Category: ভারত

  • ২০০০ টাকায় কমিশন ২০ টাকা, গ্রামের মহিলাদের আয়ের পথ দেখাচ্ছে বিদ্যুৎ সখী প্রকল্প

    ২০০০ টাকায় কমিশন ২০ টাকা, গ্রামের মহিলাদের আয়ের পথ দেখাচ্ছে বিদ্যুৎ সখী প্রকল্প

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গ্রামীণ মহিলাদেরকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলার জন্য রাজ্য সরকারের জনপ্রিয় প্রকল্প এবার বিরাট নজির গড়ল। হ্যাঁ, রাজ্যের বিদ্যুৎ সখী প্রকল্পের (Vidyut Sakhi Scheme) আওতায় গ্রামীণ এলাকার মহিলারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহ করে এখনো পর্যন্ত ৩২৫০ কোটি টাকার বেশি টাকা জমা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে চালু হওয়া এই উদ্যোগ শুধুমাত্র যে বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহ সহজ করেছে এমনটা নয়, বরং গ্রামের মহিলাদের আয়ের নতুন পথও খুলে দিয়েছে।

    রাজ্য সরকারের জনপ্রিয় প্রকল্প বিদ্যুৎ সখী

    বলে রাখি, এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকারের তরফ থেকে। রাজ্যে এখনো পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার মহিলাকে বিদ্যুৎ সখী হিসেবে নিবন্ধিত করা হয়েছে। যার মধ্যে বর্তমানে ১৫ হাজারেরও বেশি প্রশিক্ষিত মহিলা সক্রিয়ভাবে মাঠে কাজ করছেন। তারা গ্রামে গ্রামে গিয়েই বাড়ি বাড়ি বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহ করছেন আর গ্রাহকদের ডিজিটাল রশিদ দিচ্ছেন। সরকারের পরিকল্পনামাফিক, বাকি প্রশিক্ষিত মহিলাদেরকেও খুব শীঘ্রই এই কাজে নিযুক্ত করা হবে।

    এদিকে এই প্রকল্পে কাজ করা মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট কমিশনের ব্যবস্থাও রয়েছে। যার ফলে অনেকে এখন মোটা অংকের টাকা আয় করছে। সরকারি সূত্র অনুযায়ী খবর, ২০০০ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহ করলে বিদ্যুৎ সখীরা ২০ টাকা কমিশন পান। আর ২০০০ টাকার বেশি বিলের ক্ষেত্রে দেওয়া হয় ১ শতাংশ কমিশন। এই স্বচ্ছ কমিশন ব্যবস্থার আওতায় রাজ্যের বহু গ্রামীণ মহিলারা এখন আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হচ্ছে। অনেকেই ইতিমধ্যেই লাখপতি দিদি হিসেবেও পরিচিত পেয়েছেন।

    আরও পড়ুন: এয়ারপোর্ট অবধি ছুটবে হাইস্পিড ট্রেন! ৭০ কিমি মাত্র ২১ মিনিটে, বিরাট প্ল্যান রেলের

    এমনকি এই প্রকল্পের ফলে গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দারাও বিরাট সুবিধা পাচ্ছেন। আগে বিদ্যুৎ বিল জমা দিতে অনেককে ব্লক অফিস বা বিদ্যুৎ দফতরে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ ধরে লাইনে দাঁড়াতে হতো। কিন্তু এখন বিদ্যুৎ সখীরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বিল সংগ্রহ করছেন। আর সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল রশিদও দিচ্ছেন। যার ফলে গ্রাহকদের সময় আর পরিশ্রম দুটোই বাঁচছে।

  • ৪টি বন্দে ভারতের সময়সূচি বদল করল রেল, প্রভাবিত হবেন যাত্রীরা! দেখুন নতুন টাইম

    ৪টি বন্দে ভারতের সময়সূচি বদল করল রেল, প্রভাবিত হবেন যাত্রীরা! দেখুন নতুন টাইম

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: রেল যাত্রীদের জন্য জরুরি খবর। বন্দে ভারত ট্রেন (Vande Bharat Express) নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রেল। রেল মন্ত্রক ৪টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের সময় পরিবর্তন করেছে। এই পরিবর্তন সরাসরি সেই যাত্রীদের উপর প্রভাব ফেলবে যারা এই ট্রেনগুলিতে ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন। এমনিতে বন্দে ভারত ট্রেনগুলি তাদের দ্রুত, আরামদায়ক এবং সময়ানুবর্তী পরিষেবার জন্য পরিচিত। অতএব, তাদের সময়সূচিতে সামান্য পরিবর্তনও যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনার উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

    কোন ৪টি ট্রেনের সময় পরিবর্তন করল রেল?

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় রেল মোট চারটি বন্দে ভারত ট্রেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে ট্রেন নং ২০৭০৪ যশবন্তপুর-কাচেগুড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, ট্রেন নং ২০৭০৩ কচেগুড়া-যশবন্তপুর বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, ট্রেন নং ২২২৩১ কালাবুর্গি-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এবং ট্রেন নং ২২২৩২ বেঙ্গালুরু-কালাবুর্গি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এই সমস্ত ট্রেনের নতুন সময়সূচী আগামীকাল ১৫ মার্চ, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।

    ২০৭০৩ কাচেগুদা-যশবন্তপুর বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    এই ট্রেনটি ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে চালু করা হয়েছিল। শুক্রবার ছাড়া এটি প্রতিদিন চলাচল করে। হিন্দুপুর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনটির আগমনের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। আগে ট্রেনটি ১৫:৪৮ এ আসত, কিন্তু এখন এটি বিকেল ১৫:৫৫ মিনিটে পৌঁছাবে। এর অর্থ আগমনের সময় ৭ মিনিট বাড়ানো হয়েছে।

    ২০৭০৪ যশবন্তপুর-কাচেগুড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে চালু হওয়া এই ট্রেনটি শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন চলাচল করে। হিন্দুপুর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের সময়সূচীতে এখন সংশোধন হয়েছে। আগে ট্রেনটি দুপুর ১২:০৮ মিনিটে আসত, কিন্তু এখন এর নতুন আগমনের সময় হবে দুপুর ১২:১৭।

    ২২২৩১ কালাবুরাগী-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    এই ট্রেনটি শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন চলে এবং ৮ ঘন্টা ৪৫ মিনিটে ৫৫০ কিলোমিটার যাত্রা সম্পন্ন করে। রেলওয়ে দুটি স্টেশনে সময় পরিবর্তন করেছে। ট্রেনটি এখন শ্রী সত্য সাই প্রশান্তি নিলয়ম স্টেশনে সকাল ১১:০০ টার পরিবর্তে ১১:১৩ টায় এবং ইয়েলহাঙ্কা স্টেশনে ১২:২৮ টার পরিবর্তে দুপুর ১২:৫৮ টায় পৌঁছাবে।

    আরও পড়ুনঃ স্টেশনে চোর ধরবে রোবট, যাত্রী নিরাপত্তায় বড় চমক রেলের

    ২২৩২ SMVT বেঙ্গালুরু-কালাবুরাগী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    এই ট্রেনটি বৃহস্পতিবার ছাড়া প্রতিদিন চলাচল করে। রেলওয়ে দুটি স্টেশনে ঢোকার সময় পরিবর্তন করেছে; এটি এখন ইয়েলহাঙ্কা স্টেশনে বিকেল ১৫:০৫ এর পরিবর্তে বিকেল ৩:০৯ মিনিটে পৌঁছাবে, এবং শ্রী সত্য সাই প্রশান্তি নিলয়ম স্টেশনে পৌঁছানোর সময় বিকাল ৪:২৩ থেকে বিকাল ৪:৪৫ এ পরিবর্তন করা হয়েছে।

  • অবশেষে স্বস্তি! বুকিংয়ের এত দিনের মধ্যে মিলবে LPG সিলিন্ডার, জানাল কেন্দ্র

    অবশেষে স্বস্তি! বুকিংয়ের এত দিনের মধ্যে মিলবে LPG সিলিন্ডার, জানাল কেন্দ্র

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য। ইরান-ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। এদিকে যুদ্ধের আবহে দাম বেড়ে গিয়েছে ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডার (LPG Cylinder) থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের। এদিকে বর্তমানে ভারতে এলপিজির ব্যাপক ঘাটতি দেখা গিয়েছে। গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটারদের অফিসের সামনে সাধারণ মানুষের লম্বা লাইন সকাল থেকেই চোখে পড়ার মতো। তবে চিন্তা নেই, কারণ সরকারের তরফে এলপিজি নিয়ে বিরাট স্বস্তি দেওয়া হল। গ্যাস বুক করলেও কতদিনের মধ্যে মিলবে সিলিন্ডার? সেই নিয়ে বড় ঘোষণা করা হল।

    গ্যাস বুকিং নিয়ে বিরাট সুখবর

    আজ বুধবার পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক দেশবাসীকে বড় স্বস্তি দিয়েছে। সরকা জানিয়েছে, রান্নার গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই। কারণ আপনি যেদিন সিলিন্ডার বুক করবেন তার মাত্র আড়াই দিনের মধ্যে আপনার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে সিলিন্ডার। ৪টি মন্ত্রকের এক সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করেছে যে আড়াই দিনের মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাবে।

    আরও পড়ুনঃ IPL 2026-র প্রথম পর্বের সূচি ঘোষণা, KKR-র ম্যাচ কবে কবে? দেখুন

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, ‘আন্তর্জাতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও, আমাদের সরবরাহ শৃঙ্খল সম্পূর্ণ নিরাপদ।’ এদিন সরবরাহ ও নিরাপত্তার আশ্বাস মন্ত্রকের সিনিয়র অফিসার সুজাতা শর্মা পরিসংখ্যানসহ তথ্য প্রদান করে বলেন, ভারতের দৈনিক ব্যবহার প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল। তিনি আশ্বস্ত করেন যে এই মুহূর্তে সরবরাহ নিয়ে চিন্তা করার কোনও কারণ নেই।

    পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে সরকার

    মন্ত্রক জানিয়েছে যে সরকার পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে। বর্তমানে ভারতের দুটি বৃহৎ তেল ট্যাঙ্কার সমুদ্রে রয়েছে এবং শীঘ্রই ভারতীয় বন্দরে নোঙর করবে। এটি প্রমাণ করে যে চলমান যুদ্ধের মধ্যেও ভারতের লজিস্টিক নেটওয়ার্ক দৃঢ়ভাবে কাজ করছে। বর্তমানে দিল্লিতে একটি ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৯১৩ টাকায় পৌঁছেছে।

     

     

  • স্টেশনে চোর ধরবে রোবট, যাত্রী নিরাপত্তায় বড় চমক রেলের

    স্টেশনে চোর ধরবে রোবট, যাত্রী নিরাপত্তায় বড় চমক রেলের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: এবার রেল ব্যবস্থায় যাত্রীদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে আনা হচ্ছে বড় চমক! যাত্রীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে এবং চোর ধরতে রাখা হতে চলেছে রোবট। স্টেশনে প্রতি মুহূর্তে অজস্র যাত্রীর যাতায়াত লেগেই থাকে। তাঁদের প্রত্যেকের উপর নজর রাখতে গেলে বিপুল সংখ্যক রেলরক্ষী মোতায়েন করতে হয়। তাতেও যে ১০০ শতাংশ সাফল্য মেলে তাও নয়। তাই এবার যাত্রীদের সুরক্ষা বজায় রাখতে রোবট (Humanoid Robots at Stations) আনতে চলেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)।

    যাত্রী নিরাপত্তায় স্টেশনে রাখা হবে রোবট

    গত কয়েক মাস ধরেই ভারতীয় রেল বোর্ড দাবি করছে, রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর প্রয়োগ করা হবে। তাই এবার সেই কথা মত রেলের উন্নতির জন্য উঠে পড়ে লেগেছে ইন্ডিয়ান রেলওয়েস। জানা গিয়েছে, প্রধান স্টেশনগুলিকে উচ্চ প্রযুক্তির করে তুলতে হিউম্যানয়েড রোবট মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই রোবটগুলি মানুষের মতোই যাত্রীদের তথ্য সরবরাহ করবে, তাদের সঠিক পথে পরিচালিত করবে, ভিড় পরিচালনা করবে এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের উপর নজর রাখবে।

    রোবটের গুণাগুনকে কাজে লাগাতে চাইছে রেল

    কৃত্রিম যন্ত্রমেধা এবং যন্ত্রমানব নিয়ে এই মুহূর্তে নানাভাবে কাটাছেঁড়া চলছে পৃথিবীর সর্বত্রই। প্রযুক্তি এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে অদূর ভবিষ্যতে রোবট মানবজাতির উপর আধিপত্য বিস্তার করলেও, অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না বলে মত কারও কারও। তবে রোবটের গুণাগুনকে কাজে লাগাতে চাইছে ভারতীয় রেল। ২০২৬–’২৭–এর বাজেট পেশ করার সময়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছিলেন, রেলের নিরাপত্তা ও যাত্রীদের সুরক্ষা সব সময়েই রেলের কাছে অগ্রাধিকার পাবে। এবং এই খাতে অর্থ বরাদ্দে কোনও রকম কার্পণ্য করা হবে না। তাই যাত্রী নিরাপত্তাকে আরও গুরুত্ব দিতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র।

    আরও পড়ুন: জগন্নাথের উদ্যোগে রানাঘাট-গেদে-শিয়ালদায় একাধিক ট্রেন দিল রেল, দেখুন সময়সূচি

    উল্লেখ্য, গত মাসে বিশাখাপত্তনম স্টেশনে AI-চালিত, রেলের রোবোকপ অর্জুন দুই কুখ্যাত দুষ্কৃতী ‘হড়পা শিব’ ও তার সহযোগী বাঙ্গারুকে ধরতে সাহায্য করেছিল। রেল পুলিশ জানিয়েছে, স্টেশন চত্বরে টহল দেওয়ার সময়ে রোবোকপের ‘ফেশিয়াল রেকগনিশন সিস্টেম’ প্রত্যেক যাত্রীর মুখাবয়বের ছবির ‘রিয়েল টাইম অ্যানালিসিস’ করে গিয়েছে। অর্জুনের ডেটাবেসের সঙ্গে দুই দুষ্কৃতি হড়পা শিব এবং বাঙ্গারুর মুখের ছবির বিশ্লেষণ মিলে যেতেই সে সতর্ক করেছে কন্ট্রোল রুমকে, তারপরেই ধরা হয়। বিশাখাপত্তনম স্টেশনে রেলের ‘রোবোকপ’ বা রোবট–পুলিশ অর্জুনের এমন সাফল্য রেলের কর্তাদের উৎসাহ বাড়িয়েছে। প্রমাণিত হয়েছে দাগি দুষ্কৃতী ধরতে এই প্রযুক্তি যে কতটা কার্যকর।

  • এয়ারপোর্ট অবধি ছুটবে হাইস্পিড ট্রেন! ৭০ কিমি মাত্র ২১ মিনিটে, বিরাট প্ল্যান রেলের

    এয়ারপোর্ট অবধি ছুটবে হাইস্পিড ট্রেন! ৭০ কিমি মাত্র ২১ মিনিটে, বিরাট প্ল্যান রেলের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: মেট্রো অতীত, এবার বিমানবন্দর অবধি হাইস্পিড ট্রেন (High-speed Rail) চালানোর পরিকল্পনা শুরু রেলের। জানা গিয়েছে, রেলের তরফে এমন এক ট্রেন চালানো হবে যা ৭০ কিমি রাস্তা মাত্র ২১ মিনিটে পার করবে। শীঘ্রই ছুটতে পারে বুলেট ট্রেন। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    এবার বিমানবন্দর অবধি হাইস্পিড ট্রেন চালাবে রেল

    আসলে রেলের তরফে এমন এক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে যার দরুণ লাভবান হবেন দিল্লি-এনসিআর-এর মানুষ। এখন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানো আরও সহজ হবে। কোনও যানজট হবে না, বরং আসা যাওয়া আরও দ্রুত হবে। মূলত দিল্লি এবং নয়ডা বিমানবন্দরের মধ্যে একটি বুলেট ট্রেন (Bullet Train) চালু করার কাজ চলছে। এর ফলে আপনি দিল্লি থেকে সরাসরি নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অর্থাৎ জেওয়ার বিমানবন্দর (Jewer Airport) অবধি অনায়াসেই বলা ভালো চোখের নিমিষে পৌঁছাতে পারবেন। নয়ডা বিমানবন্দরকে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    মঙ্গলবার ন্যাশনাল হাই-স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড (NHSRCL) এর কর্মকর্তারা যমুনা কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। জমির প্রাপ্যতা, যাত্রী ধারণক্ষমতা এবং বিমানবন্দরের কাছে একটি স্টেশনের নকশা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।  রেল কর্মকর্তাদের মতে, বুলেট ট্রেনের জন্য বিমানবন্দরের কাছে একটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন উপযুক্ত বলে বিবেচিত হচ্ছে।

    কী বলছেন রেল কর্তারা?

    কর্মকর্তারা বলছেন যে জেওয়ার বিমানবন্দরটি দিল্লি থেকে বারাণসী পর্যন্ত প্রস্তাবিত উচ্চ-গতির বুলেট ট্রেনের সাথে সংযুক্ত হবে। এর ডিপিআর প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া চলছে। মঙ্গলবার NHSRCSL-এর একটি দল যমুনা কর্তৃপক্ষের সাথে এর সারিবদ্ধকরণ চূড়ান্ত করতে পরিদর্শন করেছে। NHSRCSL-এর  প্রধান প্রকল্প ব্যবস্থাপক সুধীর কুমার গুপ্ত সিইও রাকেশ কুমার সিং এবং এসিইও শৈলেন্দ্র ভাটিয়ার সাথে দেখা করেছেন।

    ২টি ভূগর্ভস্থ স্টেশন তৈরি করা হবে

    সিইও শৈলেন্দ্র ভাটিয়া জানিয়েছেন যে নয়ডায় দুটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। একটি গ্রেটার নয়ডায় অবস্থিত সেক্টর ১৪৮-এ থাকবে। দ্বিতীয় স্টেশনটি নয়ডায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জেওয়ারে নির্মিত হবে। নয়ডায় বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড ট্রান্সপোর্টেশন সেন্টারের (জিটিসি) মধ্যে ভূগর্ভস্থ এই স্টেশনটি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিমানবন্দরের জিটিসিতে মেট্রো এবং নমো ভারত ভূগর্ভস্থ স্টেশন ইতিমধ্যেই প্রস্তাবিত। রেলওয়ে এই স্থান থেকে চোলা এবং রুন্ধির সাথে রেল ট্র্যাকের মাধ্যমে নয়ডায় বিমানবন্দরকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে।

    আরও পড়ুনঃ LPG সঙ্কটের মাঝে যাত্রীদের খাবারের জন্য রেলের ক্যান্টিনকে বড় নির্দেশ IRCTC-র

    মাত্র ২০ মিনিটে যাওয়া যাবে বিমানবন্দরে

    রেল কর্তারা বলছেন যে বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে, দিল্লির সরাই কালে খান থেকে নয়ডা বিমানবন্দর পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার যাত্রায় প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগবে। বেশিরভাগ রুটটি উঁচু করে তৈরি করা হবে। এটি নয়ডা এবং গ্রেটার নয়ডার মধ্যে এক্সপ্রেসওয়ের কেন্দ্রীয় প্রান্তে নির্মিত হওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পরে, যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে বিমানবন্দরের সাথে একটি সারিবদ্ধকরণ তৈরি করা হবে।

  • LPG সঙ্কটের মাঝে যাত্রীদের খাবারের জন্য রেলের ক্যান্টিনকে বড় নির্দেশ IRCTC-র

    LPG সঙ্কটের মাঝে যাত্রীদের খাবারের জন্য রেলের ক্যান্টিনকে বড় নির্দেশ IRCTC-র

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইরান যুদ্ধের কারণে দাম বেড়েছে রান্নার গ্যাসের। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কার্যত দেখা দিয়েছে LPG র সংকট! ঠিক সেই আবহে বিরাট সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল ভারতীয় রেলের (Indian Railways) নিজস্ব সংস্থা IRCTC। জানা যাচ্ছে, সম্ভাব্য LPG সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় এবার স্টেশন ভিত্তিক ক্যাটারিং পরিষেবায় বিরাট বদল আনছে IRCTC। রেল সূত্রে যা খবর, স্টেশনগুলিতে থাকা স্থায়ী ক্যাটারিং ইউনিট গুলিকে বিকল্প রান্নার পদ্ধতি হিসেবে মাইক্রোওয়েভ ও ইন্ডাকশন ব্যবহার করে খাবার তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    তাহলে কি ট্রেনের প্যান্ট্রি কারেও চালু হবে এই নিয়ম?

    একাধিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় রেলের সহায়ক সংস্থা IRCTC বিভিন্ন ক্যাটারিং ইউনিট গুলিকে রান্নার যে পদ্ধতি অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে তা কিন্তু শুধুমাত্র স্টেশনের ক্যাটারিং ইউনিটগুলির জন্যেই প্রযোজ্য। অর্থাৎ ট্রেনে চলমান প্যান্ট্রি কারে অথবা অন বোর্ড ক্যাটারিং পরিষেবার ক্ষেত্রে এই নির্দেশ লাগু হবে না। কর্তৃপক্ষের তরফে খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, LPG র সম্ভাব্য সংকটকে মাথায় রেখে আগামীতে যাত্রীদের খাবার সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে সেজন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

    ওই নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারতীয় রেলের অধীনস্থ যেসব স্টেশন গুলিতে খাবার তৈরি বা রান্নার পদ্ধতি সম্পূর্ণভাবে LPG বা রান্নার গ্যাসের উপর নির্ভরশীল সেইসব ক্যাটারিং ইউনিটগুলিকে এবার থেকে মাইক্রোওয়েভ বা ইন্ডাকশনের মাধ্যমে খাবার প্রস্তুত করার উপর জোর দিতে হবে। ইনডাকশন চুলার মতো যন্ত্রগুলিতে রান্না করলে গ্যাসের উপর নির্ভরতা অনেকটাই কমবে। তাতে আগামী দিনে সমস্যায় পড়তে হবে না ক্যাটারিং ইউনিটগুলিকে। সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে জরুরি পরিস্থিতিতে খাবার সরবরাহের কাজটাও অনেকটাই সহজ হবে।

     

    আরও এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ

    ভারতীয় রেলের সাথে যুক্ত বিভিন্ন ক্যাটারিং ইউনিট বা ক্যান্টিনগুলিকে IRCTC কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, এবার থেকে বেশি করে রেডি টু ইট বা রেডিমেড খাবার মজুত রাখতে হবে। একই সাথে প্যাকেটজাত বিভিন্ন খাবার যেমন স্যান্ডউচ, স্ন্যাকসের মতো খাবার গুলি যা দ্রুত সরবরাহ করা যায় এমন খাবার বেশি করে স্টকে রাখতে হবে।

    অবশ্যই পড়ুন: “দেশ বিশ্বকাপ জিতেছে, উনি রাজনীতি করছেন” কীর্তি আজাদকে পাল্টা হরভজনের

    প্রসঙ্গত, রেলের তরফে একেবারে পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আগামীতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে অবিলম্বে ইনডাকশন বা মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে খাবার প্রস্তুত করে তা রেলের যাত্রীদের সরবরাহ করতে হবে। LPG সংকট দেখা দিলে যাতে যাত্রীদের খাবার পরিবেশনে কোনও রকম সমস্যা না হয় তা নিশ্চিত করতেই বদ্ধপরিকর রেল।

  • ১৩ বছর ধরে শয্যাশায়ী, গাজিয়াবাদের যুবককে দেশে প্রথম ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের

    ১৩ বছর ধরে শয্যাশায়ী, গাজিয়াবাদের যুবককে দেশে প্রথম ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মানবিকতা বিবেচনা করে এবার বিরাট সিদ্ধান্ত নিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court)। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট গাজিয়াবাদের যুবক হরিশ রাণাকে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া (Passive Euthanasia) বা ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিল। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী এই যুবকের জীবনের যন্ত্রণা আর চিকিৎসকদের পরিস্থিতি বিবেচনা করেই আদালত এই বড়সড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর আদালতের এই রায়কে দেশে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে নজরবিহীন রায় হিসেবেই মনে করা হচ্ছে। কিন্তু কে এই হরিশ রাণা?

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    রায় ঘোষণা করতে গিয়ে আদালত জানিয়েছে যে, ইচ্ছামৃত্যুর প্রক্রিয়া অবশ্যই মর্যাদা আর মানবিকতার সঙ্গেই সম্পন্ন হতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী, হরিশ রাণাকে ভর্তি করা হবে দিল্লির এইমসের প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিভাগে। সেখানে ধাপে ধাপে চিকিৎসা সহায়তা প্রত্যাহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। শুনানির সময় বিচারপতিরা মন্তব্য করেছিলেন যে, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হলেও দীর্ঘদিন ধরে অসহনীয় অবস্থায় থাকা একজন মানুষকে অনির্দিষ্টকাল এই যন্ত্রণার মধ্যে রেখে দেওয়া মোটেও ঠিক নয়।

    এক্ষেত্রে আপনাদের জানিয়ে দিই, উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের বাসিন্দা হরিশ রাণা ২০১৩ সালে একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। তখন তিনি পড়াশোনার জন্য চণ্ডীগড়ে থাকতেন। সেই সময় হোস্টেলের চারতলা থেকে পড়ে গিয়ে তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছিল। তারপর থেকেই তিনি অচেতন অবস্থায় বেডে শুয়ে আছেন। এমনকি কোমাতেই রয়েছেন। আর দীর্ঘদিন ধরে একই অবস্থায় থাকার ফলে তাঁর শরীরে একাধিক খত সৃষ্টি হয়েছে, এবং মৃত্যু যন্ত্রণায় ভুগছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: জগন্নাথের উদ্যোগে রানাঘাট-গেদে-শিয়ালদায় একাধিক ট্রেন দিল রেল, দেখুন সময়সূচি

    চিকিৎসকদের মতে, হরিশ রাণা বর্তমানে ১০০ শতাংশ প্রতিবন্ধকতার কবলে পড়েছেন, এবং সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আর এমতাবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে ছেলেকে অসহায় অবস্থায় দেখে তাঁর বাবা-মাও শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁরাই আদালতের কাছে ছেলের জন্য ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন। আর এইমসের চিকিৎসা প্রতিবেদনও জানানো হয়েছে যে, তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার কোনও রকম সম্ভাবনা নেই। সেই কারণেই আদালত এই বড়সড় রায়ের পথে হেঁটেছে।

  • ৫২৪টি LPG সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক উধাও! গ্যাসের সংকটের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঝাঁসিতে

    ৫২৪টি LPG সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক উধাও! গ্যাসের সংকটের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঝাঁসিতে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দেশে এলপিজি সরবরাহ নিয়ে দিনের পর দিন বাড়ছে উদ্বেগ। তবে তারই মধ্যে উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) ঘটল চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা। একটি ট্রাক ভর্তি রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার উধাও (LPG Cylinder Theft) হয়ে গেল যা নিয়ে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গিয়েছে, ওই ট্রাকটিতে মোট ৫২৪টি ভর্তি এলপিজি সিলিন্ডার ছিল, যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা। আর এই ঘটনাটি ঘটেছে ঝাঁসির সিপ্রি বাজার থানা এলাকায়। ট্রাক মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই অজ্ঞাত পরিচয়ের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।

    কীভাবে ঘটল এই চুরি?

    আসলে ওই ট্রাকের মালিক নীরজ আগরওয়ালের অভিযোগ, ট্রাকটি ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেডের কারারি প্ল্যান্টের সঙ্গে যুক্ত। গত ২ মার্চ ওই প্ল্যান্ট থেকে ৫২৪টি ভরা গ্যাস সিলিন্ডার ট্রাকে তোলা হয়েছিল। তারপর সেগুলি গাজনার পাঠানোর কথা ছিল। তবে হোলি উৎসবের কারণে ট্রাক চালক রাজকুমার সাময়িকভাবে ট্র্যাকটিকে প্ল্যান্টের বাইরে পার্ক করে রেখে বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। কয়েকদিন পর অর্থাৎ ৬ মার্চ খবর আসে যে, ট্র্যাকটি ঝাঁসির বরাগাঁও এলাকার হাইওয়ের ধারে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

    এমতাবস্থায় ট্রাক মালিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখেন যে, ট্রাকটি থাকলেও সমস্ত গ্যাস সিলিন্ডার উধাও। আর শুধু তাই নয়, ট্রাকের জিপিএস সিস্টেম সম্পূর্ণরূপে ভেঙে দেওয়া হয়েছে যাতে গাড়ির অবস্থান কোনও ভাবে ট্রাক না করা যায়। এরপর তিনি সিপ্রি বাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আর পুলিশ সঙ্গে সঙ্গেই মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রাকটিকে ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু চুরি যাওয়া সিলিন্ডারগুলির কোনও হদিস নেই। আর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক জয়প্রকাশ চৌবে জানিয়েছেন, অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে আর তদন্তের ভিত্তিতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ক্যাবিনেটের বৈঠকে বড় সিদ্ধান্ত! DA বাড়ছে শীঘ্রই? জানুন আপডেট

    বলাবাহুল্য, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে দিনের পর দিন উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে। কারণ, পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা আর যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেল আর গ্যাস সরবরাহের উপর বিরাট প্রভাব পড়ছে। আর এই পরিস্থিতিতে একসঙ্গে এত গ্যাস সিলিন্ডার চুরি হওয়ায় ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই প্রশাসন আর সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

  • ৪০ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৯০০০ করে টাকা, বিরাট স্কিম অসম সরকারের

    ৪০ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৯০০০ করে টাকা, বিরাট স্কিম অসম সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ হঠাৎ কপাল খুলে গেল কয়েক লক্ষ রাজ্যবাসীর। ৯০০০ টাকা করে পাঠানো হল প্রায় ৪০ লক্ষ রাজ্যবাসীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। শুনতে অবিশ্বাস্যকর মনে হলেও এটাই সত্যি। আজ কথা হচ্ছে অরুণোদয় স্কিম (Orunodoi Scheme) নিয়ে যার আওতায় সকলকে এই টাকা পাঠিয়েছে সরকার। চলুন আরও বিশদে জেনে নেবেন সবটা।

    রাজ্যবাসীকে ৯০০০ টাকা দিল সরকার

    আসলে আসামের (Assam) ৪০ লক্ষ পরিবারের মহিলারা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৯,০০০ টাকা করে পেয়েছেন। মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের অরুণোদয় প্রকল্পের আওতায় ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে এই অর্থ ট্রান্সফার করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা গুয়াহাটিতে আয়োজিত একটি কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে এটি চালু করেন। তিনি বলেন, এই অর্থ রাজ্য সরকারের সহানুভূতিশীল নীতির প্রতীক এবং নারী-নেতৃত্বাধীন পরিবারগুলিকে শক্তিশালী করার দিকে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

    মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়, X-এর একটি পোস্টে, এটিকে মহিলাদের আর্থিক নিরাপত্তা এবং মর্যাদা জোরদার করার একটি উদ্যোগ হিসাবে বর্ণনা করেছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যজুড়ে গ্রাম পঞ্চায়েত, স্বায়ত্তশাসিত পরিষদ এলাকা, গ্রাম উন্নয়ন কমিটি এবং নগর ওয়ার্ড কমিটি সহ ৩,৮০০ টিরও বেশি জনসাধারণের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি মহিলারা যোগ দিয়েছিলেন।

    অরুণোদয় স্কিম কী?

    মূলত দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য বিজেপি সরকার ২০২০ সালে অরুণোদয় স্কিম চালু করেছিল। এই যোজনার আওতায়, প্রতিটি যোগ্য পরিবারের একজন মহিলাকে প্রতি মাসে ১,২৫০ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী এর আগে ঘোষণা করেছিলেন যে এই বছরের জানুয়ারি থেকে চার মাসের জন্য ৫,০০০ টাকা এবং বোহাগ বিহু বা অসমীয়া নববর্ষ উপলক্ষে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করা হবে, যা মার্চ মাসে একযোগে দেওয়া হবে, যার ফলে মোট ৯,০০০ টাকা হবে। সরকার সেই কথা রেখে এখন সকলকে ৯০০০ টাকা দিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ নিম্নচাপ-ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ঠ্যালায় খেল দেখাবে বৃষ্টি, ৬ জেলায় সতর্কতা, আজকের আবহাওয়া

    এই স্কিমের ফলে লক্ষ লক্ষ মহিলা এককালীন আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা বলেছেন যে অরুণোদয় প্রকল্পের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সাথে কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি আরও বলেন যে অন্যান্য রাজ্যের মতো, এখানে কোনও গণ বা সর্বজনীন স্থানান্তর নেই। যদি এটি নির্বাচনী লাভের জন্য হত, তাহলে সকলেই এর আওতায় আসত, তবে এটি একটি নিয়ন্ত্রিত এবং নির্বাচনী প্রকল্প।

  • ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে UPSC ক্র্যাক, ৪ বার সার্জারি হওয়া সঞ্জয়ের কাহিনী অনুপ্রেরণা দেবে

    ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে UPSC ক্র্যাক, ৪ বার সার্জারি হওয়া সঞ্জয়ের কাহিনী অনুপ্রেরণা দেবে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: জীবনের বড় সাফল্য (Success Story) পাওয়ার জন্য সব সময় কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি থাকতে হয়, একথা আমরা সকলেই শুনি। তবে বাস্তবে তা করে দেখানো সত্যিই কঠিন। কিন্তু নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর লড়াই থাকলে সবকিছু যে সম্ভব তা আরও একবার প্রমাণ করলেন ছত্তিশগড়ের যুবক সঞ্জয় ধরিয়া। মারণরোগ ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই চালিয়েও তিনি সফলভাবে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় (UPSC Civil Service Examination) উত্তীর্ণ হলেন। ২০২৫ সালের এই পরীক্ষায় তিনি ৯৪৬ তম র‍্যাঙ্ক অর্জন করেছেন। তাঁর এই সাফল্য ঘিরে ধন্যিধন্যি পড়েছে গোটা ভারতবর্ষে।

    ক্যান্সার ধরা পড়ার পরেই শুরু লড়াই

    জানা যাচ্ছে, ছত্তিশগড়ের মহাসমুন্দ জেলার বাসিন্দা সঞ্জয় ধরিয়া। ২০১২ সালে হঠাৎ করেই তাঁর লালাগ্রন্থিতে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এই খবর পাওয়ার পর তিনি এবং তাঁর পরিবার বিরাট ঝটকা খান। তারপর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা। ২০১২ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে রায়পুর, ভিলা এবং মুম্বাই সহ বেশ কিছু শহরে তাঁর চিকিৎসা চলে। আর এই সময় প্রায় চারবার অস্ত্রোপচার করতে হয় তাঁকে।

    তবে ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগের সঙ্গে লড়াই করলেও সঞ্জয় কখনো নিজের স্বপ্ন দেখা ছাড়েননি। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল দেশের সবথেকে কঠিন পরীক্ষা ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পাস করা। তাই চিকিৎসার পাশাপাশি তিনি পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছিলেন এবং রায়পুর থেকেই ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন।

    চাকরি, চিকিৎসা, পড়াশোনা সবকিছুই একসঙ্গে

    সবথেকে অবাক করার বিষয় হল, সঞ্জয় শুধুমাত্র চিকিৎসা এবং পড়াশোনা করেননি, বরং সেই সময় নিজের চাকরিও করেছেন। ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি আইডিবিআই ব্যাঙ্কে কর্মরত ছিলেন। তারপর ২০১৭ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মহাসমুন্দ পোস্ট অফিসেও তিনি চাকরি করেছেন। আর সবকিছুর পাশাপাশি তার ইউপিএসসি প্রস্তুতি চলেছে। অবশেষে ২০২২ সাল থেকেই তিনি পরীক্ষায় বসা শুরু করেন। আর তৃতীয়বারের প্রচেষ্টায় সাফল্য অর্জন করেন।

    আরও পড়ুন: সাধ্যের মধ্যেই হতে পারে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের ভাড়া, কত? দেখুন রিপোর্ট

    তবে সঞ্জয়ের র‍্যাঙ্ক অনুযায়ী, তিনি সম্ভবত ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিসে যোগদান করার সুযোগ পাবেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই বলেছেন, আমি জানিনা আমি আইএএস হতে পারব কিনা। কিন্তু আইআরএস হওয়ার সম্ভাবনা হয়তো রয়েছে। ছোটবেলা থেকে যে পরীক্ষায় পাস করা স্বপ্ন দেখেছিলাম, আজ সেটাই আমার পূরণ হয়েছে।