Category: রাজনীতি

  • পরিচারিকাতে ভরসা বিজেপির, আউশ গ্রামের পদ্মের প্রার্থী কলিতা মাজির নাম বিচারাধীন

    পরিচারিকাতে ভরসা বিজেপির, আউশ গ্রামের পদ্মের প্রার্থী কলিতা মাজির নাম বিচারাধীন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রবিবার নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দিন ঘোষণার পরেই গতকাল, সোমবার বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আর সেই তালিকায় নাম উঠে এল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাজি (Kalita Majhi)। ২০২১-এও প্রার্থী করেছিল বিজেপি কিন্তু পরাজিত হন তিনি। তবে এবারও তাঁর উপরেই ভরসা রেখে তপশিলি সংরক্ষিত এই আসনে কলিতাকে প্রার্থী করে রীতিমতো চমক দিল বিজেপি। কিন্তু এবার সেই প্রার্থীকে নিয়ে উঠল আরেক বিতর্ক।

    প্রার্থী হয়েও ভোটার তালিকায় বিবেচনাধীন!

    গুসকরা পুরসভার ১৯৫ নম্বর বুথের ভোটার কলিতা মাজি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছিল, সেখানে দেখা যাচ্ছে ওই বুথে ৩৯৭ নম্বর সিরিয়ালে রয়েছে কলিতা মাজির নাম। কিন্তু নামের উপর লেখা ‘আণ্ডার অ্যাডজুডিকেশন’। আর তাতেই তৃণমূল প্রশ্ন করছে কীভাবে অমীমাংসিত তালিকায় থাকা একজনকে বিজেপি প্রার্থী করল। এই নিয়েই এলাকায় শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। যদিও এই নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কলিতা মাজি। তিনি জানান, “আমার উপযুক্ত নথিপত্র আছে। সবকিছু দাখিল করেছি। এরপর কমিশন যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবে। তবে আমার বিশ্বাস যোগ্য ভোটার হিসাবে আমার যথাযথ নথিপত্র রয়েছে। আপাতত কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।”

    Kalita Majhi

    ভোটে জেতার আশ্বাস কলিতা মাজির

    জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝপুকুর পাড়ের বাসিন্দা কলিতা মাজি। পেশায় তিনি একজন পরিচারিকা। পরিবারে রয়েছেন স্বামী ও এক ছেলে। ছেলে পার্থ এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অভেদানন্দ থাণ্ডার জয়ী হয়েছিলেন। তিনি পেয়েছিলেন ১ লক্ষ ৩৯২টি ভোট। বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাজি দ্বিতীয় হয়ে পেয়েছিলেন ৮৮ হাজার ৫৭৭টি ভোট। কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠছে প্রার্থী হয়েও তিনি কি এবার ভোটে লড়তে পারবেন কিনা। তবে তাঁর বিশ্বাস এবার তাঁরাই জিতবে।

    আরও পড়ুন: এই কারণেই ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী! ফাঁস মেগা প্ল্যান

    জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম বলেন, “আমরা প্রথম থেকেই যে অভিযোগ করছিলাম, এখন তা কার্যত প্রমাণিত হল। বিজেপির সঙ্গে যে কমিশনের আঁতাত আছে এটা বোঝা গেল।” তবে এই বিষয়ে বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, “গোটা বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। কিন্তু এতে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ যে ভুল তা প্রমাণিত হল। কমিশন জাত বা ধর্ম দেখে নয়, তাদের নিয়ম অনুযায়ী কাজ করছে।”

  • এই কারণেই ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী! ফাঁস মেগা প্ল্যান

    এই কারণেই ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী! ফাঁস মেগা প্ল্যান

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আরও একটা বিধানসভা ভোটের (Bengal Election 2026) ঘোষণা হয়ে গেল। ভোট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সামনে এসেছে বিজেপি ও বামেদের প্রার্থী তালিকাও। তবে তালিকা প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখ আটকে গিয়েছে নাম এবং কেন্দ্রের দিকে। সেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)। প্রত্যাশা মতো নন্দীগ্রামে তাঁকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। কিন্তু আসল চমক তো বাকি রয়েছে, আর সেটা হল, স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হটস্পট বা বলা ভালো বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরেও শুভেন্দুকেই প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। অর্থাৎ ২৬-এ বিজেপির নয়া স্ট্র্যাটেজি। আর এই রণনীতি স্বাভাবিকভাবেই অবাক করেছে সকলকে। অবশ্য অনেকে বলতে শুরু করেছেন, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) হারাতে পারে একজনই, আর সেটা হল তৃণমূলের ভাষায় ‘গদ্দার’ শুভেন্দু অধিকারী।

    প্রশ্ন উঠছে, শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কাউকে রিস্ক নিতে পারছে না বিজেপি? অবশ্য বিজেপির প্রার্থী তালিকা দেখে সেটাই মনে হচ্ছে। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ফলাফল কারোর অজানা  নয়। সকলকে চমকে দিয়ে হুইলচেয়ারে থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে নন্দীগ্রাম দখল করেন শুভেন্দু। সেক্ষেত্রে হয়তো এবার ২৬-এর ভোটে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও শুভেন্দুকে প্রার্থী করে মানুষের মন ও বিশ্বাস বাজিয়ে দেখতে চাইছে বিজেপি বলে মনে করছে বিশিষ্ট মহল।

    যদিও নন্দীগ্রামে ২১-এর বিধানসভা ভোটের ফলাফলে কারচুপি ছিল বলে জানিয়েছিলেন একদা বিজেপি নেতা এবং পরবর্তীকালে তৃণমূল নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ঘাসফুলে যোগ দিয়ে জানিয়েছিলেন কীভাবে শুভেন্দু অধিকারী সেখানে ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বৈরথ দেখেছিল গোটা পশ্চিমবঙ্গ। পা ভেঙে হুইলচেয়ারে বসেও নন্দীগ্রাম জিততে ব্যর্থ হন মমতা। ভোটগণনায় নাটকীয় সব ঘটনার পর শেষ পর্যন্ত ১,৯৫৬ ভোটে জয়ী হন বিজেপির শুভেন্দু।

    আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    এখনও অবধি তৃণমূলের কিন্তু প্রার্থী তালিকা প্রকাশ পায়নি। আজ ১৭ মার্চ তালিকা প্রকাশ করতে পারে ঘাসফুল শিবির বলে খবর। সেখানে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই বিজেপির তরফে ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীকে দাঁড় করানোকে অনেকে মোক্ষম চাল বলছেন তো আবার অনেকে বোকামিও বলতে শুরু করেছেন। বোকামি কেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদৌ ভবানীপুর থেকে ভোটে দাঁড়াবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছেন। শুরু হয়েছে নানান জল্পনা কল্পনা।

    এই কারণেই ভবানীপুরে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী!

    এখন আরও একটা প্রশ্ন বারবার উঠছে, শুভেন্দুর ইচ্ছে ছিল নাকি দলের ইচ্ছে ছিল তাঁকে ভবানীপুরে ভোটে দাঁড় করানোর? সূত্রের খবর, বিজেপি যথা সম্ভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের কেন্দ্র ব্যস্ত রাখার জন্য পরিকল্পনা করেছে। এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না তৃণমূলের ভোট মানেই হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দেওয়া। মানুষ দল নয়, তাঁকে দেখেই ভোট দেন, সেটা অনেক নেতা সাংসদও স্বীকার করেছে। অনেকে এও বলছেন, নন্দীগ্রামে যেহেতু শুভেন্দু ‘ভূমিপুত্র’ তাই কিছুটা হলেও হালে পানি পেয়ে মমতাকে হারাতে পেরেছিলেন। কিন্তু ভবানীপুর হল মমতার নিজের জায়গা। যাকে বলে তিনি হলেন সেখানকার ‘ঘরের মেয়ে’। সেক্ষেত্রে শুভেন্দু কতটা কী করতে পারবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যাইহোক, মানুষ এখন মুখিয়ে থাকবেন ‘ভূমিপুত্র’ বনাম ‘ঘরের মেয়ে’র লড়াই কেমন হয় তা জানা ও দেখার জন্য।

     

  • তৃণমূলে যোগ দিলেন বাংলার তারকা ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, প্রার্থী হবেন এই কেন্দ্রের!

    তৃণমূলে যোগ দিলেন বাংলার তারকা ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, প্রার্থী হবেন এই কেন্দ্রের!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সোমবারই বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) প্রাক্কালে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বামফ্রন্ট এবং বিজেপি। দুই দলের তরফেই শাসক দলের (Trinamool Congress) উপর কার্যত চাপ সৃষ্টি করেই প্রকাশ করা হয়েছে প্রার্থীদের তালিকা। সেই তালিকায় ডানা ছাটা হয়েছে বহু দলবদলুর। এখন অপেক্ষা শাসকদল অর্থাৎ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের। এরই মাঝে বড় চমক দিয়ে দিল TMC। সূত্রের খবর, বঙ্গ ক্রিকেটের এক পরিচিত মুখ তথা তারকা পেসার শিব শংকর পালকে টিকিট দিতে চলেছে তৃণমূল। কেননা, ইতিমধ্যেই শাসক শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি।

    তুফানগঞ্জ থেকে দাঁড়াতে পারেন বাংলার পেসার

    একাধিক সূত্র মারফত খবর, বাংলা দলের হয়ে দীর্ঘদিন মাঠ কাঁপানো পেসার শিবশংকরের সাথে আগেই কথাবার্তা পাকা হয়ে গিয়েছিল তৃণমূল নেতৃত্বর। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবারই পাকাপাকি ভাবে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল বাংলার এই ক্রিকেটার। শেষ পর্যন্ত সেটাই হল। প্রত্যাশমতোই তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রাক্তন বাঙালি ক্রিকেটার। কাজেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের এই চাল যে বড় চমক তা বলাই যায়।

    আজই নির্বাচনের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে তৃণমূল। তার আগে পাকাপাকিভাবে বাংলার পেসার শিবশংকর ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেওয়ায় তাঁকে জন্মভূমি তুফানগঞ্জ থেকে দাঁড় করানো হতে পারে। আর সেটা হলে তাঁকে লড়তে হবে বিজেপির মালতি সাভা রায়ের বিরুদ্ধে। তুফানগঞ্জ আসন থেকে তাঁকেই টিকিট দিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    অবশ্যই পড়ুন: হর্ষিত রানার বিকল্প খুঁজছে না KKR, কারণ জানলে অবাক হতে বাধ্য!

    উল্লেখ্য, ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর পর বোলিং কোচ হিসেবে নতুন ইনিংস শুরু করেন বাংলার পেসার তথা বাঙালি ক্রিকেটার শিবশংকর। এই মুহূর্তে বাংলা দলের বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সবচেয়ে বড় কথা সম্প্রতি শেষ হওয়া রঞ্জি ট্রফিতে তাঁর কোচিয়েই মাঠ কাঁপানো পারফরমেন্স দেখিয়েছেন মহম্মদ শামিরা। যদিও ক্রিকেট কেরিয়ারে মধুর স্মৃতি রয়েছে প্রাক্তন প্লেয়ারের।

  • নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুদফায় রাজ্যে হতে চলেছে ভোট। আর এই ভোটের আবহে ইতিমধ্যেই বাম এবং বিজেপি শিবির প্রকাশ্যে এনেছে বিধানসভা কেন্দ্রগুলোতে প্রার্থীদের তালিকা। এমতাবস্থায় চর্চায় উঠে এসেছে নন্দীগ্রাম (Nandigram), সোমবার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর দেখা গেল, ভবানীপুরের পর শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সেখান থেকেও বিজেপির হয়ে দাঁড়াতে চলেছেন। আর সেখানেই প্রশ্ন উঠছে তাহলে প্রতিপক্ষ হয়ে কে উঠে আসছে? জল্পনায় উঠে এল বিশেষ নাম।

    নন্দীগ্রামে বিজেপির হয়ে দাঁড়াবেন শুভেন্দু

    ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সংখ্যা জাহির করে প্রায়ই নিজের শ্লাঘার কথা বলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবারেও শুভেন্দু দাবি করেছেন যে ২০২১-এ তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে যেভাবে হারতে হয়েছিল মমতাকে, ভবানীপুরে তার পুনরাবৃত্তি হবে। আবার হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের আসন খড়্গপুর সদর থেকে দিলীপ ঘোষ টিকিট পেলেন। অন্যদিকে অভিনেতা-রাজনীতিবিদ রুদ্রনীল ঘোষকে শিবপুর থেকে প্রার্থী করল বিজেপি। কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠছে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের তরফে কে দাঁড়াবে। আর তাতেই শোনা যাচ্ছে প্রদীপ করের নাম।

    কে হবে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ?

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ, মঙ্গলবার ২৯৪টি বিধানসভার আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে তৃণমূল। তখনই দেখা যাবে কোন কেন্দ্রে কাকে বসাতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাজনীতি বিশ্লেষকদের ধারণা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোদ দাঁড়াবেন নয়তো এমন একজনকে দাঁড় করাবেন যে বিজেপিকে বড় আঘাত করতে পারে। এদিকে এসবের মাঝে আজ তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন নন্দীগ্রাম দুই ব্লকের বিজেপি নেতা পবিত্র কর। যে কিনা শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁকেও হয়ত এবার শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ হিসেবে নন্দীগ্রামে দাঁড় করানো হতে পারে।

    আরও পড়ুন: ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটে! প্রকাশ্যে গঙ্গাসাগর সেতুর প্রথম নকশা, শুরু নির্মাণ কাজ

    আসলে কিছুদিন আগেই আইপ্যাকের সঙ্গে পবিত্র করের গোপন বৈঠকে বোঝা গেছিল এবার দলবদলের পালা তাঁর। যদিও কোনও পক্ষই অবশ্য এই বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। নন্দীগ্রাম বিধানসভা দু’টি ব্লক নিয়ে গঠিত, তার মধ্যে নন্দীগ্রাম ২ ব্লকেই বিজেপি এগিয়ে। আর সেই ব্লকেরই বাসিন্দা পবিত্র কর। এলাকায় তাঁর যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে। মুখে মৃদু হাসি নিয়ে কাজ করে যান সকলের জন্য। বেশি প্রচারে থাকেন না কোনওদিনই। সেই জন্য কেউ কেউ তাঁকে, নন্দীগ্রাম দুই ব্লকের ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলে। এবার দেখার পালা কাকে কোন কোন কেন্দ্রে দাঁড় করায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে শুভেন্দু! প্রথম দফায় ১৪৪ আসনে প্রার্থীর তালিকা দিল বিজেপি

    নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে শুভেন্দু! প্রথম দফায় ১৪৪ আসনে প্রার্থীর তালিকা দিল বিজেপি

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ২০২৬ বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। বামফ্রন্টের পর বিজেপি তাদের প্রার্থী ঘোষণা করল (BJP Candidate List)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরে প্রার্থী হলেন শুভেন্দু। এমনকি ২৬ এর বিধানসভায় নন্দীগ্রামেও প্রার্থী হয়েছেন তিনি। জল্পনাতেই পড়ল সিলমোহর। জানা যাচ্ছে, প্রথম দফায় ১৪৪ আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি।

    বিজেপি প্রার্থী তালিকা

    বিজেপির প্রকাশ করা ১৪৪ জনের তালিকা হল—

    • অশোকনগর – শ্রী তনয় ভট্টাচার্য
    • আউশগ্রাম – শ্রীমতী কলিতা মাঝি
    • আমডাঙা – শ্রী অরিন্দম দে
    • আমতা – শ্রী অমিত সামন্ত
    • আরামবাগ – শ্রী হেমন্ত বাগ
    • আসানসোল উত্তর – শ্রী কৃষ্ণেন্দু মুখার্জী
    • আসানসোল দক্ষিণ – শ্রীমতী অগ্নিমিত্রা পাল
    • আলিপুরদুয়ার – শ্রী পরিতোষ দাস
    • ইন্দাস – শ্রী নির্মল কুমার ধারা
    • উলুবেড়িয়া দক্ষিণ – স্বামী মঙ্গলাণন্দ পুরী মহারাজ
    • ওন্দা – শ্রী অমরনাথ শাখা
    • করাণদিঘি – অ্যাড. বিরাজ বিশ্বাস
    • করিমপুর – শ্রী সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ
    • কালচিনি – শ্রী বিশাল লামা
    • কালিয়াগঞ্জ – শ্রী উৎপল মহারাজ
    • কালীগঞ্জ – শ্রী বাপন ঘোষ
    • কাশীপুর – শ্রী কমলাকান্ত হাঁসদা
    • ক্যানিং পূর্ব – শ্রী অসীম সপুই
    • কাকদ্বীপ – শ্রী দীপংকর জানা
    • কুমারগঞ্জ – শ্রী সুভেন্দু সরকার
    • কুমারগ্রাম – শ্রী মনোজ কুমার ওঁরাও
    • কুলতলী – শ্রী মাধবী মহালদার
    • কুলটি – শ্রী অজয় কুমার পোদ্দার
    • কুশমণ্ডি – শ্রী তাপস চন্দ্র রায়
    • কেতুগ্রাম – শ্রী অনাদি ঘোষ (মথুরা)
    • কেশপুর – শ্রী শুভেন্দু সামন্ত
    • কেশিযারী – শ্রী ভাদ্রা হেমব্রম
    • কোতুলপুর – শ্রী লক্ষ্মীকান্ত মজুমদার
    • কোচবিহার উত্তর – শ্রী সুকুমার রায়
    • খড়গপুর – শ্রী তপন ভূঁইয়া
    • খড়্গপুর সদর – শ্রী দিলীপ ঘোষ
    • খানাকুল – শ্রী সুশান্ত ঘোষ
    • গঙ্গারামপুর – শ্রী সত্যেন্দ্র নাথ রায়
    • গাজোল – শ্রী চিন্ময় দেব বর্মন
    • ঘাটাল – শ্রী শীতল কপাট
    • চন্দ্রকোনা – শ্রী সুকান্ত দলুই
    • চাকদহ – শ্রী বঙ্কিম চন্দ্র ঘোষ
    • চাকুলিয়া – শ্রী মনোজ জৈন
    • চাঁচল – শ্রী রতন দাস
    • ছাতনা – শ্রী সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়
    • জলঙ্গী – শ্রী নবা কুমার সরকার
    • জামুরিয়া – ডা. বিজন মুখার্জী
    • জামালপুর – শ্রী অরুণ হালদার
    • ঝাড়গ্রাম – শ্রী লক্ষ্মীকান্ত সাহু
    • ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি – শ্রীমতী শিখা চ্যাটার্জী
    • ডায়মন্ড হারবার – শ্রী দীপক কুমার হালদার
    • ডোমকল – শ্রী নন্দ দুলাল পাল
    • ডোমজুড় – শ্রী গোবিন হাজরা
    • ডেবরা – শ্রী শুভাশীষ ওম
    • তপন – শ্রী বুধরাই টুডু
    • তারকেশ্বর – শ্রী সন্তু পান
    • তালডাংরা – শ্রী সৌভিক পাত্র
    • তুফানগঞ্জ – শ্রীমতী মালতী রাভা রায়
    • দিনহাটা – শ্রী অজয় রায়
    • দুর্গাপুর পশ্চিম – শ্রী লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘোড়ুই
    • দুর্গাপুর পূর্ব – শ্রী চন্দ্র শেখর ব্যানার্জী
    • দুবরাজপুর – শ্রী অনুপ কুমার সাহা
    • দেগঙ্গা – শ্রী তরুণ কান্তি ঘোষ
    • দাঁতন – শ্রী অজিত কুমার জানা
    • দাসপুর – শ্রী তপন দত্ত
    • নানুর – শ্রী খোকন দাস
    • নাগরাকাটা – শ্রী পুনা ভেংরা
    • নয়াগ্রাম – শ্রী অমিয়া কিস্কু
    • নারায়ণগড় – শ্রী রাম প্রসাদ গিরি
    • নন্দীগ্রাম – শ্রী শুভেন্দু অধিকারী
    • নওদা – শ্রী রাণা মণ্ডল
    • নৈহাটি – শ্রী সৌমিত্র চ্যাটার্জী
    • পটাশপুর – শ্রী তপন মাইতি
    • পাণ্ডবেশ্বর – শ্রী জিতেন্দ্র কুমার তিওয়ারী
    • পাথরপ্রতিমা – শ্রী অসিত কুমার হালদার
    • পাঁশকুড়া পশ্চিম – শ্রী সিন্টু সেনাপতি
    • পাঁশকুড়া পূর্ব – শ্রী সুব্রত মাইতি
    • পুরশুড়া – শ্রী বিমান ঘোষ
    • পলাশীপাড়া – শ্রীমতী অনিমা দত্ত
    • ফালাকাটা – শ্রী দীপক বর্মন
    • ফাঁসিদেওয়া – শ্রী দুর্গা মুর্মু
    • বজ বজ – ডা. তরুণ কুমার আদক
    • বড়জোড়া – শ্রী বিলেশ্বর সিংহা
    • বহরমপুর – শ্রী সুব্রত মিত্র
    • বাসন্তী – শ্রী বিকাশ সর্দার
    • বাদুড়িয়া – শ্রী সুকৃতি সরকার
    • বালুরঘাট – শ্রী বিদ্যুৎ রায়
    • বিনপুর – ডা. প্রণত টুডু
    • বিষ্ণুপুর – শ্রী অগ্নীশ্বর নস্কর
    • বেলডাঙা – শ্রী ভরত কুমার ঝাওর
    • বোলপুর – শ্রী দিলীপ কুমার ঘোষ
    • ভাটপাড়া – শ্রী পবন কুমার সিং
    • ভাতার – শ্রী সৌমেন করফা
    • ভগবানগোলা – শ্রী ভাস্কর সরকার
    • ভবানীপুর – শ্রী শুভেন্দু অধিকারী
    • ময়না – শ্রী অশোক ডিন্ডা
    • ময়ূরেশ্বর – শ্রী দুধ কুমার মণ্ডল
    • মন্তেশ্বর – শ্রী সৈকত পাঁজা
    • মেটিয়াবুরুজ – শ্রী বীর বাহাদুর সিং
    • মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি – শ্রী আনন্দময় বর্মন
    • মানিকচক – শ্রী গৌর চন্দ্র মণ্ডল
    • মানবাজার – শ্রীমতী মৈনা মুর্মু
    • মালদহ – শ্রী গোপাল চন্দ্র সাহা
    • মালতীপুর – শ্রী আশীষ দাস
    • মুর্শিদাবাদ – শ্রী গৌরী শংকর ঘোষ
    • মোথাবাড়ি – শ্রী নিবারণ ঘোষ
    • রঘুনাথপুর – শ্রীমতী মামনি বাউরি
    • রঘুনাথগঞ্জ – শ্রী সুরজিৎ পোদ্দার
    • রতুয়া – শ্রী অভিষেক সিংঘানিয়া
    • রানাঘাট উত্তর পশ্চিম – শ্রী পার্থসারথী চ্যাটার্জী
    • রানাঘাট উত্তর পূর্ব – শ্রী অসীম বিশ্বাস
    • রাসবিহারী – শ্রী স্বপন দাস গুপ্তা
    • রায়গঞ্জ – শ্রী কৌশিক চৌধুরী
    • রায়দিঘি – শ্রী পলাশ রাণা
    • রায়না – শ্রী সুভাষ পাত্র
    • রানীবাঁধ – শ্রী ক্ষুদিরাম টুডু
    • রামনগর – শ্রী চন্দ্র শেখর মণ্ডল
    • রাইপুর – শ্রী ক্ষেত্র মোহন হাঁসদা
    • রেজিনগর – শ্রী বাপন ঘোষ
    • লালগোলা – শ্রী অমর কুমার দাস
    • বরানগর – শ্রী সজল ঘোষ
    • শালতোড়া – শ্রীমতী চন্দনা বাউরি
    • শালবনী – শ্রী বিমান মাহাতো
    • শীতলকুচি – শ্রীমতী সাবিত্রী বর্মন
    • শিবপুর – শ্রী রুদ্রনীল ঘোষ
    • শিলিগুড়ি – ডা. শংকর ঘোষ
    • সবং – শ্রী অমল পান্ডা
    • সোনামুখী – শ্রী দিবাকর ঘরামী
    • সুজাপুর – শ্রী অভিরাজ চৌধুরী
    • সুতি – শ্রী মহাবীর ঘোষ
    • সিউড়ী – শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়
    • সপ্তগ্রাম – শ্রী স্বরাজ ঘোষ
    • হরিণঘাটা – শ্রী অসীম কুমার সরকার
    • হরিহরপাড়া – শ্রী তন্ময় বিশ্বাস
    • হরিরামপুর – শ্রী দেবব্রত মজুমদার
    • হাবিবপুর – শ্রী জোয়েল মুর্মু
    • হাসন – শ্রী নিখিল ব্যানার্জী
    • হাওড়া উত্তর – শ্রী উমেশ রায়

  • রয়েছেন মীনাক্ষী, বিকাশরঞ্জন, দীপ্সিতা! ১৯২ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ CPIM-র, কে কোথায়?

    রয়েছেন মীনাক্ষী, বিকাশরঞ্জন, দীপ্সিতা! ১৯২ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ CPIM-র, কে কোথায়?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল বাংলায় দুই দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে (West Bengal Assembly Election 2026)। গতকালই সূচি প্রকাশ করেছে কমিশন। তবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে ফেলল বামফ্রন্ট বা সিপিআইএম (CPIM Candidate List)। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পর দিনই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তারা। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু রবিবার নিজেই জানিয়েছিলেন যে, সোমবার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। সে মতোই আজ আলিমুদ্দিন থেকে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এমনকি সেই তালিকায় বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে মীনাক্ষী, দীপ্সিতা সবার নামই রয়েছে। জানুন বিস্তারিত।

    কোন আসনে কাকে ঘোষণা করল বামফ্রন্ট?

    বামেদের প্রার্থী তালিকায় রয়েছে এবার একাধিক চমক। যেমন—

    • আরামবাগ: বীথিকা পন্ডিত,
    • আসানসোল: শিল্পী চক্রবর্তী,
    • আউশগ্রাম: চঞ্চল মাঝি,
    • উত্তরপাড়া: মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়,
    • উদয়নারায়ণপুর: ষষ্ঠী মাজি,
    • কাঁথি উত্তর: সুতনু মাইতি,
    • কাঁথি দক্ষিণ: তেহরান হুসেন,
    • কাটোয়া: সঞ্জিত দাস,
    • কাকদ্বীপ: নারায়ণ দাস,
    • কসবা: দীপু দাস,
    • কোতুলপুর: রামচন্দ্র রায়,
    • খণ্ডঘোষ: রামজীবন রায়,
    • খড়্গপুর সদর: মধুসূদন রায়,
    • চন্দননগর: মনীষ পন্ডা,
    • চন্ডীপুর: রীতা দাস,
    • জামুরিয়া: মহম্মদ সাব্বির হুসেন,
    • ঝাড়গ্রাম: অর্জুন মাহাতো,
    • ডেবরা: সুমিত অধিকারী,
    • দুর্গাপুর পশ্চিম: প্রভাস সাঁই,
    • দুর্গাপুর পূর্ব: সীমন্ত চট্টোপাধ্যায়,
    • দমদম: ময়ূখ বিশ্বাস,
    • দমদম (উত্তর): দীপ্সিতা ধর
    • দাঁতন: শ্যামলকান্তি দাস পট্টনায়েক,
    • পটাশপুর: সৈকত গিরি,
    • পাণ্ডবেশ্বর: প্রবীর মণ্ডল,
    • পূর্বস্থলী উত্তর: প্রদীপ সাহা,
    • বরানগর: সায়নদীপ মিত্র,
    • বর্ধমান দক্ষিণ: সুদীপ্ত গুপ্ত,
    • বারুইপুর পূর্ব: স্বপন নস্কর,
    • বিষ্ণুপুর: শ্যামল দল,
    • বেহালা পশ্চিম: নীহার ভক্ত,
    • বেলেঘাটা: পারমিতা রায়,
    • ভাতার: হাসিনা খাতুন,
    • মঙ্গলকোট: মীরাজ আলম,
    • মহেশতলা: সায়ন ব্যানার্জি,
    • মেমারি: কৃষ্ণেন্দু ভদ্র,
    • যদবপুর: বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য,
    • রঘুনাথপুর: গণেশ বাউরি,
    • রানিবাঁধ: দেবলীনা হেমব্রম,
    • রাজারহাট-নিউটাউন: সপ্তর্ষি দেব,
    • রামনগর: অশোক কুমার মাইতি,
    • রায়না: সোমনাথ মাঝি,
    • সাতগাছিয়া: গৌতম পাল,
    • সোনামুখী: অজিত রায়,
    • সোনারপুর উত্তর: মোনালিসা সিনহা,
    • সিঙ্গুর: দেবাশিস চট্টোপাধ্যায়,
    • শ্রীরামপুর: নবনীতা চক্রবর্তী,
    • হরিপাল: সৌমেন মুখোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: IPL 2026 এ বিরাট কোহলির বন্ধুর রেকর্ড ভেঙে খান খান করতে চান বৈভব সূর্যবংশী

    বলবাহুল্য, এবার মোট ২৯৪টি আসনে ভোট হবে বাংলায়। কিন্তু প্রথম দফায় ১৯২টি আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বামফ্রন্ট। আর বাকি আসনগুলির নাম আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন সিপিআইএমের চেয়ারম্যান বিমান বসু। এখন দেখার, তৃণমূল কংগ্রেস আর বিজেপির বিরুদ্ধে তারা টিকতে পারে কিনা।

  • তৃণমূল ছাড়লেন আরাবুল ইসলাম, কোন দলে যোগ দিচ্ছেন? ভাঙড়ে নতুন সমীকরণ

    তৃণমূল ছাড়লেন আরাবুল ইসলাম, কোন দলে যোগ দিচ্ছেন? ভাঙড়ে নতুন সমীকরণ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল অর্থাৎ রবিবার নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গে দুদফায় ভোটের দিন ঘোষণা করেছে। আগামী ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল রাজ্যে ভোট গ্রহণ হবে। এদিকে সেই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন ভাঙড়ের পরিচিত নেতা আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam Quits Trinamool Congress)। প্রশ্ন উঠছে এবার কি তবে ISF-এ যোগ দেবেন তৃণমূলের এই দাপুটে নেতা।

    কী বলছেন আরাবুল ইসলাম?

    আজ, সোমবার সকালে হুগলির ফুরফুরা শরিফের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে আরাবুল ইসলাম বলেন, “সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় থেকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকেছি। যে দলের জন্য এত কিছু করেছি, সেই দল আমাকে চিনতে পারল না। পাঁচবার জেলে গিয়েছি। তিন বার দল থেকে সাসপেন্ড হয়েছি। কোনো মর্ম বুঝল না, তাই দুঃখে তৃণমূল ছাড়ছি।” আরাবুলের দলত্যাগের পরেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে এবার তিনি কোন দলে যোগ দেবেন। অনেকেই জানাচ্ছেন, আরাবুল ISF-এ যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। তবে, এখনও আরাবুল কোনও মন্তব্য করেননি।

    ভাঙড়ে তৃণমূলে বড়সড় ক্ষতি

    দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লার সঙ্গে আরাবুল ইসলামের সম্পর্ক নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে টানাপড়েন চলছিল। দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে একাধিকবার তাঁকে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে দলের বিভিন্ন কর্মসূচি থেকেও তাঁকে দূরে থাকতে দেখা গিয়েছে। ফলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভাঙড় তৃণমূলের বড়সড় ক্ষতি হতে পারে। অনুগামীরা জানান যদি দলবদল করেন, তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোট তহবিলে ধস নামতে পারে।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়? সমাজমাধ্যমে ছড়াল জল্পনা

    প্রসঙ্গত, আরাবুল ইসলামকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন কিছু নয়। ২০২৪ সালে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের এক কর্মীকে খুনের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ। সেখানে প্রায় সাত মাস কারাবন্দি থাকার পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এখানেই শেষ নয়, এরপর তৃণমূলের আরেক নেতা শওকত মোল্লার সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। এমনকি আরাবুলের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে শওকতের বিরুদ্ধে। তখন খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন আরাবুল। এখন দেখার তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান কোন দিকে মোড় নেয়।

  • বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়? সমাজমাধ্যমে ছড়াল জল্পনা

    বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়? সমাজমাধ্যমে ছড়াল জল্পনা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনের মাসেই বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election)। তবে তার আগে রাজ্যের শাসকদল থেকে শুরু করে বিরোধীদল একের পর এক চমক দিচ্ছে। অনেক পরিচিত মুখ এবার রাজনীতির ময়দানে নিজের নাম লেখাচ্ছেন। এমনকি সম্প্রতি কোয়েল মল্লিকও তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন। তবে এবার গুজব ছড়ালো প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে (Prosenjit Chatterjee) নিয়ে। ভোটের মুখে বিজেপিতে যোগদান করছেন বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক? সম্প্রতি প্রসেনজিৎ এর ছেলে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের একটি পোস্টকে ঘিরেই এরকম জল্পনা ছড়িয়েছে।

    বিজেপিতে যোগদান করছেন প্রসেনজিৎ?

    আসলে রবিবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে বাবাকে নিয়ে একটি ফটো পোস্ট করেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। আর সেই ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল “জয় শ্রীরাম”। ভোটমুখী বাংলায় এরকম ছবি আর ক্যাপশন দেখেই গেরুয়া শিবিরের মধ্যে জল্পনা ওঠে যে প্রসেনজিৎ হয়তো এবার বিজেপিতে যোগদান করছেন! আদৌ কি এই দাবির কোনও সত্যতা আছে? সত্যিই কি এবার পদ্ম শিবিরে নিজের নাম লেখাবেন নায়ক?

    আপনাদের জানিয়ে রাখি, তৃষাণজিৎ এর ওই পোস্টে যে ছবি দেখা গিয়েছে সেটা নতুন কোনও ফটো নয়য়, বরং গত ফেব্রুয়ারি মাসের। সেই সময় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছিলেন। আর তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতেই নায়কের বালিগঞ্জের বাসভবনে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সেই সময়ের তোলা ওই ছবিটিতে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে বাবা এবং বিজেপি নেতার মধ্যে দেখা যায়। আর সেই ছবি গতকাল পোস্ট করে জল্পনা বাড়িয়ে দেন তৃষাণজিৎ। সমাজমাধ্যমে তো হইহুল্লোর পড়ে যায় যে, ভোটের আগেই তাহলে তারকা নায়ক বিজেপিতে যোগদান করছেন!

    আরও পড়ুন: শিয়ালদার তিন রুটে EMU পরিষেবা সম্প্রসারণ, যাত্রীদের স্বার্থে বড় উদ্যোগ রেলের

    যদিও এ বিষয়ে তৃষাণজিৎ বা প্রসেনজিৎ এর তরফ থেকে কোনও রকম বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি। আর প্রসেনজিৎ এর বিজেপিতে যোগদান করার কোনও সত্যতাও আমাদের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়নি। কারণ, গত ফেব্রুয়ারি মাসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার নিজেই জানিয়েছিলেন যে, “প্রসেনজিৎদার বাড়িতে আসার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সংযোগ নেই। আর সব বিষয়ে রাজনীতি ঢোকাতেও নেই। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্যই আমরা এখানে এসেছি।” মোদ্দা কথা, প্রসেনজিৎ বিজেপিতে যোগদান করছেন, এই দাবি সম্পূর্ণ গুজব। এখন আগামীদিন নায়ক এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেন কিনা সেটা তাঁর উপরেই নির্ভর করছে।

  • মমতার ধরনা মঞ্চে ‘ভুয়ো সাধু’? ‘আমাদের কেউ না’ রামকৃষ্ণ মিশনের বিজ্ঞপ্তিতে নতুন বিতর্ক

    মমতার ধরনা মঞ্চে ‘ভুয়ো সাধু’? ‘আমাদের কেউ না’ রামকৃষ্ণ মিশনের বিজ্ঞপ্তিতে নতুন বিতর্ক

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। এ বার দুই দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের নির্বাচন (West Bengal Election 2026) হবে। প্রথম দফা হবে ২৩ এপ্রিল,বৃহস্পতিবার এবং দ্বিতীয় দফা হবে ২৯ এপ্রিল, বুধবার। আর তাই ভোট প্রচারের প্রস্তুতিতে জোর কদমে নেমেছে শাসকদল থেকে শুরু করে বিরোধীরা। এমতাবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ধরনা মঞ্চ নিয়ে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। দাবি করা হচ্ছে মমতার ধরনা মঞ্চে নাকি ছিল ভুয়ো সাধু (Fake Monk At Protest Stage)।

    মমতার মঞ্চে ভুয়ো সাধু

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনা মঞ্চের একটি ভিডিও পোস্ট করেন। যেখানে দেখা যাচ্ছিল SIR এর প্রতিবাদে একজন সন্ন্যাসী বক্তব্য রেখেছেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “একজন ব্যক্তি সন্ন্যাসী সেজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিবাদে যোগ দিয়েছিলেন, এবং নিজেকে “মীনাখাঁ রামকৃষ্ণ সারদা মিশন”-এর প্রধান বলে দাবি করেছিলেন এবং অভিযোগ করেছিলেন যে SIR-এর সময় তার নাম মুছে ফেলা হয়েছিল। কিন্তু আজ, রামকৃষ্ণ সারদা মিশন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে মীনাখাঁতে এমন কোনও শাখা নেই এবং তাদের মিশনের কোনও সন্ন্যাসী প্রতিবাদে অংশ নেননি। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভন্ডামীর রাজনীতি করছেন।”

    কী বলেছিলেন বিতর্কিত সাধু?

    ভিডিওতে ধরনা মঞ্চ থেকে ওই ভুয়ো বলে আখ্যায়িত সাধুকে বলতে শোনা যায় যে, “আমি রামকৃষ্ণ সারদা মিশন থেকে এসছি, আজ ১৪ বছর হল আমি “মীনাখাঁ রামকৃষ্ণ সারদা মিশন”-এর প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছি, তা সত্ত্বেও আমার নামটি বাতিল করা হয়েছে। আমি বেলুড় মঠের দশম প্রেসিডেন্ট স্বামী বীরেশ্বরানন্দ যাকে আমরা প্রভু মহারাজ বলি, তাঁরই মন্ত্র শিষ্য। তাই আজ আমি এসেছি দিদির মঞ্চে SIR এর প্রতিবাদ জানাতে। আমি চাই এই SIR যেন উঠে যায়।” মঞ্চে ওই বিতর্কিত সাধুর পিছনে বসেছিলেন খোঁদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে আসতেই ছি চিৎকার শুরু হয়েছে। তবে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: আলু বিক্রি না হওয়ায় চরম সিদ্ধান্ত! দেনার দায়ে গোঘাটে আত্মঘাতী ভাগচাষি

    প্রসঙ্গত SIR এর প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ধরনা মঞ্চ গড়ে তুলেছিলেন সেখানে বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছেন সাধারণ তৃণমূল কর্মী সমর্থকরাও। বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে একের পর এক আক্রমণ করা হয়েছিল মঞ্চ থেকে। একদিকে যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গর্জন করেছিল ঠিক তেমনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও একের পর এক মন্তব্য করেছিলেন। আর তার মাঝে এই ভুয়ো সন্ন্যাসী বিতর্ক ছড়িয়ে পড়তেই রীতিমত অস্বস্তিতে পড়েছে দল।

  • নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুর, কোথা থেকে প্রার্থী হবেন শুভেন্দু? যা জানালেন বিরোধী দলনেতা

    নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুর, কোথা থেকে প্রার্থী হবেন শুভেন্দু? যা জানালেন বিরোধী দলনেতা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election)। তবে তার আগে নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুর কোথা থেকে ভোটে লড়তে চান শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কে কোথায় প্রার্থী হবেন তা বিজেপি নেতৃত্বও ঠিক করবে। কিন্তু তাঁকে যদি বেছে নিতে বলা হয়, তাহলে তিনি কোন আসনকে বেছে নেবেন? নিজেই জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    নন্দীগ্রাম আর ভবানীপুর নিয়ে বড় মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, যদি তাঁকে নন্দীগ্রাম আর ভবানীপুরের মধ্যে বিধানসভা বেছে নিতে হয়, তাহলে নন্দীগ্রামকে বেছে নেবেন। কারণ, তিনি সেখান থেকে লড়াই করতে ইচ্ছুক। কিন্তু ভবানীপুর নিয়েও বেশ কিছুদিন ধরে মন্তব্য করে আসছিলেন বিরোধী দলনেতা। তাহলে এবার কী হল তাঁর? নন্দীগ্রামকে নিয়ে তিনি কি আলাদা কিছু ভাবছেন? নাকি দুই কেন্দ্র থেকেই এবার ভোটে দাঁড়াবেন শুভেন্দু অধিকারী? সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমার ভাবার কিছুই নেই। বিজেপি ব্যক্তিগত দল না। এটা পিসি -ভাইপোর পার্টি নয়। আর এখানে কোনও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হয় না। বিজেপি আমাকে যেখানে লড়াই করতে দেবে আমি সেখানে লড়াই করব। আমাকে লড়াই করতে দিলেও ঠিক আছে, লড়ালেও ঠিক আছে।”

    এদিন তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, তাহলে আমি নন্দীগ্রাম থেকেই লড়ব। কিন্তু বিজেপি যদি বলে যে এটা করতে হবে, ওটা করতে হবে, তবে তাই হবে। কিন্তু হ্যাঁ, নন্দীগ্রাম নিয়ে আমার কোনও দ্বিমত নেই। দল আমাকে যেটা করতে বলবে আমি সেটাই করব।” এদিকে ভবানীপুর নিয়ে সম্প্রতি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন শুভেন্দু। ভবানীপুরে নিজের সভা করেছেন তিনি। আর সেখানকার দোলেও অংশ নেন। এমনকি এসআইআর-এ ভবানীপুর থেকে ৪৭ হাজারের বেশি নাম পড়ার কারণে সেখানে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন শুভেন্দু, এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধোনাও করেন।

    শুভেন্দু এও বলেন যে, ২০২১ সালে তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেভাবে হারতে হয়েছিল, এবার ভবানীপুরেও তাঁর পুনরাবৃত্তি হবে। দল চাইলে ভবানীপুরে তিনি প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি স্পষ্ট জবাব দেন যে, “ভবানীপুর থেকে যদি আমি এক ভোটেও জিতি, তাহলেও জিতবো। এখানে আমাকে হারানোর কোনও ক্ষমতা নেই।”

    আরও পড়ুন: বাংলায় কবে ভোটগ্রহণ, গণনা এবং কত দফায় ভোট? জানাল নির্বাচন কমিশন

    এদিকে শুভেন্দুর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শাসকদোলের বিধায়ক অরূপ চক্রবর্তী কটাক্ষ করেন। তিনি বলেছেন, “শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি দুবারই ধরাশায়ী হয়েছে। ভবানীপুরে কোনও পাত্তা পাবে না শুভেন্দু। যা পারফরমেন্স তাতে ধোপে টিকবে না। বাংলার মানুষ মমতাকেই ৩৯টি আসনে জয়ী করেছিল। আর বিজেপি শমিক ভট্টাচার্যকে রাজ্য সভাপতি করে ওঁর ডানা ইতিমধ্যেই ছেঁটে দিয়েছে। শুভেন্দু এবার টিকিট পাবে কিনা তা নিয়েই সংশয় থেকে যাচ্ছে। নিজের মুখে যখন এরকম কথা বলছে, তাহলে বোঝা যাচ্ছে, বিজেপিতে ঠিক শুভেন্দু কতটা কোণঠাসা।” এমনকি অরূপ এও জানান যে, “লোডশেডিং না করলে ২০২১ সালে বিধায়ক হওয়া হতো না। কিন্তু নন্দীগ্রামে তো এবার লোডশেডিং হবে না। পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুৎ বিভাগ এবার সব ঠিক করে রেখেছে। সবটা সময়েই দেখা যাবে।”