Category: ভারত

  • এপ্রিলে একসাথে মিলবে ৩ মাসের রেশন, বড় ঘোষণা কেন্দ্র সরকারের

    এপ্রিলে একসাথে মিলবে ৩ মাসের রেশন, বড় ঘোষণা কেন্দ্র সরকারের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দেশজুড়ে কোটি কোটি রেশন (Ration) গ্রাহকদের জন্য বিরাট সুখবর শোনাল কেন্দ্র সরকার (Government of India)। এপ্রিল মাসেই উপভোক্তারা হাতে পেতে চলেছেন বিরাট উপহার। হ্যাঁ, খাদ্য এবং গণবণ্টন মন্ত্রকের সাম্প্রতিক একটি ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী এপ্রিল মাসে উপভোক্তাদের একসঙ্গে তিন মাসের খাদ্যশস্য দেওয়া হবে। আর এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশেষ করে নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলি বিশেষ উপকৃত হবে।

    একসঙ্গেই মিলবে তিন মাসের রেশন

    কেন্দ্রীয় খাদ্য মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, এপ্রিল মাসে উপভোক্তারা এপ্রিল, মে এবং জুন এই তিন মাসের বরাদ্দ চাল এবং গম একসঙ্গে সংগ্রহ করতে পারবেন। এর কারণে বারবার রেশন দোকানে গিয়ে ঝামেলা পোহানোর দরকার পড়বে না। উপভোক্তারা নিজেদের সুবিধা মতো স্থানীয় রেশন ডিলারদের কাছ থেকে খুব সহজেই এই তিন মাসের খাদ্যশস্য বুঝ করে নিতে পারবে।

    এবার নিশ্চয়ই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, কেন হঠাৎ করে তিন মাসের রেশন একসঙ্গে দেওয়া হচ্ছে? আসলে কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের কোনও কারণ এখনো পর্যন্ত জানানো হয়নি। কিন্তু বিশেষজ্ঞ মহল এর পিছনে সম্ভাব্য কিছু কারণ উল্লেখ করছে। প্রথমত, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কেন্দ্র কৃষকদের কাছ থেকে নতুন গম কেনা শুরু করবে। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় গুদামগুলোতে নতুন ফসল রাখার জায়গা তৈরি করার জন্যই রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, তারা যেন জুন মাস পর্যন্ত প্রয়োজনীয় খাদ্যশস্য আগেভাগেই তুলে নেয়। আর সমস্ত রাজ্য সরকারকে আগেই কেন্দ্র থেকে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে যাতে তারা সেন্ট্রাল স্টক থেকে দ্রুত শস্য সংগ্রহ করে বণ্টন প্রক্রিয়া শুরু করে। সেই কারণেই এবার ৩ মাসের রেশন একসাথে দেওয়ার পথে সরকার।

    আরও পড়ুন: আসানসোলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতু, চাঞ্চল্য এলাকায়

    প্রসঙ্গত, বিনামূল্যে রেশন প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ ও শহর উভয় এলাকার পরিবারগুলোর জন্য এই সুবিধা দেওয়া হবে। কেন্দ্রের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এপ্রিল মাসে একবারে তিনগুণ শস্য হাতে আসার কারণে সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা বাড়বে। এমনকি খাদ্যশস্য বণ্টনের সাথে যাতে কোনও ধরনের অনিয়ম না হয়, তার জন্য প্রত্যেকটি রাজ্য সরকারগুলিকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর কোনও উপভোক্তা যদি তিন মাসের রেশন পেতে সমস্যার সম্মুখীন হয়, সেক্ষেত্রে জেলা খাদ্য দফতরে সরাসরি অভিযোগ জানানো যাবে।

  • এবার আপনাকে বাড়িতেও পৌঁছে দেবে রেল! Railone App-এ নতুন পরিষেবা

    এবার আপনাকে বাড়িতেও পৌঁছে দেবে রেল! Railone App-এ নতুন পরিষেবা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল (Indian Railways) যাত্রীদের পোয়া বারো। অনেক ট্রেন যাত্রীই ট্রেন স্টেশনে নামার পর কীভাবে বাড়ি ফিরবেন তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পরেন। বিশেষ করে যখন তাঁরা অচেনা, অজানা জায়গায়, কিংবা গভীর রাতে স্টেশনের বাইরে কিছু না পান তখন সমস্যার বিষয় হয়ে ওঠে। কিন্তু আর চিন্তা নয়, কারণ এবার ভারতীয় রেল (Indian Railways) শীঘ্রই আপনাকে আপনার বাড়ির বা আপনার দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। তাও আবার গাড়ি করে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    এবার যাত্রীদের বাড়ি পৌঁছে দেবে রেল!

    আসলে রেল কর্তৃপক্ষ ভারত ট্যাক্সির (Bharat Taxi) সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে চলেছে, যার ফলে যাত্রীরা তাঁদের ট্রেনের টিকিটের সাথে স্টেশন থেকেই পরবর্তী যাত্রার জন্য ট্যাক্সি বুক করতে পারবেন। এই সুবিধাটি রেলের সুপার অ্যাপ, RailOne-এ পাওয়া যাবে। এই অ্যাপটি সম্প্রতি চালু করেছে রেল। অর্থাৎ ট্রেন বুকিং-এর পাশাপাশি আগামী দিনে আপনি চার চাকাও বুক করতে সক্ষম হবেন একটা অ্যাপের মাধ্যেম।

    রিপোর্ট অনুযায়ী, নতুন এই ব্যবস্থার অধীনে, আপনি রেলের টিকিট বুক করার পাশাপাশি একটি ট্যাক্সিও বুক করতে পারবেন। RailOne অ্যাপে টিকিট বুক করার সময় একটি অতিরিক্ত অপশন দেখা যাবে, যেখানে ভারত ট্যাক্সি উইন্ডোটি শো করবে। মাত্র কয়েকটি ক্লিকেই টিকিটের সাথে আপনার ট্যাক্সিও বুক হয়ে যাবে। এর মানে হলো, ট্রেন থেকে নামার পর আপনাকে ট্যাক্সি বা অন্যান্য যানবাহন খোঁজার জন্য তাড়াহুড়ো করতে হবে না বা বিভিন্ন অ্যাপের উপর নির্ভর করতে হবে না। স্টেশন থেকে আপনার পরবর্তী যাত্রা আপনার বাড়ির আরাম থেকেই, কোনো ঝামেলা ছাড়াই পূর্ব-পরিকল্পিত থাকবে।

    যাত্রীদের জন্য কী পরিবর্তন আসবে?

    সাধারণত, যাত্রীদের স্টেশন থেকে বেরিয়ে নিজেরাই বাস, ট্যাক্সি বা ক্যাব পরিষেবা খুঁজতে হয়, অথবা পরিবারের সদস্য বা পরিচিতদের ফোন করতে হয়। এছাড়াও, যে স্টেশনগুলির কাছে নিয়মিত বাস বা অটো পরিষেবা নেই, সেখানে যাত্রীদের প্রায়শই অটো বা ট্যাক্সির জন্য অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগও থাকে। তবে, এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে, কনফার্ম ট্রেনের টিকিটের সাথেই একটি ট্যাক্সি বুক হয়ে যাবে, ফলে সময় বাঁচবে। ট্রেন পৌঁছানোর সাথে সাথেই একটি ট্যাক্সি আপনার জন্য অপেক্ষা করবে। যাত্রীদের অনিশ্চয়তা ও অসুবিধা কমবে এবং ভ্রমণও আরও নিরাপদ হবে।

    আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের DA বিজ্ঞপ্তিতেও ভিজল না চিঁড়ে, এবার কলকাতা হাইকোর্টে নতুন মামলা

    RailOne কী?

    ভারতীয় রেলের RailOne অ্যাপটি একটি সুপার অ্যাপ হিসেবে কাজ করে, যা ১ জুলাই, ২০২৫-এ কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব চালু করেন। চালু হওয়ার পর থেকে অ্যাপটি দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং আট মাসেরও কম সময়ে ২০ মিলিয়ন বার ডাউনলোড হয়েছে। এটির দৈনিক প্রায় ৬০০,০০০ টিকিট বুকিং পরিচালনা করার ক্ষমতা রয়েছে।

  • সত্যিই কি বিল গেটসের কারণে কৃত্রিম বৃষ্টি হচ্ছে ভারতে? জানুন আসল তথ্য

    সত্যিই কি বিল গেটসের কারণে কৃত্রিম বৃষ্টি হচ্ছে ভারতে? জানুন আসল তথ্য

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বিগত কয়েকদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম যেমন হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়ছে যে বিল গেটসের (Bill Gates) উদ্যোগেই নাকি দেশে অকাল বৃষ্টি আর আবহাওয়া সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে! আর ভাইরাল ভিডিওগুলোতে দাবি করা হচ্ছে যে, আকাশ থেকে কেমিক্যাল স্প্রে বা কিমট্রেইলসের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে এই বৃষ্টি (Artificial Rain) নাকি নামানো হয়েছে! কিন্তু আদৌ কি তাই? বিজ্ঞান আর বাস্তব কী বলছে? জানুন আসল সত্যি।

    বিল গেটসের কারণে কৃত্রিম বৃষ্টি ভারতে?

    প্রথমেই বলে দিই, বিল গেটসকে নিয়ে ছড়ানো এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ভুয়ো। এর কোন সত্যতা নেই। গেটস ফাউন্ডেশন বা বিল গেটস ব্যক্তিগতভাবে ভারতের কোনও আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ বা কৃত্রিম বৃষ্টির প্রজেক্ট চালাচ্ছেন না এমনটাই খবর। কিন্তু এই গুজবের সূত্রপাত হয়েছে মূলত বিল গেটসের একটি পুরনো বৈজ্ঞানিক বিনিয়োগকে কেন্দ্র করে।

    আসলে ২০০৭ সাল থেকে বিল গেটস সোলার জিওইঞ্জিনিয়ারিং নামক গবেষণার পেছনে অর্থ ঢালছেন। আর এর মূল লক্ষ্য হল স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে হালকা ক্যালসিয়াম কার্বনেট কণা ছড়িয়ে দিয়ে সূর্যের প্রখর তাপ কিছুটা কমিয়ে পৃথিবীকে শীতল রাখা। তবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রযুক্তি ২০২৪ সালে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়। আর এই গবেষণার সঙ্গে ভারতের বর্ষা বা আবহাওয়ার কোনও রকম সম্পর্ক ছিল না আর নেই। ভারতে বিল গেটসের বিনিয়োগ মূলত কৃষি প্রযুক্তি আর স্বাস্থ্য খাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, আবহাওয়ার ক্ষেত্রে নয়।

    এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ার আরও একটি ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে। যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে, বৃষ্টির পর মেঘ থেকে পড়া শিলা দীর্ঘক্ষণ ধরে জমাট বেঁধে থাকছে, সেগুলি গলছে না। নেট নাগরিকদের একাংশ একে রাসায়নিক বৃষ্টির প্রমাণ হিসেবেই দাবি করছে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন সম্পূর্ণ অন্য কথা। তাঁদের বক্তব্য, এটি সাধারণ প্রাকৃতিক ঘটনা। যখন আকাশ মেঘলা থাকে এবং মাটির তাপমাত্রা কম থাকে তখন বরফ বলতে অনেকটাই দেরি হয়। আর অনেক সময় ছোট ছোট শিলা কণাগুলি জমাট বেঁধে বরফের চাই তৈরি করে ফেলে যা গলতে অনেকটাই সময় নেয়। এর পেছনে কোনও রকম কৃত্রিম প্রযুক্তি নেই।

    আরও পড়ুন: দক্ষিণবঙ্গে ফিরল শীত? কলকাতার পারদ কমল ৬ ডিগ্রি, কদিন চলবে দুর্যোগ?

    ভারতে কি আর্টিফিসিয়াল রেইন হয়?

    এবার অনেকের মনে এই প্রশ্ন জাগতে পারে। তবে আমরা যদি বলি হ্যাঁ, ভারতেও কৃত্রিম বৃষ্টি হয় তাহলে কি আপনি অবাক হবেন? আসলে ভারতে কৃত্রিম বৃষ্টির প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু তা বিল গেটসের প্রজেক্ট নয়। একে ‘ক্লাউড সিডিং’ বলা হয়। কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র এবং তামিলনাড়ুর খরা মোকাবিলার জন্য বহু বছর ধরেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি ২০২৫ সালে দিল্লিতে বায়ুদূষণ কমানোর জন্য কৃত্রিম বৃষ্টির চেষ্টা চালানো হয়েছিল। যদিও তা হিতে বিপরীত হয়। এক্ষেত্রে বিমানে করে মূলত মেঘের মধ্যে সিলভার লবনের কণা ছড়িয়ে দেওয়া হয় যা মেঘকে ঘনীভূত করে বৃষ্টি নামাতে সাহায্য করে। এটি স্থানীয় একটি প্রক্রিয়া। আর এর সাথেও বিল গেটসের কোনও সম্পর্ক নেই। তাই অযথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো খবরে বিশ্বাস করবেন না।

  • মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিয়ে কমতে চলেছে জীবনদায়ী এই দুই ওষুধের দাম

    মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিয়ে কমতে চলেছে জীবনদায়ী এই দুই ওষুধের দাম

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এই মুদ্রাস্ফীতির বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হু হু করে বাড়ছে। সেখানে অনেকের কাছে ওষুধ কেনা বিশাল ব্যাপার। তবে আর চিন্তা নয়, কারণ বেশ কিছু ওষুধের দাম (Medicine Price) এক ধাক্কায় অনেকটাই কমতে চলেছে বলে খবর। ডেনমার্কের প্রথম সারির ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা নোভো নরডিস্কের ‘সেমাগ্লুটাইড’ নামক লবণের পেটেন্টের মেয়াদ এই সপ্তাহে শেষ হয়ে যাবে। আর পেটেন্ট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আগামী দিনে বহু ওষুধের দাম বিরাটভাবে কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    দাম কমবে জীবনদায়ী ওষুধের?

    সংস্থাটি এই লবণ ব্যবহার করে ওজন কমানোর ওষুধ ‘ওজেম্পিক’ এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ওষুধ ‘ভেগোভি’ তৈরি করে। পেটেন্টের কারণে, উভয় ওষুধের দামই খুব বেশি। তবে, পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর, অন্যান্য সংস্থাগুলি সেমাগ্লুটাইড ব্যবহার করে জেনেরিক ওজন কমানোর এবং ডায়াবেটিসের ওষুধ তৈরি করতে পারবে। এতে সাধারণ মানুষের জন্য ওষুধ আরও সহজলভ্য হবে বলে খবর।

    বর্তমানে, নোভো নরডিস্কের ওজন কমানোর ওষুধ ওজেম্পিকের মাসিক খরচ প্রায় ৮,০০০ থেকে ১১,০০০ টাকা। ডায়াবেটিসের ওষুধ ভেগাভির মাসিক খরচ ১৬,৪০০ টাকা পর্যন্ত। এই দামের জেরে ওষুধ কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠে যায় আমজনতার। যদিও এখন ওষুধ বাজার বিশেষজ্ঞরা পূর্বাভাস দিচ্ছেন যে জেনেরিক ওষুধ প্রায় ৬০% সস্তা হবে। প্রাথমিকভাবে, জেনেরিক ওষুধের মাসিক খরচ ৩,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকার মধ্যে হতে পারে। কিন্তু যে হারে ওষুধ কোম্পানিগুলির মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ছে সেখানে এই দাম আরও কমে ১,৫০০ থেকে ২,৫০০ টাকায় নেমে আসতে পারে বলে খবর।

    উপকৃত হবেন সাধারণ মানুষ

    এক রিপোর্ট অনুযায়ী, চিনের পর ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যায় ভারত দ্বিতীয় স্থানে। ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতে ৪৪ কোটিরও বেশি মানুষ আরও মোটা হতে পারেন বলে আশঙ্কা। ওষুধ কোম্পানিগুলোর অনুমান অনুযায়ী, ভারতের স্থূলতা-বিরোধী ওষুধের বাজার বর্তমানে প্রায় ১৫ বিলিয়ন রুপি থেকে বেড়ে ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০ বিলিয়ন রুপিতে পৌঁছাতে পারে। সাশ্রয়ী মূল্যের ওষুধ সহজলভ্য হওয়ায়, এখন নিম্ন ও মধ্য-আয়ের রোগীরাও বৈজ্ঞানিকভাবে তৈরি ওজন কমানোর চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারবেন। এই উদ্যোগটি ভারতের জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • পেট্রোলের পর এবার দাম বাড়ল ডিজেলের! জানুন নতুন রেট

    পেট্রোলের পর এবার দাম বাড়ল ডিজেলের! জানুন নতুন রেট

    সহেলি মিত্র, নয়াদিল্লিঃ পেট্রোলের পর এবার দাম বাড়ল ডিজেলের (Diesel Price)। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। একদিকে যখন এলপিজি নিয়ে সমগ্র দেশে হাহাকার পড়ে গিয়েছে, অন্যদিকে গাড়ি ভাড়া থেকে শুরু করে অটো ভাড়া বাড়ছে, তখন এবার গোঁদের ওপর বিষফোঁড়া হল ডিজেলও। এবার আরও দাম দিয়ে সকলকে ডিজেল কিনতে হবে। কত টাকা বাড়ল? কবে থেকে নতুন দাম লাগু হবে? চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    দাম বাড়ল ডিজেলের!

    জানা গিয়েছে, এবার লিটার প্রতি ডিজেলের দাম বাড়ল ২২.০৩ টাকা। তবে এখানে চমক রয়েছে। সাধারণ ডিজেলের দাম কিন্তু বৃদ্ধি পায়নি। মূলত শিল্পক্ষেত্রে যে ডিজেল (Industrial Diesel) ব্যবহার করা হয় সেটার দাম বেড়েছে। সরকার জানিয়েছে, শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম এখন লিটার প্রতি ২২.০৩ টাকা বেড়েছে। দাম লিটার প্রতি ৮৭.৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০৯.৫৯ টাকা করা হয়েছে। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (আইওসি) শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ৮৭.৬৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০৯.৫৯ টাকা করেছে।

    এদিকে শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ২২ টাকা বৃদ্ধির ফলে শিল্প, পরিবহন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ প্রভাবিত হবে। অর্থাৎ আগামী দিনে আরও চাপ বাড়তে চলেছে সাধারণ মানুষের ওপর। যদিও শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেল সাধারণ যানবাহনে ব্যবহৃত না হলেও চাপ থাকবেই। ভাবছেন আপনার জীবনে এর প্রভাব পড়বে না? সেগুরে বালি। মূল্যবৃদ্ধি দৈনন্দিন জীবনে অবশ্যই প্রভাব ফেলবে। এতে কোম্পানিগুলোর খরচ বাড়বে এবং পরবর্তীকালে এই বোঝা সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বর্তাতে পারে।

    শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেল কী?

    এখন আপনিও নিশ্চয়ই ভাবছেন, এটা আবার কেমন ধরণের ডিজেল? তাহলে জানিয়ে রাখি, শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেল সাধারণ যানবাহনে ব্যবহার করা হয় না। বরং কারখানা ও শিল্পকারখানায় শিল্প কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি শিল্প বা বাল্ক ডিজেল হিসাবে বিক্রি করা হয়। এই ডিজেলে কোনো ভর্তুকি দেওয়া হয় না। শিল্প ডিজেল কারখানা, শপিং মল, ডেটা সেন্টার এবং বড় বড় বাড়িতে ব্যবহৃত হয়, যেগুলো বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় বড় জেনারেটরের সাহায্যে চলে। শিল্প ডিজেল জেসিবি, বুলডোজার এবং অবকাঠামো প্রকল্পে ব্যবহৃত ভারী যন্ত্রপাতিতে ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য, তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলোও স্পিড এবং পাওয়ারের মতো প্রিমিয়াম পেট্রোল ভ্যারিয়েন্টের দাম লিটার প্রতি ২.০৯ টাকা বাড়িয়েছে।

  • সঞ্চার সাথীর পর এবার এই অ্যাপ স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক করছে কেন্দ্র!

    সঞ্চার সাথীর পর এবার এই অ্যাপ স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক করছে কেন্দ্র!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সঞ্চার সাথীর পর এবার এক বিশেষ অ্যাপ (Mobile App) প্রত্যেকের স্মার্টফোনে ইনস্টল করা বাধ্যতামূলক করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government)। আর তা নিয়েই এবার বেঁকে বসেছে বেশ কিছু মোবাইল সংস্থা। নরেন্দ্র মোদি সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ঘোর বিরোধিতা করছেন তারা। সংস্থাগুলি চাইছে, দ্বিতীয় কোনও সরকারি অ্যাপ যেন নতুন করে স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক না করা হয়।

    কোন অ্যাপ স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলক করতে চায় বিজেপি সরকার?

    সংবাদ সংস্থা রয়টার্স দাবি করেছে, গত জানুয়ারিতেই প্রত্যেকটি মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাকে স্মার্টফোনে mAdhar আধার বা মাই আধার অ্যাপটি প্রি ইনস্টল করে দিতে বলা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি সরকার খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের স্বার্থে এই অ্যাপ মোবাইলে রাখতেই হবে। এই আধার অ্যাপ দিয়ে ভারতের যেকোনও নাগরিক তাদের মোবাইল নম্বর থেকে শুরু করে নাম, অভিভাবকের নাম এমনকি ঠিকানা সংশোধন কিংবা বদল করতে পারবেন।

    মূলত সাধারণ মানুষের মুখের দিকে চেয়ে এই নতুন আধার অ্যাপটিকে প্রতিটি স্মার্টফোনে প্রি ইনস্টল করে দেওয়ার জন্য মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা গুলির কাছে আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্র। তবে কিছু সংস্থা কেন্দ্রকে সাহায্য করতে চাইলেও অ্যাপেল, স্যামসাংয়ের মতো সংখ্যাগুলি কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে সায় দেয়নি। এমন বক্তব্যের স্বপক্ষে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির দাবি, mAdhar আধার অ্যাপটিকে স্মার্টফোনে প্রি ইনস্টল করতে হলে ভারতের বাজারে বিক্রি হওয়া মোবাইলগুলির জন্য আলাদা করে প্রোডাকশন লাইন তৈরি করতে হবে। এর জন্য সংস্থাগুলির আলাদা করে অনেকটাই খরচ পড়ে যাবে। ফলে সরকারের এমন পদক্ষেপের বিরোধিতা করছে তারা। এখন দেখার এমন সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত কার্যকর হয় কিনা।

    অবশ্যই পড়ুন:   “অজিঙ্কা রাহানেকে ফের অধিনায়ক করে বড় ভুল করে ফেলল KKR”

     

    উল্লেখ্য, এর আগে সঞ্চার সাথি নামক অ্যাপটি মোবাইল ফোনে ইন্সটল করা বাধ্যতামূলক করেছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই সময় অবশ্য গোপনীয়তা অধিকার লঙ্ঘন করার অভিযোগ তুলে আপত্তি জানিয়েছিল মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। সেই বিতর্ক আজ পর্যন্ত কাটেনি।

  • ট্রেনের খাবার কতটা সতেজ জানতে পারবেন স্ক্যান করেই, QR কোড সিস্টেম চালু করল রেল

    ট্রেনের খাবার কতটা সতেজ জানতে পারবেন স্ক্যান করেই, QR কোড সিস্টেম চালু করল রেল

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বড় পদক্ষেপ নিল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। ট্রেনে যাত্রীদের খাবারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবার খাবারের প্যাকেটে QR কোড সিস্টেম (Rail QR Code System) চালু করল রেলওয়ে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা PIB এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রেনে খাবারের গুণমান, স্বাস্থ্যবিধি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার দিকে কড়া নজর রাখার পাশাপাশি রেলের তরফে অনুমোদিত বিক্রেতা এবং কর্মীরাই অন বোর্ড ক্যাটারিং পরিষেবার সাথে যুক্ত রয়েছে কিনা তা যাচাই করতেই এই বিশেষ QR কোড সিস্টেম চালু করেছে রেল।

    এক QR কোডেই থাকবে সমস্ত তথ্য

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রেনে অন বোর্ড ক্যাটারিং পরিষেবা পরিচালনার জন্য মোতায়েন করা সমস্ত অনুমোদিত ক্যাটারিং বিক্রেতা, সহকারি এবং কর্মীদের জন্য QR কোড সক্ষম পরিচয় পত্র প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ট্রেনে অন বোর্ড ক্যাটারিং এর তরফে যে খাবার দেওয়া হবে সেই খাবারের প্যাকেটে থাকা ছোট্ট QR কোড স্ক্যান করে যাত্রীরা জেনে নিতে পারবেন বিক্রেতা বা কর্মীর নাম, তাঁর আধার নম্বর, তাঁর মেডিকেল ফিটনেস সহ অন্যান্য একাধিক তথ্য।

    শুধু তাই নয়, ওই এক QR কোড স্ক্যান করেই জানা যাবে খাবারটি কোথায় রান্না করা হয়েছে, খাবার তৈরির তারিখ সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। রেল বলছে, আসলে খাবারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং অনুমতি দেওয়া হয়নি এমন বিক্রেতা যাতে ট্রেনে যাত্রীদের খাবার দিতে না পারে সে জন্যেই এই বিশেষ QR কোড সিস্টেম চালু করা হয়েছে। তাছাড়াও এই QR কোড ব্যবস্থা চালু করার অন্যতম কারণ ট্রেনে খাওয়ার সরবরাহের সময় যদি খাওয়ারে কোনও খারাপ কিছু পাওয়া যায় কিংবা খাওয়ার বাসি হয় সে ক্ষেত্রে যাত্রী খাবারের প্যাকেটে থাকা QR কোড স্ক্যান করে নির্দিষ্ট বিক্রেতা বা কর্মীর বিরুদ্ধে রেলের কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

    অবশ্যই পড়ুন: অবশেষে দূর হল চিন্তা, KKR-র জন্য চরম সুখবর

    আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল রেল

    বিশেষ QR কোড সিস্টেম চালু করার পাশাপাশি ট্রেনে খাবারের মান এবং স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে প্যান্ট্রি কার এবং বেস কিচেনগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতিটি রান্নাঘরে চলছে পর্যবেক্ষণ। এর আগে রেলমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, খাবারের মানোন্নয়নের জন্য যাতে ব্র্যান্ডেড চাল, আটা, ডাল থেকে শুরু করে মশলাপাতি ও অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। এছাড়াও রেলের তরফে ক্যাটারিং ইউনিট গুলোর জন্য FSSAI সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সাথে নিয়মিত খাদ্য নমুনা সহ অডিট ও অন্যান্য বিভাগে পরিদর্শন করবে রেল। সেই সাথে গ্রাহকরা কতটা সন্তুষ্ট হলো এবং ক্যাটারিং কর্মীরা নিয়মিত ঠিকঠাক কাজ করছেন কিনা সেদিকেও কড়া নজর রাখা হবে।

  • ভাগবত কথা শুনতে খরচ ১ লাখ, পুজো দিলে ৫১ হাজার! বদ্রিনাথ-কেদারনাথে যাওয়ার আগে দেখুন

    ভাগবত কথা শুনতে খরচ ১ লাখ, পুজো দিলে ৫১ হাজার! বদ্রিনাথ-কেদারনাথে যাওয়ার আগে দেখুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: হিন্দু ধর্মের পবিত্র গঙ্গোত্রী, যমুনেত্রী, কেদারনাথ (Kedarnath) এবং বদ্রিনাথ অর্থাৎ চারধাম যাত্রার (Char Dham Yatra) রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। সরকারের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী 19 এপ্রিল অর্থাৎ অক্ষয় তৃতীয়ার দিন থেকেই শুরু হবে চারধাম যাত্রা। প্রথম দিন খুলবে গঙ্গোত্রী এবং যমুনেত্রী মন্দিরের দরজা। এরপর 22 এপ্রিল কেদারনাথ মন্দির এবং 23 তারিখ বদ্রিনাথের দরজা ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তার আগে উত্তরাখন্ড সরকারের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, চারধাম যাত্রায় অংশ নিতে গেলে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। সেই নির্দেশিকার পর এবার কেদারনাথ ও বদ্রিনাথ ধামে ভক্তদের পুজো-আরতির জন্য নির্ধারিত ফি বাড়িয়ে দিল মন্দির কর্তৃপক্ষ।

    বদ্রিনাথ ও কেদারনাথ ধামে পুজো করতে হলে গুনতে হবে মোটা টাকা

    চারধাম যাত্রা চলাকালীন প্রত্যেকটি ধামে অর্থাৎ মন্দিরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে পূজার্চনা। এছাড়াও রয়েছে অভিষেক, ভোগ, অখন্ড জ্যোতি সহ অন্যান্য ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান। আর চার ধামের এই বিশেষ পুজো গুলিতে অংশ নিতে হলে ভক্তদের আগে থেকে বুকিং করাতে হয়। এজন্য জমা দিতে হয় নির্ধারিত ফি। এবার সেই খরচ অনেকটাই বাড়িয়ে দিল চারধাম মন্দির কমিটি। কর্তৃপক্ষের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মূলত গোটা সিস্টেমের উন্নতি এবং তীর্থযাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই বাড়ানো হয়েছে পুজোর ফি।

    মন্দির কমিটির তরফে নির্ধারিত ফি কাঠামো অনুযায়ী, এ বছর চারধাম যাত্রায় বদ্রীনাথ ধামের বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা পুজো যেমন, শ্রীমৎ ভগবত কথা, বেদ গীতা পাঠ, মহাভিষেক, অভিষেক এবং মন্দিরের আরতির জন্য এবার থেকে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে ভক্তদের। নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বদ্রিনাথ ধামে ভগবত কথা শোনার জন্য সর্বোচ্চ ফি 51 হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে 1 লাখ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে বেদ ও গীতা পাঠের শুনতে ফি দিতে হবে 3100 টাকা। আগে যা ছিল আড়াই হাজার।

    এখানেই শেষ নয়, বদ্রিনাথ ধামে ঈশ্বরের কপূর আরতি করতে হলে 3000 টাকা খরচ করতে হবে ভক্তদের। আগে এই টিকিটের মূল্য ছিল 1951 টাকা। তবে সিলভার আরতি করতে হলে গুনতে হবে 5,100 টাকা। এছাড়াও অভিষেকের জন্য এখন থেকে খরচ হবে 5,300 টাকা। অখন্ড জ্যোতির ফি 6000। তবে যদি কেউ সোনার আরতী করতে যান তার জন্য গুনতে হবে 6,100 টাকা। এর পাশাপাশি মন্দিরের ক্ষীর ভোগ, মহা ভোগ সহ অন্যান্য ভোগের খরচও বেড়েছে।

    অবশ্যই পড়ুন: ফের বেড়ে গেল অটোর LPG-র দাম, ভাড়া নিয়ে আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ

    এদিকে কেদারনাথ ধামে রুদ্রভিষেক, মহাভিষেক, রুদ্রভিশেকা, শিব সহস্রনাম এবং দিনব্যাপী উপাসনার মতো ছোটখাটো আচার অনুষ্ঠানের অঙ্গ হতেও অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হবে ভক্তদের। যদি কেউ কেদারনাথ এ গোটা দিনব্যাপী পূজা করতে চান তবে তার খরচ হবে 51 হাজার টাকা। এর আগে পূজোর সর্বোচ্চ ফি ছিল 28 হাজার 600। এছাড়াও অখন্ড জ্যোতি, কর্পূর আরতি, দৈনিক পুজোর ক্ষেত্রেও গুনতে হবে অতিরিক্ত খরচ। বিশেষ করে শিব সহস্র নামের জন্য দিতে হবে আড়াই হাজার টাকা। রুদ্রভিষেক করতে গেলে এখন থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা গুনতে হবে। তবে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, সাধারণ ভক্তরা আগের মতোই দর্শন করতে পারবেন বিনামূল্যে।

  • রেল নিরাপত্তায় বড় সাফল্য, ১৬,৩৯৮ কিমি ট্র্যাকের পাশে বসল বেড়া

    রেল নিরাপত্তায় বড় সাফল্য, ১৬,৩৯৮ কিমি ট্র্যাকের পাশে বসল বেড়া

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে বিরাট কাজ করে ফেলল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। এবার দীর্ঘ ১৬,৩৯৮ কিমি জুড়ে রেল যে কাজটি করেছে তা সকলকে চমকে দিয়েছে। ভারতীয় রেলের নতুন নিরাপত্তার উদ্যোগ হিসেবে দীর্ঘ ১৬,৩৯৮ কিমি জুড়ে বেড়া (Rail Line Fencing) লাগানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এতে করে একদিকে যেমন পশুদের সুরক্ষা হবে তেমনই ট্রেনও নির্ঝঞ্ঝাটে দ্রুত গতিতে ছুটতে সক্ষম হবে। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ১৬,৩৯৮ কিলোমিটার বেড়া বসাল রেল

    রেলের তরফে ১৬,৩৯৮ কিলোমিটারের বেড়ার দৈর্ঘ্য করা হয়েছে। রেলের মূল উদ্দেশ্য রেললাইনে অনধিকার প্রবেশ রোধ করা, দুর্ঘটনা হ্রাস করা এবং দ্রুতগতির ট্রেন চলাচলকে আরও নিরাপদ করা। রেল জানিয়েছে, লোনাভালা–পুনে–দৌন্দ রুটে কাজ চলছে, যার মধ্যে ১৫০ কিলোমিটার বেড়া দেওয়ার কাজ ইতিমধ্যে নাকি সম্পন্ন হয়েছে। সর্বাধিক যে যে জোনে রেল এই কাজ করেছে সেগুলি হল উত্তর মধ্য রেলওয়ে – ২,৭২১ কিমি, দক্ষিণ মধ্য রেলওয়ে – ২,৩২৬ কিমি, পশ্চিম রেল – ২,২৫৭ কিমি।

    রেল এরকম সিদ্ধান্ত কেন নিল?

    প্রশ্ন উঠছে, হঠাৎ রেল এরকম সিদ্ধান্ত কেন নিল? রেলের দাবি, ভারতের অনেক জায়গায় মানুষ শর্টকাট হিসেবে রেললাইন ব্যবহার করে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হলেও কিছু মানুষ সতর্কবাণী উপেক্ষা করে ঝুঁকি নিয়ে রেল লাইন অবাধে পারাপার করেন। অনেক সময়ে কপাল খুব খারাপ থাকলে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু অবধি হয়েছে। অন্যদিকে ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে চলাচলকারী ট্রেনের জন্য বেড়া একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিশেষ করে বন্যপ্রাণী সুরক্ষার ক্ষেত্রে এই বেড়া বসানো খুবই জরুরি হয়ে পড়েছিল। কিছু এলাকায় বেড়া দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো হাতি ও অন্যান্য প্রাণীদের পথগুলোতে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখা।

    এদিকে রেলের এই উদ্যোগ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে এই উদ্যোগটি প্রশংসনীয় হলেও, যাত্রীদের পক্ষ থেকে অভিযোগও সামনে আসছে। যেমন হাওড়া-ভুবনেশ্বর রুটে অনেক যাত্রীবাহী ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা ০% বলে জানা গেছে, শুধুমাত্র বন্দে ভারত এবং শতাব্দী ট্রেনই সময়মতো চলছে। যাত্রীদের অভিযোগ, ট্রেন নম্বর ১২০৭৩ এবং ১২৮২২ প্রায়ই ঘন ঘন দেরি করছে। যাইহোক, এসবের মধ্যেও রেলের তরফে বিশেষ লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় রেলের উদ্দেশ্য হলো আগামী বছরগুলিতে সমস্ত প্রধান করিডোরে বেড়া দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করা। ২০২৭ অর্থবর্ষের মধ্যে ৭,৯০০ কিলোমিটার ট্র্যাক নবায়নের লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ট্রেন চলাচলকে আরও দ্রুততর ও নিরাপদ করে তুলবে।

  • গভীর সঙ্কটে HDFC ব্যাঙ্ক? এবার মুখ খুলল RBI

    গভীর সঙ্কটে HDFC ব্যাঙ্ক? এবার মুখ খুলল RBI

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনারও কি এইচডিএফসি ব্যাঙ্কে (HDFC Bank) অ্যাকাউন্ট আছে? তাহলে আপনার জন্য রইল জরুরি খবর। এবার কি তাহলে নতুন সঙ্কটে ভারতের অন্যতম এই বড় ব্যাঙ্কটি? বুধবার গভীর রাতে চেয়ারম্যান অতনু চক্রবর্তীর আকস্মিক পদত্যাগের পর ব্যাঙ্কটি একটি গুরুতর সংকটের সম্মুখীন হয়েছিল বলে খবর। এদিকে ময়দানে নামে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (Reserve Bank of India)।

    সঙ্কটে HDFC ব্যাঙ্ক?

    বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যে আরবিআই স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে HDFC ব্যাঙ্কে কোনো পরিচালনগত বা আচরণগত সমস্যা নেই। প্রাক্তন আমলা অতনু চক্রবর্তী, গত দুই বছরে ব্যাংকের অভ্যন্তরে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা ও আচরণের কথা উল্লেখ করে অবিলম্বে পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেছেন যে এই ঘটনা ও আচরণ তাঁর ব্যক্তিগত “মূল্যবোধ ও নৈতিকতার” সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না। আরবিআই এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “আমাদের পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে, ব্যাংকটির কার্যকলাপ বা কার্যক্রম নিয়ে কোনো উদ্বেগের কারণ নেই।” অর্থাৎ অতনু চক্রবর্তীর দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়েছে আরবিআই।

    কী বলছে RBI?

    আরবিআই জানিয়েছে যে, HDFC ব্যাংক একটি শক্তিশালী আর্থিক অবস্থান এবং পেশাগতভাবে পরিচালিত পরিচালনা সহ দেশের অভ্যন্তরে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক (ডি-এসআইবি)। আরবিআই আরও জানিয়েছে যে, ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা দলও দক্ষ। ব্যাঙ্কটি ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে পরিচালনা পর্ষদ এবং ব্যবস্থাপনার সাথে আলোচনা চালিয়ে যাবে। বাজার মূলধনের দিক থেকে HDFC ব্যাংক শুধুমাত্র রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ তাণ্ডব চালাবে শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের ৯ জেলায় সতর্কতা জারি, আজকের আবহাওয়া

    এদিকে অতনু চক্রবর্তীর পদত্যাগের পর, দুইজন ডেপুটি গভর্নরসহ এইচডিএফসি ব্যাংকের চারজন বোর্ড সদস্য আরবিআই কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের বোর্ড সদস্য কেকি মিস্ত্রিকে অন্তর্বর্তীকালীন খণ্ডকালীন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগের অনুরোধ জানান। আরবিআই অবিলম্বে প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে বলে খবর।