Category: ভারত

  • এবার বন্দে ভারতে পাথর ছুঁড়লেই চিনে ফেলবে AI, জানালেন রেলমন্ত্রী

    এবার বন্দে ভারতে পাথর ছুঁড়লেই চিনে ফেলবে AI, জানালেন রেলমন্ত্রী

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতীয় রেলের (Indian Railways) গর্ব বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express)। দেশে এই বিশেষ ট্রেনের যাত্রা শুরু হওয়ার পর থেকে সেমি হাইস্পিড ট্রেনটিকে লক্ষ্য করে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। এর জেরে বহুবার কড়া হয়েছে রেল। বারবার সতর্ক করা হয়েছে যাতে বন্দে ভারত বা ভারতীয় রেলের অন্য কোনও ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া না হয়। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। এরপরেও পাথর ছুঁড়ে বন্দে ভারতের কাঁচ ভেঙে দেওয়া হয়েছে এমন ছবিও সামনে এসেছে। এবার তা নিয়েই লোকসভায় প্রশ্ন উত্তর পর্ব চলাকালীন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলে দিলেন, “বন্দে ভারতে পাথর ছুঁড়লে অভিযুক্তকে চিনে ফেলবে AI যুক্ত প্রযুক্তি।”

    বন্দে ভারতে পাথর ছুঁড়ে আর রক্ষে নেই

    সম্প্রতি, লোকসভায় প্রশ্ন উত্তর পর্ব চলাকালীন হঠাৎ উত্তরপ্রদেশের মুজাফফর নগরে বন্দে ভারত লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার একটি ঘটনা উল্লেখ করেন রেলমন্ত্রী। আর তারপরেই তিনি দাবি করেন, বন্দে ভারতে যিনি পাথর ছুঁড়েছেন সেই ব্যক্তিকে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিহ্নিত করা গিয়েছে। রেলমন্ত্রী একেবারে খোলাখুলি জানান, ওই ব্যক্তি যখন পাথর ছুঁড়তে যাচ্ছিলেন ঠিক তখনই বন্দে ভারতে বসানো উন্নত মানের ক্যামেরায় তাঁর একটি ছবি উঠে গিয়েছে।

    রেলমন্ত্রীর কথায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে তোলা ছবি ওই অভিযুক্তর বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে প্রশাসন। সব মিলিয়ে বলাই যায়, বন্দে ভারতের মতো উন্নত মানের ট্রেনে পাথর ছুঁড়ে এবার থেকে আর রক্ষে পাবেন না কেউই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যুক্ত প্রযুক্তি সেই ব্যক্তিকে একেবারে হাতেনাতে ধরবে।

    অবশ্যই পড়ুন: তাণ্ডব চালাবে শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের ৯ জেলায় সতর্কতা জারি, আজকের আবহাওয়া

    প্রসঙ্গত, এদিন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সুরক্ষা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় রেলের গর্ব বন্দে ভারত প্রত্যেক ঘন্টায় 160 কিলোমিটার গতিবেগে ছুটতে পারে। সে কারণেই বন্দে ভারতের বিভিন্ন রূটগুলিতে ও ট্রেনে কবচ প্রযুক্তি বসানোর কাজ চলছে। এর ফলে ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ সহজেই এড়ানো যাবে। এছাড়াও দুর্ঘটনার সময় ট্রেনের কামরা বেলাইন হয়ে গেলেও যাতে একটি আরেকটির উপরে উঠে বড়সড় দুর্ঘটনা না হয় সেজন্য ট্রেনের ভেতরেই বসানো হয়েছে অ্যান্টি ক্লাইম্বিং প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির ফলেই প্রাণহানীর সম্ভাবনা কমবে।

  • ভাড়া কমল উত্তরবঙ্গগামী এই ট্রেনের

    ভাড়া কমল উত্তরবঙ্গগামী এই ট্রেনের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনিও কি ট্রেনে করে দিল্লি থেকে উত্তরবঙ্গ (North Bengal) কিংবা উত্তরবঙ্গ থেকে দিল্লিতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? তাহলে আপনার জন্য রইল অত্যন্ত জরুরি খবর। দেশে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ ট্রেনে যাতায়াত করেন। বিশেষ করে গ্রীষ্মকাল আসার সাথে সাথে, মানুষ তাদের পরিবারের সাথে ট্রেনে করে ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন। ফলে সব কিছু ভেবে রেল ১০টি প্রধান ট্রেনের ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান অভিযোগ এবং অতিরিক্ত সুপারফাস্ট চার্জের কারণে রেল কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন এই ট্রেনগুলোর সুপারফাস্ট মর্যাদা তুলে নেওয়া হবে। এই তালিকায় রয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি-নয়াদিল্লি সুপারফাস্ট ট্রেন।

    এপ্রিল থেকে বদলে যাচ্ছে নিউ জলপাইগুড়ি-নয়াদিল্লি সুপারফাস্ট ট্রেন

    রেল জানিয়েছে, আগামী ২১ মার্চ, ২০২৬ থেকে নিউ জলপাইগুড়ি-নিউ দিল্লি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস (১২৫২৩/২৪) ট্রেনটির থেকে সুপারফাস্ট তকমা তুলে দেওয়া হবে। রেলের নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই ট্রেনটি এখন থেকে ১৫৭২৫/১৫৭২৬ নম্বর নিয়ে মেল/এক্সপ্রেস ক্যাটাগরিতে চলবে। যার ফলে ট্রেনের টিকিটের মূল্যও কমবে। উল্লেখ্য, নয়াদিল্লি স্টেশনের পুনর্নির্মাণের কারণে, এটি বর্তমানে আনন্দ বিহার টার্মিনাল থেকে চলাচল করে।

    এমনিতে বিগত কয়েক বছর ধরে ভারতীয় রেল পরিকাঠামোর উন্নয়নে ব্যাপকভাবে মনোযোগ দিচ্ছে। লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে। ট্রেনের ইঞ্জিন ও কোচ থেকে শুরু করে রেললাইন পর্যন্ত সবকিছুর আধুনিকীকরণ ও উন্নতকরণের কাজ চলছে। রেলের আরও একটি লক্ষ্য হলো ট্রেনের গড় গতি বাড়ানো, যাতে যাত্রীরা যত দ্রুত সম্ভব তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। যদিও এবার কিছু সুপারফাস্ট ট্রেন নিয়ে রেলের সিদ্ধান্তে চমকে গিয়েছেন যাত্রীরা। এতে করে তাঁরা লাভবান হবেন নাকি সমস্যায় পড়বেন সেটা অবশ্য সময়ই বলবে।

    নতুন ট্রেনের সময়সূচী

    এবার আসা যাক নয়া ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে। বর্তমানে ১২৫২৩ নিউ জলপাইগুড়ি-নিউ দিল্লি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস সপ্তাহে মঙ্গলবার ও শনিবার এবং ট্রেন নম্বর নিউ দিল্লি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস-নিউ জলপাইগুড়ি ট্রেনটি বুধবার ও রবিবার চলাচল করে। রেলের নতুন আদেশ অনুযায়ী, এটি এখন ১২৫২৩-এর পরিবর্তে ১৫৭২৫ এবং ১২৫২৪-এর পরিবর্তে ১৫৭২৬ নম্বর দিয়ে পরিচালিত হবে। তবে নয়া ট্রেনের সময়সূচী বদল হবে নাকি একই সময়ে চলবে, ষে বিষয়ে এখনও অবধি রেলের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

    আরও পড়ুনঃ টিকিট পেলেন রেখা পাত্র, হিরণ, সুব্রত ঠাকুর! দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ BJP-র

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    সুপারফাস্ট ট্রেনের ভাড়া নিয়ে ক্রমবর্ধমান অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রেল কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপ নিয়েছে। যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরেই এই অভিযোগ করে আসছিলেন যে, সুপারফাস্ট ট্রেনের ভাড়া অসহনীয়ভাবে বেড়ে যাওয়ায় তা তাদের বাজেটের ওপর প্রভাব ফেলছে। ফলস্বরূপ, রেল কর্তৃপক্ষ এখন এই ট্রেনগুলোকে ‘সাধারণ এক্সপ্রেস’ শ্রেণিতে চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সুপারফাস্ট তকমাটি তুলে নেওয়ার সাথে সাথে টিকিটের দাম অটোমেটিকভাবেবে কমে যাবে। এর ফলে ট্রেনের ভাড়া ১০% পর্যন্ত হ্রাস পাবে। আখেরে লাভ হবে যাত্রীদেরই। এই নতুন রেল ভাড়া নীতিটি এপ্রিলের ১৩ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে পর্যায়ক্রমে কার্যকর করা হবে।

  • ঘরে বসেই আধার কার্ডে বাবা অথবা স্বামীর নাম ও নতুন ঠিকানা যুক্ত করুন, রইল পদ্ধতি

    ঘরে বসেই আধার কার্ডে বাবা অথবা স্বামীর নাম ও নতুন ঠিকানা যুক্ত করুন, রইল পদ্ধতি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আধার কার্ড প্রয়োজন প্রায় সব ক্ষেত্রেই (Aadhaar Card New Update)। ব্যাঙ্কিং পরিষেবা থেকে শুরু করে নতুন সিম কার্ড তোলা, সর্বত্রই এই গুরুত্বপূর্ণ নথিটি কাজে লাগে। তবে আধার কার্ডে কেয়ার অফ বা অভিভাবকের নাম উল্লেখ থাকা বাধ্যতামূলক। অনেক সময় মহিলাদের বিয়ের পর তাঁদের অভিভাবক হন স্বামী। ফলে সেক্ষেত্রে অনেকেই অভিভাবকের নামের জায়গায় বা কেয়ার অফে নিজের স্বামীর নাম বসাতে চান। আগে পঞ্চায়েতের শংসাপত্র দিয়ে এই কাজ করা গেলেও বর্তমানে তা যথেষ্ট কঠিন। তবে চিন্তা নেই, দেশের নাগরিকদের কষ্ট কমাতে অনলাইনে যাতে এই ধরনের কাজ করা যায় সেদিকেই নজর দিয়েছে UIDAI।

    পরিবর্তন করা যাবে ঠিকানাও

    আধার কার্ডে অভিভাবকের নাম পরিবর্তন করার পাশাপাশি যে কেউ নিজের ঠিকানাও পরিবর্তন করে নিতে পারবেন অনলাইনেই। এর জন্য অবশ্য আবেদনকারী এবং যাঁর নাম যুক্ত করা হচ্ছে তাঁর আধার কার্ডের সাথে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক। UIDAI সূত্রে খবর, অনলাইনে যদি কেউ অভিভাবকের নাম পরিবর্তন করেন সে ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তাঁর বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন হয়ে যাবে। পরবর্তীতে পরিবারের প্রধানের আঁধার কার্ডে যে ঠিকানা রয়েছে সেই ঠিকানা চলে আসবে আবেদনকারীর আধার কার্ডে।

    কীভাবে আধার কার্ডে অভিভাবকের নাম এবং ঠিকানা পরিবর্তন করবেন?

    নিজের আধার কার্ডে অভিভাবকের নাম এবং ঠিকানা পরিবর্তন করতে প্রথমেই myAadhaar পোর্টালে গিয়ে লগইন করে নিন। এরপর সেখান থেকে অ্যাড্রেস আপডেট মেনুতে ক্লিক করে হেড অফ ফ্যামিলি বেসড অ্যাড্রেস অপশনে ক্লিক করুন। এবার যাঁর অ্যাড্রেস বা নাম দিতে চাইছেন অর্থাৎ বাবা বা স্বামীর আধার নম্বর লিখে ড্রপ ডাউন থেকে তাঁর সাথে আপনার সম্পর্ক বেছে নিন। এরপর সামনে আশা স্বঘোষিত পত্রটি গ্রহণ করে 75 টাকা পেমেন্ট করে দিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যাবে আপনার অভিভাবকের নাম এবং ঠিকানা।

    অবশ্যই পড়ুন: বিকেলে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ৭০ কিমি বেগে ঝড়, বৃষ্টি! দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাগুলোয় সতর্কতা

    বলে রাখা প্রয়োজন, অনলাইনে আবেদন করে টাকা জমা দেওয়ার পর প্রাপ্ত রশিদ থেকে SRN নম্বরটি নিজের কাছে রেখে দিন। পরবর্তী ধাপে বাবা অথবা স্বামীর আধার নম্বর দিয়ে আবার পোর্টালে লগইন করতে হবে। সেখান থেকে ড্যাশবোর্ডের নিচে থাকা মাই হেড অফ ফ্যামিলি রিকোয়েস্ট অপশনে ক্লিক করে সেখান থেকে SRN নম্বরটি লিখে আবেদনটি অ্যাক্সেপ্ট করলেই গোটা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। এর মধ্যে দিয়ে আসলে যাঁর নাম এবং ঠিকানা আপনার আধার কার্ডে বসতে চাইছেন তাঁর কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হল।

  • লটারি লাগল রেল কর্মীদের! ৫০% DA বৃদ্ধির পর এবার ২৫ শতাংশ বাড়ছে KMA

    লটারি লাগল রেল কর্মীদের! ৫০% DA বৃদ্ধির পর এবার ২৫ শতাংশ বাড়ছে KMA

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নতুন বছর পড়তে না পড়তেই একের পর এক সুখবর পাচ্ছেন রেল কর্মীরা (Indian Railways)। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির পর এবার রেলের লোকো পাইলট এবং গার্ডদের KMA ভাতা বাড়াল কেন্দ্রীয় সরকার। সেই মর্মেই মিলেছে সবুজ সংকেত। অল ইন্ডিয়া রেলওয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শিব গোপাল মিশ্র ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের (Ashwini Vaishnaw) সঙ্গে দেখা করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। আর তারপরই নাকি রেল মন্ত্রকের তরফে এই বিশেষ ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অল ইন্ডিয়া রেলওয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের সাথে সাক্ষাতের পরই রেলের লোকো পাইলট এবং গার্ড অর্থাৎ কর্মীদের কিলোমিটার ভাতা বা KMA বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেন রেলমন্ত্রী। জানা যাচ্ছে, রেলমন্ত্রকের তরফে নীতিগতভাবে এই বৃদ্ধিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আজ সন্ধ্যা বা আগামীকালের মধ্যেই রেলওয়ে বোর্ড এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে।

    রেলওয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রেলমন্ত্রক এবার কর্মীদের KMA ভাতা এক ধাক্কায় 25 শতাংশ বাড়াবে। আর সেটা হলে লোকো পাইলট ও গার্ডদের মাসিক বেতনের মধ্যে একটা বড় ফারাক তৈরি হবে সে কথা বলাই যায়। বলে রাখি, প্রতি 100 কিলোমিটারের হিসেবে এই বিশেষ ভাতা দেওয়া হয়ে থাকে।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ভোটের আগে অন্য খেলা! শুভেন্দু হাইকোর্টে যেতেই শোরগোল

    এতদিন যেখানে মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনের লোকো পাইলটরা প্রতি 100 কিলোমিটার দূরত্বে 530 টাকা ভাতা পেতেন এবার সেটা 25 শতাংশ বেড়ে 662 টাকা 50 পয়সা হচ্ছে। একই সাথে প্যাসেঞ্জার বা মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনের লোকো পাইলটরা এবার থেকে প্রতি 100 কিলোমিটারের হিসেবে 525 টাকার বদলে 656.25 টাকা ভাতা পাবেন। অন্যদিকে গুডস বা মাল গাড়ির লোকো পাইলটরা 520 টাকা প্রতি 100 কিলোমিটার ভাতার বদলে 650 টাকা ভাতা পেতে পারেন। একইভাবে সহকারী লোকো পাইলট 376 টাকার বদলে 470 টাকা পাবেন। এদিকে মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনের গার্ডরা প্রতি 100 কিলোমিটারের হিসেবে 480 টাকার বদলে একেবারে 600 টাকা KMA পাবেন।

  • ৪ কোটি ছাড়িয়েছে চিকিৎসার খরচ, হরিশ রানার মতোই ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি পাবে আনন্দ?

    ৪ কোটি ছাড়িয়েছে চিকিৎসার খরচ, হরিশ রানার মতোই ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি পাবে আনন্দ?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সম্প্রতি হরিশ রানাকে (Harish Rana) ইচ্ছামৃত্যু বা প্যাসিভ ইউথেনেসিয়ার (Passive Euthanasia) রায় দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট। আর এটি ভারতের মধ্যে প্রথম ইচ্ছামৃত্যুর রায়। তবে মুম্বাইয়ের ৩৫ বছর বয়সী আনন্দ দীক্ষিতকেও (Anand Dixit) এবার একইভাবে মুক্তি দিতে চাইছে তাঁর পরিবার। জানা যাচ্ছে, জীবন আর মৃত্যুর মাঝেই কোনওক্রমে নিজের ছেলের প্রাণটুকু নিয়ে লড়াই করছে মহারাষ্ট্রের এই পরিবার। গত আড়াই বছর ধরেই সে ভেজিটেটিভ স্টেটে। ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর থেকেই তিনি কোমায় রয়েছেন। তাহলে কি সুপ্রিম কোর্ট আবারও তাঁকে ইচ্ছামৃত্যুর রায় দেবে?

    কী ঘটেছিল ঠিক তাঁর সঙ্গে?

    জানা যাচ্ছে, ২০২৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন আনন্দ। সেদিন তিনি নতুন স্কুটার কিনেছিলেন। তবে সেই স্বপ্ন মুহূর্তের মধ্যেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে অচেতন হয়ে যান আনন্দ, এবং তখন থেকেই তিনি কোমায় রয়েছেন। আর এখন টিউবের মাধ্যমে তাঁকে খাবার খাওয়ানো হয় আর মেশিনের মাধ্যমেই চলে শ্বাসপ্রশ্বাস। বিগত ১৮ মাস ধরে তাঁর নীরবতা এখনো পর্যন্ত ভাঙেনি। এমনকি চোখের পলক পর্যন্ত পড়ে না। শুধুমাত্র শরীরের ভেতরে প্রাণটুকুই আছে।

    তবে সবথেকে বড় ব্যাপার, এই লড়াইয়ের পিছনে তাঁর পরিবারের অবদান অনস্বীকার্য। কারণ, চিকিৎসার খরচই ১৮ মাসে ৪ কোটির গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। জমি বিক্রি থেকে শুরু করে জমানো সঞ্চয়, সবকিছুই ছেলের প্রাণ বাঁচাতে শেষ হয়েছে। এমনকি তার মাঝেই লাগে বিরাট ধাক্কা। কারণ, আনন্দ যখন হাসপাতালে ভর্তি, তখন মিউনিসিপাল কর্পোরেশন তাঁদের একমাত্র বাড়িটিকেই ভেঙে দেয়। জানা যাচ্ছে, আইন এবং নির্মাণ জটিলতার কারণেই প্রশাসন তাঁদের উপর এই জুলুম খাটায়। যার ফলে তাঁর পরিবার এখন ভাড়া বাড়িতে রয়েছে এবং কোনওক্রমে দুবেলা দুমুঠো খাওয়া জোটে। ছেলের চিকিৎসার পেছনেই সিংহভাগ টাকা খরচ হয়।

    আরও পড়ুন: ফাঁকা সিলিন্ডারে নিজেই ভরে আনুন গ্যাস, দেশে চালু হল প্রথম LPG ATM পরিষেবা

    বেশ কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী খবর, তাঁর চিকিৎসা চলছে কেয়ার হেলথ ইন্সুরেন্সের আওতায়। তবে এখন সেই চিকিৎসার খরচ মেটাতেই অস্বীকার করছে সংস্থা। যার ফলে আরও ৫০ লক্ষ টাকার ঋণের বোঝা চেপেছে ওই পরিবারের উপর। তাঁর বাবা-মায়ের এখন একটাই প্রার্থনা, ছেলে একবার শুধুমাত্র মা-বাবা বলে ডাকুক। কিন্তু সে আর হচ্ছে কোথায়! ১৮ মাস ধরে তো চোখটুকুও খোলেনি সে। সেই কারণেই তাঁর পরিবার এখন তাঁকে মুক্তি দিতে চাইছে। কারণ, সম্প্রতি হরিশ রানাকে ইচ্ছামৃত্যুর রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এখন দেখার, তাঁকে আইনের মাধ্যমে কোনও সম্মানজনক বিদায় দেওয়া হয় কিনা।

  • সুরক্ষায় নয়া রেকর্ড গড়ল রেল, ৩০০০ কিমিতে চালু ‘কবচ’, কাজ চলছে আরও ২০০০০ কিমিতে

    সুরক্ষায় নয়া রেকর্ড গড়ল রেল, ৩০০০ কিমিতে চালু ‘কবচ’, কাজ চলছে আরও ২০০০০ কিমিতে

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: এখন ট্রেনে সফর করা আরও সুরক্ষিত। এর কারণ এখন বিভিন্ন ট্রেনে এবং ট্র্যাকে লাগানো হয়েছে কবচ (Kavach) নামের এক সুরক্ষা সিস্টেম, যা যে কোনো দুর্ঘটনা রোধ করতে সক্ষম। আর এবারে এই কবচ নিয়ে নতুন মাইলফলক অর্জন করল ভারতীয় রেল। এই কবচ নাকি ইতিমধ্যেই ৩০০০ কিমি দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে ফেলেছে বলে খবর।

    কবচ নিয়ে বড় তথ্য দিলেন রেলমন্ত্রী

    সংসদে দাঁড়িয়ে কবচ নিয়ে সম্প্রতি বড় তথ্য দিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানিয়েছেন, কবচে ৩০০০ কিলোমিটার সম্পূর্ণ হয়েছে এবং আরও ২০, ০০০ কিলোমিটার জুড়ে কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। ট্র্যাকগুলোর উন্নয়নের কারণে গতিতে বড় উন্নতি হয়েছে। এদিকে দেশের অন্যতম ব্যস্ততম দিল্লি-হাওড়া রুটটি এখন আগের চেয়েও বেশি নিরাপদ হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে ভারতীয় রেল ‘কবচ ৪.০’ প্রযুক্তি চালু করেছে। এটি হাওড়া-বর্ধমান-ছোটা আম্বানা সেকশনে স্থাপন করা হয়েছে।

    কবচ কী?

    কবচ হলো ভারতের প্রথম আধুনিক অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন (এটিপি) সিস্টেম। রেল কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে সমস্ত রুটে এর ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। হাওড়া থেকে ছোটা আম্বানা পর্যন্ত এই অংশটি ২৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ, যার মধ্যে ২২৯ কিলোমিটার পশ্চিমবঙ্গে এবং ৩১ কিলোমিটার ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত। সম্পূর্ণ লাইনটিতে ৪৭টি স্টেশন এবং গেটেড আর্মারযুক্ত ১৩টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে। ২০২২ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি চার বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত মজবুত।

    আরও পড়ুনঃ কালবৈশাখী থেকে শিলাবৃষ্টিতে তোলপাড় হবে দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলা, আজকের আবহাওয়া

    রেল মন্ত্রকের তথ্যমতে, রেললাইনে ৭,৮৯৭টি আরএফআইডি ট্যাগ স্থাপন করা হয়েছে। ৬০টি ল্যাটিস টাওয়ারে ইউএইচএফ অ্যান্টেনা এবং ৫২০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার কেবল নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে। হাওড়া ও শিয়ালদহ ডিপোতে থাকা ১১৮টি বৈদ্যুতিক লোকোমোটিভ এবং একটি ইএইউ-কে আর্মার প্রযুক্তিতে সজ্জিত করা হয়েছে।

  • কমবে ১০ ঘণ্টা সময়, খুব শীঘ্রই চালু হবে ভারতের প্রথম ৮ লেনের টানেল

    কমবে ১০ ঘণ্টা সময়, খুব শীঘ্রই চালু হবে ভারতের প্রথম ৮ লেনের টানেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আর মাত্র কিছুটা অপেক্ষা, তারপরেই সর্বসাধারণের জন্য খুলে যাবে ভারতের প্রথম ৮ লেনের টানেল (India’s first 8-lane tunnel)। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। এই টানেলটি মুকুন্দ্রা হিলস টাইগার রিজার্ভের মধ্যে দিয়ে গেছে, যেখানে বন্যপ্রাণী রক্ষার জন্য একটি ভূগর্ভস্থ টানেল নির্মাণ করা হয়েছে। টানেলটিতে দুটি টিউব রয়েছে, প্রতিটিতে চারটি করে লেন, মোট আটটি লেন। নির্মাণকাজের সময় বন্যপ্রাণীদের যাতে কোনওরকম সমস্যা না হয় সেজন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছিল। যে কারণে প্রজেক্টের কাজ শেষ হতে অনেকটাই সময় লেগেছিল।

    ভারতে তৈরি হচ্ছে প্রথম ৮ লেনের টানেল

    রিপোর্ট অনুযায়ী, টানেলের উপরে একটি প্রাকৃতিক বনভূমি থাকবে। মোট ১৩৮০-১৪০০ কিলোমিটার টানেলটি দিল্লি থেকে শুরু হয়ে গুরুগ্রাম, আলওয়ার, জয়পুর, আজমির, কোটা, চিতোরগড়, উদয়পুর, রতলাম, ইন্দোর, উজ্জয়িন, ভাদোদরা, আহমেদাবাদ ও সুরাট হয়ে মুম্বাই পর্যন্ত গেছে। এর বেশ কিছু অংশ ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে। ভাদোদরা পর্যন্ত অংশটি চালু রয়েছে। পরে পুরোপুরি টানেলটি চালু হলে কোটার কাছে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ আঁকাবাঁকা ও যানজটপূর্ণ রাস্তার চাপ কমবে।

    কমবে যাত্রার সময়

    গুরুগ্রাম থেকে ভাদোদারা যেতে বর্তমানে সময় লাগে ২০-২২ ঘণ্টা। কিন্তু পরবর্তীকাল তা কমে ১০-১২ ঘণ্টা হবে। ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে পুরো এক্সপ্রেসওয়েটি মুম্বাই পর্যন্ত চালু হওয়ার কথা। এটি হলে গুরুগ্রাম-মুম্বাই যাত্রার সময় ২৪ ঘণ্টা থেকে কমে ১২ ঘণ্টা হবে। যানবাহনগুলো ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২০ কিমি গতিতে চলতে পারবে, ফলে সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে। NHAI-এর মতে, এক্সপ্রেসওয়েটি দিয়ে বর্তমানে প্রতিদিন ২৫,০০০-৩০,০০০ যানবাহন চলাচল করে এবং টানেলটির কাজ শেষ হলে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। মিডিয়ানটি ২১ মিটার চওড়া, ফলে প্রয়োজনে লেন সম্প্রসারণ করা সহজ হবে।

    আরও পড়ুনঃ ডবল ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব! শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে দুর্যোগ, আগামীকালের আবহাওয়া

    এই প্রকল্পটি হরিয়ানা, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং গুজরাটের উন্নয়নকে আরও কিছুটা এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। রণথম্ভোর, মুকুন্দ্রা এবং অন্যান্য অঞ্চলের মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে যাতায়াত আরও সহজ হবে। বর্তমানে, টানেলটির চূড়ান্ত পরিদর্শন চলছে এবং শীঘ্রই পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি চালু হয়ে গেলে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

  • অরুণাচলে মঠে গিয়ে মূর্তি চুরি বাংলার পর্যটকের, যা করলেন সন্ন্যাসীরা জেনে গর্ব হবে

    অরুণাচলে মঠে গিয়ে মূর্তি চুরি বাংলার পর্যটকের, যা করলেন সন্ন্যাসীরা জেনে গর্ব হবে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভ্রমণ করতে গিয়ে ধর্মীয় স্থানে চুরির অভিযোগ। তাও অন্য কোনও রাজ্য নয়, বরং পশ্চিমবঙ্গের এক যুবকের বিরুদ্ধে। তারপর অনুতাপ প্রকাশ করতেই করে দেওয়া হল ক্ষমা। এমনই ঘটনা ঘটল অরুণাচল (Arunachal Pradesh) প্রদেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র তাওয়াং মঠে (Tawang Monastery)। কী কী চুরি করেছিল ওই অভিযুক্ত এবং কেনই বা তাঁকে ক্ষমা করা হল?

    ঘটনাটি কী?

    দ্য হিন্দুর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, গত ৩ মার্চ বিকেলবেলা তাওয়াং মঠ চত্বর সংলগ্ন এলাকা থেকে কয়েকটি ধর্মীয় সামগ্রী চুরি হয়। যার মধ্যে ছিল একটি পিতলের বৌদ্ধদেবের মূর্তি, একজোড়া ধর্মীয় ঝংকার, একটি ঘন্টা আর দুটি ধাতব ব্যাটার ল্যাম্প। ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এমনকি পুলিশ সূত্রে খবর, মঠ সংলগ্ন জায়ান্ট বুদ্ধ স্ট্যাচুপার্কের সিসিটিভি ফুটেজে ওই চুরির গোটা ঘটনা ধরা পড়েছে। আর সেই ফুটেজ দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তদন্তে থাকা পুলিশ সুপার জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং তাঁর স্ত্রী ঘটনার আগের দিন এখানে বেড়াতে এসেছিলেন।

    জানা যাচ্ছে, ৪ মার্চ দুপুরবেলা এক হোমস্টে থেকে ওই পর্যটককে আটক করে পুলিশ। আর তল্লাশি চালিয়ে চুরি যাওয়া সমস্ত সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পুলিশের আনুমানিক অনুমান, চুরি হওয়া জিনিসগুলির বাজার মূল্য হতে পারে ২০ হাজার টাকা। এক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, তাওয়াং মঠটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। আর ১৭০০ শতকে প্রতিষ্ঠিত এই মঠটি ভারতের সবথেকে বড় বৌদ্ধমঠ এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মঠ। এখানে প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক ও ধর্মপ্রাণ মানুষ ভিড় জমান।

    আরও পড়ুন: বাংলায় ফের বড় অ্যাকশন কমিশনের, পাঁচ DIG সহ ১১ DM-কে সরাল কমিশন

    মামলা ছাড়াই করে দেওয়া হল ক্ষমা

    তবে ওই চুরির ঘটনা ধরা পড়তেই অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের ভুল স্বীকার করে নেন এবং লিখিতভাবে প্রতিশ্রুতি দেন যে, ভবিষ্যতে এরকম কাজ আর কোনও দিনই করবেন না। তিনি ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান রাখার ক্ষেত্রেও আশ্বাস দিয়েছিলেন। এরপর মঠ কর্তৃপক্ষ সমস্ত দিক বিবেচনা করে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই তাঁকে ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত নেয়। যার ফলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করা হয়নি।

  • ভারতীয় রেলে বিদ্যুৎ বিপ্লব! বছরে বাঁচাল ৬০০০ কোটি টাকা

    ভারতীয় রেলে বিদ্যুৎ বিপ্লব! বছরে বাঁচাল ৬০০০ কোটি টাকা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতীয় রেলের (Indian Railways) মুকুটে নয়া পালক। ডিজেল থেকে বৈদ্যুতিক চালনায় জোর দিয়ে ৬০০০ কোটি টাকার সাশ্রয় হয়েছে রেলের। মঙ্গলবার লোকসভায় এমনটাই দাবি করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। এমনকি তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, দেশের এই জাতীয় পরিবহন সংস্থাটি এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পণ্য পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি ভারতীয় রেলের একাধিক প্রকল্প নিয়েও এদিন তিনি আলোচনা করেন।

    ডিজেল চালিত ইঞ্জিন থেকে বৈদ্যুতিকে রুপান্তর

    এদিন লোকসভায় রেলমন্ত্রী বৈষ্ণব জানান যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলে ৩৫ হাজার কিলোমিটার নতুন রেললাইন পাতা হয়েছে, আর আনুমানিক ২৭ হাজার কিলোমিটার রেললাইন বৈদ্যুতিকরণ করা হয়েছে। কংগ্রেস সিংহভাগ ডিজেল চালিত পরিষেবা ছিল। এমনকি তিনি বলেন যে, ভারতীয় রেলের ব্যয়ের ক্ষেত্রে কর্মীবাবদ খরচ সবথেকে বেশি। আর দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যয়ের খাত হল জ্বালানি বা শক্তি। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, আগামী দিনগুলোতে ডিজেল চালিত ইঞ্জিন সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হবে আর ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিক চালিত ইঞ্জিন সেই জায়গা দখল করবে।

    এদিকে রেল প্রকল্পগুলোর জন্য জমি অধিগ্রহণ সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অনুদান বরাদ্দ না করায় রাজ্যের INDIA জোট শাসন রাজ্য যেমন কেরালা, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, কর্ণাটক নিয়ে সমালোচনা করেছেন রেলমন্ত্রী। আর বিরোধী দলগুলিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভোটের রাজনীতির পরিবর্তে কাজের রাজনীতি প্রাধান্য পেয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রী রেল বাজেটকে সবসময় অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। যার ফলে তাঁর মন্ত্রকের জন্য আর্থিক বরাদ্দের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে সারা বছর ধরেই নতুন নতুন ট্রেনের উদ্ভাবন আর নতুন প্রকল্পের সূচনা হয়েই থাকে, যা আগে চোখে পড়ত না। রেলের আর্থিক স্বাস্থ্যের উন্নতি দিনের পর দিন বাড়ছে। এমনকি এদিন রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, অর্থ মন্ত্রক আর অন্যান্য সংস্থাগুলোর অত্যাধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবস্থা ব্যবহার করে ভারতীয় রেল আরও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হওয়ার চেষ্টা করছে।

    আরও পড়ুন: ইতিহাস গড়লেন TTE, বিনা টিকিটে যাত্রীদের ধরে একদিনেই ২.৫৭ লাখ আদায় রেলের

    এদিকে স্বাস্থ্যবিমা নিয়েও লোকসভায় বড়সড় দাবি রাখেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তিনি স্পষ্ট বলেন, স্বাস্থ্যবিমা এই সরকারের সবথেকে জনপ্রিয় অগ্রাধিকার। আর আশা করা যাচ্ছে যে, আগামী ২০৩৩ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি নাগরিককেই এই স্বাস্থ্যবিমা কভারেজের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এমনকি প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানিয়েছেন যে, বীমা খাতের ব্যয় দিনের পর দিন বাড়ানো হচ্ছে। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই খাতের আওতায় আনুমানিক ৫৮ কোটি টাকা মানুষ জীবনবিমার সুরক্ষা পেয়েছে।

  • বিমানের ৬০ শতাংশ আসন পছন্দ করতে পারবেন একেবারে ফ্রিতে, নয়া নিয়ম DGCA-র

    বিমানের ৬০ শতাংশ আসন পছন্দ করতে পারবেন একেবারে ফ্রিতে, নয়া নিয়ম DGCA-র

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিমান যাত্রীদের জন্য চরম সুখবর (Airplane Free Seats)। এবার থেকে বিমানের অন্তত 60 শতাংশ সিট বা আসন অতিরিক্ত কোনও খরচ ছাড়াই পছন্দ করতে পারবেন যাত্রীরা। সেই মর্মেই, নির্দেশিকা জারি করেছে দেশের অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক (Ministry of Civil Aviation)। জানানো হয়েছে, এবার থেকে বিমানে পছন্দসই আসন গ্রহণের ক্ষেত্রে ফ্লাইটের টিকটের খরচের বাইরে অতিরিক্ত কোনও চার্জ দিতে হবে না যাত্রীদের। এক কথায়, বিমানে কোন সিটে ভ্রমণ করবেন সেটাও নিখরচায় বেছে নিতে পারবেন আপনি।

    নির্দেশিকায় ঠিক কী জানিয়েছে বিমান মন্ত্রক?

    সাধারণত এতদিন বিমানে আসন পছন্দ করার ক্ষেত্রে যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিত বিভিন্ন বিমান সংস্থাগুলি। টিকিট কাটার পরেও সিট পছন্দ করার জন্য আলাদা করে চার্জ করা হতো যাত্রীদের। তবে অসামরিক বিমান মন্ত্রক নির্দেশিকা জারি করে খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এই কাজ আর করা যাবে না। অর্থাৎ অন্তত 60 শতাংশ আসন যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ছেড়ে রাখতে হবে।

    শুধু তাই নয়, ওই নির্দেশিকায় বিমান মন্ত্রক এও জানিয়েছে , একই PNR নম্বরে যদি কেউ টিকিট কেটে থাকেন সেক্ষেত্রে যাত্রীদের আসন পাশাপাশি দিতে হবে। অর্থাৎ একই পরিবারের দুজন সদস্য কিংবা আত্মীয় অথবা বন্ধুদের সিট পাশাপাশি রাখতে হবে বলেই নির্দেশিকা জারি করেছে অসামরিক বিমান মন্ত্রক। এতদিন পাশাপাশি সিট পাওয়ার জন্য অতিরিক্ত খরচ গুনতে হতে যাত্রীদের। অনেকেই সেই অর্থ দিতে না পারায় আত্মীয় স্বজন বা পরিজনের থেকে দূরের সিট পেতেন।

     

    অবশ্যই পড়ুন: বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না! নেইমার বললেন, “আমার হাতে নেই”

    এছাড়াও যাত্রীদের প্রয়োজনীয় গান-বাজনা কিংবা খেলাধুলার সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাশাপাশি বিমানে যাওয়ার সময় পোষ্যদের নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও বিমান সংস্থাগুলির মতামত কী সেটাও জানতে চাওয়া হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, বিমান ছাড়তে দেরি হলে কিংবা কোনও কারণে ফ্লাইট ক্যান্সেল হলে তার কারণ যাত্রীদের জানাতে হবে বিমান সংস্থার ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং এয়ারপোর্ট কাউন্টার থেকে। পাশাপাশি বিমান সংস্থাগুলিকে এ-ও বলা হয়েছে, যাত্রীদের ভাষা বোঝার ক্ষেত্রে সমস্যা হলে তারও সমাধান করতে হবে তাদের। গুরুত্ব দিতে হবে আঞ্চলিক ভাষার উপর। কেন্দ্র বলছে, বিমানে যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাতে যাত্রীদের আগামী দিনে কোনও রকম সমস্যা না হয় সেদিকেই নজর রেখে এমন নির্দেশিকা জারি করা হল।