Category: ভারত

  • বন্দে ভারতকেও হার মানাল ভারতীয় রেলের এই ট্রেন

    বন্দে ভারতকেও হার মানাল ভারতীয় রেলের এই ট্রেন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দেশবাসীর যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম ট্রেন। প্রতিদিন ভারতীয় রেলের (Indian Railways) নানান লোকাল, মেল বা এক্সপ্রেস ট্রেনে চেপে এক স্থান থেকে নিজের গন্তব্যে পৌঁছন যাত্রীরা। যাত্রী পরিষেবাকে আরও সুগম এবং আরামদায়ক বানানোর লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই রেল ব্যবস্থায় যুক্ত হয়েছে বন্দে ভারত (Vande Bharat Express), তেজস এক্সপ্রেসের মতো উচ্চগতির ট্রেনগুলি। ভারতীয় রেলের গর্ব বলা হয় এদের। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, বন্দে ভারত, তেজস বা রাজধানী নয়, এমন একটি ট্রেন রয়েছে যা একেবারে অল্প সময়ের মধ্যে দেশবাসীর পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। কোন ট্রেন জানতে চান নিশ্চয়ই?

    এই ট্রেনই ভারতীয়দের প্রথম পছন্দ

    বন্দে ভারত, বন্দে ভারত স্লিপার এমনকি তেজস এক্সপ্রেস থাকা সত্ত্বেও একেবারে অল্প সময়ের মধ্যে দেশবাসীর মনে জায়গা করে নিয়েছে অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। সময়ের সাথে সাথে ক্রমশ যাত্রীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই ট্রেনটি। বলাই বাহুল্য, মূলত নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের পকেটের কথা চিন্তা করেই অমৃত ভারত এক্সপ্রেস চালু করেছিল ভারতীয় রেল। অল্প খরচে সমাজের সর্বস্তরের যাত্রীরা যাতে আরামে দূরদূরান্তে পৌঁছতে পারেন সে জন্যই ট্র্যাকে ছুটেছিল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

    আর পাঁচটা দূরপাল্লার ট্রেনের মতোই উন্নত মানের সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও এই ট্রেনের ভাড়া অন্যান্য এক্সপ্রেস ট্রেনের তুলনায় অনেকটাই কম। ট্রেনটিতে রয়েছে 11টি জেনারেল কোচ, 8টি স্লিপার কোচ, একটি প্যান্ট্রি কার এবং দুটি লাগেজ কাম ডিসেবল কোচ। এই ট্রেনে কোনও এসি কোচের ব্যবস্থা নেই। আসলে অল্প খরচে দূর দূরান্তে আরামদায়ক ভ্রমণের জন্যই এই ট্রেনটিকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন ভারতের যাত্রীরা। কমবেশি প্রত্যেকই জানেন, অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের অন্তর সজ্জা সম্পর্কে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ওয়াশরুম থেকে শুরু করে নরম সিট এমনকি প্রত্যেকটি কোচে রয়েছে LED লাইট, মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং সেমি অটোমেটিক কাপলার।

    অবশ্যই পড়ুন: ‘৭৭% ট্রেন চলেছে একেবারে সঠিক সময়ে’ দাবি রেলমন্ত্রীর! কোন বিভাগে?

    এছাড়াও, অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের প্রতিটি কোচের বার্থের ডিজাইন অন্যান্য এক্সপ্রেসের তুলনায় অনেকটাই উন্নত এবং সুন্দর। রেল বলে, অল্প খরচে অন্যান্য এক্সপ্রেসের সাধারণ কামরার থেকে এই ট্রেনে কম নয় বরং বেশি সুবিধা পান যাত্রীরা। সেজন্যই এই ট্রেনটি অন্যান্য ট্রেনগুলির থেকে একটু আলাদা। সবচেয়ে বড় কথা, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতোই যাত্রী সুরক্ষায় এই ট্রেনে সব রকম ব্যবস্থা দিয়েছে রেলওয়ে। তাই সমাজের তৃণমূল স্তরের কাছে এই ট্রেনের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। সেদিক থেকে দেখতে গেলে বন্দে ভারতের মতো ট্রেনকেও হার মানিয়েছে অমৃত ভারত এক্সপ্রেস।

  • ‘৭৭% ট্রেন চলেছে একেবারে সঠিক সময়ে’ দাবি রেলমন্ত্রীর! কোন বিভাগে?

    ‘৭৭% ট্রেন চলেছে একেবারে সঠিক সময়ে’ দাবি রেলমন্ত্রীর! কোন বিভাগে?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল যতই আপগ্রেড হোক না কেন, ট্রেন দেরিতে চলার (Train late) সমস্যা বছরের পর বছর ধরে রয়েই গিয়েছে। কখনও বৃষ্টি কখনও কুয়াশা কখনও আবার রেল লাইনে কাজের জেরে একের পর এক ট্রেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা দেরিতে চলে। এই নিয়ে যথেষ্ট বিরক্ত রেল যাত্রীরাও। যদিও এখন অন্য কথা বললেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানালেন ট্রেন দেরির সমস্যা কয়েক শতাংশ কমে গিয়েছে এবং একদম সঠিক সময়ে ট্রেন চলাচল করছে। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ৭৭% ট্রেন সময় মতো চলছে

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারতীয় রেলওয়ে ২০২৫-২৬-এর ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত মোট ৭৭% সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ২৪টি রেল বিভাগ ৯০ শতাংশেরও বেশি সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে। সম্প্রতি রাজ্যসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বের উত্তরে, অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন যে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কত শতাংশ ট্রেন আসছে তার উপর ভিত্তি করে সময়ানুবর্তিতা পরিমাপ করা হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে রেলওয়ে তার বিশাল নেটওয়ার্কের কর্মক্ষমতা উন্নত করার জন্য একাধিক কৌশল গ্রহণ করেছে।

    আরও পড়ুনঃ মার্চে বকেয়া DA-র কত শতাংশ পাবেন সরকারি কর্মীরা? জানুন

    তিনি বলেন, ট্রেনের সময়সূচীতে কাঠামোগত সমস্যা চিহ্নিত এবং সমাধানের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক সিস্টেম, এআই-ভিত্তিক বিশ্লেষণ সহ উন্নত প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে। ৪৩টি বিভাগ ৮০ শতাংশেরও বেশি সময়ানুবর্তিতা অর্জন করেছে, যেখানে একটি বিভাগ ৯৫ শতাংশ অতিক্রম করেছে।

    কোন ডিভিশনে সময়ে চলছে ট্রেন?

    রেলমন্ত্রী মাদুরাই, যোধপুর, হুগলি, ভাবনগর, কোটা, ইজ্জতনগর, রতলম এবং আজমিরকে এমন বিভাগগুলির মধ্যে উল্লেখ করেছেন যেখানে সময়ানুবর্তিতার হার অত্যন্ত বেশি। তিনি স্বীকার করেছেন যে বর্তমান সময়ানুবর্তিতার পরিসংখ্যান ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইতালির মতো দেশের সাথে তুলনীয় হলেও, ভারতের উচিত জাপানের সাথে তার মানদণ্ড স্থাপন করা।

  • মিনিটে কাটা যাবে ১ লাখ ২৫ হাজার টিকিট, তৎকাল বুকিং নিয়েও ভোগান্তি দূর করছে রেল

    মিনিটে কাটা যাবে ১ লাখ ২৫ হাজার টিকিট, তৎকাল বুকিং নিয়েও ভোগান্তি দূর করছে রেল

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এক্সপ্রেস ট্রেনের রিজার্ভেশন করাতে গেলে বহু ঝক্কি পোহাতে হয় যাত্রীদের (Indian Railways)। কখনও অনলাইনে সার্ভার ডাউন, কখনও আবার পেজই খোলে না (IRCTC Train Ticket Booking)। এদিকে অফলাইনে রিজার্ভেশন করাতে গেলে টিকিট কাউন্টারের সামনে লম্বা লাইন। সব মিলিয়ে, এক্সপ্রেস ট্রেনের রিজার্ভ টিকিট কাটতে হলে দীর্ঘ কাটখড় পোড়াতে হয় আমজনতাকে। এবার সেই ঝামেলাই পুরোপুরি মিটিয়ে ফেলতে চাইছে ভারতীয় রেল। জানা যাচ্ছে, যাত্রীদের সুবিধার্থে এবার 1 হাজার কোটি টাকার বিরাট প্রকল্পের আওতায় রিজার্ভেশন টিকিট বুকিংয়ের গোটা সিস্টেম বদলে ফেলবে রেল।

    মিনিটে বুক করা যাবে 1 লাখ 25 হাজার টিকিট

    এক্সপ্রেস ট্রেনের রিজার্ভেশন করাতে গিয়ে আর যাতে যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে না হয় সেজন্যেই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় রেল। রেল সূত্রে খবর, হাজার কোটির প্রকল্পের অধীনে এবার টিকিট বুকিং এর গোটা সিস্টেম বদলে যাবে। এর ফলে নতুন টিকিট বুকিং সিস্টেমের হাত ধরে প্রতি মিনিটে 1 লাখ 25 হাজার ট্রেনের টিকিট বুক করা সম্ভব হবে। বর্তমানে যেখানে এক মিনিটে বুক করা যায় মাত্র 25 হাজার টিকিট।

    সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেমসের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পিক আওয়ার অর্থাৎ সকাল আটটা থেকে তৎকাল বুকিং এর সময়ও টিকিট পাবেন যাত্রীরা। তৎকাল টিকিটের জন্য এখন থেকে আর নিজের ভাগ্যকে দোষ দিতে হবে না। জানা যাচ্ছে, এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে নতুন PRS চালু হয়ে যাবে। একই সাথে রেলের কয়েকজন আধিকারিক জানাচ্ছেন, নতুন সিস্টেম চালু হলে এবার থেকে আর টিকিট সোল্ড আউটের সমস্যায় পড়তে হবে না যাত্রীদের।

    আসলে এতদিন যাত্রীদের তুলনায় কয়েক গুণ গতিতে একপ্রকার ঝড়ের বেগে সমস্ত টিকিট বুক করে নিতো বট। এবার আর সেই সমস্যায় পড়তে হবে না। এর ফলে ভুয়ো বা ফেক অ্যাকাউন্ট থেকে টিকিট বুকিং এর দৌরাত্ব শেষ হবে। রেল সূত্রে খবর, IRCTC ইতিমধ্যেই আড়াই কোটি ভুয়ো ইউজার আইডি ব্লক করে দিয়েছে। জানা যাচ্ছে নতুন টিকিট বুকিং সিস্টেমে এমন কিছু থাকছে যা বটদের টিকিট বুক করার সুযোগই দেবে না।

    অবশ্যই পড়ুন: “ICC-র থেকে কেউ বড় নয়”, বাংলাদেশের T20 বিশ্বকাপ বয়কট নিয়ে গর্জে উঠলেন জয় শাহ

    প্রসঙ্গত, রেলের তরফে এই যে নতুন সিস্টেম চালু হতে চলেছে তাতে প্রতিটি স্তরের রাউটার, হার্ডওয়্যার এবং ইন্টারনেট লিঙ্ক আপগ্রেড করা থাকবে। শোনা যাচ্ছে, 5 হাজার 788টি রাউটারের মধ্যে থেকে প্রায় তিন হাজার রাউটার বদলে ফেলা হয়েছে। ওদিকে 5 হাজার বুকিং টার্মিনালের মধ্যে সাড়ে তিন হাজার টার্মিনালে নতুন অ্যাপ্লিকেশন চালু হয়েছে ইতিমধ্যেই। রেল বলছে, এই অবস্থায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন আসবে Fortran 77 এ লেখা 40 বছরেরও বেশি পুরনো সফটওয়্যারে। এই সফটওয়্যার বাতিল করে নতুন সিস্টেম হবে Red Hat Linux ও ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্মে। এর ফলে রেল চাইলেই ইচ্ছেমতো বিক্রেতা বেছে নিতে পারবে।

  • ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ট্রেনে (Train) আরামদায়ক ভ্রমণ সঙ্গে বিনামূল্যে খাবার দাবার। শুধু তাই নয়, সম্পূর্ণ নিখরচায় মিলবে টিকিট (Indian Railways)। অর্থাৎ ভ্রমণটাও হবে সম্পূর্ণ ফ্রিতে। হ্যাঁ, এবার এমনই এক দুর্ধর্ষ প্রকল্প চালু করতে চলেছে ভারতীয় রেল। জানা যাচ্ছে, গোটা বিশ্বের সবচেয়ে বড় লয়্যালটি প্রোগ্রামের আওতায় বিনামূল্যে টিকিট থেকে শুরু করে খাবার দাবারের ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে মধ্যবিত্ত যাত্রীদের রেলমুখী করাই প্রধান লক্ষ্য কেন্দ্রের।

    হঠাৎ কেন এমন ভাবনা?

    NDTV র রিপোর্ট অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিভিন্ন বিমান সংস্থা বা এয়ারলাইন্স একেবারে অল্প খরচে পরিষেবা দিচ্ছে। যার কারণে ট্রেন উপেক্ষা করে ফ্লাইটে যাতায়াত করছেন যাত্রীরা। তাছাড়াও একটা বড় অংশের মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ রেল ব্যবস্থার সাথে ততটাও যুক্ত নন। মূলত সে কারণেই একদিক থেকে হারানো যাত্রীদের ফিরে পেতে এবং অন্য দিক থেকে নিম্ন মধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষদের রেল ব্যবস্থার সাথে জুড়তে চমক দিতে চাইছে রেল মন্ত্রক।

    কিন্তু কীভাবে হবে সব? একাধিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রেডিট কার্ড বা অনলাইন পেমেন্টের মতোই এবার ট্রেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও মিলবে পয়েন্ট। রেল বলছে, যাত্রীরা কিলোমিটারের হিসেবে যত বেশি পথযাত্রা করবেন তাঁদের IRCTC অ্যাকাউন্টে জড়ো হবে তত পয়েন্ট। পরবর্তীতে এই রিওয়ার্ড পয়েন্ট ভাঙিয়েই করা যাবে, বিনামূল্যে যাত্রা।

    কীভাবে বিনামূল্যে ট্রেনে ভ্রমণ থেকে শুরু করে ফ্রিতে মিল পাওয়া যাবে?

    রেলের কয়েকজন আধিকারিক এর মতে, এই রিওয়ার্ড পয়েন্টগুলি যাত্রীদের IRCTC অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হবে। যা পরবর্তীতে ডিজিটাল ওয়ালেট হিসেবে কাজ করবে। এক কথায়, নির্দিষ্ট সংখ্যক পয়েন্ট জমা হয়ে গেলেই পরবর্তীতে ওই রিওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে রেলের তরফে একাধিক সুবিধা পেতে পারেন। এর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে বিনামূল্যে টিকিট। একজন যাত্রী রিওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে টিকিটের দামের উপর ডিসকাউন্ট কিংবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ট্রেনের টিকিট পেতে পারেন।

    এখানেই শেষ নয়, ওই রিওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়েই মিলবে চা থেকে শুরু করে দুপুরে লাঞ্চ এমনকি রাতের ডিনারও। এই খাওয়ার যাত্রীরা স্টেশন বা ট্রেনের ভেতরে থাকা ই ক্যাটারিং এর মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন। একই সাথে পর্যাপ্ত রিওয়ার্ড পয়েন্ট থাকলে স্টেশনে আরামদায়ক বা বিলাসবহুল ওয়েটিং লাউঞ্জে বিনামূল্যে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ থাকবে যাত্রীদের কাছে। রেল সূত্রে খবর, এই রিওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে আগামীতে থার্ড এসি থেকে সেকেন্ডে এসি কিংবা ফার্স্ট ক্লাস এসিতে নিজেদের সিট আপগ্রেড করার সুবিধা থাকবে।

    অবশ্যই পড়ুন: এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও?

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিকভাবে যা জানা যাচ্ছে তাতে বিভিন্ন বাজেট এয়ারলাইন্স গুলিকে চ্যালেঞ্জ করে আসন্ন এপ্রিল মাস থেকেই পাইলট প্রকল্পের অধীনে শুরু হয়ে যাবে এই বিশেষ পরিষেবা। প্রথমদিকে এই পরিষেবা চালু হবে বিভিন্ন প্রিমিয়াম ট্রেন যেমন বন্দে ভারত, তেজস এক্সপ্রেসে। পরবর্তীতে সুফল বেলে বাকি প্রিমিয়াম এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে এই পরিষেবা চালু করবে রেল। জানা যাচ্ছে, দেশের অন্তত 7000 বা তারও বেশি স্টেশন ও 3 কোটি যাত্রীকে এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

  • PNG থাকলে আপাতত মিলবে না LPG! নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    PNG থাকলে আপাতত মিলবে না LPG! নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ গ্যাস সিলিন্ডারের (Gas Cylinder) এবার PNG নিয়ে বড় নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। ইরান ইজরায়েলের মধ্যেকার যুদ্ধের আঁচ ভারতের হেঁশেলে পড়েছে। একদিকে যখন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন আমজনতা, তখন আচমকা সরকার ঘরোয়া রান্নার গ্যাস থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম আকাশছোঁয়া করে দিয়েছে। এখনও বিষয়টি অনেকে হজম করতে পারেননি, এরই মধ্যে এবার পাইপযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস (PNG) নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্র। নেওয়া হয়েছে কড়া পদক্ষেপ। চলুন বিশদে জেনে নেবেন।

    PNG নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক শনিবার ঘোষণা করেছে যে, যাদের বাড়িতে পিএনজি সংযোগ রয়েছে তারা আর ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডার সংরক্ষণ, নতুন কানেকশন গ্রহণ বা সিলিন্ডার পুনরায় রিফিল করতে পারবেন না। সংশোধিত সরবরাহ নির্দেশের অধীনে, তেল কোম্পানিগুলিকে এই ধরনের গ্রাহকদের এলপিজি কানেকশন বা পুনরায় রিফিল প্রদান থেকেও নিষেধ করা হয়েছে।

    কেন এরকম সিদ্ধান্ত সরকারের?

    সরকার এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে নিয়েছে যখন বিশ্বব্যাপী পরিস্থিতি এলপিজি সরবরাহের উপর প্রভাব ফেলছে। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে ভারতে এলপিজি চালান হ্রাস পাচ্ছে। এক রিপোর্ট অনুসারে, ৯ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহে ভারতে এলপিজি সরবরাহ আনুমানিক ২.৭ লক্ষ টন পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ২০২৩ সালের এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেছে, যে সমুদ্রপথ দিয়ে ভারতের এলপিজির একটি বড় অংশ প্রবেশ করে। এর ফলে আমদানি ব্যাহত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ বেড়েছে। ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলপিজি গ্রাহক এবং তার চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানির উপর নির্ভর করে।

    আরও পড়ুনঃ ঘরে বসেই ট্রান্সফার হবে পিএফ অ্যাকাউন্ট, নয়া সুবিধা আনল EPFO

    এদিকে দেশের রিফাইনারিগুলিকে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে দেশীয় এলপিজি উৎপাদন প্রায় ২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। মূলত চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সম্প্রতি রান্নার গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। ৭ মার্চ, প্রায় এক বছর পর ১৪.২ কিলোগ্রামের একটি ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়, যা প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ৯১৩ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

  • বাংলা-পুরীর যোগাযোগ আরও উন্নত, স্পেশাল ট্রেনকে নিয়মিত করল রেল

    বাংলা-পুরীর যোগাযোগ আরও উন্নত, স্পেশাল ট্রেনকে নিয়মিত করল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ফের একবার পোয়া বারো হল রেল যাত্রীদের। এবার বাংলা থেকে পুরী যাওয়া আরও সহজ। জানা গিয়েছে, এবার থেকে ভারতীয় রেল পুরী-পাটনা স্পেশাল ট্রেনের (Puri Patna Special Train) নিয়মিত চলাচলের অনুমোদন দিয়েছে। রেল এই ঘোষণা করেছে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বাংলা থেকে পুরী যাওয়া আরও সহজ করল রেল

    রিপোর্ট অনুযায়ী, এখন পুরী-পাটনা স্পেশাল (০৮৪৩৯/০৮৪৪০) এখন পুরী-পাটনা এক্সপ্রেস (১৮৪০৫/১৮৪০৬) নামে চলবে। সাপ্তাহিক পুরী-পাটনা এক্সপ্রেস প্রতি শনিবার দুপুর ২:৫৫ মিনিটে পুরী থেকে ছেড়ে যাবে এবং পরের দিন সকাল ১০:৪৫ মিনিটে বিহারের রাজধানী পাটনায় পৌঁছাবে। ফিরতি পথে ট্রেনটি প্রতি রবিবার দুপুর ১:৩০ মিনিটে পাটনা থেকে ছেড়ে যাবে।

    ট্রেনটির স্টপেজ সম্পর্কে বললে, যাত্রাপথে ট্রেনটি খুরদা রোদ, ভুবনেশ্বর, কটক, জাজপুর কেওনঝড় রোড, ভদ্রক, বালাসোর, খড়গপুর, আন্দুল, ডানকুনি, বর্ধমান, দুর্গাপুর, আসানসোল, চিত্তরঞ্জন, মধুপুর, জসিডিহ, ঝাঝা, কিউল, মোকামা, বার এবং বখতিয়ারপুর স্টেশনে দাঁড়াবে। অর্থাৎ একই ট্রেনে আপনি ওড়িশা, বাংলা এবং বিহার তিন রাজ্য ঘুরে নিতে পারবেন।

    May be an image of ticket stub and text

    এই ট্রেনগুলির সংখ্যাও বদল করল রেল

    যাত্রীদের সুবিধার্থে রেল প্রশাসন কিছু ট্রেনের নম্বরও পরিবর্তন করবে। রেল কর্মকর্তাদের মতে, হাওড়া-দেরাদুন ট্রেনের নম্বর ১২৩২৭ থেকে পরিবর্তন করে ১৩০৩৫ করা হবে, অন্যদিকে দেরাদুন-হাওড়া ট্রেনের নম্বর ১২৩২৮ থেকে পরিবর্তন করে ১৩০৩৬ করা হবে। এটি ১৫ এপ্রিলের প্রথম দিকে কার্যকর করা যেতে পারে। এছাড়াও, হাওড়া-জম্মু তাওয়ী ট্রেনের নম্বর ১২৩৩১ থেকে পরিবর্তন করে ১৩০৪১ করা হবে এবং হাওড়া-প্রয়াগরাজ রামবাগ ট্রেনের নম্বর ১২৩৩৩ থেকে পরিবর্তন করে ১৩০৪৭ করা হবে।

    আরও পড়ুনঃঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে হাওয়া, ৫ জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, আজকের আবহাওয়া

    এপ্রিল মাসে এই দুটি ট্রেনও নতুন নম্বর পাবে। মূলত সুপারফাস্ট ট্রেনগুলিকে মেল/এক্সপ্রেস ট্রেন দিয়ে প্রতিস্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে হাওড়া-কালকা ট্রেনও অন্তর্ভুক্ত। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীদের সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের যাত্রা শুরু করার আগে সময়সূচী দেখে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

  • ভাঙা চাল দিয়ে পড়ত বৃষ্টির জল! ঋণ নিয়ে পড়াশোনা করে UPSC ক্র্যাক পবনের

    ভাঙা চাল দিয়ে পড়ত বৃষ্টির জল! ঋণ নিয়ে পড়াশোনা করে UPSC ক্র্যাক পবনের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দারিদ্রতা, অভাব আর সীমাহীন সংগ্রামের মাঝেও যদি লক্ষ্য ঠিক থাকে, তাহলে সাফল্য যে একদিন ধরা দেয় তার বাস্তব উদাহরণ পবন কুমার (Pawan Kumar)। ছাউনি দেওয়া ঘর, বৃষ্টির দিনে ছাদ ফুড়ে জল পড়া, আর অর্থের সংকট এই সব কিছুর মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। আর শেষ পর্যন্ত দেশের সবথেকে কঠিন পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করলেন (IAS Success Story)। হ্যাঁ, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় তিনি ২৩৯ র‍্যাঙ্ক অর্জন করে প্রশাসনিক পরিষেবায় জায়গা করে নিয়েছেন।

    অভাবের মধ্যেই বেড়ে ওঠা

    আমার উজালার একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের ছোট্ট গ্রামে জন্ম পবনের। পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। এমনকি খুবই দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেন তিনি। তাঁদের কাছে মাত্র চার বিঘা জমি আর একটি ছোট্ট ঘর ছিল থাকার জন্য। অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে বৃষ্টির সময় ঘরের ছাদ দিয়ে জল পড়ত, এমনকি দেওয়াল ভিজে যেত। কিন্তু তাতেও পড়াশোনা থামায়নি পবন। বই নিয়ে বসে থাকতেন ঘরের এক কোণে আর নিজের মনেই পড়াশোনা করতেন। তাঁর বাবা মুকেশ কুমার বলেন, ছোটবেলা থেকেই পবন বলত, আর একটু সময় দিন সবই বদলে যাবে।

    এমনকি পবনের স্বপ্ন পূরণ করতে গোটা পরিবার একসঙ্গে লড়াই করেছে। হ্যাঁ, বাবা এবং তিন বোন অন্যের জমিতে কাজ করতেন আর মা নিজের গয়না বিক্রি করে পড়াশোনার খরচ চালাতেন পবনের। পাশাপাশি পরিবারকে ঋণও নিতে হয়েছে। আর সেই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও পড়াশোনা কখনো বন্ধ হয়নি। অবশেষে তিনি তাঁর পরিবারের সদস্যদের পরিশ্রমের দাম দিলেন।

    উল্লেখ করার বিষয়, ২০১৭ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পর পবনের বাবা চেয়েছিলেন যে, ছেলে সেনাবাহিনীতে যোগ দিক বা দ্রুত কোনও চাকরি পাক। কিন্তু পবনের লক্ষ্য ছিল সিভিল সার্ভিস। শেষ পর্যন্ত বাবা ছেলের স্বপ্নকে সম্মান জানিয়েই পাশে দাঁড়ান, এবং বলেন যে “তুমি যা চাও সেটাই কর, আমরা সবাই তোমার সঙ্গে আছি।” জানা যায়, পরিবার প্রায় ৪ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে পবনের পড়াশোনার খরচ জোগাড় করেছিল। আর সেই টাকায় একটি পুরনো মোবাইল ফোনও কেনা হয়েছিল যা দিয়ে তিনি পড়াশোনা করতেন। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, সিভিল সার্ভিসের ফল প্রকাশের দিনও তাঁর পরিবার মাঠে কাজ করতে গিয়েছিল। কারণ, তাঁদের মাথার উপর ছিল বড় ঋণের বোঝা।

    আরও পড়ুন: বসতে পারে ট্যাক্স, দামি হওয়ার পথে Jio থেকে Airtel-র রিচার্জ! এবার কতটা?

    এদিকে একসময় তাঁদের বাড়িতে গ্যাস সিলেন্ডার ভরানোর টাকা পর্যন্ত ছিল না। হ্যাঁ, পবনের মা সুমনা দেবী তখন কাঠের উনুনেই রান্না করতেন। সবথেকে বড় ব্যাপার, বাড়ির হ্যান্ডপাম্প নষ্ট থাকার কারণে পরিবারের সদস্যদের কাছের এক সরকারি স্কুল থেকেই জল এনে ব্যবহার করতে হতো। জানা যায়, কলেজে স্নাতক শেষ করার পর পবন সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়েই ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন। প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন তিনি। যার সাফল্য তিনি নিজেই পেলেন। এক কথায়, তাঁর এই জীবন সংগ্রাম আজকালকার দিনে বহু বেকার যুবক-যুবতীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।

  • সেবক-রংপো রেল প্রকল্পে শেষ হল বড় কাজ, কবে ছুটবে ট্রেন?

    সেবক-রংপো রেল প্রকল্পে শেষ হল বড় কাজ, কবে ছুটবে ট্রেন?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: হিমালয়ের অন্তর্ভুক্ত তিস্তা বাজার ও মেলি বাজারের (Sevoke-Rangpo Railway) মাঝ বরাবর প্রতিকূল পরিবেশে পাথর-মাটি কেটে অন্তত 4.1 কিলোমিটারের সুদীর্ঘ পথ তৈরির কাজ শেষ হয়েছে ইতিমধ্যেই। সেই সাথে সম্পন্ন হয়েছে সেবক থেকে রংপো রেল প্রকল্পের চ্যালেঞ্জিং কাজও। একেবারে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে হিমালয়ের গর্ভে কাজ করেছেন শ্রমিকরা। এই প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়াররা বলছেন, ভূগর্ভস্থ এলাকার পাথর এবং মাটি এতটাই নরম অবস্থায় ছিল যে, কোনও ভাবেই এখানে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারেননি তারা। কিন্তু তা সত্বেও সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হয়েছে বড় কাজ।

    গাইতি, বেলচা দিয়ে কাটা হয়েছে পাথর-মাটি

    হিমালয় এলাকায় ভূগর্ভস্থ মাটি এবং পাথর এতটাই বিপজ্জনক অবস্থায় ছিল যে ইঞ্জিনিয়াররা আলাদা করে ঝুঁকি না নিয়ে একেবারে গাইতি, বেলচা দিয়ে ভূগর্ভের দু দিক থেকে পাথর এবং মাটি কেটে তা সরিয়ে সুরঙ্গ পথ তৈরি করেন। এ প্রসঙ্গে প্রকল্পের মুখ্য ডিজাইনার আরমান্দো ক্যাপেলান কমপক্ষে 600 ইঞ্জিনিয়ার এবং কয়েক হাজার কর্মীকে সাথে নিয়ে এই কাজ করেছিলেন। জানা গিয়েছে, দিনরাত হাড়ভাঙা খাটুনির পর শেষ পর্যন্ত দুই প্রান্তে পি1 এবং পি2 মিলে যায়। তাতে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন কর্মীরা।

    প্রকল্পের কাজ ছিল যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং

    সেবক-রংপো রেলওয়ে প্রকল্পের কাজ পেয়েছিল ইরকন। এই সংস্থার প্রজেক্ট অ্যাডভাইজার মহিন্দর সিং স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে দিয়ে এখানে সুরঙ্গ করার কাজ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল। নরম মাটিতে ডেনামাইট বিস্ফোরণ করানো যায়নি। তাই পুরনো খনন পদ্ধতিকে কাজে লাগাতে হয়েছে। কঠিন সময়ে কর্মীরা ধৈর্য ধরে কাজ করেছেন।

    প্রজেক্ট অ্যাডভাইজার মহিন্দর সিং আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গ এবং সিকিমের মধ্যে সংযোগকারী 44.98 কিলোমিটার দীর্ঘ রেল প্রকল্পটি এই মুহূর্তে চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। এর মধ্যে মাত্র 3.5 কিলোমিটার অংশ সিকিমে রয়েছে। এছাড়া বাকি 41.5 কিলোমিটার অংশ রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। ওই ব্যক্তির দাবি, এই প্রকল্পের অন্তত 85 শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। এই বিশেষ রেল প্রকল্পের অধীনে কী কী থাকছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, এই রেল প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে 22টি নতুন সেতু, 14টি টানেল, এছাড়াও সেবক, রিয়াং, তিস্তা বাজার, মেলি সহ মোট 5টি স্টেশন।

    রিপোর্ট অনুযায়ী, 22টি সেতুর মধ্যে ইতিমধ্যেই 19টি সেতুর কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। বাকি সেতু এবং স্টেশন গুলির কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে আগামী নভেম্বরের মধ্যে। রেল সূত্রে খবর, 14 টানেলের মধ্যে 8 নম্বর টানেলের কাজ শেষ হয়েছে। বাকি একটি টানেলের কাজ চলছে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের একাধিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, 44.98 কিলোমিটার লাইনের বেশিরভাগ টানেলের কাজ শেষ করে ফেলেছেন তারা। জানা যাচ্ছে, সব ঠিক থাকলে এবং সময়মতো কাজ হলে 2027 সালের ডিসেম্বরের মধ্যে গোটা প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে যাবে। তারপরই কেন্দ্রের অনুমোদন নিয়ে শুরু হবে ট্রেন চলাচল।

    অবশ্যই পড়ুন: ১ এপ্রিল থেকেই বেড়ে যাচ্ছে বার্ষিক টোল পাসের দাম, কত খরচ হবে জানুন

    প্রসঙ্গত, সরকারি সূত্র মারফত খবর, সেবক থেকে রংপো রেল প্রকল্পের যে কাজ চলছে তা শেষ হলে ট্রেনে করে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে সেবক থেকে রংপো পৌঁছে যাবেন যাত্রীরা। যেখানে সড়কপথে এই যাত্রাপথ অতিক্রম করতে সময় লাগে 5 ঘন্টা বা তারও বেশি। বলে রাখি, এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে 11 হাজার 973 কোটি টাকা।

  • ভারত প্রসঙ্গে আমেরিকাকে একহাত নিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী! যা বললেন তিনি

    ভারত প্রসঙ্গে আমেরিকাকে একহাত নিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী! যা বললেন তিনি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা কমার বদলে ক্রমশ বেড়েই চলেছে (Iran Foreign Minister On America)। আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত করেছিল ইরান। তারপর থেকে যুদ্ধ বড় আকার নেয়। এদিকে ইরান যুদ্ধের আঁচ পড়েছে জ্বালানির উপর। এর অন্যতম কারণ, যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে গোটা বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি হয় সেটাই বন্ধ করে রেখেছে ইরান। যার ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। এমতাবস্থায়, এবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি আক্রমণ করলেন ইরানের বিদেশ মন্ত্রী। তুললেন রাশিয়া থেকে ভারতের (India) তেল কেনার প্রসঙ্গও।

    ভারত নিয়ে আমেরিকাকে কটাক্ষ ইরানের বিদেশমন্ত্রীর

    সম্প্রতি ভারত প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আমেরিকাকে সরাসরি কটাক্ষ করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। খামেনির দেশের বিদেশ মন্ত্রী বললেন, “আমেরিকা প্রথমে ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল না কেনার জন্য চাপ দিয়েছিল। এখন তারাই গোটা বিশ্বকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য অনুরোধ করছে।” নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদপত্রের অংশ বা পেপার কাটিং পোস্ট করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা জানানোর পাশাপাশি ইউরোপকেও নিশানা করেন।

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এও লেখেন, “ইউরোপ ভেবেছিল ইরানের বিরুদ্ধে এই অবৈধ যুদ্ধে আমেরিকাকে সমর্থন করে তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে আমেরিকাকে পাশে পাবে। কত দুঃখজনক!” এক কথায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প যে নিজের সুবিধামতো বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলির উপর চাপ সৃষ্টি করে সেটাই একেবারে খাতায় কলমে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

     

    অবশ্যই পড়ুন: নতুন পেসারকে নিয়েও বড়সড় বিপদে পড়তে চলছে KKR!

    উল্লেখ্য, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরেই রাশিয়া থেকে তেল আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আমেরিকা সহ পশ্চিমী দুনিয়া। সেই সাথে ভারত যাতে রাশিয়া থেকে তেল না কেনে সে জন্য বহুবার নরমে গরমে বুঝিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরানের সাথে সংঘাত শুরু হলে সেই ট্রাম্পই সম্প্রতি ভারত সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিকে 30 দিনের জন্য রাশিয়া থেকে তেল আমদানির ছাড়পত্র দিয়েছে।

  • ১ এপ্রিল থেকেই বেড়ে যাচ্ছে বার্ষিক টোল পাসের দাম, কত খরচ হবে জানুন

    ১ এপ্রিল থেকেই বেড়ে যাচ্ছে বার্ষিক টোল পাসের দাম, কত খরচ হবে জানুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: জাতীয় সড়কে যাতায়াত এবার ব্যয়বহুল হতে চলেছে (Annual Toll Pass Price Hike)। সব ঠিক থাকলে, আগামী পহেলা এপ্রিল থেকেই বার্ষিক টোল পাসের দাম আরও বৃদ্ধি পাবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (National Highways Authority of India) বা NHAI এর তরফে বার্ষিক FASTag বা টোল ফি 3 হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে 3 হাজার 75 টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর জেরেই এবার নতুন আর্থিক বছরের শুরুতেই অর্থাৎ পহেলা এপ্রিল থেকেই বার্ষিক পাসের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে প্রাইভেট এবং কমার্শিয়াল যানবাহনের মালিকদের।

    নতুন নিয়মে বার্ষিক টোল পাসের দাম কত হবে?

    জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ বা NHAI এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার থেকে গাড়ি নিয়ে জাতীয় মহাসড়কের টোল পার করার সময় একপ্রকার পকেটে টান পড়বে সাধারণ মানুষের। কারণ এবার থেকে বার্ষিক পাসের দাম 3000 হাজার টাকার বদলে 3075 টাকা হচ্ছে। তবে বলে রাখা প্রয়োজন, এই পাস মূলত ব্যক্তিগত গাড়ি অর্থাৎ অবাণিজ্যিক যানবাহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ কমার্শিয়াল গাড়ির ক্ষেত্রে এই পাস চলবে না।

    টোল পাসের খরচ বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মতামত, প্রত্যেক বছর টোলের হার পর্যালোচনা করে তা সংশোধন করা হয়। নতুন আর্থিক বছরেও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকছে। তারই অংশ হিসেবে বাড়ছে বার্ষিক পাসের দাম। বলাই বাহুল্য, যদি কারও কাছে অ্যানুয়াল বা বার্ষিক টোল পাস থেকে থাকে তবে তা দেখিয়ে অন্তত 200 বার অথবা এক বছর কোনও রকম অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই টোল প্লাজা অতিক্রম করতে পারবেন গাড়ির চালকরা। পাসের বৈধতা শেষ হলে দ্রুত নতুন পাস তৈরি করতে হবে অথবা রিনিউ করাতে হবে।

    অবশ্যই পড়ুন: নতুন জার্সি প্রকাশ করল KKR, রয়েছে অনেক নতুনত্ব

    প্রসঙ্গত, 2026-27 আর্থিক বছর শুরুর আগেই ভারতের জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষের তরফে প্রত্যেক টোল প্লাজা কর্তৃপক্ষকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, টোল পাস সংক্রান্ত নতুন নিয়ম পহেলা এপ্রিল থেকে এই কার্যকর হয়ে যাবে। সে কারণে এই নতুন নিয়ম সম্পর্কে দ্রুত যাত্রীদের অভিহিত করতে হবে তাদের। একই সাথে সিস্টেমে নতুন দাম আপডেট করতে হবে। সরকার বলছে, টোল সিস্টেমে আয় এবং ব্যয়ের ভারসাম্য বজায় রাখতেই প্রতি বছর ফি পর্যালোচনা করা হয়। এবারেও সেই নিয়মের অন্যথা হচ্ছে না।