Author: Saheli Mitra

  • ছবির মতো সাজানো, গরমের ছুটিতে ঘুরে আসুন উত্তরবঙ্গের এই তিন অফবিট হিল স্টেশন

    ছবির মতো সাজানো, গরমের ছুটিতে ঘুরে আসুন উত্তরবঙ্গের এই তিন অফবিট হিল স্টেশন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আর মাত্র কয়েকদিন পরেই শুরু হয়ে যাবে গরমের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত গরমের ছুটি (Summer Vacation)। এদিকে এই ছুটির ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য মন ব্যাকুল হয়ে ওঠে। এমনিতেই প্রবাদ আছে বাঙালির পায়ের তলায় সর্ষে ফুল। আর গরমের ছুটির সময়ে বিশেষ করে গরম থেকে বাঁচতে কোনও পাহাড়ি ঠান্ডা জায়গায় যেতে কমবেশি সকলেরই ইচ্ছে করে। আপনিও কি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? অথচ বাজেট কম? তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনে আপনাকে উত্তরবঙ্গের এমন কিছু অফবিট (North Bengal Offbeat) জায়গার সন্ধান দেব যেখানে গেলে শরীর ও মন দুটোই জুড়িয়ে যাবে আপনার। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    গরমের ছুটিতে উত্তরবঙ্গে ঘোরার সেরা ৩ জায়গা

    প্রখর রোদ ও গরম শরীর যেন আরও দুর্বল করে দেয়। এই সময়ে শরীর ও মন চাঙ্গা করতে উত্তরবঙ্গের এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে শরীরটা শুধু নিয়ে গিয়ে ফেললেই হল, আসল কাজ প্রকৃতি, আবহাওয়া করে দেবে। উত্তরবঙ্গের বুকেই রয়েছে কিছু জানা অজানা জায়গায় যেখানে গেলে আপনি গরম থেকে স্বস্তি পেতে পারেন এবং আপনার ছুটি পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেন।

    ঘুরে আসুন রঙ্গারুন

    উত্তরবঙ্গ বলতেই মানুষ বোঝেন দার্জিলিং। হ্যাঁ তাতে কোনও সন্দেহ নেই, কিন্তু এই জায়গার জনপ্রিয়তা এতটাই বেশি যে কখনও কখনও বেশি জনবহুল জায়গা বলে মনে হয়। আপনিও যদি একটু নিরিবিলিতে নিজের মনের মানুষ, একা কিংবা পরিবারের সঙ্গে একটু ভালো সময় কাটাতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন তাহলে ঘুরে আসতে পারেন রঙ্গারুন থেকে। এই জায়গার সৌন্দর্য, আবহাওয়া আপনার মনে এক আলাদাই জায়গা করে নেবে। দার্জিলিং-এর কাছে অবস্থিত একটি শান্ত ও নিরিবিলি গ্রাম, যা তার চা বাগান, কাঞ্চনজঙ্গার মন ভালো করা দৃশ্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। দার্জিলিং শহরের কোলাহল থেকে দূরে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং হোমস্টে অভিজ্ঞতার জন্য এটি একটি চমৎকার জায়গা।

    আরও পড়ুনঃ ৫ জেলায় দুর্যোগের ভ্রূকুটি, কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া

    এটি দার্জিলিং থেকে প্রায় ১৫-২০ কিমি দূরে অবস্থিত। এখান থেকে হিমালয়ের কাঞ্চনজঙ্গা পর্বতশ্রেণীর এক অত্যন্ত সুন্দর দৃশ্য দেখা যায়। স্থানটি চা বাগান দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং এর পরিবেশ অত্যন্ত শান্ত, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আদর্শ। পর্যটকরা এখানে চা বাগানে ঘুরে বেড়ানো, পাখি দেখা, ট্রেকিং এবং স্থানীয় সংস্কৃতি উপভোগ করতে পারেন। রঙ্গারুনে অনেক হোমস্টে রয়েছে যেখানে আপনি অনায়াসেই থাকতে পারেন। ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছে সেখান থেকে জোড়বাংলো হয়ে রঙ্গারুন যেতে পারবেন। শিলিগুড়ি থেকে আপনি জোড়বাংলো যাওয়ার শেয়ার গাড়ি পেয়ে যাবেন। এরপর সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যেতে পারবেন আপনার ডেস্টিনেশনে।

    রামধুরা

    আপনিও যদি পাহাড়ে গিয়ে একটু অফবিট জায়গার খোঁজ করে থাকেন তাহলে এই জায়গাটি একদম আদর্শ। হাতে দুদিনের ছুটি নিয়ে রামধুরা নামের ছোট্ট গ্রামটিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে পারেন। এই গ্রামটি দার্জিলিং থেকে মাত্র ৩০ কিমি এবং কালিম্পং থেকে ৮ কিমি দূরে অবস্থিত। এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়াগুলি সহজেই দেখা যায় এবং সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করা যায়। মনে হবে একদম হাতের নাগালে রয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা। নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে যাবেন এখানে? তাহলে এর জন্য শিয়ালদা, হাওড়া সহ যে কোনও বড় স্টেশন থেকে ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন পৌঁছে সেখান থেকে কালিম্পং হয়ে রামধুরা যেতে পারেন। সরাসরি গাড়ি ভাড়া করতে হবে। শিলিগুড়ির পানিট্যাংকি মোড় থেকে কালিম্পং যাওয়ার শেয়ার গাড়ি মিলবে। সেখান থেকে রামধুরার জন্য প্রাইভেট ট্যাক্সি বুক করতে পারেন।

    চিমনি

    উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চলের আরও একটা অল্প চেনা গ্রাম। দুদিনের ছুটি হাতে নিয়ে হৈহৈ করে ঘুরে আসতে পারেন মেঘের দেশ চিমনি থেকে। কার্শিয়াং অঞ্চলের এক অপরূপ সুন্দর গ্রাম। একদম কোলাহল মুক্ত এই গ্রামে হাঁটলে আপনি আপনার নিঃশ্বাস অবধি স্পষ্ট শুনতে পারবেন। পাহাড়, ঘন বন, মেঘ, কুয়াশা আপনার মন প্রাণ ভালো করে দেবে। এই চিমনিতে যাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে প্রাইভেট গাড়ি বুক করতে হবে। তাহলে এই গরমের ছুটিতে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন উত্তরবঙ্গের এই তিন অফবিট জায়গা থেকে।

  • ৫ জেলায় দুর্যোগের ভ্রূকুটি, কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া

    ৫ জেলায় দুর্যোগের ভ্রূকুটি, কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দুর্যোগ থেকে সাময়িক স্বস্তি, তবে মাসের শেষে ফের একবার ব্যাপক ঝড় বৃষ্টির সাক্ষী থাকবে সমগ্র বাংলা। আজ সোমবারও বাংলার বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে এক নাগাড়ে বর্ষণের জেরে বাংলাজুড়ে শীতের আমেজ ফিরে এসেছে যেন। এখন দুপুরে, রাতে গায়ে চাদর চাপাতেই হচ্ছে। যাইহোক, আজ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির মাত্রা কম থাকলেও বুধবার থেকে ফের দুর্যোগ শুরু হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    প্রথমেই আসা যাজ আজ সারাদিন সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া (Weather Today) কেমন থাকবে সে সম্পর্কে। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের তরফে জারি করা বুলেটিন অনুযায়ী, এদিন দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় হালকা থেকে মাঝারি পরিমাণে বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বইবে।

    আসলে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং একাধিক নিম্নচাপ অক্ষরেখার প্রভাবেই হয়েছে।বর্তমানে উত্তর হরিয়ানা থেকে উত্তর ছত্তিশগড় পর্যন্ত পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বিস্তার আছে। সেইসঙ্গে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা উত্তরপ্রদেশ এবং পূর্ব মধ্যপ্রদেশের উপর দিয়ে অবস্থান করছে। সেই সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প প্রবেশ করার কারণে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    এবার আসা যাক উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া সম্পর্কে। হাওয়া অফিসের মতে, উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চলগুলিতে প্রবল তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দার্জিলিং, কালিম্পং থেকে শুরু করে আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির ভ্রূকুটি রয়েছে। ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

    আগামীকালের আবহাওয়া

    আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবারের আবহাওয়া সম্পর্কে বললে, এদিন দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি মোটের ওপর শুষ্ক থাকবে। তবে কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। এরপর ২৫ মার্চ অর্থাৎ বুধবার থেকে ফের কালবৈশাখী, শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আলিপুর মৌসম ভবন। এদিন নতুন করে পশ্চিমের কিছু জেলা যেমন পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বর্ষণ হতে পারে। এরপর থেকে টানা ২৮ মার্চ অবধি কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে শিলাবৃষ্টি এবং কালবৈশাখীর জন্য দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ি জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

     

     

  • ১৪ কেজি নয়, এবার সিলিন্ডারে মিলবে অর্ধেক গ্যাস? বুকিং নিয়ম বদলাতে পারে সরকার

    ১৪ কেজি নয়, এবার সিলিন্ডারে মিলবে অর্ধেক গ্যাস? বুকিং নিয়ম বদলাতে পারে সরকার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে এখনও যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধ কবে থামবে? উত্তর জানা নেই কারোর। এদিকে এই যুদ্ধের প্রভাব বিশ্বের অন্যান্য দেশ, বিশেষ করে ভারতের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর পড়ছে। LPG থেকে শুরু করে নানা জিনিসের দাম বাড়ছে। এবার এই ১৪ কেজি গ্যাস সিলিন্ডারের (Gas Cylinder) ওজন নিয়ে প্রকাশ্যে এল বড় আপডেট। এবার হয়তো বুকিং করলে অর্ধেক ভর্তি গ্যাসই আপনার বাড়িতে পৌঁছাতে পারে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন।

    এবার LPG-তে থাকবে অর্ধেক গ্যাস?

    হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্য কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে, যা গ্যাস সরবরাহকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ভারত তার অভ্যন্তরীণ এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০% আমদানি করে এবং এই সরবরাহের প্রায় ৯০% আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। এই অবনতিশীল পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের পকেটের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। তবে এখন গ্যাসের ওজন নিয়ে নয়া বিতর্ক শুরু হয়েছে। এমনিতে একটি ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডারে ১৪.২ কেজি গ্যাস থাকে। কিন্তু পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকলে সিলিন্ডারগুলিতে ৭ বা ১০ কেজি গ্যাস ভরা হবে। এই বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত না নিলেও আশঙ্কা এমনটাই তৈরি হচ্ছে।

    সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কমানো হলেও কেন্দ্র বুকিংয়ের নিয়ম অপরিবর্তিত রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। সহজ ভাষায় বললে, ১০ কেজির প্লাস্টিক সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে ১৫ দিন, ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে শহরাঞ্চলে ২৫ দিন এবং গ্রামাঞ্চলে ৪৫ দিনের যে সীমারেখা রয়েছে, তাতে কোনো বদল আসছে না। এদিকে সরকার যতই বলুক পর্যাপ্ত গ্যাস মজুত রয়েছে, জায়গায় জায়গায় গ্যাস নিয়ে হাহাকার পড়ে গিয়েছে। বুকিং করলেও দীর্ঘদিন পর মিলছে গ্যাস। যাইহোক, কবে এই পরিস্থিতি ঠিক হবে সেদিকে নজর রাখছেন সাধারণ মানুষ।

    কোথায় কত টাকায় মিলছে ঘরোয়া, বাণিজ্যিক সিলিন্ডার?

    নয়াদিল্লিতে ঘরোয়া গ্যাসের দাম ৯১৩ এবং বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ১,৮৮৪.৫০ টাকা। মুম্বাইতে ঘরোয়া এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম যথাক্রমে ৯১২ এবং ১৮৩৬ টাকা। কলকাতা ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডার বিকোচ্ছে ৯৩৯ টাকা এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১,৯৮৮.৫০ টাকা। এর পাশাপাশি চেন্নাইতে ঘরোয়া এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম যথাক্রমে ৯২৮.৫০ ও ২,০৪৩.৫০ টাকা।

    আরও পড়ুনঃ মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা! ৩১ মার্চের পর বকেয়া DA নিয়ে সুখবর শোনাবে সরকার?

    ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালানোর পর উত্তেজনা শুরু হয়। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত তীব্রতর হয়েছে এবং নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে তেল ও গ্যাস ট্যাংকারগুলো এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। জাহাজে হামলার হুমকির কারণে কোম্পানিগুলো এই পথ এড়িয়ে চলছে, যার ফলে সরবরাহে গুরুতর ব্যাঘাত ঘটছে। এই সংকটের কারণে ভারতে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে। মার্চের শুরুতে, ১৪.২ কেজি গার্হস্থ্য সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা এবং ১৯ কেজি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ১৪৪ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তবে, এরপর থেকে আর কোনো মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়নি। সরকারের দাবি, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

  • মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা! ৩১ মার্চের পর বকেয়া DA নিয়ে সুখবর শোনাবে সরকার?

    মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা! ৩১ মার্চের পর বকেয়া DA নিয়ে সুখবর শোনাবে সরকার?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অষ্টম বেতন পে কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে অপেক্ষার মাঝেই সামনে এল সুখবর। কপাল ভালো থাকলে মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা অবধি বকেয়া। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু বিভিন্ন সূত্র মারফত এমনটাই শোনা যাচ্ছে। যত সময় এগোচ্ছে লক্ষ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মধ্যে অষ্টম বেতন কমিশন নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। এসবের মাঝেই বকেয়া টাকা কে কত পেতে পারেন সেটা নিয়ে একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে।

    কে কত বকেয়া পেতে পারেন?

    সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট অনুসারে, কমিশনের সুপারিশগুলি বাস্তবায়িত হলে কর্মচারীরা ২০ মাসের বকেয়া বেতন পেতে পারেন। এই টাকার পরিমাণ প্রায় ৩.৬ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে, যা কর্মচারীদের জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। বিভিন্ন বেতন স্তরের কর্মচারীরা বিভিন্ন পরিমাণে বকেয়া পেতে পারেন। কম মূল বেতনের কর্মচারীরা বেশি সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে বললে, লেভেল ১,যাদের মূল বেতন ১৮,০০০ টাকা, সেই সকল কর্মচারীরা ৩.৬ লক্ষ থেকে ৫.৬৫ লক্ষ টাকার মধ্যে পেতে পারেন। অন্যদিকে, লেভেল ৮ যাদের মূল বেতন মূল বেতন ৪৭,৬০০ টাকা, সেসব কর্মচারীরা ৯.৫ লক্ষ থেকে ১.৫ মিলিয়ন টাকার মধ্যে পেতে পারেন।

    বড় ভূমিকা পালন করবে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর

    অষ্টম বেতন কমিশনে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সপ্তম বেতন কমিশনে এটি ছিল ২.৫৭, কিন্তু এবার সরকার ২.০ এবং ২.৫৭-এর মধ্যে বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করছে। এদিকে, কর্মচারী সংগঠনগুলো এটিকে ৩.০ থেকে ৩.২৫ পর্যন্ত বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছে। এই দাবি মেনে নেওয়া হলে, ন্যূনতম মূল বেতন ১৮,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৪,০০০ টাকা হতে পারে, যা কর্মচারীদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে।

    আরও পড়ুনঃ কাটবে LPG সংকট, রাজ্যগুলিতে ২০% গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা কেন্দ্রের

    এখন সকলের প্রশ্ন, কবে লাগু হবে অষ্টম বেতন পে কমিশন? একটি নতুন বেতন কমিশন সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর পর গঠিত হয়। এই রীতি অনুসরণ করে, অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশগুলো ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কমিশনের প্রধান হলেন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই এবং এটি ১৮ মাসের মধ্যে তার রিপোর্ট জমা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এবং নতুন বেতন কাঠামোটি কার্যকর করবে।

  • যুবসাথীর ১৫০০ টাকা এখনও পাননি? জানুন কী করতে হবে এবার

    যুবসাথীর ১৫০০ টাকা এখনও পাননি? জানুন কী করতে হবে এবার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যুবসাথী প্রকল্পে (Banglar Yuva Sathi) আবেদন করেছেন অথচ টাকা পেতে দেরি হচ্ছে? কী করবেন বুঝতে পারছেন না? তাহলে আপনার জন্য রইল আজকের এই প্রতিবেদনটি। রাজ্য বাজেটে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করে। সরকারের এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে বাংলার বেকার যুবক যুবতীরা ১৫০০ টাকা করে অর্থ সাহায্য পাবেন। অনেকে এই টাকা পেয়েওছেন। কিন্তু আবার অনেকে পাননি। আদৌ টাকা মিলবে তো? নাকি আবেদন বাতিল হয়ে গেল? তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। যারা এখনও টাকা পাননি তাঁরা কি আর ভবিষ্যতে পাবেন? চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    কবে মিলবে যুবসাথীর টাকা?

    সরকার জানিয়েছে, গত ৭ মার্চ, ২০২৬ থেকে আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে ১৫০০ টাকা করে পাঠানো শুরু করা হয়েছে। আগে এই প্রকল্পের সুবিধা ১৫ আগস্ট, তারপর ১ এপ্রিল এবং পরে ৭ মার্চ থেকে দেওয়ার ঘোষণা করে সরকার। এদিকে ঘোষণা মতো সেদিন থেকেই টাকা ঢুকতে শুরু করে আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে। ইতিমধ্যে বাংলায় বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। জোরকদমে নির্বাচনী প্রচারের কাজ চলছে জেলায় জেলায়। তবে অন্যদিকে বিপাকে পড়েছেন সরকারি দফতরগুলি। কারণ ভোট ঘোষণা হওয়ার পাশাপাশি আচরণবিধিও লাগু হয়েছে। ফলে সরকারি দফতরগুলির কাজ ব্যাহত হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ DA কাণ্ডে রাজ্যের কাছে গেল কড়া চিঠি, চাপে পড়বে নবান্ন?

    সূত্রের খবর, ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকদের (BDO) লগইন আইডি সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকায় তারা সরাসরি কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারছেন না। ফলে এখন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে চারিদিকে। যদিও সরকার এখনও আশ্বাস দিচ্ছে, যারা একদম নির্ভুল ফর্ম জমা দিয়েছেন কিন্তু অনুদান পাননি তাঁরা শীঘ্রই টাকা পেয়ে যাবেন। এই মার্চ মাসের মধ্যে সকলেই টাকা পেয়ে যাবেন বলে খবর। শুধু একটু অপেক্ষা আর কিছুই না।

    এভাবে নিজের স্টেটাস চেক করুন

    • ১) প্রথমে yubasathi.wb.gov.in -এ ভিজিট করতে হবে।
    • ২) এরপর “Check Status” or “Applicant Login” অপশনে ক্লিক করতে হবে।
    • ৩) পরবর্তী ধাপ হিসেবে আবেদন নম্বর বা রেজিস্টার মোবাইল নম্বর লিখতে হবে।
    • ৪) Security Code দিতে হবে। এরপরেই আপনার আবেদন কী পর্যায়ে আছে তা দেখানো হবে স্ক্রিনে।

     

  • DA কাণ্ডে রাজ্যের কাছে গেল কড়া চিঠি, চাপে পড়বে নবান্ন?

    DA কাণ্ডে রাজ্যের কাছে গেল কড়া চিঠি, চাপে পড়বে নবান্ন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে সরকারের গলায় ডিএ বিষয় (Bengal DA Issue) যেন কাঁটার মতো হয়ে আছে। বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রশমন হওয়ার নামই নিচ্ছে না সরকারি কর্মীদের। শীঘ্রই যদি বকেয়া টাকা না মেটানো হয় তাহলে ফল ভালো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। চলতি মার্চ মাসেই বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতার প্রথম কিস্তি দেওয়ার কথা। কিন্তু এখনও অবধি সেই টাকা মেটানোর বিষয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেনি সরকার। যাইহোক, এরই মাঝে অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের কাছে মেল দেওয়া হল সরকারি কর্মীদের পক্ষ থেকে।

    DA নিয়ে সরকারকে চিঠি

    কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় মেলের একটা ছবি ফেসবুকে তুলে ধরেন। সেইসঙ্গে লেখেন, ‘সকলের জন্য ডিএ চাই। অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের কাছে মেল মারফত পত্র।’ মেল অনুযায়ী,

    (১) আপনার স্মারক নং ৩৯৬-এফ(পি), ১৯৯-এফ(পি) এবং ১৯৮-এফ(পি) আদেশনামা গত ৩০.০১.২০২৬ তারিখে জারি হয়েছে এবং ০৬.০২.২০২৬ তারিখের মধ্যে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। এটি একটি দীর্ঘদিনের বিষয়। ঘটনাক্রমে আদেশনামাটি ০১.০২.২০২৬ থেকে ০৬.০২.২০২৬ রাত ৮টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত গোপন রাখা হয়েছিল, যা বিধানসভা নির্বাচনের কোড অব কন্ডাক্ট জারির ৪০ মিনিট আগে (০৬.০২.২০২৬) মুখ্যমন্ত্রীকে নাটকীয়ভাবে ঘোষণা করার সুযোগ করে দিতে পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে এবং এর কোনও সদুত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

    (২) আদেশনামা নং ৩৯৮-এফ(পি), ৩০.০১.২০২৬-এর ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে—
    “The modalities for release of arrears of Dearness Allowance/Dearness Relief, as applicable, may be notified by the respective Administrative Departments thereafter with the concurrence of Finance Department.”

    অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তরগুলিকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। এর ফলে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

    (৩) উপরন্তু, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য কোষাগার থেকে বেতন/পেনশন প্রাপ্য সকল কর্মচারী একসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন—যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

    (৪) আদেশনামা নং ৩৯৮-এফ(পি), ৩০.০১.২০২৬ অনুযায়ী ‘Rule making authority’ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

    (৫) এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বেতন/পেনশনের তথ্য এইচ.আর.এম.এস পোর্টালে আপলোডের বিষয়ে দপ্তরের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে কর্মচারীদের প্রাপ্য বকেয়া নির্ধারণে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    (৬) আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বেতন/পেনশনের তথ্যভান্ডার প্রস্তুত করা জরুরি হলেও, বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি—এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অতএব, উপরোক্ত বিষয়গুলি বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার নিকট বিশেষভাবে আবেদন জানাচ্ছি।

  • বাড়ছে জ্বালানির দাম! এপ্রিল থেকে মহার্ঘ হচ্ছে বিমান ভাড়া? ইঙ্গিত কেন্দ্রের

    বাড়ছে জ্বালানির দাম! এপ্রিল থেকে মহার্ঘ হচ্ছে বিমান ভাড়া? ইঙ্গিত কেন্দ্রের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ নতুন মাস অর্থাৎ এপ্রিল থেকে আরও আর্থিক বোঝা চাপতে চলেছে সাধারণ মানুষের ওপর। এমনিতেই দিনে দিনে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ছে। এলপিজি কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে সাধারণ আমজনতার। এদিকে বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এখন ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলোকে প্রভাবিত করছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, আগামী এপ্রিল মাস থেকে বিমানে সফর আরও মহার্ঘ্য (Flight Fare) হতে পারে। সরকার তো অন্তত তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছে।

    এপ্রিল থেকে বাড়ছে বিমান ভাড়া?

    সরকার ইঙ্গিত দিয়েছে যে ১ এপ্রিল থেকে এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (ATF)-এর দাম বাড়তে পারে। তবে, কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে যে এই বোঝা অবিলম্বে যাত্রীদের উপর চাপানো হবে না এবং এ বিষয়ে কাজ চলছে। এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু। তিনি জানিয়েছেন যে, প্রতি মাসের ১ তারিখে এটিএফ-এর মূল্য নির্ধারণ করা হয় এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব ১ এপ্রিলের মধ্যেই দেখা যেতে পারে।

    আরও পড়ুনঃ পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    তিনি বলেন, এই বিষয়ে বিমান সংস্থাগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে। মন্ত্রী স্বীকার করেন যে বিমান সংস্থাগুলি আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছে, কিন্তু সরকারের অগ্রাধিকার হলো নিরাপদ ও নিয়মিত পরিষেবা নিশ্চিত করা। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর দিয়ে বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়লে তা সরাসরি এটিএফ (ATF)-এর দামকে প্রভাবিত করবে। তবে, সরকার স্পষ্ট করেছে যে তাদের অগ্রাধিকার হলো যাত্রীদের যেন অবিলম্বে ভাড়া বৃদ্ধির সম্মুখীন হতে না হয় তা নিশ্চিত করা।

    তেলের দাম বাড়বেই

    মন্ত্রী বলেছেন যে বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও এটিএফ-এর মূল্যবৃদ্ধি প্রায় অনিবার্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এর ফলে যেন টিকিটের দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি না ঘটে, তা নিশ্চিত করাই হবে মন্ত্রকের প্রধান লক্ষ্য। সরকার ভ্রমণকারীদের স্বার্থে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও এটিএফ-এর মূল্যবৃদ্ধি প্রায় অনিবার্য। রাম মোহন নাইডু জোর দিয়ে বলেন যে, এর ফলে যেন টিকিটের দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি না ঘটে, তা নিশ্চিত করাই হবে মন্ত্রকের প্রধান লক্ষ্য।

     

  • পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ শিয়ালদা ডিভিশনের (Sealdah railway division) সবথেকে নোংরা রেল স্টেশন কোনটি? প্রথমেই নিশ্চয়ই আপনার মাথায় আসবে শিয়ালদা ডিভিশনের পার্ক সার্কাস স্টেশনের নাম। এই স্টেশনের ওপর দিয়ে যারা রোজ যাতায়াত করেন কিংবা একবার হলেও করেছেন তাঁরাই জানবেন স্টেশন ঢোকার মুখে বা ছাড়ার সময়ে চামড়ার গন্ধ কেমন হয়। সেইসঙ্গে ভাগাড় তো রয়েইছেই। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, এখন সেই নোংরা স্টেশনের (Dirtiest Railway Station) তকমা হারিয়েছে, এখন অন্য দুইটি স্টেশন সবথেকে বেশি নোংরা হয়ে উঠেছে। নাম শুনলে হয়তো চমকে যাবেন।

    শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি?

    এমনিতে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক, ভারতীয় রেল, সারা দেশে ৭,৪৬১টি রেল স্টেশন পরিচালনা করে। তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বেশিরভাগ রেল স্টেশনের আধুনিকীকরণ প্রচেষ্টা এবং উল্লেখযোগ্য সংস্কার সত্ত্বেও, কয়েকটি ভারতীয় ট্রেন স্টেশন এখনও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং আধুনিক স্বাস্থ্যবিধির মানের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে পারছে না। দিনে দিনে আরও যেন নোংরা হয়ে উঠছে। রোজ সেই স্টেশনগুলির ওপর যাতায়াত করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। যাইহোক, আজ কথা হচ্ছে শিয়ালদা বিভাগের সন্তোষপুর এবং বাঘাযতীন রেল স্টেশন নিয়ে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। বর্তমানে এই দুটি রেল স্টেশন সবথেকে নোংরা স্টেশন হিসেবে পার্ক সার্কাসকেও পেছনে ফেলে দিয়েছে।

    সম্প্রতি পূর্ব রেল যেখানে শিয়ালদহ স্টেশনে চার হাজার বর্গফুট এলাকা থেকে ৫০ টন বর্জ‌্য পরিষ্কার করা হয়েছে, সেখানেই সন্তোষপুর এবং বাঘাযতীন স্টেশনে ৪,০০০ বর্গফুট এলাকা থেকে ১০০ টন করে আবর্জনা সরানো হয়েছে। অন্যান্য প্রধান এলাকাগুলোর মধ্যে মগরাহাটে ২,০০০ বর্গফুট থেকে ৩৫ টন, পাতিপুকুর ও টালায় ৩০ টন করে, এবং বিধাননগর ও কলকাতা স্টেশনে ২০ টন করে আবর্জনা সরানো হয়েছে।রেল একটি পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালায়। সেখানেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এরই সঙ্গে তালিকায় রয়েছে লেক গার্ডেন থেকে শুরু করে সোদপুর, সোনারপুর, হালিশহর, আগরপাড়া, নিউ গড়িয়া, টালিগঞ্জ স্টেশন থেকে কয়েকশো টন নোংরা সরিয়েছে পূর্ব রেলওয়ের এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হাউসকিপিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগ।

    আরও পড়ুনঃ ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে স্বদেশী বুলেট ট্রেন, ১৬টি হাই-স্পিড ট্রেন সেটের অর্ডার

    ভারতের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি?

    এছাড়া আপনি কি জানতে ইচ্ছুক ভারতের কোন রেল স্টেশন সবথেকে নোংরা? ভারতীয় রেলওয়ের রেল স্বচ্ছ পোর্টাল অনুসারে, দক্ষিণ রেলওয়ে জোনের চেন্নাই রেলওয়ে বিভাগের তামিলনাড়ুর পেরুঙ্গালাথুর রেলওয়ে স্টেশনটি ভারতের সবচেয়ে নোংরা রেলওয়ে স্টেশন হওয়ার কুখ্যাত তকমা পেয়েছে। এছাড়াও, দেশের সবচেয়ে নোংরা স্টেশনগুলির মধ্যে আরও অসংখ্য রেল স্টেশন রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিহারের পাটনা, মুজাফফরপুর এবং আরারিয়া কোর্ট রেল স্টেশন, উত্তর প্রদেশের ঝাঁসি ও বরেলি রেল স্টেশন, এবং তামিলনাড়ুর ভেলাচেরি ও গুডুভানচেরি রেল স্টেশন।

  • ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে স্বদেশী বুলেট ট্রেন, ১৬টি হাই-স্পিড ট্রেন সেটের অর্ডার

    ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে স্বদেশী বুলেট ট্রেন, ১৬টি হাই-স্পিড ট্রেন সেটের অর্ডার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কবে চালু হবে দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন (Bullet Train)? এই প্রশ্ন এখন সকলের। রেল সূত্রে খবর, বিভিন্ন ধাপে এই ট্রেনের পথচলা শুরু হবে। এরই মাঝে উচ্চাকাঙ্খী এই বুলেট ট্রেন প্রকল্প নিয়ে সামনে এল বড় আপডেট। জানা গিয়েছে, মুম্বাই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন করিডোরের একটি বড় ক্রয় প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিইএমএল (BEML) ভারতের দ্রুতগতির রেল নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। সংস্থাটি মেধা সার্ভো ড্রাইভসের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে এবং এই প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত ট্রেনসেট সরবরাহ করতে একটি দরপত্র জমা দিয়েছে।

    বুলেট ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট

    BEML মেধা কনসোর্টিয়াম ন্যাশনাল হাই-স্পিড রেল কর্পোরেশনকে ১৬টি দ্রুতগতির ট্রেনসেট সরবরাহ করার জন্য একটি প্রস্তাব জমা দিয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে ৮৬৬ কোটি টাকা মূল্যের দুটি প্রোটোটাইপ ট্রেনসেটের জন্য একটি চুক্তি হয়েছিল। দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সহ প্রস্তাবিত নতুন ট্রেনসেটগুলির প্রতিটির আনুমানিক ব্যয় প্রায় ২৫০ কোটি টাকা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কাঠামোর অধীনে, বিইএমএল মূল কাঠামোগত এবং অভ্যন্তরীণ উপাদানগুলির দায়িত্ব নেবে, আর মেধা (Medha) প্রোপালশন সিস্টেম, বগি এবং ট্রেন নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তির জন্য দায়ী থাকবে। চূড়ান্ত মূল্য আরও আলোচনার সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে।

    ঘণ্টায় ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে ট্রেন!

    সূত্রের খবর, এই ট্রেনগুলো ঘণ্টায় ২৫০ কিমি পর্যন্ত গতিতে চলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যার সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ঘণ্টায় ২৮০ কিমি। আশা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত ট্রেনসেটগুলোও প্রোটোটাইপের মতোই একই ডিজাইন প্ল্যাটফর্ম অনুসরণ করবে এবং সময়ের সাথে সাথে এতে আরও উন্নতি ঘটানো হবে। প্রকল্পটির একটি প্রধান লক্ষ্য হলো দেশীয় উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি করা। প্রাথমিক ট্রেনসেটগুলিতে প্রায় ৫০% স্থানীয় যন্ত্রাংশ থাকবে বলে অনুমান করা হচ্ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা পরিপক্ক হওয়ার সাথে সাথে এই অনুপাত আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ নিম্নচাপের কাঁটায় দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় ভারী বৃষ্টির ভ্রূকুটি! আজকের আবহাওয়া

    প্রথম প্রোটোটাইপ ট্রেনসেটগুলির পথচলা আগামী ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৭ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে, যার সূচনা হবে সুরাট-বিলিমোরা অংশ দিয়ে। এই সুবিশাল করিডোরটি মহারাষ্ট্র ও গুজরাট জুড়ে ৫০৮ কিলোমিটার বিস্তৃত এবং ১২টি স্টেশনের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রধান শহরগুলোকে সংযুক্ত করেছে।

     

  • ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার বাড়াল SBI, পোয়া বারো গ্রাহকদের

    ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার বাড়াল SBI, পোয়া বারো গ্রাহকদের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (State Bank of India) ভারতের সবথেকে বড় সরকারি ব্যাঙ্ক। বর্তমানে কয়েক কোটি মানুষের অ্যাকাউন্ট আছে SBI-এ। আপনারও কি অ্যাকাউন্ট আছে? ফিক্সড ডিপোজিট (Fixed Deposit) করবেন বলে ভাবছেন বা রয়েছে? তাহলে আপনার জন্য রইল দারুণ সুখবর। অর্থবর্ষ শেষ হওয়ার আগে এফডি অ্যাকাউন্টধারীদের জন্য সুখবর শুনিয়েছে ব্যাঙ্কটি। বাড়ল সুদের পরিমাণ। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    FD-তে সুদের হার বাড়াল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া

    এসবিআই ৩ কোটি টাকার বেশি বাল্ক ডিপোজিটের উপর সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট (Bps) বাড়িয়েছে। নতুন এই হার ১৫ মার্চ, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। এই সীমার নিচের ডিপোজিটের ক্ষেত্রে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকবে। ফিক্সড ডিপোজিটের সুদের হারে এই ২৫ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু মেয়াদের জন্য প্রযোজ্য। যেমন ৪৬ দিন থেকে ১৭৯ দিনের মধ্যে মেয়াদপূর্তি হওয়া বাল্ক ডিপোজিটের সুদের হার ৫.১০% থেকে বাড়িয়ে ৫.৩৫% করা হয়েছে। এছাড়াও ১৮০ দিন থেকে এক বছরের কম মেয়াদের ডিপোজিটের সুদের হার ৫.৬০% থেকে বাড়িয়ে ৫.৮৫% করা হয়েছে। এক বছর থেকে দুই বছরের কম মেয়াদের ডিপোজিটের সুদের হার ৬.২৫% থেকে বাড়িয়ে ৬.৫০% করা হয়েছে।

    প্রবীণ নাগরিকরা পাবেন বিশেষ সুবিধা

    ব্যাঙ্কের সিদ্ধান্তের ফলে সবথেকে বেশি লাভবান হবেন প্রবীণ নাগরিকরা। কারণ তাঁরা আগের মতোই উচ্চতর রিটার্ন পাবেন। ৪৬ থেকে ১৭৯ দিন পর্যন্ত মেয়াদের জন্য তাদের ক্ষেত্রে সুদের হার ৫.৬০% থেকে বাড়িয়ে ৫.৮৫% করা হয়েছে। ১৮০ দিন থেকে এক বছরের কম মেয়াদের আমানতের ক্ষেত্রে এখন ৬.৩৫% রিটার্ন পাওয়া যাবে, যা আগে ছিল ৬.১০%। এক বছর থেকে দুই বছরের কম মেয়াদের জন্য সংশোধিত হার ৭%, যা আগে ছিল ৬.৭৫%।

    আরও পড়ুনঃ কমবে সময়! মালদহ ডিভিশনে বিরাট পদক্ষেপ রেলের

    এখানে জানিয়ে রাখি, যেসব বিনিয়োগকারী মেয়াদপূর্তির আগে টাকা তুলতে চান, তাঁদের জরিমানা দিতে হবে। এসবিআই সব মেয়াদের বাল্ক ডিপোজিটের উপর ১% জরিমানা বহাল রেখেছে। এর মানে হলো, মেয়াদপূর্তির আগে টাকা তোলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সুদের হার ১% কমে যাবে।