Category: ভারত

  • লাদাখ হিংসায় দীর্ঘ ৬ মাস জেলবন্দি থাকার পর মুক্তি পাচ্ছেন সোনম ওয়াংচুক

    লাদাখ হিংসায় দীর্ঘ ৬ মাস জেলবন্দি থাকার পর মুক্তি পাচ্ছেন সোনম ওয়াংচুক

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দীর্ঘ ছয়মাস জেলবন্দি থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেতে চলেছেন লাদাখের পরিবেশ কর্মী ও ক্লাইমেট অ্যাক্টিভিস্ট সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। তাঁর বিরুদ্ধে জারি করা ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের ডিটেনশন বা আটকাদেশ প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিল এবার কেন্দ্র সরকার। তার ফলে খুব শিগগিরই তিনি মুক্তি পেতে পারেন বলে বেশ কয়েকটি সূত্র মারফত খবর।

    কেন তাঁকে আটক করা হয়েছিল?

    প্রসঙ্গত, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে লাদাখে বিরাট আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল, লাদাখকে সম্পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হোক আর সংবিধানের ষষ্ঠ তপশীলির আওতায় বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া হোক। সেই আন্দোলনে লেহ এলাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিক্ষোভের সময় সহিংসতার ঘটনাও ঘটে। আর ওই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয় এবং বহু মানুষ আহত হন বলে অভিযোগ। তবে সেই ঘটনার কিছুদিন পর অর্থাৎ ২০২৫ এর ২৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ সোনম ওয়াংচুককে ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের আওতায় আটক করে। আর পরে তাঁকে রাজস্থানের যোধপুর জেলে রেখে দেওয়া হয়।

    সরকারের মূল দাবি ছিল, লাদাখে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য এবং সম্ভাব্য অশান্তি ঠেকাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ওই আটকাদেশ প্রত্যাহার করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, লাদাখে শান্তি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখা আর সমস্ত পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়েই এই সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ১৩০ কিমি বেগে ছুটবে ট্রেন, দেশ জুড়ে হাইস্পিড ট্র্যাকের উন্নতিতে বড় সাফল্য রেলের

    প্রসঙ্গত, সোনম ওয়াংচুকের আটক নিয়ে আইনি লড়াইও শুরু হয়েছিল। তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো দেশের সর্বোচ্চ আদালতে হেবিয়াস করপাস আবেদন দায়ের করেছিল। আর সেখানে দাবি করা হয় যে, এনএসএ-এর আওতায় তাঁর স্বামীর আটক মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী আর অবৈধ। মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে আদালতে বিচারাধীন ছিল। এমনকি শুনানির সময় আদালত সোনমের স্বাস্থ্যের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। সেই কারণেই কেন্দ্র সরকার সরকার বিষয়টিকে পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দেয়।

  • ১৩০ কিমি বেগে ছুটবে ট্রেন, দেশ জুড়ে হাইস্পিড ট্র্যাকের উন্নতিতে বড় সাফল্য রেলের

    ১৩০ কিমি বেগে ছুটবে ট্রেন, দেশ জুড়ে হাইস্পিড ট্র্যাকের উন্নতিতে বড় সাফল্য রেলের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যত সময় এগোচ্ছে ততই ভারতীয় রেল (Indian Railways) ব্যবস্থার উন্নতি ঘটছে। হাইস্পিড ট্রেন থেকে শুরু করে উন্নত ট্র্যাক ইত্যাদি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করেই চলেছে ভারতীয় রেল। সবথেকে বড় কথা, যাত্রীদের সুরক্ষা মাথায় রেখে ট্রেনে বসেছে কবচ। যাইহোক, এরই মাঝে বড় তথ্য দিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বভারতীয় রেলওয়ে নিরাপত্তা জোরদার এবং ট্রেন পরিচালনা উন্নত করার জন্য ২০১৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ৫৪,৬০০ কিলোমিটার ট্র্যাক সংস্কার করেছে বুধবার সংসদে জানালেন তিনি। সেইসঙ্গে আরও ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে খবর।

    ৮০% ট্র্যাক এখন ১১০ কিমি/ঘণ্টা

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১২ বছরে রেল নেটওয়ার্কের ৮০% এরও বেশি অংশকে ১১০ কিমি/ঘন্টা বা তার বেশি গতিতে উন্নীত করা হয়েছে। ২০১৪ সালে এই কাজ প্রায় ৪০% ছিল। ১৩০ কিমি/ঘন্টা বা তার বেশি গতিতে সক্ষম ট্র্যাকগুলিও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, বর্তমানে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০%। লোকসভায় এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ট্র্যাক নবায়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া যা ট্র্যাকের বয়স, ট্র্যাফিকের চাপ এবং সামগ্রিক অবস্থার মতো পরামিতিগুলির উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।

    আরও পড়ুনঃ পোর্টালে সমস্যায় আপডেট করা যাচ্ছে না সার্ভিস বুক, কর্মীদের নয়া নির্দেশ রাজ্য সরকারের

    কী জানাচ্ছেন রেলমন্ত্রী?

    তিনি আরও বলেন, অনুমোদিত গতিতে ট্রেন চলাচলের জন্য রেলপথ নিরাপদ রাখার জন্য নবায়নের কাজগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।রেলওয়ে নেটওয়ার্ক নিয়মিতভাবে একাধিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে মনোনীত কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন, যার মধ্যে রয়েছে দৈনিক টহলদারি, ট্রলি করে পরিদর্শন ইত্যাদি।

    ট্র্যাকের জ্যামিতি এবং স্বাস্থ্য আরও বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়ন করার জন্য, রেলওয়ে ট্র্যাক রেকর্ডিং কার (TRC) এবং অসিলেশন মনিটরিং সিস্টেম (OMS) ব্যবহার করে নির্ধারিত রান পরিচালনা করে। সমগ্র নেটওয়ার্ক এই মনিটরিং সিস্টেমের আওতায় আসে যাতে সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা যায় এবং সময়সীমার মধ্যে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া যায়। এছাড়াও সরকার ৭৬৫ কোটি টাকার অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন অনুমোদন করেছে যার লক্ষ্য হল কার্যক্রম উন্নত করা, লাইনের ক্ষমতা সম্প্রসারণ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা।

  • ভারতের পতাকা দেখেই ছাড়, নিরাপদে হরমুজ পেরোল LPG কার্গো শিবালিক

    ভারতের পতাকা দেখেই ছাড়, নিরাপদে হরমুজ পেরোল LPG কার্গো শিবালিক

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দেশে কাটতে চলেছে এলপিজির সংকট (LPG Crisis)! পশ্চিম এশিয়ায় চলা উত্তেজনার জেরে যখন জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে দিনের পর দিন উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক সেই সময় সামনে এলো বিরাট স্বস্তির খবর। হ্যাঁ, ভারতের পতাকাবাহী একটি এলপিজি পরিবাহী জাহাজ নিরাপদেই হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) অতিক্রম করল। অনলাইন জাহাজ ট্র্যাকিং পোর্টাল MarineTraffic এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের পতাকাবাহী এলপিজি পরিবাহী জাহাজ শিবালিক শুক্রবার রাত নগদ সফলভাবেই হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। ফলে সংকটের মুখে দেশে এলপিজি নিয়ে দুশ্চিন্তা হয়তো দূর হতে চলেছে, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

    কাতার থেকে শুরু করেছিল যাত্রা

    বিশ্বস্ত সূত্র অনুযায়ী খবর, এই এলপিজি ভর্তি জাহাজটি বিগত ২৭ মার্চ কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। আর সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ তরলকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বোঝাই করেই জাহাজটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক রুট ধরে এগিয়ে যায়। এমনকি পরে তা নিরাপদে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পার হয়ে যায়। প্রথমদিকে কিছু কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, জাহাজটিকে ভারতীয় যুদ্ধ জাহাজ নিরাপত্তা দিয়েই নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পরে সেই দাবি নাকোচ করে ভারতীয় নৌ-বাহিনী। তাদের তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই জাহাজকে কোনওরকম সুরক্ষা দেওয়া হয়নি।

    এক্ষেত্রে বলে রাখি, শিবালিক একটি বৃহৎ আকারের এলপিজি পরিবাহী জাহাজ। এর কার্গো বহন ক্ষমতা আনুমানিক ৫৪ হাজার টনেরও বেশি। বর্তমানে জাহাজটি ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা শিপিং কর্পোরেশন ইন্ডিয়ার মালিকানাধীন। শিপিং ডাটাবেস Equasis এর একটি তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে তৈরি হওয়া এই জাহাজটির প্রথম মালিক ছিল কাতার শিপিং কোম্পানি। পরে মালিকানা বদলের মাধ্যমে এটি ভারতের আওতায় আসে। এমনকি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জাহাজে থাকা এলপিজির পরিমাণ ভারতের মোট দৈনিক আমদানির প্রায় একদিনের সমান হতে পারে।

    আরও পড়ুন: দেশে ৩০% বাড়ল LPG-র উৎপাদন, কমবে গ্যাসের ক্রাইসিস

    বলাই বাহুল্য, মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির জেরে সেখানে এখন তৈরি হয়েছে অস্থিরতা। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে যে বিপুল পরিমাণ তেল বা গ্যাস বাণিজ্য হয়, তার বৃহৎ অংশই এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। কিন্তু উত্তেজনার কারণে এই রুটে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। যার ফলে বিশ্বের অনেক দেশে দেখা যায় জ্বালানির সংকট। তবে সেই হাহাকারের মধ্যেও কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস হয়তো ফেলতে পারে ভারত।

  • দেশে ৩০% বাড়ল LPG-র উৎপাদন, কমবে গ্যাসের ক্রাইসিস

    দেশে ৩০% বাড়ল LPG-র উৎপাদন, কমবে গ্যাসের ক্রাইসিস

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে দিন দিন গ্যাসের সঙ্কট বেড়েই চলেছে। মিলছে না গ্যাস, বাজারে তাই গ্রাহকদের হাহাকার অবস্থা। এই কারণে একাধিক শহরে হোটেল-রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গ্যাসের সংকটের (LPG Cylinder Crisis) ছায়া পড়েছে হাসপাতাল, স্কুল কলেজ হোস্টেল ক্যান্টিনে। আর ঠিক এই পরিস্থিতিতে গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার জ্বালানি নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government Of India)। রান্নার গ্যাসের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (LPG Gas Production) প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আশ্বাস দিল কেন্দ্র।

    এলপিজি উৎপাদন ৩০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে

    কেন্দ্রীয় তেল মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছে যে, দেশজুড়ে গৃহস্থালির জন্য এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। রিফাইনারিগুলিতে উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে যাতে বাজারে গ্যাসের ঘাটতি না হয়। রিপোর্ট মোতাবেক ৫ মার্চের পর থেকে দেশে এলপিজি উৎপাদন ৩০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এলপিজি বুকিংয়ের ব্যবধান বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তিনি জানিয়েছেন, শহরাঞ্চলে গ্যাস বুকিংয়ের ন্যূনতম ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। গ্রামাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় এই ব্যবধান ২৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৪৫ দিন করা হয়েছে। আর তাতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়েছে।

    কী বলছেন যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা?

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছেন, “পরিবার, হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য এলপিজি সরবরাহকে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও কেন্দ্র, রাজ্য সরকারগুলিকে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারও সরবরাহ করছে, যাতে রাজ্য সরকার যেখানে যেমন প্রয়োজন ঠিক ততটাই অগ্রাধিকার অনুসারে বিতরণ করতে পারে। পাশাপাশি সারা দেশে পেট্রোল বা ডিজেলের কোনও ঘাটতি নেই। প্রায় ১,০০,০০০ খুচরো জ্বালানি বিক্রেতা জানিয়েছেন যে গ্যাসের কোনও ঘাটতি নেই তাদের আউটলেটে। পেট্রোল পাম্পগুলিও স্বাভাবিকভাবে চলছে এবং পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে।”

    পাইপের মাধ্যমেও চলছে গ্যাস সরবরাহ

    ভারতে প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ পরিবার পিএনজি কানেক্শন ব্যবহার করেন। সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস এবং কম্প্রেসড প্রাকৃতিক গ্যাসও স্থিতিশীল রয়েছে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ সরবরাহও করা হচ্ছে। আরও ৬০ লক্ষ বাড়ি সহজেই পিএনজি সংযোগ পেতে পারেন। ফলস্বরূপ এলপিজির চাহিদার উপর চাপ কমতে পারে। অন্যদিকে যানবাহনে ব্যবহৃত সিএনজি সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও অন্য শিল্পক্ষেত্রগুলি যেমন উৎপাদন শিল্প ও চা শিল্প, এদের গড় চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ গ্যাস দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: KKR-এ হর্ষিত রানার বদলি হচ্ছেন MI-র এই বোলার! চেনেন নাকি?

    প্রসঙ্গত, এলপিজি ঘাটতির অভিযোগ তুলে বিরোধী সাংসদেরা সংসদ চত্বরে বিক্ষোভও দেখিয়েছেন। তবে কেন্দ্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জ্বালানি সংকটের জেরে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে রাজপথে মিছিল করতে চলেছেন। আগামী সোমবার, ১৬ মার্চ, বিকেল ৪টের সময় মিছিল শুরু হবে কলেজ স্কোয়ার থেকে যা শেষ হবে ডরিনা ক্রসিংয়ে। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা।

  • রেশনে অর্ধেক খরচে কিনতে পারবেন কেরোসিন! বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    রেশনে অর্ধেক খরচে কিনতে পারবেন কেরোসিন! বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইরান যুদ্ধের আঁচ পড়েছে ভারতেও। রাজ্যগুলিতে দেখা দিয়েছে গ্যাস সিলিন্ডারের (LPG) আকাল। এর জেরে উদ্বেগ বেড়েছে আমজনতার। ফোন বুকিং করা সত্ত্বেও গ্যাস ডিলারের দোকানের সামনে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে ক্রেতাদের। কেউ কেউ তো আবার 4 দিন আগে গ্যাস বুক করেও এখনও হাতে পাননি সিলিন্ডার। রেস্তোরা গুলোর অবস্থা আরও খারাপ। সব মিলিয়ে, গ্যাস সিলিন্ডারের যোগান নিয়ে ক্রমশ চিন্তা বাড়ছে সাধারণ মানুষের। ঠিক সেই পরিস্থিতিতে এবার রেশন দোকান থেকে কেরোসিন (Kerosene) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। এখন প্রশ্ন, কত দামে মিলবে কেরোসিন?

    কত টাকায় পাওয়া যাবে কেরোসিন?

    সময় যত গড়াচ্ছে গ্যাস নিয়ে ততই বাড়ছে উদ্বেগ। শহরের ক্ষেত্রে প্রথম গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং করার পর দ্বিতীয় গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে হলে অন্তত 25 দিন অপেক্ষা করতেই হবে। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলের ক্ষেত্রে সেই অপেক্ষা আরও দীর্ঘ। গ্রামের বাসিন্দারা 45 দিনের মধ্যে দ্বিতীয় গ্যাস বুক করার সুযোগ পাবেন। এক কথায়, গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে মাথায় হাত সাধারণ মানুষের। এমতাবস্থায়, কেরোসিনের চাহিদা বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    অনেকেরই বক্তব্য, শহরে না হলেও গ্রামাঞ্চলে কেরোসিনের ব্যবহার বাড়তে পারে। সে কারণেই খোলা বাজারে কেরোসিনের দাম অনেকটাই বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। আপাতত যা খবর, বর্তমানে খোলা বাজারে এক লিটার কেরোসিনের দাম 100 টাকা। তবে এই দাম চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে পরিবর্তন হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এদিকে, কেরোসিনের চাহিদা বাড়তে পারে এমন ভাবনা থেকেই এবার রেশন দোকান থেকে কেরোসিন বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

    এখন প্রশ্ন কত দামে পাওয়া যাবে কেরোসিন? যা খবর, বাজারে কেরোসিনের যা দাম থাকবে সেই দামের তুলনায় অন্তত 45 থেকে 50 শতাংশ কম দামে রেশন দোকান থেকে কিনতে পারবেন কেরোসিন। কয়েকটি সূত্র মারফত খবর, বাজার যাচাই করে রেশন দোকান থেকে খুব বেশি হলে 52 টাকা থেকে 55 টাকার মধ্যে পাওয়া যেতে পারে কেরোসিন। ।

    অবশ্যই পড়ুন: রোহিত, কোহলিকে নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত BCCI-র

    রাজ্যগুলিকে বিপুল পরিমাণ কেরোসিন বরাদ্দ কেন্দ্রের

    বেশ কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে বাংলা তথা দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলিতে গ্যাস সিলিন্ডারের আকাল দেখা দেওয়ায় রাজ্যগুলির রেশন দোকান থেকে কেরোসিন সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেক রাজ্যকে 40 হাজার কিলো লিটারেরও বেশি কেরোসিন বরাদ্দ করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সব ঠিক থাকলে আগামী কিছুদিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত মতোই রাজ্যের রেশন দোকানগুলি থেকে শুরু হয়ে যাবে কেরোসিন বন্টনের কাজ।

  • জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ১৯৩ সাংসদের স্বাক্ষর, সরানো সম্ভব নির্বাচন কমিশনারকে?

    জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ১৯৩ সাংসদের স্বাক্ষর, সরানো সম্ভব নির্বাচন কমিশনারকে?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Election 2026) ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি রাজ্য রাজনীতিতে। আর এমন পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারকে (CEC Gyanesh Kumar) সরাতে উঠে পড়ে লেগেছে বিরোধীরা। জানা গিয়েছে, আজ সংসদে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব পেশ করলেন ইন্ডিয়া জোটের বিরোধীরা। প্রশ্ন উঠছে তবে কি বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বিদায় ঘন্টা বাজবে জ্ঞানেশ কুমারের।

    জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নোটিস বিরোধীদের

    সূত্রের খবর, প্রস্তাবে মোট ১৯৩ জন বিরোধী সাংসদ সই করেছেন। তাঁদের মধ্যে লোকসভার সাংসদ রয়েছেন ১৩০ জন। রাজ্যসভার সাংসদ রয়েছেন ৬৩ জন। আর উল্লেখযোগ্য বিষয় হল সাংসদদের অধিকাংশ ‘ইন্ডিয়া’-র সদস্য। তবে ওই বিরোধী শিবিরের অংশ না হয়েও আম আদমি পার্টির সাংসদেরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশের অপসারণ চেয়ে সই করেছেন। বেশ কয়েক জন নির্দল সাংসদও নোটিসে সই করেছেন। অবাক করা বিষয় হল সংসদীয় ইতিহাসে এই প্রথম এই প্রথম কোনও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে সংসদের দুই কক্ষে প্রস্তাব জমা পড়ল।

    উঠে এসেছে একাধিক অভিযোগ!

    শুরু থেকেই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ-সহ বেশ কিছু অবিজেপিশাসিত রাজ্যে একাধিক বার পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। তিনি বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ ওঠে। তাই এবার তাঁকে অপসারণের জন্য সংসদে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ৭টি অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট বা বৈষম্যমূলক আচরণ। এছাড়া, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বিপুল সংখ্যার ভোটারদের ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করারও অভিযোগ উঠেছে নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: ৫টি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য নয়া উন্নয়ন পর্ষদ গঠনের ঘোষণা নবান্নের

    সরানো সম্ভব নির্বাচন কমিশনারকে?

    উল্লেখ্য, দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে অপসারণের পদ্ধতি সুপ্রিম কোর্ট বা হাই কোর্টের বিচারপতিকে অপসারণের মতোই। আসলে ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪(৫) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের কোনও বিচারপতিকে যে কারণে ও যে প্রক্রিয়ায় সরানো যায়, সেই একই প্রক্রিয়ায় কোনও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে হয়। সেক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট বা রাষ্ট্রপতির অর্ডার দরকার। এছাড়াও বিচারপতিকে সরাতে হলে সংসদের দুই কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে ভোটাভুটি করতে হবে। তারপরই রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নেন। আজ সেই মতো নোটিস জমা দেওয়া হয়েছে। এখন দেখার এর ফলাফল কী হয়।

  • LPG সংকটের জের, রেস্তোরাঁর বিলের সাথে যুক্ত হচ্ছে গ্যাসের চার্জ!

    LPG সংকটের জের, রেস্তোরাঁর বিলের সাথে যুক্ত হচ্ছে গ্যাসের চার্জ!

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এবার থেকে হোটেল বা রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে হয়তো একটু বাড়তি খরচ করতে হতে পারে (Restaurant Extra Charges)। কারণ, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কিছু রেস্তোরাঁ গ্রাহকদের বিলের সঙ্গে এলপিজি সারচার্জ বা গ্যাস ফি যুক্ত করে দিচ্ছে। হ্যাঁ, পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের জেরে রান্নার গ্যাসের টানাটানি (LPG Crisis) এমনিতেই ভারতে। আর সেই পরিস্থিতিতেই এবার বিরাট সিদ্ধান্ত নিচ্ছে রেস্তোরাঁর মালিকরা।

    বিলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে এলপিজি সারচার্জ

    রেস্তোরাঁর মালিকরা দাবি করছে, বর্তমানে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম আর সরবরাহ দুটোই অনিশ্চিত। এই কারণে অনেক জায়গায় রেস্তোরাঁগুলিকে অতিরিক্ত খরচ করতে হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু কিছু রেস্তোরাঁ বা হোটেল গ্যাসের অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আর সেই খরচ সামাল দেওয়ার জন্যই কিছু রেস্তোরাঁ গ্রাহকদের বিলের মধ্যে গ্যাস ফি বা এলপিজি সারচার্জ নামে আলাদা চার্জ যুক্ত করছে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিল ভাইরাল হয়েছে। আর সেখানে Geeraas Restaurant নামে একটি রেস্তোরাঁ গ্রাহকের বিলের সঙ্গে ৯.৫২ টাকা গ্যাস ফি যুক্ত করেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, এই ধরনের অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া ঠিক কতটা যুক্তিযুক্ত?

    এমনকি শুধুমাত্র রেস্তোরাঁ নয়, বরং দেশের বিভিন্ন শহরে কিছু কিছু খাবারের দোকান বিলের মধ্যে নতুন করে লাইন আইটেম যুক্ত করেছে। যেমন এলপিজি রিভিশন চার্জ, গ্যাস সাপ্লাই ইস্যু ফি, ফুয়েল অ্যাডজাস্টমেন্ট চার্জ। আর এসবের অর্থ একটাই, গ্যাসের দাম বাড়ার কারণে সেই অতিরিক্ত খরচের একটা অংশ গ্রাহকদের উপরেই চাপানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তৃণমূলের হেভিওয়েট বিধায়ক, ছড়াল জল্পনা

    এদিকে সব রেস্তোরাঁ সরাসরি চার্জ নিচ্ছে না। বরং অনেক জায়গায় আবার মেনুতে খাবারের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, বেঙ্গালুরুর Krishna Vaibhava নামক এক রেস্তোরাঁর বেশ কয়েকটি খাবারের দাম ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আসলে ভারতের রান্নার গ্যাসের একটি বৃহৎ অংশ আমদানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্য থেকে। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে সেই সরবরাহে কিছুটা সমস্যা দেখা যাচ্ছে। যার ফলে বাজারে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম আর সরবরাহ দুটোই অনিশ্চিত। আর তারই প্রভাব পড়ছে হোটেল বা রেস্তোরাঁর মালিকদের উপর।

  • শীঘ্রই ছুটবে প্রথম মেড ইন ইন্ডিয়া বুলেট ট্রেন, কবে থেকে টিকিট বুকিং শুরু?

    শীঘ্রই ছুটবে প্রথম মেড ইন ইন্ডিয়া বুলেট ট্রেন, কবে থেকে টিকিট বুকিং শুরু?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে ততই আরও আধুনিক হচ্ছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। ট্রেন দেরির সমস্যা একদিকে যেমন রয়েছে তেমনই কিন্তু অন্যদিকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, বন্দে ভারত স্লিপার, তেজস এক্সপ্রেসের মতো কিছু প্রিমিয়াম এবং হাইস্পিড ট্রেনও রয়েছে। এখন তো আবার বুলেট ট্রেন করিডর (Bullet Train) তৈরী হচ্ছে। ভারতের প্রথম মেড ইন ইন্ডিয়া বুলেট ট্রেন মুম্বাই-আহমেদাবাদের মধ্যে চলবে। কাজ অনেকটাই হয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এখন প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কবে থেকে বুলে ট্রেনের টিকিট কাটা যাবে? ভাড়াই বা কত হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    বুলেট ট্রেনের বুকিং কবে থেকে শুরু হবে?

    বুলেট ট্রেনের কাজ কিছুটা হলেও ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে খবর। বুলেট ট্রেনের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হবে করিডোরের ৯৭ কিলোমিটার সুরাট-ভাপি অংশে বলে খবর। ৫০৮ কিলোমিটারের পুরো ট্র্যাকটি ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।আহমেদাবাদ-মুম্বাই হাই স্পিড রেল করিডোর প্রকল্পটি এনএইচআরএসসিএল দ্বারা তৈরি করা হচ্ছে। সরকার জানিয়েছে যে ২৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে সক্ষম B28 ভারত-নির্মিত বুলেট ট্রেন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যখন অন্যান্য উন্নত ট্রেন সেটের কাজ অব্যাহত রয়েছে। যদিও ট্রেনের বুকিং প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

    বুলেট ট্রেনের রুট

    এই বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি ভারতের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ। এর সমাপ্তি ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে এবং দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। যদিও ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং বিলম্ব উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, সরকার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি সম্পন্ন করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রকল্পটি উচ্চ-গতির রেলের ক্ষেত্রে ভারতকে একটি নতুন পরিচয় দেবে। রেলমন্ত্রী বলেন, বুলেট ট্রেন করিডোরটি পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। তিনি বলেন, প্রথম কার্যকরী অংশটি হবে সুরাট-বিলিমোরা রুট, তারপরে ভাপি-সুরাট। এরপর, ভাপি-আহমেদাবাদ অংশটি খোলা হবে, তারপরে থানে-আহমেদাবাদ রুটে পরিষেবা চালু হবে।

    আরও পড়ুনঃ হাওড়াগামী বহু ট্রেনের নম্বর, বিভাগ বদলাচ্ছে রেল! ভ্রমণের আগে দেখুন তালিকা

    তিনি বলেন, চূড়ান্ত পর্যায়ে পুরো মুম্বাই-আহমেদাবাদ হাই-স্পিড রেল করিডোরটি চালু হবে।508-কিমি মুম্বাই-আমেদাবাদ হাই স্পিড রেল (MAHSR) প্রকল্পে ১২টি স্টেশন থাকবে (মুম্বাই, থানে, ভিরার, বোইসার, ভাপি, বিলিমোরা, সুরাট, ভরুচ, ভাদোদরা, আনন্দ, আহমেদাবাদ এবং সবরমতি)। একবার চালু হয়ে গেলে, এটি মুম্বাই এবং আহমেদাবাদের মধ্যে ভ্রমণের সময় মাত্র ২ ঘন্টা ৭ মিনিট (১২৭ মিনিট) কমিয়ে আনবে।

  • দেশে আকাল, বিদেশে রপ্তানি! এলপিজি সংকট নিয়ে কেন্দ্রের থেকে জবাব চাইল হাইকোর্ট

    দেশে আকাল, বিদেশে রপ্তানি! এলপিজি সংকট নিয়ে কেন্দ্রের থেকে জবাব চাইল হাইকোর্ট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এবার হাইকোর্ট অবধি পৌঁছে গেল LPG সরবরাহের বিষয়টি। কেন্দ্রীয় সরকারকে এবার সরাসরি নোটিশ জারি করা হল আদালতের তরফে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। জানা গিয়েছে, ইরান-ইজরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের ফলে গ্যাস নিয়ে সংকট (LPG Crisis) তৈরি হয়েছে। এদিকে এই সংকটের মধ্যে, রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের সরবরাহ বৃদ্ধির দাবিতে দায়ের করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বোম্বে হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিশ জারি করেছে।

    LPG নিয়ে কেন্দ্রকে নোটিশ পাঠাল হাইকোর্ট

    রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বম্বে হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক এবং একটি বেসরকারি সংস্থাকে নোটিশ জারি করেছে। আবেদনকারীদের দাবি, নাগপুর-ভিত্তিক কনফিডেন্স পেট্রোলিয়াম ইন্ডিয়া লিমিটেড কেন্দ্রীয় সরকারের অভ্যন্তরীণ বিতরণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ সত্ত্বেও দেশীয় এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ বাড়াতে ব্যর্থ হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ৩.৮০ টাকা পিস! হু হু করে দাম কমছে ডিমের, নেপথ্যে কারণ কী?

    বিশিষ্ট আইনজীবী শ্যাম দেওয়ানি এবং সাহিল দেওয়ানির মাধ্যমে দায়ের করা এই আবেদনে বলা হয়েছে যে ইরান যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেল সরবরাহ ব্যাহত করেছে, যার ফলে এলপিজি উৎপাদনও ব্যাহত হয়েছে। এর পর, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক ঘরোয়া এলপিজি গ্রাহকদের জন্য এলপিজি উৎপাদন এবং সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ জারি করে। আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে এলপিজি রপ্তানি বন্ধ এবং দেশীয় বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর জন্য কোম্পানিকে বারবার অনুরোধ করার পরেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আবেদনকারীরা দাবি করেছেন যে কনফিডেন্স পেট্রোলিয়াম ইন্ডিয়া লিমিটেড তাদের জানিয়েছে যে তাদের রপ্তানি কৌশল আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয়, এবং তাই তারা দেশীয় বাজারকে অগ্রাধিকার দিতে পারেনি।

    ১৬ মার্চের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ

    বৃহস্পতিবার নাগপুর বেঞ্চের বিচারপতি অনিল এস. কিলোর এবং বিচারপতি রাজ ডি. ওয়াকোড আবেদনের শুনানির সময়ে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক, বৈদেশিক বাণিজ্যের মহাপরিচালক (ডিজিএফটি) এবং কনফিডেন্স পেট্রোলিয়াম ইন্ডিয়া লিমিটেডকে নোটিশ জারি করে। আদালত তাদের সোমবার অর্থাৎ আগামী ১৬ মার্চ মধ্যে জবাব দিতে বলেছে। হাইকোর্ট বেঞ্চ অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে বলেছে যে, ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সরকারের নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা উচিত।

  • ৩.৮০ টাকা পিস! হু হু করে দাম কমছে ডিমের, নেপথ্যে কারণ কী?

    ৩.৮০ টাকা পিস! হু হু করে দাম কমছে ডিমের, নেপথ্যে কারণ কী?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ একদিকে যখন মুদ্রাস্ফীতির বাজারে এলপিজির দাম নিয়ে মাথায় হাত পড়েছে মানুষের, তখন আচমকাই ডিমের দাম (Egg Price) কমতে শুরু করল। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। কিছুদিন আগে অবধি একটা ডিম যেখানে ৮ থেকে ৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এখন সেই দাম মাত্র ৫ টাকার আশেপাশে নেমে এসেছে। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। আচমকা এরকমভাবে ডিমের দাম কমছে কেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    হু হু করে দাম কমছে ডিমের

    যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। এই যুদ্ধের ভয়াবহতা আগামী দিনে কতটা ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করতে পারে সেটা ভেবেই শিহরিত মানুষ। এদিকে যুদ্ধের প্রভাবে টান পড়তে শুরু করেছে সাধারণ মানুষের হেঁশেল থেকে শুরু করে হোটেল ব্যবসার ওপর। ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের দাম, বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম এখন আকাশছোঁয়া। এদিকে অটো, ক্যাব ভাড়া বেড়ে গিয়েছে। যে কোনও মুহূর্তে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেড়ে যাতে পারে, এই আশঙ্কায় রাতে ঘুম আসছে না অনেকের। সেখানে ডিমের দামের ক্ষেত্রে ছবি একদম আলাদা। দেশের একাধিক রাজ্যে ডিমের দাম কমে অর্ধেক হয়ে যাওয়ায় মাথায় হাত পড়েছে ব্যবসায়ীদের।

    কী বলছেন ব্যবসায়ীরা?

    অনেকেই বলছে, চলমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সকলে ডিম অর্ধেক দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। আসলে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ ভারতের ডিম রপ্তানির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। উপসাগরীয় দেশগুলিতে ডিম রপ্তানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে কর্ণাটক এবং তেলেঙ্গানার মতো রাজ্যগুলিতে ডিমের দাম বিরাট অঙ্কে হ্রাস পেয়েছে। যা আগে প্রতি ডিমের দাম ছিল ৭, এখন ৪.৬০ টাকায় নেমে এসেছে। রমজান মাসেও ডিমের চাহিদা কমেছে।

    কর্ণাটকে ডিমের দাম সম্প্রতি তীব্রভাবে হ্রাস পেয়েছে। জাতীয় ডিম সমন্বয় কমিটির বিক্রয় প্রচার কর্মকর্তা ভি. শেষনারায়ণ জানিয়েছেন যে উপসাগরীয় দেশগুলিতে রপ্তানিতে ব্যাঘাত এবং মরসুমি চাহিদার ওঠানামা সহ বেশ কয়েকটি কারণের কারণে গত ১৫ দিনে দাম কমেছে। কর্ণাটক প্রতিদিন ২ কোটি ২০ লক্ষ ডিম উৎপাদন করে। হসপেট বৃহত্তম উৎপাদক, তার পরেই মহীশূর। রপ্তানির জন্য ডিম সাধারণত তামিলনাড়ুর নামাক্কলের একটি কারখানায় পাঠানো হয়। যুদ্ধের কারণে, মহীশূর থেকে নামাক্কলে ৪.৭ লক্ষ ডিম বহনকারী একটি কন্টেইনারকে ফিরিয়ে আনতে হয়েছিল। এর ফলে রপ্তানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।

    আরও পড়ুনঃ হাওড়াগামী বহু ট্রেনের নম্বর, বিভাগ বদলাচ্ছে রেল! ভ্রমণের আগে দেখুন তালিকা

    পবিত্র রমজান মাসের কারণে ডিমের ব্যবহার কমে গেছে। তাছাড়া, আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলেও ডিমের ব্যবহারে প্রভাব পড়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও চাহিদা কমেছে, যার ফলে ডিমের দাম কমেছে। উৎপাদকরা অতিরিক্ত ডিম হিমঘরে সংরক্ষণ করছেন, তবে এর জন্য উল্লেখযোগ্য খরচ হচ্ছে। একই ছবি অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানাতেও। সেখানেও হু হু করে ডিমের দাম কমছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, খুচরা বাজারে ডিম প্রতি ৮ টাকা ছিল, যা গত দুই মাসে ৩.৫০ থেকে ৩.৮০ টাকায় নেমে এসেছে। ব্যবসায়ী এবং কৃষকরা বলছেন, রপ্তানি চাহিদা এবং স্থানীয় ব্যবহার উভয়ই হ্রাস পেয়েছে, যার ফলে মুনাফা হ্রাস পেয়েছে।