Category: ভারত

  • রাশিয়ার কাছ থেকে আরও ৫টি S-400 কেনার পথে ভারত

    রাশিয়ার কাছ থেকে আরও ৫টি S-400 কেনার পথে ভারত

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্য সহ গোটা বিশ্বে যেভাবে অস্থিরতা বাড়ছে তাতে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য যুদ্ধের কথা মাথায় রেখেই নিজেদের আখের গুছিয়ে নেওয়া ভাল। সেই পথেই হাঁটছে ভারত। অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতের যুদ্ধের বর্ম হয়েছিল রাশিয়ার তরফে পাওয়া S-400 বা সুদর্শন চক্র (S-400 Missile System)। এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জোরেই পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান থেকে শুরু করে ড্রোন এমনকি ভয়ংকর সব মিসাইল বাতাসেই নিকেশ করেছিল নয়া দিল্লি। এবার সেই সাফল্যকে সামনে রেখে বন্ধু দেশের কাছ থেকে আরও 5টি নতুন S-400 কেনার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র।

    বায়ুসেনার শক্তি হবে দ্বিগুণ

    গত বছরের মে মাসে পাকিস্তানের একটি ক্রুজ মিসাইল বা ড্রোনকেও ভারতের মাটি স্পর্শ করতে দেয়নি রাশিয়ার S-400। ভেনিজুয়েলাতেও একইভাবে খেল দেখিয়েছে এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এক কথায়, শত্রুকে টাইট দিতে মস্কোর এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার থেকে বড় অস্ত্র আর কিছুই হতে পারে না। তাইতো অপারেশন সিঁদুরে পাওয়া সাফল্যকে মাথায় নিয়েই নতুন করে রাশিয়ার কাছ থেকে আরও 5টি সুদর্শন চক্র কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে নয়া দিল্লি।

    ANI এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তি দ্বিগুণ করতে ইতিমধ্যেই রাশিয়ার সাথে সুদর্শন চক্র নিয়ে কয়েক দফা আলোচনা হয়ে গিয়েছে নয়া দিল্লির। শোনা যাচ্ছে, সব ঠিক থাকলে খুব শীঘ্রই বন্ধু দেশের তরফে 5টি S-400 এয়ার ডিফেন্স স্কোয়াড্রন কেনার চুক্তি পাকা করে ফেলবে ভারত।

    শোনা যাচ্ছে, শত্রুর বিধ্বংসী ড্রোন থেকে শুরু করে অন্যান্য ক্রুজ মিসাইল গুলিকে আকাশে ধ্বংস করতে রাশিয়ার তরফে নতুন 5টি সুদর্শন চক্র ভারতের পূর্ব চিন সীমান্ত এবং পশ্চিমে অর্থাৎ পাকিস্তান সীমান্তের উভয়দিকেই মোতায়েন করা হতে পারে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, দুপাশে দুই শত্রুকে মোক্ষম জবাব দিতে রাশিয়ার এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভারতের জন্য ম্যাজিক ম্যানের থেকে কিছু কম নয়।

    অবশ্যই পড়ুন: ভারতকে সেমিফাইনালে তুলে এবার শাস্তি পেতে পারেন সঞ্জু স্যামসন

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিনের বন্ধু রাশিয়ার সাথে 2018 সালের চুক্তি অনুযায়ী ইতিমধ্যেই 5টি সুদর্শন চক্রের তিনটি হাতে পেয়ে গিয়েছে ভারত। বাকি দুটিও খুব শীঘ্রই পাঠিয়ে দেবে মস্কো। এই আবহে আরও 5টি সুদর্শন চক্র S-400 কিনতে মরিয়া নয়া দিল্লি। আর এই খবর যে নতুন করে শত্রুপক্ষের চিন্তা বাড়াবে সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

  • যুদ্ধ আবহে আরব দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের নিরাপদে দেশে ফেরাতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    যুদ্ধ আবহে আরব দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের নিরাপদে দেশে ফেরাতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য। ইরানের মরণ কামড়রের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে আরব দেশগুলিও। ইতিমধ্যেই আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কাতার, কুয়েত, দোহা সহ একাধিক দেশে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে জোরালো হামলা চালিয়েছে ইরান। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর তার দেশের রোষানলে পড়েছে UAE র জনপ্রিয় শহর দুবাইও। সব মিলিয়ে, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের আক্রমণ এবং ইরানের পালটা আক্রমণে অস্থিরতা ক্রমশ বাড়ছে আরব দেশগুলিতে। এবার সেদিকে কড়া নজর রেখেই বিভিন্ন গল্ফ কান্ট্রিতে আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ পদক্ষেপ করল নয়া দিল্লি (India Special Rescue Flights)।

    ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে তৎপর কেন্দ্র

    দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আরব দুনিয়ায় চরম সংঘাতের পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়। সেই বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়, মঙ্গলবার অর্থাৎ 3 মার্চ জেদ্দা থেকে ভারতের বিভিন্ন শহরে মোট 10টি বিমান চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই বিমান গুলি আরব দেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনবে।

    রিপোর্ট বলছে, ইতিমধ্যেই ভারতের তরফে জেদ্দার সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে আকাশ পথ সুস্থ থাকলে এবং যাবতীয় প্রয়োজনীয় অনুমতি মিললে ভারতের বিশেষ বিমান গুলি জেদ্দা থেকে ভারতীয়দের উদ্ধার করে ভারতে নিয়ে আসবে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি জানিয়েছেন, “আরব দেশ থেকে ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে তৎপর কেন্দ্র। আমরা সব রকম ভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি।”

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায়, “আরব দেশগুলিতে যেখানেই ভারতীয়রা বিপদে রয়েছেন সেখান থেকে নিরাপদে তাদের ফিরিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভারত সরকার। এর আগে আমরা ইউক্রেন থেকেও আমাদের দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে এনেছিলাম। ভারতীয়দের সুরক্ষা আমাদের কাছে প্রথম অগ্রাধিকার।”

    অবশ্যই পড়ুন: সেমিফাইনালের আগেই ভারতীয় দল ছাড়লেন সূর্যকুমার, হার্দিক পান্ডিয়া এবং শিবম দুবে? বড় খবর!

    প্রসঙ্গত, গত রবিবার রাতে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতি দেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বৈঠক ডাকা হয়। সেখানেই গল্ফ কান্ট্রিতে আটকে থাকা ভারতীয়দের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সাথে দ্রুত কীভাবে তাদের বিপদ থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা যায় তা নিয়েও হয় জোরালো আলোচনা। আর তারপরেই জেদ্দা থেকে ভারতের বিভিন্ন শহর মিলিয়ে বিশেষ বিমান পরিষেবা চালু করল নরেন্দ্র মোদি সরকার। আশা করা হচ্ছে, এই বিমানগুলিই নিরাপদে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে পারবে।

  • ইরানে হামলার পিছনে ইজরায়েলের সাথে হাত আছে মোদীর? জানালেন দেশটির রাষ্ট্রদূত

    ইরানে হামলার পিছনে ইজরায়েলের সাথে হাত আছে মোদীর? জানালেন দেশটির রাষ্ট্রদূত

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে এখন চলছে যুদ্ধ। তবে তারই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) ইজরায়েল সফর নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন। আর ঠিক তা দু’দিন পর অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের উপর সামরিক হামলা চালায়। এমনকি ১ মার্চ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে নিকেশ করে দেয়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, সফর চলাকালীন কি তাহলে হামলার বিষয়ে কিছু জানানো হয়েছিল? প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর এর পিছনে হাত রয়েছে?

    সফরের সময় নেওয়া হয়নি কোনও সিদ্ধান্ত

    এদিন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রুভেন আজার স্পষ্ট ভাষায় এই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী ইজরায়েল থাকাকালীন হামলার কোনও রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তাঁর কথায়, অপারেশন অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালবেলা। ততক্ষণে প্রধানমন্ত্রী সফর শেষ করে দেশে ফিরে গিয়েছেন। এমনকি তিনি আরও জানিয়েছেন, হামলার পর ইজরায়েলের বিধানমন্ত্রী ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়সঙ্করের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন আর পরিস্থিতির ব্যাখ্যাও করেন।

    বলে রাখি, গত এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার ইরানের উপর ইজরায়েল হামলা চালিয়েছে। ইজরায়েলের দাবি, এটি ছিল প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক। অর্থাৎ সম্ভাব্য কোনও বড় হুমকি ঠেকাতে আগাম পদক্ষেপ। আর রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য অনুযায়ী, ইজরায়েলের প্রধান উদ্বেগ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ব্যালিস্টিক মিসাইলের সক্ষমতা। তাঁর অভিযোগ, ইরান দীর্ঘদিন ধরেই সামরিক উদ্দেশ্যে পারমাণবিক প্রযুক্তি উন্নয়নের চেষ্টা করে আসছে। আর আঞ্চলিক বিভিন্ন গোষ্ঠীকে অর্থ এবং অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছে। ভাই ইজরায়েল নিরাপত্তাজনিত কারণেই সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

    আরও পড়ুন: রাত হতেই বদলে যায় রেলের এই নিয়মগুলো! ট্রেনে ওঠার আগে জানুন, নাহলেই বিপদ

    এদিকে ইরানে সরকার পরিবর্তন হবে কিনা সে বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও রাষ্ট্রদূত স্পষ্ট বলেছেন যে, আমরা জানি না শাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আদৌ হবে কিনা। কিন্তু ইরানের জনগণ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই ঠিক করবে। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব নিজের দেশেই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ বাড়ছে।

  • মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মাঝে তেলের সঙ্কট এড়াতে বিরাট প্ল্যান ভারতের!

    মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মাঝে তেলের সঙ্কট এড়াতে বিরাট প্ল্যান ভারতের!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা ক্রমশ বাড়ছে। ইজরায়েল এবং আমেরিকার যৌথ হামলার পর সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে ক্ষেপে গিয়েছে ইরান। আর তারপরেই মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে আমেরিকার একের পর এক সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করছে তারা। আর এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে গোটা বিশ্বে লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম। ইতিমধ্যেই ব্যারেল প্রতি 13 শতাংশ দাম বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের। গত ফেব্রুয়ারিতে যেই দাম ব্যারেল প্রতি 65 থেকে 67 ছিল তাই ইতিমধ্যেই 82 ডলার ছুঁয়ে ফেলেছে। আশঙ্কা আগামীতে এই তেলের দাম আরও বাড়বে। কারণ বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত এখনই থামার নয়। ঠিক সেই আবহে দেশে তেলের যোগান অব্যাহত রাখতে নতুন পরিকল্পনা ফাঁদছে ভারত (India On Oil Price)।

    হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে হুঙ্কার ইরানের

    যুদ্ধ আবহে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। শুধু তাই নয়, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ বন্ধ করার পাশাপাশি ইরান একেবারে হুঁশিযারি দিয়ে বলেছে যদি কেউ এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তাহলে জাহাজে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হবে। বলাই বাহুল্য, গোটা বিশ্বে তেলের বাণিজ্যের অন্তত 20 শতাংশ হয়ে থাকে স্ট্রেট অফ হরমুজ প্রণালী হয়ে। অন্যদিকে বিশ্বের তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বাণিজ্যের প্রায় এক তৃতীয়াংশ হয় এই স্ট্রেট অফ হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বাড়লে সবার প্রথমে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এই জলপথ। আর এই পথ থেকে তেল যাতায়াত না করতে পারলে গোটা বিশ্বের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম যে বাড়বে সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    বিকল্প ভেবে রেখেছে ভারত

    এই মুহূর্তে যা অবস্থা তাতে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এখনই কমছে না। আর সেটা না হলে হরমুজ প্রণালী খুলবে না ইরান। অনির্দিষ্টকালের জন্য এই জলপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ধীরে ধীরে তেলের দাম আকাশ ছোঁয়া হবে, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের দাবি, এই সংঘাতের পরিস্থিতিতে অপরিশোধিত জ্বালানির দাম গোটা বিশ্বে পৌঁছে যেতে পারে ব্যারেল প্রতি 100 ডলার বা তারও বেশি অর্থে। এমনটা হলে পেট্রোলিয়ামের দামও অন্তত 40 শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। যার ধাক্কা দিয়ে পড়বে সরাসরি পেট্রোল এবং ডিজেলের দামে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে যে পেট্রোলের দাম 100 থেকে 105 টাকা, আগামী দিনে সেটারই দাম হয়ে দাঁড়াতে পারে 140 থেকে 145 টাকা।

    মধ্যপ্রাচ্যের চরম অস্থিরতার মধ্যে তেলের দামের ব্যাপক বৃদ্ধির আঁচ যাতে ভারতবাসীর পকেটে না পড়ে সেজন্যই নাকি নতুন পরিকল্পনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন তেল কোম্পানি গুলির সাথে আলোচনা শুরু হয়েছে সরকারের। কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে পেট্রোল, ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করা, রাশিয়া থেকে ফের অপরিশোধিত তেল আমদানি বাড়ানো সহ অন্য কোনও বিকল্প দেশ থেকে তেল কেনা যায় কিনা সেই সব দিকে নিয়ে বৈঠক চলছে সরকারি আধিকারিকদের।

    অবশ্যই পড়ুন: সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ডোবাতে পারেন ভারতের এই ৬ প্লেয়ার

    তবে, রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমানোর কারণে ভারতের উপর থেকে শুল্ক কমিয়েছে আমেরিকা। শুধু তাই নয়, বাণিজ্য চুক্তিতেও সম্মত হয়েছে দুই দেশ। এমতাবস্থায়, ভারত যদি ফের রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বাড়ায় সেক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতিগতি কোন দিকে গিয়ে ঠেকবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয়ে রয়েছেন অনেকে। বিশ্লেষক মহলের অনেকেই বলছেন, ভারত রাশিয়া থেকে তেলে আমদানি বাড়িয়ে দিলে ফের শুল্ক বাড়াতে পারে আমেরিকা। যদিও নয়া দিল্লি চিরকালই বলে এসেছে, জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার্থে যেখান থেকে তেল কিনতে হয় কিনবে ভারত।

  • আধার আপডেট না করলে বন্ধ হবে SBI YONO? বড় সতর্কতা PIB-র

    আধার আপডেট না করলে বন্ধ হবে SBI YONO? বড় সতর্কতা PIB-র

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের মধ্যে অন্যতম হল আধার কার্ড। জন্ম থেকে মৃত্যু- এখন সব জায়গাতেই প্রয়োজন আধার কার্ডের, তাই এটি নির্ভুল রাখা ভীষণ জরুরি। কারণ এই পরিচয়পত্র ছাড়া কোনও অফিসিয়াল কাজই করা হয় না। তাই আধার কার্ড সবসময় আপডেট রাখা জরুরি, কারণ সেখানে ভুল থাকলে একাধিক কাজ আটকে পরে। কিন্তু তাই বলে আধার আপডেট না হলে কি SBI YONO অ্যাপটি (SBI YONO App)বন্ধ হয়ে যাবে? চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।

    বিভ্রান্তি দূর করতে বড় পদক্ষেপ PIB-র

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি তথ্য বেশ ঘোরপাক খাচ্ছে সকলের মোবাইল স্ক্রিনে। আর সেখানে বলা হচ্ছে আধার আপডেট না করা হলে নাকি SBI এর নিজস্ব YONO অ্যাপটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে। আর এই তথ্য ছড়িয়ে পড়তেই রীতিমত দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গ্রাহকরা। তবে চিন্তার কিছু নেই, কারণ PIB এই ধরনের বার্তাগুলিকে রটনা এবং ভুয়ো বলে ঘোষণা করেছে। আসলে এটি সাইবার অপরাধীদের দ্বারা প্রতারণার একটি নতুন পদ্ধতি। আধার আপডেটের এই বার্তার মাধ্যমে প্রতারকরা গ্রাহকদের ফোনে APK ফাইল ডাউনলোড করতে বলে। আর সেটি যদি বিশ্বাস করে কোনো গ্রাহক ডাউনলোড করে তাহলে সমস্ত অ্যাক্সেস পেয়ে যাবে প্রতারক, এবং মুহূর্তের মধ্যেই অ্যাকাউন্ট খালি হয়ে যাবে। তাই সকলকে এই তথ্য নিয়ে চিন্তিত হতে মানা করা হয়েছে।

    KYC আপডেট করা জরুরি

    আধার কর্তৃপক্ষ বা UIDAI এর তরফে আগেই বলা হয়েছিল যে, ১০ বছর পর পর আধার তথ্য আপডেট করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু কখনোই বলা হয়নি যে আধার আপডেট না করলে YONO অ্যাপ বন্ধ হবে, তাই গ্রাহকদের এই ব্যাপারে নিশ্চিন্তে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। অন্যদিকে KYC নিয়েও বড় আপডেট দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে KYC আপডেট করা না হয়ে থাকে, তাহলে ব্যাংকিং পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ হতে পারে। সেক্ষেত্রে সরাসরি শাখায় যোগাযোগ করা উচিত বলে জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রাত হতেই বদলে যায় রেলের এই নিয়মগুলো! ট্রেনে ওঠার আগে জানুন, নাহলেই বিপদ

    প্রসঙ্গত, আধার কার্ড আপডেটের জন্য পরিষেবা কেন্দ্রে যাওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু এখন বাড়িতে বসেই সেই কাজ করা যায় মাত্র এক ক্লিকেই। নাম, ঠিকানা পরিবর্তন করার পাশাপাশি আধার-প্যান লিঙ্ক এসব কিছুই করা যাবে অনলাইনের মাধ্যমে। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস করবেন না। কারণ ব্যক্তিগত তথ্যের মতো সংবেদনশীল বিবরণ গুলো চুরি হয়ে গেলে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হতে পারে গ্রাহকদের

  • রাত হতেই বদলে যায় রেলের এই নিয়মগুলো! ট্রেনে ওঠার আগে জানুন, নাহলেই বিপদ

    রাত হতেই বদলে যায় রেলের এই নিয়মগুলো! ট্রেনে ওঠার আগে জানুন, নাহলেই বিপদ

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দেশের পরিবহন ব্যবস্থার শিরদাঁড়া বলা চলে ভারতীয় রেলকে (Indian Railways)। প্রতিদিন এই রেল ব্যবস্থার হাত ধরেই লক্ষাধিক যাত্রী নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছন। এক কথায় সবচেয়ে কম খরচে দূরের গন্তব্যে পৌঁছনোর প্রধান মাধ্যম রেল। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে যাত্রী সুরক্ষাকে মাথায় রেখে একের পর এক নতুন নিয়ম চালু করেছে রেলওয়ে। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, বিশেষ করে রাতে ভারতীয় রেলের বেশ কিছু কঠোর নিয়ম রয়েছে। এইসব নিয়ম লঙ্ঘন করলে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে যাত্রীদের। আসলে যাত্রী সুবিধা এবং তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই বিশেষ নিয়মগুলি চালু করা হয়েছে।

    রেলের এই নিয়মগুলি না জানলে সমস্যায় পড়তে পারেন

    যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষাকে নিশ্চিত করতে ভারতীয় রেলের তরফে বিশেষ করে রাতের জন্য বেশ কিছু নিয়ম চালু করা হয়েছে। এগুলির মধ্যে তালিকার প্রথমেই রয়েছে রাত 10 টা থেকে সকাল 6টার বিশেষ নিয়ম। ভারতীয় রেল বলছে, এই সময়ের মধ্যে ট্রেনের কামড়ায় ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা যাত্রীদের টিকিট দেখানোর জন্য বিরক্ত করা যাবে না। এই নিয়মগুলি স্লিপার এবং এসি উভয় কোচের জন্যই প্রযোজ্য।

    তবে রেল বলছে, যদি কোনও যাত্রী 10টার পর ট্রেনে ওঠেন সে ক্ষেত্রে তার টিকিট পরীক্ষা করা যায়। এছাড়াও রেলের আর এক নিয়মে, যদি কোনও কর্মকর্তা বিনা কারণে যাত্রীদের একটানা হয়রানি বা বিরক্ত করতে থাকেন সেক্ষেত্রে 139 হেল্প লাইন নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন ওই সংশ্লিষ্ট যাত্রী। একই সাথে রাতে ট্রেনে শান্তি বজায় রাখার জন্য উঁচু গলায় বা উচ্চকণ্ঠে কথোপকথন একপ্রকার নিষিদ্ধ। শুধু তাই নয়, মোবাইল বা লাউডস্পিকারে গান চালিয়ে রাখার বিষয়টিও রেলের নিয়ম লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে।

    ট্রেন চলাকালীন যদি কোনও যাত্রী তার সহযাত্রীকে বিরক্ত করেন সেক্ষেত্রে অভিযোগ প্রমাণিত হলে রেল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে। রেলওয়ে আইন 1989 এর 145 ধারা অনুযায়ী শান্তি বিঘ্নিত করার অপরাধে সর্বোচ্চ 500 থেকে 1000 টাকা জরিমানা করা হতে পারে অভিযুক্তকে। রেলের নিয়মাবলির মধ্যে রয়েছে, রাত 10 টার পর কোচের মূল আলো বন্ধ করে দেওয়া। এই সময় মূলত নাইট লাইট বা ট্রেনের সীমিত আলোর বৈদ্যুতিক লাইট জালানো যেতে পারে। পাশাপাশি ট্রেনে গভীর রাতে খাবার পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়ে থাকে। পাশাপাশি অধিক রাতে ট্রেনের মধ্যে যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং ঘুম যাতে বিঘ্নিত না হয় সেজন্য ট্রেনের কর্মীরাও কামরার মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে সে অর্থে পারেন না।

    অবশ্যই পড়ুন: “পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত”, জানালেন খোদ পাক প্রেসিডেন্ট

    এখানেই শেষ নয়, রাতে ভারতীয় রেলের যেসব নিয়ম রয়েছে সেইসব নিয়মের তালিকায় রয়েছে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলী। রেল বলছে, ট্রেনে নিরাপত্তার কারণে রাত 11টা থেকে ভোর 5টা পর্যন্ত চার্জিং পয়েন্ট বন্ধ রাখতে হবে। রাতে যাতে ট্রেনের মধ্যে শর্ট সার্কিট এর মতো ঘটনা না ঘটে সেজন্যই এমন নির্দেশ। এছাড়াও রেলের নিয়ম অনুযায়ী, যে যাত্রী স্লিপার কোচে মিডিল বার্থ পেয়েছেন তিনি শুধুমাত্র রাত 10টা থেকে পরের দিন ভোর 6টা পর্যন্ত মিডিল বার্থ খুলে রাখতে পারবেন। এই সময় অন্য কোনও যাত্রী তাঁকে বাধা দিতে পারবেন না। তবে সকাল 6টার পর মিডিল বার্থ বন্ধ করে দিতে হবে।

  • “পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত”, জানালেন খোদ পাক প্রেসিডেন্ট

    “পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত”, জানালেন খোদ পাক প্রেসিডেন্ট

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধে জড়াতে পারে ভারত। এমনটাই বলছেন পশ্চিমের দেশের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি (Pak President On India)। সম্প্রতি পাকিস্তানের পার্লামেন্টে দেওয়া এক ভাষণে পাক প্রেসিডেন্ট খুব স্পষ্ট করে জানান, “পাকিস্তানের সাথে নতুন করে আরও একটি যুদ্ধের প্রস্তুতি সারছে ভারত। দুই দেশ যদি এখনই আলোচনায় না বসে তবে এই এলাকাকে রক্ষা করা যাবে না!” পাক প্রেসিডেন্টের এমন বক্তব্যের পরই কার্যত তোলপাড় হয়ে যাচ্ছে নেট জগৎ। এদিকে, পাক প্রেসিডেন্টের এমন বক্তব্যের পরই পাকিস্থানের বিরোধী দলগুলি ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।

    ভারত নিয়ে পাক প্রেসিডেন্টের বড় বক্তব্য

    গতকাল অর্থাৎ সোমবার, পাকিস্তানের পার্লামেন্টে ভাষণ দেওয়ার সময় হঠাৎ প্রেসিডেন্ট জারদারি বলে বসেন, “আমার একটাই বার্তা ভারত যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে আলোচনায় আসুক। কারণ আলোচনাই নিরাপত্তার একমাত্র উপায়। ভারতের নেতারা বলছেন, তারা আরও একটি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই অঞ্চলের শান্তির আজীবন সমর্থক হিসেবে আমি কখনই যুদ্ধের পক্ষে নই।”

    বলাই বাহুল্য, পাকিস্তানের নবম রাষ্ট্রপতি আসিফ। তিনিই এবার যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে ভারত প্রসঙ্গে বড় মন্তব্য করে বসলেন। সেই সাথে এদিন একপ্রকার মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এও বললেন পাকিস্তান নাকি ইতিমধ্যেই ভারত এবং আফগানিস্তান দুই দেশকেই তাদের ক্ষমতা দেখিয়েছে। যদিও সেটা পাকিস্তানের সামর্থ্যের ছোট্ট অংশ। একই সাথে এদিন পাকিস্তানের পারমাণবিক শক্তির কথাও স্মরণ করিয়ে দেন জারদারি।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ভারতকে সেমিফাইনালে তুলে এবার শাস্তি পেতে পারেন সঞ্জু স্যামসন

    উল্লেখ্য, পাকিস্তানের পার্লামেন্টে হঠাৎ প্রেসিডেন্ট জারদারির এমন বক্তব্যের পর তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ এবং গো জারদারি গো স্লোগান দিতে থাকেন বিরোধী দলের নেতারা। একই সাথে এদিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখান পিটিআইয়ের সমর্থকরা

     

    View this post on Instagram

     

  • সফল হল ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের ট্রায়াল রান, কবে গড়াবে চাকা?

    সফল হল ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের ট্রায়াল রান, কবে গড়াবে চাকা?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতীয় রেলের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়। হ্যাঁ, পরিবেশবান্ধব রেল যাত্রার লক্ষ্যে দেশের প্রথম হাইড্রোজেন চালিত ট্রেনের (Hydrogen Train) সফল সম্পন্ন হয়েছে হরিয়ানার জিন্দে। জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার সকালে নির্ধারিত সময়ে ট্রেনটি পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রা শুরু করেছিল এবং মসৃণভাবেই নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করে ফেরত এসেছে। আর এই উদ্যোগকে রেল আধিকারিকরা সবুজ প্রযুক্তির দিকে বিরাট পদক্ষেপ বলেই মনে করছেন।

    দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন

    জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার সকাল ৮:৩০ মিনিটে জিন্দ রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রায়াল শুরু হয়েছিল এই ট্রেনটির। আটটি কোচ নিয়ে ট্রেনটি ললিত খেরা স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। মাঝপথে নির্ধারিত জায়গায় ইউ-টার্ন নিয়ে আবারও জিন্দে ফিরে আসে ট্রেনটি। এমনকি এটি সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে ছোটে। আর প্রায় ২০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। গোটা সময় জুড়ে ট্রেনের গতি এবং যন্ত্রাংশের কার্যক্ষমতাও পর্যবেক্ষণ করেছে আধিকারিকরা, এবং সমস্ত কিছুতেই সফল হয় ট্রেনটি।

    পরীক্ষামূলক যাত্রায় দু’জন লোকো পাইলট এই ট্রেনটিকে পরিচালনা করেন। এছাড়াও রেল কর্মী এবং আরপিএফ জওয়ানরা ট্রেনের ভিতরে উপস্থিত ছিলেন বলে খবর। নিরাপত্তা, প্রযুক্তিগত কার্যকরিতা এবং সামগ্রিক পারফরমেন্স খতিয়ে দেখাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য। ফিল্ডে উপস্থিত রেল আধিকারিকদের কথায়, ট্রেনের চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আর স্থিতিশীল ছিল। কোথাও বড় ধরনের কোনও প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়নি।

    আরও পড়ুন: দোলের দিন দাম কমল সোনা, রুপোর! আজকের রেট

    সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, এই ট্রায়াল শুধুমাত্র প্রথম ধাপ। আগামী এক সপ্তাহ ধরে একইভাবে একাধিক পরীক্ষামূলক ভাবে যাত্রা হবে। ট্রেনটির গতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সিস্টেম আর ব্রেকিং সিস্টেম পরীক্ষা করা হবে। সবকিছু ঠিকঠাক ভাবে থাকলে শীঘ্রই ট্রেনটি নিয়মিত পরিষেবার জন্য চালু করা হতে পারে। এমনকি প্রাথমিকভাবে জিন্দ থেকে সোনিপত রুটে এই হাইড্রোজেন ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। রেল আধিকারিকরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের জ্বালানি সরবরাহের জন্য বিশেষ হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট জিন্দেই তৈরি করা হয়েছে। তাই জিন্দ এখন ভারতের হাইড্রোজেন রেল প্রকল্পের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

  • “কেউ আশা করবে না সূর্যকুমার..” সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির গলায় কেন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়কের নাম?

    “কেউ আশা করবে না সূর্যকুমার..” সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির গলায় কেন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়কের নাম?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: হঠাৎ সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের গলায় ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব, জসপ্রীত বুমরাহদের নাম (Cji Suryakant On Suryakumar Yadav)। সম্প্রতি এক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে একেবারে ক্রিকেটারদের প্রসঙ্গ টানেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। এদিন মূলত জুনিয়র আইনজীবী বা আইনের ছাত্রদের উদ্দেশ্য করেই প্রধান বিচারপতি বুঝিয়েছিলেন নির্দিষ্ট একটি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ হওয়াটা ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর বক্তব্য ছিল, সব ক্রিকেটার যেমন সব চরিত্রে মানানসই নয়, তেমনই আইনজীবীরাও এই পেশার প্রত্যেক ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ হতে পারে না।

    হঠাৎ সূর্যকুমারের নাম শোনা গেল প্রধান বিচারপতির গলায়

    Live Law এর রিপোর্ট অনুযায়ী, গত 28 ফেব্রুয়ারি, গুজরাত ন্যাশনাল ল ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি ভাষণ দেওয়ার সময় বলেন, সূর্যকুমার যাদবকে ডেথ ওভারের সময় বোলিং করানো হবে এমনটা কেউ আশা করে না। কেউ আশা করে না যে জসপ্রীত বুমরাহ টপ অর্ডারে ব্যাট করে রান তাড়া করবেন। একইভাবে আইনজীবীদের ক্ষেত্রেও নিজেদের শক্তিশালী জায়গাগুলিকে চিহ্নিত করতে হবে।

    এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বোঝাতে চেয়েছিলেন, সব পজিশনে সবাইকে মানায় না। আইনজীবীদের ক্ষেত্রেও সবাই সব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হতে পারেন না। তাই প্রত্যেকের উচিত নিজেরা যে ক্ষেত্রে বেশি পটু সেই ক্ষেত্রে বেশি করে কাজ করা। এদিন শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ইউনিভার্সিটির গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমার প্রিয় স্নাতকরা, আপনারা এই পেশায় কোথায় ফিট করেন সে সম্পর্কে নিজেদের প্রশ্ন করতে হবে। এই কাজটা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা এই পেশায় সবকিছু করার চেষ্টা করেন সব ভূমিকায় কাজ করতে চান তাদের ক্ষেত্রে সাফল্য আসার সম্ভাবনা খুব কম।”

    চন্দ্রকান্ত আরও বলেন, “আপনাদের মধ্যে কেউ কেউ ক্রিকেট পছন্দ করেন। আপনাদের মধ্যে কেউ যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেখে থাকেন তাহলে আপনারা একটা বিষয় লক্ষ্য করে থাকবেন সব দল কিন্তু এমনটা আশা করে না যে তাদের প্রত্যেক প্লেয়ার সব ক্ষেত্রে পটু হোক। এমনটা কেউ আশা করবে না যে সূর্যকুমার যাদব ডেথ ওভারে বোলিং করতে আসবেন। এমনটাও কেউ আশা করবে না যে জসপ্রীত বুমরাহ প্রথমদিকে ব্যাট করে রান চেজ করবেন।”

    অবশ্যই পড়ুন: মূল বেতনের সঙ্গে মিশে যাবে ৫০% DA? সরকারি কর্মীদের জন্য বড় খবর

    এদিন সূর্যকান্তের সংযোজন ছিল, বড় মাপের আইনজীবীরা কখনই সবকিছু করে উচু পদে পৌঁছননি। নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে যে আমি কোন বিষয়ে বেশি পটু। এই প্রশ্ন নিজেকে বারবার জিজ্ঞেস করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যে আইনজীবীদের তাদের কাজের প্রতি সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ এবং আত্মবিশ্বাসী দেখায় তারা সেইসব লোক যারা আসলেই অ্যাডভোকেসি শুরু করে। এক কথায়, আইনের ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে দেশের প্রধান বিচারপতির উপদেশ ছিল, তাঁরা যে ক্ষেত্রে বেশি পটু সেদিকেই যেন বিশেষভাবে নজর দেন।

  • টানা ৩ মাস বাতিল একাধিক ট্রেন, যাত্রা সংক্ষিপ্ত ৩০ এক্সপ্রেসের! তালিকা দিল রেল

    টানা ৩ মাস বাতিল একাধিক ট্রেন, যাত্রা সংক্ষিপ্ত ৩০ এক্সপ্রেসের! তালিকা দিল রেল

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনিও কি ছুটিতে পুরী যাওয়ার প্ল্যান করছেন? তাহলে ট্রেনের টিকিট কাটার আগে সাবধান। এর কারণ এবার এক ধাক্কায় কয়েক গুচ্ছ পুরীগামী ট্রেন (Train Cancelled) বাতিল করল রেল। বিশ্বাস হচ্ছে না তো? কিন্তু এটাই সত্যি। পুরীর সমুদ্র আলাদাই। সেইসঙ্গে এখানে রয়েছে বিশ্ববিখ্যাত জগন্নাথ দেবের মন্দির। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, বছরের যে কোনও সময়ে পর্যটকদের ভিড়ে থিকথিক করে এই পুরী। পুরীগামী ট্রেনের টিকিটও খুব একটা সহজে পাওয়া যায় না। এই রুটের টিকিট পাওয়া ভাগ্যের বিষয়। তবে জানলে অবাক হবেন, এবার আগামী ৩ মাসের জন্য পুরীগামী কয়েক গুচ্ছ ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ৩ মাস বাতিল থাকবে পুরীগামী বহু ট্রেন

    শীত অতীত, এখন ধীরে ধীরে গরম হচ্ছে দেশের অধিকাংশ জায়গার আবহাওয়া। আর গরম মানেই গরমের ছুটি পড়তেও বেশি বাকি নেই। এপ্রিল এবং মে মাসকে সাধারণত ভ্রমণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই সময়ে কেউ আছেন গরম থেকে বাঁচতে পাহাড়ে যান তো কেউ কেউ আবার সমুদ্রে যান। আর সমুদ্র মানেই হল কাছেপিঠে এবং বাজেটের মধ্যে দিঘা কিংবা পুরী। তবে এবারে পুরী যাওয়া আদৌ আর হবে কিনা সেই নিয়ে অনেকের মধ্যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এর কারণ ট্রেন বাতিল। ইস্ট-কোস্ট রেল (East Coast Railway) একটি বি়জ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেটা অনুযায়ী, আগামী তিন মাস বিভিন্ন দিনে খুড়দা রোড ডিভিশনে (Khurda Road Division) বাতিল থাকবে পুরীগামী ৬টি ট্রেন। এরই সঙ্গে যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে ৩০টি এক্সপ্রেস ট্রেনের। পুরী স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম নম্বর ৭ এবং ৮-এ কাজ চলছে। যে কারণে কিছু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। চলুন দেখে নেওয়া যাক।

    আরও পড়ুনঃ মার্চে টানা বন্ধ থাকবে স্কুল, দেখে নিন শিক্ষা পর্ষদের ছুটির তালিকা

    এক নজরে বাতিল ট্রেনগুলির তালিকা

    ১) ৬৮৪০৯ খুড়দা রোড-পুরী মেমু- ১৫ থেকে ৩১ মার্চ, ১ থেকে ৩০ এপ্রিল, ১ থেকে ১৫ মে।
    ২) ০৮০১২ পুরী-ভঞ্জপুর স্পেশাল- ১৫, ২০, ২২, ২৭, ২৯ মার্চ, ৩, ৫, ১০, ১২, ১৭, ১৯, ২৪, ২৬ এপ্রিল, ১, ৩, ৮, ১০ ও ১৫ মে।
    ৩) ০৮০১১ ভঞ্জপুর-পুরী স্পেশাল- ১৪, ১৯, ২১, ২৬ ও ২৮ মার্চ, ২, ৪, ৯, ১১, ১৬, ১৮, ২৩, ২৫ ও ৩০ এপ্রিল, ২, ৭, ৯, ১৪, ১৬ মে।
    ৪) ৬৮৪১০ পুরী-খুড়দা রোড মেমু- মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে বাতিল।
    ৫) ০২৮৪০ পুরী-শালিমার স্পেশাল- ১৬, ২৩ ও ৩০ মার্চ, ৬, ১৩, ২০ ও ২৭ এপ্রিল, ৪ ও ১১ মে।
    ৬) ০২৮৩৯ শালিমার-পুরী স্পেশাল- ১৫, ২২ ও ২৯ মার্চ, ৫, ১২, ১৯ ও ২৬ এপ্রিল, ৩ ও ১০ মে।

    কোন কোন ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে?

    এর পাশাপাশি পুরীগামী মোট ৩০টি দূরপাল্লা ট্রেন, দুরন্ত এক্সপ্রেস এবং মেমু ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে রেলের তরফে। তালিকা অনুসারে, ট্রেন নম্বর ১২১৪৫/১২১৪৬ লোকমান্য তিলক-পুরী এক্সপ্রেস, ট্রেন নম্বর ২২২০১-২২২০২ শিয়ালদহ-পুরী দুরন্ত এক্সপ্রেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ট্রেনের যাত্রা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।