Category: অফবিট

  • ছবির মতো সাজানো, গরমের ছুটিতে ঘুরে আসুন উত্তরবঙ্গের এই তিন অফবিট হিল স্টেশন

    ছবির মতো সাজানো, গরমের ছুটিতে ঘুরে আসুন উত্তরবঙ্গের এই তিন অফবিট হিল স্টেশন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আর মাত্র কয়েকদিন পরেই শুরু হয়ে যাবে গরমের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত গরমের ছুটি (Summer Vacation)। এদিকে এই ছুটির ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য মন ব্যাকুল হয়ে ওঠে। এমনিতেই প্রবাদ আছে বাঙালির পায়ের তলায় সর্ষে ফুল। আর গরমের ছুটির সময়ে বিশেষ করে গরম থেকে বাঁচতে কোনও পাহাড়ি ঠান্ডা জায়গায় যেতে কমবেশি সকলেরই ইচ্ছে করে। আপনিও কি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? অথচ বাজেট কম? তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনে আপনাকে উত্তরবঙ্গের এমন কিছু অফবিট (North Bengal Offbeat) জায়গার সন্ধান দেব যেখানে গেলে শরীর ও মন দুটোই জুড়িয়ে যাবে আপনার। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    গরমের ছুটিতে উত্তরবঙ্গে ঘোরার সেরা ৩ জায়গা

    প্রখর রোদ ও গরম শরীর যেন আরও দুর্বল করে দেয়। এই সময়ে শরীর ও মন চাঙ্গা করতে উত্তরবঙ্গের এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে শরীরটা শুধু নিয়ে গিয়ে ফেললেই হল, আসল কাজ প্রকৃতি, আবহাওয়া করে দেবে। উত্তরবঙ্গের বুকেই রয়েছে কিছু জানা অজানা জায়গায় যেখানে গেলে আপনি গরম থেকে স্বস্তি পেতে পারেন এবং আপনার ছুটি পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেন।

    ঘুরে আসুন রঙ্গারুন

    উত্তরবঙ্গ বলতেই মানুষ বোঝেন দার্জিলিং। হ্যাঁ তাতে কোনও সন্দেহ নেই, কিন্তু এই জায়গার জনপ্রিয়তা এতটাই বেশি যে কখনও কখনও বেশি জনবহুল জায়গা বলে মনে হয়। আপনিও যদি একটু নিরিবিলিতে নিজের মনের মানুষ, একা কিংবা পরিবারের সঙ্গে একটু ভালো সময় কাটাতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন তাহলে ঘুরে আসতে পারেন রঙ্গারুন থেকে। এই জায়গার সৌন্দর্য, আবহাওয়া আপনার মনে এক আলাদাই জায়গা করে নেবে। দার্জিলিং-এর কাছে অবস্থিত একটি শান্ত ও নিরিবিলি গ্রাম, যা তার চা বাগান, কাঞ্চনজঙ্গার মন ভালো করা দৃশ্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। দার্জিলিং শহরের কোলাহল থেকে দূরে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং হোমস্টে অভিজ্ঞতার জন্য এটি একটি চমৎকার জায়গা।

    আরও পড়ুনঃ ৫ জেলায় দুর্যোগের ভ্রূকুটি, কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া

    এটি দার্জিলিং থেকে প্রায় ১৫-২০ কিমি দূরে অবস্থিত। এখান থেকে হিমালয়ের কাঞ্চনজঙ্গা পর্বতশ্রেণীর এক অত্যন্ত সুন্দর দৃশ্য দেখা যায়। স্থানটি চা বাগান দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং এর পরিবেশ অত্যন্ত শান্ত, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আদর্শ। পর্যটকরা এখানে চা বাগানে ঘুরে বেড়ানো, পাখি দেখা, ট্রেকিং এবং স্থানীয় সংস্কৃতি উপভোগ করতে পারেন। রঙ্গারুনে অনেক হোমস্টে রয়েছে যেখানে আপনি অনায়াসেই থাকতে পারেন। ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছে সেখান থেকে জোড়বাংলো হয়ে রঙ্গারুন যেতে পারবেন। শিলিগুড়ি থেকে আপনি জোড়বাংলো যাওয়ার শেয়ার গাড়ি পেয়ে যাবেন। এরপর সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যেতে পারবেন আপনার ডেস্টিনেশনে।

    রামধুরা

    আপনিও যদি পাহাড়ে গিয়ে একটু অফবিট জায়গার খোঁজ করে থাকেন তাহলে এই জায়গাটি একদম আদর্শ। হাতে দুদিনের ছুটি নিয়ে রামধুরা নামের ছোট্ট গ্রামটিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে পারেন। এই গ্রামটি দার্জিলিং থেকে মাত্র ৩০ কিমি এবং কালিম্পং থেকে ৮ কিমি দূরে অবস্থিত। এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়াগুলি সহজেই দেখা যায় এবং সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করা যায়। মনে হবে একদম হাতের নাগালে রয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা। নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে যাবেন এখানে? তাহলে এর জন্য শিয়ালদা, হাওড়া সহ যে কোনও বড় স্টেশন থেকে ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন পৌঁছে সেখান থেকে কালিম্পং হয়ে রামধুরা যেতে পারেন। সরাসরি গাড়ি ভাড়া করতে হবে। শিলিগুড়ির পানিট্যাংকি মোড় থেকে কালিম্পং যাওয়ার শেয়ার গাড়ি মিলবে। সেখান থেকে রামধুরার জন্য প্রাইভেট ট্যাক্সি বুক করতে পারেন।

    চিমনি

    উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চলের আরও একটা অল্প চেনা গ্রাম। দুদিনের ছুটি হাতে নিয়ে হৈহৈ করে ঘুরে আসতে পারেন মেঘের দেশ চিমনি থেকে। কার্শিয়াং অঞ্চলের এক অপরূপ সুন্দর গ্রাম। একদম কোলাহল মুক্ত এই গ্রামে হাঁটলে আপনি আপনার নিঃশ্বাস অবধি স্পষ্ট শুনতে পারবেন। পাহাড়, ঘন বন, মেঘ, কুয়াশা আপনার মন প্রাণ ভালো করে দেবে। এই চিমনিতে যাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে প্রাইভেট গাড়ি বুক করতে হবে। তাহলে এই গরমের ছুটিতে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন উত্তরবঙ্গের এই তিন অফবিট জায়গা থেকে।

  • সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ পালন করে ভারতের এই গ্রাম! কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ পালন করে ভারতের এই গ্রাম! কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পবিত্র রমজান মাসের শেষে সকলেই অপেক্ষায় থাকেন খুশির ঈদের জন্য। প্রতি বছর ঈদ-উল-ফিতর-ও (Eid Ul Fitr Celebration) চাঁদ দেখার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। তাই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এই উৎসবটি বিভিন্ন দিনে উদযাপিত হয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সৌদি আরবে (Saudi Arab) ঈদ উদযাপিত হয় সবার আগে। এইবছর সৌদি আরবে বুধবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি বলে সেখানে ঈদ পালিত হচ্ছে আজ। তাই আগামীকাল কলকাতায় পবিত্র ইদুল ফিতর পালিত হবে। কিন্তু জানেন কি বিহারের (Bihar) এই গ্রামে গোটা দেশে পবিত্র ঈদ পালনের একদিন আগেই উৎসব উদযাপিত হয়।

    সৌদি আরবের নিয়ম মেনে চলে এই গ্রাম

    সৌদি আরবে সাধারণত ঈদ উদযাপনের একদিন পর ভারতে ঈদ উদযাপিত হয়। কারণ ভৌগোলিক অবস্থানের প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায়শই চাঁদ প্রথমে দেখা যায়। এই নিয়মই চলে আসছে দীর্ঘকাল। তবে এমন একটি গ্রাম আছে যেখানে সৌদি আরবের দিনেই ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করা হয়ে থাকে। আর সেই জায়গাটি হল বাদাকার গ্রাম যা বিহারের নালন্দা জেলায় অবস্থিত। সেখানকার মুসলিম সম্প্রদায় দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনে চাঁদ দেখার ব্যাপারে আরব দেশগুলোর নিয়মকানুন মেনে চলে। তাঁদের বিশ্বাস, চাঁদ সারা বিশ্বে একই, সেটা যতই ভিন্ন সময় দেখা যাক না কেন। তবে শুধু বিহারের বাদাকার গ্রাম নয়, কেরলেও এই নিয়ম পালন করা হয়।

    কেরলেও পালন করা হয় এই নিয়ম

    জানা গিয়েছে কেরলে বৃহৎ সংখ্যক মুসলিমদের বসবাস। তাঁরাও দুটি কারণে সৌদি আরবের সঙ্গে একই দিনে ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করে। প্রথমত, সেখানে ইসলামিক চন্দ্র ক্যালেন্ডারের ২৯তম দিনে চাঁদ দেখা যায়। যা প্রায়শই সৌদি আরবে চাঁদ দেখার সঙ্গে মিলে যায়। অন্যদিকে বেশিরভাগ মুসলিম সৌদি আরবের ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করে তাই একই দিনে ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করে। গ্রামবাসীদের মতে এই ঐতিহ্যটি গ্রামে প্রতি বছর উদযাপিত হয় এবং সকল ধর্মের মানুষ এতে নিজ থেকেই অংশগ্রহণ করে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য, মহিলা, কর্মসংস্থান—তৃণমূলের ইস্তেহারে বড় চমক আনতে চলেছেন মমতা

    প্রসঙ্গত, আগামীকাল, শনিবার সকাল থেকেই ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে সম্পূর্ণ বদলে যাবে শহরের চেনা ছবি। নিরাপত্তা সঠিক রাখতে সকাল ৬:৩০ থেকে ৮:৩০-এর মধ্যে নাখোদা মসজিদ, টিপু সুলতান মসজিদ এবং রেড রোডে বিশাল জামায়াতের আয়োজন করা হচ্ছে। নামাজের পরে চলবে ঐতিহ্যবাহী কোলাকুলি। এদিকে এখন থেকেই সেজে উঠেছে জাকারিয়া স্ট্রিট এবং পার্ক সার্কাস চত্বর। ফিরনি, হালিম আর বিরিয়ানির গন্ধে ম ম করছে গোটা এলাকা।

  • বাংলা বা মহারাষ্ট্র নয়, ভারতের এই রাজ্যে আছে ১০০০-র বেশি স্টেশন

    বাংলা বা মহারাষ্ট্র নয়, ভারতের এই রাজ্যে আছে ১০০০-র বেশি স্টেশন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যত সময় এগোচ্ছে ততই ভারতীয় রেলের (Indian Railways) পরিধিও বাড়ছে। ভারতীয় রেল বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ বড় রেল নেটওয়ার্ক। ভারতে কত যে ট্রেন চলে, কত হাজার হাজার স্টেশন (Train station) আছে, প্রতিদিন কত কোটি মানুষ যে সফর করেন ট্রেনে তার হিসেব নেই। কিন্তু আজকের এই আর্টিকেলে এমন একটি বিষয় নিয়ে আপনাদের তথ্য দেব যেটি সম্পর্কে জানলে আপনি হয়তো আকাশ থেকে পড়বেন। ভারতে রয়েছে এমন এক রাজ্য যেখানে কিনা ১০০০-রও বেশি রেল স্টেশন রয়েছে। এটা বাংলা বা রাজস্থানে নয় কিন্তু। প্রশ্ন উঠছে তাহলে কোথায়? চলুন জেনে নেবেন।

    ভারতের এই রাজ্যে রয়েছে ১০০০-রও বেশি রেল স্টেশন

    ভারতে সর্বাধিক সংখ্যক রেল স্টেশনের কথা বললে, প্রথমেই যে নামটি মনে আসে তা হলো উত্তরপ্রদেশ, যেখানে ১০০০-এরও বেশি রেল স্টেশন রয়েছে। এগুলি প্রধান শহর, শিল্পকেন্দ্র, তীর্থস্থান এবং প্রত্যন্ত গ্রামগুলিকে সংযুক্ত করে। এর বিস্তৃত রেল নেটওয়ার্ক প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করে এবং ভারতকে সংযুক্ত করে। এই নেটওয়ার্কটি দেশে যাত্রী ভ্রমণ এবং পণ্য পরিবহনে সহায়তা করে। উত্তরপ্রদেশ শুধু একটি রাজ্য নয়, এটি ভারতের রেল ব্যবস্থার মেরুদণ্ডও বটে।

    বছরের পর বছর ধরে রেল সংযোগের ক্ষেত্রে উত্তর প্রদেশ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ১,০০০-এরও বেশি রেল স্টেশনের মাধ্যমে এই রাজ্যটি প্রধান শহর, শিল্পকেন্দ্র, ধর্মীয় কেন্দ্র এবং প্রত্যন্ত গ্রামগুলিকে সংযুক্ত করেছে। এই রেল নেটওয়ার্ক প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ যাত্রী এবং পণ্য পরিবহন করে, যা এটিকে ভারতীয় পরিবহনের একটি অপরিহার্য অংশ করে তুলেছে। কেন্দ্রীয় অবস্থানের কারণে উত্তর প্রদেশ পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর এবং দক্ষিণ ভারতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডোর হিসেবে কাজ করে।

    ২৫ মিলিয়নেরও বেশি যাত্রী যাতায়াত করেন

    এক হিসেব অনুযায়ী, প্রতি মাসে ২৫ মিলিয়নেরও বেশি যাত্রী উত্তর প্রদেশের রেল স্টেশনগুলো ব্যবহার করেন। দিল্লি-হাওড়া, দিল্লি-মুম্বাই এবং দিল্লি-কলকাতার মতো প্রধান রুটগুলো এই রাজ্যের মধ্যে দিয়ে গেছে। এই নেটওয়ার্কটি দেশজুড়ে যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ভ্রমণ এবং পণ্য পরিবহনে অনেকটাই সাহায্য করে। রাজ্যটি উত্তর রেলওয়ে, উত্তর-পূর্ব রেলওয়ে এবং উত্তর-মধ্য রেলওয়ে জোনের মাধ্যমে রেল পরিষেবা পরিচালনা করে।

    আরও পড়ুনঃ আকাশ কালো করে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ৫ জেলায় প্রবল বৃষ্টি! আজকের আবহাওয়া

    উত্তর প্রদেশের প্রধান কিছু রেলওয়ে স্টেশন রয়েছে। সেগুলি হল প্রয়াগরাজ জংশন, কানপুর সেন্ট্রাল, বারাণসী জংশন, লখনউ চারবাগ, গোরক্ষপুর জংশন, অযোধ্যা ধাম জংশন, বীরাঙ্গনা লক্ষ্মীবাই ঝাঁসি জংশন, মোরাদাবাদ জংশন, বরেলি জংশন, সাহারানপুর জংশন, মথুরা জংশন, গাজিয়াবাদ জংশন, ইত্যাদি।

  • পলাশ অতীত, এবার পুরুলিয়ায় পর্যটকদের মন কাড়ছে কুসুম গাছ, কোথায় পাবেন?

    পলাশ অতীত, এবার পুরুলিয়ায় পর্যটকদের মন কাড়ছে কুসুম গাছ, কোথায় পাবেন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ পলাশ ফুলের আকর্ষণে এখন কমবেশি অনেকেই ছুটছেন পুরুলিয়া (Purulia)। বসন্তে লাল পলাশ ফুল এবং পুরুলিয়া একে অপরের পরিপূরক। কিন্তু এই বসন্তে অনেকেই আছেন পুরুলিয়া ঘুরতে গিয়ে পলাশ না পেয়ে মন খারাপ করে ফিরে যাচ্ছেন। কিন্তু আপনি কি জানেন যে এখন সেখানে গেলে আপনি আরও একটি সুন্দর গাছ দেখতে পাবেন। বর্তমানে এই গাছটি ও তার সৌন্দর্য সকলের মন কাড়ছে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    পলাশ নয়, এই গাছ হয়ে উঠল পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ

    আজকের এই আর্টিকেলে কথা হচ্ছে কুসুম গাছের (Schleichera)। পুরুলিয়া মানেই হল পলাশ, কিন্তু পুরুলিয়াতে রয়েছে কুসুম গাছও। এর ফুল দূর থেকে দেখলে এক নজরে মনে হবে পলাশ গাছ। কিন্তু তা নয়। প্রতি বছর পলাশের সঙ্গে এই গাছের ফুলও হত। কিন্তু তা পলাশের সৌন্দর্য এবং জনপ্রিয়তায় ঢেকে যেত। তবে এবারে কিছুটা হলেও ব্যতিক্রম। এবারে পুরুলিয়ায় জায়গায় জায়গায় রয়েছে কুসুম ফুলের গাছ। এখন এই কুসুম গাছের সৌন্দর্য দেখে পর্যটকদের মন প্রাণ জুড়িয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ আলুর দাম নিয়ে বড় ঘোষণা নবান্নের, চিন্তা দূর হবে চাষিদের?

    কোথায় দেখতে পাবেন কুসুম ফুল?

    পুরুলিয়ার দুয়ারসিনির কাছে, মিরগাছামি গ্রামে গেলে আপনি এই কুসুম ফুলের গাছ দেখতে পাবেন। এছাড়াও অযোধ্যা টপ হিল এ পেয়ে যাবেন কুসুম গাছ। তাছাড়া পাখি পাহাড়ের জঙ্গলে এই গাছ দেখতে পেয়ে যাবেন। কেউ কেউ বলতে শুরু করেছেন, ‘আমার পলাশের চেয়ে কুসুম অনেক বেশি ভাল লাগে।’ এদিকে ভাইরাল হওয়া ভিডিও-র কমেন্ট বক্সে কেউ কেউ বলেছেন, ‘মিথ্যে কথা। কুসুম ফুলের সবে কুঁড়ি এসেছে। কিছু গাছে এখন নতুন কচি পাতা বেরিয়েছে। দেখে ফুল মনে হয়। কিন্তু, কুসুম ফুল হবে আর কদিন পরে ।’

  • গাড়ি চালিয়ে বিশ্ব রেকর্ড তৈরি করল মাছ, ভাইরাল ভিডিও

    গাড়ি চালিয়ে বিশ্ব রেকর্ড তৈরি করল মাছ, ভাইরাল ভিডিও

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনার বাড়িতে যদি অ্যাকোয়ারিয়াম থাকে সেখানে নিশ্চয়ই গোল্ডফিশ (Goldfish) দেখে থাকবেন। এই ছোট সোনালী মাছটি দেখতে খুব সুন্দর এবং এর নকশাও খুব জনপ্রিয়। কিন্তু গোল্ডফিশ বেশি দিন বাঁচে না। তারা তাড়াতাড়ি মারা যায়। রিপোর্ট অনুসারে, তারা মাত্র ১০-১৫ বছর বাঁচে। তবে আপনি কি জানেন, এই একরত্তি মাছ এমন এক কাজ করল যা সকলকে অবাক করে রেখে দিয়েছে? কখনও শুনেছেন একটি গোল্ডফিশ গাড়ি চালাচ্ছে (Goldfish Drives Car)? কিন্তু এবার তা সত্যিই হয়েছে। আর সেইসঙ্গে মাছটি গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-এ (Guinness World Records) নাম তুলল।

    গাড়ি চালাল গোল্ড ফিশ!

    আসলে নেদারল্যান্ডসের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার থমাস ডি উলফ তার পোষা গোল্ডফিশ ‘ব্লব’-এর জন্য একটি অনন্য গাড়ি তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। এই গাড়িটি চালিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে একটি নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে মাছটি। থমাস একটি বিশেষ ৪ চাকার গাড়ি ডিজাইন করেছেন, যেখানে চালকের আসনের জায়গায় জল ভর্তি একটি ট্যাঙ্ক লাগানো আছে। ব্লব নামের গোল্ডফিশটি এই ট্যাঙ্কে সাঁতার কাটার সময় গাড়ি চালিয়ে নিয়ে আসছে। এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে বিদ্যুতের গতিতে ভাইরাল হয়েছে।

    ভাইরাল ভিডিও

    নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে সম্ভব? আসলে ক্যামেরার মাধ্যমে মাছের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে গাড়িটি চলে, যখন ব্লব ট্যাঙ্কের যে কোনও দিকে চলে যায়, গাড়িটি সেই দিকে ঘুরিয়ে নেয়, অর্থাৎ ব্লব আসলেই গাড়িটি চালাচ্ছিল। এক রিপোর্ট অনুযায়ী, ব্লব মাত্র এক মিনিটে ১২.২৮ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করেছে। গতি-সংবেদনশীল যানবাহনে এক মিনিটে একটি গোল্ডফিশের দীর্ঘতম দূরত্ব অতিক্রম করার জন্য এটি নিঃসন্দেহে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড।

    আরও পড়ুনঃ কমে গেল সোনার দাম, রুপো হল কত? আজকের রেট

    সবথেকে বড় কথা, রেকর্ড ভাঙতে ওই একরত্তি মাছটিকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে। কমপক্ষে ৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়েছিল। ব্লব-এর মালিক থমাস ডি উলফ বলেন, “আমার কাজ সাধারণত খুব একঘেয়ে, তাই আমি এমন কিছু তৈরি করেছি যা মানুষকে বিনোদন দেবে এবং আমার ‘গুরুতর’ কাজকে মজাদার করে তুলবে।” থমাস আরও জানিয়েছেন যে, যদিও মাছচালিত গাড়ি দৈনন্দিন জীবনে খুব একটা কার্যকর নাও মনে হতে পারে, এই প্রযুক্তি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য অনেক সাহায্য করতে পারে।

  • গরমের ছুটিতে সিকিম ভ্রমণ হবে আরও মজাদার, খুলছে বহুল প্রতীক্ষিত টুরিস্ট স্পট

    গরমের ছুটিতে সিকিম ভ্রমণ হবে আরও মজাদার, খুলছে বহুল প্রতীক্ষিত টুরিস্ট স্পট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান, উত্তর সিকিমের (North Sikkim) পর্যটকদের জন্য আসতে চলেছে বড় সুখবর। অবশেষে উন্মুক্ত হয়ে চলেছে লাচেন (Lachen Route Reopens) যাওয়ার পথ। রোজনামচা কাজের ফাঁকে নিজেকে চিনতে এবং নিজের সঙ্গে সময় কাটাতে অনেকেই পাহাড়ে ভ্রমণ করতে যায়। সেক্ষেত্রে অনেকেরই প্রথম পছন্দ হিসেবে উঠে আসে উত্তর সিকিমের নাম। লাচুং, ইয়ামথাং ভ্যালি, জিরো পয়েন্ট ছাড়াও এবার সেই ভ্রমণের তালিকায় যুক্ত হতে চলেছে লাচেন। তার মধ্যে সামনেই আসছে গরমের ছুটি, সেই ছুটির আগে লাচেন খুলে যাওয়া মানে পর্যটকদের জন্য এক আলাদাই পাওনা।

    প্রাকৃতিক বিপর্যয় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল লাচেনে

    উল্লেখ্য, উত্তর সিকিমের লাচেন মূলত গুরুদংমার লেকের প্রবেশদ্বার। যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭,০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এই হ্রদটি ইয়ামথাং ভ্যালির মতোই ভারতের অন্যতম এবং পর্যটকদের কাছে প্রধান আকর্ষণীয় জায়গা। কিন্তু গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের জুন মাসে প্রবল বৃষ্টিপাত এবং ধস নামার ফলে উত্তর সিকিমের বিস্তীর্ণ এলাকা কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছিল। একাধিক রাস্তা ও সেতু ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই পাহাড়ি জনপদটি মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। যার ফলে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর থেকে এই রুটটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কাজ চলছিল এতদিন, তবে এবার পর্যটকদের জন্য পুনরায় খুলতে চলেছে লাচেন যাওয়ার রাস্তা।

    কী বলছেন নর্থ সিকিমের জেলা শাসক?

    নর্থ সিকিমের জেলা শাসক অনন্ত জৈন জানিয়েছেন, চুংথাং থেকে লাচেন পর্যন্ত রাস্তা এতদিন বন্ধ ছিল কারণ ওই রুটের শেষ সেতুটির নির্মাণকাজ চলছিল। সম্প্রতি ওই এলাকায় নির্মিত নতুন ৪০০ ফুট দীর্ঘ সেতুর উদ্বোধন করা হয়েছে। এরপর থেকেই এই রুটে আবার যান চলাচল শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই রুটে থাকা সেতুগুলি পার হওয়ার সময় গাড়ি চালকদের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেহেতু সেতুর প্রস্থ কম তাই একবারে কেবল একটি গাড়িই পার হতে পারবে।

    Lachen Route Reopens

    আরও পড়ুন: সিভিকের মতো এবার পথবন্ধু ভলান্টিয়ার নিয়োগ করতে চায় রাজ্য সরকার, কী কাজ করবে?

    এতদিন লাচেনের রাস্তা বন্ধ থাকায় স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ীরাও চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন। প্রতিবারই আশা করে থাকেন যে এবার হয়ত খুলবে রাস্তা, অবশেষে জেলাশাসক অনন্ত জৈনের ঘোষণার পর স্বস্তি পেলেন তাঁরা। আগের মত ফের লাভের মুখ দেখতে পাবেন এমনটাই আশা ব্যবসায়ী মহলের একটা বড় অংশের। ইতিমধ্যেই নির্দেশিকা পর্যটন দফতর, বিভিন্ন চেকপোস্ট এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। যেহেতু, প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যটন পারমিট ‘থার্ড মাইল’ অফিস থেকে অনলাইনে ইস্যু করা হয় তাই সেখানেও নতুন করে পারমিট দেওয়ার জন্য এই বিষয়ে জানানো হয়েছে।

  • পশুর নামে গোটা ট্রেন, বাঘ এক্সপ্রেসের নামকরণের আসল কারণ জানেন না ৯৯% মানুষ

    পশুর নামে গোটা ট্রেন, বাঘ এক্সপ্রেসের নামকরণের আসল কারণ জানেন না ৯৯% মানুষ

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মেল এবং এক্সপ্রেস মিলিয়ে ভারতীয় রেলের (Indian Railways) অধীনে রয়েছে 13 হাজারেরও বেশি যাত্রীবাহী ট্রেন। এই ট্রেনগুলিতে চেপেই প্রতিদিন তুলনামূলক কম খরচে নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছন যাত্রীরা। তবে ভারতীয় রেলের মালিকানাধীন হাজার হাজার ট্রেনের প্রত্যেকটির নাম কিন্তু আলাদা আলাদা। এমন কিছু ট্রেন রয়েছে যে গুলির নামকরণ করা হয় দেশের বিভিন্ন জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রের নামে। কিছু ট্রেন রয়েছে যে গুলির নাম রাখা হয়েছে বিভিন্ন মনি ঋষীদের নাম অনুসারে। তবে ভারতীয় রেলের হাতে এমন একটি ট্রেন রয়েছে যার নামকরণ করা হয় বাঘের নামে (Bagh Express)। হ্যাঁ, হাওড়া ডিভিশনে দৈনিক যাতায়াতকারী বাঘ এক্সপ্রেস সম্পর্কে কমবেশি সকলেই অভিহিত। কিন্তু জানেন কি কেন এই ট্রেনের নাম রাখা হয়েছিল বাঘের নামে?

    বাঘ এক্সপ্রেসের নামকরনের পেছনের কারণ

    প্রথমেই বলে রাখি, ভারতীয় রেলের জনপ্রিয় ট্রেন বাঘ এক্সপ্রেস প্রতিদিন হাওড়া জংশন থেকে উত্তরাখণ্ডের কাঠগোদাম স্টেশন পর্যন্ত যাতায়াত করে। সে রাজ্যের নৈনিতালে রয়েছে এই স্টেশন। বলাই বাহুল্য, এই বাঘ এক্সপ্রেসে চেপেই প্রতিদিন হাওড়া বলা ভাল শহর কলকাতা থেকে বহু যাত্রী উত্তরাখন্ডে পৌঁছন। এক কথায়, বাংলার সাথে ভিন রাজ্যকে সংযুক্ত করেছে এই ট্রেন।

    আরও পড়ুনঃ কালবৈশাখীর সাথে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি, ভিজবে দক্ষিণবঙ্গের ৮ জেলা, আজকের আবহাওয়া

    কিন্তু কেন এর নাম রাখা হয়েছে পশুর নামে? আসলে হাওড়া থেকে কাঠগোদাম পর্যন্ত চলাচলকারী এই বাঘ এক্সপ্রেসের নামকরণের নেপথ্যে রয়েছে ভারতের জনপ্রিয় ব্যাঘ্র প্রকল্প তথা উত্তরাখণ্ডের জিম করবেট ন্যাশনাল পার্ক। 1936 সালে প্রতিষ্ঠিত এই পার্ক বা প্রাচীনতম জাতীয় উদ্যানেই রয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল টাইগার, চিতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রজাতির বাঘ। সব মিলিয়ে বলা যায়, হাওড়া থেকে প্রতিদিন এই ট্রেন ব্যাঘ্র প্রকল্পের পার্শ্ববর্তী কাঠগোদাম স্টেশন পর্যন্ত যায় বলেই এই ট্রেনের নাম বাঘ এক্সপ্রেস। অনেকেই বলেন, এই ট্রেন প্রতিদিন যাত্রীদের বাঘের দেশে নিয়ে যায়। তাই এর নাম বাঘ এক্সপ্রেস রাখা হয়েছিল।

    অবশ্যই পড়ুন: ট্রেনেই পৌঁছতে পারবেন কেদারনাথ, বদ্রিনাথ! শীঘ্রই চারধাম যাত্রীদের সুখবর দিতে পারে রেল

    না বললেই নয়, হাওড়া থেকে ব্যান্ডেল হয়ে কাঠগোদাম যাওয়ার সময় প্রতিদিন সকালেই কমবেশি স্টেশনে অপেক্ষারত যাত্রীদের মধ্যে আলোচনা চলে এই ট্রেনটিকে নিয়ে। বাঘের ছবি অঙ্কিত এই ট্রেনটিকে আসতে দেখে প্রায়শই অনেকে মজার ছলে বলেন, “ওই যে বাঘ আসছে।” এভাবেই যাত্রীদের মুখে মুখে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে ভারতীয় রেলের বহু পুরনো এই এক্সপ্রেস।

  • ৮ বছরের তপস্যার ফল, UPSC পরীক্ষায় বিরাট কৃতিত্ব সাধারণ ট্রাক চালকের মেয়ের

    ৮ বছরের তপস্যার ফল, UPSC পরীক্ষায় বিরাট কৃতিত্ব সাধারণ ট্রাক চালকের মেয়ের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়, এই কথাটা আবারও যেন প্রমাণিত হল। আর এই কথাটা প্রমাণিত করেছেন ফাইরুজ ফাতিমা। নিশ্চয়ই ভাবছেন সে কী করেছেন? তাহলে জানিয়ে রাখি, উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার জেলার ফাইরুজ ফাতিমাও ২০২৫ সালের ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় নতুন কৃতিত্ব (UPSC Success Story) অর্জন করেছেন। সবথেকে বড় কথা, তাঁর বাবা একজন ট্রাক চালক। পারিবারিক স্বচ্ছলতা না থাকা সত্ত্বেও আজ নিজের স্বপ্ন পূরণ করেছেন ফাতিমা। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    UPSC পরীক্ষায় বিরাট নজির ট্রাক চালকের মেয়েরে

    জানা গিয়েছে, ফাতিমা এই পরীক্ষায় সারা ভারতে ৭০৮ তম স্থান অর্জন করেছেন। ২৭ বছর বয়সী এই তরুণী তার তৃতীয় প্রচেষ্টায় এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই মেয়ে ফাতিমার কৃতিত্বে পরিবার আনন্দিত এবং অভিনন্দনের ঝড় বইছে। তার এই সাফল্য সমগ্র এলাকায় গর্ব এবং আনন্দের সৃষ্টি করেছে।

    রুরকির পিরান কালিয়ারের বাসিন্দা ফাতিমা, একজন ট্রাক ড্রাইভার ইকবাল আহমেদ (৫২) এর মেয়ে। ফাতিমার মা একজন সাধারণ গৃহিণী। তাঁরা হয়তো কেউ স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি ফাতিমা এমন কৃতিত্ব অর্জন করবে। ফাতিমা একমাত্র সন্তান এবং বর্তমানে দিল্লিতে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার ডেপুটি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। ফাতিমা রাগবি খেলতে এবং দেখতে খুব ভালোবাসেন। ফাতিমা প্রমাণ করেছেন যে পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, কঠোর পরিশ্রমকারীদের কাছ থেকে সাফল্য কেড়ে নেওয়া অতটা সহজ নয়।

    দীর্ঘ ৮ বছরের তপস্যার ফল পেলেন ফাতিমা

    ফাতিমা তিনি তার সাফল্যের জন্য তার বাবা-মাকে কৃতিত্ব দেন। তাদের বাবা-মায়ের কঠোর পরিশ্রমই ফাতিমাকে অনুপ্রাণিত করেছিল বলে জানান। সীমিত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও, ফাতিমার পরিবার তাকে সর্বদা পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করেছে। সে তার বাবা-মায়ের ইচ্ছা অনুসরণ করে এবং সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে উঠতে থাকে। সে প্রায় ৮ বছর ধরে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং শেষ দুটি পরীক্ষায় ফেল করলেও, কখনও হাল ছাড়েনি। এরপর তৃতীয় বারের চেষ্টায় সে সাফল্য লাভ করেছে।

    আরও পড়ুনঃ শ্রীরামপুর স্টেশন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলমন্ত্রীর, হাওড়া লাইনে হতে পারে আরেকটি হল্ট স্টেশনও

    ফাতিমার পাশাপাশি উত্তরাখণ্ডের তেহরির মীনাল নেগি ২০২৫ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় ৬৬তম স্থান অর্জন করেছেন। মীনালের বাবা একজন স্কুল শিক্ষিকা এবং তিনি দ্বিতীয়বারের মতো পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। চম্পাওয়াতের বারাকোট ব্লকের ছুলাপে গ্রামের অনুজ পান্ত ৬৯তম স্থান অর্জন করেছেন। পিথোরাগড়ের রাই অঞ্চলের আদিত্য পাঠক ১৮৯তম স্থান অর্জন করেছেন।

     

  • নারী দিবসে মহিলাদের এভাবে জানান শুভেচ্ছা! রইল হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া কিছু বার্তা

    নারী দিবসে মহিলাদের এভাবে জানান শুভেচ্ছা! রইল হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া কিছু বার্তা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: প্রতিবছরের ৮ মার্চ দেশেজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস (Happy Women’s Day)। আর এই দিনটিতে নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি লিঙ্গ সমতার জন্য লড়াইকেও তুলে ধরা হয়। আমাদের জন্মদাত্রী মা থেকে শুরু করে বোন, দিদি বা যে কোনও নারী, সকলেই আমাদের কাছে অনুপ্রেরণা আর পথপ্রদর্শক। পাশাপাশি সহকর্মী আর পরামর্শদাতা হিসেবেও কাজ করে। তাই এই বিশেষ দিনটিতে তাঁদেরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানোই সবথেকে বুদ্ধিমানের কাজ। আজ এমন কিছু শুভেচ্ছা বার্তা (Women’s Day Wishes in Bengali) তুলে ধরব, যেগুলি নারীদের জানালে তাঁরা আরও উৎসাহ পাবে।

    নারী দিবসে এভাবে জানান শুভেচ্ছা

    ১) আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল। আপনার শক্তি আর প্রচেষ্টা দিয়ে চারপাশের সকলকেই অনুপ্রাণিত করতে থাকুন।

    ২) সেইসব নারীদেরকে নারী দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা যারা প্রতিদিন বিশ্বকে উজ্জ্বল করে তোলে।

    ৩) নারী দিবসের শুভেচ্ছা সেই সমস্ত নারীদের, যারা পরিবর্তন আর অনুপ্রেরণা জাগিয়ে তোলে এবং উন্নত পৃথিবী তৈরি করে।

    ৪) যেসব নারী নেতৃত্ব দেয়, অনুপ্রাণিত করে এবং অন্যদের উন্নীত করে, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে তাঁদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

    ৫) সর্বত্র নারীদের শক্তি ও স্থিতিস্থাপকতার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা। নারী দিবসের শুভেচ্ছা রইল।

    ৬) তোমার সাহস ও দৃঢ় সংকল্প পৃথিবীকে আরও উন্নত করে তুলুক। নারী দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

    ৭) নারী দিবসের এই বিশেষ দিনটিতে আমি তোমার সাফল্য এবং শক্তি কামনা করি। শুভ নারী দিবস।

    ৮) শক্তিশালী নারীদের জন্য আজকের এই বিশেষ দিনটিতে আমরা যেন তাদেরকে সবসময় ভালো নজরেই দেখি। আর যেন তাঁদের মতোই হতে পারি। আমরা যেন তাদেরকে আরও সমর্থন করতে পারি। শুভ নারী দিবস।

    ৯) নারী দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। তোমার দীর্ঘ সংকল্প আর চেতনা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক এবং উদ্ধত্যপূর্ণ।

    ১০) পরিবর্তন আনার জন্য কাজ করা প্রতিটি নারীকেই রইল নারী দিবসের শুভেচ্ছা।

    ১১) প্রতিটি অসাধারণ নারীকে ২০২৬ সালের নারী দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল। তোমার স্থিতিস্থাপকতা এবং দয়া কখনোই অলক্ষ্য থাকবে না।

    ১২) তুমি যেন সবসময়ই উঠে দাঁড়াও, উজ্জ্বল হও এবং সবকিছুই অর্জন করো। ২০২৬ সালের নারী দিবসের শুভেচ্ছা রইল।

    ১৩) শুভ নারী দিবস। তোমার সাহস আর দৃঢ় সংকল্প পৃথিবীকে আরও উন্নত করে তুলুক এটাই চাওয়ার।

    ১৪) নারী দিবসের শুভেচ্ছা রইল। তোমার শক্তি, প্রজ্ঞা আর করুণা আমার তোমার চারপাশের সকলকেই অনুপ্রাণিত করে তুলুক।

    ১৫) শ্রদ্ধা, প্রশংসা এবং ভালবাসায় ভরা চমৎকার নারী দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

    ১৬) তোমার কণ্ঠস্বর সব সময় শোনা যাক, আর তোমার অর্জন সবসময় উদযাপন করা হোক এটাই চাই। শুভ নারী দিবসের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করি।

    আরও পড়ুন: সৌরভের সঞ্চালনায় স্টার প্লাসে বাংলায় বিগ বস, এই সিজনে কে কে থাকছেন?

    ১৭) তোমাদের মতো নারীদের জন্যই পৃথিবী আজ এতটা শক্তিশালী। শুভ নারী দিবসের শুভেচ্ছা।

    ১৮) আজ আমরা সেই সমস্ত অসাধারণ নারীদের জন্য উদযাপন করছি যারা আমাদের জীবনকে রূপ দেয়। শুভ নারী দিবস।

    ১৯) তোমার কণ্ঠস্বর সবসময় পরিবর্তন এবং অগ্রগতিকেই অনুপ্রাণিত করুক, এটাই চাওয়ার। নারী দিবসের শুভেচ্ছা রইল।

    ২০) তোমার স্বপ্নগুলো যেনো অনেক উঁচুতে উঠতে পারে এবং তোমার সাফল্যগুলো যেন উজ্জ্বলভাবেই আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। নারী দিবসের শুভেচ্ছা।

  • সুদৃশ্য কাঞ্চনজঙ্ঘা, হাতছানি দেবে পাইন গাছ, গরমের ছুটিতে ঘুরে আসুন এই তিন হিল স্টেশন

    সুদৃশ্য কাঞ্চনজঙ্ঘা, হাতছানি দেবে পাইন গাছ, গরমের ছুটিতে ঘুরে আসুন এই তিন হিল স্টেশন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ পাকাপাকিভাবে গ্রীষ্মকা না পড়লেও আকাশ বাতাস জানান দিচ্ছে গরম আসন্ন। একদিকে যখন গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা হয় অনেকের সেখানে অন্যদিকে অনেকের আবার খুশির শেষ থাকে না। কারণ গরমের ছুটি পড়বে। আর এই ছুটিকে কাজে লাগিয়ে কেউ যান পাহাড়ে তো কেউ যান আবার সমুদ্রে। আপনিও কি এই গরমের ছুটিতে শরীর ও মন ঠান্ডা করতে কোথাও ঘুরতে যেতে চাইছেন? কিন্তু কোথায় যাবেন বুঝতে পারছেন না? তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনটি একদম আদর্শ হতে চলেছে আপনার জন্য। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    গরমের ছুটিতে ঘুরে আসুন এই ৩ হিল স্টেশনে

    আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদের এমন তিন হিল স্টেশনের (Hill Station) সন্ধান দেব যেখানে একবার পা রাখলে আর ফিরে যেতে মন চাইবে না। সেখানকার প্রকৃতি, ল্যান্ডস্কেপ আপনার মনে আলাদাই জায়গা করে নেবে। মনে হবে, ইসস এখানে সারাজীবন থেকে গেলে কীই না মজা হত। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    রাবাংলা

    পাহাড় প্রেমী অথচ সিকিমের রাবাংলা যাননি বা এখানে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন না, তা হতেই পারে না। সিকিমের এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে না গেলেই নয়, তার মধ্যে অন্যতম সুন্দর এবং শান্ত জায়গা হল এই রাবাংলা। এখানকে বৌদ্ধ মন্দির দেখলে চোখ ধাঁধিয়ে যাবে। এখানকার রাস্তাও অসাধারণ। এই রাবাংলা থেকে আপনি কাঞ্চনজঙ্ঘা, পান্ডিম, সিনিওলচু ও কাবর-এর মতো গোটা হিমালায়ন রেঞ্জ খুব সুন্দরভাবে দেখতে পাবেন।

    আরও পড়ুনঃ ১৪০০ টাকার বিনিয়োগে পেয়ে যান ২৫ লক্ষ টাকা, মধ্যবিত্তদের জন্য দারুণ প্ল্যান LIC-র

    পানবুদারা

    যারা পাহাড়ে গেলেই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখবেন বলে একদম বদ্ধপরিকর থাকেন, যাদের স্বপ্নে রীতিমতো কাঞ্চনজঙ্ঘা ঘোরাফেরা করে তাঁদের জন্য এই পানবুদারা একদম পারফেক্ট জায়গা হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। এই পানবুদারায় গেলে আপনি রুদ্ধশ্বাস পাহাড়ি ভিউ দেখতে পাবেন। সবথেকে বড় কথা, কাঞ্চনজঙ্ঘা এত সুন্দর দেখতে পাবেন যেন মনে হবে হাত দিয়েই পাহাড় ছুঁয়ে নিতে পারবেন। এই পানবুদারার ভিউ পয়েন্ট থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার ১৮০ ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায়। এমনিতে সন্ধে হলে পাহাড়ের এক আলাদাই রূপ দেখা যায়। এখানেও তাই। সবথেকে বড় কথা, এই পানবুদারার কাছেই রয়েছে চারখোল, দূরপিনদারা, ঝান্ডিদারার মতো জায়গা যেখানে আপনি অনায়াসেই ঘুরে আসতে পারেন।

    আরও পড়ুনঃ ৯৬% কাজ শেষ নতুন চার লেনের ফারাক্কা ব্রিজের, কবে হবে উদ্বোধন?

    সান্তক

    আপনিও যদি পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে একটু কম কোলাহল এবং অফবিট জায়গা পছন্দ করে থাকেন তাহলে এই সান্তক একদম আদর্শ জায়গা। এখানে গেলে গরম কাকে বলে ভুলে যাবে। হাতে ২-৪ দিনের ছুটি থাকলে এই জায়গা থেকে অনায়াসে ঘুরে আসতে পারেন। রেয়িং এবং পায়ুং নদী-পাহাড়ের মাঝে সুন্দর এই গ্রাম। এখানে বিস্তৃত থাকা পাইনের বিশাল জঙ্গল এবং কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবে। ফলে আর দেরি না করে আগাম উত্তরবঙ্গ যাওয়ার ট্রেনের টিকিট কেটে ফেলুন এবং ঘুরে আসুন এই অফবিট হিল স্টেশনগুলি থেকে।