Category: রাজনীতি

  • দলবদলেই ক্যানিং পূর্বে ISF প্রার্থী হলেন আরাবুল ইসলাম

    দলবদলেই ক্যানিং পূর্বে ISF প্রার্থী হলেন আরাবুল ইসলাম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি রাজ্য রাজনীতিতে। একের পর এক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই ভোটের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। আর এই অবস্থায় দলবদল করে কপাল খুলল ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক তথা ‘তাজা নেতা’ আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam)। নিজের পছন্দ মত আসনে প্রার্থী হলেন আরাবুল। জানা গিয়েছে শওকত মোল্লার বিপরীতে ভাঙড় থেকে দাঁড়াতে চলেছেন তিনি। তুমুল উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে আরাবুল ইসলামের অনুগামীদের মধ্যে।

    ভাঙর থেকে প্রার্থী হলেন আরাবুল!

    তৃণমূল ছেড়ে সম্প্রতি ISF-এ যোগ দিয়েছেন ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক ‘তাজা নেতা’ আরাবুল ইসলাম। আর দলে যোগদান করতেই প্রত্যাশা মতোই তাঁকে ক্যানিং পূর্ব থেকে প্রার্থী করল ISF। আজ অর্থাৎ সোমবার ফুরফুরা শরিফ থেকে প্রথম দফা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে ISF। প্রথম দফায় ২৩টি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ISF-এর প্রার্থী তালিকায় ৩০ শতাংশেরও বেশি হিন্দু প্রার্থী রয়েছে। অন্যদিকে ISF বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করার কথা বলেছিলেন। তবে চারটি আসন নিয়ে এখনও জটিলতা কাটেনি।

    ২৩ আসনের মধ্যে ISF এর হিন্দু প্রার্থী ঘোষণা

    আজ যে সমস্ত আসনে ISF প্রার্থী ঘোষণা করেছে সেগুলি হল- মালদার সুজাপুর, নদিয়ার পলাশিপাড়া ও চাপড়া, উত্তর ২৪ পরগনার বাদুরিয়া, অশোকনগর, আমডাঙ্গা, মধ্যমগ্রাম, দেগঙ্গা, হাড়োয়া ও বসিরহাট। এখনও পর্যন্ত ২৩ আসনের মধ্যে ISF এর হিন্দু প্রার্থী হলেন ৭ জন। এঁরা হলেন, অশোকনগরের প্রার্থী তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়, আমডাঙার বিশ্বজিৎ মাইতি, মধ্যমগ্রামের প্রাক্তন এসএফআই নেত্রী প্রিয়াঙ্কা বর্মন, ক্যানিং পশ্চিমে প্রবীর মণ্ডল, শালবনির পীযূষ হাঁসদা, বারাবনিতর বিশ্বজিৎ বাউড়ি এবং বোলপুরে অধ্যাপক বাপি সরেন।

    ভাঙরে শুধু হাড্ডাহাড্ডির লড়াই

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ক্যানিং পূর্বের বিদায়ী বিধায়ক শওকত মোল্লাকে ভাঙড় থেকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল তিনি ভাঙড়ে তৃণমূলের পর্যবেক্ষক থাকাকালীন বার বার আরাবুলের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়তেন, এখন সেই প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্বাচনে লড়তে চলেছেন। অন্যদিকে ISF এর প্রার্থী হিসেবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে আব্দুল মালেক মোল্লা, ক্যানিং পশ্চিমে প্রবীর মণ্ডল, ক্যানিং পূর্বে আরাবুল, মগরাহাট পশ্চিমে আব্দুল আজিজ আল হাসান এবং ভাঙড়ে নওশাদ দাঁড়াতে চলেছেন।

    আরও পড়ুন: শিয়ালদা-হাওড়া লাইনে সেতুর সংস্কার, ট্র্যাকে নতুন প্রযুক্তি, একগুচ্ছ পদক্ষেপ পূর্ব রেলের

    প্রসঙ্গত, ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে ISF এর সঙ্গেই জোট বাঁধল বাম। কিন্তু এখনও কাটেনি চারটি আসন নিয়ে জট! দীর্ঘদিন ধরেই বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট বাঁধার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন নওশাদ। আজ শেষমুহূর্তে প্রার্থী তালিকা প্রকাশের কথা ছিল আইএসফের। কিন্তু নওশাদ জানালেন, একদিন সময় চেয়েছে বামেরা। সেই কারণেই আজ নয়, আগামিকাল তালিকা প্রকাশ করবেন তিনি। সাংবাদিকদের কাছে বিধায়ক জানিয়ে দেন, “সাত মাস বামেদের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা চলেছে। আজ একদিন অপেক্ষা করলাম। প্রার্থী তালিকা আজ ঘোষণা করলাম না।”

  • বিজেপি কর্মীর মেয়ে যুবসাথীর টাকা পাওয়ায় হুমকি, গালিগালাজ TMC কাউন্সিলরের

    বিজেপি কর্মীর মেয়ে যুবসাথীর টাকা পাওয়ায় হুমকি, গালিগালাজ TMC কাউন্সিলরের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের বেকার যুবক যুবতীদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের (Yuba Sathi Scheme) সূচনা করেছে। যার মাধ্যমে রাজ্যের বিপুল সংখ্যক যুবক ও যুবতী প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সাহায্য পাচ্ছেন। কিন্তু এবার সেই প্রকল্প নিয়ে দুই দলের মধ্যে শুরু হল তুমুল ঝামেলা। অভিযোগ, যুবসাথী প্রকল্পের টাকা বিজেপি কর্মীর মেয়ে পাওয়ায় তাঁকে হুমকি-গালাগালির পাশাপাশি, বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল নদীয়ার (Nadia) তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। তুমুল শোরগোল এলাকা জুড়ে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    রিপোর্ট মোতাবেক, ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার হরিণঘাটা বড়জাগুলি এলাকায়। অভিযোগ বাবা বিজেপি করেন এদিকে মেয়ে পেয়েছেন তৃণমূল সরকারের ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের ১৫০০ টাকা। আর সেই রাগেই বিজেপি কর্মীর মেয়েকে ফোন করে হুমকি-গালাগালি দেয় তৃণমূল কাউন্সিলর হারাধন ঘোষ। এখানেই শেষ নয়, বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল ওই তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে ঘটনার ভিডিও, যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি India Hood Bangla। ঘটনাটিকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

    তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ

    স্থানীয় এক বিজেপি কর্মীর দাবি, যুবসাথীর জন্য আবেদন জানানোর পর সম্প্রতি তাঁর মেয়ের অ্যাকাউন্টে ঢোকে সরকারি যুবসাথী প্রকল্পের টাকা। অভিযোগ, আর সেই কথা জানতে পেরে মেয়েকে ফোন করে হুমকি দেন ও গালাগালি করেন, হরিণঘাটা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর হারাধন ঘোষ। যা নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ ওই বিজেপি কর্মী। ভাইরাল ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে, “আপনি আমার মেয়েকে ফোন করবেন কেন?-কে বলেছে, সবাইকে ফোন করা হচ্ছে।’- ‘আপনি আমার মেয়েকে ফোন করবেন কেন?’- ‘হান্ড্রেড পার্সেন্ট করব, হান্ড্রেড পার্সেন্ট করব।” শনিবার রাস্তায় পেয়ে বিজেপি কর্মীকে মারধর করার পাশাপাশি অপহরণের হুমকি দেন তৃণমূল কাউন্সিলর।

    আরও পড়ুন: ২৮ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য নির্ধারণ আজ, প্রকাশিত হচ্ছে প্রথম তালিকা, কীভাবে দেখবেন নাম?

    লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন বিজেপি কর্মী

    হরিণঘাটার আক্রান্ত বিজেপিকর্মী জানান, ‘আমাকে ডাকল, রাস্তায় দাঁড় করাল, দাঁড় করিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, চড়, থাপ্পড়, লাথি মেরেছে। পুরভোটের সময় আমাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল, অপহরণ করেছিল এবারও আবার গায়ে হাত দিল।’ তবে এই অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ হরিণঘাটার ১৪নং ওয়ার্ডের অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর হারাধন ঘোষ। ভোটের আবহে নদীয়ার এই ঘটনা অস্বস্তি বাড়িয়েছে শাসক শিবিরের অন্দরে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন, পুরসভার পুরপ্রধান দেবাশিস বসু। অন্যদিকে ঘটনায় হরিণঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন বিজেপিকর্মী।

  • কুণাল ঘোষের আসনে প্রতীক উর রহমান, প্রাক্তন বাম নেতাকে বড় দায়িত্ব দিল তৃণমূল

    কুণাল ঘোষের আসনে প্রতীক উর রহমান, প্রাক্তন বাম নেতাকে বড় দায়িত্ব দিল তৃণমূল

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: একটা সময় তৃণমূল সরকার ভেঙে দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি (Pratik Ur Rahman)। লাল পতাকা হাতে নিয়ে শাসক দলের একের পর এক সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে গিয়েছিলেন। সেই প্রাক্তন বাম নেতা প্রতীক উর রহমানকেই এবার মুখপাত্রের আসনে বসালো তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। এক কথায়, যে ছেলেটা সিপিআইএমের হাত মাথায় নিয়ে তৃণমূলকে এক হাত নিয়েছিলেন, সেই ছেলের কাঁধেই এবার তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়নের পাঁচালী শোনানোর দায়িত্ব।

    কুণাল ঘোষের আসনে প্রতীক উর

    বাম জমানায় রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন প্রতীক উর রহমান। বছরের পর বছর লাল পতাকা গায়ে জড়িয়ে সিপিআইএমের একাধিক মিটিং মিছিলে নিজের ছাপ রেখেছেন তিনি। দলের অন্যান্য সহকর্মীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজ্যবাসীকে নিজের দলের কথা তুলে ধরেছিলেন এই প্রতীক উরই। এমনকি তৃণমূল কংগ্রেসের তৎকালীন মুখপাত্র কুণাল ঘোষকে নিয়েও বেশ কয়েকবার মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এবার সেই কুণালের আসনেই বসানো হল প্রাক্তন বাম নেতাকে।

    হ্যাঁ, 2008 সালে রাজনীতিতে আসা ছেলেটা আজ তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র। এবার ঘাসফুলের হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের উন্নয়নের প্রচার করবেন তিনি। একই সাথে দল বিরোধী কোনও মন্তব্য হলে তারও জবাব দেওয়ার দায়িত্ব থাকবে লাল জামানার প্রাক্তন নেতার হাতে। এখন দেখার, কুণাল ঘোষের আসনে বসে রাজনীতির প্রতিদ্বন্দ্বীদের সাথে ময়দানের লড়াইয়ে ঠিক কতটা নিজেকে মেলে ধরতে পারেন তিনি।

    অবশ্যই পড়ুন: শিয়ালদা ডিভিশনে একাধিক লোকাল ট্রেনের গন্তব্য বাড়াল রেল

    উল্লেখ্য, হাজারো জল্পনার মাঝে কিছুদিন আগেই লালেদের দল ছেড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন প্রতীক উর। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, টিকিট পাওয়ার জন্য তৃণমূলে আসেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত শাসকদলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরও দেখা গিয়েছে টিকিট পাননি তিনি। তবে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করা না হলেও প্রাক্তন বাম নেতাকে অন্য পদে বসালো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

  • এবার বাড়িতে ED-কে ডাকলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    এবার বাড়িতে ED-কে ডাকলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের প্রচারে যাতে কোনো ত্রুটি না থাকে তার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে সকল রাজনৈতিক দলগুলি। একদিকে বিজেপি অন্যদিকে তৃণমূল দুই পক্ষই কম যাচ্ছে না। আর এবার ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলা। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর কাছে একাধিক বার ED-র নোটিস যাওয়ার পরও হাজিরা দিতে পারেন না। তাই এবার ED-কে চিঠি দিয়ে বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদের আর্জি পাঠাল পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)।

    শিরোনামে SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলা

    ২০২২ সালের ২২ জুলাই দক্ষিণ কলকাতার নাকতলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে রাতভর তল্লাশি চালিয়েছিল ED আধিকারিকরা। এরপর ২৩ জুলাই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর CBI পার্থকে গ্রেপ্তার করে। তিন বছরের বেশি সময় ধরে জেলবন্দি ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। একাধিকবার জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। ডিসেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয় যে, শর্তসাপেক্ষে জামিন পেতে পারেন পার্থ। অবশেষে গত নভেম্বরে জামিন পান তিনি। তবে তদন্ত এখনও মেটেনি। আর এবার SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদের আর্জি জানালেন পার্থ।

    বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদের আর্জি পার্থর

    SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে একাধিক বার ED নোটিস পাঠিয়েছিল সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার জন্য। কিন্তু কোনোবারই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেননি তিনি। ED সূত্রে খবর, প্রতিবারই পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁর আইনজীবী মারফত চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছেন, অসুস্থ থাকায় তিনি তলবে হাজির হতে পারছেন না। তাই এবার বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদের আর্জি জানিয়ে ED-কে চিঠি দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যদিও প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর এই আবেদনে আমল না দিয়ে তাঁকে ফের পাঠানো হয়েছে হাজিরার নোটিস।

    আরও পড়ুন: শিয়ালদা ডিভিশনে একাধিক লোকাল ট্রেনের গন্তব্য বাড়াল রেল

    ED সূত্রে খবর, SSC নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ইডি চার্জশিট দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু তদন্ত চলাকালীন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পার্থ ও অর্পিতার নাম উঠে আসায় ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। দিনকয়েক আগে SSC দুর্নীতি মামলায় ED-র দ্বিতীয় নোটিসে হাজিরা দেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। সকালে নথি নিয়ে CGO কমপ্লেক্সে হাজির হন তিনি। কীভাবে SSC-র চাকরি বিক্রি করা হয়েছিল? সবটাই জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

  • ‘গুলির আওয়াজে প্যান্ট ভিজবে!’ খড়গপুরের আইসিকে হুমকি দিলীপ ঘোষের

    ‘গুলির আওয়াজে প্যান্ট ভিজবে!’ খড়গপুরের আইসিকে হুমকি দিলীপ ঘোষের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই একে একে সকল রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে চলেছে। এবারের আসন্ন ভোটে খড়গপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। আর সেই পুরনো কেন্দ্রে ফিরেই আগ্রাসী ভঙ্গিতে প্রচার শুরু করেছেন তিনি। এমনকি খড়গপুর টাউনের আইসি-কে হুমকি দেয়। যার ফলে খড়গপুরের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গিয়েছে।

    খড়গপুর আইসিকে হুমকি দিলীপের

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ সোমবার খড়গপুর টাউনে নির্বাচনী প্রচার সেরে এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। আর সেখানেই নিজের চেনা ঝাঁঝালো মেজাজ দেখালেন তিনি, শুধু তাই নয়, স্থানীয় থানার আইসি-র বিরুদ্ধে করলেন বিতর্কিত মন্তব্য। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ”এখানকার আইসি আমাদের কর্মীদের উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছে। বলেছে, তৃণমূলের সঙ্গে কাজ করো, নাহলে চার তারিখের পরে গুলি মেরে দেব। শালা, তোর বাপের গুলি! কতগুলো গুলি আছে তোর কাছে? গুলি দেখেছ? এমন দেখাব যে আওয়াজে প্যান্ট ভিজে যাবে।”

    কী বলছেন দিলীপ ঘোষ?

    সোমবার খড়গপুর টাউনে প্রচারে গিয়ে দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন খড়গপুরের আইসি বিজেপি কর্মীদের হেনস্তা করছেন এবং তাঁদের তৃণমূলের সঙ্গে কাজ করতে চাপ দিচ্ছেন। তাঁর আরও হুঁশিয়ারি, ”আমি অনেক বড় বড় গুন্ডা দেখেছি। এই খড়গপুরে সব ডাকাতদের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে কথা বলেছি। তৃণমূলের নেতারা এসব গুন্ডা, মাফিয়াদের চামচাগিরি করে জিতেছে। এখনও এদের সঙ্গে নিয়ে চলছে। দিলীপ ঘোষ এদের চোখে চোখ রেখে কথা বলেছে আগেও করব। বুক চওড়া করে থাকব, কতগুলি বন্দুক কাছে দেখব। এইসব দাদাগিরি আমাদের দেখাবে না। আগামী দিনেও এমন হিসাব করব হিসাব মেলাতে পারবে না। খড়গপুরে এসব চলবে না।”

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টের রায়ে বিরাট স্বস্তি পেলেন শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে দিলীপ ঘোষ প্রথম বার ভোটে লড়েছিলেন খড়্গপুর সদর আসন থেকে। সেই আসনে কংগ্রেসের জ্ঞানসিং সোহনপালকে হারিয়ে জিতেছিলেন তিনি। এরপর ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মেদিনীপুর আসন থেকে জিতে সাংসদ হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তবে গত লোকসভা নির্বাচনে হেরে গেলেও খড়্গপুরের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেননি দিলীপ ঘোষ। তাই এবার ফের সেই একই কেন্দ্র থেকে পুনরায় দিলীপকে প্রার্থী করল দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

  • হাইকোর্টের রায়ে বিরাট স্বস্তি পেলেন শুভেন্দু

    হাইকোর্টের রায়ে বিরাট স্বস্তি পেলেন শুভেন্দু

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ছাব্বিশের রাজ্য বিধানসভা ভোটে (West Bengal Election 2026) আরও একবার মুখোমুখি হতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং শুভেন্দু অধিকারী। তবে এবার সেই লড়াই হতে চলেছে ভবানীপুরে। আর এই আবহে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে বড় স্বস্তি পেলেন নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একটি বিশেষ মামলায় ১২ সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে আদালত।

    অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    রিপোর্ট মোতাবেক, ২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর এক বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে খড়দহ থানার তরফে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আর সেই মামলাতেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর এবার সেই মামলায় বড় স্বস্তি পেলেন তিনি। জানা গিয়েছে, আজ, বিচারপতি অজয় কুমার মুখোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চ আপাতত তদন্তে ১২ সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে । অর্থাৎ ভোটের মধ্যে এই মামলা নিয়ে আরও কোনও অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হবে না শুভেন্দুকে। মামলার পরবর্তী শুনানি একেবারে ভোটপর্ব মিটলে হবে।

    স্বস্তিতে শুভেন্দু অধিকারী

    বিধানসভা নির্বাচনের আবহে সকলেই এখন বেশ ব্যস্ত, জেলায় জেলায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর সকলেই ময়দানে নেমেছে ভোটের প্রচারের জন্য। এই অবস্থায় শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে হওয়া মামলা নিয়ে বেশ চাপে ছিল দল। বিশেষ করে রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই মামলার অগ্রগতি নিয়ে যথেষ্ট নজর ছিল বিভিন্ন মহলের। অবশেষে হাইকোর্টের নির্দেশে অনেকটাই স্বস্তি ফিরল। এখন দেখার, ১২ সপ্তাহ পর ভোটপর্ব মিটলে মামলার পরবর্তী শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্ট কী অবস্থান নেয় এবং তদন্ত প্রক্রিয়া কোন পথে এগোয়।

    আরও পড়ুন: মেরেকেটে ৫ দিনের LPG, ৭ দিনের তেল বেঁচে! জ্বালানির দাম ২০০% বাড়াল পাকিস্তান

    প্রসঙ্গত, ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম এই দুই গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে লড়াই করছেন শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই তিনি প্রচার শুরু করেছেন। অন্যদিকে ভবানীপুরে লড়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নন্দীগ্রামে তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন পবিত্র কর। এই অবস্থায় মনোনয়ন পত্র পূরণের জন্য এবং আইনি পথ সুরক্ষিত রাখতে নিজেই পুলিশের বিরোধিতায় সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। অভিযোগ নিজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার সংখ্যা ও বিস্তারিত তথ্য না দিচ্ছে না পুলিশ। অন্যদিকে একই অভিযোগ জানিয়েছেন বিদায়ী বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দা।

  • ভবানীপুর নিয়ে কর্মীদের কড়া নির্দেশ অভিষেকের, লোডশেডিং প্রসঙ্গ টানলেন মমতা

    ভবানীপুর নিয়ে কর্মীদের কড়া নির্দেশ অভিষেকের, লোডশেডিং প্রসঙ্গ টানলেন মমতা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দোরগোড়ায় এসে গিয়েছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026), তাই সকল প্রার্থী নাম ঘোষণার পর শুরু করে দিয়েছে ভোটের প্রচার। গতকাল অর্থাৎ রবিবার থেকেই নির্বাচনের প্রচার শুরু করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ত্রুটি রাখছে না কোনো পরিকল্পনায়। এমতাবস্থায় ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রতি কড়া নির্দেশ দিল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে (Abhishek Banerjee)। অন্তত ৬০ হাজার ভোটে জেতানোর টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক।

    বৈঠকে মমতা অভিষেক

    রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ রবিবার সন্ধ্যায় চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মীদের নিয়ে ভবানীপুরের নির্বাচনী সভা ডেকেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বৈঠকে ছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর থেকে ব্লক স্তরের নেতানেত্রীরাও। সেখানে সকল কর্মীদের সতর্কবার্তা দিলেন মমতা-অভিষেক। এদিন অভিষেক দলীয় নেতাকর্মীদের শিথিলতা, নিষ্ক্রিয়তা, আত্মতুষ্টিতে না-ভুগে কাজ করার বার্তা দেন। তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ, “ কলকাতার মধ্যে ‘ফার্স্টবয়’ করতে হবে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে। অন্তত ৬০ হাজার ভোটে জেতাতে হবে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর সে ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিতে হবে কর্মীদেরই।”

    ভোট প্রচার কৌশল নিয়ে নির্দেশ অভিষেকের

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মীদের প্রচার প্রক্রিয়া নিয়ে জানান, “কেন্দ্রীয় বঞ্চনার কথা মানুষের কাছে তুলে ধরুন। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে ওরা সেটা বলুন। একবার নয় মানুষের কাছে তিনবার যান। দিদির ১০ প্রতিজ্ঞার কথা জানান। নিজেদের বুথ আগলাতে হবে অতন্দ্র প্রহরীর মতো। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ২৮৭টি বুথ রয়েছে। উপনির্বাচনে মমতা যখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, তখন ২৩১টি বুথে তৃণমূল জয় পেয়েছিল। এ বার সেই সংখ্যাকে ছাপিয়ে যেতে হবে।” অন্যদিকে নিজের কেন্দ্রের ভোট পরিচালনার ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মৃদু সমালোচনা করেছেন কাউন্সিলরদের। তাঁর অভিযোগ, কাউন্সিলদের সক্রিয়তা লোকসভা বা বিধানসভা ভোটে দেখা যায় না। কিন্তু এ বার এই ‘কর্মসংস্কৃতি’ বদলাতে হবে, একনিষ্ঠ হয়ে কাজ করতে হবে।

    লোডশেডিং নিয়ে সতর্ক মমতার

    গতবার নন্দীগ্রামে ১৯৫৬ ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেবার তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, গণনাকেন্দ্রে লোডশেডিং করে গরমিল করেছিল নাকি বিজেপি। তাই এবার তৃণমূল নেত্রীর মুখে সেই প্রসঙ্গ উঠে এল। এবারও নেত্রীর আশঙ্কা, তেমন কিছু ঘটানো হতে পারে। তাই বৈঠকে গতকাল সাবধানবাণী দেন তিনি। মমতা বলেন, ‘সতর্ক থাকুন। ভোট শেষ হলেই বাড়ি যাবেন না। লোডশেডিং করে দিতে পারে। স্ট্রংরুমে নজর রাখবেন।’ অর্থাৎ কে কী করছেন, কী করছেন না কোনও কিছুই দলীয় শীর্ষনেতৃত্বের নজরের বাইরে থাকবে না বলে জানিয়ে দিল শীর্ষ নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন: স্ট্রেচার না পেয়ে হাঁটতে গিয়ে মৃত্যু! ফের আরজি করের ট্রমা কেয়ার নিয়ে চরম অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, কয়েক দিন আগে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী ভবানীপুরের প্রিয়নাথ মল্লিক রোডের কার্যালয়ে তৃণমূল কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানে ভোটের প্রচারের রণনীতি ঠিক করে দেওয়ার পাশাপাশি, নতুন একটি স্লোগান ব্যবহার করতে নির্দেশ দেন রাজ্য সভাপতি। আর সেটি হল ‘বাংলার উন্নয়ন ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে’। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন। আগামীকাল সেখানে তাঁর তিনটি জনসভা করার কথা। অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও আগামীকাল থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনায় প্রচারে নামছেন।

  • পিছিয়ে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গের ভোট প্রচার, কারণ কী?

    পিছিয়ে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গের ভোট প্রচার, কারণ কী?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: আগামী 24 মার্চ অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে আলিপুর দুয়ার হয়ে উত্তরবঙ্গে ভোট প্রচার শুরু করার কথা ছিল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তবে সেটা হচ্ছে না। বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে আবহাওয়া! তৃণমূলের জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, মমতার সভার দিন খারাপ থাকতে পারে আবহাওয়া। সে কারণেই পিছিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল সুপ্রিমোর দলীয় কর্মসূচি। তাহলে কবে থেকে উত্তরবঙ্গে প্রচার শুরু করবেন মমতা?

    কবে থেকে উত্তরবঙ্গে প্রচার শুরু করবেন তৃণমূল নেত্রী?

    ভোটের মুখে আলিপুরদুয়ার থেকে উত্তরবঙ্গের প্রচার শুরু করার কথা থাকলেও আবহাওয়ার কারণে পিছিয়ে যেতে হচ্ছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এ প্রসঙ্গে আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার অমিত কুমার সাউ এবং তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে 24 মার্চ হচ্ছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচি।

    সূত্রের খবর, 24 তারিখের বদলে আগামী 25 মার্চ অর্থাৎ বুধবার থেকে উত্তরবঙ্গে ভোট প্রচার শুরু করতে পারেন দলনেত্রী। যদিও এ নিয়ে চূড়ান্ত কোনও তথ্য দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস। তবে আশা করা হচ্ছে, ওই দিন থেকেই উত্তরবঙ্গে প্রচারের কাজটা শুরু করে দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    অবশ্যই পড়ুন: মাঠেই শেষ সব! IPL শুরুর আগেই খেলতে খেলতে মৃত্যু ভারতীয় ক্রিকেটারের

    প্রসঙ্গত, আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার অমিত কুমার সাউ জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা হওয়ার কথা ছিল প্যারেড গ্রাউন্ডে। এখান থেকে সভা করেই উত্তরবঙ্গে নিজের ভোট প্রচারের কাজটা শুরু করতেন তিনি। তবে আবহাওয়ার কারণে সেই জনসভা স্থগিত রাখতে হচ্ছে। অন্যদিকে জেলা তৃণমূল চেয়ারম্যানের গলাতেও শোনা গিয়েছে একই সুর। গঙ্গাপ্রসাদ জানিয়েছেন, “24 তারিখ যে জনসভা ছিল তা আবহাওয়ার কারণে বাতিল করা হচ্ছে। নতুন দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। হলেই জানিয়ে দেওয়া হবে।”

  • পবিত্র করকে প্রার্থী করে চমক দিয়েছিল তৃণমূল, এবার নন্দীগ্রামে আরও বড় কাণ্ড ঘটালেন শুভেন্দু!

    পবিত্র করকে প্রার্থী করে চমক দিয়েছিল তৃণমূল, এবার নন্দীগ্রামে আরও বড় কাণ্ড ঘটালেন শুভেন্দু!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বন্ধুর বিরুদ্ধে বন্ধু! নন্দীগ্রামের আসন দখল করতে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তাঁরই একসময়ের ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে টিকিট দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এমন পদক্ষেপ তৃণমূলের তরফে নিঃসন্দেহে বড় চমক বলাই যায়। তবে এবার চমক দেখালেন বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারীও। নন্দীগ্রামে পবিত্রর খাসতালুকে ভাঙন ধরালেন বিজেপি নেতা! সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে পবিত্রর অঞ্চল বয়ালের এক নম্বর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানও এবার বিজেপিতে যোগদান করলেন।

    জোর কদমে প্রচার শুরু শুভেন্দুর

    গত শুক্রবার, নন্দীগ্রামের একাধিক তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বয়াল এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানকে বিজেপিতে যোগদান করিয়ে পুরোদমে নিজের নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন থেকেই নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের কাছে আশীর্বাদ চাইতে দেখা গেল রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে।

    সূত্রের খবর, প্রচারের প্রথম দিন দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া থেকে শুরু করে হরিপুর, টেংগুয়া সহ একাধিক জায়গায় ভোট প্রচার করেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু। এদিন বিজেপি প্রার্থীকে তাঁর প্রতিদ্বন্ধী পবিত্র কর সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য বেশি কিছু বলতে চাননি। বিজেপি নেতা শুধু এটুকু বললেন, “ওর সম্পর্কে আমি বেশি কিছু বলব না।” আসলে শুভেন্দু মনে করেন নন্দীগ্রামের মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে তিনি যেখানে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন, সেখানে পবিত্র করের মতো ব্যক্তি বড় ফ্যাক্টর নয়!

    অবশ্যই পড়ুন: মহম্মদ শামির জন্য চিরতরে বন্ধ ভারতীয় দলের দরজা? বড় সিদ্ধান্ত BCCI-র

    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার অর্থাৎ তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিন সকালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন পবিত্র কর। আর তারপরই তাঁকে নন্দীগ্রাম আসন থেকে প্রার্থী করে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের প্রার্থী তালিকায় নিজের নাম দেখতে পাওয়া মাত্রই নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভোট চাইতে দেখা গেল শুভেন্দু অধিকারীর একসময়ের বন্ধুকে।

  • ভারতের দীর্ঘমেয়াদি সরকার প্রধান হিসাবে ইতিহাস মোদীর, টপকালেন সিকিমের পবন চামলিংকে

    ভারতের দীর্ঘমেয়াদি সরকার প্রধান হিসাবে ইতিহাস মোদীর, টপকালেন সিকিমের পবন চামলিংকে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) মুকুটে নয়া পালক। রবিবার বিরাট মাইলফলক স্পর্শ করে ফেললেন মোদী। হ্যাঁ, দেশের যে কোনও সরকার প্রধান হিসেবে টানা ক্ষমতায় থাকার নিরিখে তিনি এবার সিকিমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পবন কুমার চামলিংয়ের (Pawan Kumar Chamling) দীর্ঘদিনের রেকর্ড গুঁড়িয়ে দিলেন। সেই সূত্রে তিনিই হয়ে উঠলেন ভারতের দীর্ঘমেয়াদী শাসক।

    ৮৯৩১ দিনের দ্বৈরথ মোদীর

    প্রসঙ্গত, এতদিন যাবৎ ভারতের কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বা দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সম্মিলিতভাবে দীর্ঘতম সময় ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড ছিল পবন কুমার চামলিংয়ের দখলে। তিনি টানা ৮৯৩০ দিন শাসনভার পরিচালনা করছিলেন। আর আজ ২২ মার্চ ক্ষমতায় থাকার ৮৯৩১ দিনে পদার্পণ করলেন তিনি। কাজেই সেই রেকর্ড এবার নিজের নামে লিখিয়ে ফেললেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এক্ষেত্রে উল্লেখ করার বিষয়, নরেন্দ্র মোদী গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী তথা ভারতের প্রধানমন্ত্রী, এই দুই মেয়াদের সম্মিলিত পরিসংখ্যানের মাধ্যমেই এই খেতাব অর্জন করেছেন।

    এদিকে মোদীর এই রাজনৈতিক সফর শুধুমাত্র যে সময়ের হিসেবে এমনটা নয়, বরং রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা, জনসমর্থনেরও জলজ্যান্ত প্রমাণ। জানিয়ে দিই, গুজরাটের ভদনগরের এক সাধারণ পরিবার থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন। রেল স্টেশনের চা বিক্রি থেকে শুরু করে আরএসএস-এ যোগদান এবং পরবর্তীতে বিজেপির শীর্ষ সংগঠক হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি। এরপর ২০০১ সালে প্রথমবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। আর টানা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সেই পদে বহাল থাকেন তিনি। এরপর ২০১৪ সালের বিপুল জনসমর্থন নিয়েই তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর সিংহাসনে বসেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৯ এবং ২০২৪ সালে টানা জয়লাভ করে জহরলাল নেহেরু রেকর্ডে ভাগ বসান তিনি।

    আরও পড়ুন: ঈদের নামাজ শেষে পাকিস্তানে কুপিয়ে খুন লস্কর কমান্ডারকে! কে এই বিলাল আরিফ সালাফি?

    দীর্ঘমেয়াদে নরেন্দ্র মোদী বেশ কিছু কৃতিত্বেরও অধিকারী হয়েছেন। প্রথমত, তিনিই দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি ভারতের স্বাধীনতার পর জন্মগ্রহণ করেছেন। দ্বিতীয়ত, দেশের একমাত্র প্রধানমন্ত্রী তিনিই যার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরেই রাজ্য চালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এমনকি ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তিনি ইন্দিরা গান্ধীকে টপকে ভারতের দ্বিতীয় দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী হন। আর ১৯৭১ সালের পর তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি কংগ্রেস বিরোধী নেতা হিসেবে পরপর দু’বার পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বসেছেন।