Category: ভারত

  • হাওড়াগামী বহু ট্রেনের নম্বর, বিভাগ বদলাচ্ছে রেল! ভ্রমণের আগে দেখুন তালিকা

    হাওড়াগামী বহু ট্রেনের নম্বর, বিভাগ বদলাচ্ছে রেল! ভ্রমণের আগে দেখুন তালিকা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল যাত্রীদের জন্য রইল জরুরি খবর। এবার বেশ কিছু ট্রেনের মধ্যে বিরাট পরিবর্তন করতে চলেছে রেল (Indian Railways)। মূলত যাত্রী সুবিধার কথা মাথায় রেখে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের সংখ্যা শ্রেণীবিভাগ বদলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রেলের তরফে। এই ট্রেনগুলির মধ্যে হাওড়া ডিভিশনের ট্রেনও রয়েছে। পরিবর্তনটি আগামী এপ্রিল, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। আপনিও যদি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ট্রেনে ভ্রমণের প্ল্যান করে থাকেন তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটির ওপর নজর রাখুন।

    হাওড়াগামী বহু ট্রেনে বদল আনল রেল

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, বেশ কিছু ট্রেনের সংখ্যা বদলের পাশাপাশি বর্তমানে দেশজুড়ে চলা কিছু সুপারফাস্ট ট্রেনকে এখন মেল বা এক্সপ্রেসে রূপান্তরিত করা হবে এবং চালানো হবে। রেল সূত্রে খবর, হাওড়া-দেহরাদুন, হাওড়া-জম্মু তাওয়ী, হাওড়া-প্রয়াগরাজ রামবাগ এবং হাওড়া-কালকা রুটে চলাচলকারী কিছু ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করা হবে এবং তাদের বিভাগ সুপারফাস্ট থেকে মেল/এক্সপ্রেসে পরিবর্তন করা হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিশদে।

    আরও পড়ুনঃ দাঁড়ায় মাত্র ৫টি স্টেশনে, ‘লোকাল ট্রেনের রাজা’ বলা হয় এই ট্রেনটিকে! চলে হাওড়া-বর্ধমান রুটে

    তালিকা দিল রেল

    • ১২৩২৭ হাওড়া-দেহরাদুন ট্রেন নম্বরটি সংশোধন করে ১৪ এপ্রিল থেকে ১৩০৩৫ করা হবে।
    • ১২৩২৮ দেহরাদুন-হাওড়া ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৩০৩৬ করা হবে।
    • ১২৩৬৯ হাওড়া-দেহরাদুন ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করে আজ ১৩ এপ্রিল থেকে ১৩০৩৭ এবং ১২৩৭০ দেরাদুন-হাওড়া ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করে ১৪ এপ্রিল থেকে ১৩০৩৮ নম্বরে বদল করা হবে।
    • ১২৩৩১ হাওড়া-জম্মু তাওয়ী ১৪ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৪১ এবং ১২৩৩২ জম্মু তাওয়ী-হাওড়া আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৪২-এ বদলে যাবে।
    • ১২৩৩৩ হাওড়া-প্রয়াগরাজ রামবাগ আজ ১৩ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৪৭ এবং ১২৩৩৪ প্রয়াগরাজ রামবাগ-হাওড়া আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৪৮-এ পরিবর্তন করা হবে।
    • ১২৩১১ হাওড়া-কালকা সংশোধন করে আজ থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৫১ এবং ১২৩১২ কালকা-হাওড়া ১৫ এপ্রিল থেকে ট্রেন নম্বর ১৩০৫২ হয়ে চলাচল করবে।

     

  • LPG কানেকশনে শীর্ষে উত্তরপ্রদেশ, বাংলার অবস্থান কোথায়? দেখুন রাজ্যভেদে পরিসংখ্যান

    LPG কানেকশনে শীর্ষে উত্তরপ্রদেশ, বাংলার অবস্থান কোথায়? দেখুন রাজ্যভেদে পরিসংখ্যান

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধে পরিস্থিতিতে এমনিতেই দেশে গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Cylinder) নিয়ে টানাটানি পড়েছে। গ্যাসের অভাবে শত শত কারখানা বন্ধ হচ্ছে, এমনকি হোটেল থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, রেস্টুরেন্ট সবকিছুই বন্ধের পথে। আর এলপিজির পাশাপাশি সিএনজির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার জন্য অটো ভাড়াও বাড়ানো হচ্ছে। তবে আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, দেশের মধ্যে কোন রাজ্যে সবথেকে বেশি এলপিজি কানেকশন (LPG Connection) রয়েছে এবং বাকি রাজ্যগুলোর কী অবস্থা? জানুন বিশদে এই প্রতিবেদনে।

    বলে দিই, সম্প্রতি এরকমই এক পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে এনেছে ইন্ডিয়ান ইনফ্রা রিপোর্ট। আর সেই অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি এলপিজি কানেকশন রয়েছে যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশে। হ্যাঁ, তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, যেখানে এলপিজি কানেকশন প্রায় ৫ কোটির কাছাকাছি। আর পশ্চিমবঙ্গের অবস্থানও বেশ ভালো জায়গায়। বাদবাকি রাজ্যগুলির তালিকা আলোচনা করা হল নিচে।

    রাজ্যভেদে এলপিজি সংযোগের পরিসংখ্যান

    সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার দেশের বিভিন্ন রাজ্যে সক্রিয় এলপিজি সংযোগের আনুমানিক সংখ্যা পরিসংখ্যান ঠিক নিম্নরূপ—

    • উত্তরপ্রদেশের ৪ কোটি ৮৫ লক্ষ
    • মহারাষ্ট্রে ৩ কোটি ১৮ লক্ষ
    • পশ্চিমবঙ্গে ২ কোটি ৭২ লক্ষ
    • তামিলনাড়ুতে ২ কোটি ৩৮ লক্ষ
    • বিহারে ২ কোটি ৩০ লক্ষ
    • কর্ণাটকে ১ কোটি ৮৯ লক্ষ
    • রাজস্থানে ১ কোটি ৮৩ লক্ষ
    • মধ্যপ্রদেশে ১ কোটি ৭৫ লক্ষ
    • অন্ধ্রপ্রদেশে ১ কোটি ৫৯ লক্ষ
    • গুজরাটে ১ কোটি ২৮ লক্ষ
    • তেলেঙ্গানায় ১ কোটি ২৭ লক্ষ
    • ওড়িশায় এক কোটি
    • কেরালায় ৯৮ লক্ষ
    • পাঞ্জাবে ৯৬ লক্ষ
    • অসমে ৯২ লক্ষ
    • হরিয়ানায় ৮২ লক্ষ
    • ঝাড়খণ্ডে ৬৬ লক্ষ
    • ছত্তিশগড়ে ৬৩ লক্ষ
    • দিল্লিতে ৫৬ লক্ষ
    • জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৫ লক্ষ
    • উত্তরাখণ্ডে ৩২ লক্ষ
    • হিমাচল প্রদেশে ২২ লক্ষ
    • ত্রিপুরাতে ৮.৫ লক্ষ
    • মণিপুরে ৭.১ লক্ষ
    • মেঘালয়ে ৫.২ লক্ষ
    • গোয়াতে ৫.৮ লক্ষ
    • নাগাল্যান্ডে ৩.৯ লক্ষ
    • মিজোরামে ৩.৬ লক্ষ
    • অরুণাচল প্রদেশে ৩.৪ লক্ষ এবং
    • লাদাখে ১ লক্ষ

    আরও পড়ুন: জয়শঙ্করের হস্তক্ষেপেই স্বস্তি, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি পেল ভারতীয় জাহাজ

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দিনের পর দিন রান্নার জন্য পরিষ্কার জ্বালানি ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর সরকারি প্রকল্পের প্রসারণ, যেমন প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা আওতায় সম্পন্নবিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার এবং ভর্তুকির কারণে গ্রামাঞ্চলেও এখন এলপিজি কানেকশন পৌঁছে যাচ্ছে, যা দেশে দ্রুত হারে সংযোগের সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এছাড়া এখন গ্রামীণ এলাকায় কাঠ বা কয়লার পরিবর্তে এলপিজি ব্যবহারের প্রবণতা অনেকটাই বেড়েছে, যা পরিবেশ দূষণ কমাচ্ছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

  • DA, পেনশনে আসবে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন! অষ্টম পে কমিশনে আরও এক ধাপ এগোল সরকার

    DA, পেনশনে আসবে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন! অষ্টম পে কমিশনে আরও এক ধাপ এগোল সরকার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বর্তমানে লক্ষ লক্ষ ভারতীয় সরকারি কর্মচারীর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হল অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission)। দেশের ৫০.১৪ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং ৬৯ লক্ষেরও বেশি পেনশনভোগীর জন্য, এটি কেবল একটি সরকারি ঘোষণা নয়, বরং তাদের ভবিষ্যৎ, আর্থিক নিরাপত্তা এবং উন্নত জীবনযাত্রার মানের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এবার এই অষ্টম বেতন পে কমিশন নিয়েই আরও এক ধাপ এগোল কেন্দ্রীয় সরকার। নিশ্চয়ই ভাবছেন কী সেই পদক্ষেপ? তাহলে বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    অষ্টম বেতন পে কমিশন নিয়ে বড় আপডেট

    অষ্টম বেতন কমিশন এখন সক্রিয়, এবং কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে পরামর্শ চাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই কমিশন বেতন, ভাতা এবং পেনশনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলি সরাসরি ৪৮ লক্ষ কর্মচারী এবং ৬৭ লক্ষ পেনশনভোগীদের উপর প্রভাব ফেলবে। কমিশন এই উদ্দেশ্যে একটি অনলাইন পোর্টাল খুলেছে, যেখানে আপনি ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত আপনার মতামত এবং পরামর্শ জমা দিতে পারবেন।

    অষ্টম বেতন কমিশন MyGov পোর্টালে ১৮টি প্রশ্নের একটি বিস্তারিত অনলাইন প্রশ্নপত্র প্রকাশ করেছে, যাতে ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ সালের মধ্যে জনসাধারণ এবং কর্মচারীদের কাছ থেকে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে। এই প্রশ্নগুলিতে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য ডক্টর আইক্রয়েড সূত্রের প্রাসঙ্গিকতা, ৩% বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির সাথে কর্মক্ষমতার সংযোগ স্থাপন, MACP স্কিমে ১০, ২০ এবং ৩০ বছরের ব্যবধান হ্রাস এবং মহিলা কর্মচারীদের জন্য শিশু যত্ন ছুটি (CCL) উন্নত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যবহারিক বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের নভেম্বরে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর থেকে, বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে কমিশন তার কাজ উল্লেখযোগ্যভাবে শুরু করেছে। কমিশন ২০২৭ সালের মে মাসের মধ্যে সরকারের কাছে তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার লক্ষ্য রেখেছে। যে কারণে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে বৈঠক এবং পরামর্শ অব্যাহত রয়েছে।

    বেতন কতটা বাড়তে পারে?

    যেকোনো বেতন কমিশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফর্মুলা হল এর “ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর” (Fitment Factor)। এটি হল জাদুকরী সংখ্যা যা আপনার মূল বেতন এবং পরিণামে আপনার হাতে থাকা বেতন নির্ধারণ করে। বর্তমানে, কর্মচারী ইউনিয়নগুলি জোরালোভাবে দাবি করছে যে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর সপ্তম বেতন কমিশনের ২.৫৭ থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে ২.৮৬ বা অষ্টম বেতন কমিশনের ৩.১৫ করা হোক। সরকার যদি ২.৮৬ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর গ্রহণ করে, তবুও পরিবর্তনগুলি তাৎপর্যপূর্ণ এবং ইতিবাচক হবে। নিম্ন স্তরের কর্মচারীরা অর্থাৎ গ্রেড ১ থেকে ৫ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। তাদের ন্যূনতম মূল বেতন, বর্তমানে ১৮,০০০ টাকা, বেড়ে ৫১,৪৮০ টাকা হতে পারে।

    আরও পড়ুনঃ বাড়ছে ঋণের বোঝা, আর্থিক স্বাস্থ্যে বিহার-ইউপির পিছনে বাংলা! শেষ তিনে পশ্চিমবঙ্গ

    এদিকে, মধ্য স্তরের কর্মকর্তাদের (গ্রেড ৬ থেকে ৯), যাদের মূল বেতন বর্তমানে ৪৪,৯০০ টাকা, তাদের জন্য এটি ১.২৮ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। মূল বেতন বৃদ্ধির ফলে বাড়ি ভাড়া ভাতা (HRA) উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। উচ্চ স্তরের কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ বেতন ২.৫০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩.৭৫ লক্ষ টাকা করে ৪.৫০ লক্ষ টাকা করার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও সরকার শেষ অবধি কী সিদ্ধান্ত নেয় এখন সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

  • দিল্লি-হাওড়া রুটে বড় কাজ করে ফেলল রেল, সুখবর কোটি কোটি যাত্রীর জন্য

    দিল্লি-হাওড়া রুটে বড় কাজ করে ফেলল রেল, সুখবর কোটি কোটি যাত্রীর জন্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল যাত্রীদের ভ্রমণ সুরক্ষিত এবং সুন্দর করতে বদ্ধপরিকর রেল। সেজন্য একের পর এক কাজ করেই চলেছে। এহেন সেইসঙ্গে নিত্য নতুন ট্রেন, রেল লাইন, হাইস্পিড রেল করিডর, বুলেট ট্রেন ইত্যাদি যাত্রী স্বার্থে একের পর এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েই চলেছে রেল। এবারও রেল এক বিরাট মাইলফলক অর্জন করেছে। কবচ ৪.০ (Kavach 4.0) নিয়ে মিলেছে বিরাট সাফল্য।

    কবচ ৪.০ নিয়ে বিরাট মাইলফলক অর্জন রেলের

    সম্প্রতি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা করেছেন যে দেশীয়ভাবে তৈরি স্বয়ংক্রিয় ট্রেন সুরক্ষা ব্যবস্থা, “কবচ ৪.০”, দিল্লি-মুম্বাই এবং দিল্লি-হাওড়া সহ ১,৪৫২ কিলোমিটার ব্যস্ততম রুটে সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এই ব্যবস্থাটি সম্পূর্ণরূপে ভারতে তৈরি এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সার্টিফিকেশন, “SIL-4” প্রদান করা হয়েছে। কবচের প্রাথমিক কাজ হল ট্রেন দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা এবং কঠিন পরিস্থিতিতে লোকো পাইলটদের সহায়তা করা। রেল মন্ত্রকও একই তথ্য দিয়েছে।

    Kavach 4.0 কী, কীভাবে কাজ করে?

    কবচ এমন একটি প্রযুক্তি যা ক্রমাগত ট্রেনের গতি পর্যবেক্ষণ করে। যদি কোনও কারণে লোকো পাইলট ব্রেক লাগাতে ভুলে যান বা সিগন্যাল না দেখতে পান, তাহলে সিস্টেমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্রেক কষে। এটি খারাপ আবহাওয়া বা ঘন কুয়াশার সময়ও নিরাপদ ট্রেন পরিচালনা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। কবচ ৪.০-এ বেশ কয়েকটি বড় আপগ্রেড রয়েছে, যেমন সঠিক লোকেশনের তথ্য, বড় ইয়ার্ডে আরও ভাল সিগন্যাল তথ্য এবং ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং সিস্টেমের সাথে সরাসরি ডেটা পাওয়া। এই বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে, এখন দেশের রেলওয়ে নেটওয়ার্ক জুড়ে এটিকে বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা চলছে।

    আরও পড়ুনঃ বাড়ছে ঋণের বোঝা, আর্থিক স্বাস্থ্যে বিহার-ইউপির পিছনে বাংলা! শেষ তিনে পশ্চিমবঙ্গ

    রেলওয়ে কবচ বাস্তবায়নের জন্য ব্যাপক কাজ হাতে নিয়েছে। এখন পর্যন্ত ৮,৫৭০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার কেবল স্থাপন করা হয়েছে এবং রেলপথের ধারে ১,১০০টি টেলিকম টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও, ৭৬৭টি স্টেশনে ডেটা সেন্টার তৈরি করা হয়েছে এবং ৬,৭৭৬ কিলোমিটার ট্র্যাকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছে। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন যে দিল্লি-মুম্বাই রুটের পালওয়াল-মথুরা-নাগদা, ভদোদরা-আহমেদাবাদ এবং ভদোদরা-ভিরার অংশের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দিল্লি-হাওড়া রুটের গয়া-সরমতনগর এবং বর্ধমান-হাওড়া অংশেও কবচ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    লক্ষাধিক কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে

    কবচ নিয়ে যাতে কারোর মধ্যে কোনও ধোঁয়াশা না থাকে তার জন্য চলছে ট্রেনিং প্রক্রিয়া। রেলওয়ে এখনও পর্যন্ত ৫৫,০০০ এরও বেশি টেকনিশিয়ান, অপারেটর এবং ইঞ্জিনিয়ারকে এই নতুন প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দিয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৪৭,৫০০ লোকো পাইলট এবং সহকারী লোকো পাইলট রয়েছে। ট্র্যাকে কবচ স্থাপনের খরচ প্রতি কিলোমিটারে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা, যেখানে একটি লোকোমোটিভে এটি স্থাপনের খরচ প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা।

     

  • হরমুজে ছার নেই ভারতেরও, জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়নি! বলে দিল ইরান

    হরমুজে ছার নেই ভারতেরও, জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়নি! বলে দিল ইরান

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান (Iran On India)। সকাল থেকেই শোনা যাচ্ছে এমন খবর। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সাথে নাকি কথা হয়েছে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির। আর তারপরেই নাকি হরমুজ দিয়ে ভারতীয় পণ্যবাহী জাহাজ (Oil Tanker) চলাচলের ছাড়পত্র দেয় তেহরান। এবার এমন দাবি সরাসরি খারিজ করে দিল আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দেশ। তেহরানের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই মর্মে ভারতের সাথে কোনও আলোচনা বা চুক্তি হয়নি।

    ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়নি ইরান

    বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শোনা যাচ্ছে, ভারতের দুই তৈলবাহী জাহাজ পুষ্পক এবং পরিমলকে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে দেশে ফিরে আসার অনুমতি দিয়েছে ইরান। এও শোনা যাচ্ছিল, ভারতীয় বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্যের পরই কূটনৈতিক পদক্ষেপে ইরানের মন গলে যায়। তারপরেই নাকি রাশিয়া এবং চিনের মতো ভারতের জাহাজ হরমুজ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেয় তেহরান। এবার সেই দাবি সরাসরি খারিজ করলো পশ্চিম এশিয়ার দেশটি।

    টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান জানিয়েছে এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ভারতের জন্য আলাদা করে কোনও বিশেষ ব্যবস্থা করেনি তারা। ভারতের দুই জাহাজ হরমুজ পেরিয়ে অনেকটাই চলে এসেছে বলে জানা যাচ্ছিল এতক্ষণ। তবে ইরান সেই দাবি খারিজ করে জানাচ্ছে, হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশের আগে অবশ্যই তাদের অনুমতি নিতে হবে। অন্যথায় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    অবশ্যই পড়ুন: IPL শুরুর আগেই বড় ক্ষতি হয়ে গেল KKR তারকার!

    ইরানের তরফে ভারতীয় জাহাজ চলাচলের দাবি নস্যাৎ করার মাত্রই ফের বাড়ছে উদ্বেগ। বলাই বাহুল্য, বৃহস্পতিবার আমেরিকার জাহাজ লক্ষ্য করে জোরালো হামলা চালায় ইরান। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে সেই পণ্যবাহী তরী। এদিকে সংবাদ সংস্থা IANS জানিয়েছে, পুষ্পক এবং পরিমল নামক দুই ভারতীয় তেলের ট্যাংকার নিরাপদে হরমুজ পেরিয়েছে। তবে আমেরিকা, ইউরোপ এবং ইজরায়েলের জাহাজগুলি আটকেই রয়েছে।

  • ৬০ টাকা নয়, আরও বাড়বে রান্নার গ্যাসের দাম! বাড়ছে আশঙ্কা

    ৬০ টাকা নয়, আরও বাড়বে রান্নার গ্যাসের দাম! বাড়ছে আশঙ্কা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে যেভাবে অস্থিরতা (Iran War) বেড়েছে তাতে জ্বালানি নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা বিশ্ব। বিশ্বের বেশিরভাগ অপরিশোধিত তেল চলাচল করে যে রাস্তা দিয়ে সেই হরমুজ প্রণালী নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে ইরান। পশ্চিম এশিয়ার এই দেশ আগেই হুমকি দিয়ে বলেছে, যদি কেউ এখান থেকে তেল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তবে জাহাজে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে। আর তারপর থেকেই সরবরাহ শৃংখল বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় 30 শতাংশ বেড়ে গিয়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। দাম বেড়েছে রান্নার গ্যাস (LPG Price Hike) এবং প্রাকৃতিক গ্যাসেরও। এমতবস্থায় আশঙ্কা বাড়ছে, গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের দাম আরও বাড়তে পারে।

    আরও বাড়বে রান্নার গ্যাসের দাম?

    এতদিন দিব্য বিভিন্ন আরব দেশগুলির কাছ থেকে এলএনজি এবং প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করছিল ভারত। তবে ইরান যুদ্ধ শুরু হলে সেই আমদানি ব্যাহত হয়। এর ফলে প্রভাব পড়েছে জ্বালানির দামে। কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করা হলেও গোটা দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের দাম 60 টাকা বেড়েছে। দাম বেড়েছে বাণিজ্যিক গ্যাসেরও। এখানেই শেষ নয়, পরিবহন জ্বালানি অর্থাৎ অটোর গ্যাসের দামও বেড়েছে বেশ খানিকটা।

    অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে গ্যাস কিনতে গিয়ে একেবারে নাজেহাল অবস্থা মধ্যবিত্তের। বিশেষজ্ঞদের দাবি, তরল সোনার জন্য পশ্চিম এশিয়ার উপরেই পুরোপুরি নির্ভরশীল ভারত। ফলে সেখান থেকে তেল আমদানি ঠিকমতো না হলে আগামী দিনে দেশে জ্বালানির দাম অনেকটাই বাড়তে পারে। যদিও ভারতের কাছে সুযোগ রয়েছে বন্ধু রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনে নেওয়ার। এছাড়াও নয়া দিল্লির কাছে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার বেশ কিছু প্ল্যান রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত যদি সেটা নাও হয়, অধিক দামে তরল সোনা কিনে নিতে পারবে নয়া দিল্লি। কিন্তু রান্নার গ্যাস বা LPG র ক্ষেত্রে সেটা সম্ভব নয়। বিশ্লেষক মহলের অনেকেরই আশঙ্কা, ইরান যুদ্ধ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে নরেন্দ্র মোদির সরকার অধিক দামে তেল কিনলেও LPG র সংকট দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে রান্নার গ্যাসের দাম যে আরও অনেকটাই বাড়বে সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    অবশ্যই পড়ুন: দায়ের হয়েছে FIR, জাতীয় পতাকার অপমান করে গ্রেফতার হবেন হার্দিক পান্ডিয়া?

    উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের চরম অস্থিরতার মধ্যেও নরেন্দ্র মোদি সরকারের কূটনৈতিক পদক্ষেপে মন গলেছে ইরানের। ইতিমধ্যেই ইরানের তরফে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আর এই অনুমোদনের পরই পুষ্পক এবং পরিমল নামক দুটি পণ্যবাহী জাহাজ একেবারে নিরাপদে হরমুজ পেরিয়ে ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। আর এই খবর জ্বালানি সংকটের পরিস্থিতিতে যে বড় স্বস্তি তা বলাই যায়।

  • জয়শঙ্করের হস্তক্ষেপেই স্বস্তি, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি পেল ভারতীয় জাহাজ

    জয়শঙ্করের হস্তক্ষেপেই স্বস্তি, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি পেল ভারতীয় জাহাজ

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের (Middle East War) মধ্যেই ভারতের জন্য আসলো বিরাট স্বস্তির খবর। কূটনৈতিক আলোচনার পর ইরান ভারতীয় পতাকাযুক্ত তেলবাহী জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে বলে সূত্র অনুযায়ী খবর। আর এই সিদ্ধান্ত ভারতের বিধানমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং ইরানের বিদেশ মন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার পরেই সামনে এল। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে এই কূটনৈতিক সমঝোতা যে ভারতের জন্য বিরাট সাফল্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    বেশ কয়েকটি বিশ্বস্ত সূত্র অনুযায়ী খবর, ইতিমধ্যেই অন্তত দুটি ভারতীয় তেলবাহী জাহাজ নিরাপদে ওই জলপথ পার হচ্ছে, এবং একটি জাহাজ মুম্বাই বন্দরে পৌঁছেছে। আর এই জাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে MT Pushpak এবং MT Parimal। কিন্তু এখনো পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ এবং ইজরায়েলের সঙ্গে যুক্ত জাহাজগুলোর উপরে কিছু বিধিনিষেধ আরোপিত রয়েছে বলেই সূত্রের খবর।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই হরমুজ প্রণালী?

    বলে দিই, বিশ্বের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হল এই হরমুজ প্রণালী। এটি ইরান এবং ওমানের মাঝখানে অবস্থিত একটি সরু সমুদ্রপথ। আর এই পথ দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি অপরিশোধিত তেল পরিবহন হয়ে থাকে। বিশ্বের মোট তেল ব্যবহারের প্রায় ২০%-ই এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। আর শুধুমাত্র তেল নয়, বরং বিশ্বের সবথেকে বড় অংশের এলএনজি পরিবহনও এই পথ দিয়ে হয়। যার ফলে এই জলপথে সামান্য সমস্যা তৈরি হলেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম আর জ্বালানি সরবরাহে বিরাট প্রভাব পড়ে।

    এদিকে চলমান সংঘাতের জেরে ইরান আগেই জানিয়েছিল যে, হরমুজ প্রণালিতে নিষেধাজ্ঞা মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপ এবং তাদের মিত্র দেশগুলির জাহাজের জন্যই প্রযোজ্য। সেই কারণেই ভারতের মতো পশ্চিমে দেশের জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। আর মার্চের প্রথম সপ্তাহে এই নীতির স্পষ্টতা সামনে এসেছিল। সেখানে বলা হয়েছে, ভারতগামী বা ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলি এই পথ ব্যবহার করতে পারবে।

    আরও পড়ুন: চমক জোয়ার ভাঁটার, ধস পরশুরামের জনপ্রিয়তায়! টপার কে? দেখুন টিআরপি তালিকা

    যুদ্ধের পর প্রথম তেলবাহী জাহাজ পৌঁছল ভারতে

    প্রসঙ্গত, সংঘাত শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো একটি তেলবাহী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পার হয়ে ভারতে পৌঁছেছে। Shenlong Suezmax নামের এই জাহাজ সৌদি আরবের রাস তানুরা অয়েল টার্মিনাল থেকে অপরিশোধিত তেল নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। আর জাহাজটি শেষ পর্যন্ত ভারতের মুম্বাই বন্দরে পৌঁছয়। জানা গিয়েছে, বিপজ্জনক এলাকা পার হওয়ার সময় কিছু সময়ের জন্য ট্রাকিং সিস্টেম বন্ধ করে দিয়েছিল জাহাজটি। তবে কোনও রকম সমস্যা ছাড়াই ভারতে পৌঁছতে পেরেছে ওই ট্যাংকার।

  • দূর হবে চিন্তা, LPG নিয়ে এল বড় সুখবর

    দূর হবে চিন্তা, LPG নিয়ে এল বড় সুখবর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ LPG নিয়ে সংকটের মাঝেই বিরাট সুখবর শোনাল ভারত সরকার। এমনিতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি থেকে শুরু করে গ্যাসের (LPG Cylinder) অমিল নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে হোটেল ব্যবসায়ীরা। কী করে হেঁশেল চলবে সেই চিন্তা এখন কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে সকলকে। এহেন পরিস্থিতিতে সরকারের এক ঘোষণা সকলের মধ্যে একটু হলেও স্বস্তির আবহাওয়া তৈরি করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক গ্যাস ভর্তি দুটি কার্গো জাহাজ ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে খবর।

    দুটি কার্গো জাহাজ আসছে ভারতে

    যত সময় এগোচ্ছে ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধের কারণে দেশে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহের অভাবে অনেক শহরের হোটেল এবং রেস্তোরাঁ বন্ধ রয়েছে। অনেক শহরের গ্যাস এজেন্সিগুলির বাইরে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে, সরকার জানিয়েছে যে বুকিংয়ের আড়াই দিন পরে এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাবে। সরকার জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সিলিন্ডার মজুদ না করার জন্যও আবেদন করেছে। দেশে এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই মাঝে সরকার ঘোষণা করেছে, তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG)-এর দুটি কার্গো ইতিমধ্যেই ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এর ফলে সংকট কিছুটা হলেও মিটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব (বিপণন ও তেল শোধনাগার) সুজাতা শর্মা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে আমরা আমাদের এলপিজি চাহিদার ৬০ শতাংশ আমদানি করি এবং এর ৯০ শতাংশ আসে হরমুজ প্রণালী থেকে । এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। ৮ মার্চ, রিফাইনারি এবং পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সগুলিকে এলপিজি উৎপাদন সর্বাধিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, সরকারি পদক্ষেপের কারণে, দেশীয় এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি দেশীয় গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে অ-দেশীয় এলপিজিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

    কত টাকায় মিলছে রান্নার গ্যাস?

    দিল্লিতে একটি সিলিন্ডারের দাম ৬০ বৃদ্ধির পর ৯১৩ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। যদিও উজ্জ্বলা সুবিধাভোগীদের জন্য, দাম ৬১৩ টাকা। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম ৪১% বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ভারতে পিএমইউ-এর দাম ৩২% হ্রাস পেয়েছে। তিনি বলেন যে ভারতে এলপিজির দাম অনেক দেশের তুলনায় অনেক কম।

  • রয়েছে AC কোচ, তাও কেন ভারতীয় রেলের এই ট্রেনের নাম গরীব রথ! কারণ জানেন?

    রয়েছে AC কোচ, তাও কেন ভারতীয় রেলের এই ট্রেনের নাম গরীব রথ! কারণ জানেন?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এই মুহূর্তে ভারতীয় রেলের (Indian Railways) অধীনে রয়েছে 13 হাজারেরও বেশি যাত্রীবাহী ট্রেন। তবে সেই সব ট্রেনের মধ্যে এমন কিছু এক্সপ্রেস ট্রেন রয়েছে যেগুলি অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক দিক থেকে অন্যান্য এক্সপ্রেস ট্রেনের মতোই। রয়েছে অত্যাধুনিক AC থ্রি টায়ার কোচও। তবে এই ট্রেনগুলির নাম গরীব রথ (Garib Rath Express)। আসলে ভারতীয় রেলের গরীব রথ পরিষেবার অধীনে দেশের বিভিন্ন শহরের মধ্যে চলাচল করে এই ট্রেনগুলি। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন, এই ট্রেনগুলির নাম কেন বেছে বেছে গরীব রথ রাখা হল?

    গরীব রথ নামকরণের নেপথ্য কারণ

    সালটা 2006। সে বছরের 5 অক্টোবর গরীব রথ নামে বিশেষ এক্সপ্রেস পরিষেবা চালু করেছিল ভারতীয় রেলওয়ে। তৎকালীন রেলমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের হাত ধরে সহরসা থেকে পাঞ্জাবের অমৃতসর পর্যন্ত প্রথম গরীব রথ এক্সপ্রেসের উদ্বোধন হয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে এই বিশেষ পরিষেবার অধীনে দেশের বিভিন্ন শহরের মধ্যে আরও একাধিক ট্রেন চালাতে শুরু করে রেল। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ভারতের বিভিন্ন শহরের একাধিক রুটে চালু রয়েছে গরীব রথ এক্সপ্রেস পরিষেবা।

    কিন্তু কেন এই এক্সপ্রেস ট্রেনের নাম দেওয়া হল গরীব রথ? কমবেশি সকলেই জানেন, 2006 এ মূলত সাধারণ মানুষের পকেটের কথা চিন্তা করেই এই বিশেষ ট্রেন পরিষেবা চালু করেছিল রেল। ভারতীয় রেলের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, অন্যান্য এক্সপ্রেস ট্রেনের তুলনায় অল্প খরচে যাতে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেনে করে সাধারণ মানুষ এক স্থান থেকে নিজের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন সেটা সু নিশ্চিত করা। এক কথায়, সমাজের নিম্ন শ্রেণীর অর্থাৎ আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া মানুষদের কথা চিন্তা করেই এই এক্সপ্রেস ট্রেনের নাম দেওয়া হয় গরীব রথ। অর্থাৎ গরীবদের রথ।

    না বললেই নয়, ভারতীয় রেলের গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন গরীব রথ এক্সপ্রেসে এসি 3 টায়ার এবং এসি চেয়ার কার কোচ রয়েছে। যেগুলির ভাড়া আর পাঁচটা উন্নত এক্সপ্রেস ট্রেনের তুলনায় অনেকটাই কম। উদাহরণস্বরূপ, হাওড়া থেকে পুরী পর্যন্ত যদি কেউ গরীব রথ এক্সপ্রেসের AC থ্রি টায়ারে করে যাতায়াত করতে চান তবে তাঁর ভাড়া পড়বে মাত্র 575 টাকা। যা অন্যান্য এক্সপ্রেস বা সুপারফাস্ট ট্রেনের তুলনায় অনেকটাই কম এবং সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে।

    অবশ্যই পড়ুন: কালো মেঘে ঢাকবে আকাশ, ঘূর্ণাবর্তের জেরে ৫ জেলায় দুর্যোগ! আজকের আবহাওয়া

    প্রসঙ্গত, গরীব রথ এক্সপ্রেসের থ্রি টায়ার কোচের ভাড়া দূরত্ব অনুযায়ী 500 টাকা থেকে 1300 টাকার মধ্যে। তবে এই ভাড়ার মধ্যে কিন্তু খাওয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়। তার জন্য আলাদা করে খরচ করতে হবে যাত্রীদের। এছাড়াও IRCTC ওয়েবসাইট কিংবা কাউন্টার থেকে গরীব রথের টিকিট কাটলেও ওই টিকিটে ট্রেনে ভ্রমণ করার সময় রেলের তরফে চাদর এবং বালিশ পাওয়া যাবে না। এর জন্যেও আলাদা করে অর্থ গুনতে হবে।

  • রোজ ৯ ঘণ্টার চাকরি, টিউশন ছাড়াই UPSC ক্র্যাক! IAS শ্বেতার কাহিনী যেন রূপকথা

    রোজ ৯ ঘণ্টার চাকরি, টিউশন ছাড়াই UPSC ক্র্যাক! IAS শ্বেতার কাহিনী যেন রূপকথা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: কঠোর পরিশ্রম আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি (Success Story) থাকলে সবকিছুই যে সম্ভব তা আরও একবার প্রমাণ করলেন শ্বেতা ভারতী (Shweta Bharti)। প্রতিদিন ৯ ঘণ্টা চাকরির পরেও নিজের স্বপ্নকে কখনও অধরা হতে দেননি তিনি। অফিসের কাজ শেষ করে রাত জেগে পড়াশোনা করেই তিনি কঠিন ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। হ্যাঁ, ২০২১ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় ৩৫৬ তম র‍্যাঙ্ক অর্জন করেন তিনি, যা তাঁর আইএএস হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করে। তাঁর এই যাত্রা আজকের দিনে বহু তরুণদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।

    ছোট শহর থেকেই দেখেন স্বপ্ন

    এনডিটিভির একটি রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, শ্বেতা বিহারের নালন্দা জেলার বাসিন্দা। স্কুলের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছিলেন পাটনাতে। তারপর ভাগলপুর থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। আর পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি ওই Wipro-তে চাকরি শুরু করেন। চাকরি করার সময়ই তিনি ভাবেন যে, যে করে হোক ইউপিএসসি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হতে হবে। সেই সূত্রেই তাঁর প্রস্তুতি নেওয়া।

    এই ট্রিকেই সেলফ স্টাডি করে IAS

    কিন্তু অনেকেই ইউপিএসসি প্রস্তুতির জন্য চাকরি ছেড়ে দেন। তবে পারিবারিক দায়িত্বের কারণে শ্বেতা সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। বরং তিনি ঠিক করেন, চাকরির পাশাপাশি প্রস্তুতি নেবেন। প্রতিদিন দিনের বেলায় অফিসের কাজ শেষ করে সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত তিনি পড়াশোনা করতেন। আর কঠোর রুটিন মেনেই নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যেতেন তিনি। এমনকি মনোযোগ ধরে রাখার জন্য তিনি সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন।

    আরও পড়ুন: ৪টি বন্দে ভারতের সময়সূচি বদল করল রেল, প্রভাবিত হবেন যাত্রীরা! দেখুন নতুন টাইম

    ইউপিএসসি-র আগে তিনি বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষাও চেষ্টা করেছিলেন। সেখানে তিনি ৬৫ র‍্যাঙ্ক অর্জন করেন। এমনকি তিনি ডিস্ট্রিক্ট প্রোগ্রাম অফিসের পদে নিযুক্ত হন। সেই চাকরি পাওয়ার পরও তিনি ইউপিএসসি প্রস্তুতি থামাননি। বরং, আরও মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যান। অবশেষে ২০২১ সালে ইউপিএসসি পরীক্ষায় সফল হয়েই তিনি আইএএস হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করেন। বর্তমানে তিনি ভাগলপুরে অ্যাসিস্ট্যান্ট কালেক্টর হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এক কথায়, তাঁর এই প্রচেষ্টা আর সাফল্য যে আজকের দিনে তরুণ-তরুণীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।