Category: অন্যান্য

  • ১ এপ্রিল থেকে বাড়ছে FasTag অ্যানুয়াল পাসের দাম! এবার কত হবে?

    ১ এপ্রিল থেকে বাড়ছে FasTag অ্যানুয়াল পাসের দাম! এবার কত হবে?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: জাতীয় সড়কে বারবার টোল দিতে গিয়ে অনেকেই ভোগান্তিতে পড়ে। আর সেই সমস্যার সমাধান করার জন্য কিছুদিন আগেই চালু করা হয়েছিল অ্যানুয়াল পাস (Annual Pass Hike)। তবে এবার সেই পাসের দাম বাড়তে চলেছে। বেশ কয়েকটি সূত্রের খবর, আগামী ১ এপ্রিল থেকে জাতীয় সড়কে চলাচলের জন্য এই বার্ষিক পাসের দাম কিছুটা বাড়ানো হবে। বর্তমানে এই পাসের দাম ৩০০০ টাকা। কিন্তু নতুন আর্থিক বছর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার দাম ৭৫ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।

    কেন বাড়ানো হচ্ছে অ্যানুয়াল পাসের দাম?

    বলে রাখি, জাতীয় সড়কের টোল নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয় প্রশাসনকে। প্রতিবছর ১ এপ্রিল থেকে এই হার সংশোধন করা হয়। কারণ, এই দিন থেকে নতুন অর্থবছর শুরু হয়। আর এই বৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতি আর পাইকারি মূল্য সূচকের উপরে নির্ভর করে থাকে। যেহেতু টোলের হার বাড়ছে, তাই একই নিয়ম অনুযায়ী এবার অ্যানুয়াল পাসের দাম কিছুটা বাড়ানো হতে পারে।

    যারা প্রায়ই জাতীয় সড়ক বা এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাতায়াত করেন, তাদের সুবিধার জন্যই এই বিশেষ অ্যানুয়াল পাস চালু করা হয়েছিল ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে। আর এই পাস কিনলে গাড়ির মালিকরা এক বছর পর্যন্ত অথবা সর্বোচ্চ ২০০টি টোল প্লাজা কোনও রকম অতিরিক্ত টোল না দিয়েই পার করতে পারে। কিন্তু যদি এক বছরের আগে ২০০টি টোল প্লাজা পার হয়ে যায়, তাহলে সেই পাসের মেয়াদ তখনই শেষ হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলকে টাকায় মুড়িয়ে দিল BCCI, কত পেলেন সূর্যরা?

    কারা কিনতে পারবেন এই পাস?

    জানিয়ে রাখি, এই সুবিধা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত গাড়ির জন্যই, কোনও রকম বাণিজ্যিক গাড়ির জন্য নয়। শুধুমাত্র ভ্যান, ব্যক্তিগত কার, জিপ ইত্যাদি গাড়ির মালিকরা এই পাস কিনতে পারবে। আর এই অ্যানুয়াল পাস সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে কেনা যায়। তবে এর জন্য সক্রিয় ফাস্ট্যাগ থাকতে হবে। আর Rajmarg Yatra মোবাইল অ্যাপ কিংবা জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল পোর্টাল থেকে সহজেই এই পাস কিনে নেওয়া যাবে। কিন্তু যদি এখন পাসের দাম বাড়ানো হয়, তাহলে যে সাধার গাড়ির মালিকদের উপর চাপ পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

  • গাধা পালন করার জন্য দেওয়া হচ্ছে ৫০ লক্ষ টাকা! দারুণ স্কিম কেন্দ্র সরকারের

    গাধা পালন করার জন্য দেওয়া হচ্ছে ৫০ লক্ষ টাকা! দারুণ স্কিম কেন্দ্র সরকারের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশুপালন ব্যবসাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য বিরাট পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র সরকার (Government of India)। এবার গাধা পালন (Donkey Breeding) বা খামার গড়ে তোলার জন্য দেওয়া হবে আর্থিক সহায়তা। সরকারি প্রকল্পের আওতায় উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পেতে পারে বলেই জানানো হয়েছে। যার ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি এবং পশুপালন শিল্পে এবার নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    কোন প্রকল্পে এই সুবিধা মিলবে?

    জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রের ন্যাশনাল লাইফ স্টক মিশন প্রকল্পের আওতায় গাধা, ঘোড়া বা উটের প্রজনন খামার গড়ে তোলার জন্যই এই ভর্তুকি প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষ করে পশুপালন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান তৈরি করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার তরফ থেকে। সবথেকে বড় ব্যাপার, এই প্রকল্পের আওতায় মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৫০ শতাংশ পর্যন্তই ভর্তুকি দেওয়া হবে। কিন্তু সর্বোচ্চ ভর্তুকির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে ৫০ লক্ষ টাকা।

    কারা পাবে এই সুবিধা?

    সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত উদ্যোক্তারা, ফার্মার প্রডিউসার অর্গানাইজেশন, স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং জয়েন্ট লায়াবিলিটি গ্রুপ। আর এর মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় ছোট এবং মাঝারি উদ্যোক্তাদের নতুন ব্যবসা শুরু করার সুযোগও তৈরি হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ যুবসাথীর চক্করে কত হাজার কোটির ধাক্কা রাজ্য সরকারের? ভয়ঙ্কর রিপোর্ট দিল RBI

    তবে প্রকল্পের নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, গাধা প্রজনন খামার গড়ে তোলার জন্য কমপক্ষে ৫০টি স্ত্রী গাধা এবং ৫টি পুরুষ গাধা রাখতে হবে। আর এছাড়াও এই প্রকল্পে শুধুমাত্র দেশীয় প্রজাতির পশুপালন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে ভর্তুকির টাকা পাবেন?

    যেমনটা জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রের এই ভর্তুকির টাকা দুটি ধাপে দেওয়া হয়। প্রকল্পের জন্য নেওয়া প্রথম কিস্তি সরাসরি ব্যাঙ্কে ঋণদানের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়। আর দ্বিতীয় কিস্তি খামার নির্মাণ এবং অন্যান্য পরিকাঠামো কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর পরিদর্শন করে দেওয়া হয়। এক কথায়, কেন্দ্রের এই উদ্যোগের ফলে পশুপালন শিল্পে এবার নতুন কোনও মোড় আসবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।

  • ATM-এ টাকা তোলার লিমিট হচ্ছে অর্ধেক, ১ এপ্রিল থেকে PNB-র একাধিক নিয়মে বদল

    ATM-এ টাকা তোলার লিমিট হচ্ছে অর্ধেক, ১ এপ্রিল থেকে PNB-র একাধিক নিয়মে বদল

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আপনিও কি পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের (Punjab National Bank) গ্রাহক? নিয়মিত এটিএম থেকে টাকা তোলেন? তাহলে আপনার জন্য রইল বড় খবর। কারণ, আগামী ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন কিছু নিয়ম (PNB Rules Changes)। জানা গিয়েছে, এটিএমে টাকা তোলার ক্ষেত্রে এবার লিমিট পরিবর্তন করা হচ্ছে, আর বদলে যাচ্ছে টাকা তোলার চার্জ। এমনকি যদি এই নিয়ম না মানা হয়, তাহলে আপনারই ক্ষতি। তাই এটিএমে যাওয়ার আগে অবশ্যই ডেবিট কার্ডের নতুন সীমা এবং ব্যাঙ্কের নিয়ম সম্পর্কে সচেতন থাকা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

    বদলে যাচ্ছে নগদ টাকা তোলার সীমা

    আগামী ১ এপ্রিল থেকে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ডেবিট কার্ড থেকে টাকা তোলার লিমিট পরিবর্তন করা হচ্ছে। এতদিন যাবৎ, যে ডেবিট কার্ডগুলো দিয়ে ১ লক্ষ টাকা তোলা যেত, সেগুলি দিয়ে এবার থেকে ৫০ হাজার টাকা তোলা যাবে। আর প্রিমিয়াম কার্ড ব্যবহার করে নগদ তোলার সীমাও এবার ১.৫ লক্ষ টাকা কমিয়ে ৭৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।

    এটিএম লেনদেন চার্জের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন

    অন্যদিকে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এটিএম লেনদেন চার্জের নিয়মেও করেছে বদল। অ্যাকাউন্টধারীরা নিজস্ব এটিএম থেকে মাসে মাত্র পাঁচবার টাকা তুলতে পারবে। আর অন্যান্য ব্যাঙ্কের এটিএম দিয়ে তিনবার বিনামূল্যে টাকা তোলা যাবে। আর এই লিমিট অতিক্রম করলেই প্রতি লেনদেনের উপর ২৩ টাকা করে জিএসটি চার্জ ধরা হবে। অর্থাৎ, আপনি যদি মাসে ৬ বার টাকা তুলতে চান, তাহলে আপনাকে অতিরিক্ত চার্জ প্রদান করতে হবে।

    তবে হ্যাঁ, আপনি যদি নগদ টাকা তোলার লিমিট পরিবর্তন করতে চান, তাহলে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেই তা করতে পারবেন। এর জন্য গ্রাহকদের পিএনবি ওয়ান মোবাইল অ্যাপ ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং বা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাঙ্কিং এর মাধ্যমেই তাদের দৈনিক লিমিট রিসেট করতে হবে। এর জন্য মোবাইল অ্যাপ লগইন করে ডেবিট কার্ড বিভাগে ক্লিক করতে হবে এবং এটিএম লিমিটে গিয়ে আপডেট করতে হবে। তবে সেক্ষেত্রে আপনার অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং ডেবিট কার্ড নির্বাচন করে নতুন লিমিট লিখতে হবে আর পাসওয়ার্ড দিয়ে সেটি যাচাই করলেই নগদ উত্তলনের সীমা পরিবর্তন হবে।

    আরও পড়ুন: যুদ্ধের প্রভাব গ্যাসে! কলকাতায় বন্ধ হল LPG-র গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা

    অ্যাকাউন্টাধারীদের আর্থিক নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং প্রচারের জন্যই মূলত পিএনবি এই নিয়ম পরিবর্তন করছে। আর নগদ উত্তলনের সীমা পরিবর্তন করলে জালিয়াতি ঝুঁকি কমবে বলেই দাবি করছে বিশেষজ্ঞরা। এমনকি ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং ব্যবহার করার জন্য নগদ উত্তোলনের লিমিট কমানো হচ্ছে, যাতে অনলাইন লেনদেন আরও বাড়ে।

  • গরমে বিদ্যুতের বিল হবে অর্ধেক, মিলবে ৭৮ হাজার টাকা ভর্তুকি! দারুণ স্কিম কেন্দ্রের

    গরমে বিদ্যুতের বিল হবে অর্ধেক, মিলবে ৭৮ হাজার টাকা ভর্তুকি! দারুণ স্কিম কেন্দ্রের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গরমের সময় যেন বিদ্যুতের বিল সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে যায়। এয়ার কন্ডিশনার থেকে শুরু করে ফ্যান, রেফ্রিজারেটর বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক জিনিসপত্রের ক্রমাগত ব্যবহারে মাস শেষে মোটা অংকের বিল চাপে মধ্যবিত্তদের উপর। তবে এই সমস্যার সমাধান করতে কেন্দ্রীয় সরকার চালু করেছে সূর্য ঘর যোজনা (PM Surya Ghar Yojana), যেখানে কম খরচেই ছাদে সোলার প্যানেল বসাতে পারবেন। এমনকি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে এই প্রকল্পের আওতায় মোটা অংকের ভর্তুকিও মেলে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল জনগণকে সোলার প্যানেল নেওয়াতে উৎসাহিত করা। বিস্তারিত জানুন এই প্রতিবেদনে।

    এই স্কিমের নিয়মগুলো কী কী?

    প্রথমেই জানিয়ে রাখি, যে কোনও ব্যক্তি তার বাড়ি থেকে ছোট দোকান চালায় বা বাড়ির কাজে ইলেকট্রিক ব্যবহার করে, শুধুমাত্র তিনিই এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবে। তবে যদি দোকানটি সম্পূর্ন রূপে বাণিজ্যিকভাবে বা পৃথক বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে থাকে, তাহলে তিনি এই প্রকল্পের আওতায় ভর্তুকি পাবেন না। আর সৌর প্যানেল স্থাপনের ক্ষেত্রে কোনও রকম বিধিনিষেধ না থাকলেও গোটা খরচ ওই মালিককেই বহন করতে হবে।

    কত টাকা ভর্তুকি মেলে?

    প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর যোজনার আয়তায় সৌরশক্তি ক্ষমতার উপর ভিত্তি করেই মূলত ভর্তুকি দেওয়া হয়ে থাকে। সেই সূত্রে, ১ থেকে ২ কিলোওয়াট পর্যন্ত সিস্টেমের জন্য প্রতি কিলোওয়াটে ৩০,০০০ টাকা থেকে ৬০,০০০ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়। ২ থেকে ৩ কিলোওয়াট পর্যন্ত সিস্টেমের জন্য প্রতি কিলোওয়াটে ৬০,০০০ থেকে ৭৮,০০০ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়। আর ৩ কিলোওয়াটের উপরে ৭৮,০০০ টাকা করে ভর্তুকি দেওয়া হয়।

    কারা আবেদন করতে পারবে?

    এই স্কিমে আবেদন করতে গেলে অবশ্যই পরিবারের সদস্যদের ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। পাশাপাশি অবশ্যই সেই ব্যক্তিকে বাড়ির মালিক হতে হবে, যার ছাদ সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য উপযুক্ত। আর পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ থাকতে হবে এবং সৌর প্যানেলের জন্য কোনও ভর্তুকি আগে গ্রহণ করা চলবে না।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অতীত! বাংলার মহিলাদের জন্য গঠন হবে ৫৭০০ কোটির তহবিল

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    এই স্কিমে সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। এর জন্য নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করুন—

    • প্রথমে এই প্রকল্পের সরকারি অফিসে ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।
    • তারপর আপনার রাজ্য, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি, বিদ্যুৎ গ্রাহকের নম্বর এবং মোবাইল নম্বর ও ইমেইল লিখুন।
    • এরপর মোবাইল নম্বরে আসা ওটিপি দিয়ে লগইন করুন।
    • এরপর ফর্ম অনুযায়ী ছাদে সোলারের জন্য আবেদন করুন।
    • আবে আবেদনপত্রটি সমস্ত নিজের ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে পূরণ করুন।
    • এরপর DISCOM এর অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আর অনুমোদন পাওয়ার পর আপনার DISCOM নিবন্ধিত যে কোনও বিক্রেতার কাছ থেকে প্ল্যান্ট ইনস্টল করতে পারবেন।
    • ইনস্টলেশন শেষ হয়ে গেলে প্ল্যান্টের বিবরণ জমা দিতে হবে। আর নেট মিটারের জন্য আবেদন করতে হবে।
    • মিটার স্থাপন এবং DISCOM প্রদর্শনের পর তারা পোর্টাল থেকে কমিশনিং সার্টিফিকেট তৈরি করে দেবে।
    • আর কমিশনিং রিপোর্ট পাওয়ার পর পোর্টালের মাধ্যমে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩০ দিনের মধ্যেই ভর্তুকি পৌঁছে যাবে।

    তবে এখানে আবেদন করার জন্য কিছু ডকুমেন্ট দরকার পড়ে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পরিচয়ের প্রমাণপত্র, ঠিকানার প্রমাণপত্র, বিদ্যুতের বিল এবং ছাদের মালিকানার সার্টিফিকেট।

  • ৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস বুকে নাম লেখাল যুবক, চিনে নিন প্রথাব মুনিয়ান্দিকে

    ৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস বুকে নাম লেখাল যুবক, চিনে নিন প্রথাব মুনিয়ান্দিকে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আচ্ছা, আপনাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যে সাধারণ মানুষের মুখে কটা দাঁত (Teeth) হয়? তাহলে আপনি নিশ্চয়ই বলবেন ৩২টি। তবে আমরা যদি আপনাকে বলি যে একজন ব্যক্তির মুখে ৪২টি দাঁত আছে, তাহলে কি আপনি বিশ্বাস করবেন? শুনে হয়তো চমকাবেন! কিন্তু আসলে এটাই সত্যি। কারণ, আজ আমরা যে ব্যক্তিকে নিয়ে কথা বলব, তাঁর মুখে ৩২টি নয়, বরং ৪২টি দাঁত রয়েছে (Man With Most Teeth)। আর সেই কারণেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে তাঁর নাম নথিভুক্ত হয়েছে।

    ৪২টি দাঁত নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড

    আসলে আমরা বলছি প্রথাব মুনিয়ান্দি (Prathab Muniandy) নামের এক ব্যক্তির কথা, যিনি ৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু পোস্ট ভাইরাল হচ্ছে। পোস্টগুলির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, মালয়েশিয়ার প্রথাব মুনিয়ান্দির ৪২টি দাঁত আছে, যা স্বাভাবিকের থেকেও ১০টি বেশি। তাঁর এই কৃতিত্ব তাঁকে বিশ্বের সবথেকে বেশি দাত থাকার রেকর্ডধারী করে তুলেছে। এমনকি এই তথ্য জানতে পেরে নেট নাগরিকরাও তো হতবাক।

    কে এই প্রথাব মুনিয়ান্দি?

    আসলে গত ৫ মার্চ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তাদের ব্লগ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই তথ্য শেয়ার করেছে। সেই অনুযায়ী জানা যায়, প্রথাব মুনিয়ান্দি মালয়েশিয়ার একজন বাসিন্দা। সে প্রথমে দাবি করে যে তাঁর ৪২টি দাঁত রয়েছে। কিন্তু তা মানতে নারাজ ছিল বিশেষজ্ঞরা। সেই কারণে দুজন দন্ত্য চিকিৎসক তাঁর দাঁত পরীক্ষা করেছিলেন। এরপর তাঁর দাবি সত্য প্রমাণিত হয় এবং তখন থেকেই সে বিশ্বের সবথেকে বেশি দাঁতওয়ালা ব্যক্তির রেকর্ড নিজের মুকুটে নিয়ে নেয়।

    আরও পড়ুন: সারদা, রোজভ্যালির পর বাংলায় আরেক চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারি! পূর্বস্থলী! কোটি কোটি টাকা তছরুপ

    এ বিষয়ে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হলে সে বলে যে, “আমি ২০২১ সালে প্রথমে এটি লক্ষ্য করি। তখন আমি আমার পরিবারকে বলেছিলাম যে আমার অতিরিক্ত দাঁত গজাচ্ছে। তাঁরা গুনে দেখে আমার তখন ৩২টি দাঁত ছিল। কিন্তু পরে একটি এক্স-রেতে দেখা যায় যে আরও চারটি দাঁত এখনো ফোটেনি। তবে ২০২৩ সালের প্রথম দিকে আমি বুঝতে পারি যে আমার মোট ৪২টা দাঁত গজিয়েছে। যদিও সৌভাগ্যবশত বেশিরভাগ দাঁতই সোজা হয়েছে, কোনও জটিলতা ছাড়াই সেগুলি বড় হয়েছে। প্রথমে শুনে সবাই অবাক হয়, এবং বিশ্বাস করতে চায় না। কিন্তু পরে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখতে পায় যে একজন সাধারণ মানুষের থেকে আমার ১০টি দাঁত বেশি।”

  • ২২ হাজার টাকা বিনিয়োগে দিনে ৭০ হাজার আয়? যা জানাল কেন্দ্র সরকার

    ২২ হাজার টাকা বিনিয়োগে দিনে ৭০ হাজার আয়? যা জানাল কেন্দ্র সরকার

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি একটি খবর ভাইরাল (Social Media Viral) হয়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ২২ হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন প্রায় ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত নাকি আয় করা যাচ্ছে! এমনকি ওই ভিডিওতে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে (Nirmala Sitharaman) একটি বিনিয়োগের প্রকল্প প্রচার করতে দেখা যাচ্ছে বলে দাবি। কিন্তু এই ভিডিও নিয়েই এবার বড়সড় সতর্কবার্তা দিল কেন্দ্রীয় সরকারী ফ্যাক্ট চেক সংস্থা পিআইবি।

    কী বলা হয়েছে সরকারি ফ্যাক্ট চেকে?

    পিআইবি ফ্যাক্ট চেকের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। আর তাতে অর্থমন্ত্রীর আসল বক্তব্যই বিকৃত করে দেখানো হচ্ছে। সরকারের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এরকম কোনও বিনিয়োগের প্রকল্প সরকার ঘোষণা করেনি। অর্থমন্ত্রীও এরকম ধরনের কোনও স্কিম প্রচার করেননি। আর ভিডিওটি মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করার উদ্দেশ্যেই ছড়ানো হচ্ছে। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে এই ভিডিও বা বিজ্ঞাপন থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    বেশ কিছু বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার দ্রুত হারে বাড়ছে। আর আধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে খুব সহজেই কোনও ব্যক্তির মুখ বা কণ্ঠস্বর নকল করে নেওয়া যাচ্ছে। আর এই ধরনের ভিডিওকে সাধারণত ডিপফেক ভিডিও বলা হয়ে থাকে। অনেক সময় এগুলো এতটাই বাস্তবের মতো ফুটে ওঠে যে মনে হয় সাধারণ মানুষেরই ভিডিও। কিন্তু আদতে সেটা এআই দিয়ে বানানো।

    আরও পড়ুন: TRP না থাকায় স্লট বদল, প্রাইম টাইমে ফিরছে জি বাংলার এই ধারাবাহিক

    তাই এই ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে অবশ্যই কিছু নিয়ম মাথায় রাখুন। প্রথমত, অস্বাভাবিক বেশি লাভের প্রতিশ্রুতি দেওয়া স্কিম থেকে দূরে থাকুন। দ্বিতীয়ত, সরকারি স্কিম সম্পর্কে জানার জন্য শুধুমাত্র সরকারি ওয়েবসাইট বা বিশ্বস্ত সূত্র ব্যবহার করুন। আর অজানা লিংকে ক্লিক করবেন না। যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় এরকম কোনও সন্দেহজনক বা বিভ্রান্তিকর খবর দেখেন, তাহলে অবশ্যই পিআইবির ফ্যাক্ট চেকে জমা দিতে পারেন। এমনকি আপনার স্ক্রিনশট, পোষ্টের লিংক বা ভিডিও ৮৭৯৯৭১১২৫৯ হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠাতে পারেন।

  • পৃথিবীতে নেমে আসবে মহা প্রলয়! আকাশ থেকে হারিয়ে যেতে পারে চাঁদ, বলছেন বিজ্ঞানীরা

    পৃথিবীতে নেমে আসবে মহা প্রলয়! আকাশ থেকে হারিয়ে যেতে পারে চাঁদ, বলছেন বিজ্ঞানীরা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: “বামুন হয়ে চাঁদ ধরার শখ!” সেই শখ অবশ্য অনেক আগেই পূরণ করে ফেলেছেন মহাকাশচারীরা। চন্দ্রভিযানে গিয়ে চাঁদের খুঁটিনাটি তথ্য পকেটে করে ধরিত্রীতে নিয়ে এসেছেন তাঁরা। যে চাঁদকে নিয়ে এত গল্প, এত কবিতা, কত স্বপ্ন, সেই চাঁদি নাকি, এবার আকাশের বুক থেকে হারিয়ে যেতে চলেছে (Scientists On Moon)। হ্যাঁ, এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহটি হঠাৎ মহাকাশ থেকে উধাও হয়ে যাবে এমনটাও কী সম্ভব? সেই উত্তর সরাসরি না এলেও সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিজ্ঞানীরা।

    চাঁদ নিয়ে আশঙ্কায় বিজ্ঞানীরা

    চাঁদে বসতি নির্মাণের স্বপ্ন পূরণে উদগ্রীব হয়ে উঠেছে মনুষ্য জাতি। পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের উপগ্রটিতে যাতে বসবাস করা যায় তাঁর তোড়জোর চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। এরই মাঝে ন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস মিউজিয়াম সেন্টার ফর আর্থ অ্যান্ড প্ল্যানেটারি স্টাডিজের গবেষকদের বক্তব্য, চাঁদের ভেতরকার অংশ অর্থাৎ অভ্যন্তরীণ ভাগ ক্রমশ তাপ হারিয়ে শীতল হয়ে পড়ছে। এর প্রভাবে চাঁদের বহিরঙ্গ অর্থাৎ বাইরের অংশ ক্রমশ সংকুচিত হয়ে আকারে ছোট হচ্ছে।

    বিজ্ঞানীদের ধারণা, চাঁদের অভ্যন্তরীণ ভাগ ক্রমাগত তাপ শুষে নেওয়ায় ওই অঞ্চলের শীতলতা চাঁদের ক্ষতি করছে। চাঁদ আকারে ক্রমশ ছোট হয়ে যাওয়ায় পূর্ণিমার দিনগুলিতে যে গোল চাঁদকে দেখতে পাওয়ার ধারণা রয়েছে তাও একটা সময় হারিয়ে যাবে বলেই মনে করছেন গবেষকরা। যদিও চাঁদ যে ধীরে ধীরে ছোট হয়ে যাচ্ছে সেই ধারণাটা আজ থেকে 16 বছর আগেই করে নিয়েছিলেন বর্ষিয়ান বিজ্ঞানী থমাস আর ওয়াটারস। তিনিই প্রথমবারের মতো জানিয়েছিলেন চাঁদ কিন্তু আয়তনে ছোট হচ্ছে।

    সাম্প্রতিক সময়ে, চাঁদের ভেতরকার শীতলতা এবং অন্যান্য একাধিক কারণে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের উপগ্রহটির আয়তন একপ্রকার ঝড়ের গতিতে কমছে। এমন অবস্থা অব্যাহত থাকলে চাঁদের আকার অর্ধেক হয়ে যেতে খুব একটা সময় লাগবে না বলেই মনে করছেন অনেকে। যদিও ঠিক কবে নাগাদ আকাশ থেকে চাঁদের হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেই দিনক্ষণ জানাননি বিজ্ঞানীরা। তবে তাঁদের যা অনুমান অচিরেই আকাশ থেকে হারিয়ে যাবে উজ্জ্বল উপগ্রহটি।

    অবশ্যই পড়ুন: যুদ্ধ আবহে আরব দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের নিরাপদে দেশে ফেরাতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    চাঁদ হারিয়ে গেলে পৃথিবীর উপর পড়বে ভয়ঙ্কর প্রভাব

    চাঁদের আয়তন ধীরে ধীরে ছোট হতে হতে একটা সময় যদি এই উপগ্রহ আকাশেই মিলিয়ে যায় সেক্ষেত্রে ভয়ংকর প্রভাব পড়তে পারে পৃথিবীর উপর, মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশ। সহজে বলতে গেলে সূর্য চাঁদ এবং পৃথিবীর সম্মিলিত মহাকর্ষ বলেই নক্ষত্র, গ্রহ, উপগ্রহের অবস্থান। বিজ্ঞানীরা বলছেন, চাঁদের জন্যই বর্তমানে পৃথিবী সূর্যের অসীম টানকে পাশ কাটিয়ে নিজ অবস্থানে স্থির রয়েছে। তবে বাস্তবেই যদি চাঁদ আকাশ থেকে হারিয়ে যায় তবে পৃথিবীতে নেমে আসতে পারে ভয়ংকর বিপদ। তোলপাড় হয়ে যেতে পারে মানুষের বসবাসযোগ্য এই ভূমি। তাছাড়াও বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, চাঁদ হারিয়ে গেলে মহাকাশে তৈরি হবে সালফারের এক বিরাট স্তর, যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে। সবমিলিয়ে ধ্বংসের মুখে দাঁড়াতে পারে পৃথিবীতে।

  • ২৫ দিনের তেল মজুত, ভারতে বাড়বে গ্যাস থেকে পেট্রোল-ডিজেলের দাম? মিলল উত্তর

    ২৫ দিনের তেল মজুত, ভারতে বাড়বে গ্যাস থেকে পেট্রোল-ডিজেলের দাম? মিলল উত্তর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমশ বাড়ছে ইরান এবং ইজরায়েলের সংঘাত। তবে এই আবহে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম (Crude Oil Price) দিনের পর দিন ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকছে। গত দুইদিনে প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে ব্যারেল পিছু দাম। এমনকি এখন পৌঁছেছে ৮২ মার্কিন ডলারে। আর পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এই দাম ১০০ ডলার পর্যন্ত ছুঁতে পারে, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। তবে তেলের দাম বাড়ার প্রভাব শুধুমাত্র পেট্রোল-ডিজেলেই যে সীমাবদ্ধ থাকবে এমনটা নয়। তার ঢেউ পড়তে পারে মধ্যবিত্তর হেঁশেলেও। এমনটাই দাবি বিশেষজ্ঞদের।

    জ্বালানির দাম ঠিক কী হবে?

    প্রসঙ্গত, ভারত তাদের জ্বালানির সবথেকে বড় অংশ আমদানি করে থাকে। এমনকি তার সিংহভাগ মধ্যপ্রাচ্য থেকেই। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে। সরকারি সূত্রের মতে ভারতের কাছে এখন ২৫ দিনের তেল মজুত আছে। সরকার সূত্র এও জানিয়েছে যে, এই মুহূর্তে ভারতে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ছে না। তবে কোনও কারণে দাম বাড়লে পরিবহন খরচ বাড়বে এবং ট্র্যাক ও পণ্যবাহী গাড়ির ভাড়া বাড়বে। শুধু তাই নয়, চাল-ডাল, সবজি, দুধের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম অনেকটাই চড়তে পারে বলে জানা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এলপিজি সিলিন্ডারের দামও বাড়ার সম্ভাবনা একেবারে উঠিয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে এটাও বলে রাখি যে, ভারত কোনও একটি দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল, LPG আমদানি করে না। তাই বিকল্প উৎসের সন্ধানে কাজ চলছে বলে খবর। কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়লে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পকেটে যে চাপ পড়বে তাও বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এদিকে সংঘাতের জেরে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশ তাদের আকাশ সীমা বন্ধ করে দিয়েছে। যার ফলে ভারত থেকে ইউরোপ বা আমেরিকায় যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রচলিত রুটে বাধা তৈরি হচ্ছে। এমনকি বিকল্প দীর্ঘ রুট ব্যবহার করতে হচ্ছে বিমান সংস্থাগুলিকে। যার ফলে জ্বালানির খরচ বাড়ছে এবং ভ্রমণের সময়ও বাড়ছে। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, এর কারণে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের টিকিটের দামও অনেকটাই বেড়েছে।

    আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মাঝে তেলের সঙ্কট এড়াতে বিরাট প্ল্যান ভারতের!

    সোনা, রুপোতে বাড়ছে বিনিয়োগ

    অন্যদিকে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় সাধারণত সোনা এবং রুপোর চাহিদা বাড়ে। কারণ, সোনাকেই সবাই নিরাপদ বিনিয়োগের বিকল্প হিসেবে ভেবে থাকে। এর ফলে গয়নার বাজারে দাম অনেকটাই ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকতে পারে বলে মত প্রকাশ করছে ওয়াকিবহাল মহল।

  • গর্ভবতী মহিলাদের ৫০০০, কন্যা সন্তান হলে ৬০০০ দিচ্ছে সরকার, কীভাবে আবেদন?

    গর্ভবতী মহিলাদের ৫০০০, কন্যা সন্তান হলে ৬০০০ দিচ্ছে সরকার, কীভাবে আবেদন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: গর্ভবতী মহিলাদের জন্য রইল দারুন সুখবর। এবার আবেদন করলেই পেয়ে যাবেন ৫০০০ টাকা অবধি। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। আজ কথা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী মাতৃবন্দনা যোজনা (Pradhan Mantri Matru Vandana Yojana) নিয়ে। এই প্রকল্পটি প্রথম ২০১০ সালে চালু হয়েছিল এবং ২০১৭ সালে এর নাম পরিবর্তন করে PMMVY রাখা হয়েছিল। এই প্রকল্পের লক্ষ্য গর্ভবতী এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের পুষ্টিকর খাবারের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা, স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক কীভাবে প্রধানমন্ত্রী মাতৃবন্দনা যোজনা থেকে উপকৃত হবেন এবং এর জন্য কীভাবে আবেদন করবেন।

    গর্ভবতী মহিলাদের ৫০০০ টাকা দিচ্ছে সরকার

    জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের অধীনে, প্রথম সন্তানের জন্য তিনটি কিস্তিতে মোট ৫,০০০ প্রদান করা হয়। প্রথম কিস্তি হিসেবে ১০০০ টাকা গর্ভাবস্থার প্রাথমিক নিবন্ধনের পরে দেওয়া হয়, দ্বিতীয় ২,০০০ টাকা গর্ভধারণের ছয় মাস পর কমপক্ষে একটি প্রসবপূর্ব চেকআপের পরে দেওয়া হয় এবং তৃতীয় কিস্তির ২,০০০ টাকা শিশুর জন্ম নিবন্ধন এবং প্রথম টিকা দেওয়ার পরে দেওয়া হয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, যদি দ্বিতীয় সন্তান কন্যা হয়, তাহলে অতিরিক্ত ৬,০০০ টাকা দেয় সরকার যা স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের আর্থিক বোঝা কমাতে সাহায্য করে। এই নগদ সহায়তা সরাসরি একটি ব্যাংক বা পোস্ট অফিস অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়।

    আরও পড়ুনঃ পুরনো নিয়ম বাতিল EPFO-র! এখন সরাসরি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা, কীভাবে?

    যোগ্যতা কী?

    এই প্রকল্পটি ১৯ বছরের বেশি বয়সী বিবাহিত মহিলাদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এসসি/এসটি, প্রতিবন্ধী, বিপিএল কার্ডধারী, আয়ুষ্মান ভারত, ই-শ্রম, অথবা কিষাণ সম্মান নিধি কার্ডধারী মহিলারা অগ্রাধিকার পাবেন। সন্তানের জন্মের ২৭০ দিনের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে, অন্যথায় সুযোগটি হাতছাড়া হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে এই স্কিম অনেক মহিলার জীবন বদলে দিয়েছে বলে খবর।

    আরও পড়ুনঃ ২০ গুণ বাড়তে পারে এই ভাতা! নতুন পে কমিশনে সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    অনলাইনে আবেদনপত্র pmmvy.wcd.gov.in ওয়েবসাইটে সহজেই করা যাবে, যেখানে আধার কার্ড, ব্যাংক পাসবুক এবং MCP কার্ডের মতো নথি আপলোড করতে হবে। অফলাইন ফর্মগুলি নিকটতম অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জমা দেওয়া যেতে পারে। ফর্ম 1A, 1B এবং 1C যথাক্রমে কিস্তির জন্য। সরকার সম্প্রতি আবেদন প্রক্রিয়াটি সহজ করেছে যাতে প্রতিটি মহিলা উপকৃত হতে পারেন। যদি আপনার কোনও সমস্যা হয়, তাহলে হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে পারেন।