Category: টাকা পয়সা

  • খুব শীঘ্রই ৫২০০ কোটি টাকা বিতরণ করবে EPFO, কারা পাবে জানুন

    খুব শীঘ্রই ৫২০০ কোটি টাকা বিতরণ করবে EPFO, কারা পাবে জানুন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: যাদের পুরনো পিএফ অ্যাকাউন্ট বন্ধ (Inactive PF Account) হয়ে পড়ে রয়েছে বা দীর্ঘকাল কোনও রকম লেনদেন হয়নি, তাদের জন্য বিরাট স্বস্তির খবর দিল কর্মচারী ভবিষ্যৎ নিধি সংগঠন বা ইপিএফও (EPFO)। এবার আর অকেজো হয়ে পড়ে থাকা অ্যাকাউন্টে টাকা (Provident Fund) তুলতে কোনও রকম সমস্যা পোহাতে হবে না, বরং ইপিএফও একটি বিশেষ অটোমেটেড সেটেলমেন্ট সিস্টেম আনতে চলেছে, যার মাধ্যমে প্রায় ৫২০০ কোটি টাকা সরাসরি গ্রাহকদের আধার লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

    কোনও ক্লেইম ছাড়াই মিলবে টাকা

    জানা যাচ্ছে, ইপিএফও-র এই নতুন উদ্যোগের সবথেকে বড় বৈশিষ্ট্য, টাকা তোলার জন্য কর্মীদের আলাদা করে কোনও রকম ফর্ম পূরণ করতে হবে না। প্রথম ধাপে আধারের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে এরকম ২৫ শতাংশ ইনঅ্যাকটিভ অ্যাকাউন্টগুলিকে এই প্রক্রিয়ায় আনা হবে। আর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৮ লক্ষ আধার ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টের মালিক এই সুবিধা পাবে। সেক্ষেত্রে ধাপে ধাপে প্রায় ৫২০০ কোটি টাকা বণ্টন করা হবে।

    প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইপিএফও-এর কাছে প্রায় ৩১ লক্ষ ইনঅ্যাকটিভ অ্যাকাউন্ট পড়ে রয়েছে। আর সেখানে সব মিলিয়ে মোট ১০,১৮১ কোটি টাকা জমা আছে। যার মধ্যে ১৪ হাজার অ্যাকাউন্টে ৫ লক্ষ টাকার বেশি করে জমা রয়েছে। আর ৩৮ হাজার অ্যাকাউন্টে ১ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে জমা রয়েছে। ইতিমধ্যেই ১০০০ টাকা পর্যন্ত ব্যালেন্স রয়েছে এরকম ছোট ছোট অ্যাকাউন্টগুলির অটো সেটেলমেন্ট সবুজ সংকেত দিয়েছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য গ্রেফতার ভারতীয় বায়ুসেনার এক বেসামরিক কর্মী

    কখন পিএফ অ্যাকাউন্ট ইনঅ্যাকটিভ হয়?

    জানিয়ে রাখি, সাধারণত কোনও কর্মচারী ৫৫ বছর বয়সে অবসর হওয়ার পর যদি টানা তিন বছর সেই অ্যাকাউন্টে কোনও রকম কন্ট্রিবিউশন বা টাকা জমা না পড়ে, তাহলে সেই অ্যাকাউন্টটিকে ইনঅ্যাকটিভ হিসেবেই গণ্য করা হয়। আর বর্তমানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য পিএফ আমানতের উপর ৮.২৫ শতাংশ সুদ দিচ্ছে ইপিএফও। আর এই উচ্চ সুদের হার চাকরিজীবীদের সঞ্চয়ে যে বিরাট অক্সিজেন দেবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

  • ভারতীয় রুপিতে ভারী পতন, সোমবার ডলারের বিপরীতে নতুন রেকর্ড গড়ল টাকা

    ভারতীয় রুপিতে ভারী পতন, সোমবার ডলারের বিপরীতে নতুন রেকর্ড গড়ল টাকা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে ভারতের টাকার পতন (Indian Rupee) অব্যাহত। সোমবার নতুন করে মার্কিন ডলারের (Currency) বিপরীতে রুপি তার সর্বনিম্ন রেকর্ড ছুঁয়েছে। এদিন আমেরিকার এক ডলারের প্রেক্ষিতে ভারতীয় টাকা বা রুপির দর এসে দাঁড়িয়েছে 93.94 তে। ভারতীয় মুদ্রার এমন দুর্বলতা দেখে চিন্তা বাড়বে সেটাই স্বাভাবিক। বলাই বাহুল্য, গত সেশনে আমেরিকান ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রা 1.2 শতাংশ পড়েছিল। 2022 এর ফেব্রুয়ারি মাসের পর এটাই ছিল সর্বোচ্চ।

    নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি করছে ভারতীয় রুপি

    এর আগে গত শুক্রবার প্রবল চাপের মধ্যে ডলারের বিপরীতে প্রথমবারের মতো 93 এর গন্ডি টপকে ছিল ভারতীয় রুপি বা টাকা। ডলারের প্রেক্ষিতে ভারতীয় মুদ্রার দাম 93.735 এ পৌঁছেছিল। তবে সোমবার পড়তে না পড়তেই সেই রেকর্ড ভেঙে দিল ভারতীয় মুদ্রা। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে, ডলারের বিপরীতে রুপির দর 93.94। এর আগে গত বুধবারও রূপির পতন অব্যাহত ছিল। এদিন অবশ্য রুপির দর ছিল 92.63 টাকা। সেক্ষেত্রে এক সপ্তাহের মধ্যে সেই দর অনেকটাই নেমেছে।

    কেন এত কমছে ভারতের টাকার দাম?

    সময় যত যাচ্ছে ডলারের বিপরীতে ক্রমশ তলানিতে গিয়ে ঠেকছে ভারতীয় রুপি। কিন্তু কেন এমন অবস্থা ভারতীয় মুদ্রার? এ প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞদের যা মত, পশ্চিম এশিয়ায় প্রবল অস্থিরতা, ইরানের সাথে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যুদ্ধ এবং তার কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলেই চাপ পড়ছে ভারতীয় মুদ্রায়। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই কমছে ভারতীয় রুপি বা টাকার দাম।

    অবশ্যই পড়ুন: আইপিএলে নেই কোনও অভিজ্ঞতা, নিলামে কেনেনি কেউ! সেই প্লেয়ারই এবার KKR-এ

    বলাই বাহুল্য, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অনেকটাই বেড়েছে। এর ফলে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুদ্রায় ভারী পতন চোখে পড়েছে। তবে একথা স্বীকার করতেই হয়, আর পাঁচটা প্রতিবেশী দেশের তুলনায় ভারতীয় মুদ্রার পতন সবচেয়ে বেশি। আগামী দিনে এই পরিমাণটা 100 ছাড়িয়ে যায় কিনা সেটাই আশঙ্কা।

  • দেড় লক্ষ বিনিয়োগে মাসে মিলবে ৯৭৫০ টাকা সুদ! এত রিটার্ন দিচ্ছে LIC?

    দেড় লক্ষ বিনিয়োগে মাসে মিলবে ৯৭৫০ টাকা সুদ! এত রিটার্ন দিচ্ছে LIC?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে কখন যে কী খবর ছড়িয়ে পড়ে তা বলার জো নেই। সম্প্রতি ইন্টারনেটে একটি খবর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে যে, এলআইসি-র নতুন একটি স্কিমে (LIC New Scheme) নাকি ১.৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ (Investment) করলেই প্রতি মাসে ৯৭৫০ টাকা সুদ পাওয়া যাচ্ছে। আর এই খবর নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। কিন্তু আদৌ কি তাই? আসলে এর গভীরে লুকিয়ে রয়েছে বড় একটি ভুল। অনেক জায়গাতেই এই ৯৭৫০ টাকাকে মাসিক আয় হিসেবে দেখানো হচ্ছে। সত্যিটা জানুন।

    সামনে এল আসল তথ্য

    প্রথমে আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে রাখি, এটি এলআইসি-র কোনও জীবন বীমা পলিসি নয়, বরং এটি এলআইসির হাউসিং ফিনান্স লিমিটেডের (LICHFL) সঞ্চয়ী পাবলিক ডিপোজিট স্কিম। ব্যাঙ্ক ফিক্সড ডিপোজিটের মতোই এখানে টাকা রেখে নিশ্চিত হারে সুদ পাওয়া যায়। তবে ভাইরাল হাওয়া ৯৭৫০ টাকার অংকটি আসলে মাসিক সুদের হিসাব নয়, বরং বার্ষিক সুদের হিসাব। সেক্ষেত্রে আপনি যদি ১.৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন এবং ৬.৫০% হারে বছরে সুদ দেওয়া হয়, তাহলে এক বছরে আপনি মোট ৯৭৫০ টাকা সুদ পাবেন। আর এক বছর পর আপনার হাতে আসবে এক লক্ষ ১,৫৯,৭৫০ টাকা। তাই যদি কেউ ভাবেন যে ১.৫ লক্ষ টাকা রাখলে প্রতি মাসেই ৯৭৫০ টাকা হাতে আসবে, তাহলে তিনি মস্ত বড় ভুল করছেন।

    তবে বলে রাখি, LICHFL এর এই স্কিমে প্রবীণ নাগরিকরা সাধারণত ০.২৫% অতিরিক্ত হারে সুদ পেয়ে থাকে। যার ফলে ১.৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে তাদের বার্ষিক আয় প্রায় ১১ হাজার টাকা হতে পারে। তবে ২০২৬ সালে LICHFL ভারতের অন্যতম নির্ভরযোগ্য একটি সংস্থা। কারণ, এর প্রধান সুবিধা হলে নিরাপত্তা। এটি AAA রেটিং যুক্ত একটি সংস্থা। তাই এখানে বিনিয়োগ করলে টাকা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে। এমনকি এখানে শেয়ারবাজারের ওঠানামার কোনও ঝুঁকি নেই। আর এখানে আপনি চাইলে নন কিউমুলেটিভ অপশনে বেছে নিতে পারবেন। পাশাপাশি সুদের টাকা আপনি মাস কিংবা বছর ভিত্তিতে নিজের অ্যাকাউন্টে পেতে পারেন, যা আপনার সংসার চালাতে সাহায্য করবে।

    আরও পড়ুন: ৫ জেলায় দুর্যোগের ভ্রূকুটি, কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া

    আবেদন করবেন কীভাবে?

    এই এফডি স্কিমে বিনিয়োগ করার জন্য কোনও ঝামেলার প্রয়োজন নেই। এমনকি এলআইসি-র এলআইসির অফিসে যাওয়ার কোনও দরকার নেই। আপনি তিনটি সহজ উপায়ে এখানে আবেদন করতে পারবেন। প্রথমত, LICHFL এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। দ্বিতীয়ত, নিবন্ধিত এলআইসি হাউসিং ফিনান্স এজেন্টের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া অনুমোদিত ডিজিটাল ওয়েলথ ম্যানেজমেন্টের সাহায্যে এখানে খুব সহজেই আবেদন করে নিতে পারবেন।

  • মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা! ৩১ মার্চের পর বকেয়া DA নিয়ে সুখবর শোনাবে সরকার?

    মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা! ৩১ মার্চের পর বকেয়া DA নিয়ে সুখবর শোনাবে সরকার?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অষ্টম বেতন পে কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে অপেক্ষার মাঝেই সামনে এল সুখবর। কপাল ভালো থাকলে মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা অবধি বকেয়া। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু বিভিন্ন সূত্র মারফত এমনটাই শোনা যাচ্ছে। যত সময় এগোচ্ছে লক্ষ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মধ্যে অষ্টম বেতন কমিশন নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। এসবের মাঝেই বকেয়া টাকা কে কত পেতে পারেন সেটা নিয়ে একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে।

    কে কত বকেয়া পেতে পারেন?

    সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট অনুসারে, কমিশনের সুপারিশগুলি বাস্তবায়িত হলে কর্মচারীরা ২০ মাসের বকেয়া বেতন পেতে পারেন। এই টাকার পরিমাণ প্রায় ৩.৬ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে, যা কর্মচারীদের জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। বিভিন্ন বেতন স্তরের কর্মচারীরা বিভিন্ন পরিমাণে বকেয়া পেতে পারেন। কম মূল বেতনের কর্মচারীরা বেশি সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে বললে, লেভেল ১,যাদের মূল বেতন ১৮,০০০ টাকা, সেই সকল কর্মচারীরা ৩.৬ লক্ষ থেকে ৫.৬৫ লক্ষ টাকার মধ্যে পেতে পারেন। অন্যদিকে, লেভেল ৮ যাদের মূল বেতন মূল বেতন ৪৭,৬০০ টাকা, সেসব কর্মচারীরা ৯.৫ লক্ষ থেকে ১.৫ মিলিয়ন টাকার মধ্যে পেতে পারেন।

    বড় ভূমিকা পালন করবে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর

    অষ্টম বেতন কমিশনে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সপ্তম বেতন কমিশনে এটি ছিল ২.৫৭, কিন্তু এবার সরকার ২.০ এবং ২.৫৭-এর মধ্যে বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করছে। এদিকে, কর্মচারী সংগঠনগুলো এটিকে ৩.০ থেকে ৩.২৫ পর্যন্ত বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছে। এই দাবি মেনে নেওয়া হলে, ন্যূনতম মূল বেতন ১৮,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৪,০০০ টাকা হতে পারে, যা কর্মচারীদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে।

    আরও পড়ুনঃ কাটবে LPG সংকট, রাজ্যগুলিতে ২০% গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা কেন্দ্রের

    এখন সকলের প্রশ্ন, কবে লাগু হবে অষ্টম বেতন পে কমিশন? একটি নতুন বেতন কমিশন সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর পর গঠিত হয়। এই রীতি অনুসরণ করে, অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশগুলো ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কমিশনের প্রধান হলেন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই এবং এটি ১৮ মাসের মধ্যে তার রিপোর্ট জমা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এবং নতুন বেতন কাঠামোটি কার্যকর করবে।

  • একধাক্কায় তলানিতে, সোনা-রুপোর দাম নিয়ে খুশির খবর

    একধাক্কায় তলানিতে, সোনা-রুপোর দাম নিয়ে খুশির খবর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সোনা, রুপোর দাম নিয়ে চরম সুসংবাদ। একধাক্কায় প্রায় ৫০০০ টাকা দরপতন হলুদ ধাতুর (Gold Price)। দিনের পর দিন আবারও তলানিতে ঠেকছে সোনা। দলে মধ্যবিত্তদের মুখে যে হাসি ফুটছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অন্যদিকে রুপো নিয়েও খুশির খবর। তবে কোন শহরে কততে বিক্রি হচ্ছে আজ সোনা, রুপো (Gold And Silver Price) তা জানতে হলে প্রতিবেদনটি পড়ুন। IBJA Rates-র রিপোর্ট অনুসারে—

    ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনার দাম | Gold Price Today |

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৩৭,৯৫০ টাকায় (-৪৬৫০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৩৩,৮০০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৩৩,৯৫০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৩৩,৮৫০ টাকায়।

    ২৪ ক্যারেট পাকা সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ২৪ ক্যারেট পাকা সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৫,১৫০ টাকায় (-৪৯০০)।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৫,৯৭০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌতে ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৬,১২০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরের ২৪ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৬,০২০ টাকায়।

    ১৮ ক্যারেট সোনার দাম

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,০৯,৪৮০ টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কেরালা, পুনে ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,০৯,৪৮০ টাকায়।

    ➣ আজ দিল্লি, লখনৌয়ের মতো শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,০৯,৬৩০ টাকায়।

    ➣ আজ ভদোদরা, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০ গ্রাম ১,০৯,৫৩০ টাকায়।

    আজ রুপোর বাজার দর | Silver Price Today |

    ➣ আজ কলকাতার বাজারে খুচরো রুপো বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২,২৬,৪০০ টাকায় (-১০,৭০০)।

    ➣ আজ চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ, কেরালা ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৫০,০০০ টাকায়।

    ➣ আজ মুম্বাই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, পুনে, আহমেদাবাদ ইত্যাদি শহরে প্রতি কেজি রুপো বিক্রি হচ্ছে ২,৪৫,০০০ টাকায়।

    বিঃদ্রঃ বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা শুধুমাত্র দাম নিয়ে আপডেট দিয়ে থাকি। কাউকে বিনিয়োগ করতে বাধ্য করি না।

  • ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার বাড়াল SBI, পোয়া বারো গ্রাহকদের

    ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার বাড়াল SBI, পোয়া বারো গ্রাহকদের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (State Bank of India) ভারতের সবথেকে বড় সরকারি ব্যাঙ্ক। বর্তমানে কয়েক কোটি মানুষের অ্যাকাউন্ট আছে SBI-এ। আপনারও কি অ্যাকাউন্ট আছে? ফিক্সড ডিপোজিট (Fixed Deposit) করবেন বলে ভাবছেন বা রয়েছে? তাহলে আপনার জন্য রইল দারুণ সুখবর। অর্থবর্ষ শেষ হওয়ার আগে এফডি অ্যাকাউন্টধারীদের জন্য সুখবর শুনিয়েছে ব্যাঙ্কটি। বাড়ল সুদের পরিমাণ। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    FD-তে সুদের হার বাড়াল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া

    এসবিআই ৩ কোটি টাকার বেশি বাল্ক ডিপোজিটের উপর সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট (Bps) বাড়িয়েছে। নতুন এই হার ১৫ মার্চ, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। এই সীমার নিচের ডিপোজিটের ক্ষেত্রে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকবে। ফিক্সড ডিপোজিটের সুদের হারে এই ২৫ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু মেয়াদের জন্য প্রযোজ্য। যেমন ৪৬ দিন থেকে ১৭৯ দিনের মধ্যে মেয়াদপূর্তি হওয়া বাল্ক ডিপোজিটের সুদের হার ৫.১০% থেকে বাড়িয়ে ৫.৩৫% করা হয়েছে। এছাড়াও ১৮০ দিন থেকে এক বছরের কম মেয়াদের ডিপোজিটের সুদের হার ৫.৬০% থেকে বাড়িয়ে ৫.৮৫% করা হয়েছে। এক বছর থেকে দুই বছরের কম মেয়াদের ডিপোজিটের সুদের হার ৬.২৫% থেকে বাড়িয়ে ৬.৫০% করা হয়েছে।

    প্রবীণ নাগরিকরা পাবেন বিশেষ সুবিধা

    ব্যাঙ্কের সিদ্ধান্তের ফলে সবথেকে বেশি লাভবান হবেন প্রবীণ নাগরিকরা। কারণ তাঁরা আগের মতোই উচ্চতর রিটার্ন পাবেন। ৪৬ থেকে ১৭৯ দিন পর্যন্ত মেয়াদের জন্য তাদের ক্ষেত্রে সুদের হার ৫.৬০% থেকে বাড়িয়ে ৫.৮৫% করা হয়েছে। ১৮০ দিন থেকে এক বছরের কম মেয়াদের আমানতের ক্ষেত্রে এখন ৬.৩৫% রিটার্ন পাওয়া যাবে, যা আগে ছিল ৬.১০%। এক বছর থেকে দুই বছরের কম মেয়াদের জন্য সংশোধিত হার ৭%, যা আগে ছিল ৬.৭৫%।

    আরও পড়ুনঃ কমবে সময়! মালদহ ডিভিশনে বিরাট পদক্ষেপ রেলের

    এখানে জানিয়ে রাখি, যেসব বিনিয়োগকারী মেয়াদপূর্তির আগে টাকা তুলতে চান, তাঁদের জরিমানা দিতে হবে। এসবিআই সব মেয়াদের বাল্ক ডিপোজিটের উপর ১% জরিমানা বহাল রেখেছে। এর মানে হলো, মেয়াদপূর্তির আগে টাকা তোলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সুদের হার ১% কমে যাবে।

  • সোনা কিনতে চাইছেন? ১ লক্ষ ২৭ হাজারে নামতে পারে হলুদ ধাতু! বড় খবর

    সোনা কিনতে চাইছেন? ১ লক্ষ ২৭ হাজারে নামতে পারে হলুদ ধাতু! বড় খবর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বিগত কয়েক মাস ধরে আকাশছোঁয়া সোনার দামে (Gold Price) সাধারণ মানুষ একেবারে নাভিশ্বাস হয়ে পড়েছিল। আমেরিকা, ইরান এবং ইজরায়েলের যুদ্ধের কারণে ১০ গ্রাম সোনার দাম তো ১.৬০ লক্ষ টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে রেকর্ড তৈরি হয়েছিল। তবে এবার সোনা প্রেমীদের জন্য রয়েছে বড়সড় স্বস্তির খবর। কারণ, বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন যে, খুব শীঘ্রই সোনার দামে আরও ধস নামতে পারে এবং ১০ গ্রাম সোনার দাম ১.২৭ লক্ষ টাকার কাছাকাছি নেমে আসার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    কেন কমছে সোনার দাম?

    আসলে বিশেষজ্ঞরা সোনার এই দরপতনের পেছনে প্রধান চারটি কারণ উল্লেখ করেছে। তার মধ্যে প্রথমত রয়েছে ডলারের শক্তি বৃদ্ধি। আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন ডলারের দাম দিনের পর দিন বাড়ছে। সাধারণত ডলার শক্তিশালী হলে সোনার চাহিদা এবং দাম উভয়ই কমে যায়। এদিকে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর যদি সুদের হার বেশি থাকে, তাহলে বিনিয়োগকারীরা সোনার থেকে ডলারে বেশি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়। অন্যদিকে সোনার দাম যখন ১.৫০ লক্ষ টাকা পার করেছিল, তখন বড় বিনিয়োগকারীরা সোনা বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিয়েছিল। যার কারণে বাজারে যোগান বেড়ে গিয়ে দাম কমতে শুরু করেছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার কারণে দিনের পর দিন মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। আর অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ার কারণে সোনার বাজার প্রভাবিত হচ্ছে।

    বাজারে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী দিনগুলোতে সোনা এবং রুপোর বাজারে মন্দাভাব দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে ভারতের বাজারে এমসিএক্স-এ বর্তমানে প্রতি ১০ গ্রাম সোনা পাওয়া যাচ্ছে ১,৪৪,৮২৫ টাকায়। আর সেই দাম নেমে আসতে পারে একেবারে ১,২৭,০০০ টাকায়। এমনকি আন্তর্জাতিক কমেক্স বাজারে বর্তমানে ১০ গ্রাম সোনার দাম ৪৫৭৪.৯০ মার্কিন ডলার। তাও নেমে আসতে পারে ৪২৫০ মার্কিন ডলারে।

    আরও পড়ুন: IPL শুরুর আগেই বিরাট অ্যাকশন সরকারের, নিষিদ্ধ বহু অ্যাপ, প্ল্যাটফর্ম

    আপনাদেরকে জানিয়ে রাখি, আজকের বাজার দর অনুযায়ী যদি সোনা কিনতে বা বেচতে যান, তাহলে অবশ্যই দাম মাথায় রাখা জরুরী। সেক্ষেত্রে ২৪ ক্যারেট পাকা সোনা ১ গ্রাম কিনতে গেলে খরচ পড়বে ১৪,৩৬৭ টাকা আর ২২ ক্যারেট গয়না সোনা ১ গ্রাম কিনতে গেলে খরচ পড়বে ১৩,৬৫০ টাকা এবং বিক্রি করতে গেলে পাবেন ১৩,০৭৪ টাকা। পাশাপাশি রুপো বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজিতে ২,৩১,৯৪১ টাকায়। তবে হ্যাঁ, সোনা এবং রুপোয় বিনিয়োগ সবসময় ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন। আমরা শুধুমাত্র বাজার বিশ্লেষণ করে কিছু পরামর্শ দিয়ে থাকি।

  • অষ্টম পে কমিশনে DA ফর্মুলা পরিবর্তন! কত বাড়বে বেতন, পেনশন? রইল হিসেব

    অষ্টম পে কমিশনে DA ফর্মুলা পরিবর্তন! কত বাড়বে বেতন, পেনশন? রইল হিসেব

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অষ্টম বেতন পে কমিশন নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়ছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে। কবে লাগু হবে হবে? বেতন কত বাড়বে? ডিএ (Dearness Allowance) ফর্মুলা কী হবে? উঠছে প্রশ্ন। এসবের মাঝেই এখন অষ্টম বেতন কমিশনের (8th Pay Commission) ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর বিষয়ে একটি বড় আপডেট সামনে এসেছে । পেনশনভোগীরা একটি নতুন ‘হাইব্রিড ফর্মুলা’র প্রস্তাব দিয়েছেন, যার ফলে বেতন ও পেনশনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। সেইসঙ্গে ডিএ নিয়েও সামনে এসেছে নয়া আপডেট যা সকলের জেনে রাখা উচিৎ।

    কী হবে DA ফর্মুলা?

    অষ্টম বেতন কমিশন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে উপযুক্ততা যাচাইয়ের বিষয়ে চাপ বাড়তে শুরু করেছে। ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর (Fitment Factor) হলো সেই একই গুণক, যার মাধ্যমে পুরোনো মূল বেতন নতুন বেতনে রূপান্তরিত করা হয় এবং এটিই পেনশন ও অন্যান্য ভাতার বৃদ্ধি নির্ধারণ করে। অল ইন্ডিয়া ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস (এআইটিইউসি) সহ বেশ কয়েকটি কর্মচারী সংগঠন ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান ব্যবস্থাটি পুনর্বিবেচনা করার জন্য সরকারকে অনুরোধ করেছে। তাই, বেতন ও পেনশন নির্ধারণের পদ্ধতিটি পুনরায় খতিয়ে দেখা উচিত। যদিও সরকার ডিএ ফর্মুলায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি।

    কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বেতনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ডিএ। মুদ্রাস্ফীতির তথ্যের ভিত্তিতে বছরে দুবার, জানুয়ারি ও জুলাই মাসে, এটি সংশোধন করা হয়। কর্মচারী সংগঠনগুলোর মতে, বর্তমান সূত্রটি এখন আর প্রকৃত ব্যয়কে সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে না। কর্মচারী ইউনিয়নগুলোর যুক্তি হলো, সময়ের সাথে সাথে জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলেও ডিএ (DA) গণনার ভিত্তি মূলত একই রয়ে গেছে। তাদের প্রধান দাবি হলো পরিবারের সদস্য সংখ্যায় পরিবর্তন। বর্তমানে, এই সূত্র অনুযায়ী একটি পরিবারকে তিনটি ভোগ একক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কর্মচারী ইউনিয়নগুলো চায়, নির্ভরশীল বাবা-মায়ের মতো খরচগুলো অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এই সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ করা হোক।

    শিল্প শ্রমিকদের জন্য সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (AICPI-IW)-এর উপর ভিত্তি করে ডিএ (DA) গণনা করা হয়। মুদ্রাস্ফীতির উপর ভিত্তি করে এই শতাংশ নির্ধারণ করা হয় এবং মূল বেতনের উপর প্রয়োগ করা হয়। বর্তমানে, জুলাই ২০২৫ থেকে ডিএ হল ৫৮ শতাংশ। জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে ২ থেকে ৩ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, যা এটিকে সম্ভাব্যভাবে ৬০ শতাংশ বা তারও বেশি নিয়ে যেতে পারে।

    বেতন বাড়বে?

    সরকার ডিএ (DA) সূত্র পরিবর্তন করলে তা বেতন ও পেনশনের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। পারিবারিক ভোগ ইউনিটের সংখ্যা তিন থেকে বাড়িয়ে পাঁচ করা হলে ন্যূনতম মজুরি ১৮,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০,০০০ টাকার বেশি হতে পারে। যেহেতু ডিএ মূল বেতনের একটি শতাংশ, তাই মূল বেতন বাড়লে ডিএ এবং পেনশন উভয়ই বাড়বে।

    কত ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর দাবি করা হয়েছিল?

    ফেডারেশন অফ ন্যাশনাল পোস্টাল অর্গানাইজেশনস (FNPO) প্রাথমিকভাবে ৩.০-এর একটি ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের আহ্বান জানিয়েছিল। ২০২৫ সালের একটি রিপোর্টের পরিসর ১.৮২ থেকে ২.৪৬ পর্যন্ত হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। এদিকে, রেলওয়ে প্রবীণ নাগরিক কল্যাণ কমিটি ২০২৬ সালের ১৪ই মার্চ কমিশনের চেয়ারপার্সনের কাছে একটি নতুন প্রস্তাব জমা দিয়েছে। কমিশনের ১৮টি প্রশ্ন সম্বলিত প্রশ্নমালার জবাবে এই পরামর্শটি পাঠানো হয়েছে। এই সংস্থাটি বলছে,সামঞ্জস্য গুণকটি এমন হওয়া উচিত, যা মুদ্রাস্ফীতি এবং পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে কর্মচারীদের, বিশেষ করে পেনশনভোগীদের, প্রকৃত আয়ের হ্রাসকে পূরণ করতে পারে।

    ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের হাইব্রিড সূত্রটি কী?

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কমিটি ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর নির্ধারণের জন্য একটি ‘হাইব্রিড মডেল’ গ্রহণের সুপারিশ করেছে। এই মডেলটি তিনটি পুরোনো পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত: ডঃ ওয়ালেস অ্যাকরয়েডের সূত্র, সপ্তম বেতন কমিশনের পদ্ধতি এবং পঞ্চম বেতন কমিশনের কনস্ট্যান্ট রিলেটিভ ইনকাম মডেল।

  • লিটারে ২ টাকা বাড়ল পেট্রোলের দাম! আজ থেকেই কার্যকর নয়া রেট

    লিটারে ২ টাকা বাড়ল পেট্রোলের দাম! আজ থেকেই কার্যকর নয়া রেট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আবারও বিরাট ধাক্কা খেল ভারত। বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের মাঝেই লাগল ধাক্কা। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের গণ্ডি পার হতেই দেশের বাজারে হাহাকার। জ্বালানির দাম দিনের পর দিন বাড়ছে। আর তেল বিপণন সংস্থাগুলি আজ থেকেই প্রিমিয়াম পেট্রোলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল (Petrol Price Hike)। কতটা বাড়ল এবার দাম?

    দেশজুড়ে বাড়ল পেট্রোলের দাম

    তেল বিপণন সংস্থাগুলির ঘোষণা অনুযায়ী, সাধারণ পেট্রোলের দাম এখনই বাড়ছে না। কিন্তু হ্যাঁ, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রিমিয়াম পেট্রোলের দাম বাড়ানো হয়েছে। আর এবার প্রতি লিটারে ২.০৯ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিপিসিএল-এর ‘স্পিড’, এইচপিসিএল-এর ‘পাওয়ার’ এবং আইওসিএল-এর ‘এক্সপি ৯৫’ এর মতো উন্নত মানের সব জ্বালানি। বিশেষ করে উন্নত ইঞ্জিন পারফরমেন্স এবং বেশি মাইলেজের জন্য ব্যবহার করা হয় এই জ্বালানি। তবে দাম বাড়ার কারনে বিলাসবহুল গাড়ি বা স্পোর্টস বাইক ব্যবহারকারীদের পকেটে যে আরও চাপ পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এদিকে ইরান সহ পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে দিনের পর দিন সংঘাত বেড়েই চলেছে। যার ফলে বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ার কারণে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম এখন আকাশছোঁয়া। তার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় দেশগুলি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করলেও অপরিশোধিত তেলের দাম আপাতত ১০০ ডলারের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছে।

    আরও পড়ুন: সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি! এবার ১০০-র গন্ডি টপকানোর পালা?

    সাধারণ পেট্রোল-ডিজেলের দাম কি বাড়বে?

    বলাবাহুল্য, বর্তমানে কেবল প্রিমিয়াম বা ব্র্যান্ডেড জ্বালানির দাম বাড়ানো হলেও সাধারণ মানুষ বা ডিলারদের কপালে পড়ছে চিন্তার ভাঁজ। কারণ, বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যদি এই হারে বাড়তে থাকে, তাহলে খুব শীঘ্রই সাধারণ পেট্রোল বা ডিজেলের দামও বাড়ানো হতে পারে। আর তেমনটা হলে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা থাকছে।

  • সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি! এবার ১০০-র গন্ডি টপকানোর পালা?

    সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি! এবার ১০০-র গন্ডি টপকানোর পালা?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এবার কি তাহলে ১০০-র গণ্ডি টপকাবে ভারতীয় মুদ্রা (Indian Rupee)? ডলারের বিপরীতে সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছল রুপি। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের (Middle East War) কারণে আগেই আশঙ্খা করা গিয়েছিল যে দিনের পর দিন আরও তলানিতে ঠেকবে দেশের মুদ্রা। সেই আশঙ্কায় সত্যি হল। শুক্রবার মার্কিন ডলারের (United States Dollar) বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার দাম দাঁড়াল একেবারে সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তর ৯৩.২৪ টাকায়। অর্থাৎ, এবার এক ডলার কিনতে গেলেই খোয়াতে হবে এত টাকা। অন্যদিকে বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ছে তেলের দাম। যার প্রভাব পড়ছে মুদ্রার উপরেই। তাহলে কী হবে দেশের অর্থনীতির?

    সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি

    বলে দিই, গত ৪ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে ৭০ পয়সা বেড়ে ৯২ এর গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছিল ভারতীয় মুদ্রা। এই সময় ডলারের বিপরীতে দাম দাঁড়ায় ৯২.১৭ টাকা। আর তার পাঁচ দিনের মধ্যে আরও ধস নামে রুপিতে। তখন সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তর ৯২.৩০ টাকায় গিয়ে পৌঁছয়।। তবে এবার আরও পতন হয়ে একেবারে ৯৩ এর গণ্ডি টপকে গেল। আজ সকালে বাজার খুলতেই একেবারে রক্তক্ষরণ রুপিতে। এক ডলার কিনতে গেলেই এখন পড়েছে ৯৩.২৪ টাকা। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যে হারে বাড়ছে তাতে সিংহভাগ চাপ পড়ছে মুদ্রার উপর। এই কারণেই গতকালের তুলনায় আরও ০.৪ শতাংশ তলানিতে রুপি।

    এক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের গণ্ডি টপকেছে। যার ফলে তেল আমদানি করতেই মুদ্রার উপর চাপ পড়ছে। সেই কারণে ডলারের বিপরীতে দিনের পর দিন এই পতন। বেশ কিছু বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি ক্রুড অয়েলের দাম ১২০ ডলারে পৌঁছে যায়, তাহলে রুপি আরও তলানিতে ঠেকবে। এমনকি তা ৯৪ তে গিয়ে পৌঁছবে। আর আশঙ্কা করা হচ্ছে যে যুদ্ধ যদি এরকমভাবে চলতে থাকে, তাহলে ১০০-র গণ্ডি টপকাতে খুব বেশিদিন সময় লাগবে না। অন্যদিকে শেয়ার বাজারেও পড়ছে ভয়ংকর প্রভাব। কারণ, সেন্সেক্স ও নিফটি ৫০ অনেকটাই লসের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ১১৩ বছরের রেকর্ড ব্রেক, প্রথম দিনেই ১০০ কোটির ক্লাব ছুঁল রণবীরের ‘ধুরন্ধর ২’

    বলাবাহুল্য, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে দিনের পর দিন সংঘাত বেড়েই চলেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর আমেরিকা এবং ইজরায়েলের উপর একের পর এক হামলা চালাচ্ছে তেহরান। যার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের যোগানে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। এমনকি সম্প্রতি কাতারের রাস লাফানে মিসাইল অ্যাটাক করেছে ইরান। যার কারণে গ্যাস আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ। আর হরমুজ প্রণালীতে ভারতেরতেলবাহী জাহাজগুলি আটকে রয়েছে। এক কথায়, গোটা বিশ্ব এখন জ্বালানি সংকটে ভুগছে। সেই কারণেই বাড়তি টাকা খরচ করে জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে ভারতকে। যার কারণে ডলারের বিপরীতে মুদ্রার পতন।