Category: ভারত

  • ৬০ টাকা দাম বাড়লেও ৩০০ টাকা কমে মিলবে LPG সিলিন্ডার, জানুন কীভাবে

    ৬০ টাকা দাম বাড়লেও ৩০০ টাকা কমে মিলবে LPG সিলিন্ডার, জানুন কীভাবে

    সহেলি মিত্র, কলকাতা; ইরান ও ইজরায়ের মধ্যে চলমার যুদ্ধের মাঝে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে গ্যাসের দাম (LPG Price)। সে বাণিজ্যিক হোক কিংবা ঘরোয়া, LPG সিলিন্ডারের দাম আকাশছোঁয়া। এদিকে গ্যাস বুকিং-এর নিয়মেও এসেছে বড় বদল। জায়গায় জায়গায় মিলছে না সিলিন্ডার। যে কারণে জায়গায় জায়গায় হাহাকার দেখা দিয়েছে। তবে আপনি কি জানেন যে এতকিছুর মধ্যেও আপনি এলপিজি গ্যাসের ক্ষেত্রে ভর্তুকি পাবেন? শুনে অবিশ্বাস্যকর লাগলেও এটাই সত্যি। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    LPG-র ওপর মিলবে ভর্তুকি

    পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাত এখন ভারতেও প্রভাব ফেলছে। এই উত্তেজনার মধ্যে, দেশীয় এবং বাণিজ্যিক উভয় ধরণের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে। একটি দেশীয় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা বেড়েছে। এই বৃদ্ধির ফলে একটি দেশীয় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৯০০ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। তবে, মোদী সরকারের একটি প্রকল্পের অধীনে, সুবিধাভোগীরা ৩০০ টাকার ভর্তুকি পাবেন।

    আরও পড়ুনঃ Failed হতে শুরু করল যুবসাথীর পেমেন্ট! SMS ঢুকলেও মিলছে না টাকা

    উজ্জ্বলা যোজনার (PM Ujjwala Yojana) সুবিধাভোগীরা ৩০০ টাকা ভর্তুকি সহ ৬১৩ টাকায় একটি এলপিজি সিলিন্ডার পাবেন। এই প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের জন্য এলপিজি আরও সাশ্রয়ী মূল্যের করে তুলতে এবং তাদের অব্যাহত এলপিজি ব্যবহার নিশ্চিত করতে, ২০২২ সালের মে মাসে, সরকার ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারে ২০০ টাকা ভর্তুকি প্রদান শুরু করে। পরে এটি ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারে ৩০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়। উল্লেখ্য যে উজ্জ্বলা যোজনার ১০ কোটিরও বেশি সুবিধাভোগী রয়েছে। এই প্রকল্পটি ২০১৬ সালে চালু করা হয়েছিল।

    এখন গ্যাসের দাম কত?

    ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOC) ওয়েবসাইট অনুসারে, নতুন মূল্যবৃদ্ধির পর, দিল্লিতে ভর্তুকিবিহীন LPG-এর ১৪.২ কেজির সিলিন্ডার এখন ৯১৩ টাকায় পাওয়া যাবে। এটি ২০২৩ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ স্তর। উল্লেখ্য, ১১ মাস পর গার্হস্থ্য LPG সিলিন্ডারের দাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এর আগে, ৮ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে, প্রতি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৮৫৩ টাকা করা হয়েছিল।

  • সাধ্যের মধ্যেই হতে পারে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের ভাড়া, কত? দেখুন রিপোর্ট

    সাধ্যের মধ্যেই হতে পারে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের ভাড়া, কত? দেখুন রিপোর্ট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দেশে কবে ছুটবে প্রথম বুলেট ট্রেন (Bullet Train)? সেই অপেক্ষায় দিন গুনছেন সমগ্র ভারতবাসী। ইতিমধ্যে কাজ অনেকটাই হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন মুম্বাই-আহমেদাবাদে ছুটবে বলে জানা গিয়েছে। প্রায়শই এই বিষয়ে আপডেট সামনে আসছে। কিন্তু এবার সামনে এল বুলেট ট্রেনের ভাড়া (Bullet Train Fare) কত হবে সেটা নিয়ে। দাম কি আকাশছোঁয়া হবে নাকি বাজেটের মধ্যেই হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    কত হবে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের ভাড়া?

    এখন সকলের মুখে একটাই প্রশ্ন, কবে ছুটবে, স্পিড কত হবে, বুলেট ট্রেনের ভাড়া কত হবে? সাধারণ মানুষের যেন আর তড় সইছে না। ইতিমধ্যে দেশে বন্দে ভারত থেকে শুরু করে শতাব্দী এক্সপ্রেস, তেজস এক্সপ্রেসের মতো কিছু সেমি হাইস্পিড এবং প্রিমিয়াম ট্রেন ছুটছে। আগামী দিনে দেশে আরও সংখ্যা বাড়বে এই ট্রেনগুলির। অপরদিকে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ পেশ করে সরকার দেশে আরও ৭টি হাইস্পিড রেল করিডোরের ঘোষণা করে। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই সরকারের ওপর বিশেষ নজর পড়েছে মানুষের। যাইহোক, আজ কথা হচ্ছে বুলেট ট্রেনের ভাড়া কত হতে পারে সেই বিষয়ে। এই বিষয়ে সরকারের তরফে এখনও অবধি আনুষ্ঠানিক কিছু ঘোষণা করা হয়নি বটে। তবে এই মর্মে একটি বিশেষ আপডেট সামনে এসেছে।

    ৩০০০ টাকা অবধি ভাড়া হতে পারে?

    সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক রিপোর্ট অনুযায়ী, মুম্বাই -আহমেদাবাদের মধ্যে প্রথম বুলেট ট্রেনের ভাড়া খুবই সাশ্রয়ী মূল্যের হতে চলেছে। অর্থাৎ সাধারণ যাত্রীদের নাগালের মধ্যেই দাম থাকতে পারে বলে NHSRCL সূত্রে খবর। আবার কিছু জায়গায় এও দাবি করা হয়েছে, সরকার বুলেট ট্রেনের টিকিটের দাম একটি ফ্লাইট বা এসি ট্রেনের সমান রাখার প্ল্যান করছে।

    আরও পড়ুনঃ অবশেষে বকেয়া DA দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    পুরো রুট অর্থাৎ মুম্বাই থেকে আহমেদাবাদ এবং আহমেদাবাদ থেকে মুম্বাই যাওয়ার জন্য প্রায় ৩০০০ টাকা অবধি হতে পারে বলে সূত্রের খবর। এই ভাড়া অনেকের কাছে কম তো আবার অনেকের কাছে বেশি হতে পারে। সঙ্গে এও প্রশ্ন উঠছে, যদি টিকিটের মূল্য প্রায় ৩০০০ হয় তাহলে ভারতের কতজন মানুষ সত্যিই নিয়মিতভাবে বুলেট ট্রেন ব্যবহার করবেন? প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। যদিও চূড়ান্ত বিষয়ে জানার জন্য সরকারের বিজ্ঞপ্তির জন্য অপেক্ষা করতেই হবে।

  • ৫৪১ সাংসদের মধ্যে বেতন, সুযোগ সুবিধা নেন না ২ জন! কারা তাঁরা? সামনে এল নাম

    ৫৪১ সাংসদের মধ্যে বেতন, সুযোগ সুবিধা নেন না ২ জন! কারা তাঁরা? সামনে এল নাম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মন্ত্রী সাংসদদের বেতন নিয়ে বরাবরই একটি কৌতূহল থাকে রাজ্যবাসীর। এমনকি সাংসদ বা বিধায়কদের বেতন ও ভাতা বৃদ্ধি নিয়ে অনেক রাজনৈতিক দলকেই ভালো মন্দ মন্তব্যও পর্যন্ত করতে দেখা যায়। আর এবার লোকসভার সাংসদদের বেতন (MP Salary) নিয়ে করা হল RTI ফাইল। আর তারই জবাবে উঠে এল চাঞ্চল্যকর ও অনুপ্রেরণামূলক তথ্য। জানা গেছে, বর্তমান লোকসভার সদস্যের মধ্যে মাত্র দুইজন সাংসদ সরকারি কোষাগার থেকে কোনো বেতন গ্রহণ করেন না।

    বেতন এবং সুযোগ সুবিধা নেন না দুই সাংসদ

    লোকসভা সচিবালয়ের দেওয়া আরটিআই আবেদনের জবাবে জানানো হয়েছে, বর্তমান লোকসভার সদস্যের মধ্যে মাত্র দুইজন সাংসদ সরকারি কোষাগার থেকে কোনো বেতন নেন না। আর সেই দুজন সাংসদ হলেন হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রের বিজেপি সাংসদ নবীন জিন্দাল এবং অপরজন হলেন ইম্ফলের কংগ্রেসের সাংসদ ড. বিমল আকোইজাম আঙ্গোমচা। RTI অনুযায়ী, এই দুই সাংসদ হিসেবে কোনও বেতন, ভাতা বা সরকারি সুযোগ সুবিধা কিছুই নেন না। নবীন জিন্দালের হলফনামা অনুযায়ী, সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১,২৪১ কোটি টাকা। অন্যদিকে বিমল আকোইজামের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯৭ লক্ষ।

    সাংসদদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী কারা?

    উল্লেখ্য, লোকসভার অন্যতম ধনী সাংসদ হলেন বিজেপির নবীন জিন্দাল, তবে তিনি সবচেয়ে ধনী সাংসদ নন। সেই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুরের তেলুগু দেশম পার্টি সাংসদ চন্দ্রশেখর পেম্মাসানি। তাঁর ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৫,৭০৫ কোটি টাকা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন তেলঙ্গানার চেভেল্লার বিজেপি সাংসদ কোন্দা বিশ্বেশ্বর রেড্ডি। তাঁর ঘোষিত সম্পত্তি ৪,৫৬৮ কোটি টাকার। এদিকে বিপুল সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও তাঁরা মাসের শেষে বেতন নেন। আর সেই নিরিখে বিমল আকোইজামের ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ কম থাকলেও বেতন না নেওয়ায় এক অনন্য নজির গড়ে তুলেছেন।

    আরও পড়ুন: ১ এপ্রিল থেকে বাড়ছে FasTag অ্যানুয়াল পাসের দাম! এবার কত হবে?

    প্রসঙ্গত, লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে লোকসভার মোট আসন ৫৪৩টি হলেও বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৪১। কারণ এইমুহুর্তে দুই সাংসদের আসন খালি। তাঁদের মধ্যে ৪৮১ জন সাংসদ প্রতি মাসে বেতন নেন। বাকিরা সবাই বেতন ও ভাতা নেন কি না, সে বিষয়ে আরটিআই রিপোর্টে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

  • পুরুলিয়া থেকে দিল্লির ট্রেনের ঘোষণা দক্ষিণ পূর্ব রেলের, দেখুন সময়সূচি

    পুরুলিয়া থেকে দিল্লির ট্রেনের ঘোষণা দক্ষিণ পূর্ব রেলের, দেখুন সময়সূচি

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: আরো একবার বিরাট চমক দিতে চলেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। আসলে রেলের তরফে বাংলার জন্য এক বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে যার দরুণ উপকৃত হবেন সাধারণ রেলযাত্রীরা। এমনিতে যত সময় এগোচ্ছে ততই ভারতীয় রেল নিজেদেরকে আপগ্রেড করছে। আনা হচ্ছে নিত্য নতুন ট্রেন তো তৈরী হচ্ছে রেল লাইন। সেইসঙ্গে বহু স্টেশনের পুননির্মাণ তো আছেই। তবে এবার রেলের তরফে বাংলার এক দীর্ঘ প্রতীক্ষিত রুটে ট্রেন পরিষেবা করতে চলেছে রেল। নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন রুট? চলুন জেনে নেবেন।

    এবার পুরুলিয়া থেকে সরাসরি দিল্লী অবধি মিলবে ট্রেন

    সকলকে চমকে দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফে একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আর এই বিজ্ঞপ্তি দেখে খুশি হয়েছেন বহু মানুষ। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পুরুলিয়াবাসীদের জন্য শীঘ্রই সুখবর আছে চলেছে। আসলে ভারতীয় রেল পুরুলিয়া থেকে আনন্দ বিহার টার্মিনালের মধ্যে নতুন এক ট্রেন (Purulia Delhi Train) পরিষেবার শুরু করছে বলে খবর। এই পরিষেবাটি শুরু হলে উপকৃত হবেন মানুষ।

    কী বলছে রেল?

    আসলে এতদিন পুরুলিয়া থেকে দিল্লী যাওয়ার জন্য অনেক কাঠখোড় পোড়াতে হত সাধারণ মানুষকে। দিল্লীগামী ট্রেন ধরতে অন্য স্টেশনের ওপর ভরসা রাখতে হত। তবে এবার আর তা হবে না। এবার সরাসরি পুরুলিয়া থেকে দিল্লীর উদ্দেশ্যে ট্রেন যাত্রা আরামদায়ক হতে চলেছে বলে খবর। এই বিষয়ে বড় তথ্য দিয়েছেন আদ্রা ডিভিশনের সিনিয়র ডিসিএম বিকাশ কুমার। তিনি জানিয়েছেন, “১৪০২১/১৪০২২ পুরুলিয়া–আনন্দবিহার এক্সপ্রেস শীঘ্রই চালু করা হবে।”

    ট্রেনের সময়সূচি ও স্টপেজ

    ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, ট্রেন নম্বর ১৪০২১ পুরুলিয়া–আনন্দ বিহার এক্সপ্রেস প্রতি শুক্রবার বিকেল ৫টা নাগাদ পুরুলিয়া স্টেশন থেকে ছাড়বে এবং পরের দিন রাত ১১টা ১০ মিনিটে দিল্লির আনন্দ বিহার টার্মিনালে পৌঁছাবে ফিরতি পথে ট্রেন নম্বর ১৪০২২ আনন্দবিহার–পুরুলিয়া এক্সপ্রেস প্রতি বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা নাগাদ আনন্দ বিহার থেকে ছাড়বে এবং পরের দিন সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে পুরুলিয়ায় পৌঁছাবে। এমনটাই জানিয়েছেন বিকাশ কুমার।

    আরও পড়ুনঃ অবশেষে বকেয়া DA দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    এবার আসা যাক ট্রেনটির স্টপেজ সম্পর্কে। জানা গিয়েছে, নতুন ট্রেনটি মুরি, রাঁচি, লোহরদাগা, তোরি, বরবাদিহ, লাতেহার, ডাল্টনগঞ্জ, গড়ওয়া রোড, জপলা, ডেহরি-অন-সোন, সাসারাম, ভভুয়া রোড, পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশন, বারাণসী, অযোধ্যা ক্যান্ট, লখনউ, বেয়ারেলি এবং মোরাদাবাদ স্টেশনে দাঁড়াবে।

    আরও পড়ুনঃ আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস পেল নয়া স্টপেজ, কোন স্টেশনে দাঁড়াবে জানাল রেল

    যদিও রেলের পোস্টে কমেন্টে অনেকে অনেক রকম মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘এই ট্রেনটা হাওড়া থেকে মসাগ্রাম বাঁকুড়া পুরুলিয়া চালু করুন তাহলে আরো মানুষের সুবিধা হবে। পুরুলিয়া থেকে ৪টি আছে কিন্তু বাঁকুড়া থেকে দিল্লি মাত্র ২টি ট্রেন।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘আগে হাওড়া থেকে পুরুলিয়া এক্সপ্রেস তার টাইমে চালানোর ব্যবস্থা করুন লজ্জা লাগে। লোককে বলতে লজ্জা লাগে যে পুরুলিয়া এক্সপ্রেস ট্রেনে হাওড়া থেকে আসুন। ট্রেনটা কখন পুরুলিয়া আসবে কেউ জানে না? বন্দে ভারতকে প্রমোট করার জন্যই এই অবস্থা।’

  • দাম বৃদ্ধি তো ছিলই, এখন অমিল গ্যাস! LPG সঙ্কটে শহরের সমস্ত হোটেল বন্ধের সিদ্ধান্ত

    দাম বৃদ্ধি তো ছিলই, এখন অমিল গ্যাস! LPG সঙ্কটে শহরের সমস্ত হোটেল বন্ধের সিদ্ধান্ত

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ইরান এবং ইজরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে রীতিমত কাবু হয়ে উঠেছে গোটা বিশ্ব। দু’পক্ষের মধ্যে আক্রমণ এবং প্রতি আক্রমণের ফলে কোপ পড়েছে জ্বালানিতে। ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে বেড়েছে রান্নার গ‍্যাসের (Gas Cylinder Price Hike) দামও। এদিকে এই যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru) দেখা দিয়েছে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার সরবরাহের চরম অভাব। ফলে বেঙ্গালুরু শহর জুড়ে বন্ধ হতে চলেছে সমস্ত হোটেল, রেস্তোরাঁ (Bengaluru Hotels Shut Down)। মারাত্মক ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা।

    গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে মহা সমস্যায় ব্যবসায়ীরা

    জানা গিয়েছে, ইরান এবং ইজরায়েলের যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বন্ধ রয়েছে হরমুজ প্রণালী, যেখান দিয়ে বিশ্ব বাজারে সিংহভাগ আমদানি-রফতানি হয় তেলের। তার জেরেই গোটা বিশ্ব সহ ভারতে, জ্বালানির সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ১৪ কেজির রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৬৩ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। একইসঙ্গে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ১১৫ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। সাপ্লাই নিয়ন্ত্রণে রাখতে গ্যাস বুকিংয়ের নিয়মেও বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে সরকার। আর তার প্রভাবেই মহা সমস্যায় পড়েছে হোটেল ব্যবসায়ীরা। জানা গিয়েছে, আজ মঙ্গলবার থেকে বন্ধ হতে চলেছে বেঙ্গালুরুর সমস্ত হোটেল। ইতিমধ্যেই একটি নোটিস জারি করেছে বেঙ্গালুরুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশন।

    হোটেল বন্ধের নির্দেশিকা ব্যবসায়ীদের

    বেঙ্গালুরুর হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন গতকাল অর্থাৎ সোমবার তাদের তরফে এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হোটেল ইন্ডাস্ট্রি একটি জরুরি পরিষেবা। সাধারণ মানুষ, বয়স্ক লোকজন, ছাত্রছাত্রীরা, মেডিক্যাল পেশায় যুক্ত মানুষরা – অনেক অনেক মানুষ প্রতিদিন বিভিন্ন ভাবে নির্ভর করেন হোটেল-রেস্তোরাঁর উপর। আজ থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার সরবরাহ। ফলে হোটেলের উপর নির্ভরশীল বহু মানুষ সমস্যায় পড়বেন। হাইটেক সিটির সব হোটেল বন্ধ করার ভাবনাচিন্তা করছে। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা যেন অবিলম্বে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের পরিষেবা ঠিকভাবে চালু করার ব্যবস্থা করেন।

    আরও পড়ুন: তেলের সঙ্কট বাংলাদেশে, উদ্ধারে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত

    হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের হোটেল রেস্তোরাঁ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার জানিয়েছেন, সিলিন্ডারের দাম বাড়াই প্রধান কারণ। তবে সরবরাহও আরেকটি কারণ। এখন এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হোটেল অ্যাসোসিয়েশগুলি যদি সংঘটিত হয়, তবে সেটা তাদের অধিকার আছে। এদিকে গ্যাস ডেলিভারি কর্মীরা জানাচ্ছেন, বাস্তবে এখনও এলপিজির কোনও বড় ধরনের ঘাটতি নেই। কিন্তু যুদ্ধের ফলে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এই আশঙ্কাতেই অনেকে আগাম সিলিন্ডার তুলে রাখছেন। এতেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা শুরু করেছেন সিলিন্ডারের কালোবাজারি, আর তাই এই সংকট।

  • তেলের সঙ্কট বাংলাদেশে, উদ্ধারে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত

    তেলের সঙ্কট বাংলাদেশে, উদ্ধারে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে গোটা দেশ জুড়ে তীব্র তেলের সংকট দেখা যাচ্ছে। পেট্রোল ডিজেলের দাম বেড়েই চলেছে। এদিকে মূল্যবৃদ্ধির আঁচ পড়েছে বাংলাদেশে (Bangladesh)। জানা গিয়েছে, সেখানে বহু জায়গায় পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। গাড়িতে তেল ভরার জন্য বাকি পাম্পগুলিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে অনেককে। মহা সমস্যায় পড়েছে ওপার বাংলার মানুষ। আর এই পরিস্থিতিতে এবার ভারত থেকে ডিজেল (India Sends Diesel) পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে, তাও আবার পাইপলাইনের মাধ্যমে।

    আজই বাংলাদেশে যাচ্ছে ডিজেল

    বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ওরফে BPC-র বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে যাচ্ছে। আর এই জ্বালানি তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে ওই দেশে পৌঁছাবে। ইতিমধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। মূলত জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখতে এবং দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

    ভারত বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ে বৈঠক

    উল্লেখ্য, গত রবিবার জ্বালানি সংকট মেটাতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সেখানে বাংলাদেশ-ভারত পাইপলাইন দিয়ে আগামী চার মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ। তাই সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের তৎপরতার ৫ হাজার টনের ডিজেল পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে যাচ্ছে। অন্যদিকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল সরবরাহে পরিবহন খরচ এবং সময় দুটোই সাশ্রয় হবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    প্রসঙ্গত, ভারত, ২০২৩ সালে ৩৫ হাজার ৭১৮ মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করেছিল বাংলাদেশকে। এরপর ২০২৪ সালে ২৮ হাজার ২০৪ মেট্রিক টন এবং ২০২৫ সালে এক লাখ ২৪ হাজার ২১৬ মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করেছে। এছাড়া ভারত থেকে বিভিন্ন সময় জেটফুয়েল, ফার্নেস অয়েল এমনকি অকটেনও আমদানি করেছিল বাংলাদেশ। স্বাভাবিকভাবে আশা করা যাচ্ছে এইবারে হয়তো ধীরে ধীরে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হবে।

  • গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে ততই পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে পশ্চিম এশিয়ার। সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল এবং এলপিজির (LPG Cylinder) দাম বৃদ্ধির মধ্যে কেন্দ্র সরকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে। সরকার দাবি করেছে যে ভারতে পেট্রোল, ডিজেল বা অপরিশোধিত তেলের কোনও সংকট নেই। তবে, রান্নার গ্যাস (এলপিজি) এবং পিএনজির অভ্যন্তরীণ সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ হ্রাস করা এবং অভ্যন্তরীণ গ্যাসের বুকিংয়ের সময় বাড়ানো। এসবের মধ্যেই, LPG নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    LPG নিয়ে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    এখন সমস্ত তেল কোম্পানিকে এলপিজি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রের মোদী সরকার। এমনিতেই রান্নার গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখা। ভারত তার এলপিজি চাহিদার একটি বড় অংশ আমদানি করে, যার ৮৫-৯০% অবদান মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি রাখে। বিগত ১০ দিন ধরে, যেহেতু সংকট আমদানির উপর চাপ বাড়িয়েছে, তাই অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি করে ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। এদিকে বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন এলপিজি গ্যাস ব্ল্যাকে বিক্রি করার অভিযোগও সামনে আসছে। এহেন পরিস্থিতিতে কালোবাজারি রোধ করতে, অভ্যন্তরীণ এলপিজি রিফিল বুকিংয়ের জন্য সর্বনিম্ন অপেক্ষার সময়কাল ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে।

    সরকারের এই পদক্ষেপ গ্যাসের সুষম বন্টন নিশ্চিত করবে এবং অভাবী মানুষের কাছে এর সরবরাহ সহজতর করবে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করা এলপিজি এখন হাসপাতাল এবং স্কুলের মতো প্রয়োজনীয় খাতের জন্য অগ্রাধিকার পাবে। হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং শিল্পের অনুরোধ পর্যালোচনা করার জন্য তিনটি তেল বিপণন সংস্থার (ওএমসি) নির্বাহী পরিচালকদের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি গ্যাসের প্রাপ্যতা এবং অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে।

    LPG বুকিং এর সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে

    সরকার গার্হস্থ্য এলপিজি সিলিন্ডারের বুকিং সময়কাল ১৫ থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করেছে। অর্থাৎ গ্রাহকরা সিলিন্ডার সরবরাহের পর ২৫ দিনের মধ্যে আর একটি সিলিন্ডার বুক করতে পারবেন না। তবে, সরকারের যুক্তি হল যে গড়ে গ্রাহক বছরে সাতটি সিলিন্ডার ব্যবহার করেন, যার অর্থ তারা প্রতিটি সিলিন্ডার প্রায় ৫০ দিন ব্যবহার করেন। অতএব, ২৫ দিনের বুকিং সময়কাল কোনও সমস্যা হওয়া উচিত নয়।

    আরও পড়ুনঃ এবার থেকে ট্রেন যাত্রীদের জীবন বাঁচাবে AI ও ড্রোন! বড় পদক্ষেপ ভারতীয় রেলের

    পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ছে?

    এই মুহূর্তে সকলের মধ্যে একটা ভয় কাজ করছে। পেট্রোল ডিজেলের দাম বাড়বে না তো? প্রশ্ন সকলের। সরকার জানিয়েছে যে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম তাৎক্ষণিকভাবে বৃদ্ধির কোনও সম্ভাবনা নেই। মন্ত্রকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেলেও পরিস্থিতি এখনও এমন পর্যায়ে পৌঁছায়নি যেখানে দাম বাড়ানো উচিত বলে মনে হয়। তাঁর মতে, যদি অপরিশোধিত তেলের দাম ১২০ থেকে ১২৫ ডলারের কাছাকাছি থাকে, তাহলে তেল কোম্পানিগুলি উল্লেখযোগ্য চাপের মধ্যে পড়বে না। তবে, যদি দাম বৃদ্ধি পায়, তাহলে পরিস্থিতি ভিন্ন হবে।

  • এবার থেকে ট্রেন যাত্রীদের জীবন বাঁচাবে AI ও ড্রোন! বড় পদক্ষেপ ভারতীয় রেলের

    এবার থেকে ট্রেন যাত্রীদের জীবন বাঁচাবে AI ও ড্রোন! বড় পদক্ষেপ ভারতীয় রেলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সাম্প্রতিক বছরগুলিতে একাধিক ট্রেন দুর্ঘটনার (Indian Railways) সাক্ষী থেকেছেন দেশবাসী। তাতে কোল খালি হয়েছে বহু মায়ের। তাই নতুন করে আর যাতে কোনও যাত্রীর প্রাণহানি না ঘটে সর্বোপরি যাত্রী সুরক্ষার্থে এবং রেলের সম্পত্তি বাঁচাতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial intelligence) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নিচ্ছে রেল। শুধু তাই নয়, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব আগেই জানিয়েছিলেন দুর্ঘটনার পরে ব্যবস্থা নয় বরং কোনও রকম রেল দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সেই উদ্দেশ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। রেলমন্ত্রীর কথা মতোই দুর্ঘটনা ঠেকাতে এবং যাত্রীদের সুরক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে AI এর পাশাপাশি কৃত্রিম ড্রোনেরও সাহায্য নিচ্ছে ভারতীয় রেলওয়ে। যা একদিক থেকে প্রাণ বাঁচাবে যাত্রীদের।

    এভাবে রেল যাত্রীদের প্রাণ বাঁচাবে AI ও কৃত্রিম ড্রোন

    ভারতীয় রেল জানিয়েছে, বর্তমান ডিজিটাল যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে ব্যবহার করে দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব। মূলত সে কারণেই AI কে যাত্রীদের সুরক্ষার্থে ব্যবহার করতে চাইছে তারা। রেল বলছে, AI সিস্টেমকে ব্যবহার করে রেল ট্র্যাক দিয়ে হাতি পারাপার করছে কিনা তা সনাক্ত করা যায়। একই সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমেই ট্রেনের কোনও বগিতে আগুন লেগেছে কিনা আগুন লেগে থাকলে ঠিক কোন বগিতে আগুন লেগেছে তার প্রাথমিক সতর্ক বার্তা পেয়ে যাবেন চালক।

    শুধু তাই নয়, কৃত্রিম ড্রোন ব্যবহার করে রেল ট্র্যাকের কোথাও ভাঙা রয়েছে কিনা থাকলে ঠিক কতটা অংশ ভাঙা অবস্থায় রয়েছে সবটাই জানা সম্ভব। রেল সূত্রে খবর, এই ড্রোনই ট্রাকের ভাঙা অংশ চিহ্নিত করে রেল আধিকারিকদের বার্তা পাঠাবে। পরবর্তীতে সেই বার্তা থেকেই সতর্ক হয়ে যাবেন চালকও। এর ফলে গোটা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রেলপথ গুলির ভাঙা অংশ সহজে এবং দ্রুত মেরামত করা সম্ভব হবে। এছাড়াও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম এবং ড্রোনকে ব্যবহার করে কুয়াশায় ব্লকেজ সনাক্ত করা থেকে শুরু করে রেল ট্র্যাকে কিছু পড়ে রয়েছে কিনা ট্র্যাক ক্লিয়ার রয়েছে কিনা সবটাই জানা সম্ভব। সব মিলিয়ে বলা যায়, ভারতীয় রেলের হাত ধরে ড্রোন এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম ট্রেন যাত্রীদের জীবন বাঁচিয়ে দেবে।

    অবশ্যই পড়ুন: “ভারত ক্রিকেটটাকেই ধ্বংস করে দিচ্ছে”, সূর্যরা ফাইনাল জিততেই বললেন শোয়েব আখতার

    উল্লেখ্য, দিন দিন দেশজুড়ে বাড়ছে রেল দুর্ঘটনা। খবরের কাগজ খুললেই এতদিন চোখে পড়ছিল একের পর এক ট্রেন অ্যাক্সিডেন্টের খবর। আসলে বর্তমান সময়ে রেল লাইনের পরীক্ষা মানুষের চোখ এবং কানের উপর নির্ভরশীল। তবে রক্তমাংসে করা মানুষের বদলে এই দায়িত্ব যদি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হাতে ছেড়ে দেওয়া যায়, তাতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি যেমন কমবে তেমনই বেঁচে যাবে প্রাণ, এমনটাই মনে করেন অভিজ্ঞ মহলের একটা বড় অংশ। তাঁদের দাবি, আধুনিক যুগে রেল দুর্ঘটনা কমাতে AI এর সাহায্য নিতেই হবে।

  • দৃষ্টিশক্তি ছাড়াই UPSC-তে ২০ তম র‍্যাঙ্ক, খান স্যারের লেকচার শুনে IAS কৃষকের ছেলে

    দৃষ্টিশক্তি ছাড়াই UPSC-তে ২০ তম র‍্যাঙ্ক, খান স্যারের লেকচার শুনে IAS কৃষকের ছেলে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সাফল্য কখন যে কাকে কীভাবে ধরা দেয় তা কেউ বলতে পারে না। দৃষ্টিশক্তি ছাড়াই ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বিরাট কৃতিত্ব (UPSC Success Story) অর্জন করলেন বিহারের বাসিন্দা রবি রাজ। হ্যাঁ, বিহারের যুবক রবি রাজ গোটা দেশের মধ্যে ২০ তম র‍্যাঙ্ক অর্জন করেছেন কোনও রকম দৃষ্টিশক্তি ছাড়াই। আর তাঁর পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছেন নিজের মা এবং খান স্যার। এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে? বুঝিয়ে বলছি সবটা।

    দৃষ্টিশক্তি ছাড়াই কৃতিত্ব যুবকের

    নিউজ ১৮-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, বিহারের নওয়াদা জেলায় আকবরপুর ব্লকের মাহুলি গ্রামের বাসিন্দা রবি রাজ শৈশবে এক অসুস্থতার কারণে তাঁর দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। গ্রামের ছোট্ট একটি কৃষক পরিবারের সদস্য তিনি। আর তাঁর বাবা কৃষিকাজ করেই সীমিত উপার্জন করতেন। কিন্তু ছেলের পড়াশোনা এবং অন্যান্য চাহিদাকে কখনো অবহেলা করেননি। তবে দৃষ্টিশক্তি হারানোর পর যখন তিনি ভেবেছিলেন যে তাঁর জীবন অন্ধকারে ডুবে গিয়েছে, তখন সেই ভুল প্রমাণ করেন তাঁর নিজের মা। হ্যাঁ, রবির কাছে সাফল্যের সবথেকে বড় নায়ক ছিলেন তাঁর মা বিভা সিনহা।

    জানা যাচ্ছে, একজন গৃহিণী হিসেবেই বিভা সিনহা নিজের ছেলের আইপিএস অফিসার গড়ে তোলার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। তিনি রবিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে বই পড়ে শোনাতেন। আর রবি সেগুলি মুখস্থ করে পড়তেন। একসাথে মা-ছেলের জুটি তাঁকে এই বিরাট কৃতিত্ব অর্জন করিয়েছে। রবি নিজেই বলেছেন যে, তাঁর সাফল্যের ৯০ শতাংশ কৃতিত্ব তাঁর মায়ের, যিনি তাঁকে কখনো অন্যদের থেকে আলাদাভাবে দেখেননি। বরং, সবসময় নিজের সর্বত্র চেষ্টা দিয়ে ছেলেকে সাফল্যের পথে এগিয়ে দিয়েছেন।

    খান স্যারের বক্তৃতা শুনেই সাফল্য

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবি প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বাড়িতে পড়াশোনা করতেন। আর দৃষ্টিশক্তি কম থাকা সত্ত্বেও তিনি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পড়তেন। হ্যাঁ, তিনি নিয়মিত ইউটিউবে খান স্যারের বক্তৃতা শুনতেন। আর খান স্যারের ক্লাসগুলোর মাধ্যমেই তাঁর জীবন বদলে যায়। রবি নিজেই জানিয়েছেন যে, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পেছনে মায়ের পাশাপাশি খান স্যারের অবদানও অনস্বীকার্য। শেখার আগ্রহ থাকলে অর্থাভাব বা শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কখনোই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।

    আরও পড়ুন: ‘আমার অনুমতি ছাড়া টিকতে পারবে না!’ মোজতবা খামেনি নির্বাচিত হওয়াতে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    জানা যাচ্ছে, ২০২৪ সালে বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশনের ৫৯ তম সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় রবি রাজ উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। তারপর তিনি রাজস্ব কর্মকর্তা পদে নির্বাচিত হন। তবে তাঁর স্বপ্ন ছিল আইএস অফিসার হওয়ার। ২০২৪ সালে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দিয়েছিলেন তিনি। সেখান তিনি ১৮২ তম র‍্যাঙ্ক অর্জন করেন। পরপর তিনবার ব্যর্থ হওয়া সত্বেও চতুর্থ প্রচেষ্টায় তিনি ইউপিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। আর পঞ্চমবার প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি শীর্ষ ২০ র‍্যাঙ্ক অর্জন করেন। আর এবার তিনি ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবাতে যোগ দেবেন। এক কথায়, তাঁর এই সাফল্য লক্ষ লক্ষ প্রার্থীদের জন্য যে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

  • চালু হল দেশের প্রথম রিং মেট্রো, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    চালু হল দেশের প্রথম রিং মেট্রো, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রবিবার ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের দিন দিল্লির বুকে দাঁড়িয়ে দুটি নতুন মেট্রো করিডোর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (India’s First Ring Metro)। সেই সাথে সবুজ পতাকা দেখিয়ে দেশের প্রথম রিং মেট্রো চালু করেন তিনি (Narendra Modi) । এখানেই শেষ নয়, এদিনই একাধিক পরিকাঠামো এবং আবাসনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও 18 হাজার 300 কোটির নতুন আরও দুটি মেট্রো প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন দেশের চৌকিদার।

    দিল্লির কোন দুই রুটে নতুন মেট্রো করিডোর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী?

    রবিবার নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে দিল্লির বুকে যে নতুন দুটি মেট্রো করিডোরের উদ্বোধন হয়েছিল তার মধ্যে প্রথমটি 12.3 কিলোমিটার দীর্ঘ মজলিস পার্ক-মৌজপুর বাবরপুর মেট্রো করিডোর। এটি মূলত দিল্লি মেট্রোর পিঙ্ক লাইন। দ্বিতীয়টি ম্যাজেন্টা লাইনের 9.9 কিলোমিটার দীর্ঘ দীপালি চক-মজলিস পার্ক মেট্রো করিডোর। ভারতীয় রেল সুত্রে খবর, দিল্লির নতুন দুই মেট্রো করিডোর উদ্বোধনের পাশাপাশি নতুন রিং মেট্রো চালু করতে মোট খরচ হয়েছে 33 হাজার 500 কোটি টাকা।

    তবে স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে নতুন দুই মেট্রো করিডোর মিলিয়ে গোটা প্রকল্পটির নাম কেন রিং মেট্রো? এ প্রসঙ্গে বলে রাখি, দিল্লি মেট্রোর পিঙ্ক লাইনের মজলিস পার্ক-মৌজপুর বাবরপুর মেট্রো করিডোর এবং ম্যাজেন্টা লাইনের দীপালি চক-মজলিস পার্ক মেট্রো করিডোর মিলিয়ে গোটা দিল্লি শহরে পিঙ্ক লাইনের বিস্তৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে 71.56 কিলোমিটার। এক কথায়, গোটা রাজধানীকে একেবারে চক্রাকারে মুড়ে ফেলেছে এই মেট্রো লাইন। মূলত সে কারণেই এই মেট্রো প্রকল্পটিকে দিল্লির প্রথম রিং মেট্রো বলা হচ্ছে।

     

    অবশ্যই পড়ুন: এই দিনের মধ্যেই সবার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে যুবসাথীর টাকা, বললেন অভিষেক

    উপকৃত হবেন রাজধানীর মানুষজন

    মজলিস পার্ক-মৌজপুর বাবরপুর মেট্রো করিডোর বরাবর যমুনা নদীর উপর তৈরি একটি নতুন সেতু এবং একটি দ্বিতল ভায়াডাক্ট রয়েছে। এই মেট্রো সেতু এবং ভায়াডাক্ট মেট্রো রেললাইন এবং সড়ক পথের উড়ালপুলকে বহন করছে। এদিকে আরেকটি লাইন অর্থাৎ দীপালি চক-মজলিস পার্ক করিডোর ম্যাজেন্টা লাইনকে প্রসারিত করায় এর মোট দৈর্ঘ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে 49 কিলোমিটার। মেট্রো রেলের আধিকারিকদের দাবি, দিল্লিতে মেট্রোর নতুন সংযোজন বা নতুন দুই করিডোর উত্তর ও উত্তর পূর্ব দিল্লির মানুষদের কষ্ট লাঘব করবে। উপকৃত হবেন খাজুরি খাস, ভজনপুরা, যমুনা বিহার, ওয়াজিরাবাদ, জগৎপুর সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষজন।