্রার্থী তালিকায় তৃণমূল সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীর নাম ঘোষণা করেছিলেন, তারপরেই রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছিল, একের পর এক আইনজীবীর এই যোগদান নিয়ে শাসকদল ক্রমেই বৃহত্তর শক্তি প্রদর্শন করে চলেছে, যা বিরোধী দলকে খানিক চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। যদিও কিছুদিন আগেই অমিত শাহের হাত ধরে পরিবর্তন যাত্রায় মথুরাপুরে বিশিষ্ট সাংবাদিক সন্তু পানে যোগদান করেন বিজেপিতে। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমত বিজেপি অন্দরে তুমুল উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে। তাঁর দাবি রাজ্যের পরিবর্তনে গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘তিন মাসের সামগ্রী …’ যুদ্ধের আবহে রেশন নিয়ে রাজ্যগুলোকে বড় নির্দেশ কেন্দ্রের

    প্রসঙ্গত, সামনেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। তাই তার আগে থেকেই নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে রাজ্যজুড়ে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু করেছে বিজেপিতে। অন্যদিকে উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিতে জেলায় জেলায় মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে নেতা মন্ত্রীরা। বিধানসভা নির্বাচনের আবহে এই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই নিয়ে রীতিমত স্তম্ভিত রাজ্য বাসী, এখন দেখার চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রীর পদ কে দখল করে।

  • তৃণমূল নেতার উসকানিতে তরোয়াল দিয়ে একের পর এক কোপ! মালদায় বাচ্চাদের ঝামেলায় প্রাণ গেল ব্যক্তির

    তৃণমূল নেতার উসকানিতে তরোয়াল দিয়ে একের পর এক কোপ! মালদায় বাচ্চাদের ঝামেলায় প্রাণ গেল ব্যক্তির

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে রীতিমত উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ভোট প্রচারকে কেন্দ্র করে যেন এক থমথমে পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এমতাবস্থায় মালদহে (Malda) ঘটে গেল এক ভয়ংকর ঘটনা। রাস্তার পাশে ফুলঝুরি জ্বালানোর সময় ফুলকি এক নাবালিকার গায়ে পড়ায় দুই পরিবারের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। আর তখনই তরোয়াল দিয়ে কুপিয়ে এক ব্যক্তিকে খুনের অভিযোগ উঠে এল। জানা যায় সেই সংঘর্ষে নাকি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের যোগ ছিল।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    রিপোর্ট মোতাবেক, গত মঙ্গলবার মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের সুলতাননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাইরা গ্রামে শাহজাহান মিঞা নামের এক বাসিন্দার সাত বছরের ছেলে রাস্তার ধারে ফুলঝুরি জ্বালাচ্ছিল। সেই সময় রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল তফাজুল মিঞার বাড়ির এক নাবালিকা, আর তখনই বাজির ফুলকা গায়ে পড়ে, আর সেই থেকেই শুরু হয় ব্যাপক সংঘর্ষ। ঘটনাকে ঘিরে দুই পরিবারের মধ্যে প্রথমে তর্কাতর্কি শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরে সেটি ভয়ংকর সংঘর্ষে পরিণত হয়। যার নেপথ্যে যোগ দেখা যায় তৃণমূল নেতার।

    হাসপাতালে যেতে যেতেই মৃত্যু অভিযুক্তের

    স্থানীয়দের তরফে জানানো হয়েছে, দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালীন নাকি স্থানীয় তৃণমূল নেতা আহমেদ মিঞা এবং আরও এক তৃণমূল কর্মীর উস্কানিতে শাহজাহান মিঞাকে মাটিতে ফেলে ধারাল তরোয়াল দিয়ে কোপাতে থাকে অভিযুক্ত রাজীব মিঞা ও তফাজুল মিঞা-সহ তাঁদের পরিবারের লোকেরা। শোচনীয় অবস্থা দেখা যায় শাহজাহান মিঞার, শেষে পরিবারের লোকেরা সময় নষ্ট না করে তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু সেখানকার চিকিৎসক তাঁর আশঙ্কাজনক অবস্থা দেখে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। কিন্তু যেতেই যেতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    আরও পড়ুন: নিচে মেট্রো, মাঝখানে ট্রেন, উপরে ছুটবে বুলেট ট্রেন! ভারতে তৈরি হচ্ছে ১৬ তলার স্টেশন

    ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াতেই পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এবং তখনই মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আহমেদ মিঞার বিরুদ্ধেও মৃতের পরিবারের তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছে। মৃতের স্ত্রী আনবরি বিবি জানিয়েছেন, “ ঝামেলা মিটে গেলেও আমাদের ভাগ্নি যখন রাস্তা দিয়ে আসছিল তখন তাকে ধরে মারতে থাকে ওরা। বাঁচাতে গেলে আমার দেওরকে মারে সকলে, তারপর আমার স্বামী গেলে তাঁকেও তরোয়াল দিয়ে কোপ মারে। তৃণমূল নেতা উস্কানি দিয়েছিলেন বলে এই পরিণতি।” যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যর স্বামী আহমেদ মিঞা। সম্পূর্ণ বিষয়টি তদন্ত করে দেখে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

  • ২ লাখ দিয়েও মেলেনি পদ, পার্টি অফিসে TMC নেতাকে পেটালেন দলীয় কর্মী! ভাইরাল ভিডিও

    ২ লাখ দিয়েও মেলেনি পদ, পার্টি অফিসে TMC নেতাকে পেটালেন দলীয় কর্মী! ভাইরাল ভিডিও

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই রাজ্যে একের পর এক রাজনৈতিক বিতর্ক বেড়েই চলেছে। হাতে যেহেতু সময় খুব কম তাই এখন থেকেই শুরু হয়েছে ভোট প্রচার, উন্নয়নের পাঁচালি নিয়ে দরজায় দরজায় যাচ্ছেন নেতা মন্ত্রীরা। অন্যদিকে বিজেপিও নেমেছে প্রচার দলে। এমতাবস্থায় রাজ্যে ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে (Khejuri)।

    খেজুরিতে প্রকাশ্যে এল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছেড়েছেন বিজেপি নেতা দেবজিত সরকার, যেখানে দেখা যাচ্ছে পদ পাইয়ে দেওয়ার নামে ২ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছিল পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। কিন্তু পরে দলীয় পদ না পাওয়ায় চরম উত্তেজিত হয়ে পরেন তৃণমূল কর্মী। কার্যালয়ে এসে রীতিমত দুই নেতার মধ্যে মারধর শুরু হয়ে যায়। টাকা ফেরতের দাবিও ওঠে, তুমুল বচসা আটকাতে আসে পাশের কর্মীরা এগিয়ে এলেও কোনও লাভ হয় না। এলোপাথাড়ি চড়-কিল-ঘুসি চলতেই থাকে। আর সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই একাধিক কটাক্ষ করে নেটিজেনরা।

    অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব

    জানা গিয়েছে, ভিডিওতে খেজুরির যে দুই নেতা হাতাহাতি এবং মারামারি করছে, তাঁরা হলেন শংকর দুলাল পাত্র এবং নন্দন দাস। যদিও ওই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি India Hood Bangla। যদিও এই ভিডিও ঘিরে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে খেজুরিতে। যা নিয়ে দলের নেতারা মুখে কুলুপও এঁটেছেন। তবে ভোটের মুখে নিজেদের মধ্যে মারামারি এবং কোন্দল ঘিরে খেজুরিতে দলের অনৈক্যের ছবি প্রকাশ্যে এসে পড়ায় বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিকে তৃণমূলের এই কাণ্ডকারখানায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি, তাঁদের দাবি কাটমানির লোভ নিজেদের দলের লোককেও ছাড়ল না।

    আরও পড়ুন: হোলির দিন মধ্যমগ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, সিলিন্ডার ফেটে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    প্রসঙ্গত, গত রবিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার তালডাংরায় বিজেপির শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচির উপর হামলা চালিয়ে বিজেপি কর্মীদের মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এলাকা জুড়ে। তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনেছে। শেষে এই ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে বাঁকুড়ায় পুলিশ সুপারের দফতর ঘেরাও করে প্রবল বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন বিজেপির বাঁকুড়ার বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানা সহ বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা।

  • পদত্যাগ করতে পারেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার! JDU-র সাথে জোট ভাঙবে BJP?

    পদত্যাগ করতে পারেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার! JDU-র সাথে জোট ভাঙবে BJP?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বিহারের রাজনীতি নিয়ে এবার নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত। খুব শীঘ্রই পদত্যাগ করে রাজ্যসভায় যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার (Nitish Kumar)। এমনটাই চলছে জল্পনা। যদি সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়, তাহলে তাঁর ছেলে নিশান্ত কুমারকেই রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী করা হতে পারে এমনটাও সম্ভাবনা থাকছে। কিন্তু এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। কিন্তু জেডিইউ-র অন্দরে এ নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে বলেই খবর।

    রাজ্যসভা নাকি উপমুখ্যমন্ত্রী?

    বলে রাখি, এর আগে শোনা গিয়েছিল, নিশান্ত কুমারকে সরাসরি রাজ্যসভায় পাঠানো হতে পারে। কিন্তু জনতা দল ইউনাইটেডের তরফ থেকে তাঁর মনোনয়ন সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও নথি এখনও পর্যন্ত প্রস্তুত হয়নি বলেই খবর। এদিকে নীতিশ কুমার যদি মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়েন, সেক্ষেত্রে বিজেপি কি নিজেদের কোনও মুখকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রস্তাব করবে নাকি জেডিইউ-র সঙ্গেই জোট বেঁধে থাকবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্টতা নেই।

    ইন্ডিয়া টিভির একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেডিইউ-র বর্ষীয়ান নেতা তথা বিহার সরকারের মন্ত্রী শ্রবণ কুমার জানিয়েছিলেন যে, নিশান্ত কুমারের রাজনীতিতে প্রবেশ প্রায় নিশ্চিত। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের তরুণ প্রজন্ম নিশান্তকে সক্রিয় রাজনীতিতে চাইছে। আর খুব শীঘ্রই দল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পর জল্পনা যে আরও বেড়েছে তাও বলার অপেক্ষা রাখে না।

    আরও পড়ুন: এক ডলার ৯২ টাকারও বেশি! মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে রেকর্ড পতন ভারতীয় মুদ্রায়

    এনডিএ জোটের শক্তিশালী অবস্থান

    বলে রাখি, বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট অর্থাৎ এনডিএ এবার দাপুটে জয় পেয়েছিল। কার্যত দিশেহারা হয়ে গিয়েছিল তেজস্বী যাদবের দল সহ ইন্ডিয়া জোট। প্রচারে নীতিশ কুমারকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সামনে রাখা হয়। আর সেই কৌশল সফল হয়। এনডিএ জোটের প্রধান দল ভারতীয় জনতা পার্টি এককভাবে ৮৯টি আসন জিতে রাজ্যের বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসে। আর তাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জনতা দল ইউনাইটেড পেয়েছিল ৮৫টি আসন। এমনকি জোটের অন্যান্য দল লোক জনশক্তি পার্টি পেয়েছিল ১৯টি আসন, হিন্দুস্তানি আওয়ামী মোর্চা পেয়েছিল ৫টি আসন এবং রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা পেয়েছিল ৪টি আসন। তাই এনডিএ জোটের ভিত যে মজবুত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে নীতিশ কুমারের পদত্যাগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। সবটাই সময়ের উপর নির্ভর করবে।

  • মনোজ আগরওয়ালের স্ত্রী, শ্বশুরের সম্পত্তির হিসেব চায় তৃণমূল, পাল্টা জবাব CEO-র

    মনোজ আগরওয়ালের স্ত্রী, শ্বশুরের সম্পত্তির হিসেব চায় তৃণমূল, পাল্টা জবাব CEO-র

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার ‘আন্ডার অ্যাজুডিকেশন’ বা বিচারের আওতায় থাকায় রীতিমত বিতর্কিত পরিবেশ তৈরি হয়েছে রাজ্য জুড়ে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসও এই তালিকা নিয়ে রীতিমত ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তার উপর সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন, আর এই টানটান পরিস্থিতির মাঝেই এবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের স্ত্রী-শ্বশুরের সম্পত্তির (TMC Targets West Bengal CEO) হিসাব চেয়ে বসল তৃণমূল, পাল্টা জবাব দিলেন তিনি।

    সম্পত্তি বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন মনোজ

    সম্প্রতি রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সরাসরি CEO তথা মনোজ আগরওয়ালকে টার্গেট করে তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে অভিযোগ করেন যে সিবিআইয়ের একটি চার্জশিটে তাঁর স্ত্রীর নামে ৩০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং বিভিন্ন রাজ্যে সম্পত্তির কথা লেখা রয়েছে। আর সেই খবরের স্ক্রিনশটও পোস্ট করেন। এবং ক্যাপশনে লেখেন, ‘যে কিনা লক্ষ্মণরেখা সার্ভিস রুল বুকের কথা মনে করাচ্ছেন! তাঁর স্ত্রী ও শ্বশুরের বিরুদ্ধেই আবার সিবিআই চার্জশিটে ৩০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের উল্লেখ করে, তাহলে তাঁর নৈতিকতা কোথায় থাকে?’ পোস্ট ঘিরে রীতিমত তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।

    পাল্টা জবাব CEO-র

    মনোজ আগরওয়ালের সম্পত্তি নিয়ে একই অভিযোগ তোলেন তৃণমূলের আইটি সেলের চেয়ারম্যান দেবাংশু ভট্টাচার্যও। তিনি আবার পোস্টে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। বিতর্ক আরও জটিল হতে থাকে, শেষ পর্যন্ত এ সম্পত্তির টানাপোড়েন নিয়ে স্পষ্ট জবাব দিলেন রাজ্যের CEO, সমাজমাধ্যমে করলেন একটি পোস্ট। মনোজ আগরওয়াল টুইটে দাবি করেন, ‘বিশেষ আদালতের বিচারক চার্জশিটের অভিযোগ থেকে সম্মানজনক ভাবে মুক্তি দিয়েছিলেন। বিয়ের আগে থেকেই মিসেস আগরওয়াল তাঁর সম্পত্তির মালিক। ১৯৮৩ সাল থেকে নিয়মিতভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করে আসছেন। অর্থাৎ পুরো বিষয়টিই স্বচ্ছ এবং আইনসিদ্ধ।”

    আরও পড়ুন: ইরানে আটকে থাকা পড়ুয়াদের নিরাপদে সরাল ভারত, ফিরতে চায় না কিছুজন

    প্রসঙ্গত, সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন, তাই স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যে এক চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে রীতিমত দিন রাত খেটে চলেছে সকলে। এমতাবস্থায় ভোটের আগে শাসকদলের এহেন পোস্ট বিতর্ক রাজনৈতিক ময়দানে বড় প্রভাব ফেলেছে। তবে বিতর্ক বেশ জলঘোলা হওয়ার আগেই এহেন পোস্টের পালটা জবাবও দিয়েছে সিইও দপ্তর।

  • তৃণমূলের পর এবার বিজেপির চমক! রাজ্যসভায় প্রার্থী হলেন রাহুল সিনহা

    তৃণমূলের পর এবার বিজেপির চমক! রাজ্যসভায় প্রার্থী হলেন রাহুল সিনহা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আসন্ন ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে রীতিমত হুলুস্থুল কাণ্ড রাজ্য জুড়ে। জনসংযোগ বৃদ্ধিতে কোথাও কোনো খামতি রাখছে না রাজনীতিবিদরা। আর এই অবস্থায় রাজ্যসভা নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে বিরাট ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি। জানা গিয়েছে তৃণমূলের পর এবার রাজ্য সভায় প্রার্থী হিসেবে বিজেপি রাখতে চাইছে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহাকে (Rahul Sinha)।

    রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির

    রিপোর্ট মোতাবেক বিধানসভা নির্বাচন শুরুর আগেই আগামী ১৬ মার্চ হতে চলেছে রাজ্যসভা নির্বাচন। ওইদিন দেশের মোট ১০টি রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোট হবে এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে পাঁচটি আসনে নির্বাচন হবে। তাই প্রার্থী নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েচ বিগত কয়েকদিন ধরে। অবশেষে গত শুক্রবার তৃণমূলের তরফে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানো হল পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী এবং টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিককে। আর এবার প্রার্থী নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি। দাঁড় করানো হল রাহুল সিনহাকে।

    আরও পড়ুন: বুথের ভিতরে-বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক! ভোট প্রস্তুতিতে কড়া নির্দেশ কমিশনের

    হারের গ্লানি মুছে রাজ্যসভার প্রার্থী রাহুল

    রাজ্যে বিজেপির প্রায় শুরুর সময় থেকেই রাহুল সিনহা সক্রিয়ভাবে দল গড়ে তোলার কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি ছিলেন, তাঁর সময়েই রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপির প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠার যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরপরই শীর্ষ নেতাদের সিদ্ধান্তে পরবর্তীকালে দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক হয়েছিলেন রাহুল। অতীতে একাধিক বার রাজ্যের বিভিন্ন আসন থেকে বিধানসভা ও লোকসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছেন রাহুল, তবে জিততে পারেননি কোনোটিতেই। এ বার রাজ্যসভার নিশ্চিত আসনে দল নয়া মুখের বদলে তাঁকেই প্রার্থী করল।

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ জন রাজ্যসভার সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিল। আর ওই সময়েই খালি হতে চলেছে দেশের বাকি ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি আসন। আর সেগুলি হল মহারাষ্ট্রের সাতটি, ওড়িশার চারটি, তামিলনাড়ুর ছ’টি, অসমের তিনটি, বিহারের পাঁচটি, ছত্তিশগড়ের দু’টি, হরিয়ানার দু’টি, হিমাচল প্রদেশের একটি এবং তেলঙ্গানার দু’টি। জানা গিয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন হল আগামী ৫ মার্চ এবং ৬ মার্চ মনোনয়নপত্র যাচাই করা হবে। পাশাপাশি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে ৯ মার্চ।